Dr. Md. Jony Hossain

Dr. Md. Jony Hossain MBBS (ShSMC)
BCS (Health)
FCPS (Cardiology) FP. Medical Officer
National Institute of Cardiovascular Diseases and Hospital(NICVD)
Asst. RMO (Ex) Brac University.

Registrar (Ex)
Cardiology Dept. of Shaheed Ziaur Rahman Medical College Hospital, Bogura. Precision in diagnosis

Integrity in treatment

Care with responsibility

30/12/2025

ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন
An era has come to an end, leaving a profound void in the heart of the nation.
May Allah Subḥanahu wa Tahla forgive all of her shortcomings and grant her Jannah.
Ameen...

Tree manA Bangladeshi father dubbed "Tree Man" for massive bark-like warts on his hands and feet will finally have surge...
03/02/2016

Tree man

A Bangladeshi father dubbed "Tree Man" for massive bark-like warts on his hands and feet will finally have surgery to remove the growths that first began appearing 10 years ago, a hospital said Sunday.

Abul Bajandar, from the southern district of Khulna, was undergoing preparations for the surgery to cut out the growths weighing at least 11 pounds that have smothered his hands and feet.

"Initially, I thought that they're harmless," the 26-year-old told AFP at the Dhaka Medical College Hospital (DMCH).

"But slowly I lost all my ability to work. There are now dozens of two to three inch roots in both my hands. And there are some small ones in my legs," said Bajandar who was forced to quit working as a bicycle puller.

A team of doctors has been formed to perform the operation at DMCH, Bangladesh's largest state-run hospital, which has decided to waive costs of the treatment.
Tests are underway to ensure Bajandar's root-like warts can be removed surgically without damaging major nerves or causing any other health problems.

The massive warts, which first started appearing when he was a teenager but began spreading rapidly four years ago, have been diagnosed as epidermodysplasia verruciformis, an extremely rare genetic skin disease that makes the person susceptible to skin growths.

"Popularly it is known as tree-man disease," DMCH director Samanta Lal Sen told AFP.

"As far as we know there are three such cases in the world including Abul Bajandar. It is the first time we have found such a rare case in Bangladesh," he said.

An Indonesian villager with massive warts all over his body underwent a string of operations in 2008 to remove them.

Bajandar's elder sister, Adhuri Bibi, said hundreds of people have visited their home in Khulna over the years to see the "Tree Man".

"Even here at the hospital, hundreds have already gathered," she told AFP.

According to The Guardian, Bajandar tried cutting the warts off when they first appeared, but it was too painful. "After that I went to a village homeopath and herbal specialist. But those medicines only worsened my condition," he said.

He also consulted doctors in neighboring India, but he and his family could not afford the cost of an operation there.

06/07/2015

শিশুর হঠাৎ পেটব্যথায় করণীয়

মা-বাবার চোখের মণি, আদরের সম্পদ হচ্ছে সন্তান। সেই সন্তান যদি কোন কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ে তবে মা-বাবা খুব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
শিশুদের অন্যান্য রোগের মধ্যে পেটেব্যথাও অনেক জটিল। কেননা, শিশুরা পেটব্যথা শুরু হলে কাঁদে এবং কখনো কখনো ব্যথায় কাতরাতে থাকে। আবার প্রায়ই পেটব্যথা হলে বেশির ভাগ মানুষ ভাবেন— এটা কিছু নয়; হয়তো কৃমি হয়েছে। তবে পেটব্যথা হলেই কৃমির সংক্রমণ ভেবে নেওয়া ঠিক নয়। শিশুদের পেটব্যথার আছে অনেক কারণ; যেমন: চকলেট, জুস বা বাইরের জীবাণু পেটে গেলে পেটে ব্যথা করে। বিয়ে বা অন্যান্য অনুষ্ঠানের ভারী খাবারও অনেকের সহ্য হয় না। পেটে সংক্রমণ বা গ্যাস, খাবারে অ্যালার্জি, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, প্রস্রাবে সংক্রমণ, বয়ঃসন্ধিকালের সমস্যা ছাড়াও টিউমার, অ্যাপেন্ডিসাইটিসসহ বিভিন্ন সার্জিক্যাল সমস্যাতেও শিশুর পেটে ব্যথা হতে পারে। বিষয়টিকে তাই উড়িয়ে দেওয়ার কিছু নেই।
অনেক সময় পেটে গ্যাস কিংবা সংক্রমণ হলে উপযুক্ত ওষুধে সেরে যায়, তবে শিশুকে এ ধরনের সমস্যা থেকে বাঁচার উপায় শেখানো দরকার। খাওয়ার আগে-পরে এবং টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং মুখে নোংরা হাত না দেওয়া ইত্যাদি প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
কৃমি হলে পেটব্যথার সময়টিতে কৃমির ওষুধ না দিয়ে ব্যথা কমার দু-তিন দিন পরে খাওয়ানো ভালো। সার্জিক্যাল কারণ থাকলে শিশুবিষয়ক সার্জনের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
মানসিক কারণেও শিশুর পেটব্যথা হতে পারে। যেমন-শিশু স্কুলে যেতে না চাইলে, পড়া ভালো না লাগলে, পরিবারে অশান্তি থাকলে, বন্ধুরা কোনো বিষয় নিয়ে উত্ত্যক্ত করলে, হঠাৎ বাসা পরিবর্তন বা বন্ধু পরিবর্তন ইত্যাদি কারণে পেটব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই ব্যথা কিন্তু ইচ্ছাকৃত নয় বরং তার মনের গহিনে যে টানাপোড়েন চলে, তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে পেটে ব্যথার মাধ্যমে। এসব ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে কিছু পাওয়া যায় না।
তবে সাধারণ কিছু লক্ষণ দ্বারা অনুমান করা যায়, সন্তানের ব্যথা মানসিক নাকি কোনো শারীরিক সমস্যার কারণেই হচ্ছে। যেমন:-
১. তিন বছরের নিচে পেটে ব্যথা হলে তা সাধারণত রোগের কারণেই হয়ে থাকে।
২. রোগের কারণে ব্যথা হলে শিশুরা সুনির্দিষ্টভাবে ব্যথার জায়গাটা দেখাতে পারে আর মানসিক কারণে হলে সেভাবে দেখাতে পারে না বা একেকবার একেক স্থানে দেখায়।
৩. ব্যথার সঙ্গে জ্বর, র‌্যাশ, হাড়ে ব্যথা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হলে বুঝতে হবে, অবশ্যই সে ব্যথার নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে।
৪. ব্যথার কারণে শিশুর ঘুম ভেঙে গেলে কখনোই তা মানসিক নয়।
শিশুর পেটব্যথা যদি মনোরোগের কারণে হয় শিশুসন্তানকে মানসিক সমর্থন দিতে হবে। বকাঝকা না করে কারণটা বের করতে হবে এবং অবশ্যই শিশু ও কিশোর মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিতে হবে।
তবে শিশুর ব্যথা যদি খুব তীব্র হয়, অনবরত বমি হয়, পেট শক্ত হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে দ্রুত হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে নিতে হবে। আবার, সুনির্দিষ্ট কারণ জানার আগে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া শিশুকে কিছুই খাওয়ানো উচিত নয়...
Collected

06/07/2015

৭টি উপায়ে কমিয়ে আনুন স্ট্রোকের ঝুঁকি:

মানুষের সাধারণত স্ট্রোক হয়ে থাকে মস্তিষ্কের রক্তনালীর দুর্ঘটনা থেকে। বিশ্বে প্রতি ৬ সেকেন্ডে একজন করে ব্যক্তি ষ্ট্রোকে মারা যায়। কখন কে ষ্ট্রোক করে মারা যেতে পারে৪ তা কেউ বলতে পারেনা।
কিন্তু কিছু সচেতনতা বা অভ্যাসের কথা জানা থাকা ভালো যেগুলি স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে অত্যন্ত কার্যকরী।
১. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:
হাইপারটেনশন এক ধরনের উচ্চ রক্তচাপ। এটি স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় এবং অন্যান্য হার্টের সমস্যা তৈরি করে। এই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ আনার অভ্যাসটি স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে সহায়তা করে। এর জন্য লবণ কম খাওয়া, শারিরীক ব্যায়াম করা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। স্বাভাবিক রক্তচাপ স্ট্রোক হতে দেয় না।
২. হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ:
জন্মের সময়েই একজনের হৃদরোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা বংশানুক্রমেই ছড়িয়ে থাকে। এই হৃদরোগের ফলেই একজনের হাইপারটেনশন, স্থূলতা. ডায়বেটিস, উচ্চ কোলেস্টরেল ইত্যাদির সমস্যা হতে পারে।
এই হৃদরোগের ফলে করোনারি আর্টারির সমস্যাও, হার্টের ভাল্বের সমস্যা, হার্টের পেশীর সমস্যা, হার্টের বৃদ্ধি পাওয়া, অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। প্রতিনিয়ত মেডিকেল চেকআপের মাধ্যমে হার্টের এই ধরনের সমস্যাগুলি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
৩. উচ্চ কোলেস্টরেল কমানো:
উচ্চ কোলেস্টরেলের সমস্যা হার্টের বিভিন্ন রোগ তৈরি এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে থাকে। অতিরিক্ত ফ্যাটের কারণে এই ধরনের কোলেস্টরেলের সমস্যা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ডায়েটের অভ্যাসের মাধ্যমে উচ্চ কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণে এনে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ:
ডায়াবেটিসের কারণে বিভিন্ন ধরনের হার্টের সমস্যা এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের সৃষ্টি হতে পারে। রক্তে সুগারের আধিক্যে এই ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। জন্মের সময়েই বা পরবর্তীতেও এই রোগটি একজনের হতে পারে।
বিভিন্ন শারিরীক ব্যায়াম, খাদ্যের বাছবিচার, ইনসুলিন ট্রিটমেন্ট ইত্যাদির মধ্য দিয়ে এই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব যা একজনের স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুলাংশে কমিয়ে আনে।
৫. স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ:
স্থূলতাও একজন ব্যক্তির স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এটির ফলে হাইপারটেনশন এবং কোলেস্টরেলের মাত্রা অনেকাংশে বেড়ে যায়। এই স্থূলতা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।
৬, ধূমপান ত্যাগ:
ধূমপানের ফলে হার্টের বিভিন্ন সমস্যা, কার্ডিওভাসকুলার রোগ এবং হাইপারটেনশন হয়ে থাকে। এর ফলে স্ট্রেকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। ফলে ধূমপান ত্যাগের অভ্যাসটি স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনতে সহায়তা করে।
৭. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ:
মানসিক চাপ একজন ব্যক্তির হার্টের সমস্যা, হাইপারটেনশন বাড়িয়ে দিয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে। বিভিন্ন মাধ্যমে এই মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করে স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

(collected)

10/06/2015

আযানের জবাব

আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ২ বার

আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ২ বার

আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ
আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ ২ বার

হাইয়া ‘আলাছ ছালা-হ
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াত্তা ইল্লা বিল্লাহ ২ বার

হাইয়া ‘আলাল ফালা-হ
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াত্তা ইল্লা বিল্লাহ ২ বার

আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ১ বার

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ
লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ ১ বার

ফজরের আযানে ‘আছছালা-তু খায়রুম মিনান নাঊম
আছছালা-তু খায়রুম মিনান নাঊম' ২ বার
এবিষয়ে আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘যখন তোমরা সালাতের দিকে আহবান কর, তখন তারা (মুশরিকরা) এ নিয়ে ঠাটা বিদ্রুপ ও কৌতুক করে। তা এ জন্য যে, তারা এমন এক সম্প্রদায় যারা উপলব্ধি করে না’। (সূরা মায়িদা : ৫৮)

29/04/2014

গল্পটি আমার খুব কাছের একটা বন্ধুর। বেশি কিছু না, just একটা LIKE চাই। লিঙ্ক টা ওপেন করে এই গল্পটিতে একটা LIKE দিবেন Please......
https://www.facebook.com/valobashaunlimited/posts/772446846108619

28/02/2014

মুদ্রাদোষ !

মুদ্রাদোষ আর বাজে অভ্যাস কিন্তু এক জিনিস নয়।

হাতের নখ
কামড়ানো, বারবার পা নাড়ানো,
আনমনা থাকতে থাকতে মাথা চুলকানো, নাকের ভেতর আঙুল
ঢুকিয়ে চুলকানো, হাতের কাছে লম্বা কিছু পেলেই
কানে ঢুকিয়ে দেওয়া, আঙুল ফোটানো, কথা বলার সময়
জোরে জোরে হাত নেড়ে বা আঙুল তুলে কথা বলা ইত্যাদি হলো মুদ্রাদোষ।

মানুষ নিজের
অজান্তেই এগুলোর চর্চা করতে থাকে। আসুন জেনে নেই
মুদ্রাদোষগুলো থেকে নিজেরাই নিজেদের
কিভাবে মুক্তি দিতে পারি।

১. প্রথমে মুদ্রাদোষটি শনাক্ত করুন।

২. সব সময় সচেতন থাকুন, যাতে মনের ভুলে এমন অভ্যাসের
চর্চা না হয়।

৩. যিনি আনমনে বারবার পা নাড়েন,
তিনি বসার ধরন বদলে ফেলুন।

৪. যিনি কথা বলতে বলতে হাত নাড়েন, তিনি হাত
পেছনে রেখে মনে জোর নিয়ে এসে কথা বলতে পারেন।

৫. নিজের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

৬. যেকোনো কাজে গভীর মনোনিবেশ করুন।

৭. আলস জীবনযাপন বা অতিরিক্ত ঘুমের অভ্যাস বাদ দিন।

৮. নিয়মিত ব্যায়াম এবং ধ্যান করে মুদ্রাদোষ পরিহার করার
ক্ষমতা তৈরি করুন।

৯. কাছের মানুষদের জানিয়ে রাখুন, যাতে তাঁরা থামিয়ে দেন বা মনে করিয়ে দেন।

১০. মুদ্রাদোষ থেকে মুক্তি পেতে আরেকটি ব্যায়াম
করা যেতে পারে। তা হলো যিনি পা নাড়ান কিংবা হাত
দিয়ে নাক, কান বা মাথা চুলকাতে থাকেন, তিনি দিনের
একটা সময় ধরে একটানা পা বা হাতের
দিকে স্থিরভাবে তাকিয়ে থাকুন। মনোযোগ নিয়ে দেখুন আর ভাবতে থাকুন অভ্যাসগুলোর কথা। কিংবা হঠাৎ বেখেয়াল
হতেই পা নাড়াচ্ছিলেন, মনে হওয়ার পর বন্ধ
করে তাকিয়ে ভাবতে থাকুন পাঁচ মিনিট। ভাবার সময় আবার
বেখেয়াল হয়ে যাবেন না।

১১. মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে অবশ্যই মানসিক রোগ
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। --------------------------------------------------------------------courtesy DEHO

20/02/2014

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

01723808281

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Jony Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Jony Hossain:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category