Hitech Multicare Hospital Limited

Hitech Multicare Hospital Limited Home of Care At Hitech, we care for our patients in a way that gives them a feeling of home while they undergo treatment here.

And they get multidisciplinary healthcare under one roof.

13/02/2021
13/05/2020

ভিটামিন ‘ডি’র অভাবই করোনায় মৃত্যুর বড় কারণ!

করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃত্যুহারের সঙ্গে ভিটামিন ‘ডি’র যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছেন গবেষকরা। ১০টি দেশ থেকে করোনা রোগীদের বিশদ তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণের পর ওই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন তারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে গবেষকরা দাবি করেছেন, ভিটামিন ‘ডি’ শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। সূর্যালোকে আমাদের ত্বকে ভিটামিন ‘ডি’ সংশ্লেষিত হয়। কিন্তু ত্বক বাঁচাতে অনেকেই গায়ে রোদ লাগাতে চান না। ফলে শরীরে স্বাভাবিক মাত্রায় যে ভিটামিন ‘ডি’ থাকা জরুরি তা থাকে না। এই ঘাটতিই করোনায় মৃত্যু ডেকে আনছে। এ দাবির পেছনে গবেষকদের যুক্তিও রয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ইতালি ও স্পেনের লোকজনের শরীরে ভিটামিন ‘ডি’র মাত্রা খুবই কম। এ কারণে করোনায় দুইটি দেশে মৃত্যুহারও বেশি গবেষকদের কথা অনুযায়ী, কড়া রোদ এড়িয়ে চলায় এই দেশগুলোতে ত্বকের পিগমেন্টটেশন কমেছে। ফলে ভিটামিন ‘ডি’র সংশ্লেষ আশানুরূপ হচ্ছে না। শরীরে ভিটামিন ‘ডি’ পর্যাপ্ত মাত্রায় থাকলে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। গবেষণায় জড়িতদের অন্যতম ব্রিটেনের অ্যাংলিয়া রাসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের লি স্মিথ বলেছেন, গড় ভিটামিন ‘ডি’র মাত্রার সঙ্গে কোভিড-১৯ কেসের একটা গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আমরা খুঁজে পেয়েছি। বিশেষত করোনায় মৃত্যুহারের সঙ্গে। তিনি বলেন, উত্তর ইউরোপের দেশগুলোতে লোকজনের শরীরে ভিটামিন ‘ডি’র গড়মাত্রা ইতালি ও স্পেনের থেকে বেশি। কারণ সেখানকার লোকজন রোদে বেরোতে দ্বিধা করেন না। আবার তারা কড লিভার ওয়েল, ভিটামিন ‘ডি’ সাপ্লিমেন্ট নেন। করোনায় মৃত্যুহারের ওপর ভিটামিন ‘ডি’র প্রভাব ইস্যুতে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর প্রসঙ্গও আসে। এ অঞ্চলের দেশগুলোতে কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের হার কম। এক্ষেত্রে গবেষকদের ব্যাখ্যা হলো, প্রবীণদের শরীরে ভিটামিন ‘ডি’র মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই অনেক কম। ফলে করোনায় তাদের মৃত্যুহার বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। আগের একটি গবেষণার কথা উল্লেখ করে লি স্মিথ বলেন, হাসপাতাল, কেয়ার হোমের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশই ভিটামিন ‘ডি’র মারাত্মক ঘাটতিতে ভুগছেন। তবে ভিটামিন ‘ডি’র ঘাটতিই করোনার মৃত্যুহার বাড়ার কারণ এ সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে এ বিষয়ে আরও বিশদ গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে তা বলতে ভুলেননি এ গবেষক।

10/05/2020

কি সাংঘাতিক কসাই!

একটা ভয়ংকর অপরাধ দৃশ্যের বর্ণনা দেই। দুর্বল চিত্তের লোকজনের জন্য প্রবেশ নিষেধঃ

'প্রথমেই তাকে একটা রুমে ঢুকিয়ে ফেলা হলো রুম আটকে দেয়া হলো।যাকে ভিতরে ঢুকানো হলো রুমের বাহিরে তাদের অনেক আত্ত্বীস্বজনের চিৎকার শোনা যাচ্ছে; অনেকে চিৎকার করে দোয়া পড়ছে। অনেকে চোখের জল ফেলে উপরওয়ালার কাছে প্রার্থনা করছে। কেউ জানে না কি হবে? কেউ জানে না ভিতরে কি হতে যাচ্ছে? ভিতরে ঢুকিয়েই তাকে একটা কাপড়ে শরীরের অনেকটুক অংশ ঢেকে ফেলা হলো। দলনেতা গোছের একজন এবং সাথে আএকজন তাদের চেহারা কাপড়ে ঢেকে ফেললো তাদের না চেনা যায়। এই অপকর্মে সহযোগিতা করার জন্য আরো বেশ কয়েকজন রুমে উপস্থিত আছে। বৃদ্ধ টাইপের একজন লোক ইশারা করতেই পেটে ছুড়ি বসিয়ে দিলো। রক্ত বের হতে লাগলো ফিনকি দিয়ে। সাথের জন কাপড় দিয়ে চেপে ধরলো যেন রক্ত বেশি বের না হয়। একজনের মনে হলো যথেষ্ট শাস্তি দেয়া হচ্ছে না। গরম তাতাল টাইপের একটা জিনিস নিয়ে পেটে রক্ত বের হওয়া জায়গাটাতে চেপে ধরা হলো। রুমে মাংস পোড়া গন্ধ-এ ভরে গেল। এদিকে যার উপর এই অপকর্ম চালানো হচ্ছে সে সম্ভবত ভয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে। একজন দেখতে বললো - কি অবস্থা? জানানো হলো এখনো বেচে আছে। এভাবে কিছুক্ষন চললো এই নারকীয় অপকর্ম। ফ্লোরে টপটপ করে রক্ত পড়ছে। গা ভেসে আচ্ছে রক্তে। সে এক বীভৎস দৃশ্য। অনেকক্ষন এই অপকর্ম চালানোর পর যেন কিছুও হয় নি এমনভাব করে রুম থেকে বের হয়ে গেলো অপকর্মের হোতা। যাবার আগে বললো রুম ভালো করে পরিস্কার করতে যেন রক্ত বা অন্যান্য কিছুই ফ্লোরে না লেগে থাকে। বাহিরে কি অবস্থা জানি না।'

উপরে যেই বীভৎস দৃশ্যের বর্ণনা পেলেন তা আর কিছুই না একটা সিজারের অথবা পেটে অপারেশনের খুব স্বাভাবিক একটা দৃশ্য। একজন ডাক্তার বা মেডিকেল স্টুডেন্ট-এর জন্য এগুলো খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু এই বর্ণনা যদি আমাদের সাংবাদিক নামের সাংঘাতিকদের দিতে দেয়া হয় তারা বর্ণনা এমনভাবেই দিবে। তারা ডাক্তারদের এমনভাবেই সাধারন মানুষের কাছে উপস্থাপন করে তাদের পত্রিকার কাটতি বাড়ায়।

(সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)

10/05/2020

এক চিকিৎসক মেয়ের আত্মচিৎকার, চিকিৎসা ব্যবস্হা সম্পর্কে কি জানান দিল????

একের পর এক হাসপাতাল ঘুরে কুর্মিটোলায় ভর্তির পর অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যুঃ

গৌতম আইচ সরকার করোনাভাইরাস সঙ্কটের এই সময়ে কিডনির জটিলতায় অসুস্থ অতিরিক্ত সচিব গৌতম আইচ সরকারকে নিয়ে একের পর এক হাসপাতাল ঘুরতে হল তার পরিবারকে।

অন্য কোনো হাসপাতালে না পেরে শেষে বৃহস্পতিবার কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এই সরকারি কর্মকর্তাকে।

শনিবার বেলা ১২টার দিকে গৌতম আইচের মৃত্যু হয় বলে তার মেয়ে সুস্মিতা আইচ জানিয়েছেন, যিনি নিজেও একজন চিকিৎসক।

সুস্মিতা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কোভিড-১৯ এর কোনো উপসর্গ না থাকলেও অন্য কোনো উপায় না পেয়ে অনেক কষ্টে বাবাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করাই।

“বাবার আইসিইউ সাপোর্টটা খুব দরকার ছিল, কিন্তু তা পাওয়া যায়নি। বাবার চিকিৎসাই হল না, তিনি মারা গেলেন। আমি ডাক্তার হয়েও কিছু করতে পারলাম না।”

যে ৩৩৩ হটলাইন নম্বর থেকে সরকার স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছে, সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. সুম্মিতা।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও তার বাবা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত কি না, তা জানার চেষ্টাও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করেনি।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের অন্য রোগীদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হতে যে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে, অতিরিক্ত সচিব গৌতম আইচের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। তার চিকিৎসক মেয়েও হাসপাতালগুলোর কর্তৃপক্ষদের বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছেন যে শ্বাসকষ্ট থাকলেও তার বাবা কোভিড-১৯ রোগী নন, আর তিনি তার বাবার রোগের আদ্যোপান্তই জানেন।

গৌতম আইচ দীর্ঘ দিন ধরে কিডনির নানা জটিলতায় ভুগছিলেন বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন।

সুস্মিতা বলেন, “বাবার কিডনির সমস্যা ছিল, নিয়মিত ডায়ালাইসিস পেত। ডায়ালাইসিসের সময় প্রায়ই হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে যেত, শ্বাসকষ্ট হত, লাংসে পানি চলে আসত। আইসিইউ সাপোর্ট হলে ঠিকও হয়ে যেত।”

গত বৃহস্পতিবার ল্যাবএইড হাসপাতালে অতিরিক্ত সচিব গৌতমের ডায়ালাইসিসের সময় প্রেসার বাড়ার পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট শুরু হলে ল্যাবএইডের ইমার্জেন্সি থেকে চিকিৎসক মেয়ে সুস্মিতাকে ফোন করা হয়।

“আমি বাবাকে ল্যাবএইডে ভর্তি করাতে বলি। তখন তারা বলে, তাদের কনসালটেন্ট নেই, ভর্তি রাখতে পারবে না। তারা জানায়, ল্যাবএইডে তারা আইসিইউ সাপোর্ট দিতে পারবে না। তাই প্রেসার কমানোর ওষুধ দিয়ে বাসায় নিয়ে যেতে বলে। ল্যাবএইডে তিনি নিয়মিত যে ডাক্তারকে দেখান তিনিও সেদিন ছুটিতে ছিলেন।

“আমার কাছে মনে হয়েছে বাসায় আনা ঠিক হবে না, এই মুহূর্তে অক্সিজেন দরকার। বিকাল ৪টায় ডায়ালাইসিস শেষ হয়, আমরা বাবাকে নিয়ে বিকাল ৫টার দিকে ইউনাইটেড হাসপাতালে যাই। তাদের কথা, শ্বাসকষ্ট যেহেতু হচ্ছে, কোভিড-১৯ কি না?

“তার কোনো জ্বর ছিল না। আমি নিজে ডাক্তার পরিচয় নিয়ে সব কিছু বুঝিয়ে বললাম। তখন তারা বলল, কোনো রেফারেন্স ছাড়া তারা ভর্তি নিতে পারবে না। সেখানে আমরা কোভিড-১৯ টেস্ট করাতে চাইলে তারা আইইডিসিআরের কথা বলে। কিন্তু তারা (আইইডিসিআর) তো টেস্ট করানো বন্ধ করে দিয়েছে!”

পরে গৌতমকে নিয়ে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান তার মেয়ে।

সুস্মিতা বলেন, “তারাও টেস্ট করানোর কথা বলে স্কয়ারে নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেখান থেকে আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালে নিয়ে আসি, কিন্তু তারা পেশেন্টকে দেখেইনি, চেকও করেনি। তারা বলে, ভর্তি নিতে পারবে না। যেহেতু আমি এই হাসপাতালে কাজ করেছি, আমি অতিরিক্ত পরিচালকের সঙ্গে কথা বলি। তিনি চেস্ট এক্সরে করিয়ে আনতে বলেন। কিন্তু আমার ভয় হচ্ছিল বাবা স্ট্রোক করেছে। কারণ তার কথা বলা বন্ধ হয়ে গেছে। এরপর তিনি কোভিড-১৯ টেস্ট করানোর কথা বলেন। ওখানে আইসিইউ সাপোর্ট দিতে পারবে না বলে জানানোয় স্কয়ারে নিয়ে যাই।

“স্কয়ার বলে, আমাদের পক্ষে ভর্তি নেওয়া সম্ভব নয়, আমরা টেস্ট বন্ধ করে দিয়েছি। পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে যাই। তারা বলে, এই পেশেন্টকে কার্ডিয়াক সাপোর্ট দেওয়া দরকার, কিডনির পেশেন্ট যেহেতু। আমাদের এই সাপোর্ট শুরু হয়নি, আমরা পারব না। “সেখান থেকে সোহরাওয়ার্দী কার্ডিয়াকে যাই। তারা রাখতে পারবে না বলে জানায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কথা বলি, তারাও বলে, এই মুহূর্তে ভর্তি নেওয়া সম্ভব না। আমি মিরপুরের রিজেন্ট হাসপাতালেও গিয়েছি।”

“আমাদের আশপাশে এমন কোনো হাসাপাতাল নেই যেখানে ভর্তি করানোর চেষ্টা করিনি। পরে সাড়ে ৯টার পর যখন আর কিছু করার ছিল না তখন আমরা বাসায় এসে বসে থাকি। কারণ আমাদের আর কিছুই করার ছিল না,” বলেন সুস্মিতা।

অতিরিক্ত সচিব গৌতমের আগে থেকেই যে এ ধরনের সমস্যা হত, মেয়ে সুস্মিতা একজন চিকিৎসক হয়েও এই সঙ্কটের মধ্যে তা কোনো হাসপাতালকেই পারেননি। ফলে বাবাকে হারিয়ে একটা আইসিইউ সাপোর্ট না পাওয়ার আক্ষেপ আজীবন বয়ে বেড়াবেন তিনি।

“আমার কাছে অদ্ভুত লেগেছে একজন ডাক্তার হিসেবে আমি জানতাম বাবার কী হয়েছে, কিন্তু আমি কোথাও তাকে আইসিইউ সাপের্টে নিতে পারলাম না। তার একটা আইসিইউ সাপোর্ট হলেই হত, আমি তার হিস্ট্রিটা খুব ভালোমতোই জানি। বাবা রফিকুল আলম স্যারের পেশেন্ট ছিল, পরে আমরা মনোজ জামান স্যারকে দেখাতাম। রফিকুল আলম স্যার বাবাকে ভালোমতোই চিনেন, বাবার সমস্যা মাঝে মাঝে খুব জটিল হয়, তার আইসিইউ সাপোর্ট দরকার হয়।”

সব হাসপাতালে ঘুরেও ভর্তি করাতে ব্যর্থ হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী বাবাকে নিয়ে যখন বাসায় বসে আছেন, তখন তাদের এক আত্মীয় অনেক চেষ্টার পর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে একটা ‘সিট ম্যানেজ’ হওয়ার খবর জানান।

সুস্মিতা বলেন, “রাত ১০টার দিকে আমাদের একজন রিলেটিভ একটা রেফারেন্সে কুর্মিটোলায় একটা জেনারেল বেডের অ্যারেঞ্জ করেন। বাবার অক্সিজেনের খুব বেশি দরকার হওয়ায় তার কোভিড-১৯ এর কোনো উপসর্গ না থাকলেও তাকে ওই হাসপাতালে নিযে যাই। বাবাকে আলাদা কেবিনে রাখা হয়।

“শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে বাবার অক্সিজেন ফল করতে শুরু করল। যে বেডে তাকে রাখা হয়েছিল কোনো সেখানে সরকারি ডাক্তার সেখানে যায়নি। তারা আমাকে ওষুধ বুঝিয়ে দেয়, আমিই ওষুধ খাওয়াচ্ছি, আমার ভাই অক্সিজেন দিচ্ছে।”

সুস্মিতা বলেন, “হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, শুক্রবার সকালে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করাবেন। আমরাও সেটাই চাইছিলাম। কোভিড-১৯ এর রিপোর্টটা পেলে সেই অনুযায়ী আমরা অন্য ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, প্রয়োজনে ভালো কোনো বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতাম। কিন্তু শুক্রবার সারা দিন তারা টেস্টই করায়নি।

“বাবা মারা যাওয়ার পর তারা বলছে, আগেই নমুনা নেওয়া দরকার ছিল। আমরা বললাম, এখন নিয়ে নেন। আমরা এখনও করাতে চাই।”

“আমি ডাক্তার হিসেবে মনে করি, বাবার কোভিড-১৯ এর কোনো উপসর্গ ছিল না। ডায়ালাইসিসের সময় তার আগেও এমন হয়েছে। এই অবস্থায় হাসপাতালগুলো চাইলেই তাকে ভর্তি নিতে পারত। কোভিড-১৯ সন্দেহ হলে প্রয়োজনে আইসোলেশনে রাখতে পারত, কিন্তু কেউ সেটা করেনি,” বলেন সুস্মিতা।

“বাবার প্রোপার টিটমেন্ট হয়নি। আমরা ভয় পাচ্ছিলাম স্ট্রোক করেছে। একটা পা নাড়াতে পারছিলেন না, কথাও বলতে পারছিলেন না। ল্যাবএইডের ইমার্জেন্সি থেকেও বলেছে, উনি মনে হয় স্ট্রোক করেছেন।”

সুস্মিতা বলেন, “আমি আমার বাবাকে নিয়ে সাফার করছি, …এটা নিয়ে আমি কথা বলব। বিশেষ করে নরমাল যারা পেশেন্ট, কোভিড-১৯ না, আমার বাবার মতো কিডনি পেশেন্ট, তারা কী করবেন, তাদের জন্য কী করছেন? কারণ আমি যে হাসপাতালেই গিয়েছি সবাই বলেছে, টেস্ট (রিপোর্ট) আনেন। আমি টেস্টটা কোথায় করাব?”

এরকম পরিস্হিতিতে পরিবারের সবাই বড়ই অসহায় থাকেন, হোক না তা চিকিৎসক পরিবার।চিকিৎসক/হাসপাতাল এর দায়সারা উত্তর আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্হার করুন অবস্হাকেই জানান দিল আরও একবার।

কোন্ হাসপাতালে কোন্ ধরনের রোগী চিকিৎসা করা হবে বা ব্যবস্হা আছে তা যদি ইন্টারনেটে তথ্য থাকে, তাহলে সময় ও হয়রানী দুটোই বাঁচবে।হাসপাতালের বাইরে বড় বড় ডিসপ্লেতেও লেখা থাকতে হবে তাদের চিকিৎসার লিমিটেশন সম্পর্কে। বিজ্ঞজনেরা ব্যাপারটি ভেবে দেখবেন।

চিকিৎসা হয়রানী বন্ধে অতিদ্রুত ব্যবস্হা নিন।শুধু সাধারন জনগনের জন্যই নয়,আমাদের পরে কিন্তু আপনার পরিবারও আছে... সুতরাং সাবধান। একটি মৃত্যু মানে সারাজীবনের কান্না😰😢

(সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)

21/04/2020

"I dug a space and buried my close friend by pushing in mud with my own hands. He didn't deserve this end," says Dr Pradeep, a colleague of the deceased. Dr Simon was the Managing Director of New Hope Hospital in Chennai. The 55-year-old neurosurgeon has helped hundreds of patients in...

19/04/2020

আপনি কি সত্যি ঝুঁকিমুক্ত?

সবাই পিপিই আর N95 নিয়ে অস্থির, প্রবেশপথ অরক্ষিত।

মিটফোর্ডে ১৩ জন এর অধিক চিকিৎসক অাজকে কোভিড পজেটিভ এসেছে। অত্যন্ত দুঃখজনক। করোনার মূল এন্ট্রিপয়েন্ট হচ্ছে নাক এবং মুখ। সবাই পিপিই নিয়ে ব্যস্ত কিন্তু করোনার প্রবেশপথ থাকছে সবচাইতে অনিরাপদ। রোগীর ফাইলটিও সংক্রমনের সোর্স হতে পারে।

নিজের পরিবারের সব সদস্য, ড্রাইভার, অফিসের জন্য জরুরী প্রয়োজনে মাস্ক খুঁজতে গিয়ে বেশ কিছু অভিজ্ঞতা হল।

সব সময়ের জন্য আপনার যা দরকার?
👉একটি ভালো মাস্ক। ভালো হয় পাঁচটি।
👉ডিসপোজেবল গ্লাভস এক বা দুই বক্স।
KN95/FFP2 এর সাথে সার্জিক্যাল মাস্ক যোগ করলে মোট লেয়ার দাঁড়াবে ৮ টি। সুতরাং প্রোটেকশন মোটেও কম নয়।

সরাসরি যারা রোগী দেখছেন তাদের জন্য যোগ হবে
👉গগলস
👉ফেইস শিল্ড
👉পিপিই
👉শু কাভার
👉সার্জিক্যাল ক্যাপ।
টানাটানির সংসারে কিভাবে আমরা কম খরচে সুরক্ষা সরঞ্জামের লাগসই ব্যবহার করব সেটি পরের পোস্টে জানাবো।
👉N-95 পেছনে শুধু শুধু দৌড়াবেন না?
আপনারা নিশ্চয়ই জেনে গিয়েছেন USA এর স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে N-95 ‌ যা বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে দুষ্প্রাপ্য এবং 1200 থেকে 1500 টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বেশিরভাগই এখন নকল বিক্রি হচ্ছে।

👉আপনি এখন যা খুঁজবেন?
N-95 এরই বিকল্প হিসাবে চীনের তৈরি KN95 আর ইউরোপে FFP2 মাস্ক যা বাতাসের ৯৫% পর্যন্ত ফিল্টার করতে সক্ষম।
আর আছে সার্জিকাল মাস্ক যা ১০-২০% সুরক্ষা দিতে পারে। কারণ এটা ব্যবহার করার পরেও পাশ দিয়ে বাতাস চলাচল করতে পারে।

👉 বিকল্প হিসাবে আপনার জন্য ভালো?
KN95/FFP2। যদি আপনার ব্যবহৃত মাস্কে ফিল্টার স্তর না থাকে তাহলে ওই মাস্ক ব্যবহার করা আর রুমাল ব্যবহার করা প্রায় একই।

আদর্শ সার্জিকাল মাস্ক এবং N95/KN95/FFP2 মাস্ক এর ব্যাবহারিত ফিল্টার ম্যাটেরিয়াল একই যা meltblown polypropylene non woven fabric দিয়ে বানানো।

সার্জিকাল মাস্ক এ ৩টা স্তর থাকে মাঝের স্তর টি হচ্ছে ফিল্টার স্তর। N95/KN95/FFP2 মাস্কে কমপক্ষে পাঁচটি ফিল্টার স্তর থাকে এবং এইগুলা বানানো হয় এমনভাবে যেনো সম্পূর্ণ ভাবে সীল হয়ে যায়। ফিল্টার ছাড়া অন্যকোনো ভাবে বাতাস চলাচল না করতে পারে।
👉 অরিজিনাল কিনা বোঝার কৌশল ঃ
আগে মনে রাখতে হবে এই মুহুর্তে বাজারে 1 নম্বর বলে কিছু নাই। আজকে চাইনিজ ও ইন্ডিয়ান দুটোই কেটে ভেতরে 5 টি ফিল্টার পেলাম। চাইনিজ মাস্কের সামনে উভয় পাশে KN95 খোদাই করে লেখা থাকবে এবং অবশ্যই একটি প্রোডাক্ট কোড খোদাই দেখতে পাবেন।
অপরদিকে ইন্ডিয়ান মাসিকের একপাশে KN95 ও অপর পাশে P-2.5 লেখা দেখা যাবে এবং কোন ধরনের প্রোডাক্ট কোড খোদাই থাকে না।
নোজপিস বা নাকের রিম চাইনিজটিতে থাকে ভেতরে আর ইন্ডিয়ানটিতে বাইরে।মজার ব্যাপার হচ্ছে কাস্টমার আকর্ষণ করার জন্য কোন কোন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে এনে বাইরে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

উভয়টির মধ্যে অবশ্যই চাইনিজটির কোয়ালিটি বেস্ট।

👉কারা ব্যবহার করবেন?
শুধু নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করলে সঠিক হবে না বরং স্ত্রী পরিবার বিশেষ করে আপনার ড্রাইভার পিয়ন সার্বক্ষণিক আপনার কাছে থাকে।

N95/KN95/FFP2 এর ব্যবহার প্রোফেশনাল ডাক্তার নার্স টেকনিশিয়ানরা করে থাকেন। অথবা যারা করোনা আক্রান্ত রুগীর সেবা করবেন তারা ব্যবহার করবেন।

👉ব্যবহার করতে গিয়ে একটু সমস্যা বোধ করেছি?
N95/KN95/FFP2 এর ব্যবহার করা সুখকর কোনো অভিজ্ঞতা নয় , এটা ব্যবহার করে নিঃশ্বাস নিতে কিছুটা হলেও কষ্ট হয় এবং ভেতরে গরম হয়ে ঘেমে যায়. সম্পূর্ণভাবে সীল নিশ্চিত করার জন্য স্কিন এর সাথে অনেক আঁটসাঁট ভাবে চেপে থাকে এতে অনেকের মুখে দাগ হয়ে যায়।নিরাপত্তার জন্য এতোটুকু কষ্ট মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নাই।

👉দাম নিয়ে চলছেও ব্যবসা?
আজকে একজন সৎ ব্যবসায়ী আমাকে অনেক কিছু শেখালেন। চায়না থেকে সরাসরি আমদানি করতে যে খরচ প্লাস এয়ারপোর্টের ভ্যাট ট্যাক্স ও বিক্রেতার প্রফিট সহ কোনভাবেই এটি 300- 350 টাকার উপরে যাওয়া উচিত নয়। আপনারা যখন কিনবেন তখন এই প্রাইসে খুজবেন এবং অবশ্যই চাইনিজ। এর এক পয়সাও বেশি দেবেন না।

(Collected)

28/03/2020

Johns Hopkins University, sent this excellent summary to avoid contagion

* The virus is not a living organism, but a protein molecule (DNA) covered by a protective layer of lipid (fat), which, when absorbed by the cells of the ocular, nasal or buccal mucosa, changes their genetic code (mutation) and convert them into aggressor and multiplier cells.

* Since the virus is not a living organism but a protein molecule, it is not killed, but decays on its own. The disintegration time depends on the temperature, humidity and type of material where it lies.

* The virus is very fragile; the only thing that protects it is a thin outer layer of fat. That is why any soap or detergent is the best remedy, because the foam CUTS the FAT (that is why you have to rub so much: for 20 seconds or more, to make a lot of foam). By dissolving the fat layer, the protein molecule disperses and breaks down on its own.

* HEAT melts fat; this is why it is so good to use water above 25 degrees Celsius for washing hands, clothes and everything. In addition, hot water makes more foam and that makes it even more useful.

* Alcohol or any mixture with alcohol over 65% DISSOLVES ANY FAT, especially the external lipid layer of the virus.

* Any mix with 1 part bleach and 5 parts water directly dissolves the protein, breaks it down from the inside.

* Oxygenated water helps long after soap, alcohol and chlorine, because peroxide dissolves the virus protein, but you have to use it pure and it hurts your skin.

* NO BACTERICIDE SERVES. The virus is not a living organism like bacteria; they cannot kill what is not alive with anthobiotics, but quickly disintegrate its structure with everything said.

* NEVER shake used or unused clothing, sheets or cloth. While it is glued to a porous surface, it is very inert and disintegrates only between 3 hours (fabric and porous), 4 hours (copper, because it is naturally antiseptic; and wood, because it removes all the moisture and does not let it peel off and disintegrates), 24 hours (cardboard), 42 hours (metal) and 72 hours (plastic). But if you shake it or use a feather duster, the virus molecules float in the air for up to 3 hours, and can lodge in your nose.

* The virus molecules remain very stable in external cold, or artificial as air conditioners in houses and cars. They also need moisture to stay stable, and especially darkness. Therefore, dehumidified, dry, warm and bright environments will degrade it faster.

* UV LIGHT on any object that may contain it breaks down the virus protein. For example, to disinfect and reuse a mask is perfect. Be careful, it also breaks down collagen (which is protein) in the skin, eventually causing wrinkles and skin cancer.

* The virus CANNOT go through healthy skin.

* Vinegar is NOT useful because it does not break down the protective layer of fat.

* NO SPIRITS, NOR VODKA, serve. The strongest vodka is 40% alcohol, and you need 65%.

* LISTERINE IF IT SERVES! It is 65% alcohol.

* The more confined the space, the more concentration of the virus there can be. The more open or naturally ventilated, the less.

* This is super said, but you have to wash your hands before and after touching mucosa, food, locks, k***s, switches, remote control, cell phone, watches, computers, desks, TV, etc. And when using the bathroom.

* You have to HUMIDIFY HANDS DRY from so much washing them, because the molecules can hide in the micro cracks. The thicker the moisturizer, the better.

* Also keep your NAILS SHORT so that the virus does not hide there.

Address

164 East Kafrul
Dhaka
1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hitech Multicare Hospital Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hitech Multicare Hospital Limited:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category