Dr. Md. Nazrul Islam Akash-Paediatric Surgeon in Bangladesh

Dr. Md. Nazrul Islam Akash-Paediatric Surgeon in Bangladesh Consultant, Department of Paediatric Surgery Bangladesh Sheikh Mujib Medical University (BSMMU), Dhaka. M.B.B.S Chittagong Medical College, Chittagong.

Educational Qualification M.S (Paediatric Surgery)Dhaka Medical College ,Dhaka.

We are family  of paediatric surgery , BSMMU
06/01/2022

We are family of paediatric surgery , BSMMU

The days are memorial
06/01/2022

The days are memorial

Dr.Md Nazrul Islam (AKASH)Consultant, Department of Paediatric Surgery Bangobandhu Sheikh Mujib Medical University Shahb...
06/01/2022

Dr.Md Nazrul Islam (AKASH)
Consultant, Department of Paediatric Surgery Bangobandhu Sheikh Mujib Medical University Shahbagh, Dhaka, Bangladesh
For Appiontment
MODULE GENERAL HOSPITAL,NEAR PARIBAGH MOSQUE,HATIRPOOL, DHAKA.
Hotline:
+01714080048, +01867171902
Visiting Time: 3pm to 8.30pm

Alhamdulillah.History of Bangladesh,Today Paeditric Surgery department ,BSMMU Start journey  on DSD(Disorders of S*x Dev...
27/12/2021

Alhamdulillah.History of Bangladesh,Today Paeditric Surgery department ,BSMMU Start journey on DSD(Disorders of S*x Development)clinic with the Inspiration of Honourable VC Professor Dr Md Sharfuddin Ahmed sir and his influential administration.Special thanks and gratitude to Chairman,Professors,Teachers,Medical officers, Students and other staffs of Paeditric Surgery department.Every Sunday , opd -2,Room-311.InshaAllah it wil ensure total care of DSD patient in BSMMU,Bangladesh.

27/12/2021
For AppiontmentMODULE GENERAL HOSPITAL,NEAR PARIBAGH MOSQUE,HATIRPOOL, DHAKA.Hotline:+01714080048, +01867171902Visiting ...
27/12/2021

For Appiontment
MODULE GENERAL HOSPITAL,NEAR PARIBAGH MOSQUE,HATIRPOOL, DHAKA.
Hotline:
+01714080048, +01867171902
Visiting Time: 3pm to 8.30pm

https://www.youtube.com/watch?v=XyOgWShuafI
27/12/2021

https://www.youtube.com/watch?v=XyOgWShuafI

ডাক্তারের নাম Dr. Md. Nazrul Islam (Akash)MBBS, MS (Pediatric Surgery)Consultant, BSMMUএই যে আমরা হিজড়াদের দেখিনা, যাদের আমরা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হিসেবে কেতা...

https://www.youtube.com/watch?v=XXpzY8RL-sg
27/12/2021

https://www.youtube.com/watch?v=XXpzY8RL-sg

What is s*x disability | Shastho Protidin | Episode 3319 | Advised by Dr. Najrul Islam Akash | Presented by Dr. Sakhawat Hossain | Produced by NTV | Country:...

টাইপ টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত হবার পর আমরা অনেকেই মনে করি,  আমার বাবার ডায়বেটিস, আমার চাচার ডায়বেটিস, মায়ের ডায়বেটিস, আত্মী...
27/12/2021

টাইপ টু ডায়বেটিসে আক্রান্ত হবার পর আমরা অনেকেই মনে করি, আমার বাবার ডায়বেটিস, আমার চাচার ডায়বেটিস, মায়ের ডায়বেটিস, আত্মীয় স্বজন সবারই ডায়বেটিস।
তার মানে, সম্ভবত আমি বংশগতভাবে ডায়বেটিসটা পেয়েছি।
খেয়াল করলে দেখবেন, আপনার আগের জেনারেশনে ডায়বেটিস শুরু হয়েছিল চল্লিশ-পয়তাল্লিশের পর। তার আগের জেনারেশন, অর্থাৎ নানা-দাদাদের জেনারেশনে ডায়বেটিস শুরু হয়েছিল দেখবেন ৫৫-৬৫ বছর বয়সের দিকে।
এর আগের জেনারেশনে একটু খোজ খবর নিলে দেখবেন ডায়বেটিস ছিল কিনা মানুষ বুঝতো না বা জানতো না। কিন্তু আমেরিকান-ব্রিটিশ হেলথ সিস্টেমের ডেটা থেকে আমরা বুঝতে পারি, টাইপ টু ডায়বেটিস ১৯৬০ সালের আগে খুব অল্প মানুষেরই হত।
তাই আমার কাছে মনে হয়, ডায়বেটিসের জিনেটিক রুট খোজাটা আসলে বৃথা চিন্তা। একশো বছর না, মাত্র ৫০ বছর আগে গেলেও ডায়বেটিস ১% মানুষের মধ্যেও পাওয়া যাবে না।
এবার আসুন একটু মাথা খাটাই।
আপনার দাদা কোন চাল খেতেন?? বাদামী চাল, মোস্টলি, ফুল ফাইবার। গাড়ি, রিকশা, টেম্পু খুব একটা এভেইলেবল ছিল না। তারা হাটতেন বা সাইকেলে চড়তেন।
আপনার বাবা-চাচাদের ছেলেবেলাও এভাবেই কেটেছে। আমরা একটু খোজ করলে দেখবো, বয়স ৩০ হবার আগে মিলে ভাঙ্গানো চাল তারা খেতে পান নি। দিনে ১০-১২ কিলো এমনিতেই হাটা পড়তো সবার।
১৯৯০ সালের আগে গ্রামগুলতে বিদ্যুৎ পৌছায় নি। সবাই ঘুমাতো ৭-৮ টার মধ্যেই। শহরেও রাত ৯টার পর ঘুমিয়ে পড়তো অনেক মানুষ।
তখন অধিকাংশ পরিবারের রান্না হত মূলত দুবেলার জন্য, সকাল আর দুপুর। দুপুরের খাবার পর যা বেচে যেত, তা দিয়ে সাধারনত রাতের খাবার সেরে ফেলা হত, এশার নামাযের পরপর।
সব মিলিয়ে, দিনে ১২ ঘন্টা চলতো ইটিং পিরিয়ড, আর ১২ ঘন্টা ফাস্টিং।
২০০০ সালের পর হিসাবটা বদলে গেল। মানুষ রাত জাগতে শুরু করলো, হাটতে ভুলে গেল।
২০১০ সালের পর আমরা চলে এলাম নতুন বাস্তবতায়, ওয়াইফাই-মোবাইল ডাটার সুবাদে আমরা অনেকেই এখন ঘুমাই রাত ৩টায়, দিনের প্রথম মিল হয় সকাল ৯টায়, শেষ মিল হয় রাত ১টায়।
খেয়াল করবেন, এই যে আনন্যাচারাল লাইফস্টাইল, এটা আপনার দাদার চেয়ে আপনার বাবার বেশি ছিল, তারচেয়ে আপনার ছিল আরো বেশি, আপনার সন্তানের হচ্ছে আরো বেশি।
এবার মিলান।
দেখা যাবে, আপনার দাদার জেনারেশনে ডায়বেটিস ছিল ষাটের পর, বাবার জেনারেশনে পয়তাল্লিশের পর, আপনার জেনারেশনে ৩০ এর পর এবং এখন আমরা পাচ্ছি আমাদের পরের জেনারেশনে ১৫ থেকেই অনেকের ডায়বেটিস।
আমাদের চাল বদলাতে হবে।
রেস্টুরেন্ট-ফুড পান্ডা-উবার ইটস ব্যবহার সীমিত করতে হবে।
রাত জাগা কমাতে হবে।
অল্প দুরত্বগুলোতে হাটার অভ্যাস করতে হবে এবং সপ্তাহে অন্তত দুদিন লম্বা দুরত্ব হাটতে হবে।
টাইপ টু ডায়বেটিস একটা লাইফস্টাইল ডিজিজ। কিন্তু আমাদের অসচেতনতা এটাকে হয়তো কোন একসময় জিনেটিক ডিজিজে রুপ দেবে।

মানব প্রজাতি যখন ছেলে অথবা মেয়ের স্বাভাবিক লিঙ্গ বৈশিষ্ট্যের বাইরে অন্য কোন শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়া জন্মায় তখন তাকে হিজড়া...
27/12/2021

মানব প্রজাতি যখন ছেলে অথবা মেয়ের স্বাভাবিক লিঙ্গ বৈশিষ্ট্যের বাইরে অন্য কোন শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়া জন্মায় তখন তাকে হিজড়া/ লিঙ্গ বিকাশজনিত ত্রুটি/অস্পষ্ট বা দূর্বোধ্য অথবা রহস্যময় লিঙ্গ/ লিঙ্গ প্রতিবন্ধী বলা হয়। সেটা হতে পারে ক্রোমোজম, জননাঙ্গ, লিঙ্গ সম্পর্কিত হরমোন বা লিঙ্গ বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতায়। হিজড়া একটা ব্যাপক / ব্যাপ্তীমূলক সংজ্ঞা যেখানে শরীরের স্বাভাবিকের ভিন্নতা বিভিন্ন মাত্রায় হতে পারে, কখনো যাহা জন্মের পরপরই অথবা বয়ঃসন্ধিকালে বুঝা যায়, আবার জীবনের কখনোই জীনের (Genetic Test) পরীক্ষা ছাড়া বোঝা প্রায় অসম্ভব। পৌরানিক এবং প্রাক-আধুনিক যুগ থেকেই এই ধরনের বৈশিষ্ট্য সম্বলিত মানব প্রজাতির অস্তিত্ব জানা যায়। যীশু খৃষ্টের জন্মের শত বর্ষ পূর্বে গ্রীক ঐতিহাসিক ডিওডোরাস সিক্যুলাস (Diodorus Siculus) তার “হারমোফ্রডিটাস (Hermaphroditus) লেখায় এদেরকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করেন (““Hermaphroditus is born with a physical body which is a combination of that of a man and that of a women” and with supernatural properties)। পরবর্তীতে ইউরোপ এবং পশ্চিমা বিশে^ এবং পৃথিবীর অন্যান কিছু দেশে এদের আইনগতভাবে অস্তিত্বের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পৃথিবী জুড়েই এই সমস্যা বিদ্যমান এবং এর সাথে সাথে কিছু সামাজিক কুসংস্কার, অজ্ঞতা, অবহেলা এবং অপরাধ বিদ্যমান। সময়মতো এদেরকে চিহ্নিত করে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সহায়তার মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে এদেরকে স্বাভাবিক জীবন-যাপনের সুযোগ দানের মাধ্যমে কুসংস্কার, অজ্ঞতা, অবহেলা এবং অপরাধ হতে ব্যক্তি, সমাজ এবং জাতিকে সহায়তা করা সম্ভব। হিজড়ারাও আপনার, আমার মতো সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি, কোন মায়ের গর্ভজাত এবং আমাদেরই কারো ভাই বা বোন। তাই তাদেরকে স্বাভাবিকভাবে গড়ে তোলা এবং সমাজে সম্মানের সাথে বেচে থাকার ব্যবস্থা করা আমাদের সকলেরই দায়িত্ব এবং কর্তব্য। অন্যান্য রোগের / শারীরিক সমস্যার মতো হিজড়া ও একটি শারীরিক বা এন্ডোক্রাইন সমস্যা, যার চিকিৎসাও চিকিৎসাশাস্ত্রে মোটামুটিভাবে প্রতিষ্ঠিত। সময়মত সনাক্তকরণপূর্বক যথাযথ/ ধারাবাহিক চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে এদের লিঙ্গ পরিচয়ে পরিচিতি করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। উপরন্তু এরা পারিবারিক জীবন এমনকি বংশবৃদ্ধিতে কখনও কখনও সক্ষম হতে পারে। আসুন আমরা বৈষম্য সৃষ্টি না করে অবহেলার পথ পরিহার করে এদের সহায়তার জন্য এগিয়ে আসি।
মানবদেহ ২৩ জোড়া ক্রোমোজম দ্বারা গঠিত, তন্মধ্যে ২২ জোড়া দেহকোষ বা অটোজম এবং ১ জোড়া
সেক্স ক্রোমোজম বা লিঙ্গ নির্ধারন ক্রোমোজম। এই ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজমের অর্ধেক মায়ের কাছ থেকে এবং বাকি অর্ধেক বাবার কাছ থেকে আসে। একটি জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই পৃথকভাবে আসা ক্রোমোজমগুলি একিভূত হয়ে নতুন প্রজন্ম সৃষ্টি করে। সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ হয় বাবার থেকে আসা X বা Y ক্রোমোজমের উপর নির্ভর করে। বিজ্ঞান বা মানুষ এর নিয়ন্ত্রণ করতে অপারগ, সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় বাবার
সেক্সক্রোমোজম জোড়া (XY) হতে অর্থাৎ X বা Y গর্ভধারণের সময় মায়ের X ক্রোমোজমের সাথে মিলিত হয়। অর্থাৎ মা সব সময়ই এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজম XX বহন করে।
অতএব, সন্তান ছেলে বা মেয়ে হওয়ার জন্য মোটেই মা অভিযুক্ত নয়। বিধাতার নিয়মেই এটা বাবার যে
ক্রোমোজমটি ডিম্বানুতে নিষিক্ত হবে তার উপর নির্ভরশীল।
মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তার লিঙ্গ পরিচয়। একজন শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর মানুষের সবচেয়ে বড় আগ্রহ থাকে শিশুটি ছেলে না মেয়ে তা জানার, অর্থাৎ তার লিঙ্গ পরিচয়। সেই লিঙ্গই যদি ত্রুটিপূর্ন বা অস্পষ্ট অথবা অনির্ধারিত হয় তাহলে যেমন মা বাবার অতিরিক্ত মানসিক চাপ বাড়ে তেমনি সমাজ সংসারেও এর একটা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। আমরা সেই অনির্ধারিত অথবা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ন লিঙ্গের ব্যাপারে কিছুটা আলোকপাত করতে চাই। চিকিৎসা বিজ্ঞানের পবিভাষায় লিঙ্গ নির্ধারণের উপাদান গুলো হল ঃ
১। ক্রোমোজমের সংখ্যা এবং ধরণ
(মানবদেহের মোট ক্রোমোজম সংখ্যা ২৩ জোড়া, ২২ জোড়া দেহ ‣বশিষ্ঠ এবং ১ জোড়া লিঙ্গ বৈশিষ্ঠ
বহন করে, পুরুষের ক্ষেত্রে যা হলো XY এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে XX লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজন)।
২। লিঙ্গ নিয়ন্ত্রন কারী হরমোন- টেস্টোস্টেরন, ইস্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরন ইত্যাদির অসামঞ্জস্যতা।
৩। জননাঙ্গের শরীর বৃত্তীয় কাঠামো যেমন মেয়েদের ডিম্বাশয়, ডিম্বনালী, জড়ায়ু এবং যোনীপথ আর ছেলেদের অন্ডকোষ এবং শুক্রনালী।
৪। বহিঃলিঙ্গের বৈশিষ্ট্য, যেমন ছেলেদের পুরুষলিঙ্গ, অন্ডকোষ এবং অন্ডথলি আর মেয়েদের যে․নীদ্বার যার উপরের দিকে ভগা¯‥ুর, দুই পাশে বিশেষ চামড়ার ভাজ এবং মাঝখানে যে․নিমুখ ও মুত্রনালীর ছিদ্র থাকে।
৫। আনুষঙ্গিক বৈশিষ্ট্য সমূহ যা বয়ঃসন্ধিকালে লিঙ্গ বৈশিষ্ট্যকে আরও প্রকট করে, যেমনঃ মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়া, স্তন গঠন, শরীরে চর্বির সুবিন্যাশ এবং তলপেটের লোমের বিশেষ বিন্যাশ। ছেলেদের ক্ষেত্রে দাড়ি-গোফ গজানো, মাংসপেশী সুগঠিত হওয়া, কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন, পুরুষাঙ্গ ও অন্ডকোষের স্থুলতা এবং তলপেটের লোম ছেলেদের বিশেষ বৈশিষ্ট্যে বিন্যস্ত হওয়া।
হিজড়া অথবা লিঙ্গ বিকাশজনিত ত্রুটি (Disorder of S*x Development) বা অস্পষ্ট লিঙ্গ/ দূবোধ্য বা রহস্যময় লিঙ্গ (Ambiguous Genitalia) হলো বেশকিছু বিরল এবং জটিল লিঙ্গ সম্পর্কীয় ত্রুটির সমষ্টি যেখানে প্রজননঅঙ্গ ভিতরে এবং বাহিরে যথাযথভাবে বিকশিত হয় না।
যদি কারো এ ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়, তবে মনে করতে হবে তার মধ্যে পুরুষ এবং মহিলা লিঙ্গের মিশ্র বৈশিষ্ট্য থাকার সম্ভাবনা আছে। কারও কারও সেক্স ক্রোমোজম পুরুষ (XY) অথবা মহিলা (XX) কিন্তু প্রজনন অঙ্গ (Reproductive organ) হতে পারে -
বিপরীত লিঙ্গ বৈশিষ্ট্যের বা
ক। স্পষ্টভাবে পুরুষ অথবা মহিলার মতো না হওয়া বা
খ। পুরুষ এবং মহিলার সংমিশ্রিত লিঙ্গ এই অবস্থার/ সমস্যার/ ত্রুটির কারণ এখনও অস্পষ্ট। ইহা নির্ভর করে লিঙ্গ নির্ধারণের (হরমোনের কার্যক্ষমতা) হরমোন প্রজনন অঙ্গসমূহের উপরে কোন ব্যপ্তিতে/ কিভাবে কাজ করছে তার উপর।
অনেক ধরনের লিঙ্গ বিকাশজনিত ত্রুটি দেখা যায়। তন্মধ্যে যেগুলি সচরাচর দেখা যায় সেগুলি বর্ণনা করা হলো:
১. মেয়ের ক্রোমোজম বহনকারী কিন্তু অস্পষ্ট লিঙ্গ বা ছেলের মত বাহ্যিক লিঙ্গ:
এদের সেক্স ক্রোমোজম XX এবং জড়ায়ু ও ডিম্বানু স্বাভাবিক কিন্তু তাদের বাহ্যিক জননাঙ্গ মেয়েদের ‣বশিষ্ঠ্য মন্ডিত নয়। যেমন, তাদের ভগাঙ্কুর (Cl****is) বড় এবং ছেলেদের লিঙ্গের মত হতে পারে এবং যোনীপথ (Va**na) বন্ধ থাকতে পারে। চিকিৎসাশাস্ত্রে এই অবস্থাকে 46 XX DSD বা Female pseudoharmaphrodite বলা হয়।
এই সমস্যার প্রধান কারন হলো Adrenal Gland এর জন্মগত অতিবৃদ্ধি বা hyperplasia, যেখানে Cortisol এবং Aldosterone হরমোন ক্সতরীর জন্য শরীরে যথেষ্ট/ পর্যাপ্ত এনজাইম বা পাচক রসের ঘাটতি থাকে। যার ফলে শরীরে অতিরিক্ত ছেলে হরমোনের (Androgen) আধিক্য দেখা দেয় এবং বাহ্যিকভাবে ছেলে বশিষ্টমন্ডিত লিঙ্গ বহন করে।
এর ফলে কখনো কখনো মারাত্মক শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় যেমন, কিডনি সমস্যা এবং তার আশু ব্যবস্থা গ্রহন জরুরী হয়ে পড়ে।
২. ছেলের ক্রোমোজম বহনকারী কিন্তু বাহ্যিকভাবে মেয়ের লিঙ্গবহনকারী এবং কিছু অভ্যন্তরীন ছেলের
জননাঙ্গ বিশিষ্ট এদের সেক্স ক্রোমোজম XY কিন্তু বহিঃজননাঙ্গ পুরোপুরি মেয়েদের অথবা অস্পষ্ট থাকে। জড়ায়ু কখনো থাকে বা নাও থাকতে পারে কিন্তু অন্ডকোষ পেটের মধ্যে বা অস্বাভাবিকভাবে ক্সতরী হয়। চিকিৎসাশাস্ত্রে একে 46 XY DSD বলা হয় (Male pseudoharmaphrodite) ।
এর অনেকগুলি কারন আছে, তন্মধ্যে ছেলে হরমোনের প্রতি শরীরের/ জননাঙ্গের কম আসক্তি (Androgen insensitivity syndrome – AIS) অন্যতম। ফলে বাহ্যিকভাবে লিঙ্গ মেয়েদের মত হয়।
৩. স্বাভাবিক জননাঙ্গ কিন্তু অস্বাভাবিক লিঙ্গ বিকাশ কখনও কখনও ক্রোমোজম বৈশিষ্ট্য না হয় XY নতুবা XX । তাদের ক্ষেত্রে একটা X ক্রোমোজম কম (X০) বা বেশি (XXY) হয়। তাদের জননাঙ্গ স্বাভাবিক মেয়ে অথবা ছেলের মত থাকে কিন্তু বয়ঃসন্ধিকালে তাদের লিঙ্গ বৈশিষ্টের বিকাশ হয় না, যেমন: মেয়ে কিন্তু মাসিক শুরু হয় না। চিকিৎসাশাস্ত্রে এই ত্রুটিকে S*x Chromosome
DSD বলা হয়।
S*x Chromosome DSD এর মধ্যে এক প্রকার হলো Klinefelter Syndrome, যেখানে ছেলে শিশু একটি অতিরিক্ত X ক্রোমোজম নিয়ে জন্মায় (47XXY)। এক্ষেত্রে তাদের পর্যাপ্ত পরিমান পুরুষ হরমোন বা Testosterone তৈরী হয় না। ফলে তাদের জননাঙ্গ এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গের বিকাশ পুরুষের বৈশিষ্টমন্ডিত হয় না এবং প্রজননক্ষমতা স্বাভাবিক থাকে না।
আরেক প্রকার হলো Turner syndrome, যেখানে মেয়ে শিশুর একটি X ক্রোমোজম কম থাকে (45X) এবং আক্রান্ত শিশু এবং মহিলারা সাধারনত প্রজননে অক্ষম এবং স্বাভাবিকের তুলনায় খর্বাকার হয়।
৪. স্বাভাবিক বহিঃজননাঙ্গ বিশিষ্ট মেয়ে কিন্তু জরায়ু অনুপস্থিত
কিছু কিছু মেয়ে শিশু অসম্পূর্ন বা অনুপস্থিত জরায়ু এবং জড়ায়মুখ যোনীপথের আংশিক অনুপস্থিতি নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। কিন্তু তাদের ডিম্বানু এবং বহিঃজননাঙ্গ স্বাভাবিক থাকে। পাশাপাশি বয়সবৃদ্ধির সাথে সাথে তাদের তলপেটের লোম স্বাভাবিক হতে থাকে। এদেরকে Rokitarsky Syndrome বা MRKH Syndrome বলা হয়। এই সমস্যার কারণ অজানা। তবে ইহা স্পষ্টত ক্রোমোজম সম্বন্ধীয় নয় কারণ তাদের স্বাভাবিক XX ক্রোমোজম থাকে। সাধারনত প্রথম মাসিক শুরু না হওয়া দেখে এদের সনাক্ত করা যায়। যোনীপথ স্বাভাবিকের তুলনায় ছোট হওয়ার কারণে সহবাসও কষ্টদায়ক হয়। জরায়ু না থাকার কারনে এরা গর্ভবতী হতে পারে না।
৫. ছেলে এবং মেয়ের সমন্বিত বৈশিষ্ট বহনকারী:
এই ধরনের অতিবিরল বৈশিষ্টের শিশুর ডিম্বাশয় এবং অন্ডকোষ বা শুক্রাশয় উভয়ই থাকে এবং বহিঃজননাঙ্গ ছেলে অথবা মেয়ে অথবা ছেলে এবং মেয়ের মিশ্র বৈশিষ্টের হয়। চিকিৎসাশাস্ত্রে এদের 46XX – Ovo-testicular DSD বা True harmaphrodite বলা হয়।
জন্মপরবর্তী সনাক্তকরণ:
লিঙ্গ বিকাশজনিত ত্রুটিসমূহের কিছু কিছু লক্ষণ বা ‣বশিষ্ট জন্মের পরপরই সনাক্তকরণ সম্ভব যেমন:
১। অন্ডকোষের অনুপস্থিতি
২। অস্বাভাবিক বহিঃলিঙ্গ
৩। খুব ছোট পুরুষ লিঙ্গ
৪। লম্বা ভগাঙ্কুর
৫। জন্মের পরপর অস্বাভাবিক/ অবিরাম বমি বয়সন্ধিকালে সনাক্তকরণ:
বয়ঃসন্ধিকালে লিঙ্গের স্বাভাবিক পরিবর্তন এবং অন্যান্য লিঙ্গ বৈশিষ্টসমূহের স্বাভাবিক বিকাশ না হওয়া, যেমন: মেয়ের মাসিক না হওয়া, স্তনের গঠন না হওয়া, কন্ঠস্বরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন, দাড়িগোফ গজানো ইত্যাদি। ছেলের ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ বড় না হওয়া, দাড়ি-গোফ না গজানো, কন্ঠস্বর এবং পেশীর স্বাভাবিক পরিবর্তন পরিবর্তন না হওয়া ইত্যাদি।
করনীয়:
১। নবজাতকের জন্মের পর শিশুর যতেœর পাশাপাশি মা, বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকে উপরোক্ত সমস্যাগুলি খেয়াল করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহনে উদ্যোগ গ্রহণ করা।
২। এরকম সমস্যা মনে হলে লিঙ্গ নির্ধারনের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে Karryotyping (জেনেটিক
টেস্ট) ও আল্ট্রাসোনোগ্রাম করে লিঙ্গ নির্ধারন করা এবং পরবর্তী চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
হিজড়া/ লিঙ্গ বিকাশজনিত ত্রুটি/অস্পষ্ট বা দূর্বোধ্য অথবা রহস্যময় লিঙ্গ/ লিঙ্গ প্রতিবন্ধী
সম্পর্কীত জানা-অজানা কিছু কথা
ডা: মো: নজরুল ইসলাম (আকাশ)
কনসালটেন্ট
পেডিয়াট্রিক সার্জারী বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ^বিদ্যালয়

কোষ্ঠকাঠিন্য সম্পর্কিত নির্দেশিকা (রোগীদের জন্য)✅কোষ্ঠকাঠিন্য কি ?কোষ্ঠকাঠিন্য একটি অস্বাভাবিক শারীরিক অবস্থা যখন শিশু স...
27/12/2021

কোষ্ঠকাঠিন্য সম্পর্কিত নির্দেশিকা (রোগীদের জন্য)
✅কোষ্ঠকাঠিন্য কি ?
কোষ্ঠকাঠিন্য একটি অস্বাভাবিক শারীরিক অবস্থা যখন শিশু সহজে মলত্যাগ করতে সক্ষম হয় না। সাধারনভাবে: প্রতি সপ্তাহে তিনবারের কম (বড় বাচ্চাদের ক্ষেত্রে) মলত্যাগের বেগ হওয়া, শুষ্ক মল, শক্ত ও কঠিন মল, মলত্যাগে অনেক বেশী সময় লাগা, মল ত্যাগের জন্য অনেক বেশী চাপের দরকার হওয়া, অধিক সময় ধরে মলত্যাগ করার পরও অসম্পূর্ন মনে হওয়া, মলদ্বারের আশপাশে ও তলদেশে ব্যাথা অনুভব হওয়া, এবং প্রায়ই আঙুল, সাপোজিটরি বা অন্য কোন উপায়ে মল নিষ্কাশনের প্রচেষ্টাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়ে থাকে।
✅কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয় ?
 সাধারনভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য নিজে একটি রোগ নয় বরং ইহা একটি অনভ্যাসের ফল।
 বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মলত্যাগের অভ্যাসের কারনে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। যেমন: নতুন স্কুলে যাওয়া শুরু করলে বা ভ্রমনের সময় সবার জন্য ব্যবহার করার টয়লেটে যেতে অস্বস্তিবোধের কারনে, স্কুলে দীর্ঘ সময় থাকার সময় অথবা খেলায় ব্যস্ত থাকার দরুন টয়লেটে না যাওয়া বা মলত্যাগের বেগ হলে চেপে রাখা ইত্যাদি। ব্যবহারের টয়লেট বসার জন্য স্বস্তিদায়ক না হলে স্বাভাবিক মলত্যাগ প্রক্রিয়া ব্যহত হতে পারে। এভাবে মল চেপে রাখলে মল শুকিয়ে যায় এবং আরো শক্ত হয়ে যায়, ফলে পরবর্তীতে মলত্যাগের পর মলদ্বার ফেটে যেতে পারে। এর ফলে মলত্যাগের সময় তীব্র ব্যাথা হয় এবং ভয়ে শিশু টয়লেটে যেতে চায় না। যার ফল হল আরো তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য।
 এছাড়া খাদ্যাভ্যাস জনিত কারনেও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। যেমন: আাঁশযুক্ত খাবার ও শাকসবজি কম খাওয়া, প্রর্যাপ্ত পানি পান না করা, চর্বি জাতীয় ও আমিষ জাতীয় খাবার বেশী খাওয়া, স্কুলে দীর্ঘ সময় থাকার সময় পানি পান না করা ও শিশুকে নতুন খাবার শুরু করার সময় বা শিশুর খাদ্য পরিবর্তনের কারনে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
 আবার স্বল্পসংখক ক্ষেত্রে শরীরের গঠনগত ত্রæটি বা অপারেশনের পর এবং গুরুতর রোগের কারনে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সাথে মলদ্বারের অন্যান্য উপসর্গ রোগের ইংগিত বহন করে থাকে।
 ঔষধ ( ডায়রিয়া বন্ধের ঔষধ, পেট ব্যথার ঔষধ) সেবন, দুশ্চিন্তা, পারিবারিক অস্থিরতার ফলেও শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।
✅কোষ্ঠকাঠিন্য দুরীকরনে করনীয় কি ?
 শিশুকে যেভাবে খাওয়া, পান করা, কাপড় পরিধান করা, লেখাপড়া শিখাতে হয়, একইভাবে মলত্যাগের অভ্যাস শিখানো জরুরী, যাহা সাধারনত ২ থেকে ৪ বছর বয়সের মধ্যে করতে হবে।
 প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার পর আধা বা এক গøাস কুসুম গরম দুধ বা জুস বা পানি খেতে দিন। তারপর ২০ মিনিট পর বাথরুমে নিয়ে গিয়ে পায়খানার জন্য বসাবেন। পায়খানা না হলেও অন্তত ৫-১০ মিনিট বসিয়ে রাখবেন।
 এছাড়া প্রতিদিন দুপুর ও রাত্রে খাবার ২০ মিনিট পর একইভাবে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে পায়খানার জন্য বসাবেন। পায়খানা না হলেও অন্তত ৫-১০ মিনিট বসিয়ে রাখবেন।
 যেসকল খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য করে থাকে তা থেকে শিশুকে বিরত রাখুন। যেমন: অতিরিক্ত আলু ও আলুজাতীয় খাবার, ফাষ্ট ফুড, চালের গুড়া, চিজ, পনির, কষ জাতীয় ফল, পাস্তা, চিপস, ক্রাকার, বিস্কুট, ময়দার রুটি ইত্যাদি।
 আঁশযুক্ত ও বেশী পানি ধারন করে এ জাতীয় খাবার বেশী খেতে দিন। যেমন: শাক-সবজী, লাল আটা, ডাল, টমেটো, ঢেড়স, কুমড়া, লাউ, বরবটি, পেপে, আম, আনারস, কলা, আপেল, তাল,শসা, তরমুজ,শিম ইত্যাদি।
 প্রতিদিন স্বাভাবিক খাবারের সময় ছাড়া ও মধ্যবর্তী সময়ে অন্তত দুই বা ততোধিকবার পানি দিয়ে তরল করে জুস বা সরবত পান করাবেন। সম্ভব না হলে অন্তত প্রচুর পানি পান করতে দিন।
 নিয়মিত শিশুর পেট ম্যাসেজ করে দিন।Hot bath দিলে ভাল হয় । শিশুকে সাইকেল চালানোর মত পা ভাঁজ করে পেটের উপর চাপ দিয়ে নিয়মিত ব্যায়াম করান।
 বাড়িতে এবং বিদ্যালয়ে বাথরুম পরিস্কার ও শিশুর জন্য আরামদায়ক যাতে থাকে তার ব্যবস্থা করবেন।
 দীর্ঘ সময় স্কুলে থাকলে যাতে সময়মত বাথরুমে যেতে পারে তার ব্যবস্থা করবেন। পরিমানমত পানি পান করার ব্যাপারে উদ্ভুদ্ব করবেন। স্কুলে ব্যবস্থা না থাকলে সাথে পানি দিয়ে দিবেন। খেলার সময় বাথরুমের বেগ হলে যাতে চেপে না রেখে টয়লেটে যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
 Sitz bath দেয়া যেতে পারে (কুসুম গরম পানিতে লবন মিশিয়ে তাতে নিতম্ব ডুবিয়ে বসবেন)।
 প্রয়োজনে শিশুকে নির্দিষ্ট মাত্রায় পায়খানা নরম রাখার ওষধ যেমন: Lactulose, Milk of magnesia সেবন করাবেন।
✅শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা:
১. সিরাপ মিল্ক অব ম্যাগনেসিয়া —৪——- চামচ রাতে ঘুমানোর পূর্বে। পায়খান নরম হয়ে গেলে বন্ধ।
২. সিরাপ ডমপেরিডন, ——২——– চামচ দিনে তিনবার, খাবার ১৫-২০ মিনিট পূর্বে ৫-৭ দিন।
৩. সিরাপ ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, —-২———– চামচ দিনে ২ বার ২ -৪ সপ্তাহ।
৪. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে আরামদায়ক স্থানে অভিভাবকদের উপস্থিতিতে বসিয়ে পায়খানা করাবে।
৫. বয়স অনুযায়ী সবজি, সবজির খিচুরি, পানি, আঁশজাতীয় খাবার খাওয়াবেন।
৬. অহধষ ভরংংঁৎব আছে তাদের টয়লেটে যাওয়ার ১০ মিনিট আগে পায়ুপথে Jasocaine jelly মাখবেন । Erian ointment/ Anustate cream পায়খানার পরে এবং রাতে ঘুমানোর আগে নির্দেশমতো লাগাবেন।
মনে রাখবেন ঃ কোষ্ঠকাঠিন্য একটি অনভ্যাসের ফল, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও মলত্যাগের অভ্যাস আপনার শিশুকে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্ত রাখবে।
আরো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন: শিশু সার্জারী বিভাগ, নীল ইউনিট

Address

MODULE GENERAL HOSPITAL, NEAR PARIBAGH MOSQUE, HATIRPOOL, DHAKA
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Nazrul Islam Akash-Paediatric Surgeon in Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category