Fatima Tahsin - Nutrition & Diet Consultant

Fatima Tahsin - Nutrition & Diet Consultant “Let food be thy medicine, and let medicine be thy food.” ( Hippocrates)
সঠিক খাদ্যাভ্যাস, সুস্থ জীবন
(1)

01/12/2025

গরুর মাংস সয়াবিন তেলে কখনো রান্না করবেন না।খাঁটি সরিষার তেল বা ঘিয়ে রান্না করবেন।কেননা বাজারের সয়াবিন তেলে উচ্চ ট্রান্স ফ্যাট থাকে,যা শরীরে ইনফ্ল্যামেশন ঘটায় এবং বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে।

সবাই নিরাপদে থাকুন।
24/11/2025

সবাই নিরাপদে থাকুন।

14/08/2025

আলহামদুলিল্লাহ,আমার জ্ঞান যদি মানুষের উপকারে আসে এবং মানুষের দুয়া পাই,সেটাই আমার সবচাইতে বড় অর্জন।

14/08/2025

এক বছরের আগে বাচ্চার হজম ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা পুরোপুরি পরিপক্ক হয় না, তাই কিছু খাবার ও উপাদান এড়িয়ে চলা জরুরি। যে খাবারগুলো ১ বছর বয়সের আগে দেওয়া যাবে না তার কিছু ধারণা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি :

▪️গরুর দুধ - এতে প্রোটিন ও মিনারেল বেশি থাকে,তাই কিডনির ওপর চাপ ফেলতে পারে।

▪️মধু - Infant botulism এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে (বেবির পরিপাকতন্ত্রে ব্যাকটেরিয়া টক্সিন তৈরি করতে পারে)।

▪️লবণযুক্ত খাবার কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।৬ মাস থেকে এক বছর বয়সের আগে ১ গ্রামের বেশি লবণ কোনভাবেই দেওয়া যাবে না।

▪️চিনি, মিষ্টি, চকলেট দাঁতের ক্ষতি করে ও অতিরিক্ত ক্যালরি স্থূলতা, ডায়াবেটিসের দিকে ঠেলে দেয়।

▪️বাদাম ও আস্ত আঙুর/চেরি - এগুলো শ্বাসরোধের (choking) ঝুঁকি বাড়ায়। বাদাম পেস্ট করে অল্প পরিমাণে শুরু করা যায় (এলার্জি না থাকলে)।

▪️লতানো শাক-সবজির কাঁচা পাতলা পিউরি, যেমন পালংশাক, গাজর,বীট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে খাওয়া যাবে না। এগুলোয় নাইট্রেট বেশি থাকে।

▪️কাঁচা বা আধা সিদ্ধ ডিম, মাছ, মাংস খেলে স্যালমোনেলা বা অন্য ইনফেকশনের ঝুঁকি থাকে।

▪️চা, কফি, সফট ড্রিঙ্ক - ক্যাফেইন, চিনি ও ফসফরিক অ্যাসিড শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর,শিশুর অস্থিরতা বাড়ায়।

▪️প্যাকেট জুস বা প্রসেসড ফুড যেমন সসেজ,জেলি ইত্যাদি দেওয়া যাবে না, কারণ এগুলোতে প্রিজারভেটিভ, অ্যাডেড সুগার ও সোডিয়াম থাকে।

✳️শিশুর জন্য প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ এবং ৬ মাস পর থেকে বাড়ির তৈরি হাঁড়ির খাবার সবচেয়ে নিরাপদ।

✍️পুষ্টিবিদ ফাতিমা তাহ্সিন
কনসালটেন্ট ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটিশিয়ান,
বেটার লাইফ হসপিটাল, ঢাকা।

10/08/2025
থেরাপিউটিক নিউট্রিশনে "বেশি" "কম" কথাগুলো আসলে ভিত্তিহীন।আপনার দেহে যতটুকু প্রয়োজন, ঠিক ততটুকুই পরিমাপ করে খেতে হবে। নয়ত...
31/07/2025

থেরাপিউটিক নিউট্রিশনে "বেশি" "কম" কথাগুলো আসলে ভিত্তিহীন।আপনার দেহে যতটুকু প্রয়োজন, ঠিক ততটুকুই পরিমাপ করে খেতে হবে। নয়তো ক্যালরি, পুষ্টি উপাদান সঠিক অনুপাতে পাবেন না।

এইটা অতি জনপ্রিয় একজন স্বাস্থ্যবিশারদের ফ্যানগ্রুপ।
প্রথমত, কিডনি রোগী পানি ও কিছু সবজি বেশি খেলে মরবে।
দ্বিতীয়ত,কম ঘুমালে মস্তিষ্কের কোষ নিজেরাই নিজেদের খেয়ে ফেলবে।
তৃতীয়ত,চিনি কম খেয়ে এতগুলো কাঁঠালের কোষ আর আম খেলেও সেই চিনিই শরীরে ঢুকবে।

বুঝেশুনে ডায়েট করেন প্লিজ।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) এক ধরনের হরমোনাল ডিসঅর্ডার যা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অনেক নারীর প্রজনন ও সামগ্রিক স্বাস...
30/07/2025

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) এক ধরনের হরমোনাল ডিসঅর্ডার যা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অনেক নারীর প্রজনন ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করছে।আপনি ধরে নিতে পারেন যে আপনার পিসিওএস আছে, যদি এই লক্ষণগুলোর কোন একটি বা সবগুলো থাকে -

▪️অনিয়মিত পিরিয়ড
▪️অবাঞ্ছিত লোম বা হারসুটিসম
▪️অতিরিক্ত খিটখিটে মেজাজ
▪️মুড সুইং
▪️ডিম্বাশয়ে একাধিক ছোট ছোট সিস্ট
▪️ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যাত্ব

পিসিওএস মূলত কয়েকটি হরমোনের ভারসাম্যহীনতার ফল।যেমন -

🔸 ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: অধিকাংশ পিসিওএস রোগীর ক্ষেত্রে শরীর ইনসুলিন ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না, যা ওজন বৃদ্ধি ও আরও হরমোন সমস্যা তৈরি করে।
🔸 অ্যান্ড্রোজেন বৃদ্ধি: মুখে ও শরীরে অতিরিক্ত লোম, ব্রণ, চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
🔸 প্রজেস্টেরনের ঘাটতি: অনিয়মিত মাসিক চক্র ও ওভুলেশনের সমস্যা হয়।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস পিসিওএস ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।সেক্ষেত্রে কিছু ট্রিকস মেনে চলতে হবে -

✅ কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) যুক্ত খাবার খাবেন,যেমন ওটস, ব্রাউন রাইস, শাকসবজি, বাদাম, ডাল ইত্যাদি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে সহায়তা করে।

✅ পর্যাপ্ত প্রোটিন খাবেন।ডিম, মাছ, মুরগি, গ্রিক দই ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন (লেন্টিলস, চিয়া, কিনোয়া) হরমোন ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

✅ স্বাস্থ্যকর চর্বি খাবেন।ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (ফ্ল্যাক্স সিড,তৈলাক্ত মাছ) প্রদাহ হ্রাস করে ও হরমোন ব্যালান্স করে।

✅ প্রতিদিনের রুটিনে যথেষ্ট পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার রাখবেন।এতে ইনসুলিন ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

🚫 এছাড়াও আপনাকে কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হবে, যেমন -চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার, রিফাইন্ড কার্ব (সাদা ভাত, ময়দা, বেকারি),সোডা, সফট ড্রিংক, ট্রান্স ফ্যাট (ভাজাপোড়া) ইত্যাদি।

পাশাপাশি কিছু সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে,স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করলে এবং যথেষ্ট কায়িকশ্রম করলে পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন কিছু না।

✍️পুষ্টিবিদ ফাতিমা তাহ্সিন
কনসালটেন্ট ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটিশিয়ান,
বেটার লাইফ হসপিটাল, ঢাকা।

👉অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট পেতে পেইজে স্বাস্থ্য সমস্যা লিখে ইনবক্স করুন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

30/07/2025

পিরিয়ডের সময় মেয়েদের দেহে আয়রনের চাহিদা ১.৫-২ গুণ বেড়ে যায়।এসময়ে আয়রনসমৃদ্ধ খাবার বেশি গ্রহণ করতে হয়,চা কফি কম খেতে হয়।
আপনার পরিবারের নারী সদস্যরা এই বিষয়টা খেয়াল রাখেন তো?!

30/07/2025

ভিটামিন ডি ও কোলেস্টেরল একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত।
শরীরে কোলেস্টেরল ছাড়া ভিটামিন ডি তৈরি হয় না। আবার ভিটামিন ডি শরীরে পর্যাপ্ত থাকলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।ভিটামিন ডি মূলত একটা হরমোনের মতো কাজ করে।

আমার কাছে আসা পেশেন্টদের উল্লেখযোগ্য একটা অংশ বলেন, তারা ইন্টারনেট ঘেঁটে ডায়েট করেছেন,ফলশ্রুতিতে শরীরে ক্রিয়েটিনিন বেড়ে ...
29/07/2025

আমার কাছে আসা পেশেন্টদের উল্লেখযোগ্য একটা অংশ বলেন, তারা ইন্টারনেট ঘেঁটে ডায়েট করেছেন,ফলশ্রুতিতে শরীরে ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যাওয়া,ওজন উল্টো বেড়ে যাওয়া, লিভারের ক্ষতিসহ অনেক রকম সমস্যা দেখা দিয়েছে।

দিনশেষে শরীরটা আপনার, সুস্থ থাকার জন্য আপনাকেই সঠিক পথটা খুঁজে নিতে হবে।

এরকম খবর আর না আসুক।ডায়েট করতে হলে অন্ততপক্ষে জীবনে একবার হলেও অভিজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে প্রপার ডায়েট করুন,যাতে কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া যায় কোনরূপ ক্ষতি ছাড়াই।

আমাদের শরীরের ভেতরে একটি প্রাকৃতিক "ঘড়ি" আছে, যেটি ঘুম, হরমোন নিঃসরণ, হজম, দেহের তাপমাত্রা, ও শক্তি ব্যয় — এসব কিছুর সময়...
29/07/2025

আমাদের শরীরের ভেতরে একটি প্রাকৃতিক "ঘড়ি" আছে, যেটি ঘুম, হরমোন নিঃসরণ, হজম, দেহের তাপমাত্রা, ও শক্তি ব্যয় — এসব কিছুর সময় নির্ধারণ করে। এই প্রাকৃতিক ছন্দকে বলা হয় সার্কাডিয়ান রিদম। এটি সাধারণত ২৪ ঘণ্টা সময়কাল ধরে চলে এবং মূলত আলো ও অন্ধকারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

সার্কাডিয়ান রিদম ব্যাহত হলে অনেক রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে,যেমন —

১.ঘুমের সমস্যা (ইনসমনিয়া, অনিদ্রা)
২.ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও টাইপ ২ ডায়াবেটিস
৩.হজমের গোলমাল ও বদহজম
৪.মানসিক অস্থিরতা, উদ্বেগ বা বিষণ্নতা
৫.ওজন বৃদ্ধি ও স্থূলতা

রাতে দেরিতে খাওয়া, রাতে জেগে থাকা, দিনে ঘুমানো, সব সময় মোবাইল/স্ক্রিনে চোখ রাখা — এসব অভ্যাস আমাদের "বডি ক্লক" বা দেহঘড়িকে বিভ্রান্ত করে।

এই দেহঘড়িকে ঠিক রাখতে হলে মনে রাখতে হবে,

👉সময়ানুযায়ী খাওয়া (Time-restricted eating) বা সার্কাডিয়ান রিদম মেনে খাওয়ার অভ্যাস আমাদের হজম ও মেটাবলিজম উন্নত করে।
👉 সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে খাবার খাওয়া সবচেয়ে উপকারী, কারণ এই সময় দেহের হজম ক্ষমতা সবচেয়ে সক্রিয়।
👉 রাত ৮টার পর খাওয়া শরীরে ইনসুলিন প্রতিক্রিয়া নষ্ট করে, ফ্যাট জমায়, ও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।

সার্কাডিয়ান-সহায়ক কিছু পুষ্টি টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করি,

✅ সকাল বেলা প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস করুন
✅ দুপুরে সবচেয়ে ভারী খাবার খান
✅ রাতের খাবার হালকা, শাকসবজি নির্ভর রাখুন
✅ নিয়মিত সূর্যালোক গ্রহণ করুন (ভিটামিন ডি ও মেলাটোনিন ব্যালান্সের জন্য)
✅ ক্যাফেইন ও চিনি রাতের দিকে এড়িয়ে চলুন
✅ ঘুমের ২-৩ ঘণ্টা আগে খাওয়া বন্ধ করুন

মনে রাখবেন: সার্কাডিয়ান রিদম ঠিক থাকলে শরীর নিজে নিজেই হিলিং মোডে চলে যায়। তাই শুধু কি খাবেন, তা নয় — কখন খাবেন, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সুস্থ দেহ-মনের জন্য নিজের "দেহঘড়ি" কে সম্মান দিন।

©পুষ্টিবিদ ফাতিমা তাহ্সিন
কনসালটেন্ট ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটিশিয়ান,
বেটার লাইফ হসপিটাল, ঢাকা।

🟥অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট পেতে পেইজে স্বাস্থ্য সমস্যা লিখে ইনবক্স করুন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

#ঘুমওপুষ্টি #পুষ্টিবিদএরপরামর্শ

স্টিমড ভেজিটেবল সালাদ।উপকরণ কি কি,কে বলতে পারেন? 😃
28/07/2025

স্টিমড ভেজিটেবল সালাদ।

উপকরণ কি কি,কে বলতে পারেন? 😃

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fatima Tahsin - Nutrition & Diet Consultant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Fatima Tahsin - Nutrition & Diet Consultant:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category