সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ

সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ কুফর ও শিরক মুক্ত নববী চিকিৎসার প্রসারই আমাদের লক্ষ্য।

মানুষ কেন রাক্কির চেয়ে জাদুকরকে বেশি টাকা দিয়ে হলেও চিকিৎসা করাতে যায়১. দ্রুত ফল পাওয়ার তাড়াহুড়া ও ভ্রান্ত ধারণাঅন...
04/05/2026

মানুষ কেন রাক্কির চেয়ে জাদুকরকে বেশি টাকা দিয়ে হলেও চিকিৎসা করাতে যায়

১. দ্রুত ফল পাওয়ার তাড়াহুড়া ও ভ্রান্ত ধারণা
অনেক মানুষ দ্রুত “জাদুর মতো সমাধান” চায়, যা তাদের ইচ্ছার সাথে মিলে যায়।
রুকইয়া (শরয়ী ঝাড়ফুঁক) নির্ভর করে ইবাদত, ধৈর্য ও আল্লাহর উপর বিশ্বাসের ওপর।
অন্যদিকে জাদুকররা দ্রুত ফলের প্রতিশ্রুতি দেয় (যদিও তা মিথ্যা বা সাময়িক), আর এই লোভে পড়ে মানুষ বেশি টাকা খরচ করে হলেও কবিরাজ এর কাছে যায়

২. “ব্যবসা” বনাম “ইবাদত”
🔸 জাদুকররা:
তারা ভয় দেখিয়ে, জীনের দ্বারা রহস্য তৈরি করে ও সুযোগ নিয়ে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করে। এতে রোগী মনে করে—যত দামি, তত কার্যকর। আর এতো ভেল্কি দেখালো এই ঠিক।
🔸 রুকইয়া কারীরা:
রুকইয়া মূলত একটি নেক কাজ এবং মানুষের উপকারের জন্য করা হয়। অনেক সত্যিকারের রুকইয়া কারী খুব কম পারিশ্রমিক নেন বা নেনই না। কেননা তারা আমল দেন ইবাদত করতে বলেন কোরআন পড়তে হারাম হালাল মেনে চলতে বলে পর্দা করতে পারে।
দুঃখজনকভাবে, সহজলভ্য হওয়ার কারণে অনেকে দাম বেশি হলেও ইবাদত আমল করার ভয়ে মানুষ কবিরাজ এর কাছে যায়

৩. সচেতনতার অভাব ও মানসিক দুর্বলতা
অনেক সময় মানুষ অসহায় হয়ে যেকোনো কিছুর উপর ভরসা করে।
জাদুকররা ভয় দেখিয়ে বা চাপ সৃষ্টি করে টাকা আদায় করে—যেমন “জাদু উল্টে যাবে” ইত্যাদি বলে। তাবিজ শিরিক এর নোংরা পথে জীন এর দ্বারা ভেল্কি দেখায়ে তারা তাদের বাধ্য করে

অন্যদিকে রুকইয়া একটি সংশোধনমূলক পথ, যেখানে রোগীকেও নিজেকে পরিবর্তন করতে হয় এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে হয়—যা সবার পক্ষে সহজ নয়।

৪. উদ্দেশ্যের পার্থক্য
🔹 রুকইয়ার উদ্দেশ্য: আরোগ্য ও মানসিক শান্তি, যা সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর হাতে। রুকইয়া কারী শুধু একটি মাধ্যম।
🔹 জাদুকরের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্য: অনেক সময় প্রতিশোধ, অন্যকে ক্ষতি করা বা নিয়ন্ত্রণ করার ইচ্ছা থেকে মানুষ যায়।
এই ধরনের উদ্দেশ্য মানুষকে তার লক্ষ্য পূরণের জন্য বেশি টাকা খরচ করে হলেও কবিরাজ এর কাছে যায়।

৫. কবিরাজ রা মিথ্যা আশ্বাস গ্যারান্টি নানা রকম জাদু দেখায়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে
সেখানে রাকি এসব মিথ্যা বলেনা গ্যারান্টি দিতে পারে না তখন মানুষ বিভ্রান্ত হয়েও কবিরাজ এর কাছে যায়
আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

গিট, বাঁধন, জাদু ভাঙার আয়াতসমূহ🔸 শিকল কাটা ও বন্ধ করা‌ জাদু থেকে মুক্তির আয়াতএই আয়াতগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ—চোখ লাগা, হিং...
01/05/2026

গিট, বাঁধন, জাদু ভাঙার আয়াতসমূহ
🔸 শিকল কাটা ও বন্ধ করা‌ জাদু থেকে মুক্তির আয়াত

এই আয়াতগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ—
চোখ লাগা, হিংসা, জিনের আসর, জাদু (বিশেষ করে বংশগত জাদু), এবং অদৃশ্য বন্ধন ও শিকল কেটে দিতে সাহায্য করে (আল্লাহর ইচ্ছায়)।
🌿 এই আয়াতগুলো উপকারী—
জীন জাদুর ও শারীরিক সকল সমস্যার জন্য (আল্লাহর অনুমতিতে)
🔹 ব্যবহারের নিয়ম:
পানি পড়ে দিনে বারবার পান করা
সেই পানি দিয়ে গোসল করা
জলপাই তেলে পড়ে খাওয়া ও শরীরে মালিশ করা
নিয়ত খুব গুরুত্বপূর্ণ
প্রতিটি আয়াত ৩ বা ৭ বার পড়ে ফুঁ দেওয়া
📖 আয়াতসমূহ
সূরা মায়িদা ৩৩
বাকারা ১৬৬
আলে ইমরান ১২৭
আনআম ৯৪
মুমিনুন ৫৩
আরাফ ৭২
ইসরা ২৯
আল্লাহ অপবিত্রতা দূর করে পবিত্র করতে চান (আহলুল বাইত আয়াত)
10–21. বিভিন্ন আয়াতে “কাটা”, “ধ্বংস”, “ছিন্ন করা” ইত্যাদি শব্দ এসেছে—যা প্রতীকীভাবে বন্ধন ভাঙার অর্থে ব্যবহার করা হয়।
🔥 গিঁট ভাঙা ও ধ্বংসের আয়াত
👉 পাহাড় উড়িয়ে দেওয়া, সবকিছু ধ্বংস করা, পানি ফেটে বের হওয়া—এ ধরনের আয়াতগুলো পড়া হয় গিঁট ও জাদু ভাঙার নিয়তে।
🌿 উদাহরণ:
“আল্লাহ পাহাড়গুলো উড়িয়ে দেবেন” (তাহা ১০৫)
“সবকিছু ধ্বংস করে দেয়” (আহকাফ ২৫)
“মূসা (আ.) লাঠি মারলে পানি ফেটে বের হলো” (বাকারা ৬০)
➡️ এগুলো সাধারণত ৭ বার করে পড়া হয়
🔓 মুক্তি ও খুলে যাওয়ার (ফাতহ) আয়াত
👉 এসব আয়াত রিযিক, বরকত, ও সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য পড়া হয়
🌿 উদাহরণ:
“আমি তোমার জন্য স্পষ্ট বিজয় দান করেছি” (ফাতহ ১)
“আল্লাহ যাকে রহমতের দরজা খুলে দেন…” (ফাতির ২)
“যদি তারা ঈমান আনত, আমরা বরকত খুলে দিতাম” (আরাফ ৯৬)
🛡️ জাদু নষ্ট করার আয়াত
👉 এগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত রুকইয়াহ আয়াত
আয়াতুল কুরসি (৭ বার)
সূরা আরাফ (১১৭–১২২)
সূরা ইউনুস (৮১–৮২)
সূরা ত্বহা (৬৯–৭০)
➡️ প্রতিটি ৭ বার করে পড়া হয়
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
কুরআনের আয়াত নিজেই শিফা, তবে এগুলোকে “নির্দিষ্ট ফর্মুলা” মনে করা ঠিক নয়
সবচেয়ে সহীহ রুকইয়াহ হলো:
সূরা ফাতিহা
আয়াতুল কুরসি
সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস
নিয়ত, ঈমান ও আল্লাহর উপর ভরসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
অবশ্যই এর সাথে হিজামা আবশ্যসালাত মাসনুন আমল সুরা বাকার অত্যাবশ্যকীয।

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

জলপাই তেলের মাধ্যমে চিকিৎসা (ইস্তিশফা) ভাই ও বোনেরা, শরীরে জলপাই তেল লাগানো এবং তা পান করার বিষয়টি কুরআন ও সুন্নাহতে উল...
01/05/2026

জলপাই তেলের মাধ্যমে চিকিৎসা (ইস্তিশফা)
ভাই ও বোনেরা, শরীরে জলপাই তেল লাগানো এবং তা পান করার বিষয়টি কুরআন ও সুন্নাহতে উল্লেখ রয়েছে। এটি উপকারী, উত্তম ও বরকতময়। আমি নিজেও সবসময় আমার চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করি এবং যেকোনো ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে এটি ব্যবহার করার পরামর্শ দিই।

কিছু রুকইয়া (ঝাড়ফুঁক) চিকিৎসক বলেন যে, অসুস্থ ব্যক্তির জন্য জলপাই তেল ব্যবহার করা ঠিক নয়, কারণ এটি “গরম প্রকৃতির”—বিশেষ করে যদি কারো উপর আগুন প্রকৃতির জাদু থাকে বা “গরম নজর” লাগে। তারা মনে করেন, এই তেল ব্যবহার করলে শরীরে তাপ আরও বেড়ে যায় এবং জমা হয়। আর এর বিকল্প হিসেবে সরিষার তেল কে ব্যবহার করতে বলেন যা সম্পূর্ণ ভুল।

কিন্তু আমি বলছি, এসব ধারণা ভিত্তিহীন ও কুসংস্কার ছাড়া কিছুই নয়। এই কথা কোথা থেকে এসেছে? কুরআন ও সুন্নাহতে যেসব বিষয় স্পষ্টভাবে এসেছে, সেগুলোকে নিজেদের মতামত বা ব্যাখ্যার মাধ্যমে বদলানো বা বিরোধিতা করা ঠিক নয়।

তাই আপনারা জলপাই তেল পান করুন এবং শরীরে লাগান। এটি একটি বরকতময় গাছ থেকে আসে এবং অত্যন্ত উপকারী। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেছেন:
“ওয়াত্তীনি ওয়াজ্জায়তুন” — “শপথ ডুমুর ও জলপাইয়ের।”

অতএব, আল্লাহ আপনাদের বরকত দিন—ধর্মীয় বিষয়গুলো স্পষ্ট এবং এর নিজস্ব নিয়ম, শর্ত ও নীতিমালা রয়েছে।
এই কারণে বলছি, জলপাই তেল প্রত্যেক রোগীর জন্য উপকারী। এটি এমন একটি উত্তম ও কার্যকর জিনিস, যা রোগীর চিকিৎসা ও দৈনন্দিন আমলে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি—তিনি যেন আমাদের সকলকে তাওফিক দান করেন, সঠিক পথে রাখেন, সাহায্য করেন এবং শক্তি দান করেন। তিনি যেন আমাদের এবং সমস্ত মুসলিম রোগীদের শিফা দেন, পরীক্ষাগ্রস্তদের সুস্থতা দান করেন। নিশ্চয়ই তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উপর, তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের উপর। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সমগ্র জগতের প্রতিপালক। পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য, এবং জালিমদের জন্য কোনো সফলতা নেই।

♨️ গর্ভাশয়ের জাদু (সিহরুল আরহাম)গর্ভাশয়ের জাদু হলো এমন এক ধরনের জাদু যা সাধারণত নারীদের সাথে সম্পর্কিত। এটাকে “গর্ভাশয...
01/05/2026

♨️ গর্ভাশয়ের জাদু (সিহরুল আরহাম)
গর্ভাশয়ের জাদু হলো এমন এক ধরনের জাদু যা সাধারণত নারীদের সাথে সম্পর্কিত। এটাকে “গর্ভাশয়ের জাদু” বলা হয় কারণ এই জাদুটি গর্ভাশয়ের এলাকায় বাঁধা হয়। এর লক্ষণগুলো নিম্নরূপ—
প্রথমঃ বিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে গর্ভাশয়ের জাদুর লক্ষণ
1- নারী স্বপ্নে অদ্ভুত ও ভয়ংকর আকৃতির কিছু নারী দেখে, যারা তার গর্ভাশয়ে হাত ঢুকাচ্ছে—এবং সে জেগে উঠে ব্যথা অনুভব করে।
2- স্বপ্নে দেখে যেন পেটের ভেতরে একটা বল নড়াচড়া করছে গর্ভাশয়ের মধ্যে।
3- স্বপ্নে বারবার শিশু দেখা।
4- স্বপ্নে সাপকে গর্ভাশয় থেকে বের হতে বা ঢুকতে দেখা।
5- বুকে প্রচণ্ড চাপ অনুভব করা, তীব্র মাথাব্যথা—বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীর মিলনের সময় বৃদ্ধি পায়, সাথে অস্থিরতা এবং মাসিকের সময় ব্যথা।
6- কোমরের পাশে (কিডনির আশেপাশে) ব্যথা।
7- পেটে ব্যথা।
8- পায়ুপথে ব্যথা।
9- কখনো কখনো রক্তপাত হয়—হালকা বা বেশি হতে পারে।
10- কোমরের নিচের অংশে ব্যথা, যা গর্ভাশয়ের সাথে সম্পর্কিত।
11- মাসিক অনিয়মিত হওয়া, মাঝে মাঝে বন্ধ হয়ে যাওয়া।
12- মাসিক চক্রের অস্থিরতা।
13- গর্ভপাত হওয়া বা গর্ভ সম্পূর্ণ না হওয়া।
14- বন্ধ্যাত্ব বা ভ্রূণের বিকৃতি।
15- যোনি থেকে দুর্গন্ধযুক্ত তরল বের হওয়া।
16- স্বামী কাছে এলে তাকে ভিন্নরকম মনে হওয়া, ভয় পাওয়া, খারাপ গন্ধ অনুভব করা—যার ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরক্তি ও দূরত্ব তৈরি হয়, যদিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকে।
17- গর্ভাশয়, জরায়ুমুখ ও যোনির প্রদাহের মতো জ্বালা ও ব্যথা অনুভব করা, যার কারণে স্বামীর প্রতি অনীহা তৈরি হয়।
18- ডিম্বস্ফোটন নষ্ট হয়ে যাওয়া, অথবা বীর্যপাতের সময় পুরুষের শুক্রাণু নষ্ট হয়ে যাওয়া—যাতে নিষিক্তকরণ না হয় বা বাইরে বের হয়ে যায়।
19- ডিম্বাণুর স্বাভাবিক হরমোন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া, অথবা ডিম্বাণু যাওয়ার নালী (ফ্যালোপিয়ান টিউব) বন্ধ হয়ে যাওয়া।
20- ডিম্বস্ফোটনের সময় স্ত্রীর স্বামীর প্রতি অনীহা এবং যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া—যাতে নিষিক্তকরণ না হয়।
দ্বিতীয়ঃ অবিবাহিত (কুমারী) মেয়েদের ক্ষেত্রে লক্ষণ
1- মেয়ে নিজেকে যৌন হয়রানি বা আক্রমণের শিকার মনে করে বা এমন অভিযোগ করে।
2- গর্ভাশয়ে স্থায়ী ব্যথা, নাভির নিচে অনুভূত হয় এবং পেটের দুই পাশে ছড়িয়ে পড়ে।
3- যোনিতে প্রদাহ ও বেশি স্রাব—ঘন, স্বচ্ছ রঙের; রুকইয়া (ধর্মীয় ঝাড়ফুঁক) পড়া বা শোনার সময় বেড়ে যায়; দুর্গন্ধ ও চুলকানি থাকে।
4- মাসিকের অনিয়ম—অতিরিক্ত রক্তপাত (ইস্তিহাযা)।
5- গর্ভাশয়ের এলাকায় গরম অনুভূতি, সুচ ফোটার মতো অনুভূতি এবং অস্বাভাবিক নড়াচড়া।
6- মাথাব্যথা, কোমরের নিচে ব্যথা, শরীরে ঝিনঝিন ভাব, বুকে চাপ, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, অলসতা ও দুর্বলতা—এছাড়াও অন্যান্য লক্ষণ দেখা যায়।
হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

বাথটাব গোসল♨️ পুরো শরীরের জন্য গোসলের রেসিপি ♨️🏊 সম্পূর্ণ শরীরের জন্য সাধারণ মগটস👈 আধ্যাত্মিক সমস্যার জন্য পরীক্ষিত সেরা...
01/05/2026

বাথটাব গোসল
♨️ পুরো শরীরের জন্য গোসলের রেসিপি ♨️
🏊 সম্পূর্ণ শরীরের জন্য সাধারণ মগটস
👈 আধ্যাত্মিক সমস্যার জন্য পরীক্ষিত সেরা চিকিৎসাগুলোর একটি
#পদ্ধতি...
🏊 এমন একটি বড় মগটস/টব যাতে পুরো শরীর ঢুকে যায়
#যেমন... বাথটাব
🔹 এর মধ্যে রুকইয়া পড়া পানি দেওয়া হবে
🔹 এতে লবণ দেওয়া হবে (৪ মুঠো)
🔹 এতে আপেল ভিনেগার (এক-চতুর্থাংশ কাপ), অথবা লেবু (এক-চতুর্থাংশ কেজি চিপা) দেওয়া হবে
🔹 এবং কস্ত হিন্দি (১ চামচ) দেওয়া হবে
🔹 তারপর এতে গুঁড়া করা সিদর পাতা দেওয়া হবে
🔹 তারপর এক মুঠো মাটি
🔹 এতে গোলাপ জল দিবে
🔹 সাথে একটু অরিজিনাল আতর দিবে
🏊 এরপর আক্রান্ত ব্যক্তি মগটসে নামবে
🔹 বরফ যোগ করা হবে
🔹 পানি তুলে মাথায় দেবে এবং পুরো শরীরে দেবে
🔹 নিজের শরীর মালিশ করবে
🔹 ম্যাসেজ গান দিয়ে ম্যাসেজ করবে বিশেষ করে যেখানে জীন জাদুর আঘাত বেশি
🏊 যদি সে বাথরুম টয়লেট এর সাথে না হলে বাইরে থাকে, তাহলে সে করতে পারেঃ
🔸 রুকইয়া শুনতে
🔸 মু’আউয্যাত (সূরা ফালাক ও নাস) পড়তে পড়তে শরীর মালিশ করতে
🏊 আর যদি বাথরুমের টয়লেট একসাথে মানে ভিতরে থাকে
👈 তাহলে শুধু মগটস করাই যথেষ্ট
⚕️ এতে বসে থাকবে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা
⚕️ যদি এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহ নিয়মিত করে
👈 তাহলে ইনশাআল্লাহ খুব ভালো ফলাফল পাবে
#জেনে রাখুন...
🏊 মগটসে একদিন = রুকইয়া পানি দিয়ে এক মাস গোসলের সমান

হাযিম গরীব

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

আমার কনসালটেন্সি চার্জ এক মাসের জন্য একজন ২৫০০ আর ৪জনের পরিবার ৩৫০০ এটা আমার বাসায় আসলে। এই চার্জ তিনি এক মাসে ১০বার আস...
01/05/2026

আমার কনসালটেন্সি চার্জ এক মাসের জন্য একজন ২৫০০ আর ৪জনের পরিবার ৩৫০০ এটা আমার বাসায় আসলে। এই চার্জ তিনি এক মাসে ১০বার আসলেও আমি তাকে সময় দিব আর দেইও আর কোন টাকা লাগে না। বাসায় গেলে তা যাষ্ট ডাবল হয় এই যা।

সময় ২-২.৫ ঘন্টা
এই ২.৫ঘন্টা কি করবেন কেন আক্রান্ত কোন জাদু বা জীন বা নাকি বদনজর এনালাইসিস করে বলা হয় জীন‌হলে কোন জীন জাদু হলে কেমন জাদু । এর জন্য আমার রোগীদের সাথে অনেক কথা বলা লাগে প্রায় ১০০+ প্রশ্নের উত্তর এর মাধ্যমে একটা আনুমানিক গ্রহনযোগ্য ডিশিসনে আসতে পারি।
সাথে কি করলে সমাধান কিভাবে করতে হবে সেল্ফ রুকিয়াহ গাইডলাইন করে দিয়া হয় সাথে রোগী যাতে নিজে নিজেই আয়ুর্বেদি চিকিৎসা বাসায় থাকা উপকরন দিয়ে করতে পারে তার ব্যবস্থা
চাইনিজ আকুপ্রেসার আর ট্যাপিং ব্যায়াম এর গাইড লাইন দেই।

আমি কখনোই কোন রোগীকে হিজামা করতে প্রেসার দেই না সব করার পর যদি তারা মনে করে করবে আসে আর সুস্থ হয়ে গেলে তাদের আশে পাশে কারো কাছে করতে বলি।

কিন্তু আমাকে ৩/৭দিন পর পর আপডেট না দিলে হাওয়া হয়ে যাওয়া রোগী ৭মাস বা এক বছর পর বলে আপু আমার কিছু হলো না তখন আর কথা বলতেই ইচ্ছে করে না।

আমি আরব রাকিদের থেকে যা শিক্ষিত যেগুলো আমার কাছে গ্রহনযোগ্য মনে হয় তা আবার ফেসবুক পোস্ট করি।

ফেতনার ভয়ে রিয়ার ভয়ে আমি সেন্টার করিনি আমার কোন প্রমোশনাল ফেক আইডি নাই বুষ্টিং নাই জাহির করার ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা নাই। কোন কার্ড বুশিয়ার নাই।

এরপর যদি কেও আমাকে ধর্ম ব্যবসায়ী বলেন তাহলে কিছু বলার নাই।

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

যদি দেখেন—বাড়ি বা দোকানের দরজা পার হতেই রিজিক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে… তাহলে শুধু কাজ নয়, দরজার দিকেও খেয়াল রাখুন।কিছু মানুষ আছে...
01/05/2026

যদি দেখেন—বাড়ি বা দোকানের দরজা পার হতেই রিজিক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে… তাহলে শুধু কাজ নয়, দরজার দিকেও খেয়াল রাখুন।
কিছু মানুষ আছে—
দক্ষ,
চেষ্টা করে,
গ্রাহকের সাথে কথা বলে,
ব্যবসা শুরু করে,
কাজে নামে,
সব দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করে।
তারপরও মনে হয়—কিছু একটা যেন দরজার কাছেই আটকে আছে।
গ্রাহক ঢোকে, কিন্তু কিছু কেনে না।
কাস্টমার জিজ্ঞেস করে, তারপর হারিয়ে যায়।
টাকা আসে কিন্তু পানির মত খরচ হয়ে যায়
মিটিং ঠিক হয়, আবার বাতিল হয়ে যায়।
বিক্রি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, কোনো কারণ ছাড়াই।
আর যখনই আপনি বের হতে বা কাজ করতে চান… শরীর ভারী লাগে, যেন পা এগোয় না।
এখানে একটি বিষয় বুঝতে হবে—
চেষ্টার দুর্বলতা আর রিজিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয় এক নয়।
কারণ কখনো কখনো সমস্যা শুধু টাকার না—
সমস্যা থাকে বাড়ি বা দোকানের প্রবেশপথে, চলার পথেই বাধা তৈরি হয়।
অনেকে এটাকে “ছিটানো জাদু” বা “নজর লাগা”র সাথে যুক্ত করে।
যে লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে:
1️⃣ দোকান খোলা বা কাজে বের হওয়ার সময় বুক চাপে আসা
2️⃣ চলার সময় পা ভারী লাগা
3️⃣ পিঠ ও কাঁধে চাপ অনুভব হওয়া
4️⃣ অনেক কথা হয়, কিন্তু বিক্রি সম্পন্ন হয় না
5️⃣ টাকা আসে, কিন্তু অদ্ভুত খরচে চলে যায়
6️⃣ স্বপ্নে বন্ধ দরজা, কাটা পথ, অন্ধকার দোকান, ফাঁকা বাজার বা ছেঁড়া জুতা দেখা
মূল কথা?
সব সময় রিজিকের সমস্যা শুধু বরকত কম হওয়ার জন্য নয়—
কখনো কখনো বাধা এমন জায়গায় থাকে, যেখানে রিজিক ঢোকার আগেই আটকে যায়।
৩ দিনের জন্য একটি আমল চেষ্টা করতে পারেন:
রুকিয়াহ পানি পান করুন,
আর বাড়ি বা দোকানের দরজায় ছিটান—এই নিয়তে যে, সব বাধা, নজর, হিংসা দূর হোক এবং রিজিকের পথ খুলে যাক।

এরপর দোয়া করুন:
“ইয়া ফাত্তাহ, ইয়া রায্জাক, আমাদের জন্য আপনার রিজিকের দরজা খুলে দিন।
যে কোনো নজর, বাধা বা ক্ষতি যা আমাদের পথে এসেছে, তা দূর করে দিন।
আমাদের থেকে সব ধরনের স্থবিরতা, মন্দা ও ক্ষতি দূর করুন।”
সুরা‌ বাকারা পড়ুন
রুকিয়াহ গোসল করুন
রুকিয়াহ পানি দিয়ে ঘর / দোকান ফ্লোর মুছুন।
কোন সালাত বাদ দিবেন না।
মাসনুন আমল করুন

আর এর সাথে সাথে বাস্তব পদক্ষেপ নিন—
মেসেজ পাঠান,
কাস্টমারের সাথে কথা বলুন,
কাজ গুছিয়ে নিন,
দোকান আগে খুলুন।
কারণ দোয়া পথ খুলে দেয়—
কিন্তু সেই পথে চলতে হবে আপনাকেই।
আপনার ক্ষেত্রে রিজিক কোথায় আটকে যাচ্ছে?
বাড়ির দরজায়?
দোকানে?
বিক্রির আগে?
নাকি টাকা হাতে আসার ঠিক আগ মুহূর্তে?

01/05/2026

#একটি_সুন্নাহকে_বাঁচাবো_বলেঃ
“পানির অপচয় রোধ!”
-
আমরা পানি খরচের ব্যাপার সতর্ক থাকি না।
ইচ্ছামতো পানির কল ছেড়ে দিয়ে কথা বলি।
মিসওয়াক করি।
অন্য কাজ করি।
পানি পড়ে যাচ্ছে তো যাচ্ছেই!
কতো জায়গায় মানুষ এক ফোঁটা পানির জন্যে হন্যে হয়ে ঘুরছে।
এক ঢোক পানির জেন্য মাইল কে মাইল চষে ফিরছে!
আমরা নদীমাতৃক দেশের নাগরিক হওয়াতে পানি সংকট কাকে বলে, টের পাই না।
তবে যারা শহরে থাকেন তারা মাঝেমধ্যে হাড়ে হাড়ে টের পান: পানির মূল্য কতো!
নবীজি সাঃ একদিন সা‘দ রাঃ এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন।
তিনি তখন ওজু করছিলেন।
পানি ব্যবহারে অতোটা সতর্ক ছিলেন না,
-সাদ! এ অপচয় কেন?
-ইয়া রাসূলাল্লাহ! ওজুতেও অপচয়?
-হাঁ, এমনকি তুমি বহমান নদীতেও যদি ওজু করো, সেখানেও অপচয় হতে পারে! (ইবনে মাজাহ)
নবীজি পানিকে কতোটা গুরুত্ব দিতেন, সাহাবীকে সতর্ক করা থেকেই কিছুটা আঁচ করা যায়।
অথচ তিনিই আবার ভালোভাবে ওজু করতে বলেছেন।
অর্থাৎ দুদিকেই লক্ষ্য রাখতে হবে।
আনাস রাঃ বলেছেন,
-নবীজি গোসল সারতেন একসা‘ অথবা পাঁচ ‘মুদ’ পরিমাণ পানি দিয়ে।
(বুখারী)
সা’: হলো, ৩.৩৬ লিটার।
মুদঃ হলো, আধাালিটারের চেয়ে কিছু বেশি!
একটু সচেতন হলেই আমরা মহান সুন্নাত আদায়ের সৌভাগ্য অর্জন করতে পারি।
পাশা-পাশি অপচয় রোধ করে, শয়তানের দোসর হওয়া থেকেও রক্ষা পেতে পারি।
তাছাড়া মনে রাখবেন অপচয়কারী শয়তানের ভাই

আমাদের পায়ের নিচে যাদু… “ছদ্মবেশের” এমন ফাঁদ যা কেউ দেখে না বিস্তারিত ব্যাখ্যা:সব যাদুই “লিখা কাগজ” আকারে হয় না। অনেক ...
25/04/2026

আমাদের পায়ের নিচে যাদু… “ছদ্মবেশের” এমন ফাঁদ যা কেউ দেখে না

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সব যাদুই “লিখা কাগজ” আকারে হয় না। অনেক সময় বলা হয়, যাদুকররা এমনভাবে তাদের কাজ লুকিয়ে রাখে যেন তা আশেপাশের পরিবেশের অংশ হয়ে যায়—ফলে মানুষ সহজে খেয়ালই করে না।

নিচে কিছু প্রচলিত ধারণা তুলে ধরা হলো:
🐾 প্রাণীর ছদ্মবেশ:
সিঁড়ি বা দরজার সামনে কখনও বিড়ালের মল, পশুর প্রস্রাব, পাখির হাড় বা চুলের গোছা দেখা যায়। অনেকে মনে করে এগুলো স্বাভাবিক, কিন্তু এই ধারণা অনুযায়ী এগুলো নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে ফেলে রাখা হয়।

🧩 অবহেলিত জিনিসপত্র:
ছোট কাপড়ের টুকরা, কাগজ, খাবারের বাকি অংশ বা আটা/ময়দার মতো কিছু দরজার পাশে পড়ে থাকতে পারে—এগুলোকে সাধারণ ময়লা না ভেবে বিশেষ উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছে—এমন ধারণাও প্রচলিত।

# ভেজানো মাটি বা বালিঃ এটা মুলত বাসার দরজার আর সিরিজ আর মেইন দরজার কাছে রাখা হয় যাতে যার নামে যাদু যতবার তাতে পা দিবে জাদু গুরুত্বর হতে থাকবে

💧 জাদুর পানি”
কখনও বলা হয়, দরজার সামনে এমন পানি ছিটানো হয় যার কোনো রং বা গন্ধ নেই। পানি শুকিয়ে গেলেও এর “প্রভাব” থেকে যায়।

উপহার সামগ্রী ঃ জাদুকর উপহার এর মাঝে জাদু দিয়ে দিতে পারে তা যতদিন রোগী ধরবে বা কাছে থাকবে তিনি অসুস্থ হবেন। এটা মুল্য কাপড় ব্যাগ সৌখিন দ্রব্য ব‌ই জায়নামাজ আতর ইত্যাদি যে করা হয় আর এই জাদু যেখানেই থাকবে সেখানে অদ্ভুত ঠান্ডায় স্যাঁতস্যাঁতে গুড়ুগম্ভির আবহাওয়া থাকবে

🚿 বাথরুম ও দুর্গন্ধের ফাঁদ:
বলা হয়, সবচেয়ে খারাপ ধরনের যাদু বাথরুমে রাখা হয়। কখনও খুব দুর্গন্ধ হতে পারে, যদিও পরিষ্কার থাকে। কেউ কেউ এটাকে পাইপ বা ড্রেনের সমস্যা না ভেবে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করে।
কেন বাথরুম?
মানুষ বারবার বাথরুমে যায়, তাই সেখানে রাখা কিছু বারবার প্রভাব ফেলে বেশি আর সেখানে মানুষ বেশি অরক্ষিত থাকে শয়তান দের আবাস স্থল তাই তার প্রভাব বেশি হয়

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:
এই ধারণা অনুযায়ী, যাদু নাকি সাধারণ ময়লা বা দুর্গন্ধের আড়ালে লুকিয়ে থাকে, যাতে মানুষ বুঝতে না পারে। লক্ষ্য হলো—মানুষ যেন অজান্তেই বারবার তার সংস্পর্শে আসে।

💡 পরামর্শ :
যদি দেখেন—
বাথরুমে দুর্গন্ধ পরিষ্কার করেও যাচ্ছে না
দরজার সামনে বারবার অদ্ভুত ময়লা দেখা যাচ্ছে। সিড়ি বাসায় অদ্ভুত বাজে গন্ধ ময়লা
তাহলে এগুলোকে শুধু সাধারণ ময়লা হিসেবে না দেখে অবশ্যই খারাপ বলে বিবেচনা করতে হবে

আরব রাকি
হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

 #🛡️✨ আপনার ঘর ও পরিবারকে শয়তান থেকে সুরক্ষিত রাখার গাইড 🏠👨‍👩‍👧‍👦⚠️ ঘরে শয়তানের প্রবেশ = সমস্যা 😔💔❌ স্বামী-স্ত্রীর মধ্...
25/04/2026

#🛡️✨ আপনার ঘর ও পরিবারকে শয়তান থেকে সুরক্ষিত রাখার গাইড 🏠👨‍👩‍👧‍👦
⚠️ ঘরে শয়তানের প্রবেশ = সমস্যা 😔💔
❌ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া
❌ সন্তানদের মধ্যে অশান্তি
❌ ঘরের ভিতরে দুঃখ ও মানসিক চাপ
🤲 হে আল্লাহ! আমাদের এবং আমাদের ঘরকে হেফাজত করুন, আমীন
📥 সহজ কিন্তু শক্তিশালী কিছু করণীয় 👇
━━━━━━━━━━━━━━━
#🚪 1️⃣ ঘরে প্রবেশের সময় সবাইকে বলুন:
“বিসমিল্লাহ এবং সালাম দিয়ে ঘরে প্রবেশ করতে । একা থাকলেও সালাম দিন
আর ঘরের সবাই ঘরে ঢুকে সুরা ইখলাস পড়বে আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করি”
পরিবারের সদস্যরা একে অপরকে সালাম দিন

━━━━━━━━━━━━━━━
#📿 2️⃣ আল্লাহর জিকির ভুলবেন না
✔️ সুন্নত নফল সালাত বাসার বিভিন্ন রুমে যেন পড়া হয়
✔️ আয়না ঢেকে রাখুন
💡 বেশি বেশি জিকির করুন জিকির ঘরকে সুরক্ষিত রাখে
━━━━━━━━━━━━━━━
#🍽️ 3️⃣ খাবারের সময়
🗣️ বলুন: “বিসমিল্লাহ”
😈 এতে শয়তান পালিয়ে যায় এবং আপনার খাবারে অংশ নিতে পারে না।
না বললে শয়তান অংশীদার হয়ে যায়
━━━━━━━━━━━━━━━
#📖 4️⃣ কুরআন ঘরের প্রাণ
প্রতিদিন কুরআন পড়ুন বা শুনুন। নিয়মিত খতমের জন্য পড়ার চেষ্টা করুন।
✨ এতে ঘর শান্তিতে ভরে যায়
😇 এবং শয়তান দূরে থাকে
━━━━━━━━━━━━━━━
5️⃣ সূরা আল-বাকারা
📌 নিয়মিত পড়ার চেষ্টা করুন
🚫 যে ঘরে এটি পড়া হয়, সেখানে শয়তান প্রবেশ করে না
💡 সমস্যা ও দুঃখ দূর করার মাধ্যম
━━━━━━━━━━━━━━━
#🎶❌ 6️⃣ গান বাজনা হারাম খেলা থেকে দূরে থাকুন
⚠️ গান বাজনা শয়তানকে আকর্ষণ করে রহমতের ফেরেশতা কে দুর করে
✔️ এর পরিবর্তে কুরআন ও জিকির করুন
━━━━━━━━━━━━━━━
❌ 7️⃣ ঘর‌ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন
ময়লা শয়তান কে আকৃষ্ট করে ।
✔️ ময়লা আবর্জনা পলিবদ্ধ করে সন্ধ্যার মধ্যে ঘরের বায়রে ডাস্টবিনে রাখুন। ছোট বাচ্চাদের প্যাম্পারস অপিরিচ্ছন্ন ময়লা কাপড় ঘরের মধ্যে না রেখে টয়লেট রাখুন। ঘরকে এগুলো থেকে পরিষ্কার রাখুন
━━━━━━━━━━━━━━━
❌ 8️⃣ ছবি ও মূর্তি ও বিরোধপূর্ণ প্রতীক সরিয়ে ফেলুন যেমন ক্রস বৌদ্ধদের সাইন হিন্দু দের সাইন ইত্যাদি
🚫 এগুলো ফেরেশতাদের প্রবেশে বাধা দেয়
এগুলো সরিয়ে ফেলা উত্তম
━━━━━━━━━━━━━━━
#🐕 9️⃣ ঘরে কুকুর রাখা
⚠️ এতে ফেরেশতারা প্রবেশ করেন না
✔️ তবে প্রয়োজনে ঘরের বায়রে রাখা যেতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
# 🔟 সকাল সন্ধ্যা রুকিয়াহ পানি ছিটানো। আর সপ্তাহে অন্তত একদিন রুকিয়াহ গোসল করুন।
━━━━━━━━━━━━━━━
দৈনিক সুরক্ষা
সন্তানদের সাথে করে সকাল বিকাল আর ঘুমানোর আগে মাসনুন আমল করুন
টয়লেট প্রবেশ বের হবার সময় দোয়া আর বাসা থেকে বের হবার সময় দোয়া করুন।
━━━━━━━━━━━━━━━
#🌿 প্রকৃত সুরক্ষার রহস্য
💡 আপনার ঘর শক্তিশালী হয়—
📿 আল্লাহর জিকিরে
📖 কুরআন তিলাওয়াতে
🙏 দোয়ায়
🚫 গুনাহ থেকে দূরে থাকলে
✨ ফলাফল: শান্তি + বরকত + প্রশান্তি 😌💚
━━━━━━━━━━━━━━━
📌 রুকইয়া শরইয়াহ বিশেষজ্ঞ
🕌 শায়খ আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ ইবন আল-আজামী
✍️ রুকইয়া বিষয়ে লেখক ও গবেষক
━━━━━━━━━━━━━━━
🤍 নবী ﷺ এর উপর দরুদ পাঠ করুন
🤲 আমাদের দোয়ায় স্মরণ রাখবেন

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

(গর্ভাশয়ে জাদু ও সন্তান ধারণে বাধা)আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের সবাইকে নিরাপদ রাখুন।🔸 গর্ভাশয়ের এলাকায় গরম অনুভূতি এবং সূচ ...
25/04/2026

(গর্ভাশয়ে জাদু ও সন্তান ধারণে বাধা)
আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের সবাইকে নিরাপদ রাখুন।
🔸 গর্ভাশয়ের এলাকায় গরম অনুভূতি এবং সূচ ফোটার মতো ব্যথা
🔸 আত্মীয়-স্বজন, বিশেষ করে স্বামীর প্রতি অকারণ বিরক্তি
🔸 তীব্র মাথাব্যথা, যা স্বামী-স্ত্রীর মিলনের সময় বেশি হয়
🔸 কোমরের নিচে ব্যথা
🔸 নারীর বুকের মধ্যে অস্বস্তি বা চাপ অনুভব হওয়া
🔸 বন্ধ্যাত্ব, ডিম্বাশয়ে সিস্ট, ভ্রূণের বিকৃতি, বারবার গর্ভপাত, অথবা সন্তান জন্মের আগে/পরে মারা যাওয়া
🔸 কোমরের নিচে ও গর্ভাশয়ে ব্যথা, মাসিক অনিয়মিত হওয়া, দেরিতে আসা বা টুকরো টুকরোভাবে হওয়া
🔸 জিনের কারণে ডিম্বাণুর স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি হওয়া
🔸 ডিম্বস্ফোটনের সময় স্বামীর প্রতি অনীহা ও যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া, যাতে গর্ভধারণ না হয়
🔸 হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা দিয়ে ডিম্বস্ফোটন নষ্ট করে দেওয়া
🔸 অনিদ্রা, দুঃস্বপ্ন, ভয়ঙ্কর স্বপ্ন—যেমন আক্রমণ বা নির্যাতনের অনুভূতি
🔸 স্বামীর প্রতি বিরক্তি এবং সহবাসে অনীহা, বিশেষ করে তীব্র ব্যথার কারণে
🔸 গর্ভাশয়ে জ্বালা ও ব্যথা, যা জরায়ুর সংক্রমণের মতো অনুভূত হয়, ফলে স্বামীর প্রতি অনীহা বাড়ে
🔸 গর্ভধারণের পর কিছুদিনের মধ্যে রক্তপাত হয়ে গর্ভপাত হয়ে যাওয়া
🔸 অতিরিক্ত রক্তপাত, অস্বাভাবিক স্রাব ও দুর্গন্ধ হওয়া
🔸 বারবার গর্ভধারণ হলেও গর্ভপাত হয়ে যাওয়া
🔸 গর্ভবতী অবস্থায় স্বপ্নে দেখা—কেউ তাকে মারছে বা কোনো বৃদ্ধা পেটে আঘাত করছে, এরপর জেগে উঠে গর্ভপাত হওয়া
🔸 স্বপ্নে বারবার শিশু দেখা
🔸 স্বপ্নে সাপ দেখা, যা গর্ভাশয় বা পেটে অবস্থান করছে

এসব ক্ষেত্রে সেল্ফ আমল রুকিয়াহর পাশাপাশি হিজামা অবশ্যই দরকার কেননা তা জরায়ুর সমস্যা সমাধানে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। তাই কোন লাকিকে দেখিয়ে গাইডলাইন নিয়ে চিকিৎসা শুরু করুন দেরি করবেন না।

🤲 গর্ভাশয়ের জাদু ও সন্তান ধারণে বাধা দূর করার দোয়া
হাত গর্ভাশয়ের জায়গায় রেখে মনোযোগ দিয়ে ধীরে ধীরে পড়ুন—
হে মানুষের প্রতিপালক আল্লাহ, কষ্ট দূর করে দিন এবং আপনি আরোগ্য দান করুন। আপনি-ই আরোগ্যদাতা, আপনার আরোগ্য ছাড়া কোনো আরোগ্য নেই—এমন আরোগ্য দিন যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখবে না।
হে আল্লাহ, গর্ভাশয়ে বাঁধা সব জাদু এবং সন্তান ধারণে বাধা সৃষ্টি করা সব গিঁট নষ্ট করে দিন।
হে আল্লাহ, যদি গর্ভাশয়ে কোনো জাদু, ক্ষতি, বদনজর বা হিংসা থাকে—আপনার শক্তিতে তা নষ্ট করে দিন, আপনার নূরে তা খুলে দিন এবং এমনভাবে বের করে দিন যাতে আর ফিরে না আসে।
হে শক্তিশালী, হে পরাক্রমশালী আল্লাহ, সব শয়তানি কাজ এবং সব খারাপ প্রভাব নষ্ট করে দিন যা সন্তান ধারণে বাধা দেয় বা নষ্ট করে।
হে আল্লাহ, গর্ভাশয়কে সম্পূর্ণ পবিত্র করে দিন, পূর্ণ আরোগ্য দান করুন এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে দিন।
হে আল্লাহ, প্রত্যেক বঞ্চিত মানুষকে নেক সন্তান দান করুন এবং তাদেরকে মা-বাবার চোখের শীতলতা বানান।
হে আল্লাহ, আপনি বলেছেন—"তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দেন"—তাই আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে উত্তম সন্তান দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি দোয়া শ্রবণকারী।
হে আল্লাহ, যা আমাদের উপর এসেছে তা যেন গুনাহ মাফের কারণ হয় এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করে, এবং শয়তানকে আমাদের উপর কর্তৃত্বশীল করবেন না।
হে আল্লাহ, যেখানেই, যেভাবেই, যে নামে জাদু করা হোক—সব নষ্ট করে দিন। নিশ্চয়ই আপনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
🤲 আল্লাহ আমাদের সকলকে দ্রুত সুস্থতা দান করুন। আমিন।

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

যখন গরম বেশি পড়বে তখন তোমরা নামাজ আদায় করো।কারণ অতিরিক্ত গরম হলো জাহান্নামের নিঃশ্বাস।¤ সহীহ মুসলিম-৬১৫।
25/04/2026

যখন গরম বেশি পড়বে তখন তোমরা নামাজ আদায় করো।কারণ অতিরিক্ত গরম হলো জাহান্নামের নিঃশ্বাস।

¤ সহীহ মুসলিম-৬১৫।

Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ:

Share