Vaccine Care Limited

Vaccine Care Limited We Care Preventive Health.

মর'ণঘাতি টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার🚫➡️কখনো জং ধরা লোহা বা পেরেক আথবা মাঠিতে পরে থাকা নোংরা যে কোনো কিছু দিয়ে কেটে গেলে এই রোগ...
08/03/2024

মর'ণঘাতি টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার🚫

➡️কখনো জং ধরা লোহা বা পেরেক আথবা মাঠিতে পরে থাকা নোংরা যে কোনো কিছু দিয়ে কেটে গেলে এই রোগ হবার সম্ভবনা বেশি থাকে ৷ তাই অবহেলা না করে ২৪ঘন্টা অতিক্রম হবার আগেই ভ্যাকসিন নিবেন।

➡️"ক্লোস্ট্রিডিয়াম টিটানি" ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে টিটেনাস হয়, যা সাধারণত মাটি, লালা, ধুলো এবং সারে পাওয়া যায়। এই ব্যাকটেরিয়াটি সাধারণত দূষিত বস্তুুর দ্বারা সৃষ্ট কাটা বা খোঁচার মত চামড়ার ক্ষতর মাধ্যমে মানব দেহে প্রবেশ করে।

06/01/2024

জরায়ু মুখের ক্যান্সার সচেতনতার জন্য বার্তা নিয়ে আসছেন অধ্যাপক ডাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস।



নিপাহ ভাইরাস : জরুরী স্বাস্থ্য বার্তানিপাহ ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য কেউ খেজুরের কাঁচা রস খাবেন না, বাদুড় খাওয়া আংশিক ফল খ...
17/12/2023

নিপাহ ভাইরাস : জরুরী স্বাস্থ্য বার্তা

নিপাহ ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য কেউ খেজুরের কাঁচা রস খাবেন না, বাদুড় খাওয়া আংশিক ফল খাবেন না। ২০২২-২৩ সালে দেশে এ রোগে আক্রান্ত ১৪ জনের মধ্যে ১০ জনই মৃত্যুবরণ করেন। খেজুরের রস বিক্রেতাদের প্রতি অনুরোধ কেউ কাঁচা রস খেতে চাইলে বিক্রি
করবেন না।

নিপাহ একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগ। সাধারণত শীতকালে নিপাহ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। কাঁচা খেজুরের রসে বাদুড়ের বিষ্ঠা বা লালা মিশ্রিত হয় এবং ঐ বিষ্ঠা বা লালাতে নিপাহ ভাইরাসের জীবাণু থাকে। ফলে খেজুরের কাঁচা রস পান করলে মানুষ নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। বর্তমান সময়ে বড়দের পাশাপাশি শিশু-কিশোরেরা নিপাহ ভাইরাসে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। খেজুরের কাঁচা রস সংগ্রহ, বিক্রয় ও বিতরণের সাথে সংশ্লিষ্ট গাছীগণকে এবং জনসাধারণকে প্রাণিবাহিত সংক্রামক ব্যাধি রোগ নিপাহ ভাইরাস। সম্পর্কে অবহিত করা হলে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। এই রোগে মৃত্যুর হার প্রায় ৭০ শতাংশেরও বেশি। ২০২২-২৩ সালে দেশে এ রোগে আক্রান্ত ১৪ জনের মধ্যে ১০ জনই মৃত্যুবরণ করেন। তাই প্রতিরোধই হচ্ছে এই রোগ থেকে বাঁচার উপায়। খেজুরের রস বিক্রেতাদের প্রতি অনুরোধ কেউ কাঁচা রস খেতে চাইলে বিক্রি করবেন না। উল্লেখ্য যে, খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড় খেতে কোন বাধা নেই।

নিপাহ রোগের প্রধান লক্ষণ সমূহ-

১.⁠ ⁠জ্বরসহ মাথা ব্যাথা

২.⁠ ⁠খিচুনি

৩.⁠ ⁠প্রলাপ বকা

৪.⁠ ⁠অজ্ঞান হওয়া

৫.⁠ ⁠কোনো কোনো ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট হওয়া

নিপাহ রোগ প্রতিরোধে করণীয়-

১.⁠ ⁠খেজুরের কাঁচা রস খাবেন না।

২.⁠ ⁠কোন ধরনের আংশিক খাওয়া ফল খাবেন না

৩.⁠ ⁠ফল-মূল পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে খাবেন

৫.⁠ ⁠আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসার পর সাবান ও পানি দিয়ে দুই হাত ভালভাবে ধুয়ে ফেলবেন

৪.⁠ ⁠নিপাহ রোগের লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে অতি দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাবেন

জনস্বার্থে: সিডিসি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
ছবি: World Health Organization

12/12/2023
স্ট্রোক প্রসঙ্গে ***শীতকালে স্ট্রোক হয় বেশি। নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করুন, চিকিৎসক-নির্দেশিত ওষুধ ঠিক-ডোজে খান। উচ্চ-রক্ত...
08/01/2022

স্ট্রোক প্রসঙ্গে
***
শীতকালে স্ট্রোক হয় বেশি। নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করুন, চিকিৎসক-নির্দেশিত ওষুধ ঠিক-ডোজে খান। উচ্চ-রক্তচাপের কিছু বাড়তি ওষুধ সবসময় বাড়িতে রাখুন। কোনোক্রমেই যেন রক্তচাপের ওষুধ মিস না হয়। ধূমপানসহ সকল নেশাজাতীয় জিনিস বর্জন করুন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন। উত্তেজনা পরিহার করুন।
স্ট্রোক নিয়ে কমন কিছু জিজ্ঞাসা ও তার উত্তর—

*স্ট্রোক কী?
**স্ট্রোক মস্তিষ্কের রক্তনালির রোগ। মস্তিষ্কের রক্তনালি হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেলে কিংবা ছিড়ে গেলে স্ট্রোক হয়। বাংলাদেশে পূর্ণবয়স্ক মানুষের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ স্ট্রোক।

*স্ট্রোক কত প্রকার?
**স্ট্রোক মূলত দুই প্রকার— রক্তনালি বন্ধ হয়ে স্ট্রোক হলে একে 'ইসকেমিক বা রক্তবন্ধ স্ট্রোক' এবং ছিড়ে গিয়ে স্ট্রোক হলে একে 'হেমোরেজিক বা রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোক' বলা হয়।

*স্ট্রোকের উপসর্গ ও লক্ষ্মণ কী কী?
**স্ট্রোক হলে শরীরের একপাশ প্যারালাইসিস হতে পারে, মুখ বেঁকে যেতে পারে, কথাবলা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। মস্তিষ্ক দিয়ে হয় এমন যেকোনো কাজের হঠাৎ ব্যত্যয় হলে তা স্ট্রোকের লক্ষ্মণ বা উপসর্গ হতে পারে। হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, খিঁচুনি, জ্ঞানের মাত্রা-হ্রাস পেলে রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

*কী কী কারণে স্ট্রোক হয়?
**সাধারণত বয়সজনিত কারণে, বংশগতি, উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, উচ্চ কোলেস্টেরল, হৃদরোগ প্রভৃতি কারণে স্ট্রোক হয়। মস্তিষ্কের রক্তনালির কোনো জন্মগত বা অর্জিত ত্রুটির কারণেও স্ট্রোক হতে পারে।

*স্ট্রোক হলে কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে হবে?
** নিউরোলজি বা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ।

* স্ট্রোকের সব চিকিৎসা কি বাংলাদেশে হয়?
** হ্যাঁ। সব চিকিৎসাই বাংলাদেশে হয়। সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি ইন্টারভেনশনাল চিকিৎসাও বাংলাদেশে হয়।

* ইন্টারভেনশনাল চিকিৎসা নিয়ে বলুন।
** এ পদ্ধতিতে হার্টের অ্যানজিওগ্রামের মতো মস্তিষ্কের অ্যানজিওগ্রাম করে রক্তনালির রোগ নির্ণয় করা হয়। ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা করতে হয়। ব্লক থাকলে স্টেন্ট লাগিয়ে দেওয়া হয়, কিংবা অন্যান্য সমস্যা থাকলে তার চিকিৎসাও করা হয়। রক্তনালি স্ফীত হয়ে ছিড়ে গেলে কয়েলিং এবং ধমনি ও শিরার অস্বাভাবিক সংযোগ থাকলে 'এমবোলাইজেশন' করা হয়। এছাড়া নতুন স্ট্রোক হওয়ার পর খুব দ্রুত আসলে ইন্টারভেনশনাল পদ্ধতিতে (আইভি/আইএ থ্রম্বোলাইসিস, মেকানিক্যাল থ্রম্বেকটমি) চিকিৎসা করে রোগীকে অনেকাংশেই সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

*নিউরোইন্টারভেনশনাল চিকিৎসা কোথায় হয়?
**বাংলাদেশে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল এবং বিএসএমএমইউ'সহ বেশ কয়েকটি প্রাইভেট হাসপাতালে সর্বাধুনিক এই পদ্ধতির চিকিৎসা চালু আছে।

*স্ট্রোকের চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপির ভূমিকা কী?
**স্ট্রোকের চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এটি অবহেলা করলে নানান জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

*করণীয় কী?
**স্ট্রোকের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্রই একজন নিউরোলজিস্টের সাথে সাক্ষাৎ করুণ। নিজের মূল্যবান জীবনটি রক্ষা করুন। তবে স্ট্রোকের কারণ হিসাবে যেগুলো বলেছি সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা গেলে স্ট্রোকের প্রকোপ অনেকাংশে-ই কমে যাবে। মনে রাখতে হবে, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।

স্ট্রোক মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। তাই 'স্ট্রোক কী' তা বুঝুন, স্ট্রোককে জানুন। স্ট্রোকের রোগী নয়, স্ট্রোক-শিক্ষিত নাগরিক হোন। স্ট্রোকের কারণে শরীর বিকলাঙ্গ হলে পরিবার ও সমাজের বোঝা হয়ে দুর্বিষহ জীবন হয়ে ওঠে। মনে রাখবেন, আপনার সকল সৌন্দর্য, অর্জন, অহংকার একমুহূর্তে স্ট্রোক তছনছ করে দিতে পারে; ভেঙ্গে যেতে পারে সকল স্বপ্ন-সাধ। হঠাৎ ভূমিকম্পের মতো ভেঙ্গে দিতে পারে জীবনের সুরম্য অট্টালিকা। তাই স্ট্রোক সচেতনতা সকলের জন্য জরুরি। সুস্থ শরীরের চেয়ে মূল্যবান কোনো ঐশ্বর্য মানুষের নেই আর।

**ডা. এম আমির হোসেন
নিউরোলজিস্ট ও নিউরোইন্টারভেনশনিস্ট

25/12/2021
 #করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন দ্রুত ছড়াচ্ছে...সতর্ক হোন,টিকা নিন...সুস্থ্য থাকুন।
29/11/2021

#করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন দ্রুত ছড়াচ্ছে...সতর্ক হোন,টিকা নিন...সুস্থ্য থাকুন।

জলাতঙ্ক বিষয়ে নিজে সচেতন হই এবং অন্যকে সচেতন করি।জলাতঙ্ক মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি.....
28/11/2021

জলাতঙ্ক বিষয়ে নিজে সচেতন হই এবং অন্যকে সচেতন করি।জলাতঙ্ক মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি.....

 #কপি_পোস্ট   আমাদের সবার জানা উচিতঃপ্রতি দুই সেকেন্ডে এই পৃথিবীর কোন না কোন প্রান্তে কেউ না কেউ স্ট্রোক করছেন এবং পৃথিব...
05/07/2021

#কপি_পোস্ট



আমাদের সবার জানা উচিতঃ

প্রতি দুই সেকেন্ডে এই পৃথিবীর কোন না কোন প্রান্তে কেউ না কেউ স্ট্রোক করছেন এবং পৃথিবীতে প্রতি ছয়জন মানুষের মাঝে একজন তার জীবনের যে কোন একটা পর্যায়ে এসে স্ট্রোক করেন।স্ট্রোক মানে হলো আমাদের মস্তিষ্কের মাঝে অক্সিজেনের সাপ্লাই কমে যাওয়া এবং এটা আমাদের পৃথিবীতে মৃত্যুর খুব সাধারণ কারণগুলোর মাঝে একটা।মৃত্যুর পাশাপাশি এটা মানুষকে বিকলাঙ্গ করে দেয় এবং ব্যাক্তির কর্মজীবনের ইতি টানে।

কেউ স্ট্রোক করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করাটা খুবই জরুরি।এই সিদ্ধান্ত যতো দ্রুত নেওয়া যাবে,মস্তিষ্কের ক্ষতি হবার সম্ভাবনাও ততো কমে আসবে।

#যে_কারণে_স্ট্রোক_সংগঠিত_হয়ঃ

আমাদের মস্তিষ্ক সারা শরীরের ওজনের মাত্র দুই ভাগ বহন করে থাকে।কিন্তু এই ছোট্ট যন্ত্রটি সারা শরীরের মোট অক্সিজেনের বিশ ভাগকে একাই খরচ করে থাকে।অক্সিজেন রক্তের মাধ্যমে কিছু রক্তনালী বেয়ে যেমন-Carotid Artery,Vertebral Artery হয়ে ব্রেইনে প্রবেশ করে।Carotid Artery আমাদের মস্তিষ্কের সামনের দিকে অংশে এবং Vertebral Artery মস্তিষ্কের পেছনের দিকের অংশে রক্ত চলাচল বজায় রাখে।Vertebral এবং Carotid Artery একসাথে যোগ হয়ে ব্রেইনের ভেতরে একটা কাঠামো তৈরি করে,একে আমরা বলি Circle Of Willi যেটা পরবর্তীতে অনেকগুলো ছোট ছোট শাখায় বিভক্ত হয়ে পুরো মস্তিষ্কের বিলিয়ন বিলিয়ন নিউরনে অক্সিজেন,গ্লুকোজের সাপ্লাই দিয়ে প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটায়।

যদি এই রক্তনালিকাগুলো দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হতে না পারে কিংবা আংশিক প্রবাহিত হতে পারে,তাহলে মস্তিষ্কের কোষগুলো ঠিকমতো অক্সিজেন পায়না৷তখন মস্তিষ্কের কোষগুলো অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যুবরণ করে।

দুইটা পদ্ধতিতে এই পুরো ব্যাপারটা ঘটতে পারেঃ

1) :যখন কোন রক্তনালি ছিদ্র হয়ে যায় এবং সেই ছিদ্র দিয়ে রক্ত Leak হয়।এটা তুলনামূলকভাবে কম ঘটে।

2) :এটা খুব বেশি ঘটে থাকে।যখন রক্তনালী ব্লক হয়ে যায় কিংবা রক্ত প্রবাহিত হতে পারেনা ঠিকমতো রক্তনালি দিয়ে,তখন Ishchemic Stroke হয়।রক্তনালী যে উপাদান গুলো জমে ব্লক/বন্ধ হয়ে যায়,একে আমরা বলি Clot।

হার্টের চারটা চেম্বার থাকে।কোন কারণে উপরের চেম্বার গুলো যদি ঠিকমতো কাজ না করতে পারে,রক্তপ্রবাহ ধীর গতিসম্পন্ন হয়ে যায়।ফলে Platelet,Clotting Factor,Fibrin একসাথে মিলে গিয়ে তৈরি করে Clot।এই Clot হার্ট থেকে রক্তের মাধ্যমে ভেসে গিয়ে সোজা চলে যেতে পারে মস্তিষ্কে।Clot মস্তিষ্কের রক্তনালীতে আটকে যায়,এই ঘটনাটাকে বলা হয় Embolism।এতে রক্ত সামনের দিকে যেতে পারেনা,ফলে অক্সিজেন সাপ্লাই পায়না মস্তিষ্কের কোষগুলো।

ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো,আমাদের মস্তিষ্কের কোষগুলোতে কোন পেইন রিসেপ্টর নেই।তাই,রক্তনালি গুলো ব্লক হয়ে গেলেও ব্যাক্তি ব্যাথা অনুভব করেন না।কিন্তু,অক্সিজেনের সাপ্লাই কমে যাওয়ায় মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে।এটা হঠাৎ দেখা দিতে পারে এবং সবাই বুঝতে পারে যে কিছু একটা ওলট-পালট হচ্ছে।

যেমন,যদি মস্তিষ্কের স্ট্রোকের জায়গাটা কথা বলার সেন্টার(Speech Center)হয়,তাহলে ব্যাক্তির কথা জড়িয়ে আসবে।যদি মস্তিষ্কের স্ট্রোকের জায়গাটা ব্যক্তির পেশিকে নিয়ন্ত্রণ করে তেমন কোন জায়গা হয়,তাহলে পেশিগুলো দুর্বল হয়ে যাবে।এটা শরীরের যে কোন এক সাইডের পেশি হবার সম্ভাবনা বেশি।

স্ট্রোক হবার সাথে সাথে আমাদের মানবদেহ চায় সেটাকে যতটুকু সম্ভব দমিয়ে রাখতে(Compensate করতে)।তাই শরীরের সিস্টেমগুলো তখন বেশি বেশি রক্ত প্রবাহ ঠেলে দিতে চায় ক্ষতিগ্রস্ত মস্তিষ্কের অংশে।কিন্তু এই অতিরিক্ত রক্তপ্রবাহ তেমন কোন ভালো ফলাফল তখন আর আনতে পারেনা।

আস্তে আস্তে অক্সিজেন না পেয়ে মস্তিষ্কের কোষগুলো মারা যেতে থাকে,ফলে Permenant Brain Damage হতে পারে।এই কারণেই স্ট্রোকের পেশেন্টদের খুব দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরী।

:

প্রথমতো,Clot টাকে সরানোর জন্য একটা Intravenous Medication দেয়া হয়,যেটা হলো (TPA)।এটা Clot কে ভেঙে ফেলে এবং রক্ত চলাচলকে স্বাভাবিক করে দেয়।এটা যদি স্ট্রোকের কয়েক ঘন্টার মাঝে দেয়া যায়,তখন আক্রান্ত ব্যাক্তি ক্ষতির মুখ থেকে অনেকাংশেই বেঁচে ফেরে।

যদি Tissue Plasminogen Activator দেয়া না যায়;যেমন রোগী কিছু ওষুধ আগে থেকে নেবার কারণে কিংবা রোগীর আগে কোন অত্যধিক রক্তপাতের হিস্ট্রি থাকলে,কিংবা Clot টা যদি অনেক বড় হয়ে থাকে;সে সেক্ষেত্রে ডাক্তাররা করে থাকেন।

এক্ষেত্রে,একটা Dye(রং)ব্যাবহার করা হয়,যেটা রক্তে প্রবেশ করে মস্তিষ্কের কোন জায়গায় ব্লক আছে সেটা এক্সরে তে তুলে ধরতে সাহায্য করে।ডাক্তার একটা চিকন ফ্লেক্সিবল টিউব যেটার নাম ক্যাথেটার(Catheter),প্রবেশ করান পায়ের রক্তনালির ভেতর দিয়ে।সেটা পুরো রক্তনালী হয়ে প্রবেশ করে মস্তিষ্কে,যেখানে ব্লকটা আছে ঠিক সে জায়গায়।সেই ক্যাথেটার এর ভেতরে একটা Retriever প্রবেশ করিয়ে পাম্পিং করে Clot টাকে টেনে বের করে আনা হয়।এতে রক্তপ্রবাহ পুনরায় স্বাভাবিক হয়ে আসে।এই পদ্ধতিটা যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব করতে হয়,যাতে মস্তিষ্কের ক্ষতিটা এড়ানো যায়।

যেভাবে বোঝা যাবে একজন ব্যাক্তি স্ট্রোক করতে যাচ্ছেন,F.A.S.T টার্মটা দিয়ে মনে রাখি আমরাঃ

1) :ব্যাক্তিতে হাসতে বললে ব্যাক্তির মুখের পেশিগুলো দুর্বল থাকায় হাসিটা ঠিকমতো প্রকাশ পাবেনা,মুখের একপাশ বেঁকে যেতে পারে।

2) :ব্যাক্তিকে হাত উপরে তুলতে বললে,সে যদি অক্ষম হয়,সেটাও পেশির দুর্বলতা প্রকাশ করবে এবং স্ট্রোকের লক্ষণ।

3) :তাদেরকে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে,কথা বলতে গিয়ে যদি শব্দগুলো জড়িয়ে যায়,তাহলেও স্ট্রোকের লক্ষণ।

4) :উপরের লক্ষ্মণ গুলো প্রকাশ পেলে যতো দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

যাদের স্ট্রোক হবার সম্ভাবনা বেশি থাকেঃ

a)Hypertension/High Blood Pressure

b)Smoking

c)Diabetes

d)High Cholesterol Level

:ধীরে ধীরে স্ট্রোক সেরে উঠতে পারে ব্যাক্তি বিশেষে।অনেকের মস্তিষ্কের কিছু অংশে ক্ষতি হয়ে যায়,অনেকেই ভালো হয়ে ওঠে অনেকটাই।কিছু থেরাপি যেমন-Speech Therapy,Physical Therapy,Occupational Therapy কারো কারো ক্ষেত্রে কাজে দেয়।Depression দেখা দিতে পারে আক্রান্ত ব্যাক্তির ক্ষেত্রে,যেটা কাটিয়ে উঠবার জন্য তাকে মানসিক ভাবে মনোবল দিতে হবে আশেপাশের মানুষদেরকেই।

Address

Keraniganj Model Town, Kodamtuli
Dhaka
1310

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801759002109

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vaccine Care Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Vaccine Care Limited:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram