24/7 Health Take & Care

24/7 Health Take & Care Health is the Root of all Happiness

বাংলাদেশ রেলওয়ে সহকারী লোকোমাস্টার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ প্রকাশকরেছে। সহকারী লোকোমোটিভ মাস্টারঅর্থাৎ সহকারী লোকো মাস্টা...
24/01/2022

বাংলাদেশ রেলওয়ে সহকারী লোকো
মাস্টার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ প্রকাশ
করেছে। সহকারী লোকোমোটিভ মাস্টার
অর্থাৎ সহকারী লোকো মাস্টার (এএলএম)
পদটি একটি রাজস্ব খাতভুক্ত পদ, এই
নিয়োগের মাধ্যমে মোট ২৮০ জনকে
নিয়োগ দেয়া হবে। এইচএসসি (বিজ্ঞান) বা
সমমানের পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীরা
এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

মেথি শরীরের স্বাস্থ্য সমস্যা নিরাময়ে খুব উপকারী।ক্যান্সারের প্রভাব হ্রাস করুন - মেথিতে এন্টি ক্যান্সার বৈশিষ্ট্য রয়েছে...
08/08/2021

মেথি শরীরের স্বাস্থ্য সমস্যা নিরাময়ে খুব উপকারী।

ক্যান্সারের প্রভাব হ্রাস করুন - মেথিতে এন্টি ক্যান্সার বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ক্যান্সারের কোষগুলি ধ্বংস করতে উপকারী। এই ক্যান্সারে স্তন ক্যান্সার এবং লিম্ফোমা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।

হাঁপানি রোগে উপকারী - মেথি বীজের মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি যৌগ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা হাঁপানির লক্ষণগুলি হ্রাস করতে সহায়তা করে।

স্তন দুধ বাড়ান - কিছু গবেষণার ভিত্তিতে মেথি বুকের দুধের উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করার জন্য বিবেচিত।

কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে - মেথি ব্যবহারের ফলে কোলেস্টেরল হ্রাস পায়। ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তি এটি ব্যবহার করে তাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারেন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ - মেথির কয়েকটি ঔষধীয় গুণ রয়েছে যা রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের জন্য মেথি অত্যন্ত উপকারী। তবে ডায়াবেটিস যদি ইতিমধ্যে নিয়ন্ত্রণে থাকে তবে মেথি ব্যবহার করবেন না। এগুলি ছাড়াও যদি আপনি প্রথমবার মেথি ব্যবহার করেন তবে প্রথমে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন

হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন নিন, সুস্থ থাকুন
28/07/2021

হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন নিন, সুস্থ থাকুন


অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা শিশুদের একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। রক্তাল্পতার সবচেয়ে সাধারণ কারণ, শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে...
11/07/2021

অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা শিশুদের একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। রক্তাল্পতার সবচেয়ে সাধারণ কারণ, শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন না থাকা। জন্মের পর তিন মাস বয়স পর্যন্ত শিশুর শরীরে যেটুকু হিমোগ্লোবিন থাকে, তা সে তার মায়ের কাছ থেকেই নিয়ে আসে। এরপর তার নিজের শরীরের অস্থিমজ্জায় রক্ত তৈরি হতে শুরু করে। রক্ত তৈরির একটি কাঁচামাল হলো আয়রন বা লৌহ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা বাড়তে থাকে বলে শিশুকে নিয়মিত আয়রনসমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে, নয়তো দেখা দেবে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা।

চার মাস বয়স থেকে শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি অল্প অল্প করে পরিপূরক খাবার খাওয়ানো শুরু করতে হবে। প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ খাদ্য উৎস থেকে আয়রন পাওয়া যায়। মাছ, মাংস, ডিম, কলিজার মতো প্রাণিজ উৎস থেকে প্রাপ্ত আয়রনকে হিম আয়রন বলে। আমাদের শরীর এ আয়রন ভালো শোষণ করতে পারে। উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে প্রাপ্ত আয়রনকে নন-হিম আয়রন বলে। শুকনা ফল, শুকনা এপ্রিকট, শুকনা ডুমুর, বাদাম, কিশমিশ, সবুজ শাকসবজি, ব্রকলি, পালংশাকে এ উপাদান থাকে।

যেসব বাড়ন্ত শিশু অন্যান্য খাবারের চেয়ে দুধ বেশি পান করে, তাদের আয়রনের অভাবজনিত রক্তাল্পতার ঝুঁকি থাকে। দুই বছরের বেশি বয়সী শিশুদের পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন পেতে দুধ খাওয়ার পরিমাণ ক্রমশ ২ কাপ বা ৫০০ মিলিলিটারে কমিয়ে আনতে হবে। সারা দিন দুধ খেয়ে পেট ভরিয়ে রাখলে চলবে না। ডিমের কুসুম লৌহসমৃদ্ধ খাবার। ছয় মাস বয়স হলেই শিশুকে অল্প অল্প করে ডিমের কুসুম খাওয়ানোর অভ্যাস করতে হবে। আয়রনের অভাবজনিত রক্তাল্পতা শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশ বিলম্বের কারণ হতে পারে। ধীরে ধীরে শিশুকে মাছ, মাংস, তাজা শাকসবজি ও ফলমূল ইত্যাদি খাবারে অভ্যস্ত করে তুলুন। এ ছাড়া রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধের জন্য প্রতিদিনের খাবারে লৌহ, আমিষ, ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন-১২ রাখতে হবে। কৃমি শিশুদের অ্যানিমিয়ার একটি অন্যতম কারণ। তাই দুই বছর বয়সের পর থেকে কৃমির ওষুধ নিয়মিত খাওয়াতে হবে। কৃমি রোধে পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিন।

দাউদ এক প্রকার ফাঙ্গাল ইনফেকশন। একে ইংরেজিতে রিং ওয়ার্ম বলা হয়। এটি চুলকানির মতো কষ্টকর ত্বকের রোগ হওয়ার প্রবণতা দেখা ...
10/07/2021

দাউদ এক প্রকার ফাঙ্গাল ইনফেকশন। একে ইংরেজিতে রিং ওয়ার্ম বলা হয়। এটি চুলকানির মতো কষ্টকর ত্বকের রোগ হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। শরীরের যেকোনো অংশেই এটা হতে পারে।

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে এটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই এই রোগের প্রকোপ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

তবে আধুনিক মেডিসিনের সাহায্যে রিং ওয়ার্মের চিকিৎসা করা যেতে পারে।

সাধারণ চিকিৎসা করা যে মলম এবং ঔষধ দিয়ে থাকে
1. Flugal 10 mg
2. Xfin 1%

কোভিড-১৯ পরীক্ষাকাদের পরীক্ষা করা উচিৎ?যে কেউ যার ঠান্ডা অথবা ফু লু-র মত লক্ষণ আছে, এমনকিতা যদি খুব মৃদুও হয় তারপরও তাকে...
10/07/2021

কোভিড-১৯ পরীক্ষা
কাদের পরীক্ষা করা উচিৎ?
যে কেউ যার ঠান্ডা অথবা ফু লু-র মত লক্ষণ আছে, এমনকি
তা যদি খুব মৃদুও হয় তারপরও তাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব
কোভিড-১৯ পরীক্ষা করাতে হবে। কোভিড-১৯-এর উপসর্গসমূহ:
• জ্বর, যেমন: কাঁপুনি, রাতে ঘাম
• শ্বাস-প্রশ্বাসের উপসর্গ, যেমন: কাশি, গলায় ব্যথা অথবা
খুসখুস করা, নাক দিয়ে পানি পড়া, শ্বাসকষ্ট, গন্ধ এবং স্বাদ
না পাওয়া/নষ্ট হওয়া
• অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে হচ্ছে মাংসপেশীতে কিংবা গিরায়
ব্যথা, উদরাময়/ পেটের অসুখ (ডায়রিয়া),
বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া এবং ক্ষুধা নষ্ট হওয়া।
পরীক্ষার সময় আপনি কি কি আশা
করতে পারেন?
• পরীক্ষা একেবারেই বিনা খরচে, সহজ এবং দ্রুত
• যদি আপনাকে কোন ক্লিনিকে অর্পণ (রেফার) করা হয় তবে
সাথে অর্পণ পত্রটি (রেফারাল) নিয়ে নেবেন। অধিকাংশ
ক্লিনিকেই অবশ্য এর দরকার পড়ে না।
• পরীক্ষাগার এবং শ্বাস-প্রশ্বাসতন্ত্র ক্লিনিকের কর্মীগণ মাস্ক,
গাউন, গ্লাভস এবং মুখের ঢাকনি ব্যবহার করবেন।
• কর্মীগণ আপনার উপসর্গসমূহ সম্পর্কে জানতে চাইবেন।
• আপনার নাক এবং গলার ভিতর থেকে সোয়াব (লালা)
নেয়া হবে।
আমার পরীক্ষার পর কী হবে?
• আপনাকে অবশ্যই বাসায় থাকতে হবে (নিজেকে পৃথক
রাখতে হবে) যতক্ষণ না আপনার পরীক্ষার ফলাফল
পাচ্ছেন এবং তা ভাল হচ্ছে।
• আপনি বাড়ীর বাইরে যেতে পারবেন না যদি না আপনি
চিকিৎসা সেবা চান অথবা আপনার অবস্থা জটিল হয়।
কোন দর্শনার্থী আপনার সাথে দেখা করতে পারবে না।
• যদি আপনার অবস্থা গুরুতর হয় (শ্বাসকষ্ট) তবে তিন শূণ্য
(000)নং এ কল করুন। এম্বুলেন্সের কর্মীদেরকে বলুন
যে আপনার কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হয়েছে।.
• আপনি যদি আপনার বাড়ীতে অন্যের সাথে একসংগে
থাকেন তবে নিজেকে অন্য ঘরে আলাদা করে ফেলুন।
একই ঘরে যদি অবস্থান করেন তবে সার্জিক্যাল মাস্ক
পরিধান করুন ও কমপক্ষে ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন।
• নিরাপদ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। হাত পরিষ্কার করুন বারবার।
হাঁচি অথবা কাঁশি এলে নিজের কনুই অথবা টিস্যু দিয়ে মুখ ঢাকুন।

আমার ফলাফল আমি কিভাবে পাবো?
• সাধারণতঃ আপনি আপনার পরীক্ষার ফলাফল ২৪ থেকে
৪৮ ঘন্টার মধ্যে পেয়ে যাবেন, তারপরও দয়া করে ৭২ ঘন্টা
পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
• যদি আপনার পরীক্ষা কোন জরুরী বিভাগে বা সরকারী
হাসপাতাল কভিড-১৯ ক্লিনিকে হয়ে থাকে এবং আপনি
যদি প্যাথলজী কোভিড-১৯ এসএমএস রেজাল্ট সার্ভিস
এর জন্য নিবন্ধিত হয়ে থাকেন তাহলে আপনি আপনার
কোভিড-১৯ নেগেটিভ ফলাফল এসএমএস-এর মাধ্যমে
পেয়ে যাবেন। যদি আপনি নিবন্ধিত না হন তবে আপনার
স্থানীয় এলাকার স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছ থেকে ফোনের
মাধ্যমে জানতে পারবেন।
• যদি আপনার পরীক্ষার নমুনা আপনার জিপি দ্বারা অথবা
অন্য কোন নির্ধারিত স্থানে সংগৃহিত হয় তবে আপনার
ডাক্তার আপনাকে ফলাফল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
আমার ফলাফল পজেটিভ হলে কী হবে?
• এনএসডব্লিউ স্বাস্থ্য আপনার সব দেখাশোনা করবে।
আপনার মেডিকেয়ার না থাকলেও চিকিৎসার জন্য
আপনার কোন খরচ বহন করতে হবে না।

বয়স বাড়লে শরীরে পরিবর্তন আসে কেন?বয়স হলে আমাদের চুলের রং ধূসর হয় কেন? চামড়াতেই বা কেন ভাঁজ পড়ে? অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোই বা...
07/07/2021

বয়স বাড়লে শরীরে পরিবর্তন আসে কেন?
বয়স হলে আমাদের চুলের রং ধূসর হয় কেন? চামড়াতেই বা কেন ভাঁজ পড়ে? অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোই বা কেন ভালোভাবে কাজ করতে পারে না?বেশ কয়েকটি জৈবিক প্রক্রিয়ার কারণে এমনটা হয়ে থাকে৷

বয়স যখন কম থাকে, তখন কোষ বিভাজনের মাধ্যমে যে নতুন কোষগুলো তৈরি হয়, সেগুলোর মান ভালো থাকে৷ ফলে ডিএনএ-র ভাঙন কাটিয়ে ওঠা সহজ হয়৷

কিন্তু বয়স বাড়তে থাকলে বিভিন্ন কারণে ডিএনএ-তে ভাঙন বাড়তে থাকে৷ কোষের কার্যকারিতাও কমে যায়৷ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষেত্রেও তা ঘটে থাকে৷ হৃৎপিন্ড ও পেশি দূর্বল হয়ে পড়ে৷ ফুসফুসও ভালোভাবে কাজ করে না৷ লিভার আর কিডনি দূর্বল হতে থাকে৷ ফলে শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান সরানোর কাজটি আর ঠিকমতো হতে পারে না৷ হৃৎপিন্ড আর ফুসফসের শক্তি কমে যাওয়ায় পেশি ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ঠিকমতো অক্সিজেন পায় না৷ পেশি দূর্বল হয়ে যাওয়ায় ব্যায়াম করতে কষ্ট হয়৷ দাঁতও পড়ে যায়৷ নিয়মিত খেলাধুলা করলে অবশ্য শরীরের এই অবস্থায় পৌঁছানো সময়টি একটু পেছানো যায়৷

বয়স বাড়তে থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়৷ ফলে সেই সময় অল্প সংখ্যক ‘কিলার সেল' তৈরি হয়৷ শরীরের জন্য ক্ষতিকর ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, এমনকি ক্যানসারের জীবাণু ধ্বংস করে থাকে এই কিলার সেল৷

অর্থাৎ, কিলার সেলের সংখ্যা যত কমে, অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা তত বেড়ে যায়৷

ব্যবস্থাঅনেক সময় ভুল অ্যান্টিবডিও তৈরি করে৷ ফলে দেখা যায়, কিলার সেল শরীরের নিজস্ব কোষকেই ধ্বংস করছে৷

তবে মস্তিষ্কের বয়স বাড়ার কিন্তু নিজস্ব প্রক্রিয়া আছে! সেখানে কোষ বিভাজনের ঘটনা বিরল৷ তবে মস্তিস্ক থেকে বার্তা প্রেরণের জন্য যে ‘সেমিওকেমিক্যাল' পদার্থগুলো থাকে, তার কার্যকারিতা কমে যায়৷ ফলে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানো সম্ভব হয় না৷

তবে আশার কথা হচ্ছে, জটিল চিন্তার ক্ষেত্রে বয়স্কদের মস্তিস্ক অভিজ্ঞতার কারণে অল্পবয়সিদের চেয়ে ভালো কাজ করতে পারে৷

আত্মহত্যার ঝুঁকি: আত্মহননের প্রবণতা সনাক্তকরণ এবং নিয়ন্ত্রণমূলকথা-আত্মহত্যার চিন্তাভাবনা, হতাশা এবং উদ্বেগের অনুভূতি সম...
07/07/2021

আত্মহত্যার ঝুঁকি: আত্মহননের প্রবণতা সনাক্তকরণ এবং নিয়ন্ত্রণ
মূলকথা-

আত্মহত্যার চিন্তাভাবনা, হতাশা এবং উদ্বেগের অনুভূতি সম্পর্কে কথা বলুন
আত্মহত্যার প্রবণতার লক্ষণগুলি সনাক্ত করুন
যদি আত্মহত্যা প্রবণতার লক্ষণ উপস্থিত থাকে তবে নিজের জন্য, আপনার বন্ধু বা আপনার পরিবারের সদস্যের জন্য সহায়তা নিন
কারা ঝুঁকিতে রয়েছেন

কোভিড-১৯ মহামারী চলাকালীন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন এমন কিছু মানুষ আত্মহত্যার জন্য উচ্চতর ঝুঁকির মধ্যে থাকতে পারে। এর কারণ, অনেকে ই উচ্চ স্তরের মানসিক চাপের মুখোমুখি হচ্ছেন ফলে হতাশা ও উদ্বেগেরর মত অনুভূতি দেখা দিতে পারে। আত্মঘাতী প্রবণতার জন্য ইতিমধ্যে চিকিৎসা নিচ্ছেন এমন লোকদের অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে।এ দলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন তারাও যাদের মধ্যে আত্নহননের ইচ্ছা রয়েছে অথবা আত্নহত্যার চেষ্টাও করেছেন পূর্বে এমন ব্যক্তি। এছাড়াও অন্যান্য ব্যক্তিদেরও মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে। এদের মধ্যে রয়েছেন- পূর্বে থেকে মানসিক সমস্যা যেমন- হতাশা, উদ্বেগ এ ভুগছেন এমন মানুষ, শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, মাদকাসক্ত ব্যক্তি, নিজের নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা বা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না এমন ব্যক্তি। এ সময়ে সবচেয়ে জরুরী হল নিজের প্রয়োজনের বা আবেগের কথাগুলো অন্যের সাথে শেয়ার করা এবং প্রয়োজনে সাহায্য গ্রহণ করা। চুপচাপ অনুভূতিগুলো নিজের মাঝে না রেখে নির্দ্বিধায় মায়ার মনোসামাজিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

সতর্কতার সংকেত

আমরা সবাই যদি আত্মহত্যা প্রবণতার সতর্কতা লক্ষণগুলো সম্পর্কে জানি তবে এ সময় আমরা অন্যকে মানসিক ভাবে সহায়তা করার পাশাপাশি সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে একটি জীবন বাঁচাতে ভুমিকা রাখতে পারি।

কোনও ব্যক্তির আত্মঘাতী হতে পারে এমন উদ্বেগের কারণ অনুসন্ধানের কিছু লক্ষণীয় বিষয় হ’ল ব্যক্তির আচরণের পরিবর্তন বা সম্পূর্ণ নতুন আচরণের সুত্রপাত। নতুন বা পরিবর্তিত আচরণ যদি কোনও বেদনাদায়ক ঘটনা, ক্ষতি বা পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত হয় তবে এটি তীব্র উদ্বেগের বিষয়। বেশিরভাগ আত্মহননকারীরা তাদের বক্তব্য বা আচরণের মাধ্যমে এক বা একাধিক সতর্কতা সংকেত দিয়ে যান।

এখন প্রশ্ন হল কিভাবে বুঝবেন?

কথার মাধ্যমে সংকেত প্রদান- যদি কোন ব্যক্তি কথার মাধ্যমে নিম্নোক্ত ইশারা করে থাকেন-
নিজেকে শেষ করে দেওয়ার ইচ্ছা হয়
আশা হীন মনে হয়
বেঁচে থাকা অর্থহীন মনে হয়
অন্যের বোঝা মনে হওয়া
নিজেকে বন্দী মনে হওয়া
ব্যাথা সহ্য করার সক্ষমতা হারানো
আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সংকেত প্রদান- নিচের কিছু আচরণগত পরিবর্তন বিশেষত যদি বেদনাদায়ক ঘটনা, ক্ষতি বা পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত হয়:
অ্যালকোহল বা ওষুধের সেবন বৃদ্ধি
জীবনকে শেষ করার উপায় খোঁজা যেমন পদ্ধতিগুলির জন্য অনলাইনে অনুসন্ধান করা
ক্রিয়াকলাপ থেকে নিজেকে গুটিয়ে ফেলা
পরিবার এবং বন্ধুদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা
খুব বেশি বা খুব কম ঘুমানো
লোকদের বিদায় জানানো বা ফোন করে বিদায় জানানো
মূল্যবান সম্পত্তি উপহার দেওয়া
আক্রমণাত্মক আচরণ
অবসাদ
মেজাজ বা মুড এর পরিবর্তনের মাধ্যমে সংকেত প্রদান- যে ব্যক্তিরা আত্মহত্যার বিষয়টি বিবেচনা করছেন তারা প্রায়শই নিম্নলিখিত এক বা একাধিক মেজাজ প্রদর্শন করেন:
বিষণ্ণতা
উদ্বেগ
আগ্রহ হ্রাস
খিটখিটেভাব
অপমান / লজ্জা
অতিরিক্ত রাগ
হঠাৎ করে খুব বেশি শান্ত বা রিলিফ অনুভব করা
সংকেতগুলো উপস্থিত থাকলে আপনার করণীয়

আপনি যদি বর্তমানে কোন মানসিক বিশেষজ্ঞের চিকিৎসাধীন থেকে থাকেন তবে আপনার উপসর্গগুলো তাকে জানান। তিনি আপনার সাথে কথা বলে আপনার মানসিক অবস্থা এবং আপনার স্ট্রাগলগুলো বিবেচনায় নিয়ে আপনার বর্তমান রুটিনের কোন পরিবর্তন হবে কিনা কিংবা আপনার চিকিৎসার ধরনের কোন পরিবর্তন করতে হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।

যদি আপনি এখনও কোন কাউন্সিলরের শরণাপন্ন না হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই আপনি দেরী না করে একজন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন। এক্ষেত্রে আপনি সহজেই মায়ার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন। আপনি যখন কোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন সম্ভব হলে অবশ্যই আপনার পরিবারের কোন সদস্য, প্রিয়জন বা বন্ধুকে এ বিষয়ে অবগত করবেন।

যদি সমস্যাটি আপনার নিজের না হয়ে থাকে কিন্তু আপনি আপনার কোন পরিচিত বা প্রিয়জনকে এরূপ সংকেত প্রদান করতে দেখছেন তবে এক্ষেত্রে মায়ার মনোসামাজিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ হল-

ঐ ব্যক্তির সাথে খোলাখুলিভাবে আপনার উদ্বেগের কথা বলুন। তাকে বোঝান আপনি বা তার পরিবার ও প্রিয়জন তার পাশে রয়েছেন এবং সে তাদের কাছে কতটা মুল্যবান।
ব্যক্তির মানসিক কষ্টের কারণ এবং অবস্থা সম্পর্কে জানুন। তার কথাগুলো শুনুন।
তাকে জিজ্ঞেস করুন সে আত্মহননের ব্যাপারে ভাবছে কিনা।
সে উপযুক্ত সাহায্যকারী বা সাহায্যকারীর কাছে যেতেপারে এমন কারও কাছে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করা এবং সহযোগিতা করা। চেষ্টা করা যেন তিনি নিজেকে ব্যস্ত রাখেন এবং একা সময়কে প্রোডাক্টিভ কাজে লাগিয়ে কিছু করেন। কারণ একা থাকলে আমাদের মাঝে নানা নেতিবাচক চিন্তা হতে পারে যা আত্নহননের জন্য উদ্দীপনা দেয় যাদের মাঝে পূর্বে থেকেই এ চিন্তা আছে।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের এক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশে গড়ে প্রতিদিন ২৮ জন মানুষ আত্মহত্যা করে। যাদের বেশিরভাগই নারী। নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট আত্মহত্যাকারীদের বেশিরভাগের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। বর্তমান মহামারীতে এই হার আরও বাড়ার আশংকা রয়েছে।

করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী বাড়িতে থাকুক বা হাসপাতালে, এ সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা। ...
28/06/2021

করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী বাড়িতে থাকুক বা হাসপাতালে, এ সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা। তার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বা ঘনত্ব কমে যাচ্ছে কি না, খেয়াল করা। সুস্থ মানুষের অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশের মধ্যে থাকে।

রক্তে অক্সিজেনের ঘনত্ব আর হৃদ্‌স্পন্দনের গতি পরিমাপ করা যায় যে যন্ত্রের মাধ্যমে, তার নাম পালস অক্সিমিটার। এই যন্ত্র না থাকলেও একটা ছোট পরীক্ষার মাধ্যমে ফুসফুসের অবস্থা বুঝে নেওয়া যায়।

রোগীকে প্রথমে মুখ দিয়ে সজোরে বুকের ভেতরে থাকা বাতাস ছাড়তে হবে। তারপর ধীরে ধীরে গভীরভাবে নাক দিয়ে বাতাস টেনে শ্বাস ধরে রাখতে হবে। যদি ৭ সেকেন্ড এভাবে শ্বাস ধরে রাখতে সমস্যা হয়, তাহলে বুঝতে হবে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ শতাংশে নেমে এসেছে। আর যদি ৫ সেকেন্ড পর্যন্ত শ্বাস ধরে রাখতে সমস্যা হয়, তাহলে বুঝতে হবে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ৯০ শতাংশ।

■ করোনায় সংক্রমিত রোগীর জন্য দ্বিতীয় সপ্তাহটা গুরুত্বপূর্ণ। অনেকের এ সময় নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। কাশির পাশাপাশি শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়। গভীর বা লম্বা শ্বাস নেওয়ার সময়ে বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হতে পারে। এগুলো ফুসফুসে সংক্রমণজনিত প্রদাহের লক্ষণ।

■ অনেক সময় শুরুতে অক্সিজেনের ঘাটতি রোগী বুঝতে পারে না। দিব্যি সুস্থ–স্বাভাবিক মনে হয়। একে বলে ‘নীরব হাইপোক্সিয়া’।

■ রক্তে অক্সিজেন কমে গেলে শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি বেড়ে যায় (প্রতি মিনিটে ২৪-এর বেশি)। হৃদ্স্পন্দনের গতি (প্রতি মিনিটে ১০০-এর বেশি) বেড়ে যায়, বুকে ব্যথা হয় ও নিশ্বাসে সমস্যা হয়। ফলে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে, স্নায়ুতন্ত্র, এমনকি মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। এ সময় মাথা ঝিমঝিম করা, প্রচণ্ড দুর্বল লাগা, একটু পরিশ্রম বা হাঁটাহাটিতে সমস্যা হয়। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার লক্ষণ এগুলো।

■ অক্সিজেনের মাত্রা খুব বেশি কমে গেলে রোগীর ঠোঁট ও ত্বক নীল হয়ে যায়। এ সময় রোগীকে উপুড় করে শুইয়ে দিয়ে জোরে জোরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে বলতে হবে। এতে কিছুটা উপকার পাওয়া যায়। কারণ, এর ফলে ফুসফুসের একটা বড় অংশে সহজে বাতাস যায় এবং রক্ত সহজে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে। দ্রুত হাসপাতালে বা চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার: নীরব এই ঘাতক থেকে বাঁচতে আপনি যা যা করবেনলক্ষণউচ্চ রক্তচাপের একেবারে সুনির্দিষ্ট কোন ...
23/06/2021

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার: নীরব এই ঘাতক থেকে বাঁচতে আপনি যা যা করবেন

লক্ষণ
উচ্চ রক্তচাপের একেবারে সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ সেভাবে প্রকাশ পায় না। তবে সাধারণ কিছু লক্ষণের মধ্যে রয়েছে:
1. প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করা, মাথা গরম হয়ে যাওয়া এবং মাথা ঘোরানো
2. ঘাড় ব্যথা করা
3. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
4. অল্পতেই রেগে যাওয়া বা অস্থির হয়ে শরীর কাঁপতে থাকা
5. রাতে ভালো ঘুম না হওয়া
6. মাঝে মাঝে কানে শব্দ হওয়া
7. অনেক সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলা

উচ্চ রক্তচাপের কারণ
1. সাধারণত মানুষের ৪০ বছরের পর থেকে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে
2. অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
3. পরিবারে কারও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
4. নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম না করলে
5. প্রতিদিন ছয় গ্রাম অথবা এক চা চামচের বেশি লবণ খেলে
6. ধূমপান বা মদ্যপান বা অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাদ্য/পানীয় খেলে
7. দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা হলে
8. শারীরিক ও মানসিক চাপ থাকলে

উচ্চ রক্তচাপ হলে কী করবেন
জীবনযাপনে পরিবর্তন আর নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এজন্য কয়েকটি বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে:
1. খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়া - লবণের সোডিয়াম রক্তের জলীয় অংশ বাড়িয়ে দেয়, ফলে রক্তের আয়তন ও চাপ বেড়ে যায়।
2. ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করা - ধূমপান শরীরে নানা ধরণের বিষাক্ত পদার্থের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ফলে ধমনী ও শিরার নানারকম রোগ-সহ হৃদরোগ দেখা দিতে পারে।
3. ওজন নিয়ন্ত্রণ করা - শরীরের ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে হৃদযন্ত্রের অতিরিক্ত পরিশ্রম হয়। বেশি ওজনের মানুষের মধ্যে সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা যায়।
4. নিয়মিত ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম করা - নিয়মিত ব্যায়াম ও শারীরিক পরিশ্রম করলে হৃৎপিণ্ড সবল থাকে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। যার ফলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
5. মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা কম করা - রাগ, উত্তেজনা, ভীতি অথবা মানসিক চাপের কারণেও রক্তচাপ সাময়িকভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘসময় ধরে মানসিক চাপ অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা তৈরি হতে পারে।
6. খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা - মাংস, মাখন বা তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার খেলে ওজন বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া অতিরিক্ত কোলেস্টোরেল যুক্ত খাবার খাওয়ার কারণেও রক্তচাপের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। কারণ, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টোরেল রক্তনালীর দেয়াল মোটা ও শক্ত করে ফেলে। এর ফলেও উচ্চ রক্তচাপ দেখা যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত এবং আরও অনেক দেশের মত বাংলাদেশেও বিপুল সংখ্যক মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন।
'বাংলাদেশ জনমিতি স্বাস্থ্য জরিপ ২০১৭-১৮'-এর হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি চার জনের একজন উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব বলছে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগে থাকেন বিশ্বের প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ। আর এই সমস্যায় সারা বিশ্বে প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষ প্রতি বছর মারা যায়।
উচ্চ রক্তচাপ কী?
হৃৎপিণ্ডের ধমনীতে রক্ত প্রবাহের চাপ অনেক বেশি থাকলে সেটিকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
দু'টি মানের মাধ্যমে এই রক্তচাপ রেকর্ড করা হয় - যেটার সংখ্যা বেশি সেটাকে বলা হয় সিস্টোলিক প্রেশার, আর যেটার সংখ্যা কম সেটা ডায়াস্টলিক প্রেশার।
প্রতিটি হৃৎস্পন্দন অর্থাৎ হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও সম্প্রসারণের সময় একবার সিস্টোলিক প্রেশার এবং একবার ডায়াস্টলিক প্রেশার হয়।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০ মিলিমিটার মার্কারি।
কারও ব্লাড প্রেশার রিডিং যদি ১৪০/৯০ বা এর চেয়েও বেশি হয়, তখন বুঝতে হবে তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে।
অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশেপাশে থাকে, তাহলে তাকে লো ব্লাড প্রেশার হিসেবে ধরা হয়।
যদিও বয়স নির্বিশেষে রক্তচাপ খানিকটা বেশি বা কম হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ হলে কী সমস্যা তৈরি হয়?
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অঙ্গে জটিলতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ থেকে হৃদযন্ত্রের পেশি দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং এর ফলে দুর্বল হৃদযন্ত্র রক্ত পাম্প করতে না পেরে ব্যক্তির হৃতপিণ্ড কাজ বন্ধ করতে পারে বা হার্ট ফেল করতে পারে।
এছাড়া, এমন সময় রক্তনালীর দেয়াল সঙ্কুচিত হয়ে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও থাকে।
উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, মস্তিষ্কে স্ট্রোক বা রক্তক্ষরণও হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে।
আর বিশেষ ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের কারণে রেটিনায় রক্তক্ষরণ হয়ে একজন মানুষ অন্ধত্বও বরণ করতে পারেন।
ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক আফরোজা আনোয়ার জানান যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উচ্চ রক্তচাপের কারণ নির্দিষ্ট করে জানা যায় না।
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, "যাদের ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের কারণ নির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব হয় না, তাদের ক্ষেত্রে সেটিকে প্রাইমারি বা এসেনশিয়াল ব্লাড প্রেশার বলা হয়ে থাকে।"
"উচ্চ রক্তচাপের সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো, অনেক সময়ই উচ্চ রক্তচাপের কোনো প্রাথমিক লক্ষ্মণ দেখা যায় না। লক্ষ্মণ না থাকলেও দেখা যায় শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে এবং রোগী হয়তো বুঝতেই পারেন না যে তার মারাত্মক শারীরিক ক্ষতি হচ্ছে।"
অপেক্ষাকৃত বয়স্ক মানুষের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বেশি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে বলে বয়স ৪০ হওয়ার পর থেকে কয়েক মাস অন্তর ব্লাডপ্রেশার মাপা দরকার বলে মন্তব্য করেন মিজ আনোয়ার।
আর যারা দীর্ঘ দিন ধরে রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের প্রতি সপ্তাহে একবার প্রেশার মেপে দেখা উচিত।
তবে একবার রক্তচাপ বেশি দেখা গেলেই যে কারও উচ্চ রক্তচাপ আছে, সেটা বলা যাবে না।
পর পর তিন মাস যদি কারও উচ্চ রক্তচাপ দেখা যায়, তখনই বলা যাবে যে তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে।

 #কিডনি_রোগের_প্রথমিক_লক্ষন #প্রস্রাবে_পরিবর্তনকিডনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবে পরিবর্তন হওয়া। কিডনির সমস্যা হলে ...
08/06/2021

#কিডনি_রোগের_প্রথমিক_লক্ষন

#প্রস্রাবে_পরিবর্তন
কিডনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবে পরিবর্তন হওয়া। কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাব বেশি হয় বা কম হয়। বিশেষত রাতে এই সমস্যা বাড়ে। প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়। অনেক সময় প্রস্রাবের বেগ অনুভব হলেও প্রস্রাব হয় না।
#প্রস্রাবের_সময়_ব্যথা
প্রস্রাবের সময় ব্যথা হওয়া কিডনির সমস্যার আরেকটি লক্ষণ। মূলত প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া- এগুলো ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের লক্ষণ। যখন এটি কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে তখন জ্বর হয় এবং পিঠের পেছনে ব্যথা করে।
#প্রস্রাবের_সাথে_রক্ত_যাওয়া
প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে এটি খুবই ঝুঁকির বিষয়।এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ।
#দেহে_ফোলা_ভাব
কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনিতে রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে।
#মনোযোগ_দিতে_অসুবিধা_হওয়া
লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়ার কারণে মস্তিস্কে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। এতে কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হয়।
ীত_বোধ_হওয়া
কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে।
#ত্বকে_র‍্যাশ_হওয়া
কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়লে রক্তে বর্জ্য পদার্থ বাড়তে থাকে। এটি ত্বকে চুলকানি এবং র‍্যাশ তৈরি করতে পারে।
#বমি_বা_বমি_বমি_ভাব
রক্তে বর্জ্যনীয় পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় কিডনির রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে।
#ছোটো_ছোটো_শ্বাস
কিডনি রোগে ফুসফুসে তরল পদার্থ জমা হয়। এ ছাড়া কিডনি রোগে শরীরে রক্তশূন্যতাও দেখা দেয়। এসব কারণে শ্বাসের সমস্যা হয়, তাই অনেকে ছোট ছোট করে শ্বাস নেন।
#পেছনে_ব্যথা
কিছু কিছু কিডনি রোগে শরীরে ব্যথা হয়। পিঠের পাশে নিচের দিকে ব্যথা হয়। এটিও কিডনি রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ।

করোনার পর ডায়াবেটিস রোগীরা যেসব বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন১। নিয়মিত রক্তে শর্করা মাত্রা পরীক্ষা করুন। রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসক...
30/05/2021

করোনার পর ডায়াবেটিস রোগীরা যেসব বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন

১। নিয়মিত রক্তে শর্করা মাত্রা পরীক্ষা করুন। রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

২। রক্তচাপও মাপুন। হাইপারটেনশন যাতে না হয়ে যায়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৩। ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে মিউকরমাইকোসিস হওয়ার সম্ভবনা বেশি। তাই মাথা ব্যথা, নাকে কালচে ছোপ, দাঁতে ব্যথা, মুখ অবশ হয়ে যাওয়া, নাক দিয়ে চাপা কালো রক্ত পড়ার মতো উপসর্গ নিয়ে খুব সচেতন থাকুন। নাক-কান-গলার চিকিৎসকের কাছে পরীক্ষা করে নিতে পারেন।

৪। কোভিড চিকিৎসায় প্রচুর পরিমাণে স্টেরয়েড ব্যবহার করতে হয়েছে যাদের, তারা অবশ্যই রক্ত পরীক্ষা করাবেন। অনেক ‘নিউ ডায়াবেটিস’ রোগী ধরা পড়ছেন রক্ত পরীক্ষা করার পর। মানে আগে যাদের ডায়বেটিস ছিল না, তাদেরও কোভিডের পর এই রোগ হওয়ার প্রবণতা তৈরি হচ্ছে।

৫। খাওয়া-দাওয়ার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। পুষ্টিবিদ রেশমী রায় চৌধুরী জানাচ্ছেন, প্রোটিন খাওয়ার জন্য অনেকেই বাজার থেকে নিয়ে এসে প্রোটিন ড্রিঙ্ক খাচ্ছেন। কিন্তু এই ড্রিঙ্কগুলোয় প্রচুর পরিমাণে সুগার থাকে। তাই এর বদলে সাধারণ মাছ-চিকেন-দই-ছানা খাওয়াই ভাল।

৬। ফলের রস খেতে চাইলে টাটকা ফলের রস তৈরি করুন। বাজারের ক্যান্ড ফলের রসে প্রচুর বাড়তি চিনি দেওয়া থাকে।

৭। পাতিলেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে। কিন্তু লেবুর সরবতে চিনি মেশাবেন না।

৮। শরীরচর্চা অত্যন্ত জরুরি। কোভিড হওয়ার পর শরীরে ক্লান্তি থেকে যায় বহুদিন। তাই বিশ্রাম নিতে হয়। এতে শরীরের নড়াচড়াও অনেকটা কমে যায়। স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শর্করা মাত্রা বেড়ে যায়। সেটা ঠিক করতে হলে অল্প অল্প করে শরীরচর্চা শুরু করুন। প্রথমেই শরীরকে বাড়তি চাপ দেবেন না। সহজ যোগাসন করতে পারেন। নিশ্বাসের ব্যায়াম করুন।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সাথে লড়াইয়ে ক্লান্ত পৃথিবী। অদৃশ্য এই ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠলেও এর প্রভাব থাকে বহুদিন। আর ডায়াবেটিসের মতো রোগ করোনা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে। সুস্থ হওয়ার পরও জটিলতার প্রবণতা থেকেই যায়। তাই কয়েকটি বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

Address

Bangladesh
Dhaka
1208

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 24/7 Health Take & Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram