Marriage and Divorce Counseling Centre

Marriage and Divorce Counseling Centre বিবাহ এবং তালাক সম্পর্কিত তথ্য জানতে চলে আসুন আমার পেইজে এবং লাইক কমেন্ট করে সাথে থাকুন...

🌿 বিবাহ সহজ হওয়ার জন্য আমলঃ-১. জুমার নামাজের আগে বা পরে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ুন।নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে নিজের সমস্যার...
20/02/2026

🌿 বিবাহ সহজ হওয়ার জন্য আমলঃ-

১. জুমার নামাজের আগে বা পরে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ুন।
নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে নিজের সমস্যার কথা বলুন এবং হালাল জীবনসঙ্গী চেয়ে দোয়া করুন।

২. দরূদ শরীফ বেশি বেশি পড়ুন
জুমার দিনে বেশি দরূদ পড়া সুন্নাহ।
কমপক্ষে ১০০ বার পড়তে পারেন:
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ

৩. সূরা ইয়াসিন বা সূরা রহমান তিলাওয়াত
শুক্রবারে কুরআন তিলাওয়াত করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ, বিশেষ করে সূরা ইয়াসিন বা সূরা রহমান পড়ে দোয়া করতে পারেন।

৪. এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়ুন
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
উচ্চারণ: রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফকীর
অর্থ: “হে আমার রব, আপনি যে কল্যাণ দান করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।”
এই দোয়াটি কুরআন শরীফ-এ হযরত মূসা (আ.)-এর দোয়া হিসেবে এসেছে, যা জীবনের কল্যাণ ও রিজিকের জন্য পড়া হয়।

৫. জুমার দিনের বিশেষ সময়ে দোয়া
হাদিসে এসেছে, জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে যখন বান্দার দোয়া কবুল হয়। অধিকাংশ আলেমের মতে আসর থেকে মাগরিবের মাঝের সময় দোয়ার জন্য বিশেষ উত্তম।

🔰প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীরবিয়ে করার আগে যেসব বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে।❑ বিবাহ-শাদীর প্রচলিত ভুলসমূহ—❑ বিয়ের পূর্বের ভুলসমূ...
17/02/2026

🔰প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর
বিয়ে করার আগে যেসব বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে।

❑ বিবাহ-শাদীর প্রচলিত ভুলসমূহ—
❑ বিয়ের পূর্বের ভুলসমূহ—
❑ বিয়ের সময়ের ভুলসমূহ—
❑ বর পক্ষের ভুলসমূহ—
❑ কন্যা পক্ষের ভুলসমূহ—
❑ বিবাহের কিছু কুপ্রথা—

বিবাহ-শাদী মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
যা মহান আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদেরকে বিশেষ নে‘আমত হিসাবে দান করেছেন।

বাহ্যিক দৃষ্টিতে বিবাহ-শাদী দুনিয়াবী কাজ বা মুবাহ মনে হলেও যথা নিয়মে সুন্নাত তরীকায় যদি তা সম্পাদন করা হয়, তাহলে সেটা বরকতপূর্ণ ইবাদত ও অনেকে সওয়াবের কাজ হয়। এর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার দাম্পত্য জীবন সুখময় হয়। কিন্তু বর্তমান সমাজে বিবাহ-শাদী সুন্নত তরীকায় তো হয়ই না। উপরন্তু এটা বিভিন্ন ধরনের কুপ্রথা এবং বড় বড় অনেক গুনাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফলে পারিবারিক জীবনে অশান্তির ঝড় বয়ে চলছে। এজন্য নিম্নে বিবাহ-শাদী সম্পর্কিত কিছু ভুল এবং কুপ্রথা তুলে ধারা হলো। যাতে এগুলো থেকে বাঁচা হয়।

❑ বিবাহের পূর্বের ভুলসমূহ :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. বিবাহ শাদী যেহেতু ইবাদত, সুতরাং এখানে দীনদারীকে প্রাধান্য দিতে হবে। দুনিয়াদারগণ সৌন্দর্য, মাল, দৌলত ও খান্দানকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এটা রাসূলের সুন্নাতের বিপরীত হওয়ায় শান্তি বয়ে আনে না।

২. কোন কোন জায়গায় অভিভাবক এবং সাক্ষী ছাড়া শুধু বর কনের পরস্পরের সন্তুষ্টিতেই বিবাহের প্রচলন আছে। অথচ এভাবে বিবাহ বিশুদ্ধ হয় না। বরং এটি যিনা-ব্যভিচার বলে গণ্য হবে।

৩. কেউ কেউ ধারণা করে যে ‘মাসিক’ চলাকালীন সময় বিবাহ শুদ্ধ হয় না। অথচ এ অবস্থায়ও বিবাহ শুদ্ধ হয়ে যায়। অবশ্য এ অবস্থায় সহবাস জায়েজ নেই।

৪. কেউ কেউ ধারণা করে যে মুরীদনীর সাথে পীর সাহেবের বিবাহ জায়িয নেই। অথচ রাসূল (ﷺ) এর স্ত্রীগণ সকলেই তাঁর মুরীদনী ছিলেন।

৫. অনেকে অনেক বয়স হওয়ার পরও বিবাহ করে না কিংবা প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর বা সে মৃত্যু বরণ করার পর আর ২য় বিবাহ করে না। অথচ শারীরিক বিবেচনায় তার বিবাহ করা জরুরী ছিল। এ অবস্থায় থাকা মানে যিনা-ব্যভিচারে জড়িত হওয়ার রাস্তা খুলে দেয়া।

৬. অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় (উদাহরণ স্বরূপ) ৬০ বছরের বয়স্ক লোক অল্প বয়সী যুবতী মেয়েকে বিবাহ করে বসে। ফলে ঐ মেয়ে নিশ্চিত জুলুমের শিকার হয়।[তবে স্ত্রীর হক্ব আদায়ে সক্ষম হলে নব্বই বছর বয়সে বিয়ে করাও জুলুম না।]

৭. অনেকে স্ত্রীর খেদমতে অক্ষম হওয়া সত্ত্বেও দুর্বলতা লুকিয়ে লোক দেখানোর জন্য বিয়ে করে স্ত্রীর জীবনকে ধ্বংস করে দেয়। এটা মারাত্মক গুনাহের কাজ।

৮. কোন কোন আধুনিক শিক্ষিত লোক আধুনিক শিক্ষা তথা ডাক্তারি প্রফেসারি ইত্যাদি ডিগ্রি দেখে মেয়ে বিয়ে করে। তাদের ভাবা উচিৎ বিয়ের দ্বারা উদ্দেশ্য কী?
যদি তার স্ত্রীর দ্বারা টাকা কামানো উদ্দেশ্য হয়, তাহলে এটা তো বড় লজ্জাজনক কথা যে, পুরুষ হয়ে মহিলাদের কামাইয়ের আশায় বসে থাকবে। মনে রাখতে হবে, এ ধরণের পরিবারে শান্তি আসে না।

৯. কেউ কেউ পালক পুত্রের তালাক দেয়া স্ত্রী বিবাহ করাকে না জায়েজ মনে করে। এটা জাহিলী যুগের বদ-রসম।

১০. কেউ কেউ বিধবা মহিলাদের বিবাহ করাকে অপছন্দ করে। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অধিকাংশ স্ত্রী বিধবা ছিলেন।
— (বুখারী, হাদিস নং ৫০৭৭)

❂ বিবাহের সময়ের ভুলসমূহ—
❑ বর পক্ষের ভুলসমূহ :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. বিবাহ শাদী যেহেতু ইবাদত, সুতরাং বিবাহকে কেন্দ্র করে কোন প্রকার গুনাহ না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলে খায়ের বরকত লাভ হবে। যদি বিবাহকে গুনাহ মুক্ত করা না যায়, তাহলে সেখানে অশান্তি হওয়া নিশ্চিত।
২. প্রথাগতভাবে অনেক লোকের বর যাত্রী হিসেবে যাওয়া।
৩. দাওয়াতকৃত সংখ্যার অধিক লোক নিয়ে যাওয়া।
৪. লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কন্যার জন্য যৌতুক পাঠানো এবং এটাকে জরুরী মনে করা।
৫. গায়রে মাহরাম পুরুষ দ্বারা মেয়ের ইজন বা অনুমতি আনা।
৬. বেগানা পুরুষদের কন্যার মুখ দেখা এবং দেখানো।
৭. নাচ-গান, বাজনা ইত্যাদি করা।
৮. সালামী গ্রহণ করা।
৯. মোহরানা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পূর্বেই না করা, বরং করাকে দোষ মনে করা। অতঃপর বিবাহের সময় তর্ক-বিতর্ক করা।
১০. লোক দেখানোর জন্য বা গর্বের সাথে ওলীমা করা।
১১. মোহরানার বিষয়ে গুরুত্ব না দেয়া এবং মোহরানা আদায়ে গাফলতী করা।
১২. ইচ্ছাকৃত এমন কর্মকাণ্ড করা যে কারণে কোন পক্ষের অদূরদর্শিতা প্রমাণিত হয় অথবা তাদের অস্থিরতার কারণ হয়। আর নিজেদের সুনাম প্রকাশ পায়।
১৩. বিবাহ অনুষ্ঠানের কারণে ফরয ওয়াজিবসহ শরী‘আতের বিধানের ব্যাপারে উদাসীনতা এবং অনীহা প্রকাশ করা।

❑ কন্যা পক্ষের ভুলসমূহ :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. বর যাত্রার চাহিদা।
২. ছেলের জন্য উপঢৌকন/যৌতুক প্রকাশ্যে পাঠানো, পাঠানোকে পছন্দ করা এবং জরুরী মনে করা।
৩. আত্মীয়-স্বজন মহল্লাবাসীদের জন্য প্রথাগত দাওয়াত এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা।
৪. বিবাহের সরঞ্জাম, অলংকারাদী প্রকাশ্যে দেখা এবং অন্যদেরকে দেখানো।
৫. বিবাহের পর রসম হিসাবে জামাতাকে শরবত পান করানো।
৬. বেগানা মহিলারা জামাতার সামনে আসা।
৭. সালামী গ্রহণ করা। এটাকে জরুরী মনে করা এবং নেয়া দেয়া।
৮. যাতে মহল্লায় খুব প্রসিদ্ধ হয় সে জন্যে ইচ্ছাকৃত কোন কিছু করা।
৯. ফরয-ওয়াজিব ইত্যাদি বিষয়ে উদাসীন হওয়া। এছাড়াও বিবাহ উপলক্ষে অনেক বেপর্দা, যুবক যুবতীদের অবাধ মেলা-মেশা, অপব্যয়, ছবি এবং ভিডিও ইত্যাদি করা হয়, যাতে বিবাহের সকল খায়ের বরকত নষ্ট হয়ে যায়।

❑ বিবাহের কিছু কুপ্রথা :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. মেয়ের ইযিন আনার জন্য ছেলেপক্ষ স্বাক্ষী পাঠিয়ে থাকে, শরী‘আতের দৃষ্টিতে এর কোন প্রয়োজন নেই।

২. বিবাহের সময় অনেকে বর-কনের দ্বারা তিনবার করে ইজাব কবূল পাঠ করিয়ে থাকে এবং পরে তাদের দ্বারা আমীন বলানো হয়। শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি নেই।

৩. ইজাব কবূলের মাধ্যমে আকদ সম্পাদন হওয়ার পর মজলিসে উপস্থিত সকলকে লক্ষ্য করে সামনে দাঁড়িয়ে হাত উঠিয়ে বর যে সালাম করে থাকে তারও কোন ভিত্তি নেই।

৪. ঝগড়া-ফাসাদের আশংকা থাকা সত্ত্বেও খেজুর ছিটানোকে জরুরী মনে করা হয়। অথচ এ সম্পর্কিত হাদীসকে মুহাদ্দিসীনে কেরাম যঈফ বলেছেন।

❑ বিবাহ শাদীর আরো কতিপয় কুসংস্কার :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. অনেক জায়গায় বিবাহ রওয়ানা হওয়ার আগে এলাকার প্রসিদ্ধ মাযার যিয়ারত করে তারপর রওয়ানা হয়। শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি নেই।

২. বরের নিকট কনে পক্ষের লোকেরা হাত ধোয়ানোর টাকা, পান পাত্রের পানের সাথে টাকা দিয়ে তার থেকে কয়েকগুণ বেশী টাকা জোর যবরদস্তী করে আদায় করে থাকে। এটা না জায়িয।

৩. অনেক জায়গায় গেট সাজিয়ে সেখানে বরকে আটকে দেয়া হয় এবং টাকা না দেয়া পর্যন্ত ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। এটাও একটা গর্হিত কাজ।

৪. খাওয়া দাওয়া শেষে কনে পক্ষের লোকেরা বরের হাত ধোয়ায়। পরে হাত ধোয়ানো বাবদ টাকা দাবী করে। অনেক জায়গায় এ নিয়ে অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়। এটা একেবারেই অনুচিত। মূলতঃ এসব হিন্দুয়ানী প্রথা। দীর্ঘ দিন যাবত হিন্দুদের সাথে বসবাস করার কারণে আমাদের মধ্যে এই কুসংস্কারগুলি অনুপ্রবেশ করেছে।

৫. বিবাহ পড়ানোর আগে বা পরে যৌতুকের বিভিন্ন জিনিস-পত্র প্রকাশ্য মজলিসে সকলের সামনে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এটাও অন্যায় ও নির্লজ্জতার কাজ।

৬. বিবাহের পরে নারী-পুরুষ সকলের সামনে কনের পিতা বা মাতা জামাই-মেয়ের হাত একসাথে করে তাদেরকে দু‘আ দেয়। কনের পিতা জামাইকে বলে “আমার মেয়েকে তোমার হাতে সঁপে দিলাম, তুমি এক দেখে শুনে রেখ” এর কোন ভিত্তি শরী‘আতে নেই।

৭. বিবাহ করে আনার পর শ্বশুর বাড়ীতে নববধূকে বিভিন্ন কায়দায় বরণ করা হয়। কোথাও ধান, দুবলা ঘাস, দুধের স্বর ইত্যাদি দিয়ে বরণ করা হয় এবং নববধূর চেহারা সকলকে দেখানো হয়; এসবই হিন্দুয়ানী প্রথা। কোন মুসলমানের জন্য এসব করা জায়িয নেই।

৮. অনেক জায়গায় মেয়ের বিয়ের আগের দিন আর কোথাও মেয়ে শ্বশুর বাড়ী যাওয়ার পরের দিন মেয়ের বাড়ী থেকে ছেলের বাড়ীতে মাছ-মিষ্টি ইত্যাদি পাঠানো হয়ে থাকে। কোথাও এটাকে চৌথি বলা হয়। এটাও বিজাতীয় নাজায়িয প্রথা।

৯. বর বা কনেকে কোলে করে গাড়ী বা পালকী থেকে নামিয়ে ঘরে তোলাও চরম অভদ্রতা বৈই কিছু নয়।

১০. ঈদের সময় বা অন্য কোন মৌসুমে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে চাল, আটা, ময়দা, পিঠা ইত্যাদি পাঠানো এবং এ প্রচলনকে জরুরী মনে করার প্রথা অনেক জায়গায় চালু আছে। আবার অনেক জায়গায় আনুষ্ঠানিকভাবে জামাইকে এবং তার ভাই-বোনদেরকে কাপড়-চোপড় দেয়ার প্রথা আছে। এমনকি এটাকে এতটাই জরুরী মনে করা হয় যে, ঋণ করে হলেও তা দিতে হয়। এটা শরী‘আতের সীমালঙ্ঘন ছাড়া আর কিছু নয়।

১১. আজকাল বিবাহ অনুষ্ঠানে বেগানা মহিলাদের সাজ-সজ্জা করে নিজেকে বিকশিত করে একত্রিত হতে দেখা যায় এবং যুবক যুবতীদের অবাধ মেলা-মেশা করতেও দেখা যায়।
এধরনের বেপর্দা আর বেহায়াপনার কারণে উক্ত মজলিসে উপস্থিত নারী পুরুষ সকলেই গুনাহগার হবে।

১২. বিবাহ উপলক্ষে গান-বাজনা, ভিডিও, ভিসিআর ইত্যাদি মহামারী আকার ধারণ করেছে।
আর কোন কোন এলাকায় তো যুবতী তরুণী মেয়েরা একত্রিত হয়ে নাচ গানও করে থাকে। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এসব হারাম ও নাজায়িয।

১৩. আজকাল বিবাহ অনুষ্ঠান মানেই গুনাহের ছড়াছড়ি। এমন এমন গুনাহ সেখানে সংঘটিত হয় যা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ছবি তোলা ও ভিডিও করা। শরী‘আতের দৃষ্টিতে কোন প্রাণীর ছবি তোলা চাই ক্যামেরার মাধ্যমে হোক কিংবা ভিডিও এর মাধ্যমে হোক বা অংকন করা হোক সবই হারাম।

১৪. বিবাহের পরে মেয়েকে উঠিয়ে দেয়ার আগ মুহূর্তে মেয়ের বাড়ীতে পাড়া-প্রতিবেশী মেয়েরা একত্রিত হয়, আর বরকে অন্দর মহলে এনে সকলে মিলে হৈ হুল্লা করে তার মুখ দর্শন করে। মেয়েরা হাসি মজাক করে বিভিন্ন উপায়ে নতুন দুলাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করে। আর নির্লজ্জ হাসি তামাশায় মেতে উঠে। এধরনের বেপর্দেগী শরী‘আতের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ হারাম।

১৫. অনেক জায়গায় প্রথা চালু আছে যে, নববধূকে বর নিজে বা তার ভগ্নীপতি অথবা তার ছোট ভাই পালকী বা গাড়ী থেকে নামিয়ে কোলে করে ঘরে নেয়।
তারপর উপস্থিত মহল্লাবাসীর সামনে নববধূর মুখ খুলে দেখানো হয়। এ সকল কাজ হারাম এবং নাজায়েয।

তালাক হয়ে যাওয়ার পর স্বামী কোর্ট থেকে বেরিয়ে অটোতে বসলো, আর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী সেও একই অটোতে এসে বসে পড়ল।উদাস স্বাম...
08/12/2025

তালাক হয়ে যাওয়ার পর স্বামী কোর্ট থেকে বেরিয়ে অটোতে বসলো, আর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী সেও একই অটোতে এসে বসে পড়ল।
উদাস স্বামী দশ বছর একসঙ্গে থাকা স্ত্রী কবিতার দিকে এক কাতর দৃষ্টিতে তাকাল।
কবিতা নিভে আসা হাসি দিয়ে বলল —
"বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত শেষ পথটা তোমার সাথেই যেতে চাই।"
স্বামী বলল — "ঠিক আছে!"

রাস্তায় যেতে যেতে স্বামী বলল —
"অ্যালিমনি (ভরণপোষণ) এর টাকা দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তোমাকে দিয়ে দেবো।
বাড়িটাও বেচে দেবো। তোমার জন্যই তো বানিয়েছিলাম।
তুমি যদি জীবনেই না থাকো, তবে সেই বাড়ি দিয়ে কি করব আমি?"

কবিতা তাড়াহুড়ো করে বলল —
"বাড়ি কখনোই বেচো না।
আমাকে টাকা দেয়া লাগবে না।
প্রাইভেট চাকরি করছি, আমার আর মুন্নীর খরচ হয়ে যায়।"

হঠাৎ অটোওয়ালা ব্রেক কষলো, কবিতা মুখ সামনে থাকা রেলিংয়ে ধাক্কা লাগার উপক্রম,
তখনই স্বামী হঠাৎ তার হাত ধরে তাকে বাঁচিয়ে দিল।

স্বামীর চোখের দিকে তাকিয়ে রৌনক অশ্রুভরা কণ্ঠে বলল —
"আমরা আলাদা হয়ে গেছি, তবে তোমার যত্ন নেওয়ার অভ্যাসটা তো যায়নি!"

সে কিছু বলল না।
কিন্তু কবিতা কেঁদে ফেলল।
কাঁদতে কাঁদতে বলল —
"একটা কথা জিজ্ঞেস করি?"

স্বামী চোখ তুলে বলল —
"কি?"

কবিতা ধীরে ধীরে বলল —
"দুই বছর হয়ে গেল আমরা আলাদা থাকছি...
আমার কথা তোমার কখনো মনে পড়ত?"

স্বামী বলল —
"এখন বলেই বা কি লাভ?
এখন তো সব শেষ হয়ে গেছে না?
তালাক হয়ে গেছে।"

কবিতা বলল —
"এই দুই বছরে একবারও সেই ঘুমটা আর পাইনি...
যে ঘুম তোমার হাতকে বালিশ বানিয়ে হতো..."
কথা শেষ করে সে ফুপিয়ে কেঁদে উঠল।

এসময় বাসস্ট্যান্ড চলে এসেছে।
দু’জন অটো থেকে নেমে দাঁড়াতেই স্বামী তার হাত ধরে ফেলল।
অনেকদিন পর স্বামীর স্পর্শ কব্জিতে অনুভব করে রৌনক আবেগে ভেসে গেল।

স্বামী বলল —
"চলো, নিজের বাড়িতে চলে যাই।"

এটা শুনেই কবিতা বলল —
"তালাকের কাগজগুলো তাহলে?"

স্বামী শান্ত গলায় বলল —
"ছিঁড়ে ফেলব।"

এটা শুনেই কবিতা হাউমাউ করে কেঁদে স্বামীর গলায় মাথা রাখল...

পেছনে আরেকটা অটোতে আসা স্বামী-স্ত্রীর আত্মীয়রা সবকিছু দেখে চুপচাপ কোনো কথা না বলে বাসে উঠে চলে গেল...

[ নিজের সম্পর্ককে কখনোই আত্নীয়দেয় হাতে ছেড়ে দিও না,
নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নাও, নিজেদের মধ্যে কথা বলো,
ভুল হলে তা স্বীকার করো। ]

সংগৃহিত

26/10/2025

💗 শাশুড়ি দিবস আজঃ 💗

যে ৮ উপায়ে শাশুড়ির মন জয় করবেন।

মানুষ হিসেবে শাশুড়ি আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কেবল পরিবারের একজন সদস্য নন, বরং অভিভাবক এবং মায়ের প্রতিরূপ। এই বিশেষ সম্পর্ককে সম্মান জানাতে প্রতি বছর অক্টোবরের চতুর্থ রোববার উদযাপন করা হয় ❝শাশুড়ি দিবস❞। সেই হিসেবে আজ আমরা উদযাপন করছি এই দিন।

আজকের দিনে শাশুড়িকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানাতে পারেন, তার খোঁজখবর নিতে পারেন এবং অনুভব করাতে পারেন যে, তার গুরুত্ব আপনার জীবনে অপরিসীম। যেসব দম্পতির বিয়ের কথা চলছে, তারা হবু শাশুড়িকে শুভেচ্ছা জানালে সম্পর্ক আরও মজবুত হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক শাশুড়ি দিবস অক্টোবরের চতুর্থ রোববার পালিত হয়। ১৯৩৩ সালের ৫ মার্চ, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের আমারিলো শহরে স্থানীয় একটি পত্রিকার সম্পাদক প্রথমবারের মতো এই দিবস উদযাপন করেন। পরে এটি অক্টোবরের চতুর্থ রোববারে স্থায়ীভাবে পালন করার নিয়ম করা হয়। মূল উদ্দেশ্য স্পষ্ট—শাশুড়িকে সম্মান দেওয়া।

শাশুড়িকে সম্মান জানানো শুধু শুভেচ্ছা বা উপহার দিয়ে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। দাম্পত্য ও পারিবারিক সম্পর্ক মজবুত করতে শাশুড়ির মন জয় করা খুব জরুরি। এর জন্য কয়েকটি কার্যকর কৌশল হলোঃ

🌿 ভদ্রতা বজায় রাখুনঃ-

শাশুড়ির সঙ্গে কখনো অভদ্র আচরণ করবেন না। যে কোনো বিষয় নিয়ে ঠান্ডা মাথায় উত্তর দিন। ভদ্রতার কারণে ও বয়সের খাতিরে শাশুড়ি নিজে আপনার কদর করবেন। কোনো তুচ্ছ বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না।

🌿 শিষ্টাচার বজায় রাখুনঃ-

শাশুড়ি আপনাকে নানা বিষয়ে কটূ কথা শোনালেও ধৈর্য ধরে তার সঙ্গে আলাপ করুন। ছোটখাট বিষয়ে তার সঙ্গে আলাপ করুন এবং ধন্যবাদ জানান। এতে তার মন জয় করা সহজ হয়।

🌿 স্বামীর সম্পর্কে ভালো কথা বলুনঃ-

কখনো শাশুড়ির কাছে স্বামীর খারাপ কথা বলবেন না। ধরুন আপনার সম্পর্ক খুবই ভালো, তবুও শাশুড়ির কাছে নেতিবাচক মন্তব্য করবেন না। এতে তার মনে আপনার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে।

🌿 তার প্রশংসা করুনঃ-

শাশুড়ি যদি রান্না করেন বা কোনো আয়োজন করেন, তার প্রশংসা জানাতে ভুলবেন না। এতে দেখবেন শাশুড়ির মন গলে যাচ্ছে এবং তিনি আপনার প্রতি ইতিবাচক অনুভূতি রাখবেন।

🌿 তার পরামর্শ নিনঃ-

জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শাশুড়ির মতামত নিন। তার মন্তব্যকে হেলাফেলা করবেন না। তার পরামর্শকে গুরুত্ব দিন। এতে শাশুড়ি খুশি হবেন এবং স্বামীও আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন।

🌿 উপহার দিনঃ-

সময়ের সুযোগে শাশুড়িকে উপহার দিন। এটি তার খুশি বাড়াবে। উপহার যত বেশি ব্যক্তিগত ও মনযোগী হবে, তার প্রতিক্রিয়া তত ভালো হবে।

🌿 সব কাজে সাহায্য করুনঃ-

আপনি কর্মজীবী হলে হয়তো সব সময়ই ব্যস্ত থাকেন। তবুও সময় পেলেই শাশুড়িকে কাজে সাহায্য করুন। এতে তিনি দেখবেন আপনি যত্নশীল এবং তার মূল্য দেন।

🌿 আত্মবিশ্বাসী হনঃ-

শাশুড়ি আপনাকে নানা কারণে ধমক দিতে পারেন। এতে বিচলিত হবেন না এবং ক্ষোভ প্রকাশ করবেন না। বরং নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসী হন এবং শাশুড়ির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকুন। এতে তিনি আপনার প্রতি গর্ব অনুভব করবেন।

শাশুড়ি দিবস উদযাপন শুধু মেয়েদের দৃষ্টিকোণেই সীমাবদ্ধ নয়। ছেলে ও মেয়ের পক্ষের সকলকে সমানভাবে শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি ভালবাসা, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধ দেখানো উচিত। সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে এবং পুরো পরিবারের বন্ধন শক্তিশালী করতে এটি একটি অনন্য সুযোগ।আজকের দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শাশুড়ির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান কেবল সামাজিক ভ্রাতৃত্বের প্রতীক নয়;
এটি দাম্পত্য ও পরিবারের মানসিক সুস্থতার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আজ শাশুড়িকে ফোন দিন, খোঁজ নিন, ছোট উপহার দিন এবং আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানান।

এক সকালে স্বামী ঘুম থেকে উঠেই দেখলো স্ত্রী আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চুল ঠিক করছে।স্বামী মজা করে বলল –“তুমি এত সাজো কেন?...
05/10/2025

এক সকালে স্বামী ঘুম থেকে উঠেই দেখলো স্ত্রী আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চুল ঠিক করছে।
স্বামী মজা করে বলল –
“তুমি এত সাজো কেন? আমার তো বিয়ে হয়ে গেছে, এখন আর এত কষ্ট করার দরকার নেই।”

স্ত্রী মুখ বাঁকিয়ে বলল –
“তোমার জন্য সাজি না! বাইরে গেলে মানুষ যেন বলে, ‘এই মেয়েটা কত সুন্দর!’”

স্বামী হেসে বলল –
“ওহ, তাহলে আমি ভাগ্যবান… কারণ এত সুন্দর মেয়ে আমার বউ।”
স্ত্রী লাজুক হাসি দিলেও গম্ভীর মুখে বলল –
“তুমি এসব মিষ্টি কথা শুধু সকালে বলো, রাতে তো ফোনে গেম খেলো।”

স্বামী চুপচাপ হয়ে গেলো। কিছুক্ষণ পর এসে আলতো করে স্ত্রীর হাত ধরলো –
“সত্যি বলছি, আমি গেমে জিততে চাই না… শুধু তোমার কাছে হারতে চাই।”

স্ত্রীর মুখের রাগ মুহূর্তেই হাওয়া।
সে বলল – “ঠিক আছে, তবে রাতে গেম খেলবে না, আমার সাথে গল্প করবে।”

---

দুপুরে
স্ত্রী রান্না করছে। রান্নাঘরে গিয়ে স্বামী বলল –
“আজ কি রান্না হচ্ছে?”
স্ত্রী: “তোমার পছন্দের আলু ভর্তা।”
স্বামী মজা করে বলল –
“তাহলে আজ ভাতও দুবার খাবো।”

স্ত্রী চোখ রাঙিয়ে বলল –
“একবার খেলেই মোটা হয়ে যাচ্ছো, আবার দুবার খেতে চাও?”
স্বামী হেসে উত্তর দিল –
“আমি মোটা হচ্ছি না, আমি শুধু তোমার রান্নার প্রেমে পড়ছি বারবার।”

স্ত্রী রাগ করার ভান করলেও আসলে মনে মনে খুশি হয়ে গেল।

---

রাতে
স্বামী মোবাইল নিয়ে বসেছিলো।
স্ত্রী বলল –
“তুমি কি আমার সাথে কথা বলবে না? আমি তো সারাদিন তোমার জন্য খেটেছি।”
স্বামী মোবাইল নামিয়ে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরলো –
“সারাদিন আমার জন্য কাজ করো, আর আমি সারাজীবন শুধু তোমার জন্য বাঁচবো।”

স্ত্রী চুপ করে রইলো কিছুক্ষণ। তারপর ধীরে বলল –
“তুমি মাঝে মাঝে এমন কথা বলো, তখন মনে হয় সব রাগ গলে যায়।”

স্বামী হেসে বলল –
“তাহলে প্রতিদিন রাগ করো, আমি প্রতিদিন তোমাকে এভাবেই ভালোবাসি বলে প্রমাণ দেব।”

স্ত্রী মিষ্টি হেসে মাথা নামিয়ে ফেললো।
সেদিন তাদের ছোট ছোট খুনসুটি একটা সুন্দর দিনকে আরো মিষ্টি করে তুললো।

বিয়ের প্রথম কয়েকটা মাস, একটা হ্যাপি কাপলের সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিটি, আজীবন (আমরণ) দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক নষ্ট হবার জন্য যথে...
04/10/2025

বিয়ের প্রথম কয়েকটা মাস, একটা হ্যাপি কাপলের সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিটি, আজীবন (আমরণ) দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক নষ্ট হবার জন্য যথেষ্ট।

টাইমলাইন আর স্টোরিতে সুখী মুহূর্তের ছবি—জোড়া কাপ, জোড়া হাত, একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানো কিংবা রান্নার প্রশংসা—এসবই উঠে আসে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বেডরুমে একসাথে থাকা হয়, ভালবাসা জানানোর সময় যেন পাওয়া যায় না৷
টাইম লাইনে যেয়ে কিংবা আইডি ট্যাগ করে আই লাভ ইউ পোস্ট করা লাগে ইত্যাদি৷

কিন্তু এসবই অনেক সময় অন্যের হিংসা ও ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যারা নিজেরা অসুখী, বা এই প্রত্যাশিত জীবনটা যারা পান নি, তারা সেই সুখী দম্পতিকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে।

ধীরে ধীরে দাম্পত্য জীবনে "নজর" লাগতে শুরু করে, যা আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতগুলোও ছিনিয়ে নিতে পারে। এরপর শুরু হয় অকারণ কলহ আর ভুল বোঝাবুঝি, যা সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে দেয়।
কিছু ক্ষেত্রে আর কোনভাবেই রিকভার হয় না৷ সাংসারিক সমস্যা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তা কখনো ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়।
কয়েক বছরের মধ্যেই সুন্দর সম্পর্ক ভেঙে যায়।

বদ নজরের প্রভাব বাস্তব। তাকে উটকে (জীবিত) পাতিলে (রান্না মাংসে) পরিণত করারও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে৷

নিজেদের সুখের মুহূর্তগুলো শেয়ার করার ক্ষেত্রে সংযমী হওয়া এবং আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চাওয়া জরুরী।

✨ কিভাবে সুন্দর করবেন বিবাহিত জীবন?১️) রা'গ কমানঃ-দুইজন কখনো একসাথে রে'গে যাবেন না। একজন রে'গে গেলে আরেকজন শান্ত থাকবেন।...
04/10/2025

✨ কিভাবে সুন্দর করবেন বিবাহিত জীবন?

১️) রা'গ কমানঃ-
দুইজন কখনো একসাথে রে'গে যাবেন না। একজন রে'গে গেলে আরেকজন শান্ত থাকবেন।

২️) সঙ্গ কাটানঃ-
একসাথে সময় কাটানোর জন্য পরিকল্পনা করুন—মুভি দেখা, রান্না করা, শপিং করা। দিনেও এক বেলা টেবিলে একসাথে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৩️) ক্ষমাশীল হোনঃ-
ইগোকে দূরে রেখে ক্ষমা চাওয়াটা শিখুন। ক্ষমা মন থেকে হবে, এতে সম্পর্ক মজবুত হয়।

৪️) অতীত ভুল ভুলবেনঃ-
অতীতের ভুল নিয়ে বারবার আলোচনা করবেন না, খোঁ'টা দিবেন না। বর্তমান সুন্দর করলে ভবিষ্যতও হবে সুন্দর।

৫️) পরস্পরের সম্মান করুনঃ-
পার্টনারকে ছোট করে কথা বলা বা মানুষের সামনে মজা করেও আ'ঘাত দেওয়া যাবে না। বরং বেশি বেশি প্রশংসা করুন।

৬️) একটি টিম হোনঃ-
আপনারা এক টিম। একে অপরের স্বপ্ন ও কাজকে সাপোর্ট করুন, সাহায্য করুন। তার সাফল্য আপনার সাফল্য।

৭️) ঝ'গড়া স্বাভাবিকঃ-
রা'গারা'গি ও ঝ'গড়া হবে, এটাকে স্বাভাবিক ভাবুন। দিনের শেষে মাথা ঠান্ডা করে সব ভুলে শান্তিতে দিন শেষ করুন।

৮️) ব্লেম গেম নয়ঃ-
নিজের ভুল আগে স্বীকার করুন, নিজের কোথায় ভুল আছে খুঁজে বের করুন।

৯️) ইচ্ছাশক্তিঃ-
একই মানুষটির সঙ্গে দীর্ঘকাল কাটানোর ইচ্ছা থাকতে হবে। মন যদি অন্যদিকে যায়, তবে সম্পর্ক সফল হবেনা।

১০) স্বচ্ছতা বজায় রাখুনঃ-
গোপনীয়তা নয়, দুইজনের মাঝে খোলা বইয়ের মতো স্বচ্ছতা থাকুক।

🫒সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠিঃ- ভালোবাসা, বিশ্বাস আর সম্মান।

04/10/2025

♦️ স্ত্রীর কেমন আচরণে কমে যায় স্বামীর হতাশাঃ-

🌿 দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পরিপূরক। জীবনের নানান চাপ—চাকরি, ব্যবসা, অর্থনৈতিক টানাপোড়েন, সামাজিক দায়িত্ব—সবকিছুই স্বামীকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করে তোলে। তবে গবেষণা বলছে, স্ত্রীর যত্নশীল, সহানুভূতিশীল ও সহায়ক আচরণ স্বামীর মানসিক চাপ অনেকটা কমিয়ে দেয়। এক কথায়, স্ত্রী শুধু সংসারের নয়, স্বামীর মানসিক সুস্থতারও গুরুত্বপূর্ণ সহযাত্রী।

১) সহানুভূতিশীল শোনাঃ- 🎧

আমেরিকার Journal of Social and Personal Relationships-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, যখন স্ত্রী স্বামীর সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনে এবং বিচার না করে বোঝার চেষ্টা করে, তখন স্বামীর মানসিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। শুধু শোনা নয়, শোনার মাধ্যমে বোঝা এবং সমর্থন দেওয়াই মূল।

২) ইতিবাচক উৎসাহ ও প্রশংসাঃ-🌟

প্রতিদিনের ছোট ছোট অর্জনগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া স্বামীকে অনুপ্রাণিত করে। University of Georgia-এর একটি গবেষণায় পাওয়া যায়, স্বামীদের মধ্যে যারা স্ত্রীর কাছ থেকে নিয়মিত প্রশংসা পান তারা মানসিকভাবে অনেক বেশি শান্ত থাকেন এবং স্ট্রেস কম অনুভব করেন।

৩) স্নেহ ও শারীরিক উষ্ণতাঃ-🤗

গবেষণা বলছে, আলিঙ্গন, হাত ধরা কিংবা সামান্য শারীরিক ঘনিষ্ঠতা স্বামীর শরীরে oxytocin hormone নিঃসরণ করে, যা স্ট্রেস হরমোন cortisol কমায়। স্ত্রী যদি স্বামীকে ভালোবাসা দিয়ে কাছে টানেন, তবে তা মানসিক শান্তি আনে।

৪) সহযোগিতা ও দায়িত্ব ভাগাভাগিঃ-🏡

একটি Harvard Business Review প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, সংসারের কাজকর্মে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্পর্কের মান বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। স্ত্রী যদি পরিবারের সিদ্ধান্তে সহায়তা করে এবং দায়িত্ব ভাগাভাগি করে, তবে স্বামী একা বোঝা মনে করে না।

৫) প্রশান্ত পরিবেশ সৃষ্টিঃ- 🌼

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের পরিবেশ শান্ত হলে স্বামীর মানসিক চাপ অনেকটাই হ্রাস পায়। অকারণ ঝগড়া বা নালিশ এড়িয়ে গিয়ে যদি স্ত্রী হাসিমুখে পরিবার পরিচালনা করে, তবে সেটি স্বামীর জন্য মানসিক আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে।

৬) প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক সমর্থনঃ- 🕋

ইসলামে দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক দোয়া ও সহায়তাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্ত্রী যদি স্বামীর জন্য দোয়া করে, কুরআন তিলাওয়াত করে কিংবা আধ্যাত্মিক আলোচনায় সঙ্গী হয়, তবে স্বামী মানসিক শান্তি অনুভব করে।

🌸 স্বামীর মানসিক চাপ কমাতে স্ত্রীর আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সহানুভূতি, প্রশংসা, স্নেহ, সহযোগিতা এবং আধ্যাত্মিক সমর্থন স্বামীকে শুধু স্ট্রেসমুক্তই করে না, বরং দাম্পত্য জীবনকে করে আরও মধুর।
এক কথায়, স্ত্রীর যত্নশীল আচরণই স্বামীর জন্য নিরাপদ আশ্রয় হয়ে ওঠে।

২০৩০ সালের মধ্যে ৪৫ শতাংশ নারীই অবিবাহিত-নিঃসন্তান থাকবেনক্যারিয়ারের প্রতি বাড়তি নজর এই প্রজন্মকে অন্য দিকে টেনে নিতে পা...
23/09/2025

২০৩০ সালের মধ্যে ৪৫ শতাংশ নারীই অবিবাহিত-নিঃসন্তান থাকবেন
ক্যারিয়ারের প্রতি বাড়তি নজর এই প্রজন্মকে অন্য দিকে টেনে নিতে পারে
বর্তমানে নারীরা নিজের জীবন নিয়ে বেশ সচেতন বলা যায়। সংসারের পরিবর্তে তারা ক্যারিয়ারের দিকে বেশি ফোকাস করছেন। বেশিরভাগ নারীর ক্ষেত্রে এখন বিবাহিত জীবন একমাত্র কাম্য নয়। কীভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা যায়, স্বাধীনভাবে বাঁচা যায়, নিজের স্বপ্ন পূরণ করা যায় তা নারীদের প্রাথমিক লক্ষ্য হয়েছে।

তবে ক্যারিয়ারের প্রতি বাড়তি নজর এই প্রজন্মকে অন্য দিকে টেনে নিতে পারে। এমনটাই বলছে গবেষণা। ধারনা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৫ শতাংশ নারীই অবিবাহিত থাকবেন।

woman1

সম্প্রতি, মরগান স্ট্যানলি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই সব তথ্য। সাম্প্রতিক এই সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে, ২৫ বছর থেকে ৪৪ বছর বয়সী প্রায় ৪৫ শতাংশ নারীই নিঃসন্তান ও অবিবাহিত হয়ে জীবন কাটাবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। আগেও মেয়েরা একা থেকেছেন। তবে সেই সংখ্যা ছিল অনেকাংশে কম।

কেন নারীরা অবিবাহিত থাকতে চাচ্ছেন?

আগের প্রজন্মের নারীদের ক্ষেত্রে, বিয়ে করা ছিল একটি সাধারণ ব্যাপার। বিয়ের বয়স হলে তাই সংসারের স্বপ্ন দেখতেন তারা। শ্বশুরবাড়ি গিয়ে সংসার সামলাতেন। কিন্তু এখন বিষয়টি পুরো উল্টো হয়ে গিয়েছে। নিজেদের সমৃদ্ধির দিকেই এখন নারীদের মূল ফোকাস। তার কারণ একটাই, অবিবাহিত স্ট্যাটাসটি মেয়েদের জন্য এখন আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। এর প্রবণতা এতটাই বাড়ছে যে অনেক নারীই বিবাহবিচ্ছেদের পর, পুনরায় বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ৩০-৪০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ডিভোর্স দেওয়ার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

woman2

সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রেও ভাবছেন নারীরা

অতীতে, নারীরা ২০ বছরে পড়তে না পড়তেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতেন। বছর ঘুরতেই তাদের মধ্যে মা হওয়ার প্রবণতা দেখা যেত। কিন্তু এখন নারীরা সন্তান ধারণের বিষয়ে দু' বার ভাবছেন। আদৌ মা হতে চান কিনা, সে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছেন।

বেশিরভাগ নারীই বিয়ে করতে চান না, থাকতে চান একা: সমীক্ষা

সন্তান গ্রহণে পরিবারের চাপ, পরিস্থিতি সামলাতে করণীয়

মা হওয়ার আদর্শ বয়স কত? বেশি বয়সে মা হতে চাইলে যেসব জটিলতা হতে পারে
কেন এমনটা হচ্ছে? নারীরা মূলত, মা হওয়ার আগে পরিবার সামলানোর চাপ, ক্যারিয়ারে আর সুযোগ আসবে কিনা এবং বাচ্চাদের লালন-পালন খরচ সামলাতে পারবেন কিনা—এসব চিন্তা করছেন। বর্তমানে এমন অসংখ্য পরিবার রয়েছে যেখানে মেয়েই পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। আর্থিক দিকটা সামলানো তাদেরই দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আর্থিক স্বাধীনতার মধ্যে নারীরা নিজেদের সুখ খুঁজে পাচ্ছেন। তাই ক্যারিয়ারেই আরও বেশি করে মনোযোগ দিতে চাইছেন।

woman3

নারীদের এই মনোভাব অর্থনীতি ও কর্মক্ষেত্রে কীভাবে প্রভাব ফেলবে?

অবিবাহিত, নিঃসন্তান নারীদের সংখ্যা যত বাড়বে, তা অর্থনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলবে। এমনটাই আশা করা হচ্ছে। যেসব নারী বিয়ে ও সন্তান ধারণ করতে দেরি করবেন বা এড়িয়ে যাবেন, তাদের আর্থিক স্বচ্ছলতা বেশি থাকবে। এভাবে চলতে থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে, বিয়ে এবং সন্তান ধারণ করার বিষয়ে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হতে পারে।

সন্তানের যত্নের ক্ষেত্রে, কাজের সময় কমিয়ে দেওয়া এবং নারী ও পুরুষের বেতন সমানে সমানে নিয়ে আসা, এই বিষয়গুলো আরও গুরুত্ব পেতে পারে। এসব পরিবর্তন লিঙ্গ বৈষম্যের ব্যবধান কমাতে সাহায্য করতে পারে, মত বিশেষজ্ঞদের।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

🚯ছেলেরা বিবাহিত মেয়েদের সাথে প্রেম করে কেন?🏺আপনার স্বামীর অগোচরে মোবাইল স্ক্রিনে ভেসে ওঠা একটা 'I miss you' মেসেজ কি আপ...
06/09/2025

🚯ছেলেরা বিবাহিত মেয়েদের সাথে প্রেম করে কেন?

🏺আপনার স্বামীর অগোচরে মোবাইল স্ক্রিনে ভেসে ওঠা একটা 'I miss you' মেসেজ কি আপনার শিরায় আগুন ধরিয়ে দেয়? যখন রাতের নির্জনতায় আপনার স্বামী ঘুমে বিভোর, তখন অন্য পুরুষের কণ্ঠস্বরে "একবার দেখা করবে?"
শুনে আপনার শরীর কি কেঁপে ওঠে? এই নিষিদ্ধ উত্তেজনা, এই গোপন অভিসার, এটাই কি আপনার কাছে এখন 'প্রেম' বলে মনে হচ্ছে?

💗 আসুন, এই মিষ্টি স্বপ্নের আড়ালের কঠিন, নগ্ন সত্যটা নিয়ে কথা বলি।

🏺যে পুরুষটি আপনার রূপের প্রশংসা করে, আপনার একাকীত্বের সঙ্গী হতে চায়, সে কি সত্যিই আপনার প্রেমে পড়েছে? নাকি সে আপনার অতৃপ্ত শরীরের গন্ধে মত্ত এক শিকারী? ভেবে দেখুন তো, সে আপনার স্বামীর থেকে আপনাকে কেড়ে নিতে চায়, কিন্তু আপনাকে 'বউ' হিসেবে নিজের ঘরে তুলতে চায় না। কেন?
কারণ আপনি তার কাছে একটা ট্রফি, একটা চ্যালেঞ্জ। অন্যের সুরক্ষিত দুর্গ ভেঙে তার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ ছিনিয়ে আনার এক পাশবিক উল্লাস। আপনি তার কাছে প্রেমিকা নন, আপনি তার কাছে এক বিরাট 'Ego Boost'।

🏺সে আপনার সাথে রাত কাটানোর স্বপ্ন দেখে, কিন্তু আপনার সাথে সকাল দেখার দায়িত্ব নিতে চায় না। সে আপনার শরীরের ভাঁজে আশ্রয় খোঁজে, কিন্তু আপনার জীবনের জটিলতার ভার নিতে প্রস্তুত নয়।
তার কাছে আপনার চোখের জলও এক ধরনের ফোরপ্লে, যা তাকে আরও বেশি উত্তেজিত করে। সে আপনাকে ভালোবাসে না, সে ভালোবাসে এই নিষিদ্ধ খেলার উত্তেজনাকে।

♦️ নিজেকে কয়েকটা প্রশ্ন করুন, আজই করুনঃ-

১) যে পুরুষ আপনার সাজানো সংসার ভাঙার খেলায় মেতেছে, সে কি আপনাকে নিয়ে নতুন করে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখবে? যে অন্যের বিশ্বাস ভাঙতে পারে, তাকে আপনি বিশ্বাস করবেন কোন ভরসায়?

২) আপনার স্বামীর শত অবহেলার পরেও সে আপনার সন্তানের বাবা, আপনার পরিবারের অংশ। কিন্তু এই নতুন 'প্রেমিক' আপনার কে? সে কি আপনার অসুস্থতায় পাশে থাকবে? আপনার সন্তানের দায়িত্ব নেবে? নাকি শুধু বিছানায় ঝড় তোলার জন্যই তার আগমন?

৩) আপনার শরীরটা তার কাছে নতুন উত্তেজনা। কিন্তু আপনার মন, আপনার ক্লান্তি, আপনার দায়িত্বগুলো? সেগুলোর খবর কি সে রাখে? নাকি শরীর পুরনো হয়ে গেলেই তার প্রয়োজনও ফুরিয়ে যাবে?

৪) পুরুষরা বলে, "দুধ যে পাত্রেই থাকুক, দুধ খেলেই হলো।" কথাটা কুরুচিপূর্ণ হলেও এটাই তাদের মানসিকতা। আপনি তার কাছে সেই সহজলভ্য পাত্র, যার জন্য কোনো দায়িত্ব নিতে হয় না। একবার 'খেয়ে' নিলেই যার আর কোনো দাম থাকে না। আপনি কি নিজেকে এতটা সস্তা বানাতে প্রস্তুত?

🏺বাস্তবতা হলো, এই ধরনের পুরুষদের কাছে বিবাহিত নারীরা হলো 'Safe Bet'। তাদের বিয়ে করার ঝামেলা নেই, দায়িত্ব নেওয়ার চাপ নেই। শুধু আছে নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার রোমাঞ্চ।
খেলা শেষ হয়ে গেলে, সে খুব সহজেই বলে দেবে, "আমি তো ভাবিনি তুমি এত সিরিয়াস হয়ে যাবে! তোমার তো নিজের সংসার আছে।"

🏺তখন আপনি কোথায় যাবেন? স্বামীর কাছে ফেরার পথ বন্ধ, প্রেমিকের দরজা আপনার জন্য চিরতরে বন্ধ। সমাজ আপনাকে দেখবে নষ্ট মেয়ের চোখে। আপনার সন্তান আপনাকে ঘৃণা করবে।
যে উত্তেজনার জন্য আপনি সব ছেড়েছিলেন, সেই উত্তেজনা একদিন আপনাকে একা রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখে চলে যাবে।

🏺আপনার স্বামীর অবহেলার সংসারটা হয়তো আপনার কাছে জেলখানা মনে হতে পারে, কিন্তু বিশ্বাস করুন, এই প্রেমিকের রঙিন ফাঁদটা সাক্ষাৎ জাহান্নাম। জেলখানা থেকে মুক্তির পথ হয়তো আছে, কিন্তু এই জাহান্নামের আগুনে পুড়ে শুধু ছাই হতে হয়।
সিদ্ধান্ত আপনার। আপনি কি মুহূর্তের উত্তেজনার জন্য সারাজীবনের জন্য পুড়তে চান।

☘️ স্বামীকে প্রতিপক্ষ নয়, প্রেমিক ভাবুনঃসংসারে সুখ আসবে 💑  🌿 বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের অনেক পরিবারে একটি সাধারণ প্রবণতা দেখা...
05/09/2025

☘️ স্বামীকে প্রতিপক্ষ নয়, প্রেমিক ভাবুনঃ

সংসারে সুখ আসবে 💑

🌿 বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের অনেক পরিবারে একটি সাধারণ প্রবণতা দেখা যায়—স্বামীকে যেন প্রতিপক্ষ ভেবে সংসার চালানো হয়। স্ত্রী ভাবে, স্বামী সবসময় তার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে; আর স্বামী ভাবে, স্ত্রী শুধু দাবি-দাওয়া নিয়েই ব্যস্ত। অথচ, স্বামী-স্ত্রী যদি একে অপরকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, প্রেমিক-প্রেমিকার মতো ভাবতে পারেন, তবে সংসার হয়ে উঠবে ভালোবাসার নিরাপদ আশ্রয়। 🏡

🌿 ইসলাম এই বিষয়ে কি বলে?

ইসলাম দাম্পত্য সম্পর্ককে শুধু দায়িত্ব বা কর্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেনি, বরং এটিকে ভালোবাসা, দয়া ও স্নেহের সম্পর্ক হিসেবে বর্ণনা করেছে।

আল-কুরআনে আল্লাহ বলেন: “তোমাদের মধ্যে তিনি সৃষ্টি করেছেন স্নেহ-মমতা ও দয়া” (সূরা রূম ২১)।

রাসূলুল্লাহ (সা.) স্ত্রীদের সাথে হাসি-খুশি মিশতেন, মজাও করতেন, এমনকি তাদের সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করতেন। (হাদিস, আবু দাউদ)।
অতএব, স্বামীকে প্রেমিকের মতো ভাবা ইসলামের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

⚜️কেন স্বামীকে প্রতিপক্ষ নয় প্রেমিক ভাবা জরুরি 🌿

মানসিক প্রশান্তি বাড়ায় – প্রতিপক্ষ ভাবলে সংসারে অহেতুক সন্দেহ, ঈর্ষা আর ঝগড়া বেড়ে যায়। প্রেমিক ভাবলে দুজনই একে অপরের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিতে পারেন।

যোগাযোগ উন্নত হয় –
প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্কের মতো উন্মুক্ত কথা বললে ভুল বোঝাবুঝি কমে যায়।

আত্মমর্যাদা রক্ষা হয় –
একে অপরকে সম্মান দিলে সংসার বন্ধন দৃঢ় হয়। 🙏

সন্তানরা নিরাপদ বোধ করে –
বাবা-মা প্রেমিক-প্রেমিকার মতো সুখী হলে সন্তানদের মানসিক বিকাশও ইতিবাচক হয়। 👨‍👩‍👧‍👦

🌿 গবেষণা কি বলে? 📊

১️) ইসলামি দেশ সৌদি আরব – কিং সৌদ ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় (২০১৯) দেখা গেছে, স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে বন্ধুর মতো আচরণ করলে সংসারে দ্বন্দ্বের হার ৪০% কমে যায়।

২️) ইরান – তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যামিলি রিসার্চ সেন্টারের (২০২০) রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, দাম্পত্য সম্পর্কে বন্ধুত্ব ও রোমান্স থাকলে নারীদের ডিপ্রেশন ৩৫% কমে যায়।

৩️) বাংলাদেশ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এক জরিপ (২০২১) বলছে, যারা স্বামীকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং সঙ্গী ও প্রেমিক ভাবে, তাদের ৭০% দাম্পত্য জীবন সন্তোষজনক।

৪️) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ-এর এক গবেষণায় (২০২২) দেখা গেছে, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও প্রেমিকসুলভ সম্পর্ক না থাকলে গৃহে মানসিক নির্যাতন ও বিচ্ছেদের হার দ্বিগুণ বেড়ে যায়।

💗 সংসার একটি যুদ্ধক্ষেত্র নয়, বরং ভালোবাসার আশ্রয়। স্বামীকে প্রতিপক্ষ মনে করলে সেখানে থাকবে কেবলই কলহ, আর প্রেমিক মনে করলে থাকবে শান্তি, সম্মান ও অগাধ সুখ।
ইসলামও শিক্ষা দিয়েছে দাম্পত্য জীবনে প্রেম, দয়া ও মমতার সম্পর্ক গড়ে তোলার। তাই আসুন, আমরা স্বামীকে প্রতিপক্ষ নয়, প্রেমিক ভাবতে শিখি—তাহলেই সংসারে সুখ নেমে আসবে।

Address

Baridhara, Gulshan/2, Dhaka/
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Marriage and Divorce Counseling Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram