Best-Diagnostic & Medical Limited

Best-Diagnostic & Medical Limited Diagnostic center

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে ডায়াবেটিস এখন নীরব মহামারী হয়ে দাঁড়িয়েছে।দারিদ্র্য, অজ্ঞতা এবং নিয়মিত পরীক্ষা না করার কারণে অনেকে...
16/04/2026

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে ডায়াবেটিস এখন নীরব মহামারী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দারিদ্র্য, অজ্ঞতা এবং নিয়মিত পরীক্ষা না করার কারণে অনেকেই জানতেই পারেন না যে তাদের শরীরে ধীরে ধীরে ডায়াবেটিস বাড়ছে।

যখন বুঝতে পারেন, তখন অনেক দেরি হয়ে যায়…

তাই সময় থাকতে সচেতন হোন।
নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করুন এবং নিজের ও পরিবারের যত্ন নিন।

🔴 আজই রক্তে শর্করা পরীক্ষা করুন

🏥 BEST Diagnostic & Medical Limited
📞 যোগাযোগ: +8801756441999

ঈদ মোবারক — এই পবিত্র দিনে আপনার জীবন ভরে উঠুক সুখ, শান্তি, ভালোবাসা আর অফুরন্ত আনন্দে
20/03/2026

ঈদ মোবারক — এই পবিত্র দিনে আপনার জীবন ভরে উঠুক সুখ, শান্তি, ভালোবাসা আর অফুরন্ত আনন্দে

🔬 নতুন উদ্যোগ, নতুন শুরু! 🏥আমাদের মেডিকেল সেন্টার Best Diagnostic & Medical Ltd. নতুন করে সব কার্যক্রম শুরু করেছে। 💉💊 আপ...
25/09/2024

🔬 নতুন উদ্যোগ, নতুন শুরু! 🏥

আমাদের মেডিকেল সেন্টার Best Diagnostic & Medical Ltd. নতুন করে সব কার্যক্রম শুরু করেছে। 💉💊 আপনাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আমরা প্রস্তুত!

আপনাদের সবার জন্য আমাদের সেবা এখন আরও উন্নত এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ। তাই আপনারা শকলে আমন্ত্রিত আমাদের মেডিকেল সেন্টারে।

📍 লোকেশন: 53/2 dit extension road, Fokirapool Dhaka 1000, Dhaka, Bangladesh

সুস্বাস্থ্যের জন্য আসুন, Best Diagnostic & Medical Ltd.💚

➡️ আমাদের ফেসবুক পেজ: Best Diagnostic & Medical Ltd.

☎️ যে কোনো প্রশ্ন বা পরামর্শের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

খালি পেটে খেয়ে দেখুন ঘি কফি, ৬টি উপকারিতা পাবেনইঘি কফি হল ঘি এর মিষ্টতা এবং কফির তিক্ততার এক অনন্য মিশ্রণ, যা সকালে খালি...
28/08/2024

খালি পেটে খেয়ে দেখুন ঘি কফি, ৬টি উপকারিতা পাবেনই

ঘি কফি হল ঘি এর মিষ্টতা এবং কফির তিক্ততার এক অনন্য মিশ্রণ, যা সকালে খালি পেটে পান করলে অন্ত্রের জন্য উপকারি। আরও কী কী উপকার পাবেন?
1/ ঘি কফি ওমেগা ৩, ৬, ৯ এর উৎস। এটি হৃদরোগ এবং বিপাককে উন্নত করে।
2/ ঘি কফি হজমে সাহায্য করে কারণ ঘি প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে যা অন্ত্রের জন্য ভালো এবং অ্যাসিডিটি নিরপেক্ষ। এটি বিপাক বৃদ্ধি করে এবং হজমের স্বাস্থ্যকে বজায় রাখতে সাহায্য করে।
3/ এটি তাৎক্ষণিক কফির স্পাইককে কমিয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কের ফোকাস উন্নত করে।
4/ ঘি কফি ওজন কমাতে সাহায্য করে কারণ এটি আপনার খিদে কমিয়ে দেয়, ফলে ওজন হ্রাস পায়।
5/ এটি স্বাস্থ্যকর চেহারা, উজ্জ্বল ত্বক বজায় রাখে, ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে, বার্ধক্যের প্রাথমিক লক্ষণগুলি হ্রাস করে এবং আপনাকে আরও তরুণ দেখায়।
6/ পানীয়টি আপনাকে ভেতর থেকে উষ্ণ রাখে এবং আপনার মেজাজের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
7/ ঘি কফি আরামদায়ক হতে পারে এবং সারাদিন আপনাকে শক্তি জোগাতেও ভালো পারে। তবুও, আপনার খাদ্যতালিকায় কিছু যোগ করার আগে সবসময় একজন ডায়েটিশিয়ানের সঙ্গে পরামর্শ করা বাঞ্ছনীয়।

Fruits for Skin: নিয়মিত পাতে রাখুন এই ৪ ফল, ঝলমল করবে আপনার ত্বকউজ্জ্বল ত্বক কে না চায়? কিছু পুষ্টি সমৃদ্ধ ফলই অনায়াসে আ...
27/08/2024

Fruits for Skin: নিয়মিত পাতে রাখুন এই ৪ ফল, ঝলমল করবে আপনার ত্বক

উজ্জ্বল ত্বক কে না চায়? কিছু পুষ্টি সমৃদ্ধ ফলই অনায়াসে আপনার ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল করতে পারে।

পেঁপে: পেঁপেতে প্যাপেইনের মতো এনজাইম রয়েছে, যার এক্সফোলিয়েটিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বকের মৃত কোষগুলিকে অপসারণ করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ, যা আপনার ত্বকের উপকার করতে পারে এবং পিগমেন্টেশন কমাতে পারে।

কিউই: কিউই ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা ত্বকের কোষকে পুষ্ট করতে এবং ত্বকের ভেতর থেকে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ফলগুলি কীভাবে ব্যবহার করবেন?
আপনি আপনার ডায়েটে তাজা ফল যোগ করতে পারেন বা আপনার ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগাতে, উজ্জ্বল করতে আপনার মুখে এই ফল দিয়ে ঘরে তৈরি মাস্ক লাগাতে পারেন।
তবে, আপনার ত্বকে কোনও সমস্যা থাকলে, ব্যক্তিগত পরামর্শের জন্য একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

আপনার কি প্রায়ই সর্দি-কাশি হয়? বাড়ি বসেই মেনে চলুন এই ৩টি আয়ুর্বেদিক টিপস, কমবে সমস্যাকেউ কেউ সারা বছর সর্দি-কাশীতে ভ...
26/08/2024

আপনার কি প্রায়ই সর্দি-কাশি হয়? বাড়ি বসেই মেনে চলুন এই ৩টি আয়ুর্বেদিক টিপস, কমবে সমস্যা
কেউ কেউ সারা বছর সর্দি-কাশীতে ভোগেন, আবার কেউ কেউ বর্ষাকালে। জেনে নিন বাড়িতেই পাওয়া যাবে এই ৩ ধরণের আয়ুর্বেদ ঔষধি, যা কাজ করবে ম্যাজিকের মতো।

গ্রীষ্ম শেষ হয়ে শুরু হয়েছে বর্ষাকাল । দীর্ঘদিন ধরে প্রচণ্ড গরমে ভোগা মানুষ এখন ভুগছেন বৃষ্টিতে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে স্বাস্থ্যেও।এই বর্ষাকালে আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে দেখা দেয় সর্দি-কাশি। ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাল ইনফেকশন বা অ্যালার্জির কারণেও কাশি হতে পারে। বর্ষাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকা খুবই জরুরি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকলে দ্রুত রোগ থেকে সেরে উঠতে পারবেন। তবে কিছু আয়ুর্বেদিক পণ্য সর্দি-কাশির সমস্যা কমাতে পারে।

আদা: অনেকেই আদা চা পান করেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আদা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। আদাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আদা চা পান করলে সর্দি-কাশি দূর হয়

হলুদ: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সর্দি-কাশি হওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। এই ক্ষেত্রে, সুস্থ থাকতে এবং এই সাধারণ অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে হলুদ দুধ পান করুন। হলুদে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

গোলমরিচ: রান্নাঘরে কালো মরিচ অনেক খাদ্য সামগ্রীতে মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে এটি শুধু মশলা নয়, বর্ষাকালে সর্দি-কাশির প্রতিকারও বটে। সর্দি-কাশি হলে মধুর সঙ্গে কালোজিরা খেলে এসব রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

Five types of tea: বর্ষায় রোগের প্রকোপ থেকে মুক্তি পেতে চান? খেতে পারেন এই পাঁচ রকম চাযে কোনও ঋতুর থেকে বর্ষা ঋতুতে রোগ...
25/08/2024

Five types of tea: বর্ষায় রোগের প্রকোপ থেকে মুক্তি পেতে চান? খেতে পারেন এই পাঁচ রকম চা

যে কোনও ঋতুর থেকে বর্ষা ঋতুতে রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায় সবথেকে বেশি। যেহেতু বর্ষায় আদ্রতা জনিত আবহাওয়া থাকে, তাই এই সময় ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ সব থেকে বেশি বেড়ে যায়। বর্ষায় নিজেকে রোগ মুক্ত করে রাখার জন্য তাই আপনি প্রতিদিন পান করতে পারেন এই ৫টি ভিন্ন স্বাদের চা।
শুধু বর্ষায় নয়, নিজেকে রোগ মুক্ত করে রাখার জন্য যে কোনও ঋতুতেই আপনি লেবু চা পান করতে পারেন। এটি আপনাকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি যে কোনও রোগের হাত থেকে আপনাকে বাঁচাবে। এটির আঠালো স্বাদ আপনাকে রিফ্রেস করে রাখবে।

আদা চা: যেহেতু বর্ষায় সব থেকে বেশি সর্দি কাশির সমস্যায় ভোগেন মানুষ, তাই আদা চা আপনার জন্য হতে পারে সব থেকে বেশি উপকারী। তবে শুধু সর্দি কাশির জন্য নয়, আপনার হজম ক্ষমতা বাড়াতেও আদা চায়ের জুড়ি মেলা ভার।

এলাচ চা: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ এলাচ দিয়ে যদি চা বানিয়ে খেতে পারেন তাহলে ঋতু পরিবর্তনের ফলে যে সমস্ত শারীরিক সমস্যা দেখা যায়, তা থেকে মুক্ত থাকতে পারেন আপনি।

তুলসী চা: এটা তো নিশ্চয়ই জানেন, সর্দি কাশি হলেই এই অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণসম্পন্ন চা'টি আপনাকে খেতে বলেন সকলে। তবে শুধু বর্ষায় নয়, সারা বছর তুলসী চা খেলে আপনি সামগ্রিকভাবে সুস্থ থাকবেন।

মসলা চা: মসলাটা তৈরি হয় এমন কিছু মসলা দিয়ে, যা আপনার হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বর্ষায় আপনাকে রোগমুক্ত রাখে। এখন যে কোনও ধাবা বা বড় বড় হোটেলেও আপনি পেয়ে যাবেন এই মসলা চা।

বৃষ্টিরমধ্যে ভ্যাপসা গরম, এমন সময় শিশুর খেয়াল কীভাবে রাখবেন? জানালেন বিশেষজ্ঞ  বর্ষা আসবে আসবে করছে, এখনও সেভাবে বর্ষার ...
24/08/2024

বৃষ্টিরমধ্যে ভ্যাপসা গরম, এমন সময় শিশুর খেয়াল কীভাবে রাখবেন?

জানালেন বিশেষজ্ঞ বর্ষা আসবে আসবে করছে, এখনও সেভাবে বর্ষার একনাগাড়ে বৃষ্টির দেখা না মিললেও মাঝেমধ্যে হচ্ছে। সকালে গরমে ঘামে ভিজতে হচ্ছে, বিকেলে হয়তো একটু স্বস্তির বৃষ্টি। এমন অবস্থায় কিন্তু শরীরের অবস্থা বেশ খারাপ হতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের এমন আবহাওয়া বেশ কাহিল করে। সংক্রামক অসুখ, জলবাহিত, মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বাড়ে। অসাবধান হলেই জটিল হয় পরিস্থিতি। খেয়াল রাখতে হবে অনেক কিছুই।
কিছু জরুরি ভ্যাকসিন, এখনও না দিলে নজর দিন সেদিকে বর্ষায় বিভিন্ন রোগের থেকে বাঁচতে শিশুদের বেশ কিছু ভ্যাকসিন দেওয়া খুব জরুরি। যার সবকটা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্ডে কিংবা সরকারি গাইডলাইনে উল্লেখ নাও থাকতে পারে। যেমন-
ফ্লু ভ্যাকসিন – শিশুর জন্মের ছয় মাসে এবং সাত মাসে ভ্যাকসিনের প্রথম দু’টি ডোজ নিতে হয়। এরপর বর্ষাকালের আগে ৫-৬ বছর বয়স অবধি একটা করে ডোজ প্রত্যেক বছর নেওয়া আবশ্যক।
মেনিঞ্জকক্কাল ভ্যাকসিন – এক্ষেত্রে বাচ্চার জন্মের ৯ মাস এবং ১২ মাসে দুটো ডোজ দেওয়া হয়।
চিকেনপক্স – জন্মের ১৫ মাস বয়সে প্রথম ডোজ ও প্রথম ডোজের ৩ মাস পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে।
টাইফয়েড – বাচ্চার ৬ থেকে ৯ মাস বয়সের মধ্যে একটা ডোজ নিতে হবে। যদি কোনও ভাবে মিস হয়ে যায় সেক্ষেত্রে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি নেওয়া জরুরি।
হেপাটাইটিস এ ভ্যাকসিন – জন্মের ১ বছরে প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজটি ৬ মাস পর বাচ্চাকে দিতে হবে। অবশ্যই এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ আগে নেবেন।
শুরুতে মাথায় রাখুন
এই সময় ঠান্ডা লেগে জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভোগান্তি বাড়ে। বিশেষত যাদের ইমিউনিটি কম তাদের ঝুঁকি বেশি। ফ্লুয়ের প্রকোপে হাঁপানি, নিউমোনিয়ার সমস্যা দেখা দেয়।
ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে। এছাড়া কাটা ফল, বাইরের খাবার খেলে কলেরা, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস বা জন্ডিসের রিস্কও রয়েছে। লিভারে প্রকোপ পড়ে।
তাই এই বৃষ্টির মরশুমে বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখুন। বাড়ির আশেপাশে কোথাও জল জমতে দেবেন না। বড়দের মধ্যে যদি কারও কোনও রোগের লক্ষণ দেখা দেয় তবে বাচ্চাদের থেকে সঠিক দূরত্ব বজায় রাখুন। বাইরের খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
শিশুর বিশেষ যত্ন
এই সময় মশার প্রকোপ খুব বাড়ে। তাই মশারির ব্যবহার জরুরি। মশাবাহিত ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু প্রকোপ কমাতে এই পথ অবলম্বন করা সবচেয়ে নিরাপদ।
সংক্রমণজনিত অসুখ খুবই ছোঁয়াচে। বাড়ির কারও সর্দি কাশি কিংবা জ্বর হলে তার সামনে না গিয়ে হাঁচি কাশির সময় নাক মুখ ঢেকে রাখা, বারবার হ্যান্ডওয়াশের ব্যবহার জরুরি। এগুলো শিশুকে শেখাতে হবে। বিশেষ করে স্কুলে অন‌্য শিশুর সংস্পর্শে এলে এই সংক্রামক অসুখ ছড়িয়ে যেতে পারে। প্রয়োজনে মাস্কের ব্যবহার জরুরি।
এই সময় জলবাহিত রোগের প্রকোপ খুব বেশি। শিশুর স্নানের জল থেকে পান করার জল সবই হতে হবে জীবাণুমুক্ত। ফুটিয়ে জল পান করলে ভালো।
বৃষ্টি হচ্ছে, আবহাওয়া একটু ঠান্ডা ঠান্ডা ভেবে শিশুকে স্নান না করিয়ে রেখে দেবেন না।
এই সময় পুষ্টির দিকেও নজর দিন। যেগুলো ইমিউনিটি বাড়ায়। যেমন – সাইট্রাস ফুড (মোসাম্বি, কমলালেবু), বাদাম, প্রোবায়োটিক (ইয়োগার্ট, দই, লস্যি) খাওয়াতে পারেন। তুলসীপাতা, আদা, মধু বিভিন্ন হার্বাল জিনিস খাওয়ান, এতে গলায় ইনফেকশন থাকলে সেগুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে। ফিজিকাল অ্যাকটিভিটি বা হাঁটা, খেলাধুলো করার অভ্যাস বজায় রাখুন, শিশুর পর্যাপ্ত ঘুমের (অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা) যেন ঘাটতি না হয় সেদিকে নজর দিন।
লক্ষণ দেখলেই সাবধান
জ্বর এলে এই সময় খুব সতর্ক হোন। জ্বরের সঙ্গে যদি সর্দি-কাশি, লুজ মোশন হয়, এবং তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত যায় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।
স্বাভাবিকভাবে তিন থেকে চার ঘণ্টা অন্তর প্রস্রাব হওয়া শিশুদের স্বাভাবিক ব্যাপার, এর কম হলে সাবধান হোন।
ডায়েরিয়ার প্রকোপ দেখা দিলে সাবধান হতে হবে। এই সময় সংক্রমণের কারণেও এমন হতে পারে।
পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে ভালভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন। এছাড়াও কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা ঘুমের দরকার। ফল, সবজি পর্যাপ্ত পরিমাণে ডায়েটে রাখতে হবে।

খেজুর খাওয়ার ১৪টি উপকারিতাভরপুর এনার্জি আর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ...
23/08/2024

খেজুর খাওয়ার ১৪টি উপকারিতা

ভরপুর এনার্জি আর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী খেজুর। শুধু তাই নয়, স্বাস্থ্যের পাশাপাশি চুল ও ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখতেও বিস্ময়কর এই ফলটির অনেক গুণ রয়েছে।
খেজুরে আছে প্রচুর শক্তি, এমিনো এসিড, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। এই খেজুর আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি যোগান দিতে সাহায্য করে। এই ফলটিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ছাড়াও রয়েছে ভিটামিন এ ও বি, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন, ফাইবার এবং আয়রন। বিআরবি হসপিটালের প্রধান পুষ্টিবিদ ইশরাত জাহানের কাছ থেকে চলুন এক নজরে জেনে নেয়া যাক খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-

১। কোলেস্টেরল এবং ফ্যাট: খেজুরে কোন কোলেস্টেরল এবং বাড়তি পরিমাণে চর্বি থাকে না। যার ফলে আপনি যখন সহজেই খেজুর খাওয়া শুরু করবেন তখন অন্যান্য ক্ষতিকর ও চর্বি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

২। প্রোটিন: আমাদের শরীরের জন্য প্রোটিন অত্যাবশ্যকীয় একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। খেজুর হল প্রোটিন সমৃদ্ধ। ফলে আমাদের পেশী গঠন করতে সহায়তা করে এবং শরীরের জন্য খুব অপরিহার্য প্রোটিন সরবরাহ করে।

৩। ভিটামিন: খেজুরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক। যেমন, বি১, বি২, বি৩ এবং বি৫। এছাড়াও ভিটামিন এ১ এবং সি ভিটামিন পাওয়ার আরও একটি সহজ মাধ্যম হচ্ছে খেজুর। সেই সাথে খেজুরে দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে রাতকানা রোগ প্রতিরোধেও খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।
৪। আয়রন: আয়রন মানব দেহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খেজুর প্রচুর আয়রন রয়েছে। ফলে এটা হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই যাদের দুর্বল হৃৎপিণ্ড, তাদের জন্য খেজুর হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ।

৫। ক্যালসিয়াম: ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। যা হাড়কে মজবুত করে। খেজুর শিশুদের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে।

৬। ক্যানসার প্রতিরোধ: খেজুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ। এক গবেষণায় দেখা যায়, খেজুর পেটের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের বেলায় ক্যানসারে ঝুঁকিটাও কম থাকে। খুব সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে খেজুর Abdominal ক্যানসার রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি অনেক সময় ওষুধের চেয়েও ভাল কাজ করে।

৭। ওজন হ্রাস: মাত্র কয়েকটা খেজুর কমিয়ে দেয় ক্ষুধার জ্বালা। এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। এই কয়েকটা খেজুরই কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে দেয়।

৮। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ। যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। কখনও কখনও ডায়রিয়ার জন্যেও এটা অনেক উপকারী।

৯। সংক্রমণ: যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এছাড়া গলা ব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি, এবং ঠান্ডায় খেজুর উপকারী। খেজুর অ্যালকোহল জনিত বিষক্রিয়ায় বেশ উপকারী। ভেজানো খেজুর খেলে বিষক্রিয়ায় দ্রুত কাজ করে।

১০। রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ: প্রচুর মিনারেল সঙ্গে আয়রন থাকার কারণে খেজুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। তাই যাদের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম তারা নিয়মিত খেজুর খেয়ে দেখতে পারেন।
১১। কর্মশক্তি বাড়ায়: খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি থাকার কারণে খেজুর খুব দ্রুত শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন মাত্র ২টি খেজুর খাওয়ার অভ্যাসে খুব দ্রুত কেটে যাবে আপনার ক্লান্তিবোধ।

১২। স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: খেজুর নানা ভিটামিনে পরিপূর্ণ থাকার কারণে এটি মস্তিষ্কের চিন্তাভাবনার গতি বৃদ্ধি রাখে, সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
১৩। হৃদরোগ প্রতিরোধ: খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম যা বিভিন্ন ধরণের হৃদরোগ প্রতিরোধ করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর শরীরের খারাপ ধরণের কোলেস্টেরল কমায় (LDL) এবং ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
১৪। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজমের সমস্যা দূর করে। তুলনামূলকভাবে যেসব খেজুর একটু শক্ত সেই খেজুর সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য অনেকাংশে দূর হয়। এছাড়া মুখের লালাকে ভালোভাবে খাবারের সঙ্গে মিশতে সাহায্য করে খেজুর। ফলে বদহজমের সমস্যাও দূর হয় খেজুরে।

তাই প্রতিদিন ২টি খেজুর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আর ওজন বাড়াতে সর্বোচ্চ ৪টি খেজুর খাওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিদিন ৪টির বেশি খেজুর খাওয়া থেকে বিরত থাকার কথা বলছেন চিকিৎসকরা।

কাঁঠালের বিচি খাওয়ার উপকারিতাচলছে পাকা কাঁঠালের মৌসুম। সেই সঙ্গে চলছে মেঘলা আকাশের দিন। এসময় মিষ্টি ও সুস্বাদু কাঁঠালের ...
22/08/2024

কাঁঠালের বিচি খাওয়ার উপকারিতা
চলছে পাকা কাঁঠালের মৌসুম। সেই সঙ্গে চলছে মেঘলা আকাশের দিন। এসময় মিষ্টি ও সুস্বাদু কাঁঠালের স্বাদ অনেক বেশি উপভোগ করা যায়। পাশাপাশি পুষ্টিগুণে অনন্য এর বিচি যেকোনো খাবারে বা এমনি ভেজে খাওয়া যায়।
আমরা সাধারণত ফল খেয়ে বিচি ফেলে দেই। তবে কাঁঠালের বিচি খাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা কাঁঠালের বিচিকে রান্নায় ব্যবহার করেন তাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
মৌসুমী ফল কাঁঠালের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। ফলে এই ফল খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকায় দ্রুত এনার্জিও পাওয়া যায়।

কাঁঠালের বিচির গুণাগুণ

শুধু কাঁঠালের কোয়া নয়, এর বিচিতেও রয়েছে নানা উপকারী গুণ। আসুন এগুলো একে একে জেনে নিই-

১। কাঁঠালের বিচির প্রোটিন শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
২। মাছ, মাংসের পরিবর্তে প্রোটিন পেতে চাইলে কাঁঠালের বিচি হতে পারে উৎকৃষ্ট খাবার।
৩। কাঁঠালের বিচি বিপাক ক্রিয়া ত্বরান্বিত করে।
৪। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৫। হজম শক্তি বাড়ায়।
৬। থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৭। বিচিতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান সাধারণত ডায়রিয়া বা অন্যান্য খাদ্যজনিত পেটের অসুখের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে।
৮। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

রোজ একটা গোটা ডিম খেলে কি হার্টের ক্ষতি হয়? চিকিৎসকের উত্তর শুনলে চমকে যাবেনডিম খেতে খুবই ভালোবাসেন কিশোর দাস। তাই তিনি ...
21/08/2024

রোজ একটা গোটা ডিম খেলে কি হার্টের ক্ষতি হয়?
চিকিৎসকের উত্তর শুনলে চমকে যাবেন
ডিম খেতে খুবই ভালোবাসেন কিশোর দাস। তাই তিনি রোজ একটা করে গোটা ডিম খান। এটাই তাঁর দীর্ঘদিনের অভ্যাস। তবে কিশোরবাবুর এই অভ্যাস দেখে একবারে চমকে গেছেন তাঁর নতুন সহকর্মী সুভাষবাবু। তাঁর কথায়, ডিম অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার ঠিকই। তবে এই খাবার রোজ খেলে কিন্তু হার্টের বাজতে পারে বারোটা। তাই প্রত্যহ গোটা ডিম না খাওয়াই শ্রেয়।

আর সহকর্মীর মুখে এই কথা শোনার পর বড্ড সমস্যায় পড়ে গিয়েছেন কিশোরবাবু। তাঁর মাথায় প্রশ্ন ঘুরছে সত্যিই কি প্রতিদিন গোটা ডিম খেলে হার্টের রোগের ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা বাড়ে? আর সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন কলকাতা শহরের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা: জয়দীপ ঘোষ। তাই আর সময় নষ্ট না করে যত দ্রুত সম্ভব এই বিষয়টি সম্পর্কে বিশদে জেনে নিন।
​পুষ্টির ভাণ্ডার ডিম​
আমাদের প্রিয় ডিমে রয়েছে খুব উচ্চ মানের প্রোটিন। আর এই প্রোটিন শরীর খুব সহজেই গ্রহণ করে নেয়। শুধু তাই নয়, এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন বি৫, সেলেনিয়াম থেকে শুরু করে একাধিক জরুরি উপাদান। আর এই সমস্ত উপাদান কিন্তু শরীর ও স্বাস্থ্যের হাল ফেরানোর কাজে একাই একশো। তাই সুস্থ-সবল জীবন কাটাতে চাইলে নিয়মিত ডিম খেতেই হবে। তাতেই শরীরের হাল ফিরবে বলে জানালেন বিশেষজ্ঞরা।
রোজ একটা গোটা ডিম খেলে কি হার্টের ক্ষতি হয়?​
একটা সময় ভাবা হতো রোজ একটা কুসুম শুদ্ধ ডিম খেলে বুঝি হার্টের অসুখের ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা বাড়বে। তবে বর্তমানে একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, ডিমের কুসুমে উপস্থিত কোলেস্টেরল কিন্তু হার্ট বা শরীরের ক্ষতি করে না। উল্টে অন্যান্য কারণেই হৃৎপিণ্ডের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। তাই ডিমকে বারবার ভিলেন করে দেওয়ার এই অভ্যাস ছাড়তে হবে। তার বদলে নিয়মিত ডায়েটে রাখুন এই খাবার। এই কাজটা করলেই শরীরে পুষ্টির ঘাটতি মিটিয়ে ফেলতে পারবেন।
​কতগুলি ডিম খাওয়া উচিত?​
একজন সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ অনায়াসে দিনে একটা গোটা ডিম খেতে পারেন। তাতে সমস্যার কিছু নেই। তবে ডায়াবিটিস, হাই কোলেস্টেরল বা হার্টের অসুখ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তাঁর পরামর্শ মেনে সপ্তাহে ৩-৪ দিন গোটা ডিম খেতেই পারেন।
তব ডিম খেয়ে উপকার পেতে চাইলে তা ভালো করে সিদ্ধ করে খান। কোনওমতেই ডিম ভাজা বা ডিমের পোচ করে খাওয়া চলবে না। তাতে কিন্তু হার্টের উপর চাপ বাড়বে।
এসব খাবার এড়িয়ে চলুন​
হার্টকে সুস্থ রাখতে চাইলে বাইরের ফাস্টফুড খাওয়া বন্ধ করুন। কারণ, এসব খাবারে রয়েছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ট্রান্স ফ্যাট। আর এই দুই উপাদান হার্টের সরাসরি ক্ষতি করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এছাড়াও খাওয়া চলবে না রেডমিট, ঘি, মাখন। তার বদলে পাতে জায়গা করে দিন ফল, শাক ও সবজির মতো কিছু উপকারী খাবারকে। এসব খাবারে উপস্থিত ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের গুণে আপনি অনায়াসে সুস্থ-সবল জীবন কাটাতে পারবেন।
ব্যায়াম হল মাস্ট​
হার্টের হাল ফেরাতে চাইলে দিনে অন্ততপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। এক্ষেত্রে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরালেই উপকার মিলবে বেশি। তবে আপনারা যাঁরা জিমে যেতে চাইছেন না, তাঁরা চেষ্টা করুন নিয়মিত বাড়িতেই ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করার। আর ব্যায়ামে অনীহা থাকলে হাঁটুন, সাইকেল চালান বা সাঁতার কাটুন। তাতেও একাধিক উপকার মিলবে বলে মনে করছেন এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

কন্ট্রোলে রাখতে চান High Blood Pressure? ঝটপট এই ৫ পানীয়ের শরণাপন্ন হনহাই ব্লাড প্রেশারের মতো জটিল একটি অসুখকে বশে রাখাট...
20/08/2024

কন্ট্রোলে রাখতে চান High Blood Pressure? ঝটপট এই ৫ পানীয়ের শরণাপন্ন হন

হাই ব্লাড প্রেশারের মতো জটিল একটি অসুখকে বশে রাখাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। নইলে যে অচিরেই পিছু নেবে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক থেকে শুরু করে একাধিক জটিল সমস্যা।

কিন্তু মুশকিল হল, ভারতের মতো দেশে একটা বিরাট সংখ্যক ব্লাড প্রেশার রোগী সমস্যাকে বাগে আনতে পারেন না। আর সেই কারণে তাঁদের অজান্তেই শরীরে হানা দেয় একাধিক অসুখ।

তবে এই নিয়ে আবার বেশি দুশ্চিন্তা করবেন না। বরং নিয়মিত নিজের ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি ডায়েটে কয়েকটি পানীয়কে জায়গা করে দিন। তাতেই এই সমস্যাকে বাগে রাখা সম্ভব হবে। তাই আর সময় নষ্ট না করে এই নিবন্ধ থেকে এমন ৫ ড্রিংকস সম্পর্কে বিশদে জেনে নিন। তারপর এদের সঙ্গে পাতিয়ে নিন বন্ধুত্ব। হলফ করে বলতে পারি, এই বন্ধুরা কখনও আপনাকে ঠকাবে না।
​বিটের রসই মহৌষধি​
আমাদের অতি পরিচিত বিটে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল থেকে শুরু করে একাধিক উপকারী উপাদান। তাই প্রত্যেক সুস্থ মানুষকে নিয়মিত এই সবজির পদ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশেষত, হাই ব্লাড প্রেশারের রোগীরা যত দ্রুত সম্ভব এই সবজিকে ডায়েটে জায়গা করে দিন। এক্ষেত্রে বিটের তরকারি করে খাওয়ার পাশাপাশি এর জুস খেলেও উপকার মিলবে। কারণ, এতে রয়েছে নাইট্রেটের ভাণ্ডার। আর এই উপাদান প্রেশার কমায়। তাই হাই বিপি-তে ভুক্তভোগীরা কাল থেকে এই সবজির জুসে চুমুক দিয়ে দিন শুরু করুন।
টমেটো জুসের জুড়ি মেলা ভার​
সকলের পছন্দের টমেটো কিন্তু শরীর ও স্বাস্থ্যের হাল ফেরানোর কাজে সিদ্ধহস্ত। বিশেষত, ব্লাড প্রেশারকে নিয়ন্ত্রণে রাখার কাজে এর জুড়ি মেলা ভার। আর এই বিষয়টা ইতিমধ্যেই একটি ২০১৯ সালের একটি গবেষণায় প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে।
তবে শুধু বিপি কন্ট্রোল নয়, এর পাশাপাশি এলডিএল কোলেস্টেরলকে বশে রাখতে পারে টমেটোর জুস। যার ফলে কমে হৃদরোগের ঝুঁকি। তাই তো বিশেষজ্ঞরা সকলকে নিয়মিত এই পানীয় খাওয়ার পরামর্শ দেন।
বেদানার রসও কম যায় না​
এই ফলের স্বাদের কোনও তুলনা নেই। তাই ছোট থেকে বড়– সকলকেই বেদানার দিওয়ানা। তবে শুধু স্বাদ নয়, গুণের দিক থেকেও এর জুড়ি মেলা ভার। আসলে এতে রয়েছে ভিটামিন সি এবং ফোলেটের ভাণ্ডার। এমনকী এতে কিছু অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদানও রয়েছে যা কিনা ব্লাড প্রেশারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর কাজেও সিদ্ধহস্ত এসব উপাদান। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত এই ফলের রস করে খেতে ভুলবেন না যেন!

বেরির জুসই সেরার সেরা​
পকেটের জোর থাকলে ব্লুবেরি, ব্ল্যাকবেরি, স্ট্রবেরির মতো ফলের রসের উপর ভরসা রাখতে পারেন। কারণ, এসব ফলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার। যেই কারণে বেরি জাতীয় ফলের জুস খেলে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকে।

তবে শুধু বিপি নিয়ন্ত্রণ নয়, এর পাশাপাশি ইমিউনিটি বৃদ্ধি করা, হার্টের হাল ফেরানো সহ একাধিক কাজে সাহায্য করে এসব ফলের জুস। তাই বিপদের ফাঁদে পড়ার আগেই এগুলির জুস করে খাওয়া শুরু করে দিন।
স্কিম মিল্কের নেই বিকল্প
দুধ হল একটি সুষম পানীয়। তবে এই পানীয় খেয়ে ব্লাড প্রেশারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে আপনাকে স্কিম মিল্ক খেতে হবে। অর্থাৎ ফ্যাট বিহীন দুধ খেলেই এক্ষেত্রে মিলবে বেশি উপকার। তবে ভুলেও আবার দুধের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে খাবেন না। এই ভুলটা করলে কিন্তু মিলবে না উপকার। উল্টে শরীরের ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়বে। তাই এই বিষয়টা অবশ্যই মাথায় রাখুন।
Disclaimer: প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Address

1/A, DIT Extension Road, Fakirapool, Motijheel, Dhaka
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:03
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Best-Diagnostic & Medical Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share