Dr. Mustak Ahmmed Shanto

Dr. Mustak Ahmmed Shanto Dr.Mustak Ahmmed Shanto is a well-known and popular Bangladeshi Medical Doctor, Educational Entrepre Today, Mustak Ahmmed Shanto is truly a celebrated name.

Early Life of This Visionary :
Mustak Ahmmed Shanto was born on 9 January 1998 in the family of Alhaz Dr. Md Shahidullah and Monira Afroz, an illustrious Muslim family who lived in the outskirt Muktagacha in the district of Mymensingh, where he grew up & received his early education. Mustak made his way to the capital city Dhaka for further education after completion of his primary and secondary education. Professional Profile :
Mustak Ahmmed Shanto is a well-known and popular Bangladeshi Medical Doctor, Educational Entrepreneur, Businessman, Consultant, Social Activist & Social Influencer. He is the current Managing Director and Founder of Global process Limited. Mustak Ahmmed Shanto is also widely notable around the country for his Social Activist and as a visionary entrepreneur of education in Bangladesh. He is very popular on social media such as Facebook and YouTube. He alone takes a bulk of responsibilities upon her shoulders for the welfare of all, to mould the world into a better place.

18/02/2025

ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের যত্ন প্রয়োজন কেন ও ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের যত্ন যেভাবে নিবেন‌‌।চলুন জেনে নিই:-

🛑ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের যত্ন প্রয়োজন কেন‌:ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি থাকে বলে তাদের স্নায়ু ও রক্তনালীর ক্ষতি হয়। তাই এই ধরনের রোগীর পায়ের বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন হয়, নয়তো বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

🛑যেসব কারণে পায়ে সমস্যা হয়
১. পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি: স্নায়বিক ক্ষতি পায়ের স্নায়ু অনুভূতির ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। অনুভূতি কমে যাওয়ার কারণে তারা তাদের পায়ে ব্যথা বা চাপ অনুভব করতে পারেন না। এর ফলে ছোটখাট ক্ষত, ফোসকা বা আঘাতের ব্যাপারে তারা সচেতন হতে পারেন না, যেটা পরে বড় ক্ষতে পরিণত হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে জীবাণু আক্রান্ত হয়।

২. পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ: ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তনালী ব্লক হয়ে রক্ত-সঞ্চালন কমে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। ফলে যেকোনো ক্ষত দ্রুত সারে না।

৩. হাইপারগ্লাইসেমিয়া: রক্তে অতিরিক্ত শর্করার উপস্থিতিও যেকোনো ক্ষত দ্রুত সারাতে বাধা সৃষ্টি করে।
ডায়াবেটিস আছে যাদের তারা পায়ের যত্ন না নিলে বা খেয়াল না রাখলে তাই বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। পায়ে ক্ষত ও সংক্রমণ হতে পারে, ছোট ক্ষত বড় আকার ধারণ করতে পারে এবং সংক্রমণ হতে পারে। পায়ে ঘা বা আলসার হতে পারে, যা গুরুতর হতে পারে। এ ছাড়া গ্যাংগ্রিন হওয়ার ঝুঁকি থাকে, পায়ের টিস্যু নষ্ট হয়ে যেতে পারে, যার ফলে পা কেটে ফেলতেও হতে পারে।

🛑কাদের ঝুঁকি বেশি
দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঝুঁকি বেশি। যাদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে না, যারা ধূমপানকারী এবং উচ্চ রক্তচাপ বা উচ্চ কোলেস্টেরল আছে যাদের, স্থূলকায় বা শরীরের ওজন বেশি যাদের, তাদের ঝুঁকি বেশি

🛑ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের যত্ন যেভাবে নিবেন‌‌:
আরামদায়ক ও সঠিক মাপের জুতা পরতে হবে। জুতার কারণে পায়ে যেন আঘাত না লাগে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।দিনশেষে ভালোভাবে পা ধুয়ে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলতে হবে। পায়ের দুই আঙুলের মাঝের জায়গা যেন ভেজা না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এই ফাঁকেই ছত্রাক সংক্রমণ হয় বেশি।

ডায়াবেটিক রোগীর পায়ের চামড়া ফেটে সংক্রমণ হতে পারে। এ রকম হলে পেট্রোলিয়াম জেলি বা ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। শীতের রাতে পায়ে সুতি মোজা পরলে পা ফাটবে কম।

প্রতিদিন পায়ের পাতার ত্বক পরীক্ষা করুন। পায়ের পাতার ত্বক পরীক্ষা করে দেখার জন্য আয়না ব্যবহার করুন বা অন্যকে দেখে দিতে বলুন। পায়ের ত্বকের রঙের কোনো পরিবর্তন, ফোসকা বা লালচে দাগ চোখে পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
পায়ের বাড়তি নখ সোজাসুজিভাবে কাটুন।কোণা করে ও বেশি ছোট করে নখ কাটা উচিত নয়। এতে নখের কোণার মাধ্যমে ক্ষত তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

রক্ত চলাচল ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত পায়ের ব্যায়াম করতে হবে।কখনোই খালি পায়ে হাঁটবেন না, মোজা ছাড়া জুতা পরবেন না। ময়লা বা ভিজা মোজা পরবেন না।গরম পানি ব্যবহার করার আগে অত্যধিক গরম কি না, অন্য কাউকে দেখে দিতে বলুন। ডায়াবেটিক রোগীর পায়ে বোধশক্তি কম থাকে, যে কারণে পানি বেশি গরম হলে পা পুড়ে যেতে পারে।

👫জনসচেতনতায়:
🩺ডাঃ মোস্তাক আহম্মেদ শান্ত
এম.বি.বি.এস ।

ফেসবুকে অনেক ফ্রেন্ড ইনবক্সে বলে ঠান্ডা লাগছে মোনাস ১০ খেয়েছে আর কি খাবে? জিজ্ঞেস করি মোনাস কেন ? উত্তর আসে ঠান্ডাতে এক...
17/02/2025

ফেসবুকে অনেক ফ্রেন্ড ইনবক্সে বলে ঠান্ডা লাগছে মোনাস ১০ খেয়েছে আর কি খাবে? জিজ্ঞেস করি মোনাস কেন ? উত্তর আসে ঠান্ডাতে একবার ডাক্তার খেতে দিয়েছেন তারপর থেকে ঠান্ডা লাগলে এটা খায়.. এটা ছাড়া নাকি তার ভালো হয় না। 😑😑

Stop irrational use of monteleukast....
মিসেস এক্স বয়স 55 বছর, হাইপারটেনশন ও ডায়াবেটিস এর রোগী। নিয়মিত প্রেসার ও ডায়াবেটিস এর ঔষধ খান। প্রেসার ও ডায়াবেটিস দুটোই কন্ট্রোল এ আছে। রোগীর নিজের কোন সমস্যা নেই, কিন্তু উনার বাসার লোকজন উনাকে নিয়ে আসছেন। উনার মেয়ে জানান- গত 5 মাস থেকে উনার মধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন, উনি কারো সাথে কথা বলেন না, শুধু কেউ কিছু বললে উত্তর দেন, সব সময় চুপচাপ থাকেন, বাসায় কোন আত্নীয় এমনকি উনার বোন বাসায় আসলেও বসতে বলেন না, খেতে বলেন না ইত্যাদি।
উনারা ইতিমধ্যে কয়েক জায়গায় কনসালটেশন নিয়েছেন। কিন্তু কোন চেঞ্জ নেই।

আমি উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম কি অসুবিধা, উনার উত্তর কোন সমস্যা নেই। ক্লিনিক্যাল এক্সাম এ সব কিছু নরমাল। তবে উনার ফেস দেখে মনে হয় টিপিক্যাল ডিপ্রেসড ফেস। আমি রুটিন টেস্ট, FBS, 2ABF, থাইরয়েড টেস্ট করতে দিলাম।

সব রিপোর্ট নরমাল। এবার আমি রোগীর সাথে একা কথা বলতে চাইলাম। রোগীর এক ছেলে ও এক মেয়ে ভার্সিটিতে পড়ে। রোগীর সাথে একান্ত কথা বলায় কোন ধরনের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক কনফ্লিক্ট নেই।

আমি রোগীর মেয়েকে ডেকে উনার সার্বিক অবস্থা জানালাম- রোগী ডিপ্রেশনে ভুগছেন, কিন্তু ডিপ্রেশনের কোন কারন পাওয়া যাচ্ছে না। আমি বললাম হয়ত উনার মেয়ে বড় হচ্ছে তার বিয়ে নিয়ে উনি চিন্তিত থাকেন, টেনশন করেন ইত্যাদি।

এবার রোগীর মেয়ে জানাল যে রোগী বিগত 5 বছর ধরে Monteleukast খান, একজন ডাক্তার এটি বন্ধ করে দেন। এরপর একদিন উনি এসি ছেড়ে রেস্ট নিচ্ছিলেন, সেই সময় উনার দম বন্ধ হয়ে আসে। উনি মনে করেন কে monteleukast বন্ধ করার কারনে এমন হয়, উনি আবারও এটি খাওয়া শুরু করেন। এরপর থেকেই তার সমস্যাগুলো শুরু হয়।

Monteleukast এর জন্য FDA black box warning দিয়েছে যে এটি ব্যবহারের পর রোগীর suicidal thought, agitation, anxiety, depression, behavioral change হতে পারে। এইজন্য যাদেরকে monteleukast দেয়া হবে তাদেরকে এগুলো মনিটর করতে হবে। কোন ধরনের চেঞ্জ পেলে বন্ধ করে দিতে হবে।
Take home message:
1. Use monteleukast only if it is absolutely indicated. Indications are asthma (as preventer), allergic rhinitis, allergic dermatitis.
2. Monitor the patient for any change of behavior and stop immediately if any.

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সকলের জীবন ❤গ্লোবাল প্রসেস লিমিটেডের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও ঈদ...
30/06/2023

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সকলের জীবন ❤
গ্লোবাল প্রসেস লিমিটেডের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক 🎉🎉

ঈদ-উল-আযহা আপনার পরিবারে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি ৷ এই আনন্দের দিনে ত্যাগ, ঐক্য এবং কৃতজ্ঞতার চেতনা আপনার হৃদয়কে আশীর্বাদে পূর্ণ করুক।

Eid-ul-Azha Mubarak! May the spirit of sacrifice, unity and gratitude fill your heart with blessings on this joyous day. Eid Mubarak everyone.

📌 রোজায় ইনসুলিন নেয়া যাবে কিনা??? 📌 সেসব মেডিসিন খাবারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন রক্তনালী তে দেয়া স্যালাইন,ভিটামি...
30/03/2023

📌 রোজায় ইনসুলিন নেয়া যাবে কিনা???

📌 সেসব মেডিসিন খাবারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন রক্তনালী তে দেয়া স্যালাইন,ভিটামিন ,ইলেক্ট্রোলাইট ,সেসব মেডিসিন নিলে রোজা ভেঙে যাবে।

📌অপরদিকে যেসব মেডিসিন পাকস্থলীতে প্রবেশ করে, সেগুলোর কারণেও রোজা ভেঙে যায়।

💊 ইনসুলিনের কথা যদি বলি,

ডায়াবেটিক রোগীরা ইনসুলিন ব্যবহার করেন চামড়ার নিচে।
এতে এটি পাকস্থলীতে প্রবেশ বা বা ক্ষুধা নিবারণের কোন ক্ষমতা রাখে না। তাই রোজায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা নিশ্চিন্তে ইনসুলিন নিতে পারবেন।

তবে , রোজায় সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবেই তাদের রক্তের সুগারের পরিমাণ কম থাকে।

তাই রোজার আগে ব্যবহার করা ডোজে ইনসুলিন না নিয়ে একজন ডায়বেটিস এবং হরমোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ডোজ এডজাস্ট করে নেয়া উচিত।।

সবাই ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন।

08/09/2022

যাদের ডায়াবেটিস আছে, চিনি বেশি খেলে তাদের ক্ষতি। কিছু ফেসবুক পেজ বলছে ডায়াবেটিসের রোগী চিনির বদলে গুড়, তালমিছরি ইত্যাদি খেলে কোন ক্ষতি হবেনা। কথাটি কি ঠিক?

ভাত, রুটি, চিনি, আলু, গুড়, তালমিছরি, মিষ্টান্ন, আটা/ময়দা দিয়ে বানানো যেকোনো খাবার- এসবই শর্করা। শর্করা জাতীয় কোন খাবার ডায়াবেটিস রোগী বেশি খেতে পারবেন না। পরিমিত খেতে পারবেন যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে, চিনির বদলে তালমিছরি বা গুড় খেলে কিছু হবেনা, এটা ভুল।

সস্তা লাইকের আশায় ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ ভুল মেডিকেল তথ্য প্রচার করে মানুষের ক্ষতি করছে। এরকম কোন তথ্য নিয়ে সন্দেহ হলে সঠিক তথ্য জানতে আমাদের পেজে যোগাযোগ করুন।

পেজে লাইক দিয়ে সবসময় সঠিক স্বাস্থ্যতথ্য জেনে নিন।

28/07/2022

টক খেলে...

১. ঘা পাকে
২. ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়

উত্তর:
ঘা পাকেনা, বরং টক ঘা দ্রুত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

17/07/2022

📢📢📢 প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে করণীয়

বছরের এই সময়ে গরমের কারণে নানা ধরনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়। সাধারণ ঘামাচি, সর্দিজ্বর থেকে শুরু করে ইনফ্লুয়েঞ্জা, জলবসন্ত, ডায়রিয়া, জন্ডিস, সাইনাসে প্রদাহ, টনসিলে প্রদাহ, কানের নানাবিধ সমস্যাসহ হিট স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে। গরমের দিনগুলোতে সুস্থ থাকার জন্য অবশ্যই বাড়তি সতর্কতা গ্রহণ করতে হবে।
এ সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, এই গরমে নানা রকম অসুখের মধ্যে পানিশূন্যতা, হিট স্ট্রোক অন্যতম। অবিশুদ্ধ পানি পানেও এই সময়ে নানা রকম রোগ হতে পারে। তাই এই গরমে পর্যাপ্ত ও বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। অতিরিক্ত রোদ বা গরম এড়িয়ে চলতে হবে।

গরমে সমস্যা
★ বেশি গরমের ফলে মানুষের সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা হয়, তা হলো পানিস্বল্পতা। শরীর অতিরিক্ত ঘেমে বের হওয়া পানির সঙ্গে প্রয়োজনীয় লবণও বেরিয়ে যায়, যার ফলে শরীরের রক্তচাপ কমে যায়, দুর্বল লাগে, মাথা ঝিমঝিম করে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তি এবং যাঁরা বাইরে কাজ করেন, প্রয়োজনমতো পানি পান করার সুযোগ পান না, তারাই মারাত্মক পানিস্বল্পতার শিকার হন বেশি।
★ পানিস্বল্পতা ছাড়াও গরমের কারণে আরও একটি অস্বস্তিকর রোগ হতে পারে, তা হলো ঘামাচি ও অ্যালার্জি। অনেক সময় ঘাম ও ময়লা জমে ঘর্মনালির মুখ বন্ধ হয়ে যায় এবং সেখানে সংক্রমণ হতে পারে।
★ গরমে যারা সরাসরি সূর্যের আলোয় বেশিক্ষণ থাকে, তাঁদের ত্বক পুড়ে যেতে পারে, লাল হয়ে যায়, জ্বালাপোড়া করে, চুলকায় এবং ফোস্কা পড়ে।
★ গরমে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো হিটস্ট্রোক। এই রোগ হওয়ার পর প্রথমে শরীরের মাংসে খিঁচুনির মতো দেখা দেয়, যাতে শরীর ব্যথা করে, দুর্বল লাগে এবং খুব বেশি পিপাসা লাগে। এরপর অনেক ক্লান্তি অনুভব হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়, প্রচণ্ড মাথাব্যথা করে, রোগীর প্রস্রাবের পরিমাণ যায় কমে এবং আক্রান্ত ব্যক্তি অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে।
★ গরমে তৃষ্ণা মেটাতে অনেকেই বাইরের পানি বা শরবত পান করে, যা অনেক সময় বিশুদ্ধ হয় না। ফলে বমি বা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। একই কারণে এ সময় পানিবাহিত নানা রোগ যেমন টাইফয়েড, হেপাটাইটিস ইত্যাদি বেশি হয়। গরমে অনেকে আবার প্রচুর পানি পান করে, কিন্তু তাতে পর্যাপ্ত লবণ থাকে না, ফলে লবণের অভাব দেখা দেয়। অনেক সময় গরমে খাবার নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ওই খাবার খেলে বদহজমসহ পেটের বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে।

গরমে করণীয়
★ যতটা সম্ভব ছায়াযুক্ত স্থানে থাকতে হবে।
★ বাইরে বের হলে সরাসরি রোদ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজনে টুপি বা ছাতা এবং রোদচশমা ব্যবহার করতে হবে। পরনের কাপড় হতে হবে হালকা, ঢিলেঢালা ও সুতি। শরীর যতটা সম্ভব ঢেকে রাখতে হবে।
★ শরীরের উন্মুক্ত স্থানে সম্ভব হলে সানস্ক্রিন লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে হবে, যা রোদে পোড়া থেকে সুরক্ষা দেবে।
★ প্রচুর পরিমাণ পানি ও অন্যান্য তরল পান করতে হবে। যেহেতু ঘামের সঙ্গে পানি ও লবণ দুই-ই বের হয়ে যায়, সেহেতু লবণযুক্ত পানীয় যেমন খাবার স্যালাইন, ফলের রস ইত্যাদি বেশি করে পান করতে হবে। অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। এ সময় চা ও কফি যথাসম্ভব কম পান করা উচিত।
★ প্রয়োজনমতো গোসল করতে হবে এবং শরীর ঘাম ও ময়লামুক্ত রাখতে হবে।
★ কাজের ফাঁকে কিছুক্ষণ পর পর বিশ্রাম নিতে হবে এবং প্রচুর পানি ও স্যালাইন পান করতে হবে।
★ গুরুপাক খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। সাধারণ খাবার যেমন ভাত, ডাল, সবজি, মাছ ইত্যাদি খাওয়াই ভালো। খাবার যেন টাটকা হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নানা রকম ফল যেমন আম, তরমুজ ইত্যাদি এবং লেবুর শরবত শরীরের প্রয়োজনীয় পানি ও লবণের ঘাটতি মেটাবে।
★ শিশু বা বয়স্কদের বেলায় বাড়তি সতর্ক হতে হবে। বাচ্চারা স্কুলে গেলে বা মাঠে খেলাধুলা করতে গেলে যেন বাইরের পানি বা শরবত ও খাবার না খায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বরং বিশুদ্ধ পানি ও পানীয় প্রহণ করে তা নিশ্চিত করতে হবে। বয়স্করা অনেকক্ষণ যেন রোদে চলাফেরা বা কাজকর্ম না করে, সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে।
★ গরমকালে শরীরের বিভিন্ন খাঁজে হালকা পাউডার ছড়িয়ে দেবেন। তবে পাউডার যেন কোথাও বেশি না পড়ে। তাহলে লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে অন্যভাবে ক্ষতি হতে পারে।
★ বংশগত কারণে বা যথাযথ পরিচ্ছন্নতার অভাবে কারও কারও শরীরে দুর্গন্ধ হয়। এটি দূর করতে শরীরে সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারেন। ট্রাইক্লোসামযুক্ত সাবান ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়।
★ গরমের দিনে শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে আঙুলের ফাঁকে, কুঁচকি ও বাহুমূলে দাদ, ছুলি, হাজা ইত্যাদি ছত্রাক সংক্রমণের প্রবণতা বাড়ে। প্রতিকার হিসেবে বারবার শরীরে ঘাম মুছে ফেলতে হবে। তবে বেশি ঘষে ঘাম মুছবেন না। এতে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
★ গরমে অল্প সময়ের জন্য হলেও শরীরচর্চা করতে হবে। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আধা ঘণ্টা ব্যায়াম, সাইক্লিং, সাঁতরানো বা স্কিপিং করতে পারেন। এতে শরীরের ক্লান্তি কিছুটা দূর হবে। আর ব্যায়াম শেষে পানি খেতে হবে।
★ গরমজনিত কারণে কেউ যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে, তবে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। রোগীকে দ্রুত শীতল কোনো স্থানে নিয়ে ফ্যান বা এসি ছেড়ে দিতে হবে, না হলে অন্তত পাখা দিয়ে বাতাস করতে হবে। সম্ভব হলে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে।

04/04/2022

রোজায় চিকিৎসা:
১. রোজা অবস্থায় ইনহেলার, নাকের স্প্রে ব্যবহার করা যাবে।
২. রোজা অবস্থায় চোখ, ও কানের ড্রপ ব্যবহার করা যাবে।
৩. হার্টের এনজাইনার সমস্যার জন্যে বুকে ব্যথা উঠলে ব্যবহৃত নাইট্রোগ্লিসারিন ট্যাবলেট বা স্প্রে জিহবার নিচে ব্যবহার করলে রোজা নষ্ট হবে না।
৪. রোজা রেখে শিরাপথে খাদ্য-উপাদান ছাড়া কোনো ওষুধ ত্বক, মাংসপেশি বা হাড়ের জোড়ায় ইনজেকশান হিসেবে প্রয়োগ করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
৫. রোজা রাখা অবস্থায় স্যালাইন বা গ্লুকোজ জাতীয় কোনো তরল শিরাপথে গ্রহণ করা যাবে না।
৬. চিকিৎসার প্রয়োজনে রোজা রেখে অক্সিজেন কিংবা চেতনা নাশক গ্যাস গ্রহণে রোজা নষ্ট হবে না।
৭. চিকিৎসার প্রয়োজনে ক্রিম, অয়েনমেণ্ট, ব্যাণ্ডেজ, প্লাস্টার ইত্যাদি ব্যবহার করলে এবং এসব উপাদান ত্বকের গভীরে প্রবেশ করলেও রোজার কোনো সমস্যা হবে না।
৮. রোজা রেখে দাঁত তোলা যাবে। দাঁতের ফিলিং করা যাবে এবং ড্রিল ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া দাঁত পরিষ্কার করার সময় অসাবধানতাবশত কিছু গিলে ফেললে রোজা নষ্ট হবে না।
৯. রোজা রেখে রক্ত পরীক্ষার জন্যে রক্ত দিতে বাধা নেই।
১০. কাউকে রক্তদানে এবং রক্তগ্রহণেও বাধা নেই।
১১. চিকিৎসার জন্যে যোনিপথে ট্যাবলেট কিংবা পায়ুপথে সাপোজিটোরি ব্যবহার করলে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না।
১২. পরীক্ষার জন্যে যোনিপথ কিংবা পায়ুপথে চিকিৎসক বা ধাত্রী আঙুল প্রবেশ করালেও রোজার সমস্যা হবে না।
১৩. রোজা রেখে জরায়ু পরীক্ষার জন্যে হিস্টেরোস্কপি এবং আই.ইউ.সি.ডি ব্যবহার করা যাবে।
১৪. হার্ট কিংবা অন্য কোনো অঙ্গের এনজিওগ্রাফি করার জন্যে কোনো রোগ নির্ণয়কারক দ্রবণ শরীরে প্রবেশ করানো হলে রোজার ক্ষতি হবে না।
১৫. কোনো অঙ্গের আভ্যন্তরীণ চিত্রধারণের জন্যে সেই অঙ্গের প্রবেশপথে কোনো ক্যাথেটার বা নালীর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তরল রঞ্জক প্রবেশ করালে রোজা নষ্ট হবে না।
১৬. রোগ নির্ণয়ের জন্যে এণ্ডোস্কোপি বা গ্যাস্ট্রোস্কোপি করলেও রোজা নষ্ট হয় না। তবে এণ্ডোস্কোপি বা গ্যাস্ট্রোস্কোপি করার সময় ভেতরে তরল কিংবা অন্য কোনো কিছু প্রবেশ করানো যাবে না যার খাদ্যগুণ রয়েছে।
১৭. রোজা রাখা অবস্থায় না গিলে মাউথওয়াশ, মুখের স্প্রে ব্যবহার করা যাবে এবং গড়গড়া করা যাবে।
১৮. রোজা রাখা অবস্থায় লিভারসহ অন্য কোনো অঙ্গের বায়োপসি করা যাবে।
১৯. রোজা রাখা অবস্থায় পেরিটোনিয়াল কিংবা মেশিনে কিডনি ডায়ালাইসিস করা যাবে।

রোজা রাখা অবস্থায় চিকিৎসা সংক্রান্ত কী কী করা যাবে আবার কী কী করা যাবে না তা নিয়ে যেমন সাধারণ রোগীদের মধ্যে জ্ঞান ও সচেতনতার অভাব রয়েছে, তেমনি নানা সংশয় ও বিভ্রান্তি রয়েছে চিকিৎসকদের মাঝেও। এ সমস্ত বিভ্রান্তি দূর করার জন্যে ১৯৯৭ সালের জুন মাসে মরক্কোতে অনুষ্ঠিত নবম ফিক্বহ-চিকিৎসা সম্মেলন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ সম্মেলনে জেদ্দা ইসলামিক ফিকহ একাডেমি, আল আজহার ইউনিভার্সিটি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আলেকজান্দ্রিয়া, মিশর এবং ইসলামিক শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (আইএসইএসসিও) প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞ প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এই সম্মেলনের মূল আলোচনার বিষয় ছিল--রোজা অবস্থায় যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ প্রয়োগে রোজা নষ্ট হবে না সে বিষয়ে একটা সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া। এ লক্ষ্যে ইসলামিক চিন্তাবিদগণ চিকিৎসা বিজ্ঞানের সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা ও গবেষণা করে রোজা অবস্থায় ওষুধ প্রয়োগ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পর্কে সুচিন্তিত তথ্য উপস্থাপন করেন যা ২০০৪ সালে বিখ্যাত ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ হিসেবে প্রকাশিত হয়।
(তবে নাকের ড্রপের ব্যাপারে অনেক স্কলার আপত্তি করেন। অনেকসময় এসব ফিক্বহী বিষয়ে বিভিন্ন স্কলারদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে। সব স্কলারের মতামতের প্রতিই আমাদের শ্রদ্ধা থাকা প্রয়োজন।)

28/03/2022

জানেন কী?
দীর্ঘমেয়াদে গ্যাসের ঔষধ খেতে থাকলে শরীরে ভিটামিন-ডি এর অভাবে হাড় ক্ষয়,হাড় ভংগুর হয়ে যেতে পারে !!!

ভাষা হোক চেতনার!একুশ হোক অনুপ্রেরণার!বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতি জানাই আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ❤মহান আ...
21/02/2022

ভাষা হোক চেতনার!
একুশ হোক অনুপ্রেরণার!

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতি জানাই আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ❤

মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে 'গ্লোবাল প্রসেস লিমিটেড' পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাদের সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ❤

যাদের আত্মত্যাগে অর্জিত মহান এ বিজয়, সেই সব বীরদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর ভালোবাসা ❤❤স্বাধীনতার গৌরবময় ৫০ বছরে বিজয়...
16/12/2021

যাদের আত্মত্যাগে অর্জিত মহান এ বিজয়, সেই সব বীরদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর ভালোবাসা ❤❤
স্বাধীনতার গৌরবময় ৫০ বছরে বিজয় দিবস উপলক্ষে আমার প্রতিষ্ঠান 'গ্লোবাল প্রসেস লিমিটেড' এর পক্ষ থেকে সবাইকে বিজয়ের শুভেচ্ছা ❤❤

বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন এমন মায়েরা কোভিড এর টিকা নিতে পারবেন।🎯 বুকের দুধ বাচ্চার রোগ প্রতিরোধে অনন্য ভুমিকা পালন করে।🎯 আর এ...
04/08/2021

বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন এমন মায়েরা কোভিড এর টিকা নিতে পারবেন।

🎯 বুকের দুধ বাচ্চার রোগ প্রতিরোধে অনন্য ভুমিকা পালন করে।

🎯 আর এক্ষত্রে টিকা মায়ের শরীরে যে এন্টিবডি তৈরি করে সেটা বুকের দুধের মাধ্যমে বাচ্চার শরীরে ঢুকে, যা বাচ্চার রোগ প্রতিরোধে কাজ করবে।

সুতরাং, টিকা নিন, যা বাচ্চা এবং মা, দুজনের জন্যেই উপকারি।

সুত্রঃ The CDC, JCVI

Address

Road #8, House #2/B, Nikunja-2
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Mustak Ahmmed Shanto posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Mustak Ahmmed Shanto:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

Mustak Ahmmed Shanto is a well-known and popular Bangladeshi Medical Doctor, Entrepreneur, Businessman, Consultant, Educationist

He is the current CEO/Owner/Managing Director at Global Process Limited.

Mustak Ahmmed Shanto is widely notable around the country for his Social Activist & Social Influencer. He is a smart doctor having a huge number of fans in Bangladesh. Mustak Ahmmed Shanto is also widely notable around the country for his Social Activist and as a visionary entre-preneur of education in Bangladesh. He is very popular on social media such as Facebook and YouTube. Today, Mustak Ahmmed Shanto is truly a celebrated name.