Dr. Mubasshira Khatun

Dr. Mubasshira Khatun You can get free consultation from this page.

আমাদের পেজ থেকে আপনি আপনার ব্যক্তিগত সকল ধরণের সমস্যার সমাধান পাবেন। পরামর্শ এবং সমাধানের জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব ।
জীবনকে সুন্দর ও সুখময় করে তোলার জন্য জানা অজানা অনেক কিছু আমাদের পেজে তুলে ধরা হয়।
কিছুটা হলেও শিক্ষনীয় অথবা উপকারী মনে হলে, শেয়ার দিয়ে আপনার বন্ধুদেরও জানিয়ে দিবেন আশা রাখি এবং পেইজে লাইক করুন।।
ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন । আনন্দময় হোক আপনার প্রতিটি মুহূর্ত

সংকোচ ভেঙ্গে সচেতন হোন 📢 ⚠️জরায়ু ক্যান্সারের রোগী দেশে হু হু করে বাড়ছে। বাংলাদেশেও এটি মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগগুলোর তা...
11/11/2022

সংকোচ ভেঙ্গে সচেতন হোন 📢 ⚠️

জরায়ু ক্যান্সারের রোগী দেশে হু হু করে বাড়ছে। বাংলাদেশেও এটি মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগগুলোর তালিকায় রয়েছে। আমাদের দেশের অনেক নারীই জানেন না, বিনামূল্যে জরায়ু মুখের পরীক্ষা করানো যায়। সব সদর হাসপাতালে এবং সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ সেবা পাওয়া যায়। বয়স ত্রিশ পার হলে কোনো লক্ষণ ছাড়াই জরায়ু মুখ পরীক্ষা করানো উচিত। ক্যান্সার শুধু নিজেকে নয়, একটি পরিবারকে পথে বসিয়ে দেয়। আশার কথা পূর্ব লক্ষণ ধরা পড়লে ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ওষুধ-কনডম ছাড়াই কিভাবে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব ! বিবাহিত দম্পতিরা জেনে রাখুনওষুধ-কনডম ছাড়াইওষুধ সেবন, কিংবা কনডমসহ জন্ম...
11/11/2022

ওষুধ-কনডম ছাড়াই কিভাবে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব ! বিবাহিত দম্পতিরা জেনে রাখুন
ওষুধ-কনডম ছাড়াই
ওষুধ সেবন, কিংবা কনডমসহ জন্ম নিয়ন্ত্রণের আধুনিক যেকোন পদ্ধতি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে জম্ম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটি ভালভাবে জানা থাকলে এর জন্য কোন চিকিৎসকের কাছে যাওয়ারও দরকার হয় না।মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র (Menstrual cycle) প্রাকৃতিকভাবে নির্ধারিত। এতে এমন কিছু দিন আছে যা নিরাপদ দিবস (Safe period) হিসেবে ধরা হয়। এই দিবস গুলোতে স্বামী-স্ত্রীর মিলনের ফলে স্ত্রীর সন্তান সম্ভবা হবে না।
এই নিরাপদ দিনগুলো প্রকৃতিগতভাবেই নির্দিষ্ট। তাই একে প্রাকৃতিকপরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বলা হয়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এটাকে অনেক সময় ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলাহয়।
এ পদ্ধতি কার্যকর করতে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনার স্ত্রীর ঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোনগুলো। এ জন্য সবার আগে জানা চাই তার মাসিক নিয়মিত হয় কিনা, হলে তা কতদিন পরপর হয়।
এবার সবচেয়ে কম যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ওই দিনটিই হলো প্রথম নিরাপদদিন।
আবার আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে বেশি যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১০ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ঐ দিনটিই হলো শেষ নিরাপদ দিন।
ধরুন, আপনার স্ত্রীর মাসিক ২৮ থেকে ৩০ দিন পরপর হয়। তাহলে ২৮-১৮=১০, অর্থাৎ মাসিকের শুরুর পর থেকে প্রথম ৯ দিন আপনার জন্য নিরাপদ দিবস, এই দিন গুলোতে অন্য কোনো পদ্ধতি ছাড়াই সঙ্গম করা যাবে।
২১ তম দিবস থেকে আপনি আবার অবাধ সঙ্গম করতে পারবেন। তাতে সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা নাই। তবে এই উদাহরণে শুধু ১০ ম থেকে ২০ ম দিবস পর্যন্ত আপনি অবাধ সঙ্গম করলে আপনার স্ত্রীর গর্ভধারণ করার সম্ভাবনা আছে।
উপরে যেভাবে বলা হয়েছে, তাতে অনেকের কাছে জটিল মনে হতে পারে। তবে হিসাবের জন্য খুব সহজ পদ্ধতি হল, মাসিক শুরুর পর ১ম ৭ দিন আর মাসিক শুরুর আগের ৭ দিন অবাধ সঙ্গম করা নিরাপদ। মানে, এই সময় মিলন করলে সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা নাই।
জেনে রাখা ভালো অনিয়মিতভাবে মাসিক হবার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কার্যকর নয়। এছাড়া প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ৮০% নিরাপদ, বা এর সাফল্যের হার শতকরা ৮০ ভাগ।
সাধারণত মাসিকের হিসেবে গণ্ডোগোল করে ফেলা, অনিরাপদ দিবসেও মিলনের সুযোগ নেয়া বা ঝুঁকি নেয়া, অনিয়মিত মাসিক হওয়া ইত্যাদি কারণে এই পদ্ধতি ব্যর্থ হতে পারে।

দীর্ঘ মেয়াদি তলপেটে ব্যথার বিষয়ে তথ্য ও করনীয়।অনেক মা-বোন আছেন যাদের প্রায় সময়ই দেখা যায় তলপেটে ব্যথা। ব্যথার কারণে স্বা...
19/05/2022

দীর্ঘ মেয়াদি তলপেটে ব্যথার বিষয়ে তথ্য ও করনীয়।
অনেক মা-বোন আছেন যাদের প্রায় সময়ই দেখা যায় তলপেটে ব্যথা। ব্যথার কারণে স্বাভাবিক কাজকর্ম এবং জীবন যাপনে সমস্যার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় ওষুধ না খাওয়া পর্যন্ত এই ব্যথা ভালো হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই এই ব্যথা এত তীব্র মাত্রায় হয় যে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। দীর্ঘ মেয়াদি এই ব্যথার কারণে রোগীর খাবার দাবার গ্রহণেও অনীহা জন্মে। ফলে দেখা যায় এ ধরনের কোনো কোনো রোগী রক্তস্বল্পতা এবং দুর্বলতায় ভোগেন। অনেক সময় তলপেটের এই ব্যথার সাথে থাকে প্রস্রাবের সমস্যা, মাসিকের সময় তলপেটের ব্যথা বেড়ে যাওয়া, কারো আবার অতিরিক্ত পরিমাণে মাসিকের সময় রক্ত যাওয়া, যাতে রোগী দুর্বল হয়ে পড়েন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাসিকের সমস্যা ছাড়াও অতিরিক্ত স্রাব যাওয়ার সমস্যাও দেখা যায়। কারো ক্ষেত্রে সেটা আবার দুর্গন্ধযুক্তও হতে পারে। কোনো কোনো রোগী বলে থাকেন কোমরে ব্যথা, হাতে পায়ে দুর্বল লাগা এবং নানা রকম শারীরিক সমস্যার কথা। মোটকথা স্বাভাবিক জীবন যাপনের ক্ষেত্রে এ ধরনের সমস্যাগুলো যারপর নেই সমস্যার সৃষ্টি করে। এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করতে গেলে গাইনোকোলোজিক্যাল কিছু কারণ তো আছেই। সাথে আপনার হাড়জনিত কোনো সমস্যা, খাদ্যনালীর কোনো সমস্যা আছে কি না সেটাও খতিয়ে দেখতে হবে। প্রস্রাবের সমস্যা যেমন- বার বার প্রস্রাব হওয়া যেটা পরিমাণে অনেক সময় কম। একবার প্রস্রাব শেষ করলেও মনে হয় প্রস্রাবের বেগ পুনরায় অনুভব হওয়া, জালাপোড়াসহ নানা ধরনের প্রস্রাবের সমস্যাও এই তলপেটের দীর্ঘ মেয়াদি ব্যথার কারণ হতে পারে। অনেক সময় রোগী বলেন ‘যত দিন ওষুধ খাই ততদিন ভালো থাকি’। কিছুদিন পর আবার যা আগে ছিল ঠিক সে রকম ব্যথা শুরু হয়। অনেকে আবার হতাশ হয়ে যান। কেউ কেউ মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েন। কেউ কেউ স্বামীসহবাসের সময়ও ব্যথা অনুভব করেন। অনেক সময় এসব রোগী ব্যথার সাথে স্বাভাবিক কাজকর্মে দুর্বলতা অনুভব, মাথা ব্যথা, কোমরে, পিঠে, হাত-পায়ে। শক্তি না পাওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন রকমের সমস্যায় ভোগেন। কারো স্বাস্থ্যের অবনতিও লক্ষ্য করা যায়।
এরকম কোনো সমস্যা যদি আপনার থাকে তবে এ কথা নিশ্চিত করে বলা যায়, আপনি চিকিৎকের শরণাপন্ন হয়েছেন ব্যথার জন্য। কিন্তু আপনার জন্য তথ্য হলো ধৈর্য্য ধরে চিকিৎসা করতে হবে। চিকিৎসক আপনাকে কয়েক ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা দিতে পারেন রোগটিকে শনাক্ত করার জন্য। কারণ এ ধরনের সমস্যার কারণ কিন্তু বেশ কয়েকটি এবং সে ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু পরীক্ষা -নিরীক্ষার প্রয়োজন পড়ে। যেমন-তলপেটের আলট্রাসনোগ্রাম, প্রস্রাবের পরীক্ষা, যদি প্রস্রাবের কোনো উপসর্গ থাকে। এ ছাড়া রুটিন মাফিকও প্রস্রাবের পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। দুর্বলতা অনুভব করলে চিকিৎসক আপনার রক্তের হিমোগ্লোবিন টেস্ট দিতে পারেন। যদি কোমরে ব্যথা থাকে এবং হাড়ের সমস্যা থাকে তবে চিকিৎসক আপনাকে প্রয়োজন অনুসারে এক্স-রে করতে বলতে পারেন। সে যাই হোক না কেনো পরীক্ষা নিরীক্ষা সাথে সাথে আপনার ওষুধপত্র যেটা চিকিৎসক দেবেন সেটা গ্রহণ করবেন। যদি জীবন যাত্রার ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনতে হয় সে ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই মনোযোগের সাথে সেটা অনুসরণ করতে হবে। যেমন- কোমরে ব্যথার জন্য অনেক সময় চিকিৎসক কিছু ওষুধপত্রসহ হাঁটা-চলা, ওজন বহন এসব ক্ষেত্রে নিয়মকানুন দিয়ে থাকেন। সেগুলো অনুসরণ না করে শুধুমাত্র ওষুধ খেলে কিন্তু আপনি পুরোপুরি সুস্থ হবেন না। প্রস্রাবের সমস্যার ক্ষেত্রে ঐ একই কথা। মাসিকের সময়ও আপনাকে অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। চেষ্টা করবেন মাসিকের সময় পরিষ্কার কোনো কাপড় কিংবা স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করতে।৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পর আপনার স্যানিটারি ন্যাপকিনটি চেঞ্জ করবেন। পর্যাপ্ত পানি খাবেন। এর পরও যদি আপনার তলপেটে ব্যথা যা আপনাকে বার বার কষ্ট দিতে থাকে এরকম কিছু হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন। আপনার কথাগুলো চিকিৎসককে খুলে বলবেন। প্রয়োজনে নোট করে নিয়ে যাবেন। মনে রাখবেন চিকিৎসার পাশাপাশি সুস্থ জীবন যাপনের নিয়মকানুন, সঠিক খাদ্যগ্রহণ, বিশ্রাম গ্রহণ এবং আপনার সুস্থ মনমানসিকতা আপনকে আজীবন সতেজ ও কর্মম রাখবে। এই বিষয়ে তথ্য ও ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহিত।

ERECTILE DYSFUNCTION------------------------------------------লিংগ উত্থান জনিত সমস্যায় (Erectile dysfunction) ৪০ বছরের উ...
19/05/2022

ERECTILE DYSFUNCTION
------------------------------------------
লিংগ উত্থান জনিত সমস্যায় (Erectile dysfunction) ৪০ বছরের উপরে প্রায় ৪০ শতাংশ পুরুষ ভূগে থাকেন। দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা আশংকাজনক হারে বাড়ছে।
সময়মত সঠিক চিকিৎসা নিলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাই লজ্জা বা সংকোচ না করে সময়মত সঠিক চিকিৎসা নিন।

কিডনি ও মূত্রতন্ত্র
19/05/2022

কিডনি ও মূত্রতন্ত্র

👉আসসালামু আলাইকুম👈👉যেসব যৌ*ন সমস্যা অবহেলা করবেন না❎মানব সভ্যতা টিকে থাকার পিছনে যৌ*নজীবনের গুরুত্ব রয়েছে। সাধারণত শারীর...
07/09/2021

👉আসসালামু আলাইকুম👈
👉যেসব যৌ*ন সমস্যা অবহেলা করবেন না❎
মানব সভ্যতা টিকে থাকার পিছনে যৌ*নজীবনের গুরুত্ব রয়েছে। সাধারণত শারীরিক ও মানসিক সুখের আশায় পুরুষ নারীর সঙ্গ চায়, সহ*বাসে লিপ্ত হয়। কিন্তু সুখের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে যৌ*ন সমস্যা। ব্যক্তিভেদে সহ*বাসের অভিজ্ঞতা ভিন্ন হতে পারে- কেউ সুখ পেতে পারে, কেউ হতে পারে অসুখী। এই অসুখী বা অতৃপ্ত হওয়ার কারণ যৌ*ন সমস্যা। অনেকে মাসের পর মাস অথবা বছরের পর বছর যৌ*ন সমস্যায় ভুগলেও চিকিৎসকের কাছে যান না লজ্জায় বা ভয়ে। কিন্তু এটি অবহেলা করা উচিত নয়। যৌ*ন সমস্যা সমাধানের উপায় নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব।
✋সহ*বাসের সময় জ্বালাপোড়াঃ ভেস্টিবিউলোডাইনিয়া হলো সাধারণ একটি সমস্যা। এ অবস্থায় যৌ*নমিলনের সময় যো*নিমুখে জ্বালাপোড়ার মতো ব্যথা অনুভূত হয়। প্রায় সময়ই ভ্যা*জাইনার গভীরে নয়, বরং ভ্যা*জাইনার ভেস্টিবিউল অংশে পে*নিস প্রবেশ করলেই ব্যথা অনুভব হয়। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ লিসা এম. ভেলি বলেন, ‘ভেস্টিবিউলোডাইনিয়ার সাবটাইপ রয়েছে। তাই যৌ*ন সমস্যার বিস্তারিত ইতিহাস, দৃষ্টিলব্ধ পরীক্ষা, পেলভিক ফ্লোরের পেশি ও অস্থি সংক্রান্ত পরীক্ষা ও নিউরোসেন্সরি টেস্টিংয়ের মাধ্যমে এ সমস্যার প্রকৃত ধরন শনাক্ত করে চিকিৎসা করতে হবে।’
সহবাসের সময় প্রচণ্ড ব্যথাঃ
যন্ত্রণাদায়ক যৌ*নমিলনের মেডিক্যাল টার্ম হলো ডিসপারিউনিয়া। নারী ও পুরুষ উভয়েই সহ*বাসের সময় ব্যথায় ভুগতে পারেন, কিন্তু পুরুষদের তুলনায় নারীদের ডিসপারিউনিয়া বেশি হয়। ‘মাই হাসবেন্ড ওন্ট হ্যাভ সে*ক্স উইথ মি’র লেখক, ক্লিনিক্যাল সে*ক্সোলজিস্ট ও রিলেশনশিপ এক্সপার্ট ডন মাইকেল বলেন, ‘শারীরিক ও মনস্তাত্ত্বিক উভয় ধরনের ফ্যাক্টর দ্বারা ডিসপারিউনিয়া হতে পারে।’ এ ধরনের সমস্যায় নারী-পুরুষের সম্পর্ক ছিন্ন হতে পারে। ‘গেটিং দ্য সে*ক্স ইউ ওয়ান্ট’র লেখক ও সে*ক্স থেরাপিস্ট টামি নেলসন বলেন, ‘সহ*বাসের সময় ব্যথা উপশম করতে সিলিকন-বেসড লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করুন এবং অ্যান্টিহিস্টামিনের ব্যবহার কমিয়ে ফেলুন, কারণ এ ওষুধ ভ্যা*জাইনার টিস্যু শুষ্ক করতে পারে। তারপরও ব্যথা অনুভূত হলে গাইনিকোলজিস্ট বা ইউরোলজিস্টের কাছে যেতে দেরি করবেন না।’
অকালে বী*র্যপাতঃ
শরীর থেকে বী*র্য বের হওয়াকে ইজাকুলেশন বলে। যৌ*নমিলনে বেশি সময় ধরে তৃপ্তি পেতে প্রত্যেক পুরুষই চাই ইজাকুলেশন দেরিতে হোক। কিন্তু অনেক পুরুষের এই চাওয়া পূরণ হয় না। অনেক পুরুষের স্বাভাবিক সময়ের পূর্বেই ইজাকুলেশন হয়ে যায়- এ সমস্যাকে বলে প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন বা অকালে বী*র্যস্খলন। প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশনের ক্ষেত্রে পে*নিস ভ্যা*জাইনাতে প্রবেশের পূর্বে অথবা প্রবেশ করামাত্র বী*র্যপাত হয়। ডা. নেলসন বলেন, ‘এটা মনে রাখবেন যে অধিকাংশ পুরুষ যৌ*নমিলনের সময় গড়ে চার মিনিট পর্যন্ত বী*র্য ধরে রাখতে পারে, তাই আপনার বী*র্যস্খলন এর কাছাকাছি সময়ে হলে দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই, আপনি সম্ভবত স্বাভাবিক রেঞ্জে আছেন।’ কিন্তু প্রতিনিয়ত উত্তেজিত হওয়ামাত্র বী*র্যপাত হয়ে গেলে একজন সে*ক্স থেরাপিস্টের কাছে যান। যেসব পুরুষের অকালে বী*র্যস্খলন হয় তারা কেজেল এক্সারসাইজ থেকে উপকার পেতে পারেন।
ভ্যা*জাইনার শুষ্কতা :
অধিকাংশ নারী এ যৌ*ন সমস্যাটিকে অমীমাংসিত রেখে দেন। ডা. ভেলি বলেন, ‘স্তন্যপান করানো, ঋতুবন্ধের পূর্বে হরমোনগত পরিবর্তন অথবা ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে ভ্যা*জাইনা শুষ্ক হতে পারে। যেসব নারী বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ান, তাদের ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমে যায়- এটি ভ্যাজাইনার পিচ্ছিলতা হ্রাস করে। ঋতুবন্ধের কাছাকাছি সময়ে হরমোনগত পরিবর্তনও পিচ্ছিলতা কমিয়ে ফেলে এবং ভ্যাজাইনার টিস্যুকে পাতলা করে।’ ভ্যাজাইনার শুষ্কতায় লুব্রিকেন্ট ও ময়েশ্চারাইজার সহায়ক হতে পারে।
যৌন সমস্যার যেকোনো ধরনের সমাধান পেতে জয়েন করুন পাবলিক হেল্প গ্রুপে👇👇👇
👉যৌন সমস্যার সঠিক সমাধান ও (হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার উপায়) 👈
গভীর স*ঙ্গমে ব্যথাঃ
সহ*বাসের সময় জ*রায়ুমুখে পে*নিস হিট করলে এ ধরনের ব্যথা হয় এবং এ সমস্যাটি কিছু সে*ক্স পজিশনে বেশ কমন (যেমন- পেছন থেকে স*হবাস করা), বলেন ডা. মাইকেল। তিনি আরো বলেন, ‘মাসিক চক্রের সময় জ*রায়ুমুখ আরো স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে, শুষ্ক ভ্যা*জাইনার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা হয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি এটাকে সার্ভিক্স বাম্প হিসেবে রেফার করি- কখনো কখনো উত্তেজনা ও সে*ক্স পজিশনের ওপর ভিত্তি করে ভালো অনুভব হতে পারে, কিন্তু অন্যান্য সময় তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়।’ ডা. মাইকেল ব্যথা ছাড়াই সর্বোচ্চ যৌ*নসুখ পেতে সঙ্গীর সঙ্গে সে*ক্স পজিশন অ্যাজাস্ট করতে পরামর্শ দিচ্ছেন।
এন্ডোমেট্রিয়োসিস : সহ*বাসের সময় পেলভিসের গভীরে ব্যথা হতে পারে এন্ডোমেট্রিয়োসিসের অন্যতম লক্ষণ। আমরা জানি যে জ*রায়ুর ভেতরের স্তরে এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যু বিকশিত হয়, কিন্তু কোনো কারণে এ টিস্যু জরায়ুর বাইরে বিকশিত হলে তাকে এন্ডোমেট্রিয়োসিস বলে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট ওমেন’স হেলথের উপাত্ত অনুযায়ী, সে দেশে আনুমানিক ১১ শতাংশ নারীর এন্ডোমেট্রিয়োসিস রয়েছে।
পিআইডি : পেলভিসের গভীরে ব্যথার আরেকটি সম্ভাব্য কারণ হলো পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (পিআইডি) বা পেলভিসে প্রদাহজনিত রোগ। লাইসেন্সড প্রফেশনাল কাউন্সেলর ওয়েন্ডি এল ডামব্রোফ বলেন, ‘পিআইডি হলো জ*রায়ু ও ডিম্বনালির একটি ইনফেকশন, যা প্রায়সময় যৌ*নবাহিত ইনফেকশনের জীবাণু দ্বারা হয়ে থাকে, শুধু তাই নয় অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া দ্বারাও এ রোগ হতে পারে। চিকিৎসা করা না হলে পিআইডি ইক্টোপিক প্রেগন্যান্সি বা ডিম্বনালিতে গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানে অক্ষমতার কারণ হতে পারে, কারণ এ রোগে ডিম্বনালির ভেতর ও বাইরে স্কার টিস্যু জমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়, যার ফলে ডিম্বনালি অতিক্রম করে জ*রায়ুতে পৌঁছতে পারে না।’
কোন সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সুস্থ থাকুন।
✋জনগনের কল্যাণে পোস্ট টি শেয়ার করে অন্যদের জানিয়ে দিন প্লিজ।✅
পোস্ট টা কেমন লাগলো তা বলুন কমেন্টে👇
ধন্যবাদ সবাইকে।

পাছার অতিরিক্ত মেদ কমানোর উপায় কি??আমাদের দেশের কিছু কিছু মেয়েরা তাদের একটা বিষয় নিয়ে লজ্জায় পড়তে হচ্ছে এবং সবার মুখোমু...
27/05/2021

পাছার অতিরিক্ত মেদ কমানোর উপায় কি??
আমাদের দেশের কিছু কিছু মেয়েরা তাদের একটা বিষয় নিয়ে লজ্জায় পড়তে হচ্ছে এবং সবার মুখোমুখি হতে হয় নিতম্ব কিংবা উরুতে জমা মেদ এর কারণে।
অনেকেই আবার পুরো শরীর জুড়ে ফিটফাট থেকেও এই একদিকে বাড়তি মেদের জন্য পছন্দমতো পোশাক বাছাই করতে পারেন না। অন্যসব জায়গার মেদ কমানোর মতোই ব্যায়ামই এই নিতম্ব কিংবা উরুর মেদ কমার সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়। তবে সব ধরণের ব্যায়াম শরীরের সব অংশের জন্য উপযোগী নয়। তাই ঠিক নিতম্বের মেদ কমানোতে কার্যকরী তিন ব্যায়ামের কথা জেনে নিন

* নরমাল ডেলিভারির সময় সাইড কাটা ( ইপিসিওটমি)  নিয়ে অনেকই ভয় পান।তারা ভাবে সাইড কাটার চেয়ে সিজার করাই ভালো। #আসুন আজ জেনে...
26/05/2021

* নরমাল ডেলিভারির সময় সাইড কাটা ( ইপিসিওটমি) নিয়ে অনেকই ভয় পান।তারা ভাবে সাইড কাটার চেয়ে সিজার করাই ভালো।
#আসুন আজ জেনে নেই আসলে ইপিসিওটমি টা কি?
* নরমাল ডেলিভারির সময় যদি মায়ের যোনিপথের স্পেসের চেয়ে বাচ্চার মাথা বড় হয় তখন জায়গা বাড়ানোর জন্য যোনিপথে একটু কাটাই হচ্ছে ইপিসিওটমি বা সাইড কাটা।
#সব নরমাল ডেলিভারির সময় কি সাইড কাটা লাগে??
* না সবনরমাল ডেলিভারির সময় সাইড কাটা লাগেনা।
#কেন সাইড কাটা হয় আর কখন লাগে??
** ডেলিভারির সময় যখন বাচ্চার মাথা বের হয়ে আসে তখন আমরা প্রথমেয় খেয়াল করি কোন রকম ছেড়া,ক্ষতবিক্ষত হওয়া ছাড়ায় বাচ্চার মাথা বের হয়ে আসবে কিনা।যখন আমরা দেখি না বাচ্চার মাথা মায়ের যোনিপথের স্পেসের চেয়ে বড়। আর সাইড না কেটে যদি আমরা ডেলিভারী করায় তাহলে চারপাশ ছিড়ে যাবে ক্ষতবিক্ষত হবে ঠিক তখনি আমরা একটু করে সাইড কেটে জায়গাটা বড় করে দেই ৷
#সাইড কাটার পরে কি সেলাই করা হয় নাকি এমনিতেই ভালো হয়ে যায়??
**সন্তান প্রসবের পরপরই এই সাইডটা এতো সুন্দর করে সেলাই দেওয়া হয়, দেড়মাস বা ৪৫ দিন পর মা খুঁজেও পাবেনা কোথায় সাইড কাটা হয়েছিল। তাই এটা নিয়ে ভয়ের কিছুই নেই ৷
#অনেকই বলে আগে তো ডেলিভারির সময় মানুষ সাইড কাটতো না তাহলে এখন কেন কাটতে হবে??
* * আসলে আগের মানুষ ঘরে অশিক্ষিত, অদক্ষ দাই দিয়ে ডেলিনারি করাতো আর তারা জানতোনা কিভাবে সাইড কাটতে হয় কখন কাটতে হয়,আর কিভাবে সেলাই দিতে হয়। আর তাদের এই না জানার জন্যই ডেলিভারির সময় এবড়োথেবড়ো হয়ে ছিরে যেত যার ফলে পরবর্তীতে মায়ের প্রসাব,পায়খানা সহ নানা রকমের সমস্যা দেখা দিত। আর ডেলিভারির পরে মায়ের অনেক বেশি রক্তক্ষরণ হতো যার ফলে অনেক মা ডেলিভারির পরেই মারা যেত।
#সাইড কাটলে পরবর্তী করণীয় কি??
** কাটা যায়গা সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও শুকনা রাখতে হবে।মা বেশিবেশি লেবু খাবে, ভিটামিন জাতীয় খাবার খাবে,পানি বেশিবেশি খাবে যেন পায়খানা ক্লিয়ার হয়। কারণ এসময় পায়খানা কষা হলে সেলাই খুলে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে
** অনেকেই মনে করে সাইড কাটলে কাটার দাগ থেকে যায়, সহবাস করতে সমস্যা হয় কিন্তু না কাজ করতে গিয়ে হাতের কোথাও একটু কেটে গেলে যেমন দাগ থাকেনা ঠিক তেমন এটারো কোন দাগ থাকেনা। আর সহবাস করতেও কোন সমস্যা হয়না।
অনেকে বলে থাকেন, সাইড কাটার চেয়ে সিজার ভাল। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কেননা, সিজার মানে পেট এর এপাশ- ওপাশ কেটে ফেলা। সেটার ভোগান্তি সারাজীবন ভুগতে হয়। সাইড কাটা এতোটাই সামান্য ব্যাপার যে পরে আর সেই কাটা বা কাটার দাগ বা সেলাইয়ের দাগ কিছুই খুঁজে পাওয়া যায় না। শুধু তাই নয়, পরবর্তীতে প্রসাব- পায়খানা বা স্বামীর সাথে মেলামেশা সহ যে কোন কাজে এই সাইড কাটা নিয়ে কোন ধরনের অস্বস্তিতে পড়তে হয় না।

বিয়ের পরে নারীদের স্তন ঝুলে যাওয়া ও বড় হয়ে যাওয়া কমানোর উপায় অতিরিক্ত ওজন, বয়স এবং সন্তান গর্ভধারনের মত নানা কারনে স...
26/05/2021

বিয়ের পরে নারীদের স্তন ঝুলে যাওয়া ও বড় হয়ে যাওয়া কমানোর উপায়

অতিরিক্ত ওজন, বয়স এবং সন্তান গর্ভধারনের মত নানা কারনে স্তন ঝুলে যায়। বুকের অস্থিসন্ধির প্রসারন এবং চামড়া স্থিতিস্থাপকতা হারানোর ফলে স্তন ঢিলে/শিথিল হয়ে যায়। ঠিক মত ফিট্ হওয়া ব্রা/বক্ষবন্ধনী, নিয়মিত ব্যয়াম করা এবং ধুমপান থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে স্তন ঢিলে হওয়া এবং ঝুলে যাওয়া থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাওয়া যায়।
ব্রা বা বক্ষবন্ধনী –
এমন ব্রা পরুন যা আপনার স্তনকে সম্পুর্ন সাপোর্ট দেয় (সঠিক ব্রা চিহ্নিত করার উপায় আগে আলোচনা করা হয়েছে)। লক্ষ্য রাখতে হবে আপনার ব্রা অবশ্যই আপনার সাথে সাবলীল ভাবে চলতে পারে – অর্থাৎ চলার সময় আপনার ব্রা লেইস যেন কাঁধ থেকে খসে না পড়ে অথবা বন্ধনি অতিরিক্ত টাইট কিংবা অতিরিক্ত লুজ না হয়। যখন ব্রা সাইজ নেবার জন্য মাপতে যাবেন – অবশ্যই খেয়াল রাখবেন আপনার পুরাতন ব্রা পরনে থাকতে হবে এবং সে অবস্থায় স্তনের ঠিক নিচে মাপ নিচ্ছেন।
ব্রেষ্ট লিপ্ট সার্জারী –
তথা স্তন উন্নতকরন অস্ত্রোপ্রচারের মাধমে ঝুলে যাওয়া স্তনকে উন্নত করা যায়। ব্রেষ্ট লিপ্ট সার্জারীর জন্য লোকাল এনেস্থেসিয়া করে অস্ত্রপ্রচার করা হয়ে থাকে সাধারনত। এ পদ্ধতিতে অতিরিক্ত ত্বক ফেলে দেয়া হয় এবং অনেকের ক্ষেত্রে নিফল/স্তন বোঁটা এবং ar**la এর স্থান পরিবর্তন করা হয়। আপনি যদি সন্তানকে স্তনদান করছেন অথবা গর্ভধারন করেছেন, সেই অবস্থায় অস্ত্রপ্রচার করা উচিৎ হবেনা।
সঠিক ব্যয়াম –
নিয়মিত সঠিক ব্যয়াম করলে আপনার পিকটোরিয়াল পেশী সুগঠিত থাকবে, যা আপনার স্তন সুঢৌল থাকার ঐচ্ছ্যিক সমর্থন জোগাবে। ফলমুল এবং তাজা সব্জির সমন্বয়ে স্বাস্থ্য সম্মত খাবার, কম চর্বিযুক্ত খাবার এবং আঁইশ যুক্ত খাবার আপনার স্বাস্থ্য ঠিক রাখবে যা স্তনের সুন্দর গঠনে ভুমিকা রাখবে। পক্ষান্তরে শরীরের ওজন বৃদ্ধিতে চামড়ার স্থিতিস্থাপকতা (টান টান ভাব) কমে যায় – যা স্তনের ঢিলে ভাব প্রকট করে।
ধূমপান ত্যাগ করুণ –
আপনি যদি ধুমপায়ী (প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ) হন তাহলে তা আজই বর্জন করুন। কারন তামাকের নিকোটিন সরাসরি বার্ধক্যকে প্রভাবিত করে এবং চামড়ার স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে যা শরীরের অন্য অংশের মত স্তনের চামড়াকেও ঢিলে করে দেয় – ফলশ্রুতি, স্তনের ঝুলে পড়া!লাইক কমেন্ট না করলে আমাদের পোস্টগুলি আপনার হোমপেজে যাবেনা

25/05/2021

সেক্স নিয়ে সেরা পোস্ট এর চেয়ে সহজ ভাবে বলা যায় না
সহবাসে সাকসেস হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
হলো forplay । আজ এবিষয়েই কথা বলছি।
ফোরপ্লে কী?
ফোরপ্লে পদ্ধতি
চলুন দেখে নেওয়া যাক।
ফোরপ্লে কী?
অনেকেই হয়তো জানেন না ফোরপ্লে কী? ফোরপ্লে হলো অর্গাজমের প্রাথমিক ধাপ। বুঝলেন না তো? অরগাসম হচ্ছে যৌন মিলনের চরমপুলকের মাঝের ধাপ অর্গাজম হলেই প্রকৃত যৌন সুখের ৭০ % পাওয়া যায় বাকি ৩০ % নারীর বীর্যপাতের(Squirting) মাধ্যমে বেশির ভাগ পুরুষ ই এটা পারে না।
যৌনমিলনের প্রাথমিক ধাপ হলো ফোরপ্লে(Foreplay) যেটা বাদ দিলে চরমপুলক সম্পূর্ণ হয় না বা যৌন মিলনের চরম তৃপ্তি লাভ হয় না।
ফোরপ্লে পদ্ধতি
একটা ছেলেই সবসময় তার পার্টনারকে উত্তেজিত করবে তা কিন্তু নয়। একটা মেয়েকেও সমানভাবে তার পার্টনারকে উত্তেজিত করা প্রয়োজন। মানে ফোরপ্লে উভয়কেই করতে হবে যৌন মিলনের সম্পূর্ণ সুখ পাওয়ার জন্য।
সবার যৌন উত্তেজনা সমান নয়। কেউ সামান্য হাগ(Hug) ও চুম্বনেই(kiss) উত্তেজিত হয়ে পড়ে আবার কারোর অনেকটা সময় লাগে উত্তেজিত হতে। তবে সে যেমনই হোক না কেন, সম্পূর্ণ যৌন তৃপ্তি পেতে সঠিকভাবে ফোরপ্লে করা প্রয়োজন।
ফোরপ্লে কিভাবে করতে হয় সে সম্পর্কিত টিপস্
যে সকল স্বামী স্ত্রী অল্প সময়েই সহবাস শেষ করে দেন, তাদের জন্য রইল কিছু কথা,
বিশেষ বিশেষ জায়গায় ২ মিনিট করে সময় দিন।
১.ঠোঁট..... ২ মিনিট
২.দুই কান.... ৪ মিনিট
৩. কপাল......২ মিনিট
৪.ঘাড়...........২ মিনিট
৫.পিঠ............ ২ মিনিট
৬.পেট..............৫মিনিট
৭.বগল.............২ মিনিট ( স্বামী স্ত্রীর রুচির উপর ছেড়ে দিন)
৮.দুই হাত.......... ৪ মিনিট
৯.দুই পা............. ৪ মিনিট
১০.নিতম্ব বা পাছা...... ৫ মিনিট
১১.ব্রেস্ট........... ৬ মিনিট
১২. যৌনি পথ......১০ মিনিট
মোট ৪৮ মিনিট সময় ধরে ফরপ্লে করুন।ফলাফল নিজে দেখুন
এটা স্বামী স্ত্রী দুইজনেই করবে।
১. প্রথমেই সরাসরি যৌন মিলন বা যৌনাঙ্গে স্পর্শ করবেন না। প্রথমে আপনার পার্টনারকে টেনে নিজের বুকে নিন এবং তাকে জড়িয়ে ধরুন। এবং তার কপালে চুম্বন করুন। তাকে এটা বিশ্বাস করান যে সে আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
২.২. এরপর আপনি তার ঠোঁটে দীর্ঘ সময় ধরে চুম্বন করুন এবং আপনার পার্টনার কেও সমানভাবে সহযোগিতা করতে বলুন। একে অপরের সাথে ভালোবাসায় মিশে যান।
৩. এরপর আপনি আপনার পার্টনারের সারা শরীরে চুম্বন করতে পারেন। তবে কয়েকটি বিশেষ জায়গা তে স্পর্শ বা চুম্বন অবশ্যই করবেন। যেমন:
কানের লতি – কানের লতি তে আলতো করে চুম্বন ও জিহ্বা দ্বারা স্পর্শ করতে পারেন। তবে ভুলেও কানের ছিদ্রে জিহ্বা দেবেন না, তাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
গলা ও ঘাড় – ফোরপ্লে পদ্ধতির মধ্যে এটি অন্যতম। আপনার পার্টনারের গলা ও ঘাড়ে আলতো চুম্বন ও জিহ্বা দ্বারা স্পর্শ করুন।
পিঠ – আপনার পার্টনারের উন্মুক্ত পিঠে ভালোবাসা পূর্ণ চুম্বন করুন।
পেট – সারা পেটে চুম্বন করুন, হাত দিয়ে পেটে হাল্কা মাসাজ করতে পারেন। তবে সবথেকে যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হলো আপনার জিহ্বা দিয়ে আপনার সঙ্গীনীর নাভির চারপাশে ও নাভির ভিতর যতটা সম্ভব স্পর্শ করুন।
পায়ের আঙুল – আপনার সঙ্গীনীর পায়ের আঙুলে কিস করুন। তাছাড়া পায়ের আঙুলে জিহ্বা দ্বারা স্পর্শ করুন এবং প্রয়োজনে আঙুলটি মুখের ভিতরে নিয়েও আদর করতে পারেন।
৪. এরপর ফোরপ্লের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো আপনার পার্টনারের স্তনকে আদর করা।
প্রথমে আপনার হাতের সাহায্যে আপনার সঙ্গীনীর স্তনকে ধীরে ধীরে চাপুন এবং আঙুল দিয়ে স্তনের চারপাশে বোলাতে থাকুন। এরপর জিহ্বা দ্বারা স্তনে স্পর্শ করুন। তবে প্রথমেই স্তনবৃন্ততে স্পর্শ করবেন না। প্রথমে স্তনের চারিদিকে জিহ্বা দ্বারা স্পর্শ করুন এবং তারপর ধীরে ধীরে স্তনবৃন্ততে স্পর্শ করুন।
এই পদ্ধতি কেবল মাত্র ছেলেরা নয়, এমনকি একটা মেয়েও তার পার্টনারের সাথে করতে পারেন।
( দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা থাকলে করনীয়!
১) ধীরে ধীরে লিঙ্গ যৌনিতে প্রবেশ করান,ভূল করেও
জোরে জোরে স্ট্রাইক করবেন না, যদিও আপনার সঙ্গীনি আপনাকে
জোরে জোরে দিতে বলতে পারে!!
প্রয়োজনে থামিয়া থামিয়া সঙ্গীনি কে অন্য ভাবে উত্তেজিত রাখুন।
২) অধিকাংশ সময় ই নিশ্চল অবস্থায় থাকুন।
আবার বলছি অধিকাংশ সময় ই নিশ্চল অবস্থায় থাকুন।
৩) লিঙ্গ সঞ্চালনের সময় পায়ুপথের পেশিগুলো বারবার সংকুচিত করুন,দারুণ কাজ হবে।
৪) স্ত্রীর সাথে কৌতুক করুন, হাস্যরসাত্নক কথা বলুন,মজার মজার গল্প বলুন।
৫) নিজের মনকে অন্য দিকে নিয়ে যান,জীবনের কঠিন হিসাব নিকাশ শুরু করুন।
৬)কাজ না হলে, স্ত্রী কে বলুন গায়ে জোরে করে কয়েকটি চিমটি কাটতে।
৭) স্ত্রী নিজেও যেন তার যৌনি পথের পেশি সংকুচিত
করে।
৮) স্ত্রীর যতোগুলো উত্তেজিত জায়গা আছে সবগুলো
জায়গায় শৃঙ্গার করা,বার বার ফরপ্লে করুন।
৯) বিশেষত ( হাতের নখ কাটা বা ঘষা থাকলে) ক্লাইটোরিস, জি স্পট কে একসাথে স্টিমুলেশন দিয়ে যেতে হবে।
১০) স্ত্রীর পায়ুপথের আশেপাশে মর্দন করা,যদি স্ত্রীর ভালো ভালো লাগে তাহলে কন্টিনিউ করা।
১১) স্ত্রীর উচিৎ স্ত্রীকে সক্রিয় ভাবে কাজ করতে হবে,সবসময় স্বামীর উপর ছেড়ে না দিয়ে নিজেও একটু এগিয়ে যান।
১২) বীর্যবের হওয়ার পর উপক্রম হলে চুপচাপ হয়ে যান,প্রয়োজনে পুরোপুরি স্টোপ হয়ে যাবেন।তারপর কিছু বিরতি নিন বীর্যবের হওয়ার।
১৩) ধীরে ধীরে শ্বাস নিন এবং শ্বাস ছাড়ুন,রিলাক্স থাকুন,অস্থির হবেন না।
১৪)স্ত্রীর যৌনি রসে টইটম্বুর হয়ে না গেলে শৃঙ্গার চালিয়ে যেতে থাকুন। যৌনি শুকনা থাকলে কৃত্রিম জেল ব্যবহার করুন।
১৫) স্বামীর লিঙ্গ যথেষ্ট দৃঢ় না হলে স্ত্রীর উচিৎ স্বামীর নিপল সাক করা, একই সাথে স্ত্রীর ক্লাইটোরিস কে ম্যাসেজিং এর মাধ্যমে উত্তেজিত রেখে কাম ভাব প্রশমিত করা।
১৬) বিভিন্ন আসনে সহবাস করুন।
১৭) এনেস্থিসিয়া জাতীয় ক্রিম, স্প্রে,এছাড়া হরমোনাল ক্যপসুল, ইনজেকশন ব্যবহার করা সেটা অবশ্য চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে।

মেয়েদের যোনি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ--------------------------------18 বছর এবং তার উপরযাহা একটা পরিণত মন মাত্র!!!মে...
25/05/2021

মেয়েদের যোনি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ
--------------------------------
18 বছর এবং তার উপর
যাহা একটা পরিণত মন মাত্র!!!
মেডিকেল অনুশীলন থেকে বার্তা
অনুগ্রহ করে আপনার স্ত্রীকে এই সম্পর্কে জানান,, মেডিকেল অনুশীলন থেকে এটি একটি গুরুতর সতর্কতা
সব নারী মেয়ে,কিংবা মেয়ের মা সঠিক পন্থা অবলম্বন না করাই শেষে যোনি তে ক্যান্সার সৃষ্টি হচ্ছে। যাহাতে একাধিক জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে নিমেষের ভিতরে। দয়া করে আপনার যোনি সাবান দিয়ে ধোবেন না।
শুধুমাত্র পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, সাবানের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট রাসায়নিক আছে, সাধারণত এটা খুবই বিপজ্জনক এবং সম্ভবত এটা থেকেই ক্যান্সারের সৃষ্টি হয়ে থাকে।, যোনিতে ক্যান্সার এর ঘটনা সব থেকে বেশি সাধারণ হাসপাতালে কারন গ্রাম্য এলাকাই এইগুলির সমন্ধে ধারনা কম তাই তারা সচেতন হতে সময় পায়না।তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ এই মেসেজটি সবার কাছে পৌছানোর চেস্টা করুন।এটা আপনার আমার সকলেরই খুব গুরুত্ব পূর্ণ।
একটি সমিক্ষা তে হুয়িস্পার, স্টে ফ্রি,সোফি,সেনোরার মতো প্যাডগুলিকে ব্যবহার করার কারণে 556 জন মেয়ে মারা গিয়েছে।
একটি প্যাডকে আপনি সারাদিন ব্যবহার করতে পারবেন না,আপনি সেটিকে ৫ঘন্টা ব্যবহার করুন।, হুয়িস্পারের মত প্যাড গুলিতে আল্ট্রা ন্যাপকিন ব্যবহার করা হয়, যা তরল ন্যাপকিনে রূপান্তরিত করে... এটি ব্লাডার ও জরায়ুতে ক্যান্সার সৃষ্টি করে । সুতরাং অনুগ্রহ করে কটন তৈরি প্যাড ব্যবহার করার চেষ্টা করুন এবং যদি আপনি আল্ট্রা প্যাড ব্যবহার করেন, তবে অনুগ্রহ করে 5 ঘন্টার মধ্যে এটি পরিবর্তন করুন। । সময় যদি দীর্ঘায়িত হয় রক্ত সবুজ হয়ে যায় এবং ছত্রাক গঠন জরায়ু ও শরীরের। ভিতরে প্রবেশ করে
লক্ষণঃ ১.যোনি থেকে সাদাস্রাবের মতো তরল বের হওয়া
২.যোনিরস বের হওয়া বন্ধ হওয়া
সতর্কতাঃ 1⃣ কালো প্যান্টি পরবেন না
2⃣ ভেজা প্যান্টি পরবেন নাহ
3⃣ যোনিতে কোন ক্যামিকেল ব্যবহার করবেন না
4⃣ ফরেন অবজেক্ট ঢুকাবেন নাহ।
🔵স্তন ক্যান্সার কিভাবে বন্ধ করবেন।
1⃣প্রতিদিন আপনার ব্রা ধুয়ে নিন ।
2⃣গ্রীষ্মে কালো ব্রা এড়িয়ে চলুন।
3⃣ঘুমানোর সময় ব্রা পরবেন না ।
4⃣খুব ঘন ঘন ব্রা পরবেন না ।
5⃣আপনি যখন সূর্যের নিচে থাকবেন তখন সবসময় আপনার ওড়না দিয়ে আপনার বুক পুরোপুরি ঢেকে রাখুন ।
6⃣একটি ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করুন, যেটি এন্টি antiperspirant নয় ।
এটি টাটা ক্যান্সার হাসপাতাল থেকে একটি পাবলিক সার্ভিস বার্তা ।
সব মহিলাদের কাছে এটা পৌছান যাতে করে তারা এটি নিজে নিজেই যত্ন নিতে পারে।
এটি শেয়ার করতে লজ্জা করবেন না, সে ছেলে হোক কিংবা মেয়ে, ধন্যবাদ।

প্রতিদিন ৫৬ জন মেয়ে মারা যায়। একটি প্যাড সারাদিন পড়ার কারনে ।"পুরো দিনের জন্য একটি একক প্যাড ব্যবহার করবেন না। আল্ট্রা ন...
25/05/2021

প্রতিদিন ৫৬ জন মেয়ে মারা যায়। একটি প্যাড সারাদিন পড়ার কারনে ।"
পুরো দিনের জন্য একটি একক প্যাড ব্যবহার করবেন না। আল্ট্রা ন্যাপকিনসে ব্যবহৃত রাসায়নিক যা তরলকে জেলে রূপান্তরিত করে, এটি মূত্রাশয় এবং জরায়ুতে ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
সুতরাং দয়া করে তুলার তৈরি প্যাডগুলি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন এবং আপনি যদি আল্ট্রা প্যাড ব্যবহার করছেন। প্রতিদিন এটি কমপক্ষে ৫ ঘন্টা দিয়ে পরিবর্তন করুন।
যদি সময় দীর্ঘায়িত হয় তবে রক্ত ​​সবুজ হয়ে যায় এবং গঠিত ছত্রাকটি জরায়ু এবং দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে।
দয়া করে এই সংবাদটি সমস্ত মেয়ে এবং এমনকী ছেলেদের কাছে এগিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে লজ্জা বোধ করবেন না যাতে তারা তাদের স্ত্রী এবং বন্ধুবান্ধবদের সাথে ভাগ করে নিতে পারেন, যাদের তারা যত্নবান হন।
সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ।
নিরাপদে থাকুন, সুস্থ থাকুন ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Mubasshira Khatun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category