Super Specialized Hospital-BMU

Super Specialized Hospital-BMU ★অনানুষ্ঠানিক পেজ★
অত্যাধুনিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল-বিএমইউ

বিএমইউতে রেসিডেন্সি ইনডাকশন প্রোগ্রাম ২০২৬ অনুষ্ঠিত১৩০৬ রেসিডেন্ট শিক্ষার্থীর শপথগ্রহণ‘নিজেকে মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হি...
01/03/2026

বিএমইউতে রেসিডেন্সি ইনডাকশন প্রোগ্রাম ২০২৬ অনুষ্ঠিত
১৩০৬ রেসিডেন্ট শিক্ষার্থীর শপথগ্রহণ
‘নিজেকে মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন’—স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-তে মার্চ ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ফেজ-এ-তে ভর্তিকৃত নবাগত রেসিডেন্ট চিকিৎসক-শিক্ষার্থীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ‘রেসিডেন্সি ইনডাকশন প্রোগ্রাম ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার-এ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, এমপি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন মাননীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, এমপি; ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং মহাসচিব ডা. মোঃ জহিরুল ইসলাম শাকিল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম এবং তিনি নবাগত রেসিডেন্টদের শপথবাক্য পাঠ করান।

অনুষ্ঠানে মোট ১,৩০৬ জন রেসিডেন্ট অংশ নেন। এর মধ্যে সার্জারি অনুষদে ৫৪৩ জন, মেডিসিন অনুষদে ৪০০ জন, শিশু অনুষদে ১২৪ জন, বেসিক সায়েন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদে ১৫৬ জন এবং ডেন্টাল অনুষদে ৮৩ জন রেসিডেন্ট অন্তর্ভুক্ত।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম। রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম সম্পর্কে আলোকপাত করেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ এবং স্বাগত বক্তব্য দেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার।

দ্বিতীয় পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ। এ সময় নবাগত রেসিডেন্টদের পরিচয় তুলে ধরেন সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোঃ ইব্রাহীম সিদ্দিক, বেসিক সায়েন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী, মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোঃ শামীম আহমেদ, শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং ডেন্টাল অনুষদের ডিন ডা. সাখাওয়াত হোসেন। বিভিন্ন অনুষদের কোর্স ডিরেক্টর, অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও পরিচালকবৃন্দও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসাবিদ্যার কোনো শেষ নেই। পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে একজন মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। রোগীদের প্রতি সহমর্মিতা, সদাচরণ এবং দায়িত্বশীল মনোভাব নিয়ে চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, এমনভাবে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে যাতে দেশের রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হতে না হয়। এ সময় তিনি মলিকিউলার ল্যাবরেটরি, আধুনিক লাইব্রেরি ও রেসিডেন্টদের জন্য আবাসিক হোস্টেল স্থাপনে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগণের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্য অর্জনে রেসিডেন্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণায় মনোনিবেশ করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ হতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবটিকসের ব্যবহার সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন অপরিহার্য।

ড্যাব নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, আজকের রেসিডেন্টরাই আগামী দিনের স্বাস্থ্যব্যবস্থার নেতৃত্ব দেবেন। মানবিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তাঁদেরকে দক্ষতা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, ই-লগবুক ও ই-আইআরবি চালু, বিএমইউ জার্নালের মানোন্নয়ন, আইআরবি কার্যক্রম এবং এভিডেন্স-বেইজড মেডিসিনে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনসহ বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে নবাগত রেসিডেন্টদের আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ হিসেবে গড়ে ওঠার সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, গত ১৫ বছরে বিএমইউতে প্রায় ৩ হাজার গবেষণা সম্পন্ন হয়েছে; এর মধ্যে গত ৫ বছরে ১,১০০ গবেষণার ফলাফল ইনডেক্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নবাগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রধান দায়িত্ব হবে দেশের জনগণের জন্য উন্নত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং গবেষণায় নেতৃত্ব প্রদান। দেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিএমইউ’র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন৮ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ...
21/02/2026

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিএমইউ’র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

৮ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং, শনিবার প্রথম প্রহরে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ-এর নেতৃত্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি উপলক্ষে প্রত্যুষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ কর্মসূচী পালন করা হয়।

প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান, ডেন্টাল অনুষদের ডিন ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম এবং প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

এছাড়াও দিবসের কর্মসূচীতে অংশ নেন পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ও বিএমইউ ড্যাবের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার শফিকুল হাসান রতন, অতিরিক্ত পরিচালক (সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল) ডা. মোঃ শাহিদুল হাসান বাবুল, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মোহাম্মদ আবু নাছের, সহকারী অধ্যাপক ও উপ-রেজিস্ট্রার (আইন) ডা. আবু হেনা হেলাল উদ্দিন আহমেদ, ডা. মোঃ আকবর হোসেন, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক লুৎফর রহমান, উপ-রেজিস্ট্রার সাবিনা ইয়াসমিন, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ হুমায়ুন কবীর, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, উপ-রেজিস্ট্রার এটিএম আমিনুল ইসলাম, বিএমইউ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইয়াহিয়া খাঁন, প্রচার সম্পাদক শামীম আহম্মদ, কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশিকুর রহমান এবং মোঃ ইলিয়াস খাঁন প্রমুখ।

মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও জাতীয় চেতনা সমুন্নত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

বিএমইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিলেনমির্জা ফখর...
16/02/2026

বিএমইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিলেন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এর কেবিন ব্লকে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, বিশিষ্ট ইউরোলজিস্ট ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি। আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ দুপুরে তিনি বিএমইউর কেবিন ব্লকে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন এবং ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের স্বাস্থ্য বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেন।

এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিএমইউ-এর মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোঃ সাইফুল ইসলাম সেলিম, সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস এম ইউনুস আলী, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ডা. সাইফ উদ্দিন নিসার আহমেদ, সার্জিক্যাল অনকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) নাছির উদ্দিন ভূঁঞা, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোহাম্মদ বদরুল হুদা, উপ-রেজিস্ট্রার ডা. আবু মোঃ আহসান ফিরোজ, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ শহীদুল হক, উপ-পরিচালক (সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল) ডা. এ কে আল মিরাজ, ইউরোলজি বিভাগের ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, উপ-পরিচালক (এস্টেট) ডা. মোহাম্মদ মশিউর রহমান কাজল, অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ শামসুজ্জামান, ডা. তাজ উদ্দিন আহমেদ, উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) ডা. মোঃ সাইফুল আজম রঞ্জু, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ হুমায়ুন কবীর, উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) এটিএম আমিনুল ইসলাম, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও বিএমইউ-এর সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান আমিন, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রচার সম্পাদক শামীম আহম্মদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।

বিএমইউ প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) এর সাথে জাপানের জিচি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদলের সভা অনুষ্ঠিতচ...
29/01/2026

বিএমইউ প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) এর সাথে জাপানের জিচি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদলের সভা অনুষ্ঠিত

চিকিৎসা শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা, পরিবেশগত উন্নয়ন ও যৌথ গবেষণা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এর সম্মানিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদারের সাথে জাপানের জিচি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধিদলের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাটি আজ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ইং, বুধবার, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বাংলাদেশ ও জাপানের গবেষকদের মধ্যে যৌথ গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের জিচি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চিকিৎসা শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, হাসপাতালের পরিবেশগত উন্নয়নে সহায়তা প্রদান, গবেষণায় প্রয়োজনীয় কারিগরি ও একাডেমিক সহায়তা এবং ভবিষ্যতে যৌথ গবেষণার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে জিচি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃবৃন্দ বিএমইউ-এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম-এর সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মোহাম্মদ ইসমাইল, পিএইচডি; পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোঃ শিবলুর রহমান; জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান; বিএমইউ-এর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম; পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ খালেকুজ্জামান, পিএইচডি প্রমুখ।

জাপানের প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন জিচি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড প্রিভেনটিভ মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর ড. সাহোকো ইচিহারা (Sahoko Ichihara, PhD), সহযোগী অধ্যাপক ড. মিসে নাথান (Mise Nathan, PhD), ড. একেগামি আকিহিকো (Ikegami Akihiko, PhD), ড. কিতামুরা ইউকি (Kitamura Yuki, PhD) প্রমুখ।

৮২ লাখ মানুষ মাদক ব্যবহারকারী: জাতীয় গবেষণা প্রতিবেদনমাদক সমস্যা মোকাবিলায় সমন্বিত জনস্বাস্থ্যভিত্তিক উদ্যোগের আহ্বানমাদ...
25/01/2026

৮২ লাখ মানুষ মাদক ব্যবহারকারী: জাতীয় গবেষণা প্রতিবেদন
মাদক সমস্যা মোকাবিলায় সমন্বিত জনস্বাস্থ্যভিত্তিক উদ্যোগের আহ্বান
মাদক নির্মূলে পরিবার থেকেই হোক প্রতিরোধ

বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহার একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সংকটে রূপ নিয়েছে। বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রকাশিত জাতীয় পর্যায়ের গবেষণায় জানানো হয়েছে, দেশে বর্তমানে আনুমানিক ৮১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ জন মানুষ কোনো না কোনো ধরনের অবৈধ মাদক ব্যবহার করছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮ শতাংশ। এই গবেষণায় সিগারেট সেবনকে মাদক ব্যবহারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

আজ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, রবিবার, বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স হল (রুম ৫০৪)-এ আয়োজিত “Dissemination Meeting of Estimation of the Number and Category of Persons Abusing Drugs and Associated Factors: A Nationwide Study in Bangladesh” শীর্ষক অনুষ্ঠানে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব মোঃ হাসান মারুফ। অনুষ্ঠানে প্রধান গবেষক (Principal Investigator) হিসেবে বক্তব্য দেন বিএমইউর সম্মানিত ডীন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী।

বক্তব্যে অতিথিবৃন্দ

ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম বলেন, মাদক প্রতিরোধে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও ধারাবাহিক গবেষণা অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, “এটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই যে মাদক সমস্যা কেবল কিছু মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে আমরা সবাই, এমনকি আমাদের সন্তানরাও মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। সম্মিলিত সচেতনতা ও ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগই এই ঝুঁকি মোকাবিলার একমাত্র পথ।”

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব মোঃ হাসান মারুফ বলেন, মাদক সমস্যা এখন একটি সামাজিক যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। পরিবার থেকেই মাদক প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি জানান, মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার ঢাকা বিভাগের বাইরে আরও ৭টি বিভাগে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট ৭টি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।

বিএমইউর সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার মাদক সরবরাহ ও চাহিদা উভয় দিক কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিশু ও তরুণ সমাজকে মাদক সেবনের ভয়াবহ পরিণতি থেকে রক্ষা করা এখন জাতীয় দায়িত্ব।

গবেষণার পদ্ধতি ও কাভারেজ

গবেষণাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC)-এর তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (BMU) ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্টস লিমিটেড (RMCL) যৌথভাবে পরিচালনা করে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন সময়কালে Network Scale-Up Method (NSUM) ব্যবহার করে দেশের ৮টি বিভাগের ১৩টি জেলা ও ২৬টি উপজেলায় তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

বিভাগভিত্তিক চিত্র

গবেষণায় দেখা যায়, বিভাগভেদে মাদক ব্যবহারের হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।

সর্বোচ্চ হার: ময়মনসিংহ (৬.০২%), রংপুর (৬.০০%), চট্টগ্রাম (৫.৫০%)

তুলনামূলক কম হার: রাজশাহী (২.৭২%), খুলনা (৪.০৮%)

সংখ্যার বিচারে সর্বাধিক মাদক ব্যবহারকারী বসবাস করছে ঢাকা বিভাগে (প্রায় ২২.৯ লাখ), এরপর চট্টগ্রাম (১৮.৮ লাখ) ও রংপুর (প্রায় ১০.৮ লাখ)।

মাদক প্রকারভেদ

গবেষণায় দেখা যায়, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক হলো গাঁজা (ক্যানাবিস)—প্রায় ৬০.৮ লাখ ব্যবহারকারী। এরপর রয়েছে:

মেথামফেটামিন (ইয়াবা): ২২.৯ লাখ

অ্যালকোহল: ২০.২ লাখ

কোডিনযুক্ত কফ সিরাপ, হেরোইন ও ঘুমের ওষুধ

ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী: প্রায় ৩৯ হাজার, যারা এইচআইভি ও হেপাটাইটিসসহ সংক্রামক রোগের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে

একজন মাদক ব্যবহারকারী গড়ে মাসে প্রায় ৬ হাজার টাকা মাদকের পেছনে ব্যয় করে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়।

বয়স ও ঝুঁকিপূর্ণ কারণ

গবেষণায় উঠে এসেছে, মাদক ব্যবহারকারীদের বড় একটি অংশ তরুণ।

৩৩% ব্যবহারকারী ৮–১৭ বছর বয়সে

৫৯% ব্যবহারকারী ১৮–২৫ বছর বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করেছে

মাদক ব্যবহারের প্রধান ঝুঁকিপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে বেকারত্ব, বন্ধুমহলের প্রভাব, পারিবারিক অস্থিরতা, মানসিক চাপ ও আর্থিক অনিশ্চয়তা। প্রায় ৯০% ব্যবহারকারী মাদককে সহজলভ্য বলে উল্লেখ করেছে।

চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ঘাটতি

গবেষণায় দেখা যায়, মাত্র ১৩% মাদক ব্যবহারকারী কখনো চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা গ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। মাদক ব্যবহারকারীরা চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা, কাউন্সেলিং এবং কর্মসংস্থান সহায়তাকে সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। একই সঙ্গে ৬৮% ব্যবহারকারী সামাজিক ও পারিবারিক অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলে জানান।

উপসংহার

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মাদক সমস্যা কেবল আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়; এটি একটি জটিল জনস্বাস্থ্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট। প্রতিরোধ, চিকিৎসা, পুনর্বাসন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক পুনঃএকত্রীকরণকে অন্তর্ভুক্ত করে সমন্বিত জনস্বাস্থ্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করাই সময়ের দাবি। এই গবেষণার তথ্যভিত্তিক প্রমাণ ভবিষ্যতে জাতীয় নীতি প্রণয়ন ও কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

বিএমইউতে দেশের প্রথম রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়া বিষয়ক ক্যাডেভার ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিতবাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)তে ...
20/01/2026

বিএমইউতে দেশের প্রথম রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়া বিষয়ক ক্যাডেভার ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)তে দেশের প্রথম রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়া বিষয়ক ক্যাডেভার ওয়ার্কশপ (Cadaver Workshop on Regional Anesthesia) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএমইউর এ্যানেসথেশিয়া, এনালজেশিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের পেইন মেডিসিন ডিভিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় ফরেন ফ্যাকাল্টি হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়ার ক্যাডেভার ওয়ার্কশপের প্রধান প্রফেসর পল কেসলার (Professor Paul Kessler)।

আজ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিএমইউর কেবিন ব্লকের ৮ম তলায় অবস্থিত পেইন স্কিল অ্যান্ড প্র্যাকটিস ল্যাবে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় চিকিৎসকদের রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়া, ব্যথা ব্যবস্থাপনা, আল্ট্রাসাউন্ড-গাইডেড পদ্ধতি এবং নিডলিং কৌশলে হাতে-কলমে দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়ার মাধ্যমে রোগীকে সম্পূর্ণ অজ্ঞান না করে শরীরের নির্দিষ্ট অংশে অপারেশন করা সম্ভব, যা রোগীর জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও আধুনিক শল্যচিকিৎসা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অপারেশনের সময় এবং অপারেশন-পরবর্তী ব্যথা নিয়ন্ত্রণে এই পদ্ধতি নিরাপদ ও কার্যকর বলে বিশেষজ্ঞরা জানান।

দেশের প্রথম এই রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়া বিষয়ক ক্যাডেভারিক ওয়ার্কশপে ২০ জন চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন। তারা মানব মৃতদেহ (ক্যাডেভার)-এর ওপর রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগের বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান অর্জন করেন। কর্মশালায় জানানো হয়, ভবিষ্যতে বিএমইউতে এ ধরনের কর্মশালা প্রতি বছর অন্তত দুইবার আয়োজন করা হবে। আজকের এই আয়োজন বিএমইউর পেইন স্কিল অ্যান্ড প্র্যাকটিস ল্যাবের ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব রিজনাল অ্যানেস্থেসিয়ার অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষায় বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণের গুরুত্বকে সামনে রেখে আয়োজিত এই কর্মশালায় ক্যাডেভার ব্যবহার করে শারীরবৃত্তীয় গঠন, স্নায়ু ও পেশির অবস্থান এবং ক্লিনিক্যাল প্রয়োগ সম্পর্কে বাস্তব অনুশীলন করানো হয়। বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণকারীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব চিকিৎসা দক্ষতায় রূপান্তরে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কর্মশালাটি বিএমইউর আইসিটি ডিরেক্টর ও অ্যানেস্থেশিওলজিস্ট অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন এভারকেয়ার হাসপাতালের অ্যানেস্থেশিওলজিস্ট ডা. লুৎফুল আজিজসহ সংশ্লিষ্টরা।

ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম তাঁর বক্তব্যে এ ধরনের কর্মশালাকে চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স এবং হাসপাতালে সংক্রমণজনিত রোগ প্রতিরোধে আরও সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

বিএমইউতে থিসিস ও গবেষণা লেখা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিতদেশের মানুষের প্রয়োজনমুখী গবেষণার আহ্বান মাননীয় ভাইস-চ্যান...
17/01/2026

বিএমইউতে থিসিস ও গবেষণা লেখা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

দেশের মানুষের প্রয়োজনমুখী গবেষণার আহ্বান মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলরের

বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ)-তে থিসিস, গবেষণাপত্র ও ম্যানুস্ক্রিপ্ট লেখা এবং হিনারি (HINARI) ব্যবহার করে জার্নাল ও আর্টিক্যাল অনুসন্ধান বিষয়ে একটি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিএমইউর এ-ব্লক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার শিরোনাম ছিল— “Hands-On Training on Using HINARI for Journal, Article Searching for Protocol, Thesis & Manuscript Writing”। এতে বিএমইউর প্রায় ৭০০ জন ফেজ-বি রেসিডেন্ট ছাত্রছাত্রী ও চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম বলেন, দেশের মানুষের জন্য প্রয়োজনমুখী গবেষণা করতে হবে, যাতে গবেষণার ফলাফল রোগীদের কল্যাণে বাস্তবভাবে কাজে লাগে। গবেষণার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে কার্যকর অবদান রাখতে হবে। তিনি বলেন, গবেষণার মাধ্যমে কোনো সমস্যার প্রকৃত অবস্থা নিরূপণ, কারণ অনুসন্ধান এবং প্রতিকারের উপায় চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

ভাইস-চ্যান্সেলর আরও বলেন, গবেষণা হতে হবে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে তা প্রকাশের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণা অনুবাদ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান রোগীদের কল্যাণে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে প্রয়োগ করা যেতে পারে। নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসক, শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে বিএমইউ প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সম্মানিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ডিজিটালাইজেশনের যুগে এনালগ থাকার কোনো সুযোগ নেই। উন্নতমানের থিসিস ও গবেষণাপত্র লেখার জন্য হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। সে কারণেই রেসিডেন্ট ছাত্রছাত্রীদের জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আজকের রেসিডেন্টরাই নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য বিশ্বমানের চিকিৎসক ও গবেষক হিসেবে গড়ে তুলে ভবিষ্যতে দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্ব দেবেন।

গুরুত্বপূর্ণ এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সম্মানিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ। উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন সম্মানিত গ্রন্থাগারিক ও এ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর সম্মানিত পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার ইরতেকা রহমান, অতিরিক্ত গ্রন্থাগারিক সুফিয়া বেগম, উপ-গ্রন্থাগারিক ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ নাহিদুজ্জামান সাজ্জাদ, নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ রুহুল কুদ্দুস বিপ্লবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

বিএমইউ-এর স্নাতকোত্তর রেসিডেন্সি প্রোগ্রামে ই-লগ বুক চালুবাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ)-এর স্নাতকোত্তর রেসিডেন্স...
14/01/2026

বিএমইউ-এর স্নাতকোত্তর রেসিডেন্সি প্রোগ্রামে ই-লগ বুক চালু

বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ)-এর স্নাতকোত্তর রেসিডেন্সি প্রোগ্রামে ই-লগ বুক কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পাইলটিং পর্যায়ে পাঁচটি বিভাগে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিভাগগুলো হলো—মেডিসিন, জেনারেল সার্জারি, অ্যানেসথেসিয়া, অ্যানালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং এবং হেপাটোলজি (লিভার) বিভাগ। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগে ই-লগ বুক চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ লক্ষ্যে বিএমইউর আইসিটি অফিস জোরালোভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আজ বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক)-এর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

সভায় মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম বলেন, বিশ্ব প্রেক্ষাপটে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে। অটোমেশনের এই যুগে ই-লগ বুক উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ই-গভর্ন্যান্সের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে দেশের স্বার্থে বিএমইউতে ই-লগ বুক কার্যক্রমকে পূর্ণমাত্রায় সফল করতে হবে।

সভায় রেসিডেন্সি প্রোগ্রামকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ, চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে সকল বিভাগে ই-লগ বুক চালু করা, এবং ই-লগ বুক বাস্তবায়নে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা ও জটিলতা নিরসনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

উল্লেখ্য, ই-লগ বুক একটি সফটওয়্যারভিত্তিক ডিজিটাল রেকর্ড সিস্টেম, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, দৈনন্দিন কার্যক্রম, একাডেমিক ও দাপ্তরিক তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি কাগজের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও রিপোর্ট প্রস্তুতিকে সহজ করে তোলে। ফলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও কার্যকর হয়।

বিএমইউতে ‘হাউ টু রাইট এ রিসার্চ প্রোটোকল’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতআজ ১০ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্...
10/01/2026

বিএমইউতে ‘হাউ টু রাইট এ রিসার্চ প্রোটোকল’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আজ ১০ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে ‘হাউ টু রাইট এ রিসার্চ প্রোটোকল: স্টেপ বাই স্টেপ অ্যাপ্রোচ (Workshop on How to Write a Research Protocol: Step by Step Approach)’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েশন অব ফিজিশিয়ান্স অব বাংলাদেশ (এপিবি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন বিএমইউ-এর মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বিএমইউ-এর সম্মানিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার এবং মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ।

কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন (নিপসম)-এর সম্মানিত পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোঃ জিয়াউল ইসলাম, পিএইচডি। তিনি গবেষণা প্রোটোকল প্রণয়নের বিভিন্ন ধাপ ও পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

কর্মশালাটি চিকিৎসক ও গবেষকদের মধ্যে গবেষণামুখী দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএমইউ ভাইস-চ্যান্সেলরের শোক বইতে স্বাক্ষরসাবেক প্রধা...
05/01/2026

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএমইউ ভাইস-চ্যান্সেলরের শোক বইতে স্বাক্ষর

সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন এবং আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে শোক বইতে স্বাক্ষর করেছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এর মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম।

আজ সোমবার, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকালে বিএনপির গুলশানে অবস্থিত চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সংরক্ষিত শোক বইয়ে তিনি স্বাক্ষর করেন।

শোক বইয়ে স্বাক্ষরকালে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম বেগম খালেদা জিয়াকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে লেখেন—
“বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। জাতীয় ঐক্যের এক প্রতীককে আমরা হারালাম।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএমইউ-এর সম্মানিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. মোঃ শাহিদুল হাসান বাবুলসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

উল্লেখ্য, রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে টানা ৩৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে গত মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ ভোর ৬টায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি গত ২৩ নভেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে উক্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহানুভূতি জ্ঞাপন করেন বিএমইউ-এর মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম।

মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা গত বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁকে তাঁর স্বামী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয় এবং ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়। বিএমইউ প্রশাসনের উদ্যোগে রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচির প্রতি সংহতি ও সম্মান জানিয়ে তা যথাযথভাবে পালন করা হয়।

বিএমইউর বার্ষিক দেয়াল ক্যালেন্ডার ২০২৬ ও হালনাগাদকৃত টেলিফোন নির্দেশিকা প্রকাশবাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-...
01/01/2026

বিএমইউর বার্ষিক দেয়াল ক্যালেন্ডার ২০২৬ ও হালনাগাদকৃত টেলিফোন নির্দেশিকা প্রকাশ

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এর বার্ষিক দেয়াল ক্যালেন্ডার ২০২৬ এবং হালনাগাদকৃত টেলিফোন নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়েছে। নতুন বছর শুরুর প্রথম দিন বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিএমইউর মিডিয়া সেল ও জনসংযোগ শাখার উদ্যোগে প্রস্তুতকৃত উক্ত ক্যালেন্ডার ও টেলিফোন নির্দেশিকা মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম-এর হাতে তাঁর কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার শফিকুল হাসান রতন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের একান্ত সচিব-১ সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব, জনসংযোগ শাখার উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ সাইফুল আজম রঞ্জু, উপ-রেজিস্ট্রার এটিএম আমিনুল ইসলাম, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের একান্ত সচিব-২ মোঃ লুৎফর রহমান, সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান আমিন, জনসংযোগ শাখার সেকশন অফিসার শামীম আহম্মদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতেবিএমইউ ভাইস চ্যান্সেলর এর শোক প্রকাশকোটি মানুষকে কাঁদিয়ে...
30/12/2025

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে
বিএমইউ ভাইস চ্যান্সেলর এর শোক প্রকাশ

কোটি মানুষকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ৩৭ দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে আজ মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ইং তারিখে ভোর ৬টায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা পূর্বক তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহানুভুতি জ্ঞাপন করেছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল মেডিক্যাল বিশ্বিবিদ্যালয় (বিএমইউ) এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম। এ তথ্য জানিয়েছেন বিএমইউ এর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম।

মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা আগামীকাল বুধবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ইং তারিখে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁর স্বামী মরহুম রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আগামীকাল বুধবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ইং তারিখ ১ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এছাড়া বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর এবং ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হবে বলে জানা গেছে।

Address

Shahbag
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Super Specialized Hospital-BMU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Super Specialized Hospital-BMU:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category