Elitecare Physiotherapy Centre———এলিটকেয়ার ফিজিওথরেপি সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Elitecare Physiotherapy Centre———এলিটকেয়ার ফিজিওথরেপি সেন্টার

Elitecare Physiotherapy Centre———এলিটকেয়ার ফিজিওথরেপি সেন্টার সুস্থ দেহ সুস্থ মন
ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন

Live Life
Pain Free
Trusted Elitecare
Say Goodbye To Pain

 #পায়ের_গোড়ালি_ব্যথা**হিল স্পার (Heel Spur)** হলো পায়ের গোড়ালির হাড়ে (calcaneus bone) তৈরি হওয়া ছোট, কাঁটার মতো অস্থি বৃ...
18/11/2025

#পায়ের_গোড়ালি_ব্যথা
**হিল স্পার (Heel Spur)** হলো পায়ের গোড়ালির হাড়ে (calcaneus bone) তৈরি হওয়া ছোট, কাঁটার মতো অস্থি বৃদ্ধি বা হাড়ের গজানো অংশ। এটি সাধারণত **প্লান্টার ফ্যাসাইটিস (Plantar Fasciitis)** নামের একটি অবস্থা সঙ্গে যুক্ত থাকে, যেখানে পায়ের নিচের দিকের টিস্যুতে প্রদাহ হয়।

🔍 কারণ (Causes)

হিল স্পার সাধারণত দীর্ঘদিন ধরে হাড়ে চাপ বা টান পড়ার কারণে তৈরি হয়।
মূল কারণগুলো হলো—

* দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা বা হাঁটা
* অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করা (বিশেষ করে শক্ত মাটিতে)
* ওজন বেশি থাকা (obesity)
* অনুপযুক্ত জুতো পরা
* ফ্ল্যাট ফুট বা পায়ের আর্চ বেশি উঁচু থাকা

⚠️ উপসর্গ (Symptoms)

* গোড়ালির নিচে বা পেছনে **তীব্র ব্যথা**, বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম হাঁটার সময়
* দীর্ঘ সময় হাঁটা বা দাঁড়িয়ে থাকার পর ব্যথা বৃদ্ধি
* পায়ের নিচে “কাঁটা বিঁধছে” এমন অনুভূতি

🩺 নির্ণয় (Diagnosis)

* **এক্স-রে (X-ray)** করলে হাড়ের নিচে কাঁটার মতো একটি অংশ দেখা যায়
* চিকিৎসক সাধারণত উপসর্গ ও শারীরিক পরীক্ষা দিয়েও অনুমান করতে পারেন

💊 চিকিৎসা (Treatment)

১. **বিশ্রাম ও বরফ থেরাপি (Rest & Ice):** দিনে ২–৩ বার ১৫–২০ মিনিট বরফ থেরাপি দেওয়া যায়।
২. **সঠিক জুতো পরা:** নরম ইনসোল বা হিল প্যাড ব্যবহার করা উচিত।
৩. **স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ:**

* ক্যাল্ফ (calf) ও প্লান্টার ফ্যাসিয়া স্ট্রেচ
৪. **ঔষধ:**
* ব্যথানাশক ওষুধ (যেমন NSAIDs – ইবুপ্রোফেন ইত্যাদি)
৫. ** #ফিজিওথেরাপি:** অতিরিক্ত টান কমাতে ও পায়ের পেশি শক্ত করতে সাহায্য করে।
৬. **কর্টিকোস্টেরয়েড ইনজেকশন:** গুরুতর প্রদাহে প্রয়োজনে দেওয়া হয়।
৭. **সার্জারি:** খুব কম ক্ষেত্রে, যখন অন্যসব চিকিৎসা ব্যর্থ হয়।

🩴 প্রতিরোধ (Prevention)

* সঠিক মাপ ও নরম সোলযুক্ত জুতো ব্যবহার করা
* অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণ করা
* দৌড়ানোর আগে ও পরে স্ট্রেচ করা
* দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা এড়িয়ে চলা

🦵✨ হাঁটুর ব্যথায় TENS থেরাপি ✨🦵হাঁটুর ব্যথা কমাতে এখন অনেকেই ব্যবহার করছেন TENS Machine। কিন্তু প্রশ্ন হলো 👉 প্যাড কোথায়...
15/11/2025

🦵✨ হাঁটুর ব্যথায় TENS থেরাপি ✨🦵

হাঁটুর ব্যথা কমাতে এখন অনেকেই ব্যবহার করছেন TENS Machine। কিন্তু প্রশ্ন হলো 👉 প্যাড কোথায় লাগাবো আর কেন লাগাবো?

📌 কোথায় লাগাবেন?

হাঁটুর চারপাশে, সামনে ও দুপাশে

ব্যথার জায়গা ঘিরে

সাধারণত হাঁটুর উপরে, নিচে ও দুই পাশে ৩–৪টি প্যাড ব্যবহার করা হয়

📌 কেন লাগাবেন?
✔️ স্নায়ুর ব্যথার সংকেতকে ব্লক করে
✔️ রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
✔️ প্রদাহ ও ফোলা কমাতে সাহায্য করে
✔️ পেশীকে শিথিল করে আরাম দেয়
✔️ হাঁটা-চলা সহজ হয়

👉 নিয়মিত ব্যবহার করলে হাঁটুর ব্যথা থেকে প্রাকৃতিকভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব, ওষুধের ওপর নির্ভরতা কমে যায়।

আপনার হাঁটুকে দিন নতুন শক্তি ও স্বস্তি। 💪

এই ৬০ ভাগ মানুষকে কর্মক্ষেত্রে ফিরাইতে Physiotherapy চিকিৎসার উন্নয়ন ও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকদের মর্যাদা বৃদ্ধির বিকল্প নেই...
16/10/2025

এই ৬০ ভাগ মানুষকে কর্মক্ষেত্রে ফিরাইতে Physiotherapy চিকিৎসার উন্নয়ন ও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকদের মর্যাদা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।

বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস ,১২ই অক্টোবর,২০২৫আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস। এই দিনের মূল উদ্দেশ্য হলো আর্থ্রাইটিসে (গাঁটের ব্যথা)...
12/10/2025

বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস ,১২ই অক্টোবর,২০২৫
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস। এই দিনের মূল উদ্দেশ্য হলো আর্থ্রাইটিসে (গাঁটের ব্যথা) আক্রান্ত মানুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি, সঠিক চিকিৎসা ও যত্ন সম্পর্কে জানানো।

গাঁটের ব্যথা মানেই থেমে যাওয়া নয়!
নিয়মিত ব্যায়াম, সঠিক ভঙ্গি, ও পেশাদার ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
💪 আমাদের এলিট কেয়ার ফিজিওথেরাপি সেন্টারে
✅ ব্যথা উপশম
✅ জয়েন্ট মবিলিটি বৃদ্ধি
✅ জীবনমান উন্নত করার জন্য বিশেষায়িত ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করা হয়।

📞 যোগাযোগ করুন: ⁨016-08582004

চলুন একসাথে বলি – "Move to Improve!"

🎾 টেনিস এলবো (Tennis Elbow)চিকিৎসা ভাষায়: Lateral Epicondylitis🧠 কী এটা:টেনিস এলবো হল কনুইয়ের বাইরের দিকের হাড়ের সাথে যু...
07/10/2025

🎾 টেনিস এলবো (Tennis Elbow)
চিকিৎসা ভাষায়: Lateral Epicondylitis

🧠 কী এটা:
টেনিস এলবো হল কনুইয়ের বাইরের দিকের হাড়ের সাথে যুক্ত টেন্ডনে প্রদাহ বা ছোট ছিঁড়ে যাওয়া, যা সাধারণত অতিরিক্ত হাত ও কবজির ব্যবহারজনিত কারণে হয়।

⚠️ লক্ষণসমূহ:
কনুইয়ের বাইরের দিকে ব্যথা (বিশেষ করে হাড়ের কাছাকাছি)

ভারী জিনিস তোলা বা হাত ঘোরানোর সময় ব্যথা বৃদ্ধি

কবজি মুচড়ানো, দরজা খোলা, বোতল খোলা বা হাত মেলানোর সময় ব্যথা

মাঝে মাঝে দুর্বলতা বা ধরতে অসুবিধা

🧍‍♂️ কারণ:
বারবার হাত ও কবজি ব্যবহার (যেমন: টেনিস খেলা, পেইন্ট করা, টাইপিং, ভারী জিনিস তোলা)

কবজি ও পেশির অতিরিক্ত চাপ

বয়সজনিত কারণে (সাধারণত ৩০–৫০ বছর বয়সে বেশি দেখা যায়)

🩺 চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা:
১. বিশ্রাম ও কার্যক্রম কমানো:

ব্যথা বাড়ায় এমন কাজ কিছুদিন বন্ধ বা সীমিত করুন।

২. ঠান্ডা সেঁক:

দিনে ২–৩ বার ১৫–২০ মিনিট বরফ সেঁক দিলে ফোলাভাব ও ব্যথা কমে।

৩. ওষুধ:

ডাক্তারি পরামর্শে ব্যথানাশক বা প্রদাহনাশক ওষুধ (NSAIDs)।

৪. ফিজিওথেরাপি:

ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শে নিবেন।
ম্যানুয়েল ও ইলেক্ট্রোথেরাপির সমন্বয়ে।

৫. ব্রেস / সাপোর্ট:

বিশেষ ধরনের elbow strap বা counterforce brace ব্যবহার করলে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৬. ইনজেকশন (বিশেষ ক্ষেত্রে):

Corticosteroid বা PRP ইনজেকশন কখনও কখনও ব্যবহার করা হয়।

৭. অস্ত্রোপচার (খুব বিরল ক্ষেত্রে):

যদি ৬–১২ মাস চিকিৎসার পরও ব্যথা না কমে।

🧘 প্রতিরোধ:
কাজের সময় কবজি ও হাতের সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখা

হাতের পেশি শক্তিশালী ও নমনীয় রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম

অতিরিক্ত পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের মাঝে বিরতি নেওয়া।

চোটের ভয়াল থাবা থেকে কোনোভাবেই যেন মুক্তি মিলছে না নেইমারের।অ্যাঙ্কেল স্প্রেইন খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ আঘাতগুলোর ...
17/09/2025

চোটের ভয়াল থাবা থেকে কোনোভাবেই যেন মুক্তি মিলছে না নেইমারের।
অ্যাঙ্কেল স্প্রেইন খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ আঘাতগুলোর একটি, যা বিশেষ করে ফুটবল, বাস্কেটবল, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন বা দৌড়-ঝাঁপ নির্ভর খেলায় বেশি দেখা যায়। সাধারণত পায়ের হঠাৎ মচকানো বা অস্বাভাবিক ভঙ্গিতে পড়লে লিগামেন্টে অতিরিক্ত টান পড়ে এবং ছিঁড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। অ্যাঙ্কেল জয়েন্ট মূলত হাড়, লিগামেন্ট, টেন্ডন ও পেশির সমন্বয়ে গঠিত। এর মধ্যে ল্যাটারাল লিগামেন্টগুলো (বিশেষত Anterior Talofibular Ligament – ATFL) বেশি আক্রান্ত হয়।

আঘাত (Injury):
অ্যাঙ্কেল স্প্রেইন হলে আক্রান্ত স্থানে হঠাৎ ব্যথা, ফোলা, নড়াচড়ায় অসুবিধা, লালচে ভাব, এবং হাঁটাচলায় অস্বস্তি দেখা দেয়। তীব্র অবস্থায় রোগী ওজন নিতে পারে না এবং পায়ের গতি সীমিত হয়ে যায়। আঘাতের তীব্রতা তিনটি গ্রেডে ভাগ করা হয়:
• Grade I: লিগামেন্টে মাইক্রো টিয়ার, হালকা ব্যথা ও অল্প ফোলা।
• Grade II: আংশিক ছিঁড়ে যাওয়া, মাঝারি ফোলা ও ব্যথা, হাঁটার অসুবিধা।
• Grade III: লিগামেন্ট সম্পূর্ণ ছিঁড়ে যাওয়া, তীব্র ব্যথা, প্রচুর ফোলা, জয়েন্টে অস্থিতিশীলতা।

প্রতিকার (Management):
অ্যাঙ্কেল স্প্রেইনের চিকিৎসা ধাপে ধাপে করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে RICE প্রটোকল (Rest, Ice, Compression, Elevation) অনুসরণ করা হয়।
• Rest: ক্ষতিগ্রস্ত পা বিশ্রামে রাখা।
• Ice: প্রতি ২–৩ ঘণ্টা অন্তর বরফ সেঁক দিয়ে ফোলা ও ব্যথা কমানো।
• Compression: ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ ব্যবহার করে জয়েন্টে সাপোর্ট দেওয়া।
• Elevation: আক্রান্ত পা উঁচুতে তুলে রাখা।
পরবর্তীতে ব্যথা ও ফোলা কমলে ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে ধাপে ধাপে শক্তি ও কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনা হয়। প্রয়োজনে ডাক্তার ওষুধ বা ব্রেস ব্যবহারের পরামর্শ দিতে পারেন।

প্রতিরোধ (Prevention):
অ্যাঙ্কেল স্প্রেইন প্রতিরোধে নিয়মিত ওয়ার্ম-আপ, ব্যালান্স ট্রেনিং, স্ট্রেচিং ও মাংসপেশি শক্তিশালী করার ব্যায়াম জরুরি। সঠিক জুতো ব্যবহার এবং খেলার মাঠের সমতলতা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। পূর্বে যারা স্প্রেইনে ভুগেছেন তাদের জন্য বিশেষ ব্যালান্স ও প্রোপ্রিওসেপশন ট্রেনিং কার্যকর।

ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব:
ফিজিওথেরাপি অ্যাঙ্কেল স্প্রেইন ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
1. Pain Management: ইলেক্ট্রোথেরাপি (Ultrasound, TENS) ও ম্যানুয়াল থেরাপির মাধ্যমে ব্যথা ও প্রদাহ কমানো হয়।
2. Mobility & Strengthening: ধাপে ধাপে রেঞ্জ অব মোশন এক্সারসাইজ, স্ট্রেচিং ও মাংসপেশি শক্তিশালী করার ব্যায়াম করানো হয়।
3. Proprioception Training: ভারসাম্য উন্নত করতে wobble board, balance pad ইত্যাদির ব্যবহার করা হয়।
4. Return to Sports: ধাপে ধাপে functional training এর মাধ্যমে খেলোয়াড়কে মাঠে ফেরানো হয় যাতে পুনরায় আঘাতের ঝুঁকি কমে।
সার্বিকভাবে, সঠিক সময়ে চিকিৎসা ও ফিজিওথেরাপি প্রয়োগ করলে অ্যাঙ্কেল স্প্রেইন থেকে দ্রুত সেরে ওঠা সম্ভব এবং ভবিষ্যতে পুনরায় আঘাতের সম্ভাবনাও অনেক কমে যায়।

স্ট্রোক প্রতিরোধে শারীরিক ব্যায়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী উপায়। এটি শুধু স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় না, বরং সমগ্র...
26/07/2025

স্ট্রোক প্রতিরোধে শারীরিক ব্যায়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী উপায়। এটি শুধু স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় না, বরং সমগ্র স্বাস্থ্যকে উন্নত করে। নিচে বিস্তারিতভাবে শারীরিক ব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরা হলো:

🧠 স্ট্রোক প্রতিরোধে শারীরিক ব্যায়ামের গুরুত্ব

1. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে

উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) স্ট্রোকের প্রধান কারণ। নিয়মিত ব্যায়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে, ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।

2. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে স্ট্রোকের আশঙ্কা বেশি। শারীরিক ব্যায়াম ইনসুলিন কার্যকারিতা বাড়িয়ে রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে রাখে।

3. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে

অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা স্ট্রোকের বড় কারণ। ব্যায়াম মেটাবলিজম বাড়ায় এবং শরীরের চর্বি কমিয়ে ঝুঁকি হ্রাস করে।

4. রক্তে চর্বির মাত্রা কমায় (LDL কমায়, HDL বাড়ায়)

খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমিয়ে ভাল কোলেস্টেরল (HDL) বাড়িয়ে রক্তনালী সুস্থ রাখে।

5. মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে

ব্যায়াম করলে হৃদপিণ্ড শক্তিশালী হয় এবং মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত রক্ত প্রবাহ নিশ্চিত হয়, যা স্ট্রোক প্রতিরোধে কার্যকর।

6. মানসিক চাপ কমায়

মানসিক চাপ বা উদ্বেগও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। ব্যায়াম মন ভালো রাখে ও স্ট্রেস হরমোন (কর্টিসল) কমায়।

✅ কোন ধরনের ব্যায়াম ভালো?

ব্যায়ামের ধরনসময়উপকারিতাহাঁটা (Walking)দিনে ৩০ মিনিটসহজ ও কার্যকরজগিং / দৌড়সপ্তাহে ৩-৪ দিনহার্ট সুস্থ রাখেসাইক্লিংনিয়মিতপেশি ও কার্ডিও উপকারসাঁতারসপ্তাহে ২-৩ দিনপুরো শরীরের ব্যায়ামহালকা স্ট্রেচিং ও যোগব্যায়ামপ্রতিদিনরক্ত সঞ্চালন ও স্ট্রেস কমায়

🔔 পরামর্শ:

প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম করুন।

একটানা না পারলে ভাগ করে ১০-১০ মিনিট করেও করতে পারেন।

শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ভালো, বিশেষ করে বয়স বা অন্য রোগ থাকলে।

সংক্ষিপ্ত বার্তা:
"স্ট্রোক প্রতিরোধে শারীরিক ব্যায়াম একটি প্রাকৃতিক ও নিরাপদ ওষুধ। প্রতিদিনের হাঁটা, হালকা দৌড় বা স্ট্রেচিং আপনাকে শুধু স্ট্রোকই নয়, আরও অনেক রোগ থেকে দূরে রাখতে পারে।"

20/07/2025

ডাউন সিনড্রোমের 'স্পেশাল চাইল্ড' দেখতে পৃথিবীর সর্বকোণেই একই রকম। এরা নিজেদের চয়েসে এমন নয়। বরং ক্রোমোসোমাল। যার উপরে পিতা মাতা কারোই হাত নেই।সকল বিকাশ ধীরে ঘটে। একাগ্রতা দেরিতে পায়। মানসিক বিকাস, কথা বলা, কমিউনিকেশন; কত শত বাঁধা নিয়ে বেঁচে থাকে।সদয় হওয়া, সচেতন হওয়া, ভালোবাসার দৃষ্টি আর কো-অপারেশনই পারে এত চমৎকার জীবন দিতে। পৃথিবীর সকল প্রাণ জুড়িয়ে যাক। আত্মা শীতল হোক।

হাঁটু ব্যথা একটি খুব সাধারণ সমস্যা এবং এর অনেক কারণ থাকতে পারে। আসুন জেনে নেই কিছু প্রধান কারণ:🦵 আঘাত: খেলাধুলা করতে গিয়...
19/04/2025

হাঁটু ব্যথা একটি খুব সাধারণ সমস্যা এবং এর অনেক কারণ থাকতে পারে। আসুন জেনে নেই কিছু প্রধান কারণ:

🦵 আঘাত: খেলাধুলা করতে গিয়ে বা অন্য কোনো কারণে হাঁটুতে সরাসরি আঘাত লাগলে ব্যথা হতে পারে। যেমন: মচকানো, ছিঁড়ে যাওয়া লিগামেন্ট বা মেনিস্কাস (Meniscus) ইনজুরি।

🦴 অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis): এটি হাঁটু ব্যথার একটি অন্যতম প্রধান কারণ, বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়। সময়ের সাথে সাথে হাঁটুতে থাকা কার্টিলেজ (cartilage) ক্ষয় হয়ে গেলে এই সমস্যা হয়।

Inflammation রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (Rheumatoid Arthritis): এটি একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে হাঁটু সহ অন্যান্য জয়েন্টের টিস্যুকে আক্রমণ করে, ফলে প্রদাহ এবং ব্যথা হয়।

🦠 ইনফেকশন (Infection): হাঁটুতে কোনো জীবাণু সংক্রমণ হলে ব্যথা, ফোলাভাব এবং লালচে ভাব দেখা দিতে পারে। একে সেপটিক আর্থ্রাইটিস (Septic Arthritis) বলা হয়।

🏋️ অতিরিক্ত ব্যবহার (Overuse): অতিরিক্ত দৌড়ানো, লাফানো বা হাঁটুতে বেশি চাপ পড়ে এমন কাজ করলে টেন্ডন (tendon) বা বার্সাতে (bursa) প্রদাহ হতে পারে, যা হাঁটু ব্যথার কারণ।

⚖️ শরীরের অতিরিক্ত ওজন: অতিরিক্ত ওজন হাঁটুতে বেশি চাপ সৃষ্টি করে, যা সময়ের সাথে সাথে ব্যথার কারণ হতে পারে।

সবাই নিজেদের হাঁটু ও শরীরের যত্ন নিন! সুস্থ থাকুন। 😊

17/04/2025

🏆ফ্রোজেন শোল্ডার হলে কী করবেন? জেনে নিন সহজ সমাধান✅ফ্রোজেন শোল্ডার, যাকে চিকিৎসার ভাষায় Adhesive Capsulitis বলা হয়, এটি একটি সাধারণ কিন্তু যন্ত্রণাদায়ক কাঁধের সমস্যা। এতে কাঁধে শক্তভাব আসে, নড়াচড়া কমে যায় এবং ব্যথা বাড়তে থাকে। সাধারণত ৪০ বছরের পর এই সমস্যা বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে।👉ফ্রোজেন শোল্ডারের লক্ষণসমূহ:✅১. ব্যথা: প্রথমে হালকা ব্যথা দিয়ে শুরু হয়, ধীরে ধীরে তা তীব্র হয়।✅২. আঁটসাঁট ভাব: কাঁধের জয়েন্ট শক্ত হয়ে যায়, হাত উঠানো বা পিছনে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ✅৩. নড়াচড়ার সীমাবদ্ধতা: ধীরে ধীরে কাঁধ নাড়ানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।🔥ফ্রোজেন শোল্ডার কেন হয়?ডায়াবেটিস ও হাইপোথাইরয়েডিজমদীর্ঘদিন কাঁধ নাড়াচাড়া না করা (যেমনঃ অস্ত্রোপচারের পর)ইনজুরি বা ট্রমাস্ট্রোক বা স্নায়ু সমস্যা🔷ফ্রোজেন শোল্ডারের জন্য যা করবেন:✅ ১. হালকা স্ট্রেচিং ব্যায়াম করুন:যেমন Pendulum Exercise, Finger Walk, Cross-body Stretch ইত্যাদি। প্রতিদিন নিয়ম করে করলে কাঁধ ধীরে ধীরে নরম হবে।✅ ২. হট প্যাক বা আইস প্যাক ব্যবহার করুন:ব্যথা কমাতে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সহায়ক।✅ ৩. ব্যথা হলে ওভার-দ্য-কাউন্টার পেইন রিলিভার খেতে পারেন:তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।✅ ৪. ফিজিওথেরাপি নিন:একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট আপনার জন্য উপযুক্ত থেরাপি ও ব্যায়াম ঠিক করে দেবেন। এটি সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।✅ ৫. অতিরিক্ত বিশ্রাম এড়িয়ে চলুন:সম্পূর্ণ বিশ্রাম করলে কাঁধ আরও শক্ত হয়ে যেতে পারে। হালকা নড়াচড়া চালিয়ে যেতে হবে।👉কখন ডাক্তার দেখাবেন?ব্যথা যদি কয়েক সপ্তাহেও না কমেহাত একদম নাড়াতে না পারেনঘুমাতে সমস্যা হয় কাঁধের কারণে🌠🧎‍♀শেষ কথাফ্রোজেন শোল্ডার ধৈর্য ধরে চিকিৎসা করতে হয়। সঠিক ব্যায়াম ও ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে ৯০% ক্ষেত্রে সারিয়ে তোলা সম্ভব। নিজে সচেতন থাকুন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

27/03/2025

Physio and Trainer have played a crucial role in the field.---Cardiologist (Evercare Hospital).

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Elitecare Physiotherapy Centre———এলিটকেয়ার ফিজিওথরেপি সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share