Hijama Center Bangladesh -হিজামা

Hijama Center Bangladesh -হিজামা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hijama Center Bangladesh -হিজামা, Medical Center, House # 7, Road # 17, Sector # 12, Uttara, Dhaka.

এই বিষয়টাকে এককথায় “সম্ভব” বা “অসম্ভব” বলা ঠিক নয়। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে বুঝতে হবে।১. মূল নীতি: ক্ষতি-উ...
29/04/2026

এই বিষয়টাকে এককথায় “সম্ভব” বা “অসম্ভব” বলা ঠিক নয়। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে বুঝতে হবে।

১. মূল নীতি: ক্ষতি-উপকার আল্লাহর হাতে

আল্লাহ বলেন:
“তারা কারো কোনো ক্ষতি করতে পারে না, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া।”
— সূরা বাকারাহ ২/১০২

👉 অর্থাৎ, জাদু থাকলেও তার প্রভাব আল্লাহর ইচ্ছার অধীন।

২. কুরআনই প্রকৃত শিফা

আল্লাহ বলেন:
“আমি কুরআনে এমন কিছু নাযিল করি যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।”
— সূরা ইসরা ১৭/৮২

👉 তাই রুকইয়াহ (কুরআনভিত্তিক চিকিৎসা) কার্যকর—
তবে শর্ত হলো: শিরক, বিদআত ও অজানা পদ্ধতি থেকে মুক্ত হতে হবে।

৩. “দূর থেকে রুকইয়াহ” আসলে কী?

যা শরীয়তসম্মত:
✔️ দূরে বসে কারো জন্য দো‘আ করা
✔️ তার জন্য কুরআন পড়ে আল্লাহর কাছে শিফা চাওয়া

➡️ দো‘আতে দূরত্ব কোনো বাধা নয়।

যা সন্দেহজনক বা ভুল:
❌ “আমি দূর থেকেই জাদু কেটে দিচ্ছি”
❌ “না দেখেই বলে দেব কে জাদু করেছে”
❌ “ভিডিও/কলেই সব ঠিক করে দেব”

➡️ এসব দাবি সাধারণত ভিত্তিহীন এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রতারণা।

৪. নবী ﷺ–এর ঘটনা থেকে শিক্ষা

হাদীসে এসেছে—নবী ﷺ জাদুগ্রস্ত হলে:
✔️ সরাসরি চিকিৎসা করা হয়
✔️ জাদুর বস্তু বের করা হয় (ওহীর মাধ্যমে নিশ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে)

👉 এখান থেকে বুঝা যায়—
ইসলাম আমাদেরকে “গায়েব বলে দেওয়া” বা অনুমানের উপর নির্ভর করতে শেখায় না।

৫. সালাফদের দৃষ্টিভঙ্গি

✔️ রুকইয়াহ হবে কুরআন ও সহীহ দো‘আ দিয়ে
❌ “কে জাদু করেছে” বা গায়েবের খবর দেওয়া—নাজায়েজ

৬. সংক্ষেপে সঠিক অবস্থান

✔️ দূর থেকে দো‘আ করা → জায়েজ
✔️ কুরআন পড়ে শিফা চাওয়া → জায়েজ

❌ দূর থেকে নিশ্চিতভাবে “জাদু কেটে দেওয়া” দাবি → প্রতারণা
❌ গায়েব জানার দাবি → হারাম

৭. বাস্তব পরামর্শ

* অযথা আতঙ্কিত হবেন না
* আগে শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা যাচাই করুন
* নিজে নিয়মিত কুরআন পড়ে রুকইয়াহ করুন
* সহীহ আকীদার আলেম/রাকীর শরণাপন্ন হন
* অলৌকিক দাবি করা লোকদের এড়িয়ে চলুন

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হিফাজত করুন এবং সঠিক বুঝ দান করুন।

Info @ 01972668345

বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, কিছু রাকী সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিরঞ্জিত ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে আতংকগ্রস্ত করছেন। “এই লক্ষণ মানেই জিন...
20/04/2026

বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, কিছু রাকী সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিরঞ্জিত ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে আতংকগ্রস্ত করছেন। “এই লক্ষণ মানেই জিন”, “আজই ব্যবস্থা না নিলে শেষ”—এ ধরনের কথা মানুষকে সাহায্য করে না, বরং মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়।

❗ মনে রাখুন:
সব সমস্যা জিন বা যাদু নয়। অনেক ক্ষেত্রে মানসিক চাপ, ট্রমা, বা শারীরিক অসুস্থতাও একই রকম লক্ষণ তৈরি করতে পারে।

⚠️ সতর্ক থাকুন যদি—
• ভয় দেখিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাপ দেওয়া হয়
• বলা হয় “আমার ছাড়া সমাধান নেই”
• গোপন/বিশেষ পদ্ধতির দাবি করা হয়
• ডাক্তারি চিকিৎসাকে নিরুৎসাহিত করা হয়

✅ সঠিক রুকইয়ার বৈশিষ্ট্য:
• কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক
• আতংকমুক্ত ও ভারসাম্যপূর্ণ
• রোগীকে আল্লাহর উপর ভরসা করতে শেখায়
• Self Ruqyah-এ উৎসাহিত করে
• প্রয়োজনে ডাক্তার/মনোবিদের পরামর্শ দেয়

🤲 রুকইয়া ইবাদতধর্মী চিকিৎসা—এটা ভয় ছড়ানোর মাধ্যম নয়।

নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন।
@01972668345

জীন আছে—এটা “কুরআন” দ্বারা প্রমাণিত। তারা জীবিত সৃষ্টি, তাই একসময় মারা যায়।কিন্তু প্রশ্ন হলো—মানুষ কি জীন হত্যা করতে পার...
10/04/2026

জীন আছে—এটা “কুরআন” দ্বারা প্রমাণিত। তারা জীবিত সৃষ্টি, তাই একসময় মারা যায়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—মানুষ কি জীন হত্যা করতে পারে?

👉 সহীহ দলিলে এর কোনো প্রমাণ নেই।

“মুহাম্মদ ﷺ” আমাদের শিখিয়েছেন—ক্ষতিকর কিছু থেকে বাঁচতে ব্যবস্থা নিতে, ধ্বংস করতে নয়।

❗ আজকাল অনেকেই বলে:
“আমি রুকইয়া করে জীন মেরে ফেলেছি”

এটা বাস্তব না—বরং বিভ্রান্তিকর কথা।

✔️ রুকইয়ার উদ্দেশ্য:
• জীনের প্রভাব দূর করা
• রোগীকে সুস্থ করা

❌ জীন “হত্যা” করা নয়

👉 রুকইয়ার পর যা হয়:
• কষ্ট কমে
• ভয় দূর হয়
• স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসে

✔️ এটাকে বলা হবে: প্রভাব চলে গেছে
❌ “জীন মারা গেছে”—এটা বলা যাবে না

⚠️ মনে রাখবেনঃ
“জীন মেরে ফেলা” এই ধারণা—
• ভয় বাড়ায়
• মানুষকে ভুল পথে নেয়
• কখনো শিরকের দরজা খুলে দেয়

✅ ইসলামের সঠিক শিক্ষা:
• আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও
• কুরআন দিয়ে চিকিৎসা করো
• ক্ষতি থেকে বাঁচো

❌ অদৃশ্য জগত নিয়ে বাড়াবাড়ি কোরো না

📌 শেষ কথা:
“জীন হত্যা”—প্রমাণিত নয়
“জীনের প্রভাব দূর করা”—এটাই বাস্তব ও নিরাপদ পথ।

আল্লাহু আলম

📢 ফ্রি চিকিৎসা সেবা – “নববী নির্দেশনা ভিত্তিক চিকিৎসায় সমন্বিত সুস্থতা” 🩺এডুকেশন সেন্টার সিলেট এর উদ্যোগে এবং আত-তাকওয়া ...
15/12/2025

📢 ফ্রি চিকিৎসা সেবা – “নববী নির্দেশনা ভিত্তিক চিকিৎসায় সমন্বিত সুস্থতা” 🩺

এডুকেশন সেন্টার সিলেট এর উদ্যোগে এবং আত-তাকওয়া মাসজিদের সহযোগিতায় নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে “ফ্রি চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম।”

এখানে রোগীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও সেবা প্রদান করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

📍 স্থান:
আত-তাকওয়া মসজিদ প্রাঙ্গণ
কুমারপাড়া, সিলেট

⏰ সময়:
প্রতি বৃহস্পতিবার
আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত

👨‍⚕️ রোগী দেখবেন:
ডা. খন্দকার রেদওয়ানুল বারী
বি.ইউ.এম.এস (ঢা.বি.), এম.পি.এইচ (বাউবি), ডি.এম.ইউ (বিটিইবি),ফেলোশিপ ইন পঞ্চকর্ম ও আয়ুর্বেদ (ইন্ডিয়া)
সাবেক মেডিকেল অফিসার (ইউনানি)
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
বর্তমান আবাসিক মেডিকেল অফিসার (অ:দা)
সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, উপশহর, সিলেট

◼️ আমাদের চিকিৎসায় যা যা থাকবে-
১. স্বাস্থ্য রক্ষায় সুন্নাহ ভিত্তিক জীবনধারা (Life style)ঠিক করতে পরামর্শ প্রদান।
২. সুন্নাহ ভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস (Diet therapy) পরামর্শ দেওয়া।ভিন্ন ভিন্ন রোগ অনুযায়ী।
৩. অসুস্থতা,দুঃচিন্তা ও মানসিক শক্তির উন্নয়নে সুন্নাহ ভিত্তিক মেডিটেশন এর পরামর্শ।
৪. অন্যান্য যে কোন অসুস্থতায় প্রাথমিক প্রাকৃতিক(তিব্বে নববী) ও রোগের উচ্চতর চিকিৎসা সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান।

📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন:
01965-721978
(সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ফোন করুন)

আসুন, মানবতার এই সুন্দর উদ্যোগে অংশ নিই, নিজে উপকৃত হই এবং শেয়ার করার মাধ্যমে অন্যদেরও উপকৃত করি।

#ফ্রিচিকিৎসাসেবা

াকওয়া_মাসজিদ
#নবীনির্দেশনাভিত্তিকচিকিৎসা
#মানবতারসেবা

12/12/2025
10/10/2025

🕌 সুরা আল-বাকারা পাঠে জ্বীন বিতাড়িত হয় —

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“যে ঘরে সূরা আল-বাকারা পাঠ করা হয়, সেই ঘর থেকে শয়তান (জ্বীন) পালিয়ে যায়।”
(সহীহ মুসলিম, হা/৭৮০)

🔹 অর্থাৎ, এই সূরা পাঠ জ্বীন-শয়তানের উপস্থিতি দূর করে এবং তাদের কষ্ট দেয়।
🔹 তবে এটি “বিতাড়িত” করে, “হত্যা” করে না।

🕋 রুকইয়া ও কুরআনি আমলের মাধ্যমে জ্বীন শরীর হতে বের হয়ে যায়

রাসূল ﷺ নিজে ও সাহাবাগণ রুকইয়া (কুরআন তেলাওয়াত ও দো’আর মাধ্যমে) ব্যবহার করতেন।

যেমনঃ এক সাহাবি সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করার মাধ্যমে চিকিৎসা দেন, রোগী আল্লাহর শিফা লাভ করে, রাসূল ﷺ তা অনুমোদন করেন।
(সহীহ বুখারী, হা/২১৫৬)

🔹 এটি প্রমাণ করে যে, কুরআন পাঠ ও রুকইয়ার মাধ্যমে জ্বীন শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে।

🔥 কিন্তু জ্বীন “হত্যা করা”, “জ্বালিয়ে দেয়া”, “বোতলে বন্দি করা” — এসবের কোনো দলিল নেই

কোনো সহীহ হাদীস বা সালাফদের বর্ণনায় এমন কাজের প্রমাণ পাওয়া যায় না।
বরং এসব দাবিদার অনেক সময় প্রতারণা, জাদু বা শিরকি আমল ব্যবহার করে থাকে।

🔸 আল্লাহ বলেনঃ

“নিশ্চয়ই আমার বান্দাদের উপর তোমার (শয়তানের) কোনো কর্তৃত্ব নেই।”
(সূরা হিজর ১৫/৪২)

অতএব, বিশ্বাসী মানুষ কুরআন, যিকির ও দো’আর মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকে — জ্বীনকে “মেরে ফেলা”র কোনো প্রয়োজন বা অনুমোদন নেই।

✅ সুরা বাকারাহ পাঠে জ্বীন কষ্ট পায় ও পালিয়ে যায় — সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
✅ রুকইয়া ও কুরআনি আমলে জ্বীন শরীর থেকে বের হতে পারে — প্রমাণিত।
✅ কিন্তু জ্বীন “হত্যা করা”, “জ্বালিয়ে দেয়া”, “বন্দি করা” — দলিলবিহীন ও প্রতারণামূলক কথা।



🏥 সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসার অনন্য প্রতিষ্ঠান
হিজামা এন্ড রুকইয়া ফাউন্ডেশন
🌐 www.HijamaRuqyahBD.com
যোগাযোগ: ⁨01972-668345⁩ (WhatsApp)
01715525747
01704992056

04/10/2025

রাক্বী (রুকইয়া পড়ার ব্যক্তি) বা রুকইয়ার যে কেউ পেশাদার/শিক্ষিত ব্যক্তি—এর প্রকারভেদ মূলত তার বৈধতা, পদ্ধতি ও জ্ঞান অনুযায়ী করা হয়। উলামায়ে কেরাম সাধারণত এটি তিন ভাগে বর্ণনা করেছেনঃ

১। বৈধ রাক্বী

• সংজ্ঞা: যিনি কেবল কুরআন, সহীহ হাদীস এবং আল্লাহর নাম ব্যবহার করে রুকইয়া করেন।
• বৈধ রাক্বী শিরক, তাবিজ, জাদু বা জ্বীন ডাকার কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করবেন না।
• তারা রোগীর উপর পড়েন সেল্ফ রুকইয়া বা অন্যকে রুকইয়া করার মতো।
• এটি সম্পূর্ণ হালাল ও সুন্নাহসম্মত।

উদাহরণ:
• সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস পড়া।
• হাদীসের দোয়া যেমন: أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ…

২। অবৈধ বা শিরকী রাক্বী

• সংজ্ঞা: যিনি রুকইয়ার জন্য তামিমা (তাবিজ), মন্ত্র, জ্বীন ডাকা বা তান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করেন।
• এটি সম্পূর্ণ হারাম ও শিরক।
• রোগীকে শিরক বা ভয়ে ধরে রাখে বা কুৎসিত প্রভাব দেখানোর চেষ্টা করে।

উদাহরণ:
• জ্বীন ডাকা বা তামিমা (তাবিজ) দেওয়া।
• “এই মন্ত্রটি পড়লে রোগী ভালো হবে” ইত্যাদি বলার মতো কাজ করে।

৩। মিশ্র রাক্বী

• যিনি কিছুটা বৈধ উপায় ব্যবহার করেন কিন্তু শিরকী বা সন্দেহজনক পদ্ধতি মিশিয়ে দেন।
• এটি নিষিদ্ধ বা পরিত্যাজ্য।
• রোগীর উপর পড়ার সময় কুরআন-আয়াতের সাথে মন্ত্র বা অন্য অজানা শব্দ মিশ্রিত।

🔑 মূল নির্দেশ:
• ভাল রাক্বী = শুধুমাত্র কুরআন ও সুন্নাহ অনুসরণ করবে।
• রোগীকে যতটা সম্ভব নিজে নিজে রুকইয়া করার পরামর্শ দেয়া হবে।
• সন্দেহজনক বা তামিমা (তাবিজ) ব্যবহৃত রাক্বীর থেকে দূরে থাকা।


🏥 সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসার অনন্য প্রতিষ্ঠান
হিজামা এন্ড রুকইয়া ফাউন্ডেশন
🌐 www.HijamaRuqyahBD.com
যোগাযোগ: ⁨01972-668345⁩
01715525747
01704992056

16/09/2025

প্রশ্নঃ অনেক জিনের রোগী দেখি সাইকিয়াট্রিস্ট এর কাছে দেখিয়ে ঔষুধ খাওয়ার পর বলে এখন আর সমস্যা নাই, ভাল আছে।এটা যদি বুঝিয়ে বলতেন।


উত্তরঃ আপনার প্রশ্নটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

১. সব সমস্যা জ্বীনের হয় না
• অনেক সময় যেটাকে মানুষ “জ্বীনের সমস্যা” বলে মনে করে, আসলে সেটা মানসিক অসুস্থতা বা সাইকিয়াট্রিক ডিজঅর্ডার (যেমন: ডিপ্রেশন, সাইকোসিস, সিজোফ্রেনিয়া, OCD ইত্যাদি) হয়ে থাকে।

• এগুলোর চিকিৎসা ঔষধ ও কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে হলে রোগী সুস্থ হয়ে যায় আল্লাহর ইচ্ছায় । তাই ঔষধ খাওয়ার পর তার ভালো লাগা একেবারে স্বাভাবিক।


২. ঔষধ আসল জ্বীনকে সরায় না
• যদি কারও সমস্যার মূল কারণ সত্যিই জ্বীন, বদনজর বা যাদু হয়, তবে সাইকিয়াট্রিক ঔষধ সরাসরি জ্বীনকে প্রভাবিত করে না।

• তবে এই ঔষধ রোগীর মস্তিষ্কের কেমিক্যাল ব্যালান্স পরিবর্তন করে, ফলে রোগীর ঘুম ভালো হয়, ভয় কমে যায়, বিভ্রান্তি কমে যায়। এতে করে সে আপাতদৃষ্টিতে শান্ত অনুভব করে।


৩. দুটি কেস আলাদা করতে হয়

• কেস–১: যদি আসলেই মানসিক রোগ থাকে → ওষুধ কাজ করবে, “রুকইয়া শেসন” -এর দরকার হবে না।

• কেস–২: যদি জ্বীনের সমস্যা থাকে → রুকইয়ার গাইডলাইন দরকার। তবে ঔষধ খেলে সাময়িক শান্তি আসতে পারে, কারণ দেহ–মন শিথিল হয়, কিন্তু আসল সমস্যার সমাধান হয় না।


৪. কম্বাইন্ড কেস

অনেক রোগীর ক্ষেত্রে দুটো একসাথে থাকে—
• প্রথমে জ্বীনের আক্রমণে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়।
• পরে তা সাইকিয়াট্রিক অসুস্থতায় রূপ নেয়।
এমন রোগীকে একসাথে রুকইয়া ও সাইকিয়াট্রিক চিকিৎসা দিতে হয়।


৫. সুতরাং

যে রোগী ঔষধ খেয়ে ভালো হচ্ছে, তার সমস্যাটা সম্ভবত আসলেই মানসিক রোগ ছিল বা অন্তত মানসিক উপসর্গগুলো বেশি প্রাধান্য পেয়েছিল।

👉 সব কিছুকে জ্বীনের সমস্যা মনে করলে ভুল হবে। ইসলামী রুকইয়া যেমন সত্য, তেমনি চিকিৎসা–বিজ্ঞানও আল্লাহর একটি নিয়ামত।


🟢 সারকথা
• শুধু মানসিক রোগ হলে: ডাক্তারি চিকিৎসার পাশাপাশি একজন মুসলিম হিসেবে রুকইয়ার ব‍েসিক গাইডলাইন ফলো করা দরকার।
• শুধু জ্বীনের সমস্যা হলে: রুকইয়ার গাইডলাইন মেনে চলা দরকার।
• দুটো মিলে থাকলে: ডাক্তারি চিকিৎসা + রুকইয়া একসাথে চলবে।

“আল্লাহু আ‘লাম”
👉 “আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন”।

🏥 সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসার অনন্য প্রতিষ্ঠান
হিজামা এন্ড রুকইয়া ফাউন্ডেশন
🌐 www.HijamaRuqyahBD.com
যোগাযোগ: ⁨01972-668345⁩
01715525747
01704992056

13/09/2025

জ্বীনের সাহায্যে চিকিৎসা কেন হারাম?

❌ কারণ

1. তাওহীদ ভঙ্গ হয় – মানুষ আল্লাহর বদলে জ্বীনের উপর নির্ভর করে।

2. শিরক ও কুফরী চুক্তি – জ্বীন সাহায্য করতে গেলে সাধারণত শিরক/কুফরীর শর্ত রাখে।

3. প্রতারণা – তারা কিছু সত্য বলে, কিন্তু তার সাথে বড় বড় মিথ্যা ঢুকিয়ে দেয়।

4. ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ – শুরুতে উপকার দিলেও পরবর্তীতে মানুষকে বিপদে ফেলে, নিয়ন্ত্রণ নেয়।

📖 আল্লাহ বলেনঃ
“আর নিশ্চয়ই কিছু মানুষ জ্বীনদের আশ্রয় গ্রহণ করত, ফলে তারা তাদের দুঃসাহস ও অহঙ্কারে বাড়িয়ে দিত।” (সূরা জ্বীন: ৬)


🕌 সাহাবা ও সালাফের অবস্থান
• কখনো জ্বীনের সাহায্য নেননি।
• সবসময় কুরআন, যিকির, দোয়া ও বৈধ ওষুধ দ্বারা চিকিৎসা করেছেন।


✅ হালাল চিকিৎসার উপায়
• কুরআন তিলাওয়াত
• দোয়া ও যিকির
• হিজামা (কাপিং থেরাপি)
• কালোজিরা, মধু, অলিভ অয়েল ইত্যাদি
• প্রফেশনাল ডাক্তারি চিকিৎসা


📌 সারসংক্ষেপ

👉 ইসলামে “সাহায্যকারী জ্বীন / পাক জ্বীন / মুসলিম জ্বীন” গ্রহণ বৈধ নয়।
👉 তারা সাময়িক উপকার দেখালেও আসলে ধোঁকা দিয়ে শিরকের দিকে টেনে নেয়।
👉 প্রকৃত সাহায্য একমাত্র আল্লাহর কাছেই চাইতে হবে।


🏥 সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসার অনন্য প্রতিষ্ঠান
হিজামা এন্ড রুকইয়া ফাউন্ডেশন
🌐 www.HijamaRuqyahBD.com
যোগাযোগ: 01972-668345⁩
01715525747
01704992056

13/09/2025

সায়াটিকা (Sciatica) ও হিজামা (Cupping Therapy)

🔹 সায়াটিকা কী?
• সায়াটিকা হলো কোমর থেকে শুরু হয়ে নিতম্ব, উরু ও পায়ের নিচ পর্যন্ত স্নায়ুতে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা।

• সাধারণত কোমরের সায়াটিক নার্ভ চাপের মধ্যে পড়লে বা ডিস্ক স্লিপ (Herniated Disc), স্পাইনাল স্টেনোসিস, বা পেশির টান হলে এ সমস্যা হয়।

• উপসর্গঃ
• কোমর থেকে পায়ে ব্যথা ছড়ানো
• অবশভাব বা ঝিঝি ধরা
• পায়ে দুর্বলতা অনুভব করা
• দীর্ঘসময় বসলে ব্যথা বাড়া


🔹 হিজামা (Cupping) ও সায়াটিকা

হিজামা বা কাপিং থেরাপি সায়াটিকার ক্ষেত্রে নিরাপদ চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

কিভাবে কাজ করতে পারে:
• রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে
• প্রদাহ (Inflammation) কমাতে সাহায্য করে
• মাংসপেশীর টান কমায়
• স্নায়ুর চাপ হালকা করে


🔹 সায়াটিকার জন্য প্রচলিত হিজামা পয়েন্টসমূহঃ

👉 সায়াটিকার জন্য হিজামা (কাপিং) সাধারণত মূল স্নায়ুর চাপ ও ব্যথার পথ অনুযায়ী করা হয়। তবে রোগীর অবস্থা, ব্যথার স্থান ও থেরাপিস্টের অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে পয়েন্ট ভিন্ন হতে পারে।

1. কোমরের নিচের অংশ (Lumbar spine – L4, L5, S1)
– মূল স্নায়ুর চাপের জায়গা।
2. নিতম্ব (Buttock area – সায়াটিক নার্ভ বের হওয়ার স্থান)
3. উরুর পিছনের দিক (Posterior Thigh – Hamstring line)
4. হাঁটুর পেছনে (Popliteal fossa)
– স্নায়ুর চাপ কমানোর জন্য।
5. পায়ের পেছনে (Calf muscle)
– ব্যথা ও ঝিঝি কমাতে।
6. গোড়ালি ও অ্যাকিলিস টেন্ডন (Ankle – Achilles region)
– নিচ পর্যন্ত ব্যথা ছড়ালে।
7. অতিরিক্ত সহায়ক পয়েন্ট
• কাঁধ ও ঘাড়ের পেছনে (কখনো ব্যথা উপরের অংশে ছড়িয়ে পড়লে)
• সাধারণ Detox পয়েন্ট যেমন কাহিল (কাঁধের মাঝ বরাবর)


🔹 করণীয়
• অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত হিজামা থেরাপিস্ট এর কাছে করতে হবে
• হালকা ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণও সায়াটিকার চিকিৎসায় কার্যকর
• হিজামার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন


🏥 সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসার অনন্য প্রতিষ্ঠান
হিজামা এন্ড রুকইয়া ফাউন্ডেশন
🌐 www.HijamaRuqyahBD.com
যোগাযোগ: 01972-668345⁩
01715525747
01704992056

06/09/2025

“জ্বীন-শয়তানের গিঁট”
(عُقَد الشيطان‘)

📌 ১. হাদীসে উল্লেখিত গিঁট

রাসূল ﷺ বলেছেন:

“যখন তোমাদের কেউ ঘুমাতে যায়, তখন শয়তান তার ঘাড়ের পেছনে তিনটি গিঁট বেঁধে দেয়। প্রতিটি গিঁটে সে ফুঁ দিয়ে বলে: তোমার সামনে দীর্ঘ রাত রয়েছে, ঘুমিয়ে থাকো।

তারপর সে যদি জেগে আল্লাহকে স্মরণ করে, একটি গিঁট খুলে যায়।

সে যদি অযু করে, আরেকটি গিঁট খুলে যায়।

আর যদি নামায পড়ে, তবে সব গিঁট খুলে যায়।তখন সে প্রফুল্লচিত্তে ও সুস্থ মনে সকাল করে।

আর যদি তা না করে, তবে অলস ও মনমরা হয়ে সকাল করে।”

(সহীহ বুখারী ১১৪২, সহীহ মুসলিম ৭৭৬)

➡️ এখানে “গিঁট” মানে হলো শয়তানের প্রভাব/বাঁধন যা আলস্য, গাফিলতি আর ঘুমের প্রতি অতিরিক্ত টান তৈরি করে।


📌 ২. রুকইয়া ও জাদুতে “গিঁট”

কুরআনে আল্লাহ বলেন:
“…আর গিঁটের ওপর ফুঁ দেয়া নারীদের অনিষ্ট থেকে (আমি আশ্রয় চাই)।”
(সূরা আল-ফালাক, আয়াত ৪)

➡️ এখানে বোঝানো হয়েছে জাদুকর/জাদুকারিণী যারা জাদুর কাজ করার সময় সুতো বা কিছু বেঁধে তার উপর ফুঁ দেয়। এটাকেই ‘উক্বাদ (গিঁট) বলা হয়েছে।
এগুলো জ্বীন-শয়তানের সহায়তায় হয়।


🕌 করণীয়
• ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস পড়া।
• সকাল-সন্ধ্যার আযকার নিয়মিত করা।
• নামাযে অটল থাকা।
• রুকইয়া করলে (নিজে বা অন্য কাউকে দিয়ে) আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বীন-শয়তানের এই বাঁধন কেটে যায়।


🔗 শয়তানের গিঁট: কিসে হয় এবং কীভাবে খোলা যায়ঃ

১/ দিক
ঘুমের সময়

কিসে গিঁট বাঁধে
শয়তান মানুষের ঘাড়ে তিনটি গিঁট বাঁধে, আলস্য ও দীর্ঘ ঘুমের ওয়াসওয়াসা দেয়।

কিসে গিঁট খোলে
(১) জেগে আল্লাহকে স্মরণ করলে ১ম গিঁট খোলে। (২) অযু করলে ২য় গিঁট খোলে। (৩) নামায পড়লে সব গিঁট খোলে।

২/ দিক
জাদুতে (সুতোর গিঁট)

কিসে গিঁট বাঁধে
জাদুকর/জাদুকারিণী সুতোর গিঁট বেঁধে তার উপর ফুঁ দিয়ে শয়তানের সাহায্যে প্রভাব ফেলে।

কিসে গিঁট খোলে
সূরা আল-ফালাক, সূরা আল-নাস, সূরা আল-বাকারাহ, আয়াতুল কুরসী পাঠে, রুকইয়া করলে আল্লাহর ইচ্ছায় গিঁট ভেঙে যায়।

৩/ দিক
আলস্য ও গাফিলতি

কিসে গিঁট বাঁধে
শয়তান ও নফস ওয়াসওয়াসা দেয়: “এখনো সময় আছে, পরে নামায পড়ো।”

কিসে গিঁট খোলে
আযকার, ইস্তিগফার, নিয়মিত সালাত, কুরআন তিলাওয়াত করলে শয়তানের বাঁধন দূর হয়।

৪/ দিক
রুকইয়া দৃষ্টিকোণ

কিসে গিঁট বাঁধে
অনেক সময় জ্বীন শরীরে গিঁটের মতো শক্তভাবে আটকে থাকে (বুক, গলা, মাথা, পেট ইত্যাদিতে)।

কিসে গিঁট খোলে
রুকইয়া শরঈয়াহ, কুরআন তিলাওয়াত, পানি/তেল/মধুতে ফুঁ দিলে আল্লাহর অনুমতিতে সেই গিঁট খুলে যায়।


📌 সংক্ষেপে বলা যায়:
• শয়তানের গিঁট = মানসিক ও আধ্যাত্মিক বাঁধন।
• আল্লাহর যিকর, অযু, সালাত, রুকইয়া, কুরআন তিলাওয়াত = এই বাঁধনের চাবি।


🏥 সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসার অনন্য প্রতিষ্ঠান
হিজামা এন্ড রুকইয়া ফাউন্ডেশন
🌐 www.HijamaRuqyahBD.com
যোগাযোগ: 01972-668345⁩
01715525747
01704992056

Address

House # 7, Road # 17, Sector # 12, Uttara
Dhaka
1230

Telephone

+8801972668345

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama Center Bangladesh -হিজামা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category