Physio Link BD

Physio Link BD a positive initiative taken by us to provide rehab and pain management care trough Physiotherapy. Thanks you.

You may concern about Physiotherapy because it's one of the best treatment without any kinds of side effects .It's means its heals naturally.

 াম্বার__স্পনডাইলোসিস : কোমরের হাড়ের মধ্যবর্তী তরুণাস্থি বা ডিস্কের বার্ধক্যজনিত পরিবর্তনের কারণে সাধারণত লাম্বার স্পনডা...
08/06/2023

াম্বার__স্পনডাইলোসিস :

কোমরের হাড়ের মধ্যবর্তী তরুণাস্থি বা ডিস্কের বার্ধক্যজনিত পরিবর্তনের কারণে সাধারণত লাম্বার স্পনডাইলোসিস রোগের শুরু হয়। কোমরে ব্যথার অনেকগুলো কারণের মধ্যে এটিও একটি। সাধারণত ৩০ বছর বয়সের পর থেকে এ পরিবর্তনের সূত্রপাত এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে।

্ষণ :

১. কোমরে ব্যথা প্রথম দিকে কম থাকলেও আস্তে আস্তে তা বাড়তে থাকে।

২. কাজকর্ম করতে গেলে বা কোমরে সামান্য নড়াচড়া হলেই ব্যথা বেড়ে যায়।।

৩. কোমরের মাংসপেশি কামড়ায় ও শক্ত হয়ে যায়।

৪. কোমরের ব্যথা কখনো কখনো পায়ের দিকে নামে এবং পায়ে ঝিনঝিন করে বা অবশ অবশ ভাব হয়।।

৫. দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্ম যেমন-হাঁটাহাঁটি, সিঁড়ি বেয়ে ওঠা, নিচু হয়ে কাজ ইত্যাদি করতে গেলে ব্যথা বেড়ে যায়।

Be Alert!!!
07/06/2023

Be Alert!!!

ফেসিয়াল পালসি বা বেলস পালসি কেন হয় ?বেলস পালসি বিভিন্ন কারনে হতে পারে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য১। ভাইরাল ইনফেকশন২। মধ্য কর্...
06/06/2023

ফেসিয়াল পালসি বা বেলস পালসি কেন হয় ?
বেলস পালসি বিভিন্ন কারনে হতে পারে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য
১। ভাইরাল ইনফেকশন
২। মধ্য কর্নে ইনফেকশন
৩। ঠান্ডা জনিত কারনে
৪। আঘাত জনিত কারন
৫। মস্তিস্কের স্ট্রোক জনিত কারন
৬। কানের অপারেশন পরবর্তী ফেসিয়াল নার্ভ ইনজুরি ইত্যাদি ।

ফেসিয়াল পালসি বা বেলস পালসি হলে রোগীর কি কি লক্ষণ দেখা যায় ?
১। আক্রান্ত রোগীর মুখ একদিকে বাঁকা হয়ে যায় ।
২। আক্রান্ত পাশের চোখ বন্ধ হয় না ও চোখ দিয়ে পানি পড়ে ।
৩। কুলি করতে গেলে অন্য পাশে চলে যায় ।
৪। খাবার গিলতে কষ্ট হয় ।
৫। কপাল ভাজ করতে পারে না ।
৬। অনেক সময় কথা বলতে কষ্ট হয় ।

কিভাবে বুঝবেন কোমড়ের ডিক্স সরে বা প্রলাপ্স হয়েছে???♦ প্রধান লক্ষণ কোমর ব্যথা। এই ব্যথা কোমর থেকে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত চল...
06/06/2023

কিভাবে বুঝবেন কোমড়ের ডিক্স সরে বা প্রলাপ্স হয়েছে???

♦ প্রধান লক্ষণ কোমর ব্যথা। এই ব্যথা কোমর থেকে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত চলে যেতে পারে।
♦ পশ্চােদশের মাংসপেশিতে ব্যথা।
♦ পায়ে ও পায়ের পাতায় ব্যথা।
♦ বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে না পারা।
♦ পায়খানা-প্রস্রাবের ক্ষেত্রে সমস্যা হওয়া।
♦ সেক্সুয়াল সমস্যা।
♦ তীব্র ব্যথায় স্নায়ুজনিত সমস্যা হওয়া ইত্যাদি।
♦ পা অবশ অবশ লাগা, ধীরে ধীরে চিকন হয়ে যাওয়া।
♦ পায়ের মাংসপেশি বা রগ টেনে ধরা।

 ায়াটিকা কী?সায়াটিক নার্ভ  আমাদের শরীরের দীর্ঘতম ও সবচেয়ে মোটা নার্ভ। যা শুরু হয় স্পাইন বা মেরুদণ্ড থেকে। এর একাধিক রুটে...
30/05/2023

ায়াটিকা কী?

সায়াটিক নার্ভ আমাদের শরীরের দীর্ঘতম ও সবচেয়ে মোটা নার্ভ। যা শুরু হয় স্পাইন বা মেরুদণ্ড থেকে। এর একাধিক রুটের মধ্যে কিছু আসছে কোমরের নীচের দিকে লাম্বার স্পাইন থেকে। সেখানে আঘাত পেলেও এই ব্যথা হয়। সে জন্য এই সমস্যাকে লাম্বাগো সায়াটকা পেইনও বলা হয়।

শরীরের মধ্যে যে কোনও যন্ত্রণা স্বাভাবিক জীবনে ছন্দপতন ঘটায়। কোনও কোনও যন্ত্রণা এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে উঠে দাঁড়ানোর ক্ষমতাটুকুও থাকে না। সায়াটিকা স্নায়ুর যন্ত্রণা বা সায়াটিকা নার্ভের পেইন তেমনই এক সমস্যা। তবে সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু হলে ওষুধ ও ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে সম্পূর্ণ সেরে ওঠা যায়।

 ্প্রেইন.....আকষ্মিক কোনো আঘাতের কারণে পায়ের গোড়ালির এক বা একাধিক লিগামেন্টে যদি টান খায় অথবা আংশিক বা পুরাপুরি ছিঁড়ে যা...
31/03/2023

্প্রেইন.....

আকষ্মিক কোনো আঘাতের কারণে পায়ের গোড়ালির এক বা একাধিক লিগামেন্টে যদি টান খায় অথবা আংশিক বা পুরাপুরি ছিঁড়ে যায়, তখনই অ্যাংকেল স্প্রেইন হয়ে থাকে। ক্রিড়াবিদদের মধ্যে এটি একটি কমন ইনজুরি।

এর প্রধান কারণগুলো কি কি?
লিগামেন্টের উপর অত্যধিক চাপ পড়লে গাঁট বা জোড় নিজের অবস্থান থেকে সরে যেতে পারে। এর ফলে জোড় প্রসারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কিছু ক্রিয়াকলাপ যেমন হাঁটার সময় বেকায়দায় পা ফেলা, হাঁটার বা দৌড়ানোর সময় অথবা পড়ে যাওয়ার পর গোড়ালি মোচড় খেলে মচকানোর ঘটনা ঘটতে পারে। প্রচণ্ড মচকানোর ঘটনা বাররবার ঘটলে লিগামেন্ট এবং জোড় স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ হতে পারে।

লক্ষন:
১.পায়ের পাতায় ব্যথা হয় ও পা ফুলে যাওয়া।
২.আক্রান্ত জায়গা লাল হয়ে যায়।
৩. পায়ের পাতা ভেতরের দিকে নিতে গেলে প্রচণ্ড ব্যথা হয়, এমনকি হাত দিয়ে ছুঁলেও রোগী ব্যথা পেতে পারে।
৪. হাঁটতে সমস্যা হয়।
৫. প্রভাবিত অঙ্গ নাড়াতে অক্ষমতা।
৬. প্রভাবিত জায়গায় কালশিটে ভাব।
৭. প্রভাবিত জায়গায় সংবেদনশীলতা অনুভব।

নির্ণয়:
অবস্থার পরীক্ষা করতে এক্স-রে, স্ট্রেস এক্স-রে, এমআরআই স্ক্যান, ও আল্ট্রাসাউন্ডের মতো ইমেজিং কৌশলও ব্যবহার করা হতে পারে।

চিকিৎসা:
১. আক্রান্ত অংশের বিশ্রাম, ২. ব্যথানাশক ওষুধ, ওরাল ও ট্রপিক্যাল এনএসএআইডি, ৩. আঘাত পাওয়ার পরপরই আক্রান্ত অংশে বরফ লাগাতে হবে, ২০-৩০ মিনিট দিনে তিন-চারবার, ৪. পা উঁচু করে রাখতে হবে, ৫. হাঁটতে গেলে ব্যথা লাগলে ব্যথা না কমা পর্যন্ত ক্রাচ ব্যবহার করতে হবে (সাধারণত দুই-তিন দিন ব্যবহার করতে হয়), ৬. এ ছাড়া সিপ্লন্ট অথবা ব্রেসও ব্যবহার করা যেতে পারে।
৭. জয়েন্ট মোবিলাইজেশন এক্সারসাইজ,স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ খুবই কার্যকরী এই ক্ষেত্রে যা একজন এক্সপার্ট ফিজিওথেরাপি প্রাকটিশনার করে থাকেন।




ফ্রোজেন শোল্ডার সম্পর্কে জানেন❓❓❓হাতের সাথে কাঁধের যে জয়েন্ট তার নাম শোল্ডার জয়েন্ট।এই জয়েন্টে একধরনের প্রদাহ হলে তাকে ফ...
26/03/2023

ফ্রোজেন শোল্ডার সম্পর্কে জানেন❓❓❓

হাতের সাথে কাঁধের যে জয়েন্ট তার নাম শোল্ডার জয়েন্ট।এই জয়েন্টে একধরনের প্রদাহ হলে তাকে ফ্রোজেন শোল্ডার বলে।এই জয়েন্টের ভেতরে সাইনোভিয়াল ক্যাপসুল থাকে।ক্যাপসুলের ভেতরে সাইমোভিয়াল ফ্লুইড নামক তরল ধীরে ধীরে কমে যায়।ফলে সাইনোভিয়াল ক্যাপসুল সংকুচিত হয়ে সন্ধি জমে যায় বা শক্ত হয়ে যায়।মুভ করানো যায় না।

🟤ফ্রোজেন শোল্ডার কেন হয়ঃ

এ রোগের নির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি,তবে কিছু কারণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে-

১.পূর্বে কাঁধের জয়েন্টে কোন আঘাত লাগলে।

২. ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ইত্যাদি রোগ পরবর্তী সময়ে।

৩. কোন কারণে দীর্ঘদিন জয়েন্ট যদি অকার্যকর থাকে যেমনঃ শয্যাশায়ী,বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগী।

৪.ফুসফুস,হৃৎপিণ্ড বা হাতের অস্ত্রোপচারের পর।

৫.থাইরয়েড, ইউরিক এসিড বৃদ্ধি জনিত সমস্যা ইত্যাদি।

🟣এটি নির্ণয় এবং চিকিৎসা কিভাবে করা হয়?

শারীরিকভাবে রোগীর পরীক্ষা করা হল এই অবস্থা নির্ণয়ের প্রাথমিক পদক্ষেপ। অন্যন্য সম্ভাবনাকে দূর করার জন্য ইমেজিং করা হতে পারে। খুব সাধারণত, হাড়ে কোন অস্বাভাবিকতা সনাক্ত করার জন্য এক্স-রে এবং এমআরআই স্ক্যান ব্যবহার করা হয়।

🟢চিকিৎসা:

ব্যথা এবং অস্বস্তি কমানোর জন্য এনসেডস (NSAIDs) সাহায্য করতে পারে। এই ড্রাগের সাহায্যে প্রদাহজনক অবস্থাগুলি নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।
তবে জয়েন্ট এর গতির পরিধি উন্নত করতে ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন। বিশেষ
করে শোল্ডার মোবিলাইজেশন খুব উপকারী। তাছাড়া মাসল স্পাজম রিলিজ করলে, জয়েন্ট এর রেঞ্জ অব মোশন বাড়ে এবং ব্যাথা কমে।


 ুটবলারদের_মাংস_পেশিতে_টান বা  াসল_পুল.....মাসল পুলের প্রধান কয়েকটি কারণ হল:১. শরীরের যেকোনো একটি মাংসপেশি অনেকক্ষণ ধরে...
20/11/2022

ুটবলারদের_মাংস_পেশিতে_টান বা াসল_পুল.....

মাসল পুলের প্রধান কয়েকটি কারণ হল:

১. শরীরের যেকোনো একটি মাংসপেশি অনেকক্ষণ ধরে ব্যবহৃত হলে।

২. ব্যায়াম, খেলাধুলা বা যেকোনো শারীরিক কসরতের আগে ওয়ার্মআপ বা শরীর গরম না করলে।

৩. পেশী ক্লান্ত থাকা অবস্থায় আকস্মিক নড়াচড়া করলে।

৪. হঠাৎ অতিরিক্ত ভারী কিছু ওঠালে।

৫. পেশীর অতিরিক্ত ও অনুপযুক্ত ব্যবহার।

৬. মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা।

৭. অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস বিশেষ করে পানি কম খেলে এবং শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাব দেখা দিলে মাংসপেশিতে টান পড়তে পারে(collected from BBC).



 িশ্ব_স্ট্রোক_দিবস_২০২২চলুন জেনে নেওয়া যাক স্ট্রোক সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য........'না করলে সময়ক্ষেপণ, স্ট্রোক হল...
29/10/2022

িশ্ব_স্ট্রোক_দিবস_২০২২

চলুন জেনে নেওয়া যাক স্ট্রোক সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য........

'না করলে সময়ক্ষেপণ, স্ট্রোক হলেও বাঁচবে জীবন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রতিবছর ২৯ অক্টোবর পালন করা হয় ‘বিশ্ব স্ট্রোক দিবস’।
প্রতি ছয় সেকেন্ডে বিশ্বের কোনো না কোনো প্রান্তে কেউ না কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত ও মৃত্যুবরণ করছেন। সারাবিশ্বে মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ স্ট্রোক। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে দিবসটি পালন করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি চারজনের একজন জীবন অন্তত একবার স্ট্রোকের কবলে পড়ে।

প্রতি বছর অন্তত দেড় কোটি মানুষ স্ট্রোক করে থাকেন। যাদের মধ্যে অন্তত ৬০ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন।
সরাবিশ্বের মতো বাংলাদেশের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ স্ট্রোক।

মৃত্যুর কারণের দিকে থেকে স্ট্রোকের অবস্থান তৃতীয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ব্রেইন স্ট্রোকে মারা গেছেন ৮৫ হাজার ৩৬০ জন, যা আগের বছর (২০১৯ সাল) ব্রেইন স্ট্রোকে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৪৫ হাজার ৫০২।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের ২০১৮ সালের এক জরিপ অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রতি হাজারে স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন ১১ দশমিক ৩৯ জন মানুষ। প্রায় ২০ লাখ স্ট্রোকের রোগী রয়েছে বাংলাদেশে। স্ট্রোকের ঝুঁকি ৬০ বছরের বেশি মানুষের মধ্যে ৭ গুণ বেশি। নারীর চেয়ে পুরুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ।

 িশ্ব_অস্টিওপরোসিস_দিবস...অস্টিওপোরোসিস হাড়ের এমন একটা অবস্থা যাতে হাড়গুলি সেগুলোর ঘনত্ব হারায় এবং ভঙ্গুর (পলকা) হতে শুর...
20/10/2022

িশ্ব_অস্টিওপরোসিস_দিবস...

অস্টিওপোরোসিস হাড়ের এমন একটা অবস্থা যাতে হাড়গুলি সেগুলোর ঘনত্ব হারায় এবং ভঙ্গুর (পলকা) হতে শুরু করে। এই হাড়ের দুর্বল হওয়া এবং পরিণতিস্বরূপ জটিলতাগুলি পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। অস্টিওপোরোসিস-এর সবচেয়ে পরিচিত কারণগুলির মধ্যে আছে ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া (মেনোপজ) যা হরমোন-সংক্রান্ত পরিবর্তনগুলির দিকে নিয়ে যায়, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-র অভাব, এবং অন্যান্য রোগের উপস্থিতি যা হাড়ের দুর্বলতা ঘটায়। অস্টিওপোরোসিস থাকা ব্যক্তিদের সবচেয়ে বড় বিপদ হচ্ছে আঘাত এবং পতন থেকে হাড়ে চিড় ধরা (হাড়ভাঙা)। অস্টিওপোরোসিস থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে যাওয়া হাড় এবং এছাড়া বাঁকা হাড়গুলির কারণে একটা ত্রুটিপূর্ণ অঙ্গবিন্যাস খুব দেখা যায়। হরমোন থেরাপি, খাদ্যগত পরিপূরক এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা চিকিৎসার প্রধান অবলম্বন গঠন করে। যদি প্রথমদিকে রোগের লক্ষণ চিহ্নিত হয়, হাড়গুলি অধিকতর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করা যেতে পারে এবং হাড়ভাঙ্গার বিপদ কমানো যেতে পারে। অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ফিজিওথেরাপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, সঠিক এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপিস্ট এর পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে অস্টিওপোরোসিস অনেকাংশে কমানো সম্ভব।




Happy Birthday The father of the nation.
17/03/2021

Happy Birthday The father of the nation.

31/10/2020

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Physio Link BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share