21/07/2025
বর্তমানে একটা ভয়াবহ ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ চলছে। তীব্র জ্বর আসবে। ১০৩°/১০৪° এর মতো উঠে যাবে এবং দীর্ঘ সময় থাকে। সাথে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় তীব্র ব্যথা হবে। আর ভয়াবহ রকমের দূর্বলতা থাকবে। প্রেসার লো হয়ে যেতে পারে। ব্লাড টেস্ট করালে দেখা যায় এটা ডেংগু, চিকনগুনিয়া, কিংবা করোনা নয়। কিন্তু শরীরে তীব্র ব্যথাসহ জ্বর, মাথা ব্যাথা, শরীর ফোলে যায়, অত্যান্ত দূর্বল লাগে, রোগী জ্বরের প্রকোপের কারণে প্রলাপ বকে এমনকি হসপিটালাইজড ও হওয়া লাগতে পারে। জ্বর সেরে গেলেও শরীরের ব্যথা সহজে সারে না।
★★ এমনটা কেন হয়? যে কোন ভাইরাস জ্বরের সময় দেহ ঐ ভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে বা নিষ্ক্রিয় করতে যতটুকু দেহের তাপ বাড়ানোর প্রয়োজন ততটুকু তাপ বাড়িয়ে দেয় ফলে জ্বর হঠাৎ করেই ১০২°- ১০৪° উঠে যায়। এই অবস্থায় সাথে সাথে অনেকে নাপা খেয়ে ফেলেন নতুবা সাপোজিটর ব্যবহার করেন যা ঠিক নয়। এই অবস্থায় একটু ধৈর্য ধরলে দেখা যায় কয়েক ঘন্টা পর তাপমাত্রা কমে আসে এর ফলে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়। কিন্তু সাথে সাথে ঔষধ সেবন করার ফলে শরীর দূর্বল হয়ে যায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এ জন্য আরোগ্য হতে সময় লাগে।
★★ তাহলে করণীয় কি?
এই অবস্থায় বিশ্রামে থাকুন, পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি এবং ডাবের পানি পান করুন।
ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খান। বিশেষ করে মাল্টা, চিনি ছাড়া লেবুর শরবত, পেয়ারা এবং পেঁপের জুস খান।
ভয় পাবেন না, আতঙ্কিত না হয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য কুসুম গরম পানিতে শরীর মুছে দিন। চেষ্টা করুন ২৪ ঘন্টা ওষুধ ছাড়া থাকতে। অবস্থার কোন পরিবর্তন না হলে কিংবা তীব্রতর হলে সাথে সাথে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করুন।
হোমিওপ্যাথিতে এইসব ভাইরাস জ্বরের দ্রুত আরোগ্য হওয়ার ভালো ঔষধ আছে। একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক আপনার শারিরিক ও মানসিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে ঔষধ সেবন করতে দিলে দ্রুত সুস্থ হবে ইনশাআল্লাহ।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সকলের জন্য নিরাপদ।
ডা. মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম কালন
ডিএইচএমএস
রেজিষ্ট্রেশন নং ৪৫৯৪৩
মোবাইল নাম্বার - 01726914357