27/03/2023
মুসলমানের অত্যন্ত আকাঙ্খিত ও প্রত্যাশিত মাস হলো রমযান। পবিত্র এই মাসে আত্মিক পরিশুদ্ধির পাশাপাশি রয়েছে শরীরাবৃত্তীয় নানাবিধ উপকারিতা।
সাধারণত আমরা যখন সারাবছর একটি নির্দিষ্ট খাদ্যাভাসে অভ্যস্ত হয়ে যাই তখন শরীরের প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফিকেশন। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে শরীরের অবক্ষয়কারী পদার্থ কিংবা জীবাণু থেকে মুক্তি পাই।
রমযান মাসে রোযা রাখার অন্যতম আরেকটি উপকারিতা হলো রক্তে সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত থাকে। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হেলথের ১০ জন টাইপ- ২ ডায়াবেটিস রোগীর উপর করা একটি গবেষণায় দেখা যায়, রোযা রাখার ফলে তাদের ব্লাড সুগার লেভেল ইনসুলিন ছাড়াই অনেকাংশে কমেছে।
গবেষণায় এসেছে, পুরো বিশ্বে প্রায় ৩১.৫% মানুষের মৃত্যুর অন্যতম একটি কারণ হলো হৃদরোগ। যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে! তবে ন্যাশনাল ইন্সটিউট অফ হেলথের কয়েকটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে চমৎকার কিছু তথ্য আমরা জানতে পারি। যারা দীর্ঘদিন যাবত হৃদরোগে ভুগছিলেন তাদের ক্ষেত্রে রোযা এবং সঠিক ডায়েটের সমন্বয়ে রক্তে খারাপ কোলেস্টরলের পরিমাণ অনেকাংশেই কমেছ।
এছাড়াও যারা অত্যাধিক ওজনের জন্য দুঃশ্চিন্তায় আছেন, তাদের ক্ষেত্রেও রমযানে রোযা রাখার মাধ্যমে রয়েছে বিশেষ সুবিধা। Pubmed Central এর অন্য একটি গবেষণায় দেখা যায়, রোযা রাখার মাধ্যমে মানুষের ওজন ৯% পর্যন্ত কমেছে।
তবে এখানে উল্লেখ্য, রোযার উপকারিতাগুলো পেতে হলে অবশ্যই খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনতে হবে এবং অত্যাধিক ভাজাপোড়া যা বদহজম, কোষ্ঠ্যকাঠিন্য সহ নানা রকম সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে সেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
#রমযান
#মেডিনোভা