04/03/2026
সময়ের সাথে সাথে উচ্চশিক্ষা, কাজের ক্ষেত্র বৃদ্ধি করে, চাকুরী অভিজ্ঞতা সবকিছুকে প্রাধান্য নিয়ে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডিপ্লোমাধারী ফার্মাসিস্টদের কাজের পরিধি সাজানো উচিত যুগোপযোগী ও সময়োপযোগী করে।
একজন রোগী প্রেসক্রিপশন পরবর্তী ভালো একটা কাউন্সিলিং এর প্রয়োজন হয় বিশেষ করে প্রেসক্রিপশন বুঝার ক্ষেত্রে এক্ষেত্রে ফার্মাসিস্টরা হতে ভালো একটা অফশন ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে। বাংলাদেশের মানুষের যত যাই বুঝে না কেন হাসপাতালে সেক্টর রিলেটেড জ্ঞানর্জন বরাবরাই নির্ধারিত একটা গন্ডির ভিতর কিন্তু সীমাবদ্ধ।
👉 Antibiotics দেয়ার ক্ষেত্রে একটা নিয়ম করা উচিত antibiotics দেয়ার ক্ষেত্রে full course complete করে antibiotic দিতে হবে রোগীকে।
⬇️
যাতে রোগীকে বাহিরে থেকে antibiotics কিনার কোনো টেনশন না থাকে।
⬇️
Antibiotics full course কমপ্লিট করার কারণে রোগীর শরীরে antibiotics resistance হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
⬇️
আপনি ১০ জন রোগীকে এক পাতা করে antibiotics দেয়ার থেকে ৫জন রোগীকে full course antibiotics দেয়া হাজারগুনে ভালো।
⬇️
আপনি ১০ ওষুধ দিয়ে রোগীকে বলে দিলেন বাকীগুলো কিনে নিতে বা ব্যস্ততার কারণে বলে দিলেন না। বাকী ওষুধ গুলো রোগী ক্রয় করার সামর্থ্য নাও থাকতে পারে সেজন্য জেনেশুনে সিদ্ধান্ত নেয়াটা বেশি জরুরী। একজন ফার্মাসিস্ট হিসেবে আপনি জানেন antibiotics full dose course complete করে খেতে তাহলে রোগীর শরীরে antibiotics
Resistance show করবে। তাই একজন ফার্মাসিস্ট তথা স্বাস্থ্য সেক্টরের সাথে জড়িত হিসেবে রোগীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে আমার টিটমেন্ট পলিসি ও antibiotics full dose course complete নিশ্চিত করাটাও কিন্তু আমাদের পেশাগত দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাই পুরোনো সব নিয়ম পরিবর্তন করে জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ওষুধ ডিসপেন্সিং ও পরিবর্তন আনাটা জরুরী।
দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর জেনারেল স্টোর ও মেডিসিন স্টোর ২টা ভাগে বিভক্ত করা উচিত।
✅জেনারেল স্টোর:
এতে জেনারেল স্টোর দায়িত্বে থাকবে নন মেডিকেল ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যক্তি যিনি জেনারেল স্টোর পরিচালনা করবেন।
✅ মেডিসিন স্টোর:
মেডিসিন স্টোর পুরোপুরি ফার্মাসিস্ট দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
মেডিসিন ডিসপেন্সিং পুরোপুরি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে হবে ম্যানুয়েলি হাতের কাজ থাকবে না।