04/02/2026
নিজে সুন্দর হোন, মেয়েকে সুন্দর বানান কিন্তু দুর্বল বানানো যাবেনা। এপস্টিন ফাইলস এর কথা তো অনেকে শুনেছেন হয়তো। ৫-৬ বছরের বাচ্চা মেয়েদেরও কোন সিকিউরিটি নেই এই দুনিয়ায়। নিজের মেয়েটাকে নিয়ে যখন বের হই সারাক্ষণ আতংকে থাকি, ওকে শক্ত করে চেপে ধরে রাখি। সবসময় ভয় হয় কে জানি ওকে বা আমাকে কি চোখে দেখছে, কার মাথায় যেন কি ঘুরছে। আর এই অনুভূতি আপনি দুনিয়ার যেখানেই যাবেন সেখানেই হবে। কিছু পুরুষের জন্য মেয়ে মানে মাংসপিণ্ড বা এক বেলার খাবারের মত সস্তা কিছু 😢। উপরে যতই শান্ত, নম্র, এলিট ক্লাসের লেবাস পড়ুক, ভেতরে সবার চিন্তা এক জায়গায় এসে মিলে যায়। মেয়েদের তাই অনেক সাবধান থাকতে হবে। নিজের বন্ধু, ক্লাসমেট তো দূর, পারলে নিজের ছায়াকেও বিশ্বাস করবেন না। সবসময় ফোনে জিপিএস ট্র্যাকার অন রাখুন। কারো কথায় কোন অপরিচিত জায়গায় যাবেন না। আমরা মুখে মুখে আধুনিক হয়েছি কিন্তু আদিম মানসিকতা রয়েই গিয়েছে। এটাকে পালটানো যাবেনা তাই নিজেকে বাচানোর কাজটা নিজেকেই করতে হবে। আমি এপস্টিন বা এর মত পেডোফাইলদের বিষয়ে বহু আগে থেকেই ঘাটাঘাটি করি। যারা ভাবে এদেশেই শুধু মেয়েদের টিজিং, রেপ এর মত ঘটনা ঘটে আর কথায় কথায় দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা বলেন তাদের আমি বরাবরই বলি কোন দেশেই আমরা সেফ না। রেপ স্ট্যাটিসটিকস ঘাটলে দেখবেন সো কল্ড উন্নত দেশগুলিতে রেপ আর মলেস্টেশন রেট কত হাই। এপস্টিন ফাইলস তাই আমাকে শক দেয়নি বরং এতদিন যা জানতাম সেটাই বড় আকারে উন্মোচিত হল। সময় সুযোগ করে এই বিষয়ে একটু ঘাটাঘাটি করবেন। নেটফ্লিক্স থাকলে এই পেডোফাইল এর বিষয়ে একটা ডকুমেন্টারি আছে, দুর্বল চিত্তের মানুষ না হলে দেখে নিবেন। চোখ কান খোলা রাখবেন। ছেলেদের দুটা চোখ হলেও চলে কিন্তু মেয়েদের চারটার কমে কিছুতেই চলবেনা😢।
কোন দেশ যে সেফ না তা নিচের এই কমেন্টের স্ক্রিনশটটা দেখলেই বুঝবেন। খোদ একজন আম্রিকান বলছে প্রতিবছর সে দেশে এক মিলিয়ন, জ্বী, দশ লক্ষ বাচ্চা মিসিং হয়। আমার মনে হয় বাংলাদেশে এ সংখ্যাটা এখনো অনেক কম। আরও কম কিভাবে বানানো যায়, কিভাবে দেশটাকে আমাদের সন্তানদের জন্য বাসযোগ্য করা যায় সে চেষ্টাই আমাদের করতে হবে।