A N M Mashud Rana- Physiotherapy Specialist

A N M Mashud Rana- Physiotherapy Specialist Relief, Remedy, Recovery

     #স্বাস্থ্যটিপস
25/11/2025

#স্বাস্থ্যটিপস

22/11/2025

Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

       #স্বাস্থ্যটিপস
19/11/2025

#স্বাস্থ্যটিপস

প্রলাপ্সড লাম্বার ইন্টারভারটেব্রাল ডিস্ক (Pr*****ed Lumbar Intervertebral Disc) PLID হলো একধরনের মেডিকেল অবস্থা, যা সাধা...
16/11/2025

প্রলাপ্সড লাম্বার ইন্টারভারটেব্রাল ডিস্ক (Pr*****ed Lumbar Intervertebral Disc)

PLID হলো একধরনের মেডিকেল অবস্থা, যা সাধারণভাবে স্লিপড ডিস্ক (Slipped Disc) বা হার্নিয়েটেড ডিস্ক নামে পরিচিত। PLID ঘটে যখন মেরুদণ্ডের লাম্বার অংশের (কোমরের অংশ) ডিস্কের নরম জেলির মতো কেন্দ্রীয় অংশটি (নিউক্লিয়াস পালপোসাস) বাইরের শক্ত আবরণ (অ্যানুলাস ফাইব্রোসাস) ফেটে বাইরে বেরিয়ে আসে। এই সমস্যাটি স্নায়ু চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং তীব্র ব্যথা, দুর্বলতা বা অসাড়তা সৃষ্টি করতে পারে।

লক্ষণসমূহ:
1.কোমর ও পিঠে তীব্র ব্যথা।
2.ব্যথা পায়ের দিকে নেমে যায় (সায়াটিক ব্যথা)।
3.পায়ের বা পায়ের আঙ্গুলের অসাড়তা বা ঝিনঝিনে অনুভূতি।
4.চলাফেরা বা শরীর বাঁকানোর সময় ব্যথা বেড়ে যায়।
5.মাংসপেশির দুর্বলতা।

প্রলাপ্সড ডিস্কে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা:

ফিজিওথেরাপি প্রলাপ্সড ডিস্ক (PLID) চিকিৎসার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অ-সার্জিকাল পদ্ধতি। ব্যথা কমাতে, স্নায়ুর চাপ হ্রাস করতে এবং মেরুদণ্ডের কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার করতে ফিজিওথেরাপি সহায়ক ভূমিকা পালন করে। নিচে কিছু মূল পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো:

1. ব্যথা কমানোর জন্য পদ্ধতি:
• হট প্যাক বা কোল্ড প্যাক: ফোলাভাব বা ব্যথা কমাতে তাপ বা ঠান্ডার ব্যবহার।
• ইলেক্ট্রোথেরাপি: টেনস (TENS)
. আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি ( UST)
. শকওয়েভ থেরাপি (ESWT) ব্যবহার করে স্নায়ুর ব্যথা প্রশমিত করা।

2. স্ট্রেচিং ও স্ট্রেংথেনিং এক্সারসাইজ:
• কোর স্ট্যাবিলিটি এক্সারসাইজ: মেরুদণ্ডের চারপাশের পেশি শক্তিশালী করার জন্য।
• ম্যাককেঞ্জি এক্সারসাইজ: বিশেষত লাম্বার ডিস্ক সমস্যায় কার্যকর। এটি ব্যথা কমিয়ে মেরুদণ্ডে সঠিক অ্যালাইনমেন্ট বজায় রাখতে সাহায্য করে।
• স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ: হ্যামস্ট্রিং, লোয়ার ব্যাক ও পিরিফর্মিস মাংসপেশির নমনীয়তা বাড়ানোর জন্য।

3. ভঙ্গি সংশোধন (Postural Correction):

ফিজিওথেরাপিস্টের সাহায্যে সঠিক ভঙ্গি শেখা, যেমন সঠিকভাবে বসা, দাঁড়ানো বা ভার তোলা, যা মেরুদণ্ডের উপর চাপ কমায়।

4. ট্রাকশন থেরাপি:

মেরুদণ্ডে হালকা প্রসারণ তৈরি করে স্নায়ুর চাপ কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

5. ওষুধ বা ব্যথা ব্যবস্থাপনার পরামর্শ:

যদি ব্যথা খুব বেশি হয়, তবে ফিজিওথেরাপির পাশাপাশি ব্যথানাশক ওষুধ নিতে হতে পারে।

সতর্কতা:
1. ভারী জিনিস তোলা এড়িয়ে চলুন।
2. দীর্ঘ সময় বসে থাকার অভ্যাস পরিবর্তন করুন।
3. তীব্র ব্যথার ক্ষেত্রে নিজে কোনো এক্সারসাইজ না করে ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।
4. সঠিক ম্যাট্রেসে ঘুমান যা মেরুদণ্ড সাপোর্ট করে।

প্রলাপসড ডিস্কের চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপি একটি ধৈর্যের প্রক্রিয়া এবং নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে এটি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
#স্বাস্থ্যটিপস

স্পন্ডাইলোআর্থোপ্যাথি কী?স্পন্ডাইলোআর্থোপ্যাথি (Spondyloarthropathy) হলো এক ধরনের প্রদাহজনিত বাত (Inflammatory Arthritis...
15/11/2025

স্পন্ডাইলোআর্থোপ্যাথি কী?

স্পন্ডাইলোআর্থোপ্যাথি (Spondyloarthropathy) হলো এক ধরনের প্রদাহজনিত বাত (Inflammatory Arthritis) যা মূলত মেরুদণ্ড, পেলভিস (শ্রোণীস্থি), ও অন্যান্য জয়েন্টকে প্রভাবিত করে। এটি সাধারণত অটোইমিউন ডিজঅর্ডারের কারণে হয় এবং কয়েকটি
প্রধান রোগের অন্তর্ভুক্ত:

1. অ্যাঙ্কিলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস (Ankylosing Spondylitis - AS)
2. রিঅ্যাকটিভ আর্থ্রাইটিস (Reactive Arthritis - ReA)
3. সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস (Psoriatic Arthritis - PsA)
4. এন্টারোপ্যাথিক আর্থ্রাইটিস (Enteropathic Arthritis - EnA)

এটি ব্যথা, জয়েন্টের শক্ত হয়ে যাওয়া, ফোলাভাব ও চলাচলে অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে।

ফিজিওথেরাপি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ফিজিওথেরাপি স্পন্ডাইলোআর্থোপ্যাথির চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকরী। এটি ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, জয়েন্টের কার্যক্ষমতা বাড়ানো, মেরুদণ্ডের নমনীয়তা বৃদ্ধি ও চলাফেরার সামর্থ্য বাড়াতে সাহায্য করে।

ফিজিওথেরাপির উপকারিতা
• ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে
• শরীরের সঠিক ভঙ্গি (Posture) ধরে রাখতে সহায়তা করে
• মেরুদণ্ড ও জয়েন্টের গতিশীলতা বাড়ায়
• দৈনন্দিন কার্যকলাপ সহজ করে
• পেশি শক্তিশালী করে

ফিজিওথেরাপির চিকিৎসা

1. স্ট্রেচিং ব্যায়াম:

মেরুদণ্ড, পেলভিস ও অন্যান্য জয়েন্ট নমনীয় রাখতে সাহায্য করে। যেমন:
• ক্যাট-কাউ স্ট্রেচ (Cat-Cow Stretch)
• হামস্ট্রিং স্ট্রেচ
• কোমর ও ঘাড়ের স্ট্রেচিং

2. স্ট্রেংথেনিং ব্যায়াম:

পেশি শক্তিশালী করে জয়েন্টকে সাপোর্ট দেয়। যেমন:
• কোর স্ট্রেংথেনিং এক্সারসাইজ (Plank, Bridge Exercise)
• ব্যাক এক্সটেনশন
• লেগ রেইজ

3. অ্যারোবিক এক্সারসাইজ:

হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে, যেমন:
• হাঁটা
• সাঁতার কাটা (Swimming) – এটি স্পন্ডাইলোআর্থোপ্যাথির জন্য বিশেষভাবে উপকারী
• সাইক্লিং

4. পোস্টারাল করেকশন ও ফাংশনাল ট্রেনিং:

দৈনন্দিন কাজের সময় সঠিক ভঙ্গি রক্ষা করতে সাহায্য করে, যেমন:
• বসা ও দাঁড়ানোর সঠিক নিয়ম
• ভার বহনের সঠিক কৌশল

5. গরম ও ঠান্ডা থেরাপি (Heat & Cold Therapy):
• গরম থেরাপি: পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে
• ঠান্ডা থেরাপি: ব্যথা ও প্রদাহ কমায়

6. ম্যানুয়াল থেরাপি:

ফিজিওথেরাপিস্টের মাধ্যমে হালকা ম্যাসাজ ও জয়েন্ট মবিলাইজেশন করা হয়, যা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

লাইফস্টাইল ম্যানেজমেন্ট
• সঠিকভাবে বসা ও দাঁড়ানোর অভ্যাস গড়ে তোলা
• ভারী বস্তু তোলার সময় সতর্কতা অবলম্বন
• দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে না থাকা
• পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও মানসিক চাপ কমানো
• পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা

উপসংহার:
ফিজিওথেরাপি স্পন্ডাইলোআর্থোপ্যাথির চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নিয়মিত ব্যায়াম ও সঠিক জীবনযাত্রার মাধ্যমে ব্যথা নিয়ন্ত্রণ ও চলাচলের ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। তবে সঠিক চিকিৎসার জন্য ফিজিওথেরাপিস্ট ও রিউমাটোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
#স্বাস্থ্যটিপস

       #স্বাস্থ্যটিপস          #ঘাড়ব্যথা
10/11/2025

#স্বাস্থ্যটিপস #ঘাড়ব্যথা

জেনে রাখা ভালো।
06/11/2025

জেনে রাখা ভালো।

ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০টি তথ্য জেনে নিন১. ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো কী?সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ...
04/11/2025

ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০টি তথ্য জেনে নিন

১. ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো কী?

সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চেখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র‍্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।

২. জ্বর হলেই কি চিন্তিত হবেন?

এখন যেহেতু ডেঙ্গুর সময়, সেজন্য জ্বর হল অবহেলা করা উচিত নয়।

জ্বরে আক্রান্ত হলেই সাথে-সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জুরুরি। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন, তারা জ্বরকে অবহেলা করেছেন। জ্বরের সাথে যদি সর্দি- কাশি, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিংবা অন্য কোন বিষয় জড়িত থাকে তাহলে সেটি ডেঙ্গু না হয়ে অন্যকিছু হতে পারে। তবে জ্বর হলেই সচেতন থাকতে হবে।

৩. বিশ্রামে থাকতে হবে

জ্বর হলে বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করা উচিত নয়। একজন ব্যক্তি সাধারণত প্রতিদিন যেসব পরিশ্রমের কাজ করে, সেগুলো না করাই ভালো। পরিপূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন।

৪. কী খাবেন?

প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন - ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন গ্রহণ করা যেতে পারে। এমন নয় যে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, পানি জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।

৫. যেসব ঔষধ খাওয়া উচিত নয়

ডেঙ্গু জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে। স্বাভাবিক ওজনের একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি প্যারাসিটামল খেতে পারবে।

চিকিৎসকরা বলছেন, প্যারাসিটামলের সর্বোচ্চ ডোজ হচ্ছে প্রতিদিন চার গ্রাম। কিন্তু কোন ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গায়ে ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর সময় অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

৬. প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা নিয়ে চিন্তিত?

প্ল্যাটিলেট কাউন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোন প্রয়োজন নেই। বিষয়টি চিকিৎসকের উপর ছেড়ে দেয়াই ভালো।

সাধারণত একজন মানুষের রক্তে প্ল্যাটিলেট কাউন্ট থাকে দেড়-লাখ থেকে সাড়ে চার-লাখ পর্যন্ত।

৭. ডেঙ্গু হলেই কি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?

ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ভাগ রয়েছে।

এ ভাগগুলো হচ্ছে - 'এ', 'বি' এবং 'সি'।

প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী 'এ' ক্যাটাগরির।

তাদের হাসপাতালে ভর্তি হবার কোন প্রয়োজন নেই। 'বি' ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন তার পেটে ব্যথা হতে পারে, বমি হতে পারে প্রচুর কিংবা সে কিছুই খেতে পারছে না।

অনেক সময় দেখা যায়, দুইদিন জ্বরের পরে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতাল ভর্তি হওয়াই ভালো।

'সি' ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। কিছু-কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ'র প্রয়োজন হতে পারে।

৮. ডেঙ্গুর জ্বরের সময়কাল

সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে।

কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে। এখন জুন মাস থেকেই ডেঙ্গু জ্বরের সময় শুরু হয়ে যাচ্ছে।

৯. এডিস মশা কখন কামড়ায়

ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে উঠে। এডিস মশা কখনো অন্ধকারে কামড়ায় না।

১০. পানি জমিয়ে না রাখা

এডিস মশা 'ভদ্র মশা' হিসেবে পরিচিত। এসব মশা সুন্দর-সুন্দর ঘরবাড়িতে বাস কর।

এডিস মশা সাধারণত ডিম পাড়ে স্বচ্ছ পানিতে। কোথাও যাতে পানি তিন থেকে পাঁচদিনের বেশি জমা না থাকে।

এ পানি যে কোন জায়গায় জমতে পারে। বাড়ির ছাদে কিংবা বারান্দার ফুলের টবে, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে, রাস্তার পাশে পড়ে থাকা টায়ার কিংবা অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে।
#স্বাস্থ্যটিপস

01/11/2025
28/10/2025

Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

Address

144, Zara Tower, Katasur, Mohammadpur
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A N M Mashud Rana- Physiotherapy Specialist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram