Medicine Wala

Medicine Wala We are providing easy & hassle free home delivery of original medicine all over Dhaka. Sent your prescription to us by message or whatsapp.

"On demand medicine supplier - We are at your service."

আসসালামুআলাইকুম। এই মহামারীতে সবাই সবার পাশে থাকা উচিৎ তাই নয় কি? হ্যাঁ অবশ্যই দূরে থেকে পাশে! তাহলে দয়াকরে দেরী না করে ...
03/07/2020

আসসালামুআলাইকুম।

এই মহামারীতে সবাই সবার পাশে থাকা উচিৎ তাই নয় কি? হ্যাঁ অবশ্যই দূরে থেকে পাশে! তাহলে দয়াকরে দেরী না করে বেশী বেশী মেম্বার এড করুন। যাতে অসুস্থ্য কেউ এই পেইজের মাধ্যমে সেবা পেয়ে জীবন বাঁচাতে পারে। আপনার কারনেই হয়ত আরেকটি মানুষ এই সংকটকালীন সময়ে খুব সহজেই আমাদের সাহায্য নিয়ে সংকট কাটিয়ে উঠতে পারে।তাই অন্যদেরকে এই পেইজটির খোঁজ জানিয়ে সেবা সম্পর্কে অবগত করুন এবং চমৎকারভাবে দূরে থেকেও পাশে থাকুন।

ধন্যবাদ।

#ঘরে_থাকুন
#সুস্থ্য_থাকুন
তে অর্ডার করুন।

28/06/2020

আসসালামুআলাইকুম! প্রিয় ঢাকাবাসী, Medicine Wala-তে আপনাদের স্বাগতম। ইতোমধ্যেই পেইজে অনেক মেম্বার হয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। তাই সবার উদ্দেশ্যে পেইজের কর্মকান্ড বর্ণনা করছি।

বর্তমান সময়ের এই বৈশ্যিক মহামারীতে পুরো বিশ্ব ভয়ংকর অবস্থার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশ ও তার ব্যতিক্রম নয়। তন্মধ্যে ঢাকার অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। তাই এই করোনা কালিন সময়ে যারা অসুস্থ্য হচ্ছেন, হোক তা করোনা কিংবা অন্য যে কোন অসুস্থতায়, তারা ভয়াবহ বিপদে পড়ছেন। আপনার ঘরে অসুস্থ্য রোগী অথচ আপনি নানান সমস্যার জন্য ঔষধ বা চিকিৎসা সামগ্রী আনতে পারছেননা অথবা ছোট বাচ্চা হঠাৎ অনেক রাতে অসুস্থ্য হয়ে গেল অথচ ফার্মেসি খোলা নেই অথবা ভাইরাসের জন্য আপনার বাহিরে যাওয়া টা অনিরাপদ কিংবা আপনি লকডাউনে আছেন, তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। সর্বোচ্চ সতর্কতা মেনে আমরা আপনার চিকিৎসা সামগ্রী পৌছে দেব আপনার দোরগোড়ায়। শুধুমাত্র ঢাকার ভেতরে আমাদের এই সেবাটি চালু থাকবে। আপনাদের সেবায় ২৪ ঘন্টা আমরা নিয়োজিত আছি। আমাদের ফোন করুন অথবা মেসেজ করুন আমরা আপনার সেবা মাত্র ২ ঘন্টার মধ্যে পৌছে দিতে বদ্ধপরিকর।

আসুন সৃষ্টিকর্তার সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁর সাহায্যে এই বৈশ্যিক বিপদ একসাথে মোকাবেলা করি।

#ঘরে_থাকুন
#সুস্থ্য_থাকুন।
Order করুন Medicine Wala-তে।
আসসালামুআলাইকুম।

আমাদের Online Pharmacy মেডিসিন ওয়ালা-তে দেশি-বিদেশি সকল ধরনের ঔষধ ও Health care সামগ্রী পাচ্ছেন এখন ঘরে বসেই।মাত্র ১ ঘন্...
23/06/2020

আমাদের Online Pharmacy মেডিসিন ওয়ালা-তে দেশি-বিদেশি সকল ধরনের ঔষধ ও Health care সামগ্রী পাচ্ছেন এখন ঘরে বসেই।

মাত্র ১ ঘন্টায় (ঢাকা শহরের ভিতরে) প্রয়োজনীয় সকল ঔষধ সামগ্রী আপনার কাছে পৌছে দেওয়ার অঙ্গীকার করছি।

তাই, আর দেরি না করে এখনি অর্ডার করুন Medicine Wala তে।

👉 অর্ডার করতে যোগাযোগ করুনঃ
https://www.facebook.com/pg/medicwala

🤙 Whatsapp অথবা call করুনঃ
+880 177 815 6099

অনেকেই হয়ত ভাবছেন, এই গরমে আবার গরম পানি পান করলে পিপাসা মিটবে না। তবে এই ধারণা ভুল, এই সময় ঠাণ্ডা পানির বদলে হালকা গরম ...
20/06/2020

অনেকেই হয়ত ভাবছেন, এই গরমে আবার গরম পানি পান করলে পিপাসা মিটবে না। তবে এই ধারণা ভুল, এই সময় ঠাণ্ডা পানির বদলে হালকা গরম পানি পান করে তেষ্টা মেটানোই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সারাদিন হালকা গরম পানিতে গলা ভেজালে এই সময় আপনি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকবেন।
নিজেকে ফিট রাখার পাশাপাশি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে হালকা গরম পানি পানের বিকল্প নেই। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও হালকা গরম পানির তুলনা নেই। এবার তবে জেনে নিন কেন নিয়মিত গরম পানি পান করবেন, এটি শরীরে কীভাবে কাজ করে এবং পানি আরো পুষ্টিকর করে তুলবেন কীভাবে-

> করোনাকালের প্রথম থেকেই কিন্তু সবাই গরম পানি খাওয়া ও ভাঁপ নেয়ার কথা বলে আসছেন। এটি নিশ্চয় আপনিও জানেন!


> খুব সকালে গরম পানি পান করলে তা শরীরের সঠিক ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখে। সেই সঙ্গে দেহে উপস্থিত ক্ষতিকর পদার্থকে বের করে দেয়।

> আপনি যদি এই সময় মৌসুমী ফ্লু, সর্দি এবং কাশির সমস্যায় ভুগেন তবে সারাদিন অল্প করে গরম পানি পান করুন। এতে কফ-সর্দি জমে থাকলে তা দূর হবে।

> বুকে দীর্ঘ সময় কফ জমে থাকলে তা বের করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সারাদিন হালকা গরম পানি পান করা।

> প্রতিদিন সকালে গরম পানি পান করলে তা হজম ব্যবস্থা থেকে বিষাক্ত পদার্থগুলো বের করে দিতে সাহায্য করে।

> হালকা গরম পানি গলা ও সাইনাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেও সহায়তা করে।

> হালকা গরম পানি অন্ত্রের খাদ্য অণুগুলো ভাঙতে সাহায্য করে। খাবার থেকে ভালোভাবে পুষ্টির শোষণের পাশাপাশি হজমে উন্নতি করতে সহায়তা করে। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী।

> নিয়মিত গরম পানি খেলে ত্বকে জমাট বাধা তেল, ধুলোবালি থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। পেট পরিষ্কার থাকলে ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যা থেকেও সহজেই দূরে থাকা যায়।


> দীর্ঘদিন ধরে যারা বাতের ব্যথায় ভুগছেন তারাও গরম পানি পান করতে পারেন। এতে শরীরে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় উপাদান ঘামের সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে যাবে। ফলে ব্যথা বোধও ক্রমশ কমে আসবে।

> গরম পানি শরীরের এইজিং বা বয়স্ক হওয়ার প্রক্রিয়াটিকে ধীর করে দেয়। এর ফলে তারুণ্য ধরে রাখা যায়।

আমরা অনেকেই জানি সকালে খালি পেটে লেবু ও গরম পানি পানের উপকারিতা সম্পর্কে! শুধু এই পানীয় নয় বরং গরম পানিকে আরো পুষ্টিকর করে তুলতে এই উপায়গুলোও বাতলে দেখুন-

বুকের কফ জমা দূর করতে গরম পানি যেভাবে পান করবেন-

১ লিটার হালকা গরম পানি নিন। তার সঙ্গে একটি লেবু যোগ করুন। এবার ২ চা চামচ মধু নিন। সবকিছু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর সারাদিন ধরে অল্প অল্প পান করুন।

মধু এবং লেবু উভয়ই ভিটামিন সি, ডি, ই, কে এবং বি কমপ্লেক্স এবং বিটা ক্যারোটিন জাতীয় পুষ্টিতে ভরপুর। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ঠাণ্ডা, কাশি এবং ফ্লুতে চিকিত্সা করতে সহায়তা করে।

শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করতে যেভাবে গরম পানি পান করবেন-

এক লিটার হালকা গরম পানি নিন। এর সঙ্গে কয়েকটি তুলসি পাতা ও সামান্য আদা আদা নিন। চাইলে এই উপাদানগুলো ফুটিয়েও নিতে পারেন। এই মিশ্রণটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থগুলো বের করে আনে এবং হজমশক্তি উন্নত করে। পাশাপাশি বিপাকের হার উন্নত করতেও সহায়তা করবে।

ওজন কমাতে যেভাবে গরম পানি পান করা উচিত-

জানেন কি? প্রতিদিন হালকা গরম পানি পান করেই আপনি রোগা হতে পারেন। অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়! হালকা গরম পানির সঙ্গে এই ভেষজ মিশ্রণটি আপনার বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করবে-

এক লিটার হালকা পানি নিন। এবার তার সঙ্গে এক চা চামচ জিরা, এক চা চামচ ধনিয়া ও এক চা চামচ মেথি মেশান। এই মিশ্রণটি ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন। পানীয়টি সারাদিন ধরে অল্প করে খান। এই পানীয়টি কেবল ওজনই কমায় না, সেই সঙ্গে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থগুলোও বের করে দেয়।


এবার তবে ভেবে দেখুন, ঠাণ্ডা পানিতে গলা ভেজানোর বদলে যদি আপনি সারাদিন অল্প করে হলেও গরম পানি পান করেন তবে আপনার শরীর কতটা লাভবান হবে। এই করোনাকালে নিজেকে সুস্থ রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। আর এ কারণেই শুধু স্বাদ বুঝেই নয় বরং পুষ্টিগুণ মেনে খাদ্যাভাসের অভ্যাস গড়ুন।

Medicine Wala -এ অর্ডার করুন।
ঘরে থাকুন। 🏠
সুস্থ থাকুন। ❤

গরমে আম খেলে যত উপকার গ্রীষ্মের এই সময়ে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। আম খেলেও এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই...
20/06/2020

গরমে আম খেলে যত উপকার
গ্রীষ্মের এই সময়ে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। আম খেলেও এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। গরমের প্রচণ্ড তাপ থেকে দেহ ও ত্বককে রক্ষা করতে পারে এই ফল।

আম প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন কে এবং পটাশিয়ামসমৃদ্ধ, যা বিভিন্ন রোগের জন্য খুবই উপকারী।

এ ছাড়া ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম, বিটা ক্যারোটিন, কপার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এতে ফ্যাটের পরিমাণ খুব কম। এ ছাড়া সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

১. আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই, যা যৌন জীবনকে উন্নত করতে সাহায্য করে।

২. আম হজমের সমস্যা দূর করে।

৩.শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৫. চোখে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে।

৬. গাছ পাকা আম ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে সুগার লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৭. কোলন, স্তন, প্রস্টেট ও লিউকেমিয়া ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে আম।

৮. ব্রণ ও ত্বকের সমস্যা থেকে রক্ষা করে আম।

Medicine Wala -এ অর্ডার করুন।
ঘরে থাকুন। 🏠
সুস্থ থাকুন। ❤

🧚আনারসের পুষ্টিগুণঃ🧚মৌসুমী ফল আনারস অসংখ্য গুণে গুনান্বিত। এই ফল যেমন শরীরে পানির চাহিদা মেটায়, তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পে...
20/06/2020

🧚আনারসের পুষ্টিগুণঃ🧚

মৌসুমী ফল আনারস অসংখ্য গুণে গুনান্বিত। এই ফল যেমন শরীরে পানির চাহিদা মেটায়, তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই এর। চলুন জেনে নেই আনারসের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে।

১. আনারস আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী।
আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আনারস খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

২. আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ।
ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

৩. শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট রয়েছে। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।

৪. আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

৫. দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্তবাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিণ্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে।

Medicine Wala -এ অর্ডার করুন।
ঘরে থাকুন। 🏠
সুস্থ থাকুন। ❤

মৌসুমী ফল বেশি করে খানলিচুতে আছে স্বাস্থ্যকর অনেক গুনবয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে :বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে ...
20/06/2020

মৌসুমী ফল বেশি করে খান

লিচুতে আছে স্বাস্থ্যকর অনেক গুন

বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে :
বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। লিচু ব্যবহার করে এদের আবির্ভাবকে বাঁধা দেয়া যায়। এজন্য ৪/৫ টি লিচুর খোসা ও বীজ ছাড়িয়ে নিন। এর সাথে একটি কলার একচতুর্থাংশ পরিমাণ নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি আস্তে আস্তে ও বৃত্তাকারে মুখে ও ঘাড়ে ম্যাসাজ করুন। তারপর ১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বয়স বৃদ্ধির মূল কারণ হচ্ছে ফ্রি র‍্যাডিকেলের উপস্থিতি। লিচু অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর থাকে যা ফ্রি র‍্যাডিকেলের সাথে মিশে ত্বকের ক্ষতি রোধ করে।

ত্বকের খুঁত দূর করে :
লিচুর রস ত্বকের খুঁত ও দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ৪/৫ টি লিচুর খোসা ও বীজ ছাড়িয়ে নিয়ে ভালো করে পিষে রস বের করে নিন। লিচুর রসে কটল বল চুবিয়ে নিয়ে মুখে লাগান এবং ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে নিয়ে মুখ মুছে নিন। হাইপারপিগমেন্টেশনের জন্যই ত্বকে দাগ হতে দেখা যায়। ভিটামিন সি এর চমৎকার উৎস লিচু। তাই লিচু ত্বকের দাগ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

চুলের ক্ষেত্রে লিচুর উপকারিতা :
চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে লিচু। একটি পাত্রে ৭/৮ লিচুর রসের সাথে ২ টেবিলচামচ অ্যালোভেরা জেল দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। ১ ঘন্টা পর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। লিচুতে কপার থাকে যা হেয়ার ফলিকলকে উদ্দীপিত করে চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

স্বাস্থ্য উপকারিতা
:
ক্যান্সাররোধী :
লিচুর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা হচ্ছে এর ক্যান্সার বিরোধী প্রভাব আছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে লিচুতে শক্তিশালী অ্যান্টিওক্সিডেন্ট ও ক্যান্সার বিরোধী প্রভাব আছে। বিশেষ করে ব্রেস্ট ক্যান্সার কোষের এর উপর ভালো প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।

হৃদপিণ্ডের জন্য উপকারি :
লিচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। লিচুতে অলিগোনল নামক উপাদান থাকে যা নাইট্রিক অক্সাইডের উৎপাদনকে উৎসাহিত করে। নাইট্রিক অক্সাইড রক্তনালীকে প্রসারিত করে বলে রক্ত চলাচল সঠিকভাবে হতে সাহায্য করে। এর ফলে রক্ত পাম্প করতে হার্টের বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়না। সার্বিক হৃদস্বাস্থ্যের জন্যই লিচু উপকারি।

হজম সহায়ক :
লিচু পরিপাক নালীকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। লিচুতে প্রচুর পরিমাণে পানি ও ফাইবার থাকে বলে পরিপাকে সাহায্য করে লিচু। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করে লিচু।

ছানি দূর করে :
লিচুতে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকে যা অ্যান্টিওক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিনিউপ্লাজমিক বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। অর্থাৎ এরা কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। এ কারণেই লিচু খেলে ছানি প্রতিরোধ করা যায়।

ওজন কমায় :
লিচুতে প্রচুর পানি ও ফাইবার থাকে। এছাড়াও লিচুতে খুব বেশি ক্যালোরি থাকেনা এবং খুব কম ফ্যাট থাকে বলে ওজন কমতে সাহায্য করে।

Medicine Wala -এ অর্ডার করুন।
ঘরে থাকুন। 🏠
সুস্থ থাকুন। ❤

একনজরে শসার ১০টি উপকারিতাঃশসাতে পানি আছে শতকরা ৯৫ভাগ। ফলে এটি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে এবং ভেতরের তাপমাত্রা কে নিয...
20/06/2020

একনজরে শসার ১০টি উপকারিতাঃ

শসাতে পানি আছে শতকরা ৯৫ভাগ। ফলে এটি শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে এবং ভেতরের তাপমাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে দেহ শীতল রাখতে সহায়তা করে। ইফতারেও আমরা শসা রাখতে পারি।

১. ফাইবার ও ফ্লুইডসমৃদ্ধ শসা শরীরে ফাইবার এবং পানির পরিমাণ বাড়ায়। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবার থাকার কারণে শসা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে।

২. শসায় রয়েছে স্টেরল নামের এক ধরনের উপাদান, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন, শসার খোসায়ও স্টেরল থাকে।

৩. ওবেসিটি নিয়ন্ত্রণে শসা খুব উপকারী।

৪. কিডনি, ইউরিনারি, ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় শসা বেশ সাহায্য করে থাকে।

৫. এরেপসিন নামক অ্যানজাইম থাকার কারণে শসা হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধান করে থাকে।

৬. শসা বা শসার রস ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও বেশ উপকারী।

৭. শসার রস আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও উপকারী।

৮. মিনারেলসমৃদ্ধ শসা নখ ভালো রাখতে, দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় সাহায্য করে।

৯. ডাক্তারের পরামর্শনুযায়ী শসার রস খেলে আর্থ্রাইটিস, অ্যাগজিমা, হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় উপকার হতে পারে।

১০.গাজরের রসের সাথে শসার রস মিশিয়ে খেতে পারেন, ইউরিক অ্যাসিড থেকে ব্যথার সমস্যা হলে অনেক কাজে দেবে।

ঘরে থাকুন
সুস্থ থাকুন 😍
আমাদের সাথেই থাকুন ☺

19/06/2020
জিহ্বার রং দেখে বুঝে নিন কোন রোগে ভুগছেন।
18/06/2020

জিহ্বার রং দেখে বুঝে নিন কোন রোগে ভুগছেন।

Address

Khilgaon
Dhaka
1219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medicine Wala posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram