31/03/2023
্প্রেইন.....
আকষ্মিক কোনো আঘাতের কারণে পায়ের গোড়ালির এক বা একাধিক লিগামেন্টে যদি টান খায় অথবা আংশিক বা পুরাপুরি ছিঁড়ে যায়, তখনই অ্যাংকেল স্প্রেইন হয়ে থাকে। ক্রিড়াবিদদের মধ্যে এটি একটি কমন ইনজুরি।
এর প্রধান কারণগুলো কি কি?
লিগামেন্টের উপর অত্যধিক চাপ পড়লে গাঁট বা জোড় নিজের অবস্থান থেকে সরে যেতে পারে। এর ফলে জোড় প্রসারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কিছু ক্রিয়াকলাপ যেমন হাঁটার সময় বেকায়দায় পা ফেলা, হাঁটার বা দৌড়ানোর সময় অথবা পড়ে যাওয়ার পর গোড়ালি মোচড় খেলে মচকানোর ঘটনা ঘটতে পারে। প্রচণ্ড মচকানোর ঘটনা বাররবার ঘটলে লিগামেন্ট এবং জোড় স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ হতে পারে।
লক্ষন:
১.পায়ের পাতায় ব্যথা হয় ও পা ফুলে যাওয়া।
২.আক্রান্ত জায়গা লাল হয়ে যায়।
৩. পায়ের পাতা ভেতরের দিকে নিতে গেলে প্রচণ্ড ব্যথা হয়, এমনকি হাত দিয়ে ছুঁলেও রোগী ব্যথা পেতে পারে।
৪. হাঁটতে সমস্যা হয়।
৫. প্রভাবিত অঙ্গ নাড়াতে অক্ষমতা।
৬. প্রভাবিত জায়গায় কালশিটে ভাব।
৭. প্রভাবিত জায়গায় সংবেদনশীলতা অনুভব।
নির্ণয়:
অবস্থার পরীক্ষা করতে এক্স-রে, স্ট্রেস এক্স-রে, এমআরআই স্ক্যান, ও আল্ট্রাসাউন্ডের মতো ইমেজিং কৌশলও ব্যবহার করা হতে পারে।
চিকিৎসা:
১. আক্রান্ত অংশের বিশ্রাম, ২. ব্যথানাশক ওষুধ, ওরাল ও ট্রপিক্যাল এনএসএআইডি, ৩. আঘাত পাওয়ার পরপরই আক্রান্ত অংশে বরফ লাগাতে হবে, ২০-৩০ মিনিট দিনে তিন-চারবার, ৪. পা উঁচু করে রাখতে হবে, ৫. হাঁটতে গেলে ব্যথা লাগলে ব্যথা না কমা পর্যন্ত ক্রাচ ব্যবহার করতে হবে (সাধারণত দুই-তিন দিন ব্যবহার করতে হয়), ৬. এ ছাড়া সিপ্লন্ট অথবা ব্রেসও ব্যবহার করা যেতে পারে।
৭. জয়েন্ট মোবিলাইজেশন এক্সারসাইজ,স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ খুবই কার্যকরী এই ক্ষেত্রে যা একজন এক্সপার্ট ফিজিওথেরাপি প্রাকটিশনার করে থাকেন।