08/12/2025
এই বাবুটির মা এসেছিলেন মাদারীপুর থেকে। তার প্রথম প্রেগনেন্সিতে যথাসময়ে নরমাল ডেলিভারির ব্যাথা উঠেছিল। এরপর তিনি ভর্তি হন একটি স্থানীয় হসপিটালে। সারাদিনেও লেবার প্রগ্রেস হয়নি এবং জরায়ুর মুখ খোলেনি। পরদিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এসে তার সিজার করেন। কিন্তু ডেলিভারির পর থেকেই বাচ্চা আর সেভাবে কান্না করেনি, এরপর ইন্টেন্সিভ কেয়ারে থেকে চার দিনের মাথায় বাবুটি মারা যায়।
এ ঘটনার নয় মাসের মাথায় তিনি আবার প্রেগনেন্ট হন। এবার আর ভুল যাতে না হয় তিনি নিজেই প্রেগনেন্সির ৩৭ সপ্তাহ কমপ্লিট করে সরাসরি বিআরবি হসপিটালে এসে সিজারের জন্য ভর্তি হয়ে যান।
এই ধরনের ঘটনাগুলো প্রায়ই শুনে থাকি। প্রকৃতপক্ষে নরমাল ডেলিভারি করার জন্য এক্সপার্ট স্বাস্থ্যকর্মী, ডাক্তার এবং ইন্সট্রুমেন্ট আমাদের দেশের খুব অল্প কিছু প্রতিষ্ঠানেই আছে।
নরমাল ডেলিভারি হবার জন্য যেমন কোন কিছুই দরকার হয় না (অনেকেই নাকি ফিজিওথেরাপি, স্কোয়াটিং, আনারস, খেজুর খাওয়ার চর্চা করে থাকে!!),আবার নরমাল ডেলিভারি কখন এবনরমাল দিকে যাবে এটা বোঝার জন্য বিশেষ ব্যবস্থারও দরকার আছে।