HealthCoach

HealthCoach Life style changer and alternative healing adviser

04/02/2026

'বাঁচতে হলে জানতে হবে, জানতে হলে এই লেখাটি অবশ্যই
পড়তে হবেই!.......

দুই তিন দিন জ্বর, ঔষধ না খেলেও চলতো,
এমনিতেই আপনি কয়েক দিনের মধ্যেই সুস্থ হতে পারতেন, কিন্তু আপনি ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার সাহেব আপনাকে শুরুতেই তিনটি পরীক্ষা বা টেস্ট দিলেন।

টেস্ট রিপোর্টে জ্বরের কারণ খুঁজে পাওয়া না গেলেও কোলেস্টেরল আর ব্লাড সুগার লেভেল সামান্য একটু বেশি পাওয়া গেল, যা একটু এদিক ওদিক হতেই পারে।

এখন আপনি আর জ্বরের রোগী নন। ডাক্তার সাহেব বুঝালেন--আপনার কোলেস্টেরল বেশি আর প্যারা-ডায়াবেটিস হয়ে আছে। আপনাকে এখন থেকে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খেতে হবে, সঙ্গে অনেকগুলো খাবারে নিষেধাজ্ঞা ।
আপনি খাবারের নিষেধাজ্ঞা ঠিকঠাক না মানলেও ওষুধ খেতে ভুল করলেন না।

এইভাবে তিন মাস যাওয়ার পর আবার টেস্ট। এবারে দেখা গেল কোলেস্টেরলের মাত্রা কিছুটা কমেছে, কিন্তু রক্তচাপ সামান্য বেড়ে গেছে। যেটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে তিনি আরেকটি ওষুধ দিলেন। এখন আপনার ঔষধের সংখ্যা হলো ২ টি ।

কখন কী হয়ে যায়, এখনও তো কিছুই গোছানো
হয়নি!.......

এমন দুশ্চিন্তায় আপনার রাতের ঘুম কমে যাচ্ছে । ফলে ডাক্তার সাহেবের পরামর্শে আবার ঘুমের ওষুধ খাওয়া শুরু করলেন। এখন আপনার ঔষধের সংখ্যা হলো ৩ টি ।

একসঙ্গে এতগুলি ওষুধ খাওয়া মাত্রই আপনার বুকে জ্বালাপোড়া আরম্ভ হলো, ডাক্তার সাহেব বিধান
দিলেন --- প্রতিবেলা (২*৩)=৬ টি টেবলেট খাওয়ার আগে খালিপেটে দুইটি করে গ্যাসের ট্যাবলেট খেতে হবে। ঔষধের (টেবলেট) সংখ্যা বেড়ে হলো (৩+৬) =
৯ টি ।

এইভাবে বছরখানেক যাওয়ার পর আপনি বুকে ব্যাথা অনুভব করায় একদিন হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে ছুটলেন। ডাক্তার সবকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বললেন -- সময়মতো আসায় এই যাত্রায় বেঁচে গেলেন। আরেকটু দেরি করলেই সর্বনাশ হয়ে যেতো। তারপর আরও কিছু বিশেষায়িত পরীক্ষা করতে বললেন ।

অনেক টাকার পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর ডাক্তার সাহেব বললেন ----আপনি যে ওষুধগুলো খাচ্ছেন, ওভাবেই চলবে। তবে তার সাথে হার্টের জন্য আরও দুইটি ঔষধ খেতে হবে। আর অবিলম্বে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বা হরমোন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করুন। ঔষধের সংখ্যা বেড়ে হলো (৯+১) = ১০টি ।

আপনি একজন হরমোন বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করলেন, সেখানে যাওয়ার পরে তিনি যোগ করলেন ডায়বেটিসের অর্থাৎ সুগারের ওষুধ ১ টি। আর থাইরয়েড হরমোন সামান্য বেশী হওয়ায় তার জন্য ১ টি। আপনার রোজ ঔষধ (টেবলেট) খাওয়ার সংখ্যা দাঁড়ালো ১২ টি ।

আর এখন মনে মনে আপনি জানলেন ও ভেবে থাকলেন আপনি একজন বড় রোগী---- ---

১) এখন আপনি 'হার্টের রোগী',
২) এখন আপনি 'সুগারের রোগী',
৩) এখন আপনি 'অনিদ্রার রোগী,
৪) এখন আপনি 'গ্যাসট্রিকের রোগী,
৫) এখন আপনি 'থাইরয়েডের রোগী',
৬) এখন আপনি 'কিডনির রোগী', ইত্যাদি।

আপনাকে ইচ্ছাশক্তি বাড়িয়ে, মনোবল বাড়িয়ে সুস্থ ভাবে বাঁচার রসদ বাড়িয়ে বেঁচে থাকার পরিবর্তে জানানো হলো, শেখানো হলো ----- ----

১) আপনি রোগী,
২) আপনি বড় রোগী,
৩) আপনি বড় অসুস্থ ব্যক্তি,
৪) আপনি একজন অসমর্থ, বিধ্বস্ত, ভঙ্গুর, নড়বড়ে ব্যক্তি!

এভাবে আরও ছয় মাস চলার পর 'ঔষধগুলির সাইড এফেক্টস' হিসাবে একটু প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দেবে। ডাক্তার সাহেব সবরকম রুটিন চেকআপ করতে দিলেন।

রুটিন চেক-আপ করানোয় জানতে পারলেন---
আপনার কিডনিতে সামান্য সমস্যা আছে। ডাক্তার সাহেব আবার নানারকম কিডনি ফাংশনের পরীক্ষা দিলেন। রিপোর্ট দেখে তিনি বললেন--ক্রিয়েটিনিন একটু বেশি। তবে নিয়মিত ওষুধ খেলে আর কোনো চিন্তা থাকবে না। আরও ২ টি ঔষধ তিনি যোগ করলেন। বাহ্ বাহ্।

ফলে বর্তমানে আপনার মোট ওষুধের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৪ টি ।

আপনি এখন খাবারের চেয়ে ওষুধ বেশি খাচ্ছেন, আর সব রকম ঔষধের নানারকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় দ্রুত মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন!

অথচ যে জ্বরের জন্য আপনি সর্বপ্রথম ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন, তিনি যদি বলতেন-- ---

১) চিন্তার কোন কারণ নেই,
২) এই সামান্য জ্বরে কোন ওষুধ খেতে হবে না,
৩) কয়েকদিন একটু বিশ্রামে থাকেন ,
৪) পর্যাপ্ত জল পান করুন,
৫) টাটকা শাকসবজি ও
৬) ফল বেশি করে খান ।
৭) শরীর ভালো রাখার জন্য ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে একটু হাঁটাহাটি করুন, ব্যাস, তাহলেই আপনার শরীর ফিট থাকবে ।
৮) যান, বাড়ী যান--- কোন ঔষধের প্রয়োজন নেই ।

কিন্তু সেটা করলে ডাক্তার সাহেব আর ওষুধ কোম্পানি গুলোর পেট ভরবে কিভাবে ?

তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো- ----
কিসের ভিত্তিতে ডাক্তারগণ রোগীদেরকে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি বিকল বা হৃদরোগী ঘোষণা করছেন?

কি সেই মানদন্ড? এসব নির্ধারণ করলেন কে বা কারা?

একটু বিশদে জানা যাক----

★ ১৯৭৯ সালে রক্তে শর্করার মাত্রা 200 ml/dl পেলে ডায়বেটিস রোগী হিসেবে গণ্য করা হতো। সেই হিসেবে তখন সমগ্র পৃথিবীর মাত্র ৩.৫ % মানুষ টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগী হিসাবে চিহ্নিত হতেন ।

★ তারপর ১৯৯৭ সালে ইনসুলিন প্রস্তুতকারকদের চাপে সেই মাত্রা এক লাফে কমিয়ে 126 ml করা হয়। ফলে ডায়বেটিস রোগীর সংখ্যা ৩.৫ % থেকে এক লাফে বেড়ে ৮ % হয়ে যায় , অর্থাৎ রোগের কোনরূপ বহিঃপ্রকাশ ছাড়াই স্রেফ ব্যবসায়িক স্বার্থে ৪.৫ % মানুষকে রোগী বানিয়ে ফেলা হলো! ১৯৯৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই মানদন্ডে সায় দেয়।

এদিকে ফুলে-ফেঁপে ওঠা ইনসুলিন প্রস্তুতকারকেরা অঢেল মুনাফা বিনিয়োগ করে সারা বিশ্বে নিত্য-নতুন প্ল্যান্ট বসাতে থাকে। তাদের চাপে নতি স্বীকার করে American Diabetes Association (ADA) ২০০৩ সালে রক্তে শর্করার মাত্রা 100 ml কে ডায়াবেটিস রোগের মানদন্ড হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা দেয়। ফলে কোনো কারণ ছাড়াই ২৭% মানুষ ডায়বেটিস রোগী হয়ে যায়,

★ বর্তমানে American Diabetes Association (ADA) কর্তৃক ঘোষিত মানদন্ড হচ্ছে ----

>140 mg P.P হিসাবে বিশ্বের ৫০ % মানুষকে কৌশলে ডায়বেটিস রোগী বানিয়ে ফেলা হয়েছে, এদের অধিকাংশ ডায়াবেটিস রোগী না হওয়া সত্ত্বেও নিয়মিত ওষুধ খেয়ে নানাবিধ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে মারা যাচ্ছেন।

অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে,
টেস্ট করালেই যে কোনো মানুষ প্রি-ডায়াবেটিক রোগী হিসেবে গণ্য হবেন।'

(সংগৃহীত)
লেখার কোন অংশ আমার নয়! কিন্তু আগে আমার শরীরের অবস্থা ঠিক যেমন ছিল এ লেখাটি যেন হুবহু তারই প্রতিচ্ছবি!

তেমন কোন নামি দামী রোগ নেই। আলহামদুলিল্লাহ।
কারণ আমি জানি 'সুস্থ থাকতে হলে জানতে হবে আর জানতে হলে পড়তে হবে, মানতে হবে!'
আর সুস্থ রাখার মালিক মহান আল্লাহ।
শোকর আলহামদুলিল্লাহ।

'ব্যাংকার হয়েও কেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হলাম'

লেখাটি আমার না তবে আমার জীবনের সাথে মিলে যায় তাই সবাইকে জানানোর উদ্দেশ্যে সচেতনতার জন্য পোস্ট
সামান্য এডিটিং:
Dr Hasan. 01611722434

23/12/2025

মানুষ গুনাহ মুক্ত সময় কাটাতে পারে ১৪ ঘন্টা এবং গুনাহ করার সময় পায় কম বেশী ১০ ঘন্টা। তাই গুনাহ মুক্ত থাকার ১৪ ঘন্টা যদি নেকির কাজে কনভার্ট করা যায় তাহলে ১৪ ঘন্টা নেকি ১০ ঘন্টা গুনাহ আশা করা যায় কেয়ামতের মাঠে নেকির পাল্লা ভরী হয়ে জান্নাত পাওয়া যেতে পারে

23/12/2025
23/12/2025

জোর করে Batch পরিয়ে দলীয় প্রধানের নামে বখশিশ আদায়ের নামে চাঁদাবাজি করার চাইতে ফুটপাতে বেছা কিনা করে খাইলে দলের বা দলীয় প্রধানের বদনাম হয় না।

23/12/2025

আমারা খাওয়ার বিলাসিতার জন্য অনেক সময় দামী কাজ ছেড়ে খাওয়ার পিছনে ছুটতে থাকি সেকারণেই এটা ক্ষতির কারণ হয়। কিন্তু খাওয়া যদি প্রয়জোন পুরা করার জন্য হয় তাহলে এটা কখনো ক্ষতির কারণ হবে না।

23/12/2025

Bangladesh exported USD 48 M in 2024-25. See the difference with Vietnam. They are 9 times higher exporting country compare to us.

28/10/2023

Gastric Bypass Surgery কেন AND কীভাবে করতে হয় ? পেটের Gastric সমস্যার সমাধান না করলে আপনারও Gastric Bypass Surgery দরকার হবে।

পেটে গ্যাসের সমস্যার সমাধান না করলে আপানার ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল হাই, হরমন ডিসঅর্ডার, ফ্যাটি লিভার, কিডনি সমস্যা হতে পা...
21/10/2023

পেটে গ্যাসের সমস্যার সমাধান না করলে আপানার ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল হাই, হরমন ডিসঅর্ডার, ফ্যাটি লিভার, কিডনি সমস্যা হতে পারে

পেটে গ্যাসের সমস্যা দূর করতে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি মেনে চলতে হবে জীবনযাত্রার পরিবর্তন।প্রচলিত টেবলেটে এই সুস্থতা সম্ভব না
21/10/2023

পেটে গ্যাসের সমস্যা দূর করতে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি মেনে চলতে হবে জীবনযাত্রার পরিবর্তন।
প্রচলিত টেবলেটে এই সুস্থতা সম্ভব না

Address

Dhaka
1207

Telephone

+8801611722434

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HealthCoach posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share