LifeSpring

LifeSpring Redefining Healthcare

শরীরের সাথে মন জড়িত নিবিড়ভাবে, তাই LifeSpring বিশ্বাস করে শরীর এবং মন দুটোরই সমান যত্ন প্রয়োজন। শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়ার মাধ্যমেই বদলে যেতে পারে একেকটি জীবন, তৈরি হতে পারে একেকটি নতুন সম্ভাবনা, একেকটি নতুন গল্প। এমনই হাজারও গল্প সৃষ্টির লক্ষ্যেই LifeSpring এর পথচলা।

LifeSpring - Redefining Healthcare!

04/05/2026

বারবার আসা এই অদ্ভুত চিন্তাগুলো কীভাবে থামাবেন?

Speaker:
Dr. Maheen Rahman
MBBS, MD (Psychiatry)
Psychiatrist, LifeSpring

অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: 01776-110510

কথায় আছে, মেয়েদের মন বোঝা দায়। আসলে মেয়েরা খুব বেশি কিছু চায় না। তারা চায় একটু যত্ন, সম্মান, আর সত্যিকারের ভালোবাসা। চা...
04/05/2026

কথায় আছে, মেয়েদের মন বোঝা দায়।

আসলে মেয়েরা খুব বেশি কিছু চায় না। তারা চায় একটু যত্ন, সম্মান, আর সত্যিকারের ভালোবাসা। চায় কেউ মন থেকে তাদের বোঝার চেষ্টা করুক।

সাইকোলজি অনুযায়ী মেয়েদের মনের ৮টি গুরুত্বপূর্ণ দিক,

১. মেয়েরা অনেক সময় ছোট ছোট বিষয় নিয়েও বেশি চিন্তা করে।
কারণ তারা তারা বিষয়গুলোকে অনেক গভীরভাবে অনুভব করে। তাদের চুপ থাকার পেছনেও অনেক ভাবনা কাজ করতে পারে।

২. কোনো মেয়ে যদি আপনাকে বুঝতে সময় নেয় বা মাঝে মাঝে পরীক্ষা করে, সে বুঝতে চায়, আপনার কাছে সে নিরাপদ কি না।

৩. দামি উপহারের চেয়ে মেয়েরা অনেক সময় ছোট ছোট যত্ন বেশি মনে রাখে।
যেমন, তার পছন্দের কথা মনে রাখা, বিশেষ দিনের কথা মনে রাখা।

৪. অনেক মেয়েই হাসিমুখে নিজের কষ্ট লুকিয়ে রাখে।
বাইরে থেকে শক্ত মনে হলেও, ভেতরে তারও কষ্ট থাকতে পারে।

৫. শুধু কথা বলাই যথেষ্ট না।
তারা চায় কেউ তাদের কথা মন দিয়ে শুনুক, অনুভূতিগুলো বুঝুক।

৬. মেয়েরা সাময়িক মনোযোগ নয়, সত্যিকারের গুরুত্ব আর বিশ্বস্ততা চায়।
তারা জানতে চায়, সে আপনার কাছে সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ কি না।

৭. শুধু মিষ্টি কথা না, কাজও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি কী বলছেন তার চেয়ে, আপনি কীভাবে পাশে থাকছেন, সেটাই বেশি মূল্যবান।

৮. মানসিকভাবে কষ্ট পেলে তারা সময় নিতে পারে।
সেই সময়ে চাপ না দিয়ে, ধৈর্য, স্পেস, আর সহানুভূতি দেখানো দরকার।

মেয়েদের মন বোঝা এতো কঠিন কিছু না।

যদি থাকে সম্মান, ধৈর্য, যত্ন, আর সত্যিকারের ভালোবাসা, তাহলেই অনেক কিছু সহজ হয়ে যায়।

03/05/2026

টিনএজাররা কেন অল্পতেই এতো মেজাজ দেখায়?

🎙Speaker:
Ginia Mirdha
BSc in Psychology (JnU)
MSc in Clinical and Counselling Psychology (JnU)
MS in Counselling Psychology (DU)
Psychologist, LifeSpring

অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: 01776-110510

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেনকথাটা ছোটবেলায় অনেকবার শুনলেও, বড় হওয়ার সাথে সাথে আমরা এর তিক্ত সত্যটা হাড়ে হাড়ে টের পাই।খুব রাগ...
03/05/2026

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন

কথাটা ছোটবেলায় অনেকবার শুনলেও, বড় হওয়ার সাথে সাথে আমরা এর তিক্ত সত্যটা হাড়ে হাড়ে টের পাই।

খুব রাগের মাথায় আপনি হয়তো কাউকে এমন কিছু বলেছিলেন যা পরে আর ফিরিয়ে নিতে পারেননি।

অথবা হুট করে এমন কোনো কাজ করে বসেছেন, যার মাশুল এখনো গুনতে হচ্ছে?

আমরা সবাই কমবেশি এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাই।

কিন্তু কেন আমরা বারবার একই ভুল করি?

আমরা যখন প্রচণ্ড রাগ করি, আমাদের মস্তিষ্কের লজিক্যাল অংশ বা 'প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স' সাময়িকভাবে কাজ করা কমিয়ে দেয়। নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় 'অ্যামিগডালা', যা আমাদের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে।

ওই মুহূর্তে আমরা যা বলি বা করি, তা আসলে আমাদের ব্যক্তিত্ব না, সাময়িক একটা হরমোনাল রিঅ্যাকশন।

কিন্তু সমস্যা হলো, সেই ৫ মিনিটের রিঅ্যাকশন আপনার ৫ বছরের সম্পর্ক বা ক্যারিয়ারকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

রাগের মাথায় আমরা সবচেয়ে বেশি আঘাত করি আমাদের কাছের মানুষদের।

কারণ আমরা জানি তাদের দুর্বল জায়গা কোনটা।

একটি কাঁচের গ্লাস একবার ভেঙে গেলে যেমন জোড়া দিলেও দাগ থেকে যায়, তেমনি রাগের মাথায় বলা একটা কটু কথা প্রিয় মানুষের মনে আজীবন ক্ষত তৈরি করে রাখতে পারে।

দিনশেষে রাগ কমে যায়, কিন্তু সেই স্মৃতিটুকু বিষ হয়ে থেকে যায়।

জীবনে তারাই সফল তারাই, যারা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে জানেন সেটা হোক ব্যক্তিগত বা ক্যারিয়ার জীবন।

নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা মানেই নিজেকে গুটিয়ে রাখা না, নিজেকে রক্ষা করা।

যখন দেখবেন রাগ আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন এই ছোট কাজগুলো করে দেখতে পারেন:

যখনই খুব রাগ হবে, মনে মনে ১ থেকে ৯ পর্যন্ত গুনুন। এই কয়েক সেকেন্ড আপনার লজিক্যাল মস্তিষ্ককে আবার সক্রিয় হওয়ার সময় দেয়।

যে রুমে বা যার সাথে কথা বলতে গিয়ে রাগ হচ্ছে, সেখান থেকে দ্রুত সরে যান। এক গ্লাস ঠান্ডা পানি খান।

রাগের মাথায় কারো সাথে কথা বলা বা কাউকে মেসেজ পাঠাবেন না।

ড্রাফটে লিখে রাখুন, ঠান্ডা মাথায় পড়ে দেখুন, দেখবেন ৯০% ক্ষেত্রেই আপনি আর সেটা পাঠাতে চাইবেন না।

এই সিদ্ধান্তের প্রভাব কি এক মাস পর থাকবে?

যদি উত্তর 'না' হয়, তবে অহেতুক উত্তেজিত হওয়া মানে নিজের শক্তির অপচয়।

রাগ মানুষের স্বাভাবিক আবেগ, এটাকে পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব না।

কিন্তু রাগ মানুষকে এমন কিছু খারাপ কথা বা কাজ করতে বাধ্য করে যা সে ঠান্ডা মাথায় কখনোই করতো না।

শান্ত মাথায় নেওয়া একটি ছোট সিদ্ধান্ত, রাগের মাথায় নেওয়া হাজারো বড় বড় ভুল সিদ্ধান্তের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।

আপনার জীবন আপনার নিজের। তাই হুটহাট আবেগের বশে কোনো ভুল করবেন না। মাথা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।

02/05/2026

মনের কষ্টের কি কোনো সমাধান আছে?

Speaker:
Dr. Sarmin Sultana
Mental Health Counselor, Psychotherapist, Lifespring

অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: 01776-110510

“একটু একা থাকলে ভালো লাগবে…”“সবকিছু থেকে দূরে থাকলেই হয়তো শান্তি পাবো…”এরকম চিন্তাভাবনা আমাদের ভেতর প্রায়ই আসে। কিছু সময়...
02/05/2026

“একটু একা থাকলে ভালো লাগবে…”
“সবকিছু থেকে দূরে থাকলেই হয়তো শান্তি পাবো…”

এরকম চিন্তাভাবনা আমাদের ভেতর প্রায়ই আসে।

কিছু সময়ের জন্য হয়তো ঠিকই শান্তি আসে।

কিন্তু যখন এই একাকীত্বটা যখন অভ্যাস হয়ে যায়,
তখন বিষয়টা আর শুধু অনুভূতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।

এটা ধীরে ধীরে প্রভাব ফেলে আমাদের মস্তিষ্কেও।

গবেষণায় দেখা গেছে,
দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে একাকিত্বে থাকা দীর্ঘ একাকিত্বের পরিচয়।

আর এই দীর্ঘ একাকিত্বের ফলে, আমাদের স্মৃতিশক্তি কমিয়ে দিতে পারে,
মস্তিষ্কের কার্যকারিতাও ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে পারে।

যে একাকীত্বকে হয়তো আপনি “peace” ভেবেছিলেন,
সেটাই হয়তো আপনাকে ভেতরে ভেতরে দুর্বল করে দিবে।

মানুষ একা থাকার জন্য তৈরি না। আমাদের প্রয়োজন connection,
কথা বলা, শোনা, এবং বোঝাপড়া তৈরী করা।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেকেই এই একাকীত্বের মধ্যে আটকে থাকে,
কথা বলার মানুষ থাকে না, বা থাকলেও বলা হয়ে ওঠে না।

ঠিক এই জায়গাটাতেই সহায়তা প্রয়োজন।

কারণ কখনো কখনো একজন মানুষ, যিনি মন দিয়ে শুনবেন,
তিনি আপনার জন্য সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে পারেন।

Reference:
Stahn, A. C. et al. (2019). Brain Changes in Response to Long-Term Antarctic Residence,
New England Journal of Medicine (NEJM)

01/05/2026

মাথা ব্যথার বিপদ সংকেত: কখন অবহেলা করবেন না?

Speaker:
Dr. Golam Mostofa Milon
MBBS, BCS (Health), MD (Psychiatry)
Member, American Psychiatric Association (USA)
Member, International Society for Sexual Medicine (ISSM)

অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: 01776-110510

জীবনের চলার পথে কঠিন সমস্যা আসবে বা আমরা মুখোমুখি হবো, এটাই স্বাভাবিক।কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূ...
01/05/2026

জীবনের চলার পথে কঠিন সমস্যা আসবে বা আমরা মুখোমুখি হবো, এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সেই পরিস্থিতিতে আমরা কীভাবে নিজেকে সামলে আবার দাঁড়াই।

নিচে কিছু কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো:

- অনুভূতিগুলোকে অস্বীকার না করে গ্রহণ করুন

কষ্ট, ভয়, হতাশা এই অনুভূতিগুলোকে চাপা না দিয়ে স্বীকার করুন। নিজেকে বলুন, “আমি এখন কষ্ট পাচ্ছি, এটা স্বাভাবিক।” অনুভূতি মেনে নেওয়া মানসিক সুস্থতার প্রথম ধাপ।

- সমস্যাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করুন

একসাথে পুরো সমস্যার দিকে তাকালে তা আরও ভয়ানক মনে হয়। তাই সমস্যাটিকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করুন এবং একেকটি ধাপে সমাধান করার চেষ্টা করুন।

- নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হোন

অনেক সময় আমরা নিজের সাথেই সবচেয়ে কঠোর আচরণ করি। নিজেকে দোষারোপ না করে, বন্ধুর মতো নিজের পাশে দাঁড়ান।

- সহায়তা চাইতে দ্বিধা করবেন না

বন্ধু, পরিবার বা বিশ্বস্ত কারও সাথে কথা বলুন। নিজের মনের কথা শেয়ার করলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়।

- শরীরের যত্ন নিন

পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার, এবং নিয়মিত ব্যায়াম মানসিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। শরীর ভালো থাকলে মনও অনেকটা স্থির থাকে।

- বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দিন

অতীতের আফসোস বা ভবিষ্যতের ভয় না ভেবে বর্তমানের দিকে মনোযোগ দিন। শ্বাস-প্রশ্বাসের উপর মনোযোগ দেওয়া বা মেডিটেশন সাহায্য করতে পারে।

- আশার জায়গা ধরে রাখুন

যে পরিস্থিতিই আসুক, তা স্থায়ী নয়। নিজেকে মনে করিয়ে দিন,“এই সময়টাও কেটে যাবে।”

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, ভেঙে পড়া মানেই শেষ না। প্রতিটি কঠিন সময় আমাদের আরও শক্তিশালী করে তোলে।

ধীরে ধীরে, নিজের গতিতে, আবার উঠে দাঁড়ানোই হলো সত্যিকারের জয়।

30/04/2026

শুচিবাই, অস্থিরতা ও বারবার হাত ধোয়ার সমস্যা স্বভাব নাকি মানসিক অসুখ?

Speaker:
Dr. Maheen Rahman
MBBS, MD (Psychiatry)
Psychiatrist, LifeSpring

অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: 01776-110510

আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় লড়াইটা হয় নিজের মনের সাথে।মনের ভেতরে অনবরত অজানা ভয়, অদ্ভুত অস্থিরতা কাজ করে। বুক ধড়ফড় করা, নিশ্...
30/04/2026

আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় লড়াইটা হয় নিজের মনের সাথে।

মনের ভেতরে অনবরত অজানা ভয়, অদ্ভুত অস্থিরতা কাজ করে।

বুক ধড়ফড় করা, নিশ্বাস নিতে কষ্ট, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, ভবিষ্যতের কথা ভেবে হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে আসা, কিংবা সারাক্ষণ মনে হওয়া খারাপ কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে,এই অনুভূতিগুলোই Anxiety Disorder।

এমন এক অন্ধকার গলি যেখানে আটকা পড়লে মনে হয় বের হওয়ার আর কোনো পথ নেই।

চারপাশের এত এত মানুষগুলোর মাঝেও নিজেকে খুব একা আর নিঃসঙ্গ মনে হয়।

এই অদৃশ্য লড়াইয়ে যারা দিনের পর দিন পার করছেন, তাদের মনের কষ্টটা অন্য কেউ সহজে বুঝতে পারে না।

সবকিছু ঠিক থাকার পরেও মনের কোণে এক অস্থির ভয় তাড়া করে বেড়ানো।

মানুষের সাথে কথা বলতে বা ভিড়ের মাঝে যেতে আতঙ্ক বোধ করা।

ছোট ছোট সিদ্ধান্ত নিতে গিয়েও ভীষণ দ্বিধা আর দুশ্চিন্তায় ভোগা।

অনিদ্রা, অবসাদ এবং সারাক্ষণ নিজেকে গুটিয়ে রাখার প্রবণতা।

মনে হওয়া যে সবাই আমাকে বিচার করছে বা আমার কোনো বড় ক্ষতি হতে যাচ্ছে।

যখন এই ভয়গুলো আপনার জীবনের আনন্দ কেড়ে নেয়, তখনই প্রয়োজন একজন বিশেষজ্ঞের সঠিক গাইডেন্স।

আমাদের একজন সম্মানিত ক্লায়েন্ট এমনই এক কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন।

দীর্ঘদিনের অ্যাংজাইটি তার জীবনকে প্রায় থামিয়ে দিয়েছিল। তিনি কীভাবে তার সেই অন্ধকার পথ থেকে আলোর সন্ধান পেয়েছেন।

তিনি আমাদের পান্থপথ ব্রাঞ্চের সাইকোলজিস্ট সানজিদা আলম ম্যামের সাথে সেশনে বসেন।

সানজিদা ম্যাম কেবল চিকিৎসক হিসেবে না, একজন বন্ধুর মতো তার কথাগুলো শুনেছেন এবং ধাপে ধাপে তাকে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে সাহায্য করেছেন। আজ তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।

অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: 01776-110510

29/04/2026

প্যানিক অ্যাটাক: কেন হয় এবং কীভাবে বুঝবেন?

Speaker:
Ummey Saima Siddika
M.Phil & MS in Clinical Psychology (DU)
B.Sc in Psychology (DU)
Clinical Psychologist, LifeSpring

অনলাইনে কিংবা সরাসরি কাউন্সেলিং এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: 01776-110510

প্রতিদিন আমরা কাজে যাই,দায়িত্ব নেই, deadline মেটাই,সবকিছু ঠিক রাখার চেষ্টা করি।বাইরে থেকে সবকিছু normal দেখায়।কিন্তু ভেত...
29/04/2026

প্রতিদিন আমরা কাজে যাই,
দায়িত্ব নেই, deadline মেটাই,
সবকিছু ঠিক রাখার চেষ্টা করি।

বাইরে থেকে সবকিছু normal দেখায়।

কিন্তু ভেতরে?

চাপ…
অস্থিরতা…
নিঃশব্দ একটা ক্লান্তি।

আমরা অনেকেই বুঝতেই পারি না,
কখন এই চাপটা আমাদের সহ্যের সীমা পার করে যায়।

খবরের একটা লাইন হয়তো চোখে পড়ে, WHO এবং ILO এর তথ্যমতে,
“কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপে প্রাণ হারিয়েছেন লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ।”

এই সংখ্যার পেছনে কতগুলো গল্প ছিল,
কতগুলো না বলা কষ্ট ছিল।

আমরা কাজের চাপকে “normal” বলে মানিয়ে নিতে নিতে
নিজেদের ভেতরের warning-গুলো ignore করি।

কিন্তু আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের মূল্য
কোনো deadline-এর চেয়ে কম না।

একটু থামা, কাউকে বলা, সাহায্য চাওয়া,
এগুলো দুর্বলতা না, সচেতনতা।

এই কারণেই, Lifespring-এ ডেডিকেটেড প্রফেশনাল রয়েছে,
যারা কর্মক্ষেত্রের মানসিক চাপ নিয়ে কাজ করে থাকেন,

সরাসরি, অনলাইন এ এবং প্রতিষ্ঠানে গিয়েও কাউন্সেলিং করে থাকেন।

তারা আপনাকে একটি নিরাপদ জায়গা করে দেন,
যেখানে আপনি নিজের মনের কথা খুলে বলতে পারেন,

কাজ গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আপনার জীবন তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আজ যদি মনে হয়, চাপটা একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে,
তাহলে কথা বলুন। সাহায্য নিন।

Address

Level # 6/Union Heights, 55/2 Panthapath
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8809638505505

Website

https://www.youtube.com/@LifeSpringLimited

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LifeSpring posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to LifeSpring:

Share