pregnancy care

pregnancy care This service is available please follow my page-
# Antenatal care
care
planing .
(7)

29/11/2025

জানো কি? তোমার শরীর সরাসরি খাবার থেকে নয়, বরং রক্ত থেকে ব্রেস্টমিল্ক তৈরি করে!

অনেক নতুন মা ভাবেন, তারা যে খাবার খান তা নাকি সাথে সাথেই দুধে চলে যায়—কিন্তু এটা একটা ভুল ধারণা।

ব্রেস্টমিল্ক তোমার রক্ত থেকেই তৈরি হয়। তুমি যে খাবার খাও, শরীর সেগুলো হজম করে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুলো রক্তে শোষণ করে। এরপর সেই রক্তের পুষ্টি, অ্যান্টিবডি, হরমোন—সব কিছু মিলিয়ে তোমার শরীর বাচ্চার জন্য একেবারে উপযুক্ত দুধ তৈরি করে।

এ কারণেই এটিকে “লিকুইড গোল্ড” বলা হয়—এটা জীবন্ত, পরিবর্তনশীল পুষ্টি, যা অ্যান্টিবডি, হরমোন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, বৃদ্ধি এবং মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুতে পরিপূর্ণ।

তুমি যখনই নিজেকে পুষ্টি দাও, তোমার শরীর তখনই একটি প্রাকৃতিক ল্যাবের মতো কাজ করে—তোমার বাচ্চার জন্য আদর্শ খাবার তৈরি করতে।

✅ আপনার শিশুর শারীরিক ও মানসিক যত্নের আরও বিভিন্ন টিপস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন 🍀�baby care women

26/11/2025

৩–১৫ মাসে শিশুর কোন স্কিলগুলো হওয়া উচিত? মা-বাবাদের জন্য জরুরি গাইড!
#শিশুর_বিকাশ

25/11/2025

🌼 ২ বছরের বাচ্চাকে দুধ ছাড়ানোর সঠিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক উপায় — সব মায়েদের জন্য পূর্ণ গাইড

আসা করি কাজে আসবে💁‍♀️

২ বছরের পরেও অনেক বাচ্চাই মায়ের দুধ ছাড়া থাকতে পারে না। বিশেষ করে যে বাচ্চা সারাদিন মায়ের সাথেই থাকে, ঘুম–বিরক্তি–ভয়—সবকিছুর সমাধান হিসেবে দুধকে ব্যবহার করে, তাদের ক্ষেত্রে দুধ ছাড়ানো আরও কঠিন হয়। অনেক মা করলা, নিম, ওষুধ, তেতো লাগানো—সবই চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, বাচ্চা আবারও দুধই চায়। কারণ—এটা খাবারের সমস্যা নয়, এটা “ইমোশন + অভ্যাস” দুইয়ের মিলিত সমস্যা। তাই সঠিক জ্ঞান, ধৈর্য এবং মৃদু পরিবর্তনই বাচ্চাকে দুধ ছাড়ানোর সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

💛 কেন ২ বছরের বাচ্চা দুধ ছাড়তে চায় না?

এই বয়সে শিশুর ব্রেইন দ্রুত বিকাশের পর্যায়ে থাকে। সে নিজের নিরাপত্তা, ভালোবাসা, ঘুম—সবকিছু মায়ের সাথে জড়িয়ে ফেলেছে। দুধ তার কাছে শুধু ক্ষুধা মেটানোর কিছু না; এটা হলো মায়ের বুকের উষ্ণতা, সান্ত্বনা, স্ট্রেস কমানোর উপায়, “মা আমার পাশে আছে”—এর একটা প্রমাণ। যে বাচ্চা সারাদিন মাকে পায়, তাদের মধ্যে “মা-ডিপেন্ডেন্সি” একটু বেশি হয়, তাই তাদের অভ্যাস ভাঙতে সময় লাগে। এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।

💛 হঠাৎ দুধ বন্ধ করলে সমস্যা কেন বাড়ে?

হঠাৎ দুধ বন্ধ করে দিলে শিশুর ব্রেইনে আতঙ্ক তৈরি হয়। তার নিরাপত্তা হুমকিতে পড়ে। অনেক মা তেতো লাগান, বকা দেন, জোর করেন—এসব বাচ্চার মনে ট্রমা তৈরি করতে পারে। শিশুর ঘুম নষ্ট হয়, কান্না বাড়ে, মায়ের শরীর–মনও খারাপ হয়ে যায়। তাই দুধ ছাড়ানোর একটাই সঠিক পদ্ধতি—ধীরে ধীরে, স্নেহ দিয়ে, নিয়ম তৈরি করে।

🌼 ধাপে ধাপে সঠিক সমাধান: গ্রাজুয়াল উইনিং পদ্ধতি

✔ ১. প্রথম ধাপ: দিনের দুধ কমানো

দিনের বেলায় বাচ্চা যদি ৪–৫ বার দুধ খায়, সেটিকে প্রথমে ৩-এ আনুন। তারপর ২-এ। কোনোদিনেই একদম বন্ধ করবেন না।
ধীরে ধীরে অভ্যাস কমলে শিশুর মস্তিষ্কে বার্তা যায়—
“দুধ সবসময় পাওয়ার জিনিস নয়।”
সাথে সাথে বিকল্প দিন—নাটস বাটার, ফল, স্যুপ, পানি, স্টোরি টাইম, কোলে নেওয়া। যাতে শিশুর মনোযোগ অন্য বিষয়ে যায়।

✔ ২. দ্বিতীয় ধাপ: দুধের সময় নির্দিষ্ট করা

অন-ডিমান্ড দুধ দিলে বাচ্চা প্রতিবার বিরক্ত হলেই দুধ চাইবে।
তাই সময় নির্ধারণ করুন—
“খাবার হয়ে গেলে ১ বার দুধ।”
“দুপুর ঘুমের আগে ১ বার।”
“রাত ঘুমানোর আগে ১ বার।”
এইভাবে বাচ্চা বুঝবে—দুধ মানে একটা নির্দিষ্ট রুটিন, খেলনা নয়।

✔ ৩. তৃতীয় ধাপ: দুধ চাওয়ার সময় বিকল্প কমফোর্ট দেওয়া

২ বছরের বাচ্চা দুধ চায় মূলত ৩ কারণে—
১) সে ক্লান্ত
২) সে বিরক্ত
৩) সে ঘুমাতে চায়

তাই বিকল্প দিন—

অনেক কোলে নেওয়া

গল্প বলা

শান্ত গান

স্ন্যাক/পানি

বাবার সাথে কোয়ালিটি টাইম
বাচ্চা ধীরে ধীরে শিখবে—“কান্না = দুধ” নয়।

✔ ৪. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ: নাইট উইনিং (রাতে দুধ কমানো)

বেশিরভাগ বাচ্চাই রাতে বেশি দুধ খায়। কারণ রাতে তাদের নিরাপত্তাবোধ কম থাকে।

🟣 রাত ১–৩:

পুরো সময় না দিয়ে, ৩০–৪৫ সেকেন্ড করে কমিয়ে দিন।
যেমন: আগে ৫ মিনিট → এখন ৪ মিনিট ১৫ সেকেন্ড।

🟣 রাত ৪–৬:

আরো ৩০–৪৫ সেকেন্ড কমান।
বাচ্চা কান্না করতে পারে—এটা স্বাভাবিক।
মা শান্ত থাকলে বাচ্চাও শান্ত হবে।

🟣 রাত ৭–১০:

বাচ্চাকে দুধ না দিয়ে কোলে নিন, থপ থপ করে ঘুম পাড়ান।
যে মা শান্তভাবে “ধীরে ধীরে” কমান, তার বাচ্চাই দ্রুত অভ্যাস বদলায়।

✔ ৫. ঘুমানোর আলাদা রুটিন তৈরি করা

২ বছরের বাচ্চারা দুধ = ঘুম মনে করে।
তাই ঘুমানোর আলাদা রুটিন থাকলে দুধের ওপর নির্ভরতা কমে।

রুটিন হতে পারে:

হালকা স্নান/মুখ ধোওয়া

লোশন

গল্পের বই

লাইট ডিম করা

মায়ের সাথে শান্ত সময়

লালাবাই

এই রুটিন ৭–১০ দিন করলে শিশুর মস্তিষ্ক বুঝতে শুরু করবে—
“দুধ ছাড়াও ঘুম আসে।”

✔ ৬. শিশুকে কথা বলে বোঝানো (এই বয়সে অনেক কার্যকর)

২ বছরের শিশুর ভাষা বোঝার ক্ষমতা অনেক বেশি।
শান্ত কণ্ঠে বলুন—
“বাবু তুমি এখন বড়। দুধ একটু কম খাবা। পরে গল্প করবো, খেলবো।”
এভাবে প্রতিদিন বারবার বললে বাচ্চা নিজের মনেই রেডি হতে শুরু করে।

✔ ৭. বাচ্চার খাবার ঠিক রাখতে হবে

অনেক বাচ্চা পেটে ক্ষুধা থাকলে রাতে বারবার দুধ চায়।
তাই দিনে—

কার্ব + প্রোটিন + ফ্যাট থাকলে

হাই ফাইবার খাবার দিলে

শোবার আগে হালকা স্ন্যাক দিলে
রাতে জাগা অনেক কমে যায়।

✔ ৮. মায়ের মানসিক অবস্থা খুব গুরুত্বপূর্ণ

যদি মা ক্লান্ত, দুঃখী বা স্ট্রেসে থাকেন—
বাচ্চা সেটা ধরে ফেলে এবং দুধে আরও নির্ভর করে।

মায়েরও বিশ্রাম, পানি, খাবার, নিজের সময়—অত্যন্ত প্রয়োজন।
মা যত শান্ত ও রিল্যাক্স থাকবেন, দুধ ছাড়ানো তত দ্রুত হবে।

🌼 কতদিনে অভ্যাস বদলাবে?

সাধারণত ৭–২১ দিনের মধ্যে অভ্যাস বদলায়।
তার আগে কান্না হওয়া, খিটখিটে আচরণ, ঘুম কম হওয়া—এগুলো সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।

মা যদি ধৈর্য ধরেন এবং নিয়ম ধরে রাখেন—
বাচ্চা ১০০% অভ্যাস বদলাবে।

দুধ ছাড়ানো কোনো যুদ্ধ নয়।
এটা একটি ইমোশনাল ট্রানজিশন—ধীরে ধীরে, নিরাপদে, ভালোবাসা দিয়ে করতে হয়।
বাচ্চা কান্না করবে, আঁকড়ে ধরবে—এটা তার বয়সের আচরণ।
মা যদি শান্ত, ধৈর্যশীল এবং নিয়মিত থাকেন—
বাচ্চা দুধ ছাড়বে, ঘুম ভালো হবে, মায়ের জীবনও অনেক সহজ হবে। মায়ের সাপোর্ট দেবার মতো একজন লাগবে, সবচেয়ে ভালো হয়, বাবা সাপোর্ট দিলে❤

25/11/2025

সিনিয়র স্টাফ নার্স, স্টাফ নার্স, সহকারি নার্স ও মিডওয়াইফগণের অনলাইন বদলি-সংযুক্তি আবেদনের বিজ্ঞপ্তি

আগামীকাল ২৬/১১/২৫ সকাল ৯ টা থেকে ০৩/১২/২০২৫ তারিখ বিকাল ৫ টার মধ্যে আবেদন করতে হবে ।

24/11/2025

“গর্ভাবস্থায় বাচ্চার হার্টরেট কত হওয়া উচিত? সপ্তাহ অনুযায়ী জানুন

#গর্ভাবস্থা #হার্টরেট #মাতৃস্বাস্থ্য #গাইনি_টিপস #গর্ভবতী_মায়ের_জানার_কথা

গর্ভবতী অবস্থায় উঠা–নামায় বাসার সবার করণীয় — নিরাপত্তার জন্য অবশ্যই মানা উচিতগর্ভাবস্থা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়। ম...
24/11/2025

গর্ভবতী অবস্থায় উঠা–নামায় বাসার সবার করণীয় — নিরাপত্তার জন্য অবশ্যই মানা উচিত

গর্ভাবস্থা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়। মায়ের শরীরে শারীরিক পরিবর্তন, ওজন বৃদ্ধি, ভারসাম্য কমে যাওয়া—সব মিলিয়ে সামান্য অসতর্কতাও কখনো কখনো বড় ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই মা যখন উঠেন, বসেন, হাঁটেন বা স্থান পরিবর্তন করেন—তখন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের কিছু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের এই পোস্টে সেই গুরুত্বপূর্ণ সাবধানতাগুলো তুলে ধরা হলো, যা প্রতিটি পরিবারকে অবশ্যই জানা উচিত।

---

✅ ১. পাশে দাঁড়িয়ে নির্ভরযোগ্য সাপোর্ট দিন 🤝

গর্ভবতী মায়েরা শরীরের ভারসাম্য আগের মতো ধরে রাখতে পারেন না। তাই উঠা–বসা বা সিঁড়ি ওঠার সময় পাশে কেউ থাকলে মা শারীরিকভাবে নিরাপদ থাকেন। হঠাৎ মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা পা পিছলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিতে দ্রুত সাহায্য করা সম্ভব হয়। পরিবারের কেউ সামনে বা পাশে থেকে হাত ধরে সহায়তা করলে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

---

✅ ২. ঘরের মেঝে ও সিঁড়ি সবসময় শুকনো রাখুন 🚫💧

ভেজা মেঝে গর্ভবতী মায়ের জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ। টাইলস বা মার্বেল ভেজা থাকলে যে কেউ পিছলে যেতে পারে—অথচ গর্ভবতী মায়ের জন্য এই পড়ে যাওয়া অনেক জটিলতার কারণ হতে পারে। তাই ঘর, বাথরুম, রান্নাঘর বা সিঁড়ি—যেখানেই পানি থাকে, সঙ্গে সঙ্গে মুছে ফেলতে হবে। যদি ঘরে ছোট বাচ্চা থাকে, তাদের ছড়ানো পানি বা খেলনা দ্রুত সরিয়ে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

---

✅ ৩. উঁচু বা অস্থিতিশীল জায়গায় উঠতে দেবেন না ⚠️

গর্ভাবস্থায় উচ্চতায় ওঠা যেমন বিপজ্জনক, তেমনি দুর্বল বা দুলে ওঠা চেয়ার, স্টুল বা টুলেও উঠা ঝুঁকিপূর্ণ। অনেকে পর্দা ঠিক করতে, আলমারি থেকে কিছু নামাতে বা বাল্ব লাগাতে উঠে যান—এগুলো একেবারেই অনুচিত। ভারসাম্য নষ্ট হলে মা পড়ে যেতে পারেন, যা মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। দরকার হলে পরিবারের কেউ কাজটি করে দিন, যেন মা একদমই উঠতে না হয়।

---

✅ ৪. উঠা–নামার সময় ভারী কিছু হাতে নিতে দেবেন না 👜🚫

অনেক মা অভ্যাসবশত বাজারের ব্যাগ, পানি ভর্তি বোতল বা কাপড়ের ঝুড়ি হাতে নিয়ে ওঠানামা করেন। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভারী কিছু ধরলে পেটের মাংসপেশিতে চাপ পড়ে, কোমর ব্যথা বাড়ে এবং ভারসাম্য নষ্ট হয়ে হঠাৎ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়। তাই মা যখন উঠবেন বা সিঁড়ি ব্যবহার করবেন, নিশ্চিত করুন তাঁর হাত ফাঁকা থাকে।

---

✅ ৫. পর্যাপ্ত আলো থাকা বাধ্যতামূলক 💡

অল্প আলোয় ভুল পা পড়া, সিঁড়ির ধাপ না দেখা, জিনিসে পা আটকে যাওয়া—এগুলো খুবই কমন দুর্ঘটনা। তাই করিডোর, বাথরুম, সিঁড়ি এবং যে রুমগুলো বেশি ব্যবহার হয়, সেগুলোতে উজ্জ্বল আলো থাকা খুব জরুরি। রাতে মেয়েদের বারবার বাথরুমে যেতে হয়, তাই নাইট-লাইট রাখলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও কমে।

---

✅ ৬. তাড়াহুড়া, টানাটানি বা হঠাৎ ওঠাবসা করাবেন না ⛔

মা যখন ওঠেন বা বসেন, তখন ধীরে করতে দিন। হঠাৎ টেনে ওঠানো বা দ্রুত বসতে বলা একেবারেই ঠিক নয়। এতে মাথা ঘোরা, পেশিতে টান বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। প্রতিবার ধীরে, আরামদায়কভাবে উঠতে–বসতে সহায়তা করুন।

---

✨ পরিবারকে সচেতন করুন

পরিবারের প্রতিটি সদস্য—স্বামী, মা, শাশুড়ি, ভাইবোন—সবার দায়িত্ব মা ও শিশুকে নিরাপদ রাখা। ছোট ছোট সতর্কতা বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারে।

---

👉 এই পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে আরও পরিবার গর্ভবতী মায়ের নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।

PREGNANCY & BIRTH FACTS 🤰👶✨• ❤️ Baby’s heart starts beating around week 5• 🧠 Baby can hear your voice by week 28• 👣 Most...
12/11/2025

PREGNANCY & BIRTH FACTS 🤰👶✨

• ❤️ Baby’s heart starts beating around week 5
• 🧠 Baby can hear your voice by week 28
• 👣 Most babies are born with blue or gray eyes (color changes later)
• 💪 The uterus grows 500x its size during pregnancy
• 🔥 Giving birth is like running a marathon — your body is powerful

Moms are superheroes. 🫶

12/11/2025

“মায়ের দুধই শিশুর প্রথম টিকা 🍼💖
জানুন দুধ বৃদ্ধি করার প্রাকৃতিক উপায়গুলো – সুস্থ মা, সুস্থ শিশুই আমাদের ভবিষ্যৎ 🌼”

#মায়েরদুধ #শিশুরস্বাস্থ্য #সুস্থমা_সুস্থশিশু

11/11/2025

Sad story

10/11/2025

#গর্ভকালীন_পরামর্শ

10/11/2025

06/11/2025

🌸 “বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে মিডওয়াইফদের অবদান ও বর্তমান বাস্তবতা”
একজন midwife শুধু প্রসব করানো ব্যক্তি নয়, তিনি মা ও শিশুর জীবনের রক্ষক।
প্রসবের আগে, সময়ে, ও পরে— তিনটি পর্যায়েই তিনি মায়ের পাশে থাকেন, তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করেন।
তবুও, আজও বাংলাদেশে midwife দের অবদান প্রাপ্য সম্মান পায় না।

---

🌍 বিশ্বব্যাপী মিডওয়াইফদের গুরুত্ব

WHO (World Health Organization) midwife দেরকে বলে —

> “The backbone of maternal and newborn healthcare.”
অর্থাৎ, মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবার মেরুদণ্ড।

WHO-এর গবেষণায় দেখা গেছে —
একজন দক্ষ midwife একা মা ও শিশুর যত্নের ৮৭% সেবা দিতে সক্ষম,
এবং পর্যাপ্ত midwife থাকলে মাতৃমৃত্যু ৬০% পর্যন্ত কমানো সম্ভব।

এছাড়াও UNFPA ও ICM (International Confederation of Midwives) বলেছে —

> “Investing in midwives means investing in saving lives.”
অর্থাৎ midwife-এ বিনিয়োগ মানে জীবন বাঁচানোয় বিনিয়োগ।

---

🇧🇩 বাংলাদেশে মিডওয়াইফ শিক্ষার সূচনা

বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালে ৩ বছর মেয়াদী Diploma in Midwifery Course চালু করে,
যেখানে UNFPA, WHO ও UNICEF সহযোগিতা করে।
প্রথমে ৩১টি নার্সিং ইনস্টিটিউটে কোর্স শুরু হয়,
লক্ষ্য ছিল — দক্ষ midwife তৈরি করে মাতৃ ও নবজাতক মৃত্যুহার কমানো।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে, ১০ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে,
এবং তৃতীয়টি এখনো অসম্পূর্ণ ও দীর্ঘসূত্রিতায় ভুগছে।

---

🏥 বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে মিডওয়াইফদের বাস্তব অবস্থা

হাজারো midwife আজও বেকার বা অস্থায়ী চুক্তিতে কাজ করছেন।

সরকারি হাসপাতালে তাদের পদ থাকলেও পূর্ণ ব্যবহার হচ্ছে না।

অনেক জায়গায় midwife দের সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই।

অথচ প্রতিদিন বাংলাদেশে গড়ে ১২ জন মা প্রসবজনিত জটিলতায় মারা যাচ্ছেন।

👉 সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো —
আমাদের দেশের অনেক private hospital ও clinic এ midwife নিয়োগই করা হয় না।
ওদের রয়েছে obstetrics, gynecology, ও pediatrics ward,
কিন্তু সেখানে trained midwife থাকার কথা থাকলেও, বাস্তবে কোনো পদই রাখা হয়নি।
যেখানে midwife থাকলে মা ও নবজাতক দুইজনেরই ঝুঁকি অনেক কমে যেত,
সেখানে ব্যবসায়িক কারণে midwife দের সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হচ্ছে।
এটা শুধু অন্যায় না, এটা এক ধরনের health system failure —
যেখানে “লাভ” মানুষিক দায়িত্বের চেয়ে বড় হয়ে গেছে।
😭😭😭কবে বুঝবে এদেশের মানুষ মিডওয়াইফদের গরুত্ব😭😭😭

Address

Dhaka
1201

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when pregnancy care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to pregnancy care:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram