Dr.Sanzida Rahman

Dr.Sanzida Rahman Dr.Sanzida Rahman
B.H.M.S.(Bechelor of Homeopathic Medicine and Surgery)
University of Dhaka(BHMCH)

 # # পাইলস প্রতিরোধে হোমিও চিকিৎসা # #★পাইলস কি?★পাইলস বা অর্শ হলো মলদ্বারে এক ধরনের রোগ যেখানে রক্তনালীগুলো বড় হয়ে গিয়ে...
18/08/2024

# # পাইলস প্রতিরোধে হোমিও চিকিৎসা # #

★পাইলস কি?
★পাইলস বা অর্শ হলো মলদ্বারে এক ধরনের রোগ যেখানে রক্তনালীগুলো বড় হয়ে গিয়ে ভাসকুলার কুশন তৈরি করে। শিশুসহ যে কোন বয়সের লোকই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। অর্শ বা পাইলসঃ কি, কেন, কিভাবে বুঝব, কি করব, কি খাব, চিকিৎসা কি?

★পাইলস কত প্রকার ও কি কি?

★পাইলস দুই প্রকার। ১. রক্ত অর্শ(Piles because of blood);; ২. বায়ুজনিত অর্শ (Piles because of gass or Air);;
রক্ত অর্শ : রক্ত অর্শের ক্ষেত্রে পায়খানার সঙ্গে রক্ত, হলদে কিংবা লালচে পানির মতো পদার্থ বের হয়।
বায়ুজনিত অর্শ : এক্ষেত্রে পায়খানার সঙ্গে রক্ত কিংবা লালচে বা হলদে পানি দেখা যায় না; কিন্তু মলদ্বারে চুলকানি, অসহনীয় ব্যথা ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকর কারণে মলদ্বারে ফোলা থাকে।

★অর্শ বা পাইলস কেন হয় (অর্শের কারণসমূহ):

★অর্শের সঠিক কারণ জানা না গেলেও নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্শ হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেঃ

১. দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
২. শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার এবং পানি কম খাওয়া
৩. শরীরের অতিরিক্ত ওজন
৪. গর্ভাবস্থা
৫. লিভার সিরোসিস
৬. মল ত্যাগে বেশী চাপ দেয়া
৭. অতিরিক্ত মাত্রায় লেকজেটিভ (মল নরমকারক ওষুধ)ব্যবহার করা বা এনেমা (শক্ত মল বের করার জন্য বিশেষ তরল মিশ্রণ ব্যবহার করা) গ্রহণ করা
৮. টয়লেটে বেশী সময় ব্যয় করা
৯. বৃদ্ধ বয়স
১০. পরিবারে কারও পাইলস থাকা
১১. ভার উত্তোলন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা ইত্যাদি।

★অর্শ বা পাইলস কিভাবে বুঝব (অর্শের লক্ষণসমূহ):

i) মলদ্বারের অভ্যন্তরে হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারেঃ ১. পায়খানার সময় ব্যথাহীন রক্তপাত হওয়া

২. মলদ্বারের ফোলা বাইরে বের হয়ে আসতে পারে, নাও পারে। যদি বের হয় তবে তা নিজেই ভেতরে চলে যায় অথবা হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া যায়। কখনও কখনও এমনও হতে পারে যে, বাইরে বের হওয়ার পর তা আর ভেতরে প্রবেশ করানো যায় না বা ভেতরে প্রবেশ করানো গেলেও তা আবার বের হয়ে আসে

৩. মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, যন্ত্রণা বা চুলকানি হওয়া

৪. কোন কোন ক্ষেত্রে মলদ্বারে ব্যথাও হতে পারে।

ii) মলদ্বারের বাইরে হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারেঃ

১. মলদ্বারের বাইরে ফুলে যাওয়া যা হাত দিয়ে স্পর্শ ও অনুভব করা যায়

২. কখনও কখনও রক্তপাত বা মলদ্বারে ব্যথাও হতে পারে।

★পাইলস রোগে করণীয় কি?

১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা

২. পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি(প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস) পান করা

৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা

৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো

৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা

৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা

৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা

৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া লেকজেটিভ বেশী গ্রহণ না করা

৯. মল ত্যাগে বেশী চাপ না দেয়া

১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া।

★পাইলসে কি কি খাওয়া উচিত?

★শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি।

★পাইলসে কোন কোন খাবার বর্জনীয়

★খোসাহীন শস্য, গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, মসৃণ চাল, কলে ছাঁটা আটা, ময়দা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ পরোটা, লুচি, চিপস ইত্যাদি।

★কি কি কারনে পাইলস হয়?
★পাইলস হওয়ার পিছনে যেসব কারণকে সন্দেহ করা হয় সেগুলো হলো- কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া , স্থূলতা, বেশি সময় বসে থাকা, দীর্ঘসময় টয়লেটে বসে থাকা, হেমোরয়েড শিরায় কপাটিকার অনুপস্থিতি ও বার্ধক্য , পুষ্টিকর খাবার খাওয়ায় ঘাটতি, ব্যায়াম না করা , পেটের ভিতরে চাপ বৃদ্ধি , জন্মগত, গর্ভাবস্থায় জরায়ু বড় হতে থাকে।

কোলনের শিরায় চাপ পড়ে বলে শিরা স্ফীত হয়। যে কারণে পাইলস হয়। প্রথম দিকে ওষুধ ও সাবধানতা মেনে চললে এই রোগ সেরে যায়। তবে, জটিল আকার ধারণ করলে অস্ত্রোপচার করতে হতে পারে।

★পাইলস এর লক্ষন সমুহ কি কি?
★লক্ষণ : পাইলস হলে সাধারণত যে যে লক্ষণ দেখে বোঝা যায়-
ক) মলের সাথে রক্ত পড়া পাইলসের প্রধান লক্ষণ। এক্ষেত্রে ফেলে না রেখে যখনই দেখবেন আপনার মলের সাথে রক্ত পড়ছে তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
খ) মলদ্ধারে ব্যথা হওয়া। ফলে, বসতে অসুবিধা হওয়া।
গ) মলদ্বারের চারপাশে ফুলে যায় ও চুলকানি হয়।
ঘ) পাইলস এ আক্রান্ত হলে মলদ্বারের রক্তনালীতে চাপ বৃদ্ধি পায় বলে মল নির্গমনের সময় ব্যথা হয়।

★পাইলস প্রতিরোধের উপাই কি?
★প্রতিরোধের উপায় : সঠিক ট্রিটমেন্ট করলে কোনও অপারেশন ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই পাইলস বা অর্শ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

★পাইলস এর হোমিও চিকিৎসা কি?
★হোমিও প্রতিবিধান : রোগ নয়, রোগীকে চিকিৎসা করা হয়। প্রাথমিকভাবে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা যেসব মেডিসিন নির্বাচন করেন যেমন— এলুমিনা, এলো, আর্সেনিক এল, এন্টিম ক্রোড, এমন কার্ব, নার্কস ভোম, সালফার, ইস্কিউর্লাস হিপ, কলিন সোনিয়া, এসিডি নাইট্রেকাম ইত্যাদিসহ আরো অনেক ওষুধ লক্ষণের উপর আসতে পারে। এসব ওষুধ বিশেষজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক ছাড়া নিজে নিজে ব্যবহার করলে রোগ আরো জঠিল আকারে পৌঁছতে পারে।

রক্ত অর্শ- আর্সেনিক এল্ব, একোনাইট ন্যাপ, ইস্কিউলাস হিপ, এসিড মিউর, এমন মিউর, প্লান্টেগো, ক্যালিকার্ব।

বায়ুজনিত অর্শ- এন্টিম ক্রুড, হিপার সালফ, লাইকোপডিয়াম সফলতার সঙ্গে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তারপরও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন উচিত নয়।
==========================================

ডাঃ সানজিদা রহমান
বি এইচ এম এস ( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
হোমিওপ্যাথিক প্র্যাক্টিশনার

24/02/2024
মেথিতে আছে থিয়ামিন, ফলিক এসিড, রাইবোফ্ল্যাভিন, নিয়াসিন, ভিটামিন এ, বি৬ এবং সি।মেথি হজমের সমস্যা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ক...
22/02/2024

মেথিতে আছে থিয়ামিন, ফলিক এসিড, রাইবোফ্ল্যাভিন, নিয়াসিন, ভিটামিন এ, বি৬ এবং সি।

মেথি হজমের সমস্যা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

মেথি রোগ প্রতিরোধক হিসেবে দারুন ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকায় অনেক চিকিৎসকরা চর্বি এবং ফোলা কমানোর জন্য মেথির পরামর্শ দেন।

এটি ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক।
খাদ্যরোগ নিরাময়ে সাহায্য করে, এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল এবং বদহজম দূরীকরণের জন্য একটি কার্যকরী চিকিৎসা। এটি পাকস্থলীর আলসার দ্বারা সৃষ্ট কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সাহায্য, মেথির বীজ চর্বি আহরণ দমন করে এবং ওজন কমানোর জন্য লিপিড এবং গ্লুকোজ বিপাককে উন্নত করে।

স্তন্যপানে দুধের প্রবাহ বৃদ্ধি করে, এই শাকটিতে ফাইটোইস্ট্রোজেন রয়েছে যা স্তন্যপ্রদানকারী মায়েদের মধ্যে দুধ উৎপাদন ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।

পুরুষের কামশক্তি বৃদ্ধি করে,
পুরুষদের জন্য মেথি যৌন উত্তেজক এবং টেস্টোস্টেরনের স্তর বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

মাসিকের চক্রে বাধা সৃষ্টি হতে দেয় না,মেথি বীজ ঋতুস্রাবের ব্যথা কমানোর পাশাপাশি মাসিক চক্রের অন্যান্য সমস্যাও সমাধান করে।

হার্টের আক্রান্তের ঝুঁকি কমায়,মেথি বীজে ২৫% গ্যালাক্ট‌োম্যানান আছে, যেটি এক ধরনের প্রাকৃতিক দ্রবণীয় ফাইবার যা হৃদরোগ কমাতে সাহায্য করে।

কিভাবে খাবেন?
ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, গুড়া বা আস্ত দানা হিসেবেও খাওয়া যায়। সবচেয়ে সহজ হলো বেজালের মধ্যে না গিয়ে সকালে ২০/২৫ টি আস্ত দানা চিবিয়ে খেয়ে একগ্লাস পানি খেয়ে নিবেন।
সতর্কতাঃ অবশ্যই বেশি পরিমাণে খাবেন না তাহলে গ্যাস, পাতলা পায়খানা , চুলকানিযুক্ত নানান সমস্যা, ফুস্কুড়ি বা ব্রণসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।

★পাইলস কি?★পাইলস বা অর্শ হলো মলদ্বারে এক ধরনের রোগ যেখানে রক্তনালীগুলো বড় হয়ে গিয়ে ভাসকুলার কুশন তৈরি করে। শিশুসহ যে কোন...
25/12/2023

★পাইলস কি?
★পাইলস বা অর্শ হলো মলদ্বারে এক ধরনের রোগ যেখানে রক্তনালীগুলো বড় হয়ে গিয়ে ভাসকুলার কুশন তৈরি করে। শিশুসহ যে কোন বয়সের লোকই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। অর্শ বা পাইলসঃ কি, কেন, কিভাবে বুঝব, কি করব, কি খাব, চিকিৎসা কি?

★পাইলস কত প্রকার ও কি কি?

★পাইলস দুই প্রকার। ১. রক্ত অর্শ(Piles because of blood);; ২. বায়ুজনিত অর্শ (Piles because of gass or Air);;
রক্ত অর্শ : রক্ত অর্শের ক্ষেত্রে পায়খানার সঙ্গে রক্ত, হলদে কিংবা লালচে পানির মতো পদার্থ বের হয়।
বায়ুজনিত অর্শ : এক্ষেত্রে পায়খানার সঙ্গে রক্ত কিংবা লালচে বা হলদে পানি দেখা যায় না; কিন্তু মলদ্বারে চুলকানি, অসহনীয় ব্যথা ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকর কারণে মলদ্বারে ফোলা থাকে।

★অর্শ বা পাইলস কেন হয় (অর্শের কারণসমূহ):

★অর্শের সঠিক কারণ জানা না গেলেও নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্শ হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেঃ

১. দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
২. শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার এবং পানি কম খাওয়া
৩. শরীরের অতিরিক্ত ওজন
৪. গর্ভাবস্থা
৫. লিভার সিরোসিস
৬. মল ত্যাগে বেশী চাপ দেয়া
৭. অতিরিক্ত মাত্রায় লেকজেটিভ (মল নরমকারক ওষুধ)ব্যবহার করা বা এনেমা (শক্ত মল বের করার জন্য বিশেষ তরল মিশ্রণ ব্যবহার করা) গ্রহণ করা
৮. টয়লেটে বেশী সময় ব্যয় করা
৯. বৃদ্ধ বয়স
১০. পরিবারে কারও পাইলস থাকা
১১. ভার উত্তোলন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা ইত্যাদি।

★অর্শ বা পাইলস কিভাবে বুঝব (অর্শের লক্ষণসমূহ):

i) মলদ্বারের অভ্যন্তরে হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারেঃ ১. পায়খানার সময় ব্যথাহীন রক্তপাত হওয়া

২. মলদ্বারের ফোলা বাইরে বের হয়ে আসতে পারে, নাও পারে। যদি বের হয় তবে তা নিজেই ভেতরে চলে যায় অথবা হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া যায়। কখনও কখনও এমনও হতে পারে যে, বাইরে বের হওয়ার পর তা আর ভেতরে প্রবেশ করানো যায় না বা ভেতরে প্রবেশ করানো গেলেও তা আবার বের হয়ে আসে

৩. মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, যন্ত্রণা বা চুলকানি হওয়া

৪. কোন কোন ক্ষেত্রে মলদ্বারে ব্যথাও হতে পারে।

ii) মলদ্বারের বাইরে হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারেঃ

১. মলদ্বারের বাইরে ফুলে যাওয়া যা হাত দিয়ে স্পর্শ ও অনুভব করা যায়

২. কখনও কখনও রক্তপাত বা মলদ্বারে ব্যথাও হতে পারে।

★পাইলস রোগে করণীয় কি?

১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা

২. পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি(প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস) পান করা

৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা

৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো

৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা

৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা

৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা

৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া লেকজেটিভ বেশী গ্রহণ না করা

৯. মল ত্যাগে বেশী চাপ না দেয়া

১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া।

★পাইলসে কি কি খাওয়া উচিত?

★শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি।

★পাইলসে কোন কোন খাবার বর্জনীয়

★খোসাহীন শস্য, গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, মসৃণ চাল, কলে ছাঁটা আটা, ময়দা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ পরোটা, লুচি, চিপস ইত্যাদি।

★কি কি কারনে পাইলস হয়?
★পাইলস হওয়ার পিছনে যেসব কারণকে সন্দেহ করা হয় সেগুলো হলো- কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া , স্থূলতা, বেশি সময় বসে থাকা, দীর্ঘসময় টয়লেটে বসে থাকা, হেমোরয়েড শিরায় কপাটিকার অনুপস্থিতি ও বার্ধক্য , পুষ্টিকর খাবার খাওয়ায় ঘাটতি, ব্যায়াম না করা , পেটের ভিতরে চাপ বৃদ্ধি , জন্মগত, গর্ভাবস্থায় জরায়ু বড় হতে থাকে।

কোলনের শিরায় চাপ পড়ে বলে শিরা স্ফীত হয়। যে কারণে পাইলস হয়। প্রথম দিকে ওষুধ ও সাবধানতা মেনে চললে এই রোগ সেরে যায়। তবে, জটিল আকার ধারণ করলে অস্ত্রোপচার করতে হতে পারে।

★পাইলস এর লক্ষন সমুহ কি কি?
★লক্ষণ : পাইলস হলে সাধারণত যে যে লক্ষণ দেখে বোঝা যায়-
ক) মলের সাথে রক্ত পড়া পাইলসের প্রধান লক্ষণ। এক্ষেত্রে ফেলে না রেখে যখনই দেখবেন আপনার মলের সাথে রক্ত পড়ছে তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
খ) মলদ্ধারে ব্যথা হওয়া। ফলে, বসতে অসুবিধা হওয়া।
গ) মলদ্বারের চারপাশে ফুলে যায় ও চুলকানি হয়।
ঘ) পাইলস এ আক্রান্ত হলে মলদ্বারের রক্তনালীতে চাপ বৃদ্ধি পায় বলে মল নির্গমনের সময় ব্যথা হয়।

★পাইলস প্রতিরোধের উপাই কি?
★প্রতিরোধের উপায় : সঠিক ট্রিটমেন্ট করলে কোনও অপারেশন ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই পাইলস বা অর্শ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

★পাইলস এর হোমিও চিকিৎসা কি?
★হোমিও প্রতিবিধান : রোগ নয়, রোগীকে চিকিৎসা করা হয়। প্রাথমিকভাবে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা যেসব মেডিসিন নির্বাচন করেন যেমন— এলুমিনা, এলো, আর্সেনিক এল, এন্টিম ক্রোড, এমন কার্ব, নার্কস ভোম, সালফার, ইস্কিউর্লাস হিপ, কলিন সোনিয়া, এসিডি নাইট্রেকাম ইত্যাদিসহ আরো অনেক ওষুধ লক্ষণের উপর আসতে পারে। এসব ওষুধ বিশেষজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক ছাড়া নিজে নিজে ব্যবহার করলে রোগ আরো জঠিল আকারে পৌঁছতে পারে।

রক্ত অর্শ- আর্সেনিক এল্ব, একোনাইট ন্যাপ, ইস্কিউলাস হিপ, এসিড মিউর, এমন মিউর, প্লান্টেগো, ক্যালিকার্ব।

বায়ুজনিত অর্শ- এন্টিম ক্রুড, হিপার সালফ, লাইকোপডিয়াম সফলতার সঙ্গে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তারপরও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন উচিত নয়। (সংগৃহীত)
==========================================

ডাঃ সানজিদা রহমান
বি এইচ এম এস ( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

বিঃ দ্রঃ একসাথে সকল পোস্ট দেখতে নিচের লিংকে টাচ্ করুন এবং লাইক বাটনে ক্লিক করে একটিভ থাকুন পরবর্তী পোস্ট সবার আগে পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।
https://www.facebook.com/116308313087333

চিয়া সিড মূলত মরুভূমিতে জন্মানো সালভিয়া উদ্ভিদের বীজ। এটি মধ্য আমেরিকার অনেক অংশে পাওয়া যায়। এটি সাধারণত শস্যের তালিকায় ...
15/12/2023

চিয়া সিড মূলত মরুভূমিতে জন্মানো সালভিয়া উদ্ভিদের বীজ। এটি মধ্য আমেরিকার অনেক অংশে পাওয়া যায়। এটি সাধারণত শস্যের তালিকায় পড়লেও একে এক ধরণের ভেষজও বলা হয়। প্রাচীন অ্যাজটেক জাতির প্রধান খাদ্য তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করে থাকে। চিয়া সিড দেখতে অনেকটা তিলের দানার মতো।

পৃথিবীর পুষ্টিকর খাবারগুলোর মধ্যে চিয়া সিড অন্যতম। প্রাচীন অ্যাজটেক জাতি একে সোনার চেয়েও মূল্যবান মনে করতো।

বীজ জাতীয় যেকোনো খাবারই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

চিয়া সিডে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও ক্যাফিক এসিড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ।

# চিয়াবীজ খাবার নিয়ম-

চিয়া সিডের নিজস্ব কোন স্বাদ না থাকায় এটা সাধারণত সালাদ, কাস্টার্ড, স্মুদি যেকোন খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
তবে খাওয়ার আগে ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ভালো উপকার পাওয়া যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

#চিয়া সিডস এ রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে।

# চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ হৃদরোগের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে

# গবেষকদের দাবি, চিয়া সিডে এ স্যালমন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। যা হৃদরোগের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে
# চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, যা ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়

#এ ছাড়া চিয়া সিড শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের হতে সাহায্য করে,গ্যাসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এবং ভালো ঘুমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে।

08/12/2023

আমরা হাঁটা চলাফেরা স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারলেই নিজেকে সুস্থ মনে করতে পারিনা, আমাদের সুস্থতার জন্য শারিরীক, মানষিক ও যৌন স্বাস্থ্যের সুস্থতাও একান্ত জরুরী। যারা যৌবনের শুরুতে বাজে অভ্যাসের সাথে যুক্ত ছিলেন বা পড়াশোনা, চাকরি বাকরি বা প্রবাস জীবনে থেকে নিজেকে স্বাবলম্বী করে বিয়ে করতে দেরি করেছেন তাদের জীবনের কোন না কোন এক সময় যৌবনের তাড়নায় নিজেকে বাজে অভাসের সাথে সংযুক্ত রেখে এখন আপনি সমস্যার মধ্যে পরেছেন, এমন সব সমস্যার জন্য হোমিওপ্যাথিতে ভালো চিকিৎসা রয়েছে, যোগাযোগ করুন, বিস্তারিত জানান, ইনবক্স করুন, আমরা আপনার জন্য সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবো, সারা দেশে কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে থাকি। সকলের সুস্থতাই আমাদের কাম্য।

বাজারের ১০০% গ্যারান্টিযুক্ত ঔষধ সেবন করে জীবনকে ধ্বংস আর সংসারে অশান্তি না এনে হোমিওপ্যাথি মেডিসিনের উপর আস্থা ও বিশ্বা...
07/12/2023

বাজারের ১০০% গ্যারান্টিযুক্ত ঔষধ সেবন করে জীবনকে ধ্বংস আর সংসারে অশান্তি না এনে হোমিওপ্যাথি মেডিসিনের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে সেবন করে যেতে থাকেন আপনি একদিন স্বাভাবিক হবেন নিশ্চিত। আচ্ছা আপনি একটি বিষয় একবারো কি ভেবেছেন বাজারের ১০০% গ্যারান্টিযুক্ত ঔষধ পৃথিবীর কোন দেশে কি সরকার কর্তৃক স্বীকৃত, নিশ্চয় না, তাহলে ধরেনেন সেটা ১০০% ক্ষতির কারণ। আপনি সাময়িক আনন্দ বোধ করলেও ভবিষ্যতের জন্য আপনি সব হারালেন, তাই সতর্ক হন। বিশ্বের প্রত্যেকটা দেশেই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা সরকার কর্তৃক স্বীকৃত এবং শত শত বছর ধরে সুনামের সাথে আজও সফলতার সহিত চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে।

ট্রিবুলাস টের হোমিওপ্যাথির এর আশ্চর্যজনক আবিষ্কার। আপনার জীবনের যত হতাশা, ব্যর্থতা তার সবটুকুই ফিরে পাবেন।

কেন ট্রিবুলাস খাবেন?
১. যৌন ক্রিয়াকলাপের উন্নতির জন্য।
২.টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বৃদ্ধির জন্য।
৩.উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, প্রদাহ, সংক্রমণ এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার জন্য।
৪. বিশেষ করে যারা যৌন কর্মে অক্ষম যেমন পুরুষদের ইরেক্টাইল ডিসফাংশন, প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন, যৌন কর্মে অনিহা এবং মহিলাদের হাইপোঅ্যাকটিভ সেক্সুয়াল সিন্ড্রম ও বন্ধ্যাত্বের জন্য।

আরো বহু কারণ আছে, বিস্তারিত লিখে কলেবর বৃদ্ধি করবো না।
আমরা সারাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে জার্মানি ও ইন্ডিয়ান ঔষধ পাঠিয়ে থাকি।
আপনার সমস্যা জানিয়ে ইনবক্স করুন। আমরা বিস্তারিত জেনে আপনার জন্য সঠিক ঔষধ নির্বাচন করে সেবন বিধি জানিয়ে আপনার ঠিকানায় অরিজিনাল ঔষধটাই পাঠিয়ে দিবো, আমি একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার, একজন রোগীর সঠিক চিকিৎসা করা আমার নৈতিক দায়িত্ব। ধন্যবাদ।

আলহামদুলিল্লাহ ❤️❤️
02/11/2023

আলহামদুলিল্লাহ ❤️❤️

I have reached 13K followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉
11/04/2023

I have reached 13K followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉

শিশুর অতিরিক্ত চঞ্চলতাঃ ADHD এর লক্ষণ নয় তো? ছয় বছরের আদিব চেম্বারে ঢুকেই টেবিলের উপর থেকে সব কাগজ, কলম, পেপার ওয়েট ধরে ...
06/02/2023

শিশুর অতিরিক্ত চঞ্চলতাঃ ADHD এর লক্ষণ নয় তো?

ছয় বছরের আদিব চেম্বারে ঢুকেই টেবিলের উপর থেকে সব কাগজ, কলম, পেপার ওয়েট ধরে তছনছ করে বেসিনের সাবান ফেলে দিলো, ময়লার ডিব্বা উল্টে ফেললো তারপর ঝাঁপিয়ে পড়তে গেলো কম্পিউটারের মনিটরের উপর...... মুহূর্তের মধ্যে এত কান্ড ঘটানো শিশুর অতি চঞ্চলতায় আমি দিশেহারা হয়ে বাচ্চার মায়ের দিকে তাকালাম। পাশে বসা দাদি প্রশ্রয়ের হাসি দিয়ে বললো, তাও তো এখন জ্বরে কাহিল বলে কম দুষ্টুমি করতেছে, নাহলে তো........

আমি বিব্রত হাসি দিয়ে বললাম, এখন থেকেই একটু কন্ট্রোল করার চেষ্টা করুন। লাগলে শিশুবিকাশ কেন্দ্রের.........! কথা শেষ করতে পারলাম না, দাদি রাগত স্বরে বললেন , বাচ্চারা এ বয়সে এরকম করেই।
মাকেও খানিকটা বিরক্ত মনে হলো, যেন তাদের সুস্থ বাচ্চাকে আমি মানসিক রোগী বানানোর ধান্ধায় আছি।

সমস্যা এখানেই যে বেশীর ভাগ অতিরিক্ত দুষ্টু, চঞ্চল বাচ্চাদের অভিভাবকরা মানতে চান না এই অতিচঞ্চলতা বা হাইপার এক্টিভিটি আসলে অনেক ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক না। শিশুর মানসিক বিকাশগত সমস্যা যা Attention Deficit Hyperactivity Disorder (ADHD) নামের রোগের একটি লক্ষণ। অনেকসময় স্বাভাবিক আচরণ হিসেবে মনে করায় রোগ নির্ণয় করতে অনেক দেরী হয়ে যায় ও চিকিৎসা করে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা কমতে থাকে।

ADHD কি? কেন হয়?

এটা শিশুর মানসিক বিকাশগত সমস্যা যার কারন নির্দিষ্ট নয়। ধরে নেয়া হয় এটা জীনগত ও পরিবেশের প্রভাবও বিদ্যমান। বাবা মায়ের যে কারো ADHD থেকে থাকলে বাচ্চার বেলায় ৫০% চান্স আছে এ রোগ হওয়ার। সাধারণত মেয়েদের চেয়ে ছেলে বাচ্চাদের বেশী হয় (৪ঃ১)। এছাড়া মস্তিষ্কের রোগ, থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য, গর্ভকালীন মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা, বিষাক্ত ক্যামিকেল, কীটনাশক, লোহা ও সীসার সংস্পর্শে আসা, অপুষ্ট ও সময়ের আগে বাচ্চা হলেও পরবর্তীতে এই রোগ হতে পারে।

সাধারনত, বাচ্চার চঞ্চলতাকে বয়সের সাথে স্বভাবিক ধরে নেয়ায় রোগনির্ণয় করতে অনেকসময় দেরী হয়ে যায়। ৭- ১২ বছর বয়সের আগে বেশীরভাগ বাবা মাই বুঝতে পারে না, সময়ে ঠিক হয়ে যাবে মনে করে নেন।

কি দেখে বুঝবেন বাচ্চার ADHD আছে?

এ রোগের তিনটা ধরন থাকে।

১. অমনোযোগীতা
২.অতিরিক্ত চঞ্চলতা ও অযাচিত আচরণ
৩.উপরের দুটোই একসাথে হওয়া যা বেশীর ভাগ বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দেখা যায়।

লক্ষণ সমূহঃ

১. নিজের মনমতো কাজ করা ও নিজের ইচ্ছেকে প্রাধান্য দেয়া।

২. কোন কাজ সুশৃঙ্খল ভাবে না করা ও শেষ পর্যন্ত লেগে না থাকা। দ্রুত মনযোগ সরে যাওয়া।

৩. হঠাৎ করে রেগে যাওয়া, জিদ করা বা বিষন্ন হয়ে যাওয়া কারণ ছাড়াই।

৪. এক জায়গায় স্হির হয়ে না বসা, সারাক্ষণই ছুটোছুটি করা।

৫. চুপচাপ কোন কাজ না করা, অযথাই চিৎকার করা, অপ্রয়োজনে ও অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা। অন্যের কথা মাঝে কথা বলা ও তাদের কথায় কান না দেয়া।

৬. যেভাবে করতে বলা হয় তা মেনে না নেয়া, গুছিয়ে কোন কাজ না করতে পারা, প্রায়ই কাজে ভুল করা যেমন, হোমওয়ার্ক না করা, জিনিসপত্র হারানো।

৭. কথা মনযোগ দিয়ে না শোনা, উদাস হয়ে যাওয়া, অবাস্তব কল্পনা করা, অন্যদের এড়িয়ে চলা বা মিশতে না পারা, হঠাৎ মারামুখি হওয়া।

অটিজম আর ADHD কি একই রোগ?

না, দুটো একই রোগ না। অটিজমে অমনোযোগীতা, সঙ্গবিমুখ হওয়া, কমান্ড ফলো না করার মত কিছু লক্ষণ আছে ADHD এর মত, তবে তা অটিজমের অংশ নয়।

রোগ নির্ণয়ের উপায়ঃ

মাত্রারিক্ত ও ধ্বংসাত্মক চঞ্চলতাকে অবহেলা বা প্রশয় না দিয়ে তার মধ্যে রোগের কোন লক্ষণ দেখা গেলে নিকটস্থ শিশু বিকাশ কেন্দ্র বা নিউরোলজির বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। শিশুর আচরণ পর্যবেক্ষণ , ল্যাবরেটরী পরীক্ষা ও বিকাশের ধাপগুলো যাচাই করেই তাকে রোগী বলা হবে, অযথা নয়।

চিকিৎসা না করালে কি ক্ষতি?

বয়সের সাথে সাথে বড় হলে বাচ্চা ঠিক হয়ে যাবে এমন আশা করে লাভ নাই। কারন, ৩০%-৭০% ক্ষেত্রে এ রোগ বড়বেলাতে দেখা যায়। সময় মতো চিকিৎসা না করলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়। এরা পরিবারে, সমাজে, কার্যক্ষেত্রে কোথাওই খাপ খাওয়াতে পারেনা।

চিকিৎসাঃ

অতিরিক্ত চঞ্চলতা কমানোর জন্য ঔষধ দেয়ার আগে কিছু উপায় আছে যা পালনে এ রোগ আস্তে আস্তে ভালোও হয়ে যেতে পারে। যেমন,

১. বাচ্চার এনার্জিকে ভালো কাজে লাগানো, যেমন, সাঁতার কাটা, সাইক্লিং করা, ক্যারাটে বা মার্শাল আর্ট শেখানো।

২. সহজ ভাষায় বাচ্চাকে বুঝাতে হবে, অল্প কথায় কাজ বুঝিয়ে দিতে হবে। তার মেজাজের সাথে খাপ খাইয়ে সহানুভূতির সাথে তাকে শেখাতে হবে।

৩. ছোট ছোট কাজের লিস্ট দিতে হবে যাতে সে অল্প সময়ে মনে করে সব কাজ করতে পারে এবং সময় বেঁধে দিতে হবে।

৪, লিস্টের কাজগুলো ঠিকমতো করতে পারলে তাকে প্রশংসা করা ও পুরস্কারের ব্যবস্থা করা লাগবে।

৫. ঘরে টিভি, ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহার কমিয়ে দিয়ে বাইরে খোলা মাঠে সবুজ প্রকৃতিতে খেলতে দিতে হবে।

৬.হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে গেলে মনযোগ সরিয়ে নেয়া, জোরে জোরে শ্বাস নিতে বলা এবং সহানুভূতির সাথে তার সাথে কথা বলতে হবে।

৭. স্কুলে টিচার, অভিভাবকদের সাথে সমন্নয় থাকতে হবে যেন ক্লাশে ওর দিকে মনযোগ দেয়া হয়, ওকে পড়া তৈরী করতে সাহায্য করা, প্রশংসা করা, কোন কাজ ঠিক মতো করতে পারলে তাকে পুরস্কিত করা সবই স্কুল ও বাবামায়ের দায়িত্ব নিয়ে পালন করতে হবে।

৮. শান্ত করার জন্য মাঝে মাঝে তাকে গান শুনতে দেয়া বিশ্রামে রাখা ও তার সাথে সহজ ভাষায় গল্পকরে তার মনযোগ ধরে রাখতে হবে।

আমাদের দেশে কি চিকিৎসা আছে?

নিশ্চয়ই আছে। হোমিওপ্যাথি মেডিসিন এ ব্যাপারে অত্যন্ত কার্যকরী। সেইসঙ্গে একজন অভিজ্ঞ চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে।

খাবারের সাথে ADHD এর সম্পর্কঃ

সাধারণত গম, ভুট্টা, চকলেট, টমেটো, আঙ্গুর, সিমজাতীয় খাবার দিতে মানা করা হয়।

চিনি বা কোন এলার্জিক খাবারের সাথে ADHD বাড়ার কোন সম্পর্ক নাই। তবে মায়ের কাছে যদি মনে হয় কোন খাবারে বাচ্চার চঞ্চলতা বেড়ে যায় তাহলে সে খাবার দিয়ে পরীক্ষা করে দেখা যায় যে সেটা এলার্জি নাকি অতিচঞ্চলতা।

তবে অনেক গবেষনায় বলা হয় যে, ভিটামিন বি, সি, ডি-থ্রি, ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড,ম্যাগনেসিশান জাতীয় ভিটামিন ও মিনারেলসে ছাড় দিচ্ছে সবাই।

উপসংহারে বলবো, মাত্রারিক্ত ধ্বংসাত্মক চঞ্চলতাকে প্রশ্রয় না দিয়ে একটু সচেতন হলেই কিন্তু বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। শিশুর ভবিষ্যৎও সুরক্ষিত থাকবে।

Address

Khandakarbari Mor, Vatara, Notun Bazar, Gulshan
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Friday 09:00 - 12:00
17:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 13:00
17:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 13:00
17:00 - 22:00

Telephone

+8801842838766

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Sanzida Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Sanzida Rahman:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram