29/04/2026
তাহসান রহমান ইমরান সাহেবের পোস্ট ও আমার কিছু কথা
ডা. শাহীন মাহমুদ
একটা পোস্ট নজরে পড়লো। তাহসান রহমান ইমরান নামের একজন ব্যক্তি (সম্ভবত কনভেনশনাল মেডিক্যাল কোর্সের কোনো স্টুডেন্ট) হোমিওপ্যাথির বিরুদ্ধে সাইন্সের একটা তকমা সাজিয়ে বিষোদগার করেছেন। তার উপস্থাপিত আলোচনাটি বৈজ্ঞানিক তথ্য কিংবা কোনো অনুসন্ধান নয়। লেখাটি পড়ে মনে হয়নি যে, তিনি সেখানে হোমিওপ্যাথি কী? এটা আদতে কাজ করে কীনা? করলে কী প্রক্রিয়ায় করে? এর ভিত্তিতে কতটুকু সায়েন্স ও কতটুকু ফিলোসফি? এর সায়েন্স ও ফিলোসফি আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে ও পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কতটা সত্যতা প্রতিপাদন করেছে? ইত্যাদি মৌলিক প্রশ্নগুলোর ব্যাপারে সত্যকে জানার মানসিকতা নিয়ে অনুসন্ধান করেছেন। কেবল অতি ভাসা ভাসা কিছু তথ্য ও মূলত একটা রেফারেন্স নিয়ে তিনি পোস্টটিতে ও কমেন্টবক্সে বেশ দাপট তৈরি করতে পেরেছেন।
কিন্তু আমি তার কথাগুলো দেখে যতটা না আলোড়িত হয়েছি, তার চেয়ে বহুগুণ শিহরিত হয়েছি আমাদের কম্যুনিটি থেকে করা কমেন্টগুলো দেখে! যে ব্যক্তি এমন একটি বায়াসড অবস্থা নিয়ে হোমিওপ্যাথিকে ঠেঙাতে দাঁড়িয়েছেন এবং যে কথা বলতে চাইছে বিজ্ঞানের ভাষায়- তাকে আমাদের লোকগুলো গিয়েছেন সুন্দর কথা দিয়ে, যুক্তি দিয়ে, কোনো একটা বিশেষ অংশ সত্য বলে বোঝাতে; নিজেদের সুন্দর সুন্দর অভিজ্ঞতা শেয়ার করে, সাক্ষী দিয়ে তাকে কনভিন্স করতে।
আইনস্টাইনকে যখন বলা হলো- আপনার তত্ব যে ভুল তা প্রমাণ করার জন্য ১০০ সায়েন্টিস্টের সিগনেচার সংযুক্ত ঘোষণা প্রস্তুত করা হয়েছে। মুচকি হেসে তিনি বলেছিলেন - আমি যদি ভুল হয়ে থাকি, এত সিগনেচারের প্রয়োজন কী, ওখান থেকে একজন বিজ্ঞানী একটা পেপারে ভুলটা প্রেজেন্ট করলেই তো হয়!
আমাদের এতগুলো ব্যক্তি কমেন্ট করলেন, অথচ একটা পেপারের রেফারেন্স প্রেজেন্ট করতে পারলেন না! যেখানে গুগলে (গুগল স্কলার বললামই না) কায়দামতো একটা খোঁচা দিলে ঝুর ঝুর করে আমাদের দুর্দান্ত সব পেপার আসতে থাকে - আমাদের কম্যুনিটি কি এতদিনে সার্চবক্সে একটা ঠিকঠাক খোঁচা দেয়াও শিখেননি! বরঞ্চ খোঁচাতে গেছেন কাকে? যে ব্যক্তি এটা জানেন না যে:
ক) ২০০৫ সালের একটা রিভিউ পেপার ২০২৬ সালে কী পরিমাণ ইনভ্যালিড। ঠিকঠাক গবেষকদের হিসাব মতে এটাকে ব্যবহার করার এক্সপায়ারি ডেইট শেষ হয়েছে আজ থেকে ১৬ বছর আগে। এরপর ম্যাথিউ সহ আরো বহু আধুনিক সময়ে কৃত রিভিউ সম্পাদন হয়েছে।
খ) তার ব্যবহৃত একমাত্র রেফারেন্স শ্যাঙ এট এলের কৃত রিভিউটির সমসাময়িক সময়ে আরো ৪টি রিভিউ করা হয়েছে, যার প্রচার করার মানুষের বড্ড অভাব আজ অবধি রয়ে গেছে। সেই ৪টিতেই হোমিওপ্যাথি প্লাসিবো ইফেক্ট নয় বলে প্রমাণ এসেছিলো।
গ) এবং তার সেই রিভিউটি এমন জগৎ-ভুয়া যে, তাদের দলের সায়েন্টিস্টগণই সেটাকে পড়ার অযোগ্য রকমের বায়াজড ও ত্রুটিপূর্ণ বলে ঘোষণা করেছেন।
ঘ) এই পেপার উইকিপিডিয়া আগে তাদের আর্টিকেলের শুরুতেই ব্যবহার করে হোমিওপ্যাথির ব্যাপারে অপপ্রচার চালাতো। তাদের গবেষণকগণই যখন পেপারটাকে ভুয়া বলেছেন ও ভ্যালিডিটি নষ্ট হয়ে গেছে - ওটাকে নিচের দিকে নামিয়ে দিয়েছে।
ঙ) তিনি বার বার ২২০ টা পেপারের কথা জোরে সোরে বলেছেন। তিনি এটাও জানেন না, একটা রিভিউয়ের শুরুতে বিষয়গত সার্চে একটা রিভিউ এমনকি ২০,০০০ পেপার নিয়েও অহরহই শুরু হয়। কিন্তু এরপর তাকে ফিল্টার করতে করতে সেখান থেকে এমনকি মাত্র ২০-২৫টা পেপার নিয়ে রিভিউ করতে হয়। এই পেপারে আসলে ফাইনালইজড পেপার গ্রহণ করা হয়েছে মাত্র ৮ টি। অর্থাৎ মাত্র ৮টি পেপারকে এনালাইসিস করে শ্যাঙ এট এলে গবেষণা সাজানো হয়েছিলো।
চ) এবং সেই ৮টি পেপারে আসার যে বাছাইপ্রক্রিয়া বা ইনক্লুসন মেথড তৈরি করা হয়েছিলো - সেটা স্রেফ একটা বাটপারি এবং এটা আমার কথা নয়; এই গবেষণা যারা (হোমিওপ্যাথির বাইরে) রিভিউ করেছেন তাদের কথা।
এতগুলো তথ্যের একটা তথ্যও কি আমাদের কম্যুনিটি জানেন না? পোস্টদাতা জানবে না, এটা স্বাভাবিক। সে জানতেই চায়নি, একটা রেফারেন্স পেয়ে হামলে পড়েছে। এজন্যই তাকে স্টুডেন্ট মনে হয়েছে। স্টুডেন্ট অবস্থায় হওয়া নও-বিজ্ঞানীদের মধ্যেই এ ধরনের প্রবণতা দেখা যায়।
কেবল তাই নয়! পোস্টদাতা কী একমাত্র তিনিই জানেন যে, বইপত্র একটা গ্রে-লিটারেচার! কিন্তু বইতে যদি রিসার্চ পেপার, কিংবা রেফারেন্স লেখা থাকে তখন সেটা বিবলিওগ্রাফি হতে পারে! তিনি যে পিয়ার-রিভিউড সায়েন্টিফিক জার্নালে প্রকাশিত পেপার দেখাতে বলছেন- সেটাও তো একটা সময় বই ফর্মেই ছিলো! আমার বই “হোমিওপ্যাথির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি” সম্বন্ধে উল্লেখ করার পরও তার যে অনুসন্ধিৎসাহীনতা দেখলাম, সিদ্ধান্তে আসতে বাধ্য হয়েছি - তিনি আসলে জানতে চান না। চোখ-কান বুঁজে বিরোধিতা করতে চান। অথবা, বইপত্রের সাথে তার সম্পর্ক আশঙ্কাজনক রকমে কম।
তাকে আমাদের লোকজন বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে বোঝাতে গিয়েছেন। একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত অজ্ঞতা এতটা গুরুত্বপূর্ণ কেন হয়ে উঠলো আমি জানি না। দরকারও নেই। গ্লোবাল হোমিওপ্যাথি যে লেভেলে কাজ করছে- এদের দেখার সময় আমাদের নেই। কিন্তু আমাদের কম্যুনিটিকে আমাদের দেখতে হবে এবং এজন্য আমাদের কম্যুনিটির প্রতি আরো কিছু কথা বলছি:
একজন কমেন্ট করেছেন “Effectless mone hole apnii Germany Schwabe company r jenkuno ekta medichine 200 potency 15 days khaben.then placebo effect boilen. ”
তাকে আমার প্রশ্ন - আপনি কিভাবে জানলেন, ওটা এভাবে খেলে কিছু হবে? ব্যক্তি ঔষধটির প্রতি সংবেদনশীল না হলে, ওটা ১ গ্লাস খেলেও কিছু হবে না। এভাবে অজ্ঞতাসুলভ চ্যালেঞ্জ দিয়ে আপনি তার মনোভাব পরিবর্তন করে ফেলবেন? তিনি যদি পরীক্ষা করেন এবং সংবেদনশীল না হন- আমাদেরই তো লজ্জায় পড়তে হবে!
আমাদের বহুজন তাকে নিজেদের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতে গিয়েছেন। তিনি চাইলে আপনাকে পুরো আফ্রিকা এনে দেখিয়ে দেবে যে, ঝাঁড়ফুঁক-তুকতাক করে কত হাজার মানুষ ভালো হয়েছে এবং হচ্ছে! এবার কি তাহলে ওটাকে আমরা বিজ্ঞান বলবো? আপনার যুক্তি তো সেদিকেই ইঙ্গিত করছে! ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বিরূদ্ধে অর্গাননে আমাদের আবিষ্কর্তা হ্যানিমান সুস্পষ্টভাবে কথা বলে গেছেন। আপনার অভিজ্ঞতা যতক্ষণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মোতাবেক যাচাই-বাছাই না হবে - তার চার-আনা পয়সারও দাম নেই। অভিজ্ঞতা - কেমন হতে হবে সেটা নিয়ে হ্যানিমান একটা পৃথক আলোচনাই প্রদান করেছেন। আর সেটার গুরুত্ব অনুধাবন করেই এদেশে হোমিওডাইজেস্ট রিসার্চ ফ্যাকাল্টি প্রস্তুত করে, ফ্রি গবেষণা শেখার সুযোগ করে রেখেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় - এই একটা আজাইরা পোস্টের কমেন্টবক্সে যে ভীড়টা হয়, আমাদের ডরমেটরিতে সেই ভীড়টা হয় না।
বহুজনের বক্তব্যে কেবল দেখতে পেয়েছি- আমাদের অনেক গবেষণা আছে, বহু গবেষণা আছে, অমুকটা নিয়ে কাজ হয়েছে, তমুকটা নিয়ে কাজ হয়েছে, অমুক এঙ্গেল থেকে গবেষণাপত্র... ইত্যাদি ইত্যাদি। এই যুগে রেফারেন্স ছাড়া এই কথাকে যে কেউ চাপাবাজি ছাড়া আর কিছু বলে বিবেচনা করবে না। অন্তত বিজ্ঞান-জগতের কেউ তো নয়ই! ভেতরে ভেতরে সবাই প্রশ্ন করবে - তুমি একটা বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের উত্তর দিতে এসেছো এবং ঘর ভরিয়ে ফেলছো আছে আছে বলে, তো একটা দেখাও না কেন? দেখাতে তো পয়সাও লাগে না!
হ্যা, পয়সা লাগে না কিন্তু যোগ্যতা লাগে। আপনারা কমেন্টবক্সে নিজেদের কী যোগ্যতার পরিচয় রেখেছেন একবার ভেবে দেখুন।
ঐ পোস্টদাতাকেই আর কী বলবো? আমার ”হোমিওপ্যাথির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি”, যার পৃষ্ঠাসংখ্যা ও মূল্য হাজারের উপরে, এবং উপরের আলোচনা-সহ আরো বহু বহু বহু সংখ্যক বিষয়, দিক, প্রশ্ন ও উত্তর দিয়ে, যা অকাট্য রেফারেন্সে সজ্জিত এবং হাজার হাজার গবেষণার লিংক সাজিয়ে রচনা করেছিলাম এই উদ্দেশ্যে, যাতে আমাদের কর্তৃপক্ষ হোমিওপ্যাথির সঠিক স্ট্যাটাসটা জানতে পারেন, আমাদের হোমিওপ্যাথদের হাতে প্রতিটি মুহুর্তে সমস্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য, প্রমাণ ও যুক্তি সহ কড়া জবাব রেডি থাকে। ৫০,০০০ টাকার চাইতেও বেশি মূল্যমানের বই তৎকালীন হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের প্রতিটি সদস্য-সহ, একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথির নেতৃস্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট প্রায় সমস্ত ব্যক্তিবর্গকে আমরা প্রদান করি। আমার ধারণা, তারা কোনোদিন তার একটা পৃষ্ঠাও পড়ে দেখেননি। আর আমাদের কম্যুনিটি কী রেসপন্স করেছে- সেটার চিত্র এই পোস্টদাতার কমেন্ট-বক্সেই ফুটে উঠেছে।
এটাও দেখেছি আমাদের কেউ একজন তাকে মলিকিউলের পরিমাণ নিয়ে বিরাট হিসাব-নিকাশ বুঝিয়ে দিচ্ছেন। এমন ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছেন - যিনি পেপার ছাড়া সরলতম কথাও গ্রহণ করতে নারাজ, অথচ বিজ্ঞান সম্বন্ধে যার জ্ঞান খুবই ভাসা ভাসা। তিনি যে রেফারেন্স আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন, এগুলো আমরাই তাদের যুক্তি ও তাতে থাকা দুর্বলতা দেখিয়ে দিতে ব্যবহার করি। আমার চলমান কাজ থেকেই কয়েকটা লাইন তুলে দিচ্ছি:
Randomized controlled trials and systematic meta-analyses have yielded inconsistent and contested results, while the absence of a mechanistically coherent explanatory model has led mainstream biomedical science to largely dismiss homeopathy as implausible or as a sophisticated placebo effect (Shang et al., 2005; Ernst, 2010). This critique, though powerful within a strictly materialist-reductionist paradigm, may itself reflect a conceptual limitation: the assumption that the only legitimate mechanisms of biological action are those mediated by discrete molecular interactions. The foundational question, therefore, is not merely empirical but deeply theoretical — what kind of ontological and physical framework would be required to render Hahnemann's claims scientifically coherent?
পোস্টদাতা ওরকম দুর্বল-গোছের আরেকটা পেপারের রেফারেন্স এখানে পেয়েও উপকৃত হবেন। এবং কেন এভোগ্রাডো লিমিট চিন্তার বিষয়ই নয়, তা আলোচনা করেছি:
The argument from the Avogadro limit, in other words, succeeds as a refutation of homeopathy only on the prior assumption that molecular pharmacology exhausts the repertoire of physically plausible biological mechanisms — an assumption that the present paper directly challenges.
আমি পোস্টদাতাকে রেফারেন্স দিয়ে বোঝাতে যাবো না। সেটা আমার বইটিতে আমি যথেষ্ট পরিমাণে দিয়ে রেখেছি। বিজ্ঞান শব্দটা যেহেতু তিনি তার ঠোটের আগায় নিয়েছেন- এখন সম্পূর্ণরূপে তার নিজের দায়িত্ব এ ব্যাপারে থাকা সত্যকে খুঁজে বের করা। তার স্টাডি করার আগ্রহ না থাকলে, তিনি কানা বৈজ্ঞানিক হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাবেন একটা সময়- তাতে আমার কী আসে যায়!
একজনের একটা চ্যালেঞ্জ খুব মজা লেগেছে। সমান সংখ্যক রোগী নিয়ে ট্রায়ালের চ্যালেঞ্জ করেছেন। ভালো লেগেছে। তবে একটা মজার তথ্য দিচ্ছি, আমার মেন্টর ডা. মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর নিকট থেকে শোনা। তার একজন বন্ধুগোত্রীয় এলোপ্যাথিক ফিজিশিয়ান, বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপকদের একজন (যার নামও আমার মনে আছে), তার ছাত্রাবস্থায় একটা স্কলারশিপের ভাইবা বোর্ডে প্রশ্নকর্তাগণ (হোমিওপ্যাথির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব আছে শুনে) - ‘হোমিওপ্যাথি কাজ করে কীনা সেটা কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়’ জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এবং তিনি ঠিক এই উত্তরটিই দিয়েছিলেন। অবশ্য তাতে সম্পূর্ণ যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও স্কলারশিপটা তার ক্যান্সেল হয়ে যায়। পরে অবশ্য নিজের উদ্যোগে অন্য একটা স্কলারশিপ ব্যবস্থা করেন। আমার আরেকজন মেন্টর ও শিক্ষক প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস - জেমস র্যান্ডির ১ মিলিয়ন ডলার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ঠিক এই ব্যবস্থাপনাটাই করেছিলেন।
আর যারা পোস্টে বহুরকম উপদেশ দিয়েছেন, গালাগালি করেছেন, কোরআন স্টাডি করতে বলেছেন, হরেক কিসিমের যুক্তি দিয়েছেন, লজ্জা দেবার চেষ্টা করেছেন, কাকুতি-মিনতি করেছেন - এগুলোর কথা আর কী বলবো! এগুলো করে আদতে অক্ষমেরা। কিন্তু হোমিওপ্যাথি অক্ষম নয়। সমস্যা হচ্ছে, আমরা সচেতন নই। যে যাই করেছেন -তাদের নিজেদের হোমিওপ্যাথির প্রতি ভালোবাসার জায়গা থেকে করেছেন - সেটা জানি। কিন্তু অজ্ঞতা দিয়ে অজ্ঞতাকে রোধ করা যায় না। তাকে পরাজিত করতে হয় জ্ঞান দিয়ে। আমরা যদি অজ্ঞ থাকি, তাহলে এরকম হাস্যকর পোস্টে আমাদের বহুলোকের অযথা এনার্জি ক্ষয়ই কেবল সার হবে; কাজের কাজ কিছুই হবে না।
Dr. Shaheen Mahmud
Research Head, Homeodigest Research Faculty
Research Fellow, IACH, Greece
#হোমিওপ্যাথি #প্লাসিবো #মুর্তজা_শাহরিয়ার #তাহসান_রহমান_ইমরান