Dr.shuvobrata karmoker

Dr.shuvobrata karmoker Dr.Shuvobrata Karmoker
MBBS (ShSMC)
BCS
FCPS (Surgery) Final part
MS Course (Orthopaedic Surgery)

16/12/2025
16/12/2025

মাত্র ৩০ দিন নিজের সাথে এই চ্যালেঞ্জটা নিন। তারপর নিজেকেই চিনতে পারবেন না।

১. ঘুম থেকে উঠবেন ভোর সাড়ে চারটায়৷
২. দুই গ্লাস পানি হালকা গরম করুন৷ গরম না করতে পারলে নরমাল তাপমাত্রা হলেও হবে৷ ভুলেও ঠান্ডা পানি বা ফ্রীজের পানি নেবেন না৷ প্রথম গ্লাস পানি খেয়ে ফেলুন। পরের গ্লাস পানিতে কিছু লেবুর রস চিপে দিন। ওটাও খেয়ে ফেলুন৷ এই পানি খাওয়ার আগে ব্রাশ করা যাবে না৷

৩. পানি খাওয়া শেষ হলে ওয়াশরুমে যান। ব্রাশ করুন। ফ্রেশ হোন৷ পবিত্র হোন, অজু করুন।
৪. এবার যে যার ধর্মমতে প্রার্থনায় বসুন৷
৫. প্রার্থনা শেষে একটু কালোজিরা চিবিয়ে খান৷ তারপর একটু মধু খান।

৬. এবার বই নিয়ে বসুন৷ ধর্মীয় গ্রন্থ বা নন ফিকশন, প্রেরণামূলক কিছু। অন্তত দশ পৃষ্ঠা পড়তে চেষ্টা করুন৷ এটা সারাদিন আপনাকে ইতিবাচক ভাইব দেবে।

৭. এবার বাইরে যান৷ মুক্ত বাতাসে হাঁটতে হবে আধাঘন্টা৷ গ্রাম বা মফস্বলের মানুষের জন্য তাজা বাতাস পাওয়া সুবিধা৷ শহরের অধিবাসীদের জন্য মুশকিল৷ পার্কে গেলে ভালো, নাহলে ছাদে যান৷ আধাঘন্টা ফ্রী হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন৷ এ সময় বুক ভরে শ্বাস নিন৷ ধীরে ধীরে ছাড়ুন৷ কয়েকবার এমন করুন। ব্যায়াম করাই লাগবে।

৬. এবার এসে গোসল করে ফেলুন৷ তারপর সকালের নাস্তা৷ নাস্তায় রাখতে চেষ্টা করুন ডিম সেদ্ধ, খেজুর দুই তিনটা, ভেজানো কাঠবাদাম চারটা৷ এটুকু হলেই সারাদিনের শক্তির জন্য যথেষ্ট। শুধু পানি ছাড়া আর কিছু না খেলেও চলে৷

৭. এবার আপনার পেশাগত কাজে বেরিয়ে পড়ুন। ঋতু অনুযায়ী স্বাচ্ছন্দ্যের পোশাক পরুন। বাইরে মাস্ক পরা ভালো৷ বিষাক্ত ধুলোবালি ফুসফুসে যাতে না যায়।

৮. সারাদিনের খাবারে চিনি পুরোপুরি ত্যাগ করুন৷ কোমল পানীয় তো ধরবেনই না, চা কফিতেও চিনি দেবেন না।

৯. ভাজাপোড়া খাবেন না৷ শিঙাড়া, সমুচা, পুরি, পিয়াজু, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, পিৎজা, বার্গার এসব জিনিস পুরোপুরি হারাম ঘোষণা করুন৷ খেতে ইচ্ছে করলে কলা খাবেন, পেয়ারা খাবেন। দাম এগুলোর কম, তবে দারুণ স্বাস্থ্যকর।
খাবারে পর্যাপ্ত সবুজ শাক সবজি রাখুন৷ ভাতের পরিমাণ কম রাখবেন। পেট ভরে খাবেন না। কিছুটা খালি যাতে থাকে।

১০. সারাদিনে বেশ কয়েকবার হাত মুখ ধোয়া ভালো৷ যারা মুসলিম তাদের তো অজু করাই লাগে, অন্যরাও চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিন।

১১. কাজ শেষে বাসায় এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন৷ রাত সাড়ে আটটা নয়টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করুন। পরিবারের সবার সাথে একসাথে খেলে ভালো, আপনি দূরে থাকলে একাই খেতে হবে, বা আপনার রুমমেট, মেসমেট যিনি থাকবে, তার সাথে খান৷

১২. খাওয়ার পর কিছুটা হাঁটা ভালো৷ ভালো হয় এশার নামাজ খাওয়ার পর আদায় করলে। তাহলে একসাথে ব্যায়ামটা হয়ে যায়৷ ডাইজেস্টের জন্য ভালো।

১৩. এবার ফোন টিপুন৷ সোশাল মিডিয়াতে কেউ জরুরি মেসেজ দিলে উত্তর দিন। আপনজনদের খোঁজখবর নিন৷ দিনের খবরাখবর দেখুন। পছন্দের অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। এই সময়ে লেখালেখি করতে পারেন৷ ডায়েরিতে দিনের ঘটনাগুলো লিখুন৷ বা বিশেষ কোনো অনুভূতি যা আপনাকে নাড়া দেয়৷ কোনো স্মৃতিকথা। লেখালেখির অভ্যাস থাকা দারুণ ব্যাপার৷

১৪. ঘুমাতে চেষ্টা করুন রাত দশটা সাড়ে দশটার মধ্যে৷ ঘুমের এক ঘন্টা আগে ফোন বা সকল ডিভাইসের স্ক্রিন বন্ধ করুন৷ তখন কাগজের বই খুলতে পারেন৷ অথবা অডিওবুক শুনতে পারেন৷ পছন্দের জনরার গল্প শুনলেন, বা প্রিয় বক্তার আলোচনা বা পডকাস্ট৷ এগুলো শুনতে হবে৷ স্ক্রিনে চোখ রেখে দেখা যাবে না৷ কানে ইয়ারফোন দিয়ে শুনবেন না৷ সহনীয় মাত্রার সাউন্ডে স্পীকারে শুনুন৷ শুনতে শুনতেই ঘুম এসে যাবে৷

এই রুটিনটা একটি মাস অনুসরণ করুন৷ যদি জীবন ইতিবাচকভাবে বদলে না যায়, যদি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা না আসে, তাহলে আপনার ইচ্ছামতো রুটিনে ফিরে যাইয়েন৷ একটা মাস কষ্ট করে এই রুটিনটা মেনে দেখুন।

14/12/2025

✅হেমোরেজিক স্ট্রোক ঘটে যখন মস্তিষ্কের ভেতরের কোনো রক্তনালি হঠাৎ ফেটে যায় এবং আশপাশের টিস্যুর মধ্যে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে। মস্তিষ্ক চাপের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাই যেখানে রক্ত জমা হওয়ার কথা নয় সেখানে রক্ত জমলে তা আশপাশের অংশগুলোকে চেপে ধরে এবং তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে। এর ফলে খুব দ্রুত উপসর্গ দেখা দেয়। অনেক সময় হঠাৎ করে অত্যন্ত তীব্র মাথাব্যথা শুরু হয়। পাশাপাশি দুর্বলতা, অবশভাব, বিভ্রান্তি, বমি বা এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়াও হতে পারে।

এই ধরনের স্ট্রোক সাধারণত দুইভাবে হয়। একটিতে মস্তিষ্কের গভীরে থাকা একটি ছোট ধমনি ফেটে যায়, যা সাধারণত দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপের কারণে ঘটে—কারণ এতে ধমনির দেয়াল ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। অন্যটি হলো যখন ধমনির ওপর বেলুনের মতো একটি ফোলা অংশ, যাকে অ্যানিউরিজম বলা হয়, ফেটে যায় এবং মস্তিষ্কের চারপাশের ফাঁকা স্থানে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনা বিশেষভাবে বিপজ্জনক, কারণ রক্তপাত খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হলো রক্তপাত বন্ধ করা, খুলি বা মাথার ভেতরের চাপ কমানো এবং আরও ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করা। ডাক্তাররা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ওষুধ দিতে পারেন বা ক্ষতিগ্রস্ত রক্তনালি মেরামত করতে কিংবা জমে থাকা রক্ত অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচার করতে পারেন। সুস্থ হয়ে ওঠা নির্ভর করে রক্তপাতের আকার ও অবস্থান এবং কত দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া গেছে তার ওপর। দ্রুত চিকিৎসা জীবন বাঁচাতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতা কমাতে সাহায্য করে।

মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়া—ইতিহাস, সারভাইভাল, বাস্তবতামাথায় গুলি ঢুকে অন্যদিকে বের হওয়া—এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানে সবচেয়ে মারাত্ম...
13/12/2025

মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়া—ইতিহাস, সারভাইভাল, বাস্তবতা

মাথায় গুলি ঢুকে অন্যদিকে বের হওয়া—এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানে সবচেয়ে মারাত্মক ইনজুরিগুলোর একটি। তবুও ইতিহাসে কিছু মানুষ বেঁচে গেছে, আর সেই গল্পগুলো দেখলেই বুঝবেন আমাদের শরীর কতটা লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

ইতিহাসে যারা বেঁচে গেছে

১) ফিনিয়াস গেজ (Phineas Gage – 1848)
লোহার রড চোখের নিচ দিয়ে ঢুকে মাথার ওপরে দিয়ে বের হয়েছে।
সে শুধু বেঁচেই যায়নি, কথা বলতে, হাঁটতে, কাজ করতেও ফিরেছিল।
তার ব্যক্তিত্ব কিছুটা বদলেছিল, কিন্তু জীবন পুরোপুরি থেমে যায়নি।
২) গ্যাবি গিফোর্ডস (US Congresswoman – 2011)
মাথায় সরাসরি গুলি।
জীবিত থেকেছেন, নিউরো রিহ্যাব নিয়ে হাঁটা-চলা, কথা বলা—সবই ফিরিয়ে এনেছেন।
৩) সামরিক ও বেসামরিক ট্রমা সেন্টারের শত শত কেস

সেখানে দেখা গেছে—
যদি গুলিটি ধীরগতির (low-velocity) হয়
যদি কোনো vital deep structure পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়
যদি দুই পাশের টেম্পোরাল হাড় ভেদ করে বাইরে বের হতে পারে
তাহলে বাঁচার সম্ভাবনা “শূন্য না”—বরং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য।
মাথার টেম্পোরাল থেকে টেম্পোরালে গুলি—কি সমস্যা হতে পারে
যদি গুলি টেম্পোরাল বোন দিয়ে ঢুকে অন্য টেম্পোরাল দিয়ে বের হয়, তাহলে সাধারণত যে ঝুঁকিগুলো দেখা যায়—

১) শ্রবণশক্তির ক্ষতি
মধ্যকর্ণ বা ইনার কানের কাছ দিয়ে ক্ষতি হতে পারে।

২) স্মৃতি ও আবেগের পরিবর্তন
টেম্পোরাল লোব স্মৃতি, আবেগ, ব্যক্তিত্ব—এসব নিয়ন্ত্রণ করে।

৩) ভাষা সমস্যা
বাম পাশ দিয়ে গেলে speech-related সমস্যা হতে পারে (aphasia)।

৪) ভারসাম্য বা টেনে হাঁটার সমস্যা
৫) খিঁচুনি (Post-traumatic epilepsy)

এটা খুব কমন।

৬) কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তিত্ব পরিবর্তন
যেমন—সহজে রেগে যাওয়া, সিদ্ধান্তে ধীর হয়ে যাওয়া, আবেগের ওঠানামা ইত্যাদি।

সারভাইভাল রেট—কত পারসেন্ট?
বিশ্বব্যাপী গবেষণায় দেখা গেছে—
Penetrating gunshot to head overall survival: ৮ থেকে ১৫%
Entry–exit (through-and-through) injuries: কিছু ক্ষেত্রে সারভাইভাল আরও বেশি, কারণ bullet cavity pressure কম থাকে।

Temporal to temporal wounds:
বাঁচার সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি, কারণ brainstem সাধারণত বেঁচে যায়।

সেরা সেন্টারগুলোতে এই রেট ২০–৩০% পর্যন্ত উঠতে দেখা গেছে—যদি রোগী

তৎক্ষণাৎ সার্জারিতে যায়

vital organ বেঁচে থাকে

intracranial pressure দ্রুত ঠিক করা যায়

বেঁচে গেলে পরবর্তী করণীয় (Standard Neuro-Trauma Pathway)

১) জরুরি নিউরোসার্জারি

হাড়ের টুকরা বের করা

রক্ত জমাট সরানো

ইনফেকশন কন্ট্রোল

ICP কমানো

2) ICU Care

ভেন্টিলেশন
সেডেশন
খিঁচুনি প্রতিরোধ
ব্রেইন ফাংশন মনিটরিং

৩) রিহ্যাবিলিটেশন
ফিজিওথেরাপি
স্পিচ থেরাপি
মেমরি ট্রেনিং

সাইকোলজিকাল রিহ্যাব
অনেক রোগী মাসের পরে মাস ধরে উন্নতি দেখায়।
কেউ কেউ আবার জীবনে নিজের অবস্থানে ফিরে যায়—যদিও কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে।

মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়া মানে “ফিনিশ”—এমন চিন্তা সবসময় ঠিক না।
ইতিহাস, বাস্তব অভিজ্ঞতা আর নিউরোসার্জারি—সবই বলে একটা কথা:

মানুষের শরীর অসাধারণ রকমের লড়াই করতে জানে।

যে রোগীরা এমন ইনজুরির পরেও বেঁচে যায়, তাদের চরিত্রে একটা জিনিস থাকে—
লেগে থাকা, হাল না ছাড়া, আর ধীরে ধীরে নিজেকে ফেরানোর মানসিক শক্তি।

আর চিকিৎসকদের ভূমিকা—
প্রতিটি মিনিট কাজে লাগানো, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া, আর রোগীকে ধৈর্য ধরে সাপোর্ট দেওয়া।

08/12/2025

🆘 Mass Casualty :

“যখন আহত বা অসুস্থ মানুষের সংখ্যা স্থানীয় চিকিৎসা-সেবার সক্ষমতার চেয়ে বেশি হয়ে যায়—তখন তাকে Mass Casualty Incident বলা হয়।”

👉 উদাহরণ:
বড় ভূমিকম্প
ভবন ধস
ট্রেন/বাস/লঞ্চ দুর্ঘটনা
বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ড
সন্ত্রাসী হামলা

♻️প্রথম করণীয় :

১) এলাকা নিরাপদ কিনা দেখুন

আগুন, ধোঁয়া, তার, গ্যাস লিক—ঝুঁকি থাকলে কাছে যাবেন না।

তারপর সাহায্য শুরু করুন।

✅টিম ভাগ (সাধারণত ৫টি সেল)

1. Triage Team – দ্রুত রোগী বাছাই করবে
2. Treatment Team – প্রতিটি কালার গ্রুপ অনুযায়ী চিকিৎসা দেবে
3. Transport Team – অ্যাম্বুলেন্স/হাসপাতাল রেফার সমন্বয়
4. Logistics Team – অক্সিজেন, স্ট্রেচার, টর্চ, PPE, ব্যান্ডেজ ইত্যাদি
5. Communication & Record Team – তথ্য সংগ্রহ, নির্দেশ প্রেরণ, রিপোর্টিং

---

২) আগে হাঁটতে পারে এমন লোকদের আলাদা করুন

একটা কথা বলুন:
👉 “যারা হাঁটতে পারেন—এইদিকে আসুন!”
তারা সাধারণত ✅ GREEN (কম আহত)।

---

৩) যারা হাঁটতে পারে না—তাদের দ্রুত বাছাই করুন

🔴 RED (জরুরি/বাঁচানো সম্ভব এখনই)

শ্বাস নিতে কষ্ট

প্রচুর রক্তপাত

অজ্ঞান কিন্তু শ্বাস আছে
➡ ততক্ষণে চাপ দিয়ে রক্ত বন্ধ করুন + দ্রুত চিকিৎসা পাঠান

🟡 YELLOW (মাঝারি আঘাত)

ভাঙা হাড় কিন্তু শ্বাস স্বাভাবিক

মাঝারি ব্যথা
➡ সামান্য অপেক্ষা করতে পারে

🟢 GREEN (হালকা আঘাত)

কেটে গেছে / ছোট চোট

নিজের পায়ে হাঁটতে পারে
➡ নিরাপদ জায়গায় বসতে দিন

⚫ BLACK (জীবন নেই বা বাঁচানো সম্ভব নয়)

এয়ারওয়ে ঠিক করার পরও শ্বাস নেই
➡ ঢেকে রাখুন, অন্যদের বাঁচানোর কাজে মনোযোগ দিন

---

৪) সবচেয়ে জরুরিদের আগে চিকিৎসা/হাসপাতালে পাঠান

RED → প্রথমে

YELLOW → পরে

GREEN → শেষে

BLACK → সরাবেন না, শুধু আলাদা রাখুন

---

৫) মনে রাখবেন --🔥

"Try the most lives, not every life.”

বেশি মানুষকে বাঁচাতে দ্রুত বাছাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

আতঙ্ক নয় → শান্ত থেকে কাজ করুন

নিজের নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করুন

🛑 বিষাক্ত সাপ কামড় দিলে করণীয় :✅ ১. যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যানসাপের কামড়ের একমাত্র কার্যকর চিকিৎসা হলো অ্যান্টিভেনম (A...
08/12/2025

🛑 বিষাক্ত সাপ কামড় দিলে করণীয় :

✅ ১. যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যান

সাপের কামড়ের একমাত্র কার্যকর চিকিৎসা হলো অ্যান্টিভেনম (AVS)—এটি শুধু হাসপাতালে পাওয়া যায়।

সময় নষ্ট করবেন না: ৩০–৬০ মিনিটের মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছানো সবচেয়ে ভালো।
---

✅ ২. আক্রান্ত অঙ্গ স্থির রাখুন (IMMOBILIZATION)

হাত কামড়ালে হাত পেটের কাছে বেঁধে রাখুন।

পা কামড়ালে পা সোজা করে রাখুন।

নড়াচড়া যত কম হবে, বিষ শরীরে তত কম ছড়াবে।

---

❌ যা কখনো করবেন না

❌ কেটে বিষ বের করার চেষ্টা করবেন না

❌ টুর্নিকেট বা শক্ত করে বাঁধবেন না (রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে অঙ্গ নষ্ট হয়)

❌ চুষে বিষ বের করবেন না

❌ বরফ লাগাবেন না

❌ আগুন/চুন-পাতা/ঝাড়ফুঁক/তেল-গন্ধ কিছুই ব্যবহার করবেন না

❌ ঘরোয়া ওষুধ বা হার্বাল কিছু দেবেন না

এসব কাজ শুধু পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে।
---
🧼 ৩. ক্ষতস্থান পরিষ্কার করুন

যেখানে কামড় দিয়েছে সেখানে হালকা পানি দিয়ে ধুতে পারেন, কিন্তু ঘষাঘষি করবেন না।

কোন অ্যান্টিসেপ্টিক, কেমিক্যাল বা ভেষজ লাগাবেন না।
---

🧊 ৪. রোগীকে শান্ত রাখুন

ভয়, দৌড়াদৌড়ি এবং উত্তেজনায় বিষ দ্রুত ছড়ায়।

রোগীকে বসিয়ে বা শোয়ানোর অবস্থায় শান্ত রাখুন।

---

🎗 ৫. কামড়ের সময় ও সাপের রঙ মনে রাখলে ডাক্তারদের উপকার হবে

তবে সাপ ধরতে বা মারতে যাবেন না—এতে আরও বিপদ হতে পারে।

সাপের ছবি তোলারও দরকার নেই।

---

🚑 হাসপাতালে ডাক্তার যা করবেন

রোগীর উপসর্গ দেখে বিষাক্ত নাকি বিষহীন তা নির্ধারণ করবেন

প্রযোজ্য হলে অ্যান্টিভেনম দেবেন

শ্বাসকষ্ট হলে অক্সিজেন বা প্রয়োজনে ভেন্টিলেশন

রক্তক্ষরণ বা কিডনি সমস্যার জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা

---

⚠️ যখনই হাসপাতালে যেতে হবে

সাপটি বিষাক্ত হোক বা না-হোক, নিম্নের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে—

চোখে ঝাপসা দেখা

ঠোঁট/পালস অসাড় হওয়া

শ্বাস নিতে কষ্ট

প্রচণ্ড ব্যথা ও ফোলা

রক্তপাত বা কালো দাগ হওয়া

মাথা ঘোরা, বমি, ঘাম

---

⭐ সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ কথা

✅সাপের কামড় মানেই রোগীর মৃত্যু নয়।
✅বিষাক্ত সাপ ৩০ % ক্ষেত্রেই ড্রাই বাইট দেয়।অর্থাৎ
কামড় দিলেই যে শরীরে বিষ ঢুকাবে ৩০% ক্ষেত্রে এমন নাও হতে পারে।
✅সঠিক সময়ে হাসপাতালে চিকিৎসা পেলে ৯০% এর বেশি রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে।

06/12/2025

🟪শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু টিপস:

১) চিনি নয় এক বছর বয়সের আগে:
চিনি শিশুর দাঁতের ক্ষয় (early childhood caries), স্থূলতা ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বাড়ায়। এক বছরের আগে শিশুর কিডনি ও হজম প্রক্রিয়া এখনো অপরিণত থাকে, তাই অতিরিক্ত চিনি ক্ষতিকর। মিষ্টি স্বাদের জন্য কলা বা খেজুরের মতো প্রাকৃতিক উৎস বেছে নিন।

২) ৮+ মাসে দুগ্ধজাত খাবার:
এই বয়সে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D দরকার হয় হাড় শক্ত করার জন্য। তাই সামান্য চিজ, টক দই, ঘি—পাস্তুরিত দুধ থেকে তৈরি হলে নিরাপদ। কাঁচা দুধজাত খাবার দিলে সংক্রমণ (যেমন ব্রুসেলোসিস, সালমোনেলোসিস) হতে পারে।

৩) ডিমের সময়:
৭ মাসে কুসুম দিয়ে শুরু করুন, কারণ এতে আয়রন ও ফ্যাট আছে যা মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে। সাদা অংশ ৮-৯ মাসের আগে না দেওয়া ভালো, কারণ এতে অ্যালার্জির ঝুঁকি বেশি।

৪) ১৮ মাসের আগে গরুর দুধ নয়:
গরুর দুধে আয়রন কম ও প্রোটিন বেশি থাকে, যা রক্তস্বল্পতা ও কিডনি লোডের ঝুঁকি বাড়ায়। তবে দুধজাত খাবার (যেমন দই বা পনির) দেয়া নিরাপদ, কারণ সেগুলোতে প্রোটিন আংশিক ভেঙে যায়।

৫) সাইট্রাস ফল:
লেবু, কমলা, মাল্টা—এগুলোতে ভিটামিন C থাকে, যা আয়রন শোষণে সাহায্য করে ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বয়স অনুযায়ী অল্প করে দিন যাতে অম্লতার সমস্যা না হয়।

৬) সবুজ ও রঙিন সবজি:
বিভিন্ন রঙের সবজিতে ভিটামিন A, C, ফলেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে—যা শিশুর চোখ, ত্বক ও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।

৭) প্রোটিন উৎস:
মাছ ও ডিমে উচ্চমানের প্রোটিন, DHA ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে অপরিহার্য। চিকেন দিতে পারেন, তবে লাল মাংস (রেড মিট) সপ্তাহে ১–২ বারের বেশি না।

৮) তাজা খাবার:
রান্না করা খাবার দুই ঘণ্টার বেশি রাখলে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়, যা খাদ্যবিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। তাই প্রতিবার নতুন তৈরি করে দিন। কোনো খাবারে অ্যালার্জি বা ডায়রিয়া হলে তা বন্ধ রাখুন।

৯) পানি:
পর্যাপ্ত পানি কিডনি কার্যকারিতা বজায় রাখে ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। তবে অতিরিক্ত পানি দিলে বুকভরা দুধ খাওয়ার আগ্রহ কমে যেতে পারে।

১০) খেলা ও শারীরিক নড়াচড়া:
মুভমেন্ট শিশুর হাড়, পেশি ও মোটর স্কিলের বিকাশে সাহায্য করে। দিনে অন্তত এক ঘণ্টা সক্রিয় খেলাধুলার সময় দিন।

Dr.Tanvir Ahmed

05/12/2025

সন্তান জেদ করলে

🔸জেদে প্রশ্রয় দিলে জেদ বাড়বে। কাজেই সন্তানের জেদ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করুন। অর্থাৎ জেদ করে যে আচরণই করুক, আপনি তাকাবেন না, বুঝাবেন না, সমালোচনা করবেন না, তার চাহিদা পূরন করবেন না।

🔸জেদে করে আচরণের সীমা অতিক্রম করলে শাস্তির পরিবর্তে সন্তানের প্রাপ্য সুবিধা সাময়িকভাবে কমিয়ে দিন (কথা বলা, যত্ন করা, গিফট দেয়া ইত্যাদি)! অর্থাৎ তাকে আপনার আচরণের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিন তার অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যবহারে তার প্রাপ্য সুবিধা কমে যাবে।

🔸জেদে ক্রমশ প্রশ্রয় এবং মনোযোগ না পেলে ধীরে ধীরে এটা কমে যাবে।

ডাঃ মেখলা সরকার
সাইকিয়াট্রিস্ট

Psychiatrist Dr. Mekhala Sarkar

সার্জারির পর দ্রুত সুস্থতা (Enhanced Recovery After Surgery - ERAS)(একে “Fast-track surgery” ও বলা হয়)ERAS হলো একটি আধু...
05/12/2025

সার্জারির পর দ্রুত সুস্থতা (Enhanced Recovery After Surgery - ERAS)

(একে “Fast-track surgery” ও বলা হয়)

ERAS হলো একটি আধুনিক, বৈজ্ঞানিক ও বহু-বিভাগীয় (multidisciplinary) পদ্ধতি যার মাধ্যমে সার্জারির শারীরিক ও মানসিক চাপ কমিয়ে রোগীকে দ্রুত সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা হয়।

মূল লক্ষ্য (Aims):

সার্জারির পর শরীরের চাপ ও জটিলতা কমানো

হাসপাতাল থাকার সময় কমানো

রোগীর দ্রুত আরোগ্য ও স্বাভাবিক কার্যকলাপে ফেরা

ERAS এর ধাপসমূহ (Phases):

🟩 ১. প্রি-অপারেটিভ পর্যায় (Preoperative phase):

রোগীকে সার্জারি ও পুনরুদ্ধার সম্পর্কে শিক্ষা ও কাউন্সেলিং

পুষ্টির ঘাটতি পূরণ (দীর্ঘ সময় উপবাসে না থাকা; অপারেশনের ২ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত কার্বোহাইড্রেট ড্রিঙ্ক দেয়া যায়)

ব্যায়াম ও শ্বাস-প্রশ্বাস অনুশীলন

অপ্রয়োজনীয় বাওয়েল প্রিপারেশন এড়ানো

২. ইনট্রা-অপারেটিভ পর্যায় (Intraoperative phase):

ল্যাপারোস্কোপিক বা মিনি-ইনভেসিভ টেকনিক ব্যবহার

সঠিক পরিমাণে তরল দেওয়া (না বেশি, না কম)

শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখা

মাল্টিমোডাল পেইন কন্ট্রোল (কম ওপিওয়েড ব্যবহার)

বমি বমি ভাব বা নসিয়া প্রতিরোধ

৩. পোস্ট-অপারেটিভ পর্যায় (Postoperative phase):

অপারেশনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খাবার শুরু

রোগীকে দ্রুত বসা বা হাঁটানো (early mobilization)

দ্রুত ড্রেন ও ক্যাথেটার অপসারণ

নন-ওপিওয়েড ওষুধে ব্যথা নিয়ন্ত্রণ

নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও ডিসচার্জ পরিকল্পনা

ERAS এর উপকারিতা (Benefits):

দ্রুত সুস্থতা ও হাসপাতাল থেকে ছাড়

জটিলতা (ইনফেকশন, ইলিয়াস ইত্যাদি) কমে যায়

ব্যথা ও ক্লান্তি কমে

রোগীর সন্তুষ্টি বৃদ্ধি

চিকিৎসা ব্যয় হ্রাস

♻️যেসব সার্জারিতে ERAS ব্যবহৃত হয়:

কোলোরেক্টাল সার্জারি

গাইনিকোলজিক সার্জারি

অর্থোপেডিক (যেমন জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট)

ইউরোলজিক ও ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি

04/12/2025
🛑 ৪ বছরের একটি বাচ্চা মেয়ে  আজ সকালে  খেলার সময়  পড়ে যেয়ে  মাঝারি সাইজের কেচির সামনের ধারালো অংশ গলার ভিতরে থুতনীর নিচের...
04/12/2025

🛑 ৪ বছরের একটি বাচ্চা মেয়ে আজ সকালে খেলার সময় পড়ে যেয়ে মাঝারি সাইজের কেচির সামনের ধারালো অংশ গলার ভিতরে থুতনীর নিচের অংশে ডান পাশে ঢুকিয়ে ফেলে।দু:খের বিষয় ছবিতে দৃশ্যমান কেচির ভাঙ্গা অংশের পুরোটাই ভিতরে ছিল।বাইরে থেকে কোন অংশ দেখা যাচ্ছিল না।

বিকালে ঢাকা মেডিকেল ক্যাজুয়াল্টি বিভাগে ইমার্জেন্সি সার্জারি করে বের করা হয়।অপারেশন এর সময় বড় রক্তনালীর ইঞ্জুরি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।
ভগবানের কৃপায় ক্যাজুয়াল্টি টিমের দক্ষতায় কোন রকম জটিলতা ছাড়ায় ভাঙ্গা অংশটি বের করা হয়।সার্জারী করেন ডা: Shamim Khan Topu ভাই।😍

#বাচ্চাদের সামনে ধারলো চাকু/ কেচি রাখবেন না।কখন বিপদ চলে আসে বলা যায় না।

যারা অনেকদিন ধরে Low Back Pain ( পিছনের কোমড়ে ব্যাথা) এ ভুগছেন তাদের জন্য কিছু পরামর্শ  :  #সোজা ভঙ্গিতে বসুন ও দাঁড়ান  ...
04/12/2025

যারা অনেকদিন ধরে Low Back Pain ( পিছনের কোমড়ে ব্যাথা) এ ভুগছেন তাদের জন্য কিছু পরামর্শ :

#সোজা ভঙ্গিতে বসুন ও দাঁড়ান
#শক্ত বিছানা ও নিচু বালিশে ঘুমান
#ভারী কাজ অথবা উপুড় হয়ে কাজ করবেন না
#ব্যথার জায়গায় গরম স্যাক দিন।
#হাই কমোড ব্যবহার করুন
#নিয়মিত Low back muscle strengthening exercises করবেন। ব্যায়াম এর ভিডিও লিংক কমেন্টে।

58 seconds · Clipped by shuvo karmoker · Original video "কোমরের কোন ব্যথায় কোন ব্যায়াম করবেন ও কোনটা করবেন না | Back Pain Best Exercise (ভাইরাল)" by Dr.Md....

Address

Dhaka

Telephone

+8801825822277

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.shuvobrata karmoker posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category