04/05/2026
মানুষ কেন রাক্কির চেয়ে জাদুকরকে বেশি টাকা দিয়ে হলেও চিকিৎসা করাতে যায়
১. দ্রুত ফল পাওয়ার তাড়াহুড়া ও ভ্রান্ত ধারণা
অনেক মানুষ দ্রুত “জাদুর মতো সমাধান” চায়, যা তাদের ইচ্ছার সাথে মিলে যায়।
রুকইয়া (শরয়ী ঝাড়ফুঁক) নির্ভর করে ইবাদত, ধৈর্য ও আল্লাহর উপর বিশ্বাসের ওপর।
অন্যদিকে জাদুকররা দ্রুত ফলের প্রতিশ্রুতি দেয় (যদিও তা মিথ্যা বা সাময়িক), আর এই লোভে পড়ে মানুষ বেশি টাকা খরচ করে হলেও কবিরাজ এর কাছে যায়
২. “ব্যবসা” বনাম “ইবাদত”
🔸 জাদুকররা:
তারা ভয় দেখিয়ে, জীনের দ্বারা রহস্য তৈরি করে ও সুযোগ নিয়ে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করে। এতে রোগী মনে করে—যত দামি, তত কার্যকর। আর এতো ভেল্কি দেখালো এই ঠিক।
🔸 রুকইয়া কারীরা:
রুকইয়া মূলত একটি নেক কাজ এবং মানুষের উপকারের জন্য করা হয়। অনেক সত্যিকারের রুকইয়া কারী খুব কম পারিশ্রমিক নেন বা নেনই না। কেননা তারা আমল দেন ইবাদত করতে বলেন কোরআন পড়তে হারাম হালাল মেনে চলতে বলে পর্দা করতে পারে।
দুঃখজনকভাবে, সহজলভ্য হওয়ার কারণে অনেকে দাম বেশি হলেও ইবাদত আমল করার ভয়ে মানুষ কবিরাজ এর কাছে যায়
৩. সচেতনতার অভাব ও মানসিক দুর্বলতা
অনেক সময় মানুষ অসহায় হয়ে যেকোনো কিছুর উপর ভরসা করে।
জাদুকররা ভয় দেখিয়ে বা চাপ সৃষ্টি করে টাকা আদায় করে—যেমন “জাদু উল্টে যাবে” ইত্যাদি বলে। তাবিজ শিরিক এর নোংরা পথে জীন এর দ্বারা ভেল্কি দেখায়ে তারা তাদের বাধ্য করে
অন্যদিকে রুকইয়া একটি সংশোধনমূলক পথ, যেখানে রোগীকেও নিজেকে পরিবর্তন করতে হয় এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে হয়—যা সবার পক্ষে সহজ নয়।
৪. উদ্দেশ্যের পার্থক্য
🔹 রুকইয়ার উদ্দেশ্য: আরোগ্য ও মানসিক শান্তি, যা সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর হাতে। রুকইয়া কারী শুধু একটি মাধ্যম।
🔹 জাদুকরের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্য: অনেক সময় প্রতিশোধ, অন্যকে ক্ষতি করা বা নিয়ন্ত্রণ করার ইচ্ছা থেকে মানুষ যায়।
এই ধরনের উদ্দেশ্য মানুষকে তার লক্ষ্য পূরণের জন্য বেশি টাকা খরচ করে হলেও কবিরাজ এর কাছে যায়।
৫. কবিরাজ রা মিথ্যা আশ্বাস গ্যারান্টি নানা রকম জাদু দেখায়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে
সেখানে রাকি এসব মিথ্যা বলেনা গ্যারান্টি দিতে পারে না তখন মানুষ বিভ্রান্ত হয়েও কবিরাজ এর কাছে যায়
আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন
আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুকইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা
পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।