Ousod Ghor - ঔষধ ঘর

Ousod Ghor - ঔষধ ঘর ঔষধ ঘর দিচ্ছে সবচেয়ে কমমূল্যে সকল দে

02/05/2022
 #সজিনা_গাছ_কে_বলা_হয়_পুস্টির_ডিনামাইটসজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষক...
23/04/2022

#সজিনা_গাছ_কে_বলা_হয়_পুস্টির_ডিনামাইট

সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশনাল সুপার ফুড।

★ প্রতি গ্রাম সজনে পাতায়ঃ-

* একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন c রয়েছে।

* দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে।

* গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন a এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান।ফলে এটি অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতি জনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

★ এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রণ বিদ্যমান, যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

★ সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনেও অন্যতম অবদান রাখে।

★ মানুষের শরীরের যে ৯ টি এমাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবগুলোই এই সাজনার মধ্যে বিদ্যমান।

★ এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মত কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

★ নিয়মিত দৈনিক সেবন শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

★ এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

★ শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

★ এটি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান, যা ১ থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন সময়ে ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রণ এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

★ এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

★ সাজনাতে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

★ এতে ৩৬ টির মত এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

এই ডাক্তারি পরামর্শটির বাস্তব উদাহরণ আমি নিজে!!!গত মার্চের ৬ তারিখের গভীর রাতে আমার ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল! দ্রুত ওঠে বাথরুম...
17/04/2022

এই ডাক্তারি পরামর্শটির বাস্তব উদাহরণ আমি নিজে!!!
গত মার্চের ৬ তারিখের গভীর রাতে আমার ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল! দ্রুত ওঠে বাথরুমে পেসাব করে বোতলে পানি খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ি। তার দুইদিন পর সিমটম শুরু হলে নিউরোসাইন্স হাসপাতালে যাই। যথারীতি সিটিস্ক্যান! ধরা পড়ে মাইনর স্ট্রোক!
পরামর্শঃ-
যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ:

আমরা প্রায়ই শুনতে পাই একেবারে সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন। এটার একটা কারন হচ্ছে রাতে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি, যা ব্রেইনে রক্তের প্রবাহ হঠাত কমিয়ে দেয়। এটা আপনার ইসিজি প্যাটার্নও বদলে দেয়।

হুট্ করে ঘুম থেকে উঠেই দাঁড়িয়ে পড়ার দরুন আপনার ব্রেইনে সঠিক ভাবে অক্সিজেন পৌছাতে পারেনা, যার ফলে হতে পারে হার্ট এ্যাটাকের মত ঘটনাও।

ডাক্তাররা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার আগে সবাইকে 'দেড় মিনিট' সময় নেয়ার একটি ফর্মুলা দিয়েছেন।

এই দেড় মিনিট সময় নেয়াটা জরুরি কারন এটা কমিয়ে আনবে আপনার আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা।

হঠাৎ এই উঠে পড়ার সময়ে এই দেড় মিনিটের ফর্মুলা বাঁচিয়ে দিতে পারে আমাদের জীবন।

১। যখন ঘুম থেকে উঠবেন, হুট করে না উঠে মিনিমাম তিরিশ সেকেন্ড বিছানায় শুয়ে থাকুন।

২। এরপর উঠে বিছানায় বসে থাকুন তিরিশ সেকেন্ড।

৩। শেষ তিরিশ সেকেন্ড বিছানা থেকে পা নামিয়ে বসুন।

এই দেড় মিনিটের কাজ শেষ হবার পর আপনার ব্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন পৌছাবে যা আপনার হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি একদম কমিয়ে আনবে।

খুবই গুরুত্তপুর্ন এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যটি‌ ছড়িয়ে দিন আপনার পরিবার, বন্ধু এবং পরিচিত লোকজনের মাঝে। নিজে এই ফর্মুলাটি মেনে চলুন এবং অন্যদেরকেও মানতে বলুন।

মনে রাখবেন যেকোন বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। সুতরাং সবাই নিয়মটি মানতে চেষ্টা করবেন প্লিজ। বিদ্রঃ সংগৃহীত, জনসচেতনতার জন্যে প্রচারিত।

ইফতারের পর হার্ট এটাক বাড়ছে :সতর্ক হতে হবে:ইফতারের পর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি হওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়...
06/04/2022

ইফতারের পর হার্ট এটাক বাড়ছে :
সতর্ক হতে হবে:
ইফতারের পর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি হওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।অনেকে হার্ট এটাকের ব্যাথা কে ভুল করে এসিডিটির পেইন মনে করে এন্টাসিড বা ইনো খেয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে বা তীব্র বুকের ব্যাথা নিয়ে রমজান মাসে সন্ধ্যা বেলা ইফতারির পর চিকিৎসক এর চেম্বারে বা হসপিটালের ইমারজেন্সী বিভাগে চলে আসেন। ইসিজি করার পর প্রতীয়মান হয় যে উনার হার্ট এটাক হয়েছে এবং ততক্ষণে জটিলতা বেড়ে যায়।

যেকোনো ভারী খাবার দাবারের পর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রচুর খাবার একসাথে গেলে সেগুলোকে সামাল দেয়ার জন্য পাকস্থলীকে তার কাজ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে হয়। বেশি কাজ মানেই বেশি শক্তি। এই অতিরিক্ত শক্তির জন্য তার রক্তও দরকার হয় বেশি। কিন্তু এই রক্ত সে পাবে কই?
পাকস্থলীর মোটামোটি কাছের প্রতিবেশী যেহেতু হার্ট, তখন হার্টকে স্যাক্রিফায়েস করতে হয় বেশ খানিকটা রক্ত। আর ঠিক তখনই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।

রোজায় সারাদিন না খেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বেশ ক্ষুধার্ত থাকি। ব্রেইন বারবার সিগনাল পাঠাতে থাকে - খাবার দাও, খাবার দাও।
টেবিলে সাজানো সুস্বাদু সব খাবার আর ব্রেইনের সিগনালের ফাঁদে আমরা খুব সহজেই ধরা পড়ে যাই। গোগ্রাসে প্রচুর খাবার গিলতে থাকি।
তারপর আমাদের অজান্তেই শরীরের মধ্যে চলতে থাকে আন্তঃপ্রতিবেশী রক্ত আদান-প্রদান। কখনো কখনো হজম প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে শরীরের বিভিন্ন অর্গান বা অংগ থেকে পাকস্থলী বা স্টম্যাক এর দিকে রক্তের ডাইভারসন হয়, এর মাঝে হৃদপিন্ড বা হার্ট অন্যতম যেখানে রক্ত চলাচলে স্বল্পতা ঘটে।ফলশ্রুতিতে ভারী খাবার দাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় চারগুণ।

তাই, ইফতারে খাবার কম খান। দরকার হলে অল্প অল্প করে ২/৩ বারে খান।
নিজের স্বজনদের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখুন।

Collected

26/03/2022

সকলকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।

আর্থ্রাইটিস হলে করণীয়!আর্থ্রাইটিস শব্দটির সঙ্গে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। এ ধরনের রোগের কারণ ও করণীয় সম্পর্কে আমরা অনেকে...
01/03/2022

আর্থ্রাইটিস হলে করণীয়!

আর্থ্রাইটিস শব্দটির সঙ্গে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। এ ধরনের রোগের কারণ ও করণীয় সম্পর্কে আমরা অনেকেই তেমন কিছু জানি না। আর্থ্রাইটিস হচ্ছে হাড় অথবা হাড়ের জোড়ার প্রদাহ। বাংলায় এটিকে বাত বলা হয় ।

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস : এক ধরনের দীর্ঘস্থায়ী বাত ব্যথা। কর্মক্ষম দেহ কলার ক্ষতিজনিত অস্বস্তিকর অনুভূতিকে ব্যথা বলা হয়। একে বলা হয় অটো-ইমিউন ডিজিস। এ রোগে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনাকে প্রতিরক্ষা করার পরিবর্তে আপনার দেহের কোন একটি অঙ্গ অথবা জয়েন্টের বিরুদ্ধে কাজ করে। ওই জয়েন্টে প্রদাহ হওয়ার ফলে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হয়।

কোনো কারণে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়লে এ রোগ হয় বলে অনেক বিজ্ঞানীদের ধারণা।

রিউমাটয়েড হ্যান্ড : এই আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত হলে হাতের আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়ে যায়। হাতের আঙুলগুলো বিভিন্ন আকৃতি ধারণ করে।

সোয়াননেক ডিফর্মিটি : হাতের আঙুল বাঁকা হয়ে রাজহাঁসের গলার মতো হয়। বাটন হোল ডিফর্মিটি সুচ দিয়ে কাঁথা সেলাই করতে গেলে তর্জনী আঙুল যে রূপ ধারণ করে তেমন হয়।

জেড ডিফর্মিটি : হাতের আঙুল ইংরেজি বড় হাতের অক্ষর জেড এর আকার ধারণ করে-আঙুলের মাংস দুর্বল হয়ে পড়ে। এই তিনটিকে একত্রে বলা হয় রিডমাটয়েড হ্যান্ড বা হাত।

অস্টিওআর্থ্রাইটিস : আমাদের দেহের যে কোনো জয়েন্টের দুটি হাড়ের মাঝখানে তরুণাস্থি থাকে, এর ফলে আমরা খুব সহজেই নড়াচড়া ও হাঁটাচলা করতে পারি। অস্টিওআর্থ্রাইটিসে তরুণাস্থি ক্ষয় হয়ে যাওয়ায় প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। শরীরের যে কোনো হাড়ের জয়েন্টে এ রোগ হতে পারে, ভার বহনকারী জয়েন্টে হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

আর্থ্রাইটিস কেন হয়?
অন্যতম কারণ বয়োবৃদ্ধি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তরুণাস্থিতে পানির পরিমাণ বাড়তে থাকে এবং প্রোটিনের পরিমাণ কমতে থাকে। সেজন্য তরুণাস্থিও ক্ষয় হতে থাকে। শারীরিক ওজন বেশি থাকলে বিভিন্ন জয়েন্টের ওপর বেশি চাপ পড়ার কারণে এ রোগ হতে পারে। জš§সূত্রে কারও কারও এ রোগ হতে পারে।

স্পনডিলাইটিস : আমাদের মেরুদণ্ড অনেক ছোট ছোট কশেরুকা (ভার্টিব্রা) দ্বারা গঠিত। স্পনডিলাইটিস হল মেরুদণ্ডের কশেরুকার প্রদাহ। এ রোগের উপসর্গ হল ঘাড়ে, কাঁধে, পিঠে, কোমরে, বা মাজায় অসহ্য ব্যথা। ঘাড় ঘোরাতে, শরীর বাঁকাতে এবং হাঁটাচলা করতে প্রচণ্ড অসুবিধা হতে পারে। এছাড়া হালকা জ্বর, ক্ষুধামন্দা এবং ওজন হ্রাস পাওয়া হচ্ছে এ রোগের উপসর্গ।

এ রোগ কাদের হওয়ার আশঙ্কা বেশি : সাধারণত ত্রিশ বছরের পরে হয়। যারা অনেকক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করেন এবং অতিরিক্ত টেনশন যাদের নিত্যসঙ্গী তাদের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি। বংশগত কারণেও হতে পারে।

আর্থ্রাইটিস নিয়ে সুস্থ থাকার ৭টি উপায়

* যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

* আপনার রোগের ধরন এবং নিরাময় সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন।

* ব্যথার ওষুধ বেশি ব্যবহার না করে জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন করুন।

* মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকুন।

* অতিরিক্ত বিশ্রামের পরিবর্তে কাজে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করুন।

* ব্যায়াম করাকে একটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করুন।

* অবসর সময় প্রিয়জনের সঙ্গে অতিবাহিত করুন।

যে কয়েকটি ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন

* টেবিলে বসে ঝুঁকে পড়াশোনা করবেন না।

* নরম গদি-তোশক এবং উঁচু বালিশ বেশি ব্যবহার করবেন না।

* দেহের মেদ কমান-পুষ্টিকর খাবার খান।

* টেনশন কমান।

* প্রতিদিনই হালকা কিছু ব্যায়াম করুন।

* নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করুন।

* শীতকালে ঠাণ্ডায় এবং বর্ষায় স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় বয়স্করা সাবধানে থাকবেন।

* চিকিৎসকের পরামর্শ মতো দৈনন্দিন জীবনযাপন এবং ওষুধ সেবন করবেন।

* স্বাস্থ্যবান সুখী মানুষ কখনও অতীত বা ভবিষ্যতে বসবাস করে না। সে সব সময়ই বাস করে বর্তমানে।

* প্রার্থনা রোগের উপসর্গ কমায় এবং সুস্থতার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

* রাগ-ক্ষোভ, ঈর্ষা, সন্দেহ দুরারোগ্য ব্যাধি সৃষ্টি করে। এগুলো ঝেড়ে ফেলুন, আপনার সুস্থ থাকার সামর্থ্য বেড়ে যাবে।

* উপদেশ-সম্পূর্ণ বিশ্রাম-৩-৭ দিন।

* মালিশ নিষেধ, এক বালিশ ব্যবহার করবেন, শক্ত ও সমান বিছানায় ঘুমাবেন, ফোম, জাজিম ব্যবহার, সামনে ঝোঁকা, ভারি কাজ, গরম সেঁক নিষেধ, নামাজ চেয়ার টেবিলে পড়বেন। উঁচু কমড ব্যবহার করবেন। নিচে বসা নিষেধ, সোজা হয়ে বসবেন। মগে গোসল করবেন না, শাওয়ার ব্যবহার করবেন, কোমরে বেল্ট (করসেট) পরবেন, যার ঘাড়ে সমস্যা তারা কলার ব্যবহার করবেন।

চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক চলুন। সুস্থ থাকুন আর প্রয়োজনীয় ঔষধ অর্ডার করুন ঘরে বসে আরোগ্য অ্যাপ থেকে।

ফুলকপি 🥦🥦শীত মানেই সুস্বাদু সবজি ফুলকপির সমাহার। বাংলাদেশে একটি পুষ্টিকর অত্যন্ত জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি। বহুমুখী গুণ সম্প...
04/02/2022

ফুলকপি 🥦🥦

শীত মানেই সুস্বাদু সবজি ফুলকপির সমাহার।
বাংলাদেশে একটি পুষ্টিকর অত্যন্ত জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি। বহুমুখী গুণ সম্পন্ন সবজিটি রান্না করে, সেদ্ধ বা কাঁচাও খাওয়া যায়। ফুলকপিতে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ ও ক্যালসিয়াম, মিনারেল, #অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য ফাইটোকেমিক্যালও থাকে। এতে ৮৫% পানি, অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে। নানাগুণে গুণান্বিত এই সবজি রোগ প্রতিরোধক হিসেবে দারুণ উপকারী। ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

24/01/2022

🔴কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পরিস্থিতি
তারিখ: ২৩ জানুয়ারি,২০২২

গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতি
শনাক্ত: ১০,৯০৬
সুস্থ: ৭৮২
মৃত্যু: ১৪

✅ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন , সঠিক নিয়মে মাস্ক পরুন , নিরাপদে থাকুন
✅ টিকা নিন
✅ টিকা গ্রহণের পরেও নিয়মিত মাস্ক পরুন।
✅ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টিকা গ্রহণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
✅ সেবা পেতে মাস্ক পরুন। No mask no service

Address

Dhaka

Telephone

+8801894866011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ousod Ghor - ঔষধ ঘর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ousod Ghor - ঔষধ ঘর:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram