Art of Medicine

Art of Medicine "সুচিকিৎসা আপনার মৌলিক অধিকার"
আর্ট অফ মেডিসিন
মেডিকেল সেন্টার ফর ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি

"হোমিওপ্যাথি একটি লক্ষণভিত্তিক বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতি"
(1)

29/04/2026

তাহসান রহমান ইমরান সাহেবের পোস্ট ও আমার কিছু কথা
ডা. শাহীন মাহমুদ
একটা পোস্ট নজরে পড়লো। তাহসান রহমান ইমরান নামের একজন ব্যক্তি (সম্ভবত কনভেনশনাল মেডিক্যাল কোর্সের কোনো স্টুডেন্ট) হোমিওপ্যাথির বিরুদ্ধে সাইন্সের একটা তকমা সাজিয়ে বিষোদগার করেছেন। তার উপস্থাপিত আলোচনাটি বৈজ্ঞানিক তথ্য কিংবা কোনো অনুসন্ধান নয়। লেখাটি পড়ে মনে হয়নি যে, তিনি সেখানে হোমিওপ্যাথি কী? এটা আদতে কাজ করে কীনা? করলে কী প্রক্রিয়ায় করে? এর ভিত্তিতে কতটুকু সায়েন্স ও কতটুকু ফিলোসফি? এর সায়েন্স ও ফিলোসফি আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কতটা সত্যতা প্রতিপাদন করেছে? ইত্যাদি মৌলিক প্রশ্নগুলোর ব্যাপারে সত্যকে জানার মানসিকতা নিয়ে অনুসন্ধান করেছেন। কেবল অতি ভাসা ভাসা কিছু তথ্য ও মূলত একটা রেফারেন্স নিয়ে তিনি পোস্টটিতে ও কমেন্টবক্সে বেশ দাপট তৈরি করতে পেরেছেন।

কিন্তু আমি তার কথাগুলো দেখে যতটা না আলোড়িত হয়েছি, তার চেয়ে বহুগুণ শিহরিত হয়েছি আমাদের কম্যুনিটি থেকে করা কমেন্টগুলো দেখে! যে ব্যক্তি এমন একটি বায়াসড অবস্থা নিয়ে হোমিওপ্যাথিকে ঠেঙাতে দাঁড়িয়েছেন এবং যে কথা বলতে চাইছে বিজ্ঞানের ভাষায়- তাকে আমাদের লোকগুলো গিয়েছেন সুন্দর কথা দিয়ে, যুক্তি দিয়ে, কোনো একটা বিশেষ অংশ সত্য বলে বোঝাতে; নিজেদের সুন্দর সুন্দর অভিজ্ঞতা শেয়ার করে, সাক্ষী দিয়ে তাকে কনভিন্স করতে।

আইনস্টাইনকে যখন বলা হলো- আপনার তত্ব যে ভুল তা প্রমাণ করার জন্য ১০০ সায়েন্টিস্টের সিগনেচার সংযুক্ত ঘোষণা প্রস্তুত করা হয়েছে। মুচকি হেসে তিনি বলেছিলেন - আমি যদি ভুল হয়ে থাকি, এত সিগনেচারের প্রয়োজন কী, ওখান থেকে একজন বিজ্ঞানী একটা পেপারে ভুলটা প্রেজেন্ট করলেই তো হয়!

আমাদের এতগুলো ব্যক্তি কমেন্ট করলেন, অথচ একটা পেপারের রেফারেন্স প্রেজেন্ট করতে পারলেন না! যেখানে গুগলে (গুগল স্কলার বললামই না) কায়দামতো একটা খোঁচা দিলে ঝুর ঝুর করে আমাদের দুর্দান্ত সব পেপার আসতে থাকে - আমাদের কম্যুনিটি কি এতদিনে সার্চবক্সে একটা ঠিকঠাক খোঁচা দেয়াও শিখেননি! বরঞ্চ খোঁচাতে গেছেন কাকে? যে ব্যক্তি এটা জানেন না যে:

ক) ২০০৫ সালের একটা রিভিউ পেপার ২০২৬ সালে কী পরিমাণ ইনভ্যালিড। ঠিকঠাক গবেষকদের হিসাব মতে এটাকে ব্যবহার করার এক্সপায়ারি ডেইট শেষ হয়েছে আজ থেকে ১৬ বছর আগে। এরপর ম্যাথিউ সহ আরো বহু আধুনিক সময়ে কৃত রিভিউ সম্পাদন হয়েছে।

খ) তার ব্যবহৃত একমাত্র রেফারেন্স শ্যাঙ এট এলের কৃত রিভিউটির সমসাময়িক সময়ে আরো ৪টি রিভিউ করা হয়েছে, যার প্রচার করার মানুষের বড্ড অভাব আজ অবধি রয়ে গেছে। সেই ৪টিতেই হোমিওপ্যাথি প্লাসিবো ইফেক্ট নয় বলে প্রমাণ এসেছিলো।

গ) এবং তার সেই রিভিউটি এমন জগৎ-ভুয়া যে, তাদের দলের সায়েন্টিস্টগণই সেটাকে পড়ার অযোগ্য রকমের বায়াজড ও ত্রুটিপূর্ণ বলে ঘোষণা করেছেন।

ঘ) এই পেপার উইকিপিডিয়া আগে তাদের আর্টিকেলের শুরুতেই ব্যবহার করে হোমিওপ্যাথির ব্যাপারে অপপ্রচার চালাতো। তাদের গবেষণকগণই যখন পেপারটাকে ভুয়া বলেছেন ও ভ্যালিডিটি নষ্ট হয়ে গেছে - ওটাকে নিচের দিকে নামিয়ে দিয়েছে।

ঙ) তিনি বার বার ২২০ টা পেপারের কথা জোরে সোরে বলেছেন। তিনি এটাও জানেন না, একটা রিভিউয়ের শুরুতে বিষয়গত সার্চে একটা রিভিউ এমনকি ২০,০০০ পেপার নিয়েও অহরহই শুরু হয়। কিন্তু এরপর তাকে ফিল্টার করতে করতে সেখান থেকে এমনকি মাত্র ২০-২৫টা পেপার নিয়ে রিভিউ করতে হয়। এই পেপারে আসলে ফাইনালইজড পেপার গ্রহণ করা হয়েছে মাত্র ৮ টি। অর্থাৎ মাত্র ৮টি পেপারকে এনালাইসিস করে শ্যাঙ এট এলে গবেষণা সাজানো হয়েছিলো।

চ) এবং সেই ৮টি পেপারে আসার যে বাছাইপ্রক্রিয়া বা ইনক্লুসন মেথড তৈরি করা হয়েছিলো - সেটা স্রেফ একটা বাটপারি এবং এটা আমার কথা নয়; এই গবেষণা যারা (হোমিওপ্যাথির বাইরে) রিভিউ করেছেন তাদের কথা।

এতগুলো তথ্যের একটা তথ্যও কি আমাদের কম্যুনিটি জানেন না? পোস্টদাতা জানবে না, এটা স্বাভাবিক। সে জানতেই চায়নি, একটা রেফারেন্স পেয়ে হামলে পড়েছে। এজন্যই তাকে স্টুডেন্ট মনে হয়েছে। স্টুডেন্ট অবস্থায় হওয়া নও-বিজ্ঞানীদের মধ্যেই এ ধরনের প্রবণতা দেখা যায়।

কেবল তাই নয়! পোস্টদাতা কী একমাত্র তিনিই জানেন যে, বইপত্র একটা গ্রে-লিটারেচার! কিন্তু বইতে যদি রিসার্চ পেপার, কিংবা রেফারেন্স লেখা থাকে তখন সেটা বিবলিওগ্রাফি হতে পারে! তিনি যে পিয়ার-রিভিউড সায়েন্টিফিক জার্নালে প্রকাশিত পেপার দেখাতে বলছেন- সেটাও তো একটা সময় বই ফর্মেই ছিলো! আমার বই “হোমিওপ্যাথির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি” সম্বন্ধে উল্লেখ করার পরও তার যে অনুসন্ধিৎসাহীনতা দেখলাম, সিদ্ধান্তে আসতে বাধ্য হয়েছি - তিনি আসলে জানতে চান না। চোখ-কান বুঁজে বিরোধিতা করতে চান। অথবা, বইপত্রের সাথে তার সম্পর্ক আশঙ্কাজনক রকমে কম।

তাকে আমাদের লোকজন বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে বোঝাতে গিয়েছেন। একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত অজ্ঞতা এতটা গুরুত্বপূর্ণ কেন হয়ে উঠলো আমি জানি না। দরকারও নেই। গ্লোবাল হোমিওপ্যাথি যে লেভেলে কাজ করছে- এদের দেখার সময় আমাদের নেই। কিন্তু আমাদের কম্যুনিটিকে আমাদের দেখতে হবে এবং এজন্য আমাদের কম্যুনিটির প্রতি আরো কিছু কথা বলছি:

একজন কমেন্ট করেছেন “Effectless mone hole apnii Germany Schwabe company r jenkuno ekta medichine 200 potency 15 days khaben.then placebo effect boilen. ”

তাকে আমার প্রশ্ন - আপনি কিভাবে জানলেন, ওটা এভাবে খেলে কিছু হবে? ব্যক্তি ঔষধটির প্রতি সংবেদনশীল না হলে, ওটা ১ গ্লাস খেলেও কিছু হবে না। এভাবে অজ্ঞতাসুলভ চ্যালেঞ্জ দিয়ে আপনি তার মনোভাব পরিবর্তন করে ফেলবেন? তিনি যদি পরীক্ষা করেন এবং সংবেদনশীল না হন- আমাদেরই তো লজ্জায় পড়তে হবে!

আমাদের বহুজন তাকে নিজেদের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতে গিয়েছেন। তিনি চাইলে আপনাকে পুরো আফ্রিকা এনে দেখিয়ে দেবে যে, ঝাঁড়ফুঁক-তুকতাক করে কত হাজার মানুষ ভালো হয়েছে এবং হচ্ছে! এবার কি তাহলে ওটাকে আমরা বিজ্ঞান বলবো? আপনার যুক্তি তো সেদিকেই ইঙ্গিত করছে! ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বিরূদ্ধে অর্গাননে আমাদের আবিষ্কর্তা হ্যানিমান সুস্পষ্টভাবে কথা বলে গেছেন। আপনার অভিজ্ঞতা যতক্ষণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মোতাবেক যাচাই-বাছাই না হবে - তার চার-আনা পয়সারও দাম নেই। অভিজ্ঞতা - কেমন হতে হবে সেটা নিয়ে হ্যানিমান একটা পৃথক আলোচনাই প্রদান করেছেন। আর সেটার গুরুত্ব অনুধাবন করেই এদেশে হোমিওডাইজেস্ট রিসার্চ ফ্যাকাল্টি প্রস্তুত করে, ফ্রি গবেষণা শেখার সুযোগ করে রেখেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় - এই একটা আজাইরা পোস্টের কমেন্টবক্সে যে ভীড়টা হয়, আমাদের ডরমেটরিতে সেই ভীড়টা হয় না।

বহুজনের বক্তব্যে কেবল দেখতে পেয়েছি- আমাদের অনেক গবেষণা আছে, বহু গবেষণা আছে, অমুকটা নিয়ে কাজ হয়েছে, তমুকটা নিয়ে কাজ হয়েছে, অমুক এঙ্গেল থেকে গবেষণাপত্র... ইত্যাদি ইত্যাদি। এই যুগে রেফারেন্স ছাড়া এই কথাকে যে কেউ চাপাবাজি ছাড়া আর কিছু বলে বিবেচনা করবে না। অন্তত বিজ্ঞান-জগতের কেউ তো নয়ই! ভেতরে ভেতরে সবাই প্রশ্ন করবে - তুমি একটা বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের উত্তর দিতে এসেছো এবং ঘর ভরিয়ে ফেলছো আছে আছে বলে, তো একটা দেখাও না কেন? দেখাতে তো পয়সাও লাগে না!

হ্যা, পয়সা লাগে না কিন্তু যোগ্যতা লাগে। আপনারা কমেন্টবক্সে নিজেদের কী যোগ্যতার পরিচয় রেখেছেন একবার ভেবে দেখুন।

ঐ পোস্টদাতাকেই আর কী বলবো? আমার ”হোমিওপ্যাথির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি”, যার পৃষ্ঠাসংখ্যা ও মূল্য হাজারের উপরে, এবং উপরের আলোচনা-সহ আরো বহু বহু বহু সংখ্যক বিষয়, দিক, প্রশ্ন ও উত্তর দিয়ে, যা অকাট্য রেফারেন্সে সজ্জিত এবং হাজার হাজার গবেষণার লিংক সাজিয়ে রচনা করেছিলাম এই উদ্দেশ্যে, যাতে আমাদের কর্তৃপক্ষ হোমিওপ্যাথির সঠিক স্ট্যাটাসটা জানতে পারেন, আমাদের হোমিওপ্যাথদের হাতে প্রতিটি মুহুর্তে সমস্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য, প্রমাণ ও যুক্তি সহ কড়া জবাব রেডি থাকে। ৫০,০০০ টাকার চাইতেও বেশি মূল্যমানের বই তৎকালীন হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের প্রতিটি সদস্য-সহ, একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথির নেতৃস্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট প্রায় সমস্ত ব্যক্তিবর্গকে আমরা প্রদান করি। আমার ধারণা, তারা কোনোদিন তার একটা পৃষ্ঠাও পড়ে দেখেননি। আর আমাদের কম্যুনিটি কী রেসপন্স করেছে- সেটার চিত্র এই পোস্টদাতার কমেন্ট-বক্সেই ফুটে উঠেছে।

এটাও দেখেছি আমাদের কেউ একজন তাকে মলিকিউলের পরিমাণ নিয়ে বিরাট হিসাব-নিকাশ বুঝিয়ে দিচ্ছেন। এমন ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছেন - যিনি পেপার ছাড়া সরলতম কথাও গ্রহণ করতে নারাজ, অথচ বিজ্ঞান সম্বন্ধে যার জ্ঞান খুবই ভাসা ভাসা। তিনি যে রেফারেন্স আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন, এগুলো আমরাই তাদের যুক্তি ও তাতে থাকা দুর্বলতা দেখিয়ে দিতে ব্যবহার করি। আমার চলমান কাজ থেকেই কয়েকটা লাইন তুলে দিচ্ছি:

Randomized controlled trials and systematic meta-analyses have yielded inconsistent and contested results, while the absence of a mechanistically coherent explanatory model has led mainstream biomedical science to largely dismiss homeopathy as implausible or as a sophisticated placebo effect (Shang et al., 2005; Ernst, 2010). This critique, though powerful within a strictly materialist-reductionist paradigm, may itself reflect a conceptual limitation: the assumption that the only legitimate mechanisms of biological action are those mediated by discrete molecular interactions. The foundational question, therefore, is not merely empirical but deeply theoretical — what kind of ontological and physical framework would be required to render Hahnemann's claims scientifically coherent?

পোস্টদাতা ওরকম দুর্বল-গোছের আরেকটা পেপারের রেফারেন্স এখানে পেয়েও উপকৃত হবেন। এবং কেন এভোগ্রাডো লিমিট চিন্তার বিষয়ই নয়, তা আলোচনা করেছি:

The argument from the Avogadro limit, in other words, succeeds as a refutation of homeopathy only on the prior assumption that molecular pharmacology exhausts the repertoire of physically plausible biological mechanisms — an assumption that the present paper directly challenges.

আমি পোস্টদাতাকে রেফারেন্স দিয়ে বোঝাতে যাবো না। সেটা আমার বইটিতে আমি যথেষ্ট পরিমাণে দিয়ে রেখেছি। বিজ্ঞান শব্দটা যেহেতু তিনি তার ঠোটের আগায় নিয়েছেন- এখন সম্পূর্ণরূপে তার নিজের দায়িত্ব এ ব্যাপারে থাকা সত্যকে খুঁজে বের করা। তার স্টাডি করার আগ্রহ না থাকলে, তিনি কানা বৈজ্ঞানিক হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাবেন একটা সময়- তাতে আমার কী আসে যায়!

একজনের একটা চ্যালেঞ্জ খুব মজা লেগেছে। সমান সংখ্যক রোগী নিয়ে ট্রায়ালের চ্যালেঞ্জ করেছেন। ভালো লেগেছে। তবে একটা মজার তথ্য দিচ্ছি, আমার মেন্টর ডা. মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর নিকট থেকে শোনা। তার একজন বন্ধুগোত্রীয় এলোপ্যাথিক ফিজিশিয়ান, বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপকদের একজন (যার নামও আমার মনে আছে), তার ছাত্রাবস্থায় একটা স্কলারশিপের ভাইবা বোর্ডে প্রশ্নকর্তাগণ (হোমিওপ্যাথির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব আছে শুনে) - ‘হোমিওপ্যাথি কাজ করে কীনা সেটা কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়’ জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এবং তিনি ঠিক এই উত্তরটিই দিয়েছিলেন। অবশ্য তাতে সম্পূর্ণ যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও স্কলারশিপটা তার ক্যান্সেল হয়ে যায়। পরে অবশ্য নিজের উদ্যোগে অন্য একটা স্কলারশিপ ব্যবস্থা করেন। আমার আরেকজন মেন্টর ও শিক্ষক প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস - জেমস র‌্যান্ডির ১ মিলিয়ন ডলার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ঠিক এই ব্যবস্থাপনাটাই করেছিলেন।

আর যারা পোস্টে বহুরকম উপদেশ দিয়েছেন, গালাগালি করেছেন, কোরআন স্টাডি করতে বলেছেন, হরেক কিসিমের যুক্তি দিয়েছেন, লজ্জা দেবার চেষ্টা করেছেন, কাকুতি-মিনতি করেছেন - এগুলোর কথা আর কী বলবো! এগুলো করে আদতে অক্ষমেরা। কিন্তু হোমিওপ্যাথি অক্ষম নয়। সমস্যা হচ্ছে, আমরা সচেতন নই। যে যাই করেছেন -তাদের নিজেদের হোমিওপ্যাথির প্রতি ভালোবাসার জায়গা থেকে করেছেন - সেটা জানি। কিন্তু অজ্ঞতা দিয়ে অজ্ঞতাকে রোধ করা যায় না। তাকে পরাজিত করতে হয় জ্ঞান দিয়ে। আমরা যদি অজ্ঞ থাকি, তাহলে এরকম হাস্যকর পোস্টে আমাদের বহুলোকের অযথা এনার্জি ক্ষয়ই কেবল সার হবে; কাজের কাজ কিছুই হবে না।

Dr. Shaheen Mahmud
Research Head, Homeodigest Research Faculty
Research Fellow, IACH, Greece

#হোমিওপ্যাথি #প্লাসিবো #মুর্তজা_শাহরিয়ার #তাহসান_রহমান_ইমরান

ইতালিতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য সুসংবাদ
29/04/2026

ইতালিতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য সুসংবাদ

ইতালিতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য সুসংবাদ

উপরের শিরোনামে গত ১৬ এপ্রিল ইতালির Medicina Integrata News এ সেদেশে হোমিওপ্যাথির ওপর করা একটি জরিপ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। যেখানে উল্লেখ করা হয়- “হোমিওপ্যাথির বিরুদ্ধে অপপ্রচারগুলো নাগরিকদের ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি; তারা অপপ্রাচারের বাক্যবানের চেয়ে বাস্তব ক্লিনিক্যাল ফলাফলের ওপরই বেশি আস্থাশীল”

বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিক কমিউনিটি এবং অপপ্রচারকারীদের জ্ঞাতার্থে হুবহু অনুবাদ তুলে ধরা হলো। আরো জানতে চাইলে Medicina Integrata News এর ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।

আমরা অভ্যস্ত যে হোমিওপ্যাথির বিরুদ্ধে নানা কটূক্তি পড়া হয়, যেখানে প্রচলিত চিকিৎসার পণ্ডিতরা (solons) একে "প্লাসবো" বা "কার্যকারিতার প্রমাণহীন" বলে বিবেচনা করেন। এই ধরনের আক্রমণের সর্বশেষটি ছিল উইলহেম এম. এবং তাঁর সহযোগীদের (২০২৪) একটি নিবন্ধ, যা Frontiers in Psychology জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে যে, হোমিওপ্যাথিক ওষুধের কার্যপদ্ধতি মূলত "রোগীর প্রত্যাশা" বা প্লাসবো ইফেক্টের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়। তবে সহকর্মী বার্নারডিনি এবং ডেই একটি মন্তব্যের মাধ্যমে সেই সমস্ত প্রমাণগুলো খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখিয়েছে যে হোমিওপ্যাথির কার্যকারিতা প্লাসবো ইফেক্টের কারণে নয়। এটি প্রদর্শিত হয়েছে যে, হোমিওপ্যাথিক ওষুধের অতি-লঘুকৃত (ultra-diluted) দ্রবণগুলোতে আমাদের শরীরের কোষের সমপরিমাণ মাত্রার সক্রিয় উপাদানের অণু থাকে এবং এই দ্রবণগুলো উল্লেখযোগ্য জৈবিক প্রভাব সৃষ্টি করে, যা প্লাসবো ইফেক্ট দিয়ে ব্যাখ্যা করা অসম্ভব।

এই প্রেক্ষাপটে ইতালীয় হোমিওপ্যাথির জন্য একটি সুসংবাদ এসেছে, যা জনগণের মধ্যে এই চিকিৎসার প্রসার এবং ব্যবহারকারীদের মতামতের সাথে সম্পর্কিত। এটি 'হোমিওএন্টারপ্রাইজেস'-এর জন্য 'ইউমেট্রা ইনস্টিটিউট' কর্তৃক পরিচালিত একটি নতুন জরিপ, যার উদ্দেশ্য ছিল হোমিওপ্যাথির জ্ঞান ও ব্যবহারের স্তর, ওষুধ কেনার প্রধান মাধ্যম, ব্যবহারের উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য পেশাদারদের ভূমিকা সম্পর্কে জানা। "সিনারিও অ্যান্ড কনজিউমারস অফ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনস ২০২৫" শীর্ষক এই গবেষণাটি ইতালীয় জনসংখ্যার একটি প্রতিনিধি নমুনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি (১৮ বছরের বেশি বয়সী ১,৪০০ জনেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক), যার মধ্যে ৯০০ জন সাধারণ এবং বিশেষ করে ৪টি অঞ্চলের (লম্বার্ডি, ভেনেটো, টাস্কানি এবং ক্যাম্পানিয়া) জন্য আরও ৫০০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে।

জরিপে দেখা গেছে যে, ৯৮% ইতালীয় নাগরিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সাথে পরিচিত এবং প্রতি ৩ জন ইতালীয়র মধ্যে ২ জন তাদের জীবনে অন্তত একবার এটি কিনেছেন। গত এক বছরে ৩৭% মানুষ এগুলো ব্যবহার করেছেন (যা কয়েক বছর আগে ছিল প্রায় ২০%), আর ৬৬% মানুষ সময়ের ব্যবধানে অন্তত একবার এগুলো ব্যবহার করেছেন। গত ১২ মাসের হিসাব ধরলে টাস্কানিতে সবচেয়ে বেশি কেনাকাটা (৭৫%) রেকর্ড করা হয়েছে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ডাক্তার এবং ফার্মাসিস্টদের পালন করা মৌলিক ভূমিকা। ৪৪% ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির ব্যবহার পারিবারিক চিকিৎসক বা শিশু বিশেষজ্ঞের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী হয়, আর ৫২% ক্ষেত্রে এটি ফার্মাসিস্টদের পরামর্শে ঘটে। জরিপ অনুযায়ী, জেনারেল প্র্যাকটিশনার বা জিপি (GP) হলেন যেকোনো স্পষ্টীকরণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি (৫৪%), যার পরেই রয়েছেন হোমিওপ্যাথি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (৪০%) এবং ফার্মাসিস্ট (৩৯%)। অন্যদিকে, চিকিৎসার কার্যকারিতা (৪২%) এবং ওষুধের প্রাকৃতিক উৎস (৫৪%) এই চিকিৎসা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান প্রেরণা হিসেবে কাজ করে।

ইতালিতে হোমিওপ্যাথির ব্যবহারকারী কারা? মূলত ৩৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সী মহিলারা (৭২%), যাদের সন্তান রয়েছে (৭১%); তারা বিভিন্ন রোগ যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং শ্বাসনালীর উপরিভাগের সংক্রমণের (৩৩%), অনিদ্রা ও স্ট্রেসজনিত সমস্যার (২৮%), প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর (২৬%), পেশীবহুল ব্যথা (২৩%) এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল বা পাকস্থলীর সমস্যার (২০%) জন্য এটি বেছে নেন। হোমিওপ্যাথিক বাজারের ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—যেসব ইতালীয় নাগরিক কখনো হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কেনেননি, তাদের মধ্যে ৩৫% জানিয়েছেন যে তারা এর ব্যবহারের পক্ষে। আমরা একটি ইতিবাচক দিক লক্ষ্য করতে পারি যে, হোমিওপ্যাথির বিরুদ্ধে অপপ্রচারগুলো নাগরিকদের ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি; তারা অপপ্রাচারের বাক্যবানের চেয়ে বাস্তব ক্লিনিক্যাল ফলাফলের ওপরই বেশি আস্থাশীল।

পারিবারিক চিকিৎসকের ওপর রোগীদের অগাধ বিশ্বাসের বিষয়টি পরিপূরক চিকিৎসা এবং বিশেষ করে হোমিওপ্যাথির ক্ষেত্রেও প্রসারিত। তবে যারা হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে বেশি অবগত, তাদের মধ্যে এই বিশ্বাস আরও দৃঢ়। অপেক্ষাকৃত কম পরিসরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ভূমিকা উঠে এসেছে, যা প্রমাণ করে যে অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে বেসরকারি খাতে বিশেষজ্ঞের (তাত্ত্বিকভাবে যারা বেশি দক্ষ) শরণাপন্ন হওয়া রোগীদের জন্য কিছুটা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র- Medicina Integrata News এর ওয়েবসাইট।

With HomeoExpress – I'm on a streak! I've been a top fan for 15 months in a row. 🎉
07/03/2026

With HomeoExpress – I'm on a streak! I've been a top fan for 15 months in a row. 🎉

13/01/2026

06/01/2026

বাংলাদেশের একজন এ্যালোপ্যাথি ডাক্তার ভারতে গিয়ে বিখ্যাত হোমিওপ্যাথে রূপান্তর, কিংবদন্তী ডাঃ জে এন কাঞ্জিলাল... হোমিওপ্যাথির ঐতিহ্য এবং অলংকার!

★ হোমাই ও ডাঃ জে এন কাঞ্জিলাল,

★হোমাইয়ের গোল্ডেন জুবিলী সেমিনার ২৬, ২৭, ও ২৮শে ডিসেম্বর কলকাতার বিশ্ববাংলায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল।

★ হোমাই কি?
হোমাই হচ্ছে একটা লম্বা লাইনের সংক্ষিপ্ত বা এ্যাবরিবিয়েশন ফর্ম,

লম্বা লাইনটি হচ্ছে ইংরাজিতে --
Homoeopathic Medical Association of India,

Homoeopathic র Ho
Medical র M
Association র A
India র I
= HOMAI ( হোমাই )

★ গোল্ডেন জুবিলী বলা হচ্ছে কেন, ব্যাপারটি কি?

কারণ, হোমাই তৈরি হয়েছিল ১৯৭৫ সালে, এবারে অর্থাৎ ২০২৫ সালে তার ৫০ বছর পূর্তি হয়েছে, তাই গোল্ডেন জুবিলী উৎসব বলা হচ্ছে!

--- ভারতে হোমিওপ্যাথির চর্চা ২০০ বছর ধরে হলেও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের সংগঠন গড়ে উঠেছে অনেক পরে।

১) ১৯৩২ সালে কলকাতার ডাঃ জিতেন্দ্র নাথ মজুমদারের বিশেষ প্রচেষ্টায় এবং উত্তর প্রদেশের ডাঃ কৈলাসনাথ কাটজুর সহযোগিতায় ভারতের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের প্রথম সংগঠন গড়ে ওঠে অল ইন্ডিয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল এসোসিয়েশন নাম দিয়ে। এই এ্যাসোসিয়েশনের প্রথম সভাপতি ছিলেন তখন কলকাতায় যাকে বাংলার হ্যানিম্যান বলা হতো সেই ডাঃ ইউনান সাহেব, এবং সাধারণ সম্পাদক হন ডাক্তার জিতেন্দ্রনাথ মজুমদার।

২) ১৯৪৪ সালে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের আরেকটি সর্বভারতীয় সংগঠন করে ওঠে, নাম দেওয়া হয় --অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ হোমিওপ্যাথি। এটির সদর অফিস হয় দিল্লিতে। প্রথম সম্পাদক হন দিল্লির ডাঃ কে জি সাক্সেনা।

৩) ১৯৭৫ সালে সব সংগঠনগুলিকে এক করে সবাইকে এ্যলোপ্যাথিক চিকিৎসকদের I M A বা ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মতন দেশের সব হোমিওপ্যাথদের একসাথে থাকার জন্য এবং এক ছাতার নিচে আনার জন্য নিজের প্র্যাকটিস, খাওয়া দাওয়া ঘুম, বিশ্রাম, সব ছেড়ে পাগলের মতন ছুটতে লাগলেন দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, যিনি আর কেউ নয় -- পূর্ববাংলা থেকে আসা একজন রিফিউজি হোমিওপ্যাথ, যিনি এতদিনে একজন স্বনামধন্য হোমিওপ্যাথি হিসাবে নাম করে ফেলেছেন সেই ডাঃ জে এন কাঞ্জিলাল।

ডাঃ কাঞ্জিলাল তৈরি করলেন হোমাই, অর্থাৎ হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া।

সংগঠন করার জন্যই বোধহয় মানুষটি জন্মেছিলেন।

১৯৩৬ সালে আর জি কর মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি পাশ করে দুই বছর গাইনি ডিপার্টমেন্টে হাউসস্টাফ করার পরে ১৯৩৮ সাল থেকে তার নিজ গ্রাম খুলনার দৌলতপুরে প্র্যাকটিস শুরু করলেও অচিরেই চিকিৎসা করার সাথে সাথে পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টির সাথে জড়িয়ে পড়েন। কমিউনিস্ট পার্টিতে যুক্ত থাকার জন্য মাঝেমধ্যে ছোটখাটো জেল যাত্রা হলেও ১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ছয় বছর কারাবাস ভোগ করেছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের কারাগারে।

একবার জেলে তিনি অনশন আরম্ভ করেছিলেন এবং ৬১ দিন অনশনও করেছিলেন। জেলে তিনি কয়েদিদের নিয়ে সংগঠন তৈরি করেছিলেন।

১৯৫৫ সালে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরে বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পারেন তাঁকে আবার অন্য একটি মামলায় শীঘ্রই ধরা হবে। ততদিনে তার সংসার ভেঙে তচনচ হয়েছে। স্ত্রী ও সন্তানরা অর্ধমৃত অবস্থায় বেঁচে আছে।

সবার অনুরোধে তিনি স্ত্রী পুত্র কন্যাদের নিয়ে ১৯৫৫ সালের ২২ শে সেপ্টেম্বর রাত ১২ টায় পূর্ব পাকিস্তান ছেড়ে ভারতে চলে আসেন। সম্বল বলতে ছিল বন্ধুদের তুলে দেওয়া ১৫০টি পাকিস্তানি টাকা।

কলকাতায় তার প্রথম দিকের কষ্টের জীবন এখানে আর বলছি না। তা আগে একটা বড় প্রতিবেদনে ডিটেলস লিখেছি।

যাই হোক, হোমাই প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ভারতীয় হোমিওপ্যাথদের মধ্যে তিনি গড়ে তুলেছিলেন প্রাণবন্ত যোগাযোগ। তার এই ভূমিকা ভারতীয় হোমিওপ্যাথদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আমরা যেখানে ব্যক্তিগত কাজের জন্যও একদিন চেম্বার বন্ধ করতে চাই না, সেখানে হোমাইয়ের কাজের জন্য তিনি রবিবার ও সোমবার দুইদিন চেম্বার বন্ধ রাখতেন।

তার উদ্দেশ্য ছিল ভালো হোমিওপ্যাথ তৈরি করা, তামাম ভারতবর্ষের হোমিওপ্যাথদের মধ্যে ভ্রাতৃবন্ধন তৈরি করা।

তিনি বলতেন, একজন কৃষক যত ধানের বীজ ছড়ায় তার সবগুলিতে গাছ হয় না৷ আমিও বীজ ছড়িয়ে যাচ্ছি, যেগুলি বাঁচবে সেগুলি বিকশিত হয়ে হোমিওপ্যাথিকে বিকশিত করবে।

হোমাই সংগঠনকে শক্তিশালী করা এবং ঠিক মতন প্রতিষ্ঠা করাই ছিল তার একমাত্র নেশা ও পেশা। অনেক সময় চেম্বারে রোগীদেরকে ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রেখে হোমাই সংগঠনের কাজ করেছেন। চেম্বারে আগত হোমাই সংগঠনের কর্মী বা নেতাদের সাথে আলোচনায় ব্যস্ত থেকেছেন। অনেক সময় অনেক রোগী অধৈর্য হয়ে পড়লে তিনি পরিষ্কার ভাবে বলে দিতেন --দেখো বাপু, আমি ভালো হোমিওপ্যাথ তৈরির কাজে ব্যস্ত, কারণ এরাই আমার অবর্তমানে তোমাদের সেবার কাজে লাগবে৷ তাই যদি কারুর অপেক্ষা করার ধৈর্য না থাকে আমাকে ছেড়ে চলে যাও, অন্য কাউকে দেখিয়ে নাও।

১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জামশেদপুরে ডাঃ কাঞ্জিলালের হাতে তৈরী হোমাইয়ের প্রথম সর্বভারতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৭৯ সালের ২২শে ডিসেম্বর কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয় হোমাইয়ের দ্বিতীয় কংগ্রেস। এই কংগ্রেসে তাঁকে আজীবন হোমাইয়ের সম্মানীয় সভাপতি হিসাবে বরণ করা হয়েছিল যা নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য এবং ঐতিহাসিক ঘটনা।

ডাঃ জে এন কাঞ্জিলালের পরিপূর্ণ জীবনী ও কর্ম জীবন আমি আগে একবার ফেসবুকে বড় লেখার মাধ্যমে দিয়েছি। আজকের লেখাটা তাই তাঁর পূর্ণাঙ্গ জীবনী বলার উদ্দেশ্য নয়।

তাহলে আমরা জানলাম ডাঃ কাঞ্জিলালের হোমাই গড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল সারা ভারতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের একটি বড় শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলা এবং দেশের সমস্ত হোমিওপ্যাথদের এক পতাকা তলে আনা।

কিন্তু ডাঃ কাঞ্জিলারের স্বপ্ন অচিরেই ধূলিস্যাৎ হতে আরম্ভ করে । আমরা দেখেছিলাম ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জামশেদপুরে অনুষ্ঠিত হোমাইয়ের প্রথম সম্মেলনে কিসসা কুর্সিকার লড়াই। হেনস্তা হতে হয়েছিল কলকাতার বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও শিক্ষাবিদ ডাঃ নরেন্দ্র প্রসাদ রায়কে।

১৯৭৯ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হোমাইয়ের দ্বিতীয় সর্বভারতীয় সম্মেলনে অনেক আশা ও প্রত্যয় নিয়ে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চিকিৎসকরা আসলেও এই সম্মেলন হয়ে উঠেছিল ক্ষমতালোভীদের ক্রীড়াঙ্গন। গণতান্ত্রিক রীতিনীতি বিসর্জিত হয়েছিল। প্রাধান্য পেয়েছিল স্বৈরশক্তির উদ্দামতা।

এরপরে প্রত্যেকটি সর্বভারতীয় সম্মেলনে দেখা গেছে চেয়ার অর্থাৎ পদ নিয়ে কাড়াকাড়ি ও মারামারি, হোমিওপ্যাথিক বিজ্ঞান সভার থেকে পরের বছরে কারা কোন পদে থাকবেন সেই মিটিং, সেই আলোচনা, সেই রাজনীতি। সেই কনফারেন্স ছাপিয়ে ওঠে চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনার কনফারেন্স।

পদ আর চেয়ার নিয়ে বারবার বিভক্ত হয়েছে হোমাই। বিভক্ত হয়েছে বহু দলে আর উপদলে। আদর্শগত কোন সংঘাত দেখিনি, বারবার দেখেছি শুধু ব্যক্তিগত সংঘাত, স্বার্থের সংঘাত, ক্ষমতা দখলের সংঘাত, কুর্সি দখলের সংঘাত। ফলে হোমিওপ্যাথির যে বিকাশ ও উন্নতির জন্য প্রাণপাত করে ডাঃ কাঞ্জিলাল এই অ্যাসোসিয়েশন তৈরি করেছিলেন তা বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে বারবার।

বর্তমানে কোন কার্যকরী ভূমিকা দেখা যায় না এই সংগঠনের। অপহোমিওপ্যাথিতে দেশ ছেয়ে গেছে, কলেজের শিক্ষকরা অপহোমিওপ্যাথি করছে। হোমিওপ্যাথির নামে নানা রকম বুজরুকি অপহোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা বাজার গরম করছে। হোমিওপ্যাথি শেখানোর বা পড়ানোর নামে কোন স্কুলের বা ক্লাবের ২ টি ঘর ভাড়া করে রমরমিয়ে চলছে অপহোমিওপ্যাথদের অসাধু ব্যবসা। এত বড় একটা শক্তিশালী সংগঠন এই সব অন্যায়ের কোন প্রতিকার করে না, প্রতিবাদ করে না। হ্যানিমানের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার নীতি বাদ দিয়ে দিকে দিকে চলছে ৫ টি, ১০ টি ঔষধ দিয়ে রোগ লক্ষণ প্রশমিত করার এক অসাধু প্রচেষ্টা, যাকে আমি মসলা মুড়ি চিকিৎসা বলে থাকি।

একটা বড় সংগঠনই তো পারে এরকম বিভিন্ন অন্যায় অবিচারের মোকাবিলা করতে। কিন্তু এরা তা পেরেছে কি! এরা তা করেছে কি! শুধু নিজেদের পদ ও মর্যাদা বজায় রাখা ছাড়া এরা আর কিছুই করেনি। কোনদিন কোন কিছু করার চেষ্টাও করেনি।

এদের এইসব দুর্বলতার সুযোগে কমিউনিস্ট পার্টি মনোভাবাপন্ন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা ১৯৭৮ সালে হোমাই চিকিৎসকদের মধ্যে ফাটল ধরায়। তারা রাতারাতি গজিয়ে তোলে নতুন এক হোমিওপ্যাথিক সংগঠন --
" প্রগতিশীল হোমিও চিকিৎসক ফোরাম "। কারণ, এরা ভাবে পৃথিবীর সব কিছুই অপ্রগ্রতি, আর তারাই শুধু প্রগতি মার্কা লোকজন। এইভাবে ডাঃ কাঞ্জিলালের হাতে তৈরি হোমাইকে ভেঙে সব জায়গায় পার্টিতন্ত্র করা তাদের মোটেই উচিত হয়নি। যদিও বামফ্রন্টের পতনের সাথে সাথে তারাও স্তিমিত হয়ে পড়েছে, অল্প সংখ্যক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এখনও টিম টিম করে জ্বালিয়ে রেখেছে এই সংগঠনটি।

যেসব অপহোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদেরকে আজকের হোমাইয়ের কর্ণধাররা প্রশ্রয় দিচ্ছে, শুধুমাত্র অর্থের লোভে বিভিন্ন অপহোমিওপ্যাথ ঔষধ কোম্পানিগুলোকে তাদের সেমিনারে আসার সুযোগ দিচ্ছে, হোমিওপ্যাথির নামে চলতে থাকা সমস্ত অপহোমিওপ্যাথি মার্কা অন্যায়কে মদত দিচ্ছে, তাদেরকে হোমাইয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্বর্গীয় ডাঃ জে এন কাঞ্জিলালের ব্যক্তিত্বের একটি ঘটনা স্মরণ করিয়ে আজকের প্রতিবেদন শেষ করছি ।

একটি ইন্টারন্যাশনাল হোমিওপ্যাথিক কনফারেন্সে ৫/১০ টি ঔষধ মিশিয়ে চিকিৎসা করতেন যে ব্যক্তি সেই ডাঃ প্রশান্ত ব্যানার্জি গলব্লাডার স্টোন গলিয়ে দিয়েছি বলে একটি এক্সরে প্লেট দেখানোর চেষ্টা করলে ডাঃ জে এন কাঞ্জিলাল সাথে সাথে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করে বলেছিলেন --- একদম বাজে কথা ! এই ব্যক্তি জানেই না কি করে এক্সরে প্লেট দেখতে হয়!

ঘটনাটি ৫/১০ টি ঔষধ একসাথে মিশিয়ে পলিফার্মেসি ওরফে মশলামুড়ি চিকিৎসা করা ডাঃ প্রশান্ত ব্যানার্জি নিজেই বলেছেন তার " The Diaries of a Stubborn Homeopath " বইয়ের ১৩৬ পাতায়।

- কিংবদন্তি হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের জীবন উপাখ্যান / Dr Rabin Barman


#জেএনকাঞ্জিলাল

#হোমিওপ্যাথি

05/01/2026

হোমিওপ্যাথি 'জল' নয়, উপেক্ষার জবাব ১০ বাঙালির গবেষণায়।

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা।

হোমিওপ্যাথি ওষুধ আসলে ওষুধ নয়, জল। এই প্রচার দীর্ঘদিনের। প্রায় সব হোমিওপ্যাথকেই জীবনের কোনও না কোনও সময়ে এই তাচ্ছিল্যও উপেক্ষার শিকার হতে হয়েছে। তার জবারের মতো জবাব মিলল এইবার বিজ্ঞানসম্মত গবেষণায়। বিশ্ববন্দিত গবেষণ্য পত্রিকা এক্সপ্লোর (দি জার্নাল অব সায়েন্স অ্যান্ড হিলিং)-এর ১৯ অক্টোবর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে এমনই এক যুগান্তকারী গবেষণা। (সেখানে সুস্পষ্ট প্রমাণ দেওয়া হয়েছে, হোমিওপ্যাথি ওষুধ জল বা 'প্লাসিবো' নয়। রোগীদের উপর তার প্রয়োগে যথেষ্ট ভালো কাজ হয়।

হাওড়ার মহেশ ভট্টাচার্য হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই গবেষণা হয়। আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়াল সিনড্রোমের রোগীদের নিয়ে চলে গবেষশানাটি। ৬০ জন রোগীকে দু'টি গোষ্ঠীতে ভাগ করা হয়। প্রতি ভাগে রাখা হয় ৩০ জনকে। দু'টি ভাগকেই পরিমিত ডায়েটে রাখা হয়। যেমন হাল্কা খাওয়া দাওয়া, পাতের শেষে টক দই গ্রহণ ইত্যাদি। ডি এন দে হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের ডাঃ শুভময় ঘোষ, মহেশ ভট্টাচার্য হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষক চিকিৎসক ডা: আকাশদীপ দাস এবং বাল স্বাস্থ্যদপ্তরের হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ মুনমন কোলে সহ ১০ জন চিকিৎসক এই গবেষণায় অংশ নেন।

গবেষণায় একটি গ্রুপের রোগীদের প্লাসিবো বা জল দেওয়া হয়। অন্যভাগের রোগীদের সুনির্দিষ্ট ডোজে দেওয়া হয় পালসেটিলা, নেট্রাম মিউর, খুজা সহ ৩৯ ধরনের হোমিওপ্যাথি ওষুধ। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের মে পর্যন্ত চলে গবেষণাটি। উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, যে গ্রুপের ৩০ রোগীকে প্লাসিবো বা জল দেওয়া হয়েছিল, সেখানে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে মাত্র ২ শতাংশ। আর যে গ্রুপের রোগীদের হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল, সেখানে অবস্থার উন্নতি হয়েছে ৩০ শতাংশ। সুতরায় নিন্দুকদের সমালোচনা যে সত্য নয়, তা প্রমাণিত হল ৯ পাতার গগবেষণা রিপোর্টে।

কিন্তু জল খাওয়ানোতেও কীভাবে একটি গ্রুপে রোগীদের শারীরিক অবস্থার ২ শতাংশ উন্নতি হল? গবেষণার গাইড শুভময়বাবু বলেন,

কারণ ডায়েট। দু'টি গ্রুপের প্রার্থীদেরই পরিমিতসং আহারে রাখা হয়। আইবিএস নিয়ন্ত্রণে ডায়েটের # ভূমিকা থাকে। ওই উন্নতিটুকুর কারণ হল ডায়েট। তাৎপর্যপূর্ণ এই গবেষণা প্রসঙ্গে নিশিয় মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ বলেন, আমাদের কাছে আসা বহু রোগীয় জানান, তাঁরা অ্যালোপ্যাথির পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিও করেন। এত মানুষ যে প্যাথিতে ভরসা রাখেন, তাকে আমি হেয় করি না। আবার হোমিওপ্যাথির কাজ করার পদ্ধতি এখনও ধোঁয়াশাময়। তাই এই প্যাথিকে সমর্থনও করি না। তরুণ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ডাঃ সুমিত সুর বলেন, আয়ুর্বেদ ও হোমিওপ্যাথি-দুই চিকিৎসা বিদ্যাতেই ওষুধ হিসেবে। উপকারী ভেষজের ব্যবহার আছে। হোমিওপ্যাথির এই স্বীকৃতিতে আমরা মনেপ্রাণে খুশি।

- নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা।


#হোমিওপ্যাথি

04/01/2026

যে সত্যটা আমেরিকা কখনো জানতে দেয়নি…

এক সময় আমেরিকাজুড়ে ছিল
🏥 ১০০+ হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল,
👨‍⚕️ রাষ্ট্রপতি থেকে শিল্পপতি—সবাই হোমিওপ্যাথি নিতেন এমনকি ইতিহাসের অন্যতম ধনী ব্যক্তি জন ডি. রকফেলার বলেছিলেন—
“Homeopathy is a progressive and aggressive step in medicine.”

তাহলে প্রশ্ন হলো—
🤔 আজ আমেরিকায় হোমিওপ্যাথি প্রায় বিলুপ্ত কেন?

💰 উত্তরটা একটাই—মুনাফা।

হোমিওপ্যাথিতে
❌ প্যাটেন্ট নেই
❌ একচেটিয়া ব্যবসা নেই
❌ রোগী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায়

কিন্তু পেট্রোকেমিক্যাল ড্রাগসে—
✅ প্যাটেন্ট আছে
✅ আজীবন কাস্টমার তৈরি হয়
✅ উপসর্গ দমন, রোগ নির্মূল নয়

👉 রোগী যত অসুস্থ থাকবে, ব্যবসা তত চলবে!!

📕 ১৯১০ সালের Flexner Report:

কার্নেগি ও রকফেলার ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে প্রকাশিত এই রিপোর্টের মাধ্যমে—
🚫 হোমিওপ্যাথি
🚫 হার্বাল
🚫 ন্যাচারোপ্যাথি

সবকিছুকে “অবৈজ্ঞানিক” ঘোষণা করা হলো।
বন্ধ হয়ে গেল শত শত হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।

⚠️ AMA-এর ভয়ঙ্কর শর্ত:
American Medical Association (AMA) বলেছিল
> “হোমিওপ্যাথি করলে লাইসেন্স বাতিল!”

কারণ তারা জানত—
একবার যদি মূলধারার ডাক্তাররা বুঝে যায়
👉 হোমিওপ্যাথি কী করতে পারে,
তাহলে বিষাক্ত রাসায়নিক ওষুধের যুগ শেষ।

😶 সবচেয়ে বড় আইরনি জানেন?

👨‍👩‍👧‍👦 রকফেলার পরিবার নিজেরা ৩ জন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক রাখতেন।
"নিজেদের জন্য প্রাকৃতিক চিকিৎসা,
আর সাধারণ মানুষের জন্য কেমিক্যাল"।
এটাই বাস্তবতা।

👑 এলিটরা জানে, কিন্তু বলে না এমনকি জানতেও দেয় না।
🔹 চার্লস ডারউইন হোমিওপ্যাথিতে সুস্থ হয়ে Origin of Species লেখেন।
🔹 ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রধান চিকিৎসক
ডা. মাইকেল ডিক্সন একজন হোমিওপ্যাথ কিন্তু হোমিওপ্যাথির পক্ষে উনি কখনো ওউন করেন না।

তবুও জনসমক্ষে—
🤐 নীরবতা।

🧠 শিক্ষা কী?

চিকিৎসা সবসময় বিজ্ঞান দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয় না।
অনেক সময় নিয়ন্ত্রিত হয়—
💰 অর্থনীতি
🏛️ রাজনীতি
🌍 ক্ষমতার খেলা দিয়ে

আজও ইউরোপ ও ভারতে হোমিওপ্যাথি কার্যকর,
কিন্তু আমেরিকায় সেটাকে মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে শত বছর ধরে।

যে চিকিৎসা পদ্ধতি সত্যিই মানুষকে সুস্থ করে যা আমি আমার চেম্বার থেকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জটিল রোগে এই চিকিৎসা পদ্ধতির সরাসরি ফলাফল দেখতে পাচ্ছি। তাই আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি এই চিকিৎসা ব্যবস্থা টাকে নিয়ে যতই ষড়যন্ত্র চলুক না কেন সেই তার রোগ আরোগ্যের ক্ষেত্রে দারুন দাপট নিয়ে টিকে আছে এবং ইনশাল্লাহ সত্যকে কখনো দাবিয়ে রাখা যাবে না।







বি:দৃ: কিছুটা এডিট করা "হোমিও কথন"থেকে

ধন্যবাদ স্যার।
18/12/2025

ধন্যবাদ স্যার।

01/12/2025

Address

Nabinagor Main Road
Dhaka
1211

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Art of Medicine posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Art of Medicine:

Share