Tatibazar Specialized Physiotherapy Centre

Tatibazar Specialized Physiotherapy Centre Tatibazar Specialized Physiotherapy Center

This is a Physiotherapy advice and treatment giving spec

12/04/2022

পারকিন্সন একটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুজনিত রোগ, যা সচরাচর বয়স্কদের মধ্যে বেশি দেখার প্রবনতা থাকলে ও বর্তমানে মধ্য বয়স্কদের মধ্যে ও এর প্রকটতা দেখা দিচ্ছে।সচরাচর এ রোগে রোগী নিজেকে অনেক দূর্বল ও ক্লান্ত মনে করে। বিশ্রাম অবস্থায় হাত বা পায়ের কম্পন অনুভূত করে এবং হাটার সময় ভারসাম্য ও পায়ের শক্তি কমে আসায় পড়ে যাওয়ার প্রবনতা বেড়ে যেতে পারে। এ রোগ ধরা পড়ার সাথে সাথে নিয়মিত ঔষধ ও পারকিনসন রোগ সুনির্দিষ্ট কিছু ব্যয়াম এর মাধ্যমে জড়তা, শক্তিহীনতা ও দূর্বলতা কাটিয়ে তোলা যায়।

দেওয়ান মোঃ মোজাম্মেল
সিনিয়র ফিজিওথেরাপিস্ট
01671522045

06/02/2021

Post: Physiotherapy Assistant (PTA)
Qualification: Diploma in PT
Quality:-
1. Gentle look and able to talk smartly.
2. Obidient and Humble behaviour toward patients.

Experience: 1year
Vacancy: 1 (female)
Novice/New are also encouraged to apply.

Job description:
1. Able to operate machine individually.
2. Maintain patient record file.
3. Able to perform commonly prescribed PT exercises.

Working Time:
Evening 5PM to 9PM (except Friday)

Salary:
Negotiable and depends on knowledge and performance of candidate.

Working place -
Tatibazar Specialised Physiotherapy Center
11, Rahman Tower, Tatibazar, English Road.

INTERESTED CANDIDATE ARE REQUESTED TO SEND THEIR CV ON THIS MAIL ADDRESS - mozammalrabby04@gmail.com

Joining date - 1st March, 2021

29/09/2020

মেয়েদের জন্য লিখলাম। প্রতিদিন অন্তত দুটো কলা খান এবং টকজাতীয় কিছু খাবেন সেদিন। আমরা অনেকেই জানি না আয়রন কখনোই ভিটামিন-সি ছাড়া শরীরে শোষিত হয়না। অনেকে acidity এর সমস্যার কথা বলে টকজাতীয় ফল একেবারেই এড়িয়ে চলেন, ফলস্বরূপ রক্তশূন্যতায় ভোগেন। আমি নিজের কথাই বলি, আমি জীবনে যতবার হিমোগ্লোবিন টেস্ট করাইছি সবসময়ই নরমাল লেভেল আসছে কিন্তু আমারই বান্ধবীদের থাকতো anaemia. এর কারন আমি প্রচুর টকজাতীয় খাবার খাই সাথে আয়রনযুক্ত খাবার তো আছেই। এতক্ষন যা বললাম তা ইন্টারনেটেরযুগে আমাদের সবারই জানা, তবে এটা কি জানেন, এতসব সবজান্তা সমশের হয়েও South-East Asian মেয়েরাই সবচেয়ে বেশী ভোগে রক্তশূন্যতায়?

আপনার টকখেতে সমস্যা থাকলে কাঁচা মরিচ খান ভাতের সাথে, এটা আমার অভ্যাস এবং এর বেশ কিছু উপকারীতা আছে। তাতেও সমস্যা হলে সবুজ একেবারে কাঁচা কিছু খান, সেটা হতে পারে টাটকা এক টুকরো শসা কিংবা সামান্য কয়েকটা ধনেপাতা। মনেরাখতে হবে ভিটামিন-সি রান্না করলে নষ্ট হয়ে যায়।

রক্ত তৈরীর জন্য আয়রন, ভিটামিন-সি সহ ভিটামিন-বি ১২ লাগে, আরও বেশ কিছু উপাদান লাগে যেগুলো আপনাকে জানতে হবে এবং সেগুলো কি কি খাবারে আছে সেটা জেনে ওগুলো খেতে হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার রুগীদেরকে কখনোই আয়রন ট্যাবলেট খেতে উৎসাহিত করি না। কারন আমি নিজেও খাই না, টাটকা খাবার থেকে যা আপনার শরীরে ঢুকবে তার উপকারীতা অসীম। তাই ভিটামিন ট্যাবলেটের দিকে না ঝুঁকে টাটকা শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস করেন। সুস্থভাবে অনেকদিন বাঁচবেন।

এবার আরেকটা বিষয়ে বলি, অনেক ডাক্তার বলে থাকেন পিরিয়ডের সময়টাতেও আয়রন ট্যাবলেট খাবেন অথবা আয়রনযুক্ত খাবার। যে মানুষটা সারা মাসজুড়েই আয়রন খায় তার নিশ্চয়ই ওই কয়দিন আয়রন খেয়ে শুধু শুধু flow বাড়িয়ে নিজের অস্বস্তি ডাকার দরকার নাই। অতিরিক্ত flow হয় ওইদিনগুলোতে আয়রনযুক্ত খাবার খেলে, যা আপনার নিজের কাছেই বিরক্তিকর লাগবে। আসলে ডাক্তার বলেছে যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন তাদের জন্য, একটা সুস্থ মেয়ের জন্য এটা মানা জরুরি না।

অনেক মেয়েই complain করেন hypomenorrhoea নিয়ে। বয়সের সাথে menstrual flow কমে যাবে এটাই স্বাভাবিক, চিন্তার বিষয় না এটা। আপনার flow কম ছাড়া আর যদি কোন সমস্যা না থাকে তাহলে একেবারেই ভাববেন না। নিয়মিত আয়রনযুক্ত খাবার খেলে দেখবেন কিছুটা হলেও উন্নতি হবে। অতিরিক্ত ওজন hypomenorrhoea এর আরেকটা কারন। অতএব, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

শুধু আয়রন খেলেই হবে না। নিয়মকরে তিনমাস পর পর কৃমির ঔষধ খাবেন। রক্তস্বল্পতার এটা বিশেষ একটা neglected কারন আমাদের দেশে এখনও।

বি:দ্র: আমি এখানে একটা সুস্থ মেয়ের জন্য আয়রন কিভাবে খাওয়া উচিত বলেছি। কিন্তু যারা চল্লিশের আগেই কিডনী আর হৃদযন্ত্রের বারোটা বাজিয়ে ফেলেছেন তারা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে খেতে পারবেন।

13/07/2019

স্ট্রোক পূর্ববর্তী সতর্ক লক্ষনসমূহ / Early Warning Sign of Stroke –

১। হঠাৎ মুখ, হাত, বা পা অবশ/ দুর্বল হয়ে আশা বিশেষ করে শরীরের একপাশ
২। হঠাৎ গড়বড়, কথা বুঝতে ও বলতে কস্ট হওয়া
৩। হঠাৎ এক চোখে বা দুই চোখেই দেখতে কস্ট হওয়া বা সম্পূর্ন না দেখতে পাওয়া
৪। হঠাৎ হাটতে কস্ট হওয়া, পড়ে যাওয়া বা বেলেন্স রাখতে না পারা বা অবচেতন হয়ে যাওয়া
৫। হঠাৎ কারন ছাড়া তির্ব্র মাথা বেথা হওয়া।

মনে রাখতে হবে স্ট্রোক হওয়া বোঝার সাথে সাথে নিকটস্ত হাসপাতালে যোগাযোগ করা এবং দ্রুত সাবাভিক জিবনে ফিরে যেতে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার বিকল্প নেই।

ডাঃ মোঃ মোজাম্মেল হোসেন
ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক
বি পি টি (ঢাঃ বিঃ)
এম পি টি (গন বিঃ)
তাতিবাজার স্পেশালাইজ ফিজিওথেরাপি সেন্টার
যোগাযোগ - ০১৬৭১৫২২০৪৫

05/07/2019

ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি ও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার ভূমিকা -

ডায়াবেটিস বর্তমানে মহামারী আকার ধারণ করেছে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাত ও পায়ের শেষ ভাগের স্নায়ুগুলোর কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে আসে, বিশেষ করে যাঁরা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে ভুগে থাকেন। যার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির হাত ও পায়ের শেষ ভাগে অনুভূতি কমে যেতে থাকে, যা রোগীর জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যেমন—অনেকের পায়ের অনুভূতি এত কমে যায় যে, তার পা কেটে রক্ত বের হচ্ছে; কিন্তু তিনি বলতে পারেন না।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর স্নায়ুর অসাড়তার লক্ষণগুলো হলো -
১. হাত-পা ঝিনঝিন করা,
২. হাত-পায়ের শক্তি কমে যাওয়া,
৩. হাত ও পায়ের মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়া,
৪. হাত ও পায়ের তালুতে জ্বালাপোড়া অনুভব করা,
৫ স্থির বা হাটা চলা অবস্থায় ভারসাম্য কম অনুভব করা ইত্যাদি।

চিকিৎসার প্রথমে প্রয়োজন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা,
দ্বিতীয়ত. ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার মাধ্যমে হাত ও পায়ের মাংসপেশির কার্যক্ষমতা ঠিক রাখা ও নিয়মিত ব্যায়াম করা। ব্যায়াম করলে যে উপকার হয়, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো :

১।ব্যায়ামে শক্তি খরচ হয়, ফলে শরীরের ওজন কম থাকে ও শরীরে চর্বি কমে।
২।ব্যায়ামের মাধ্যমে পেঙ্ক্রিয়াসের বেটা সেল থেকে ইনসুলিন তৈরি বৃদ্ধি পায়।
৩।ব্যায়াম ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়ায়, ফলে শরীরে অল্প যা ইনসুলিন তৈরি হয় তাতেই রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকে; বাড়তি ওষুধের দরকার নাও পড়তে পারে।
৪।ব্যায়ামের ফলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে।
৫।ডায়াবেটিসের জটিলতা কমানো সম্ভব হয়।
৬।ব্যায়াম রক্তের ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায়।
৭।ব্যায়াম উচ্চ রক্তচাপ কমায়।
৮।ব্যায়াম দুশ্চিন্তা দূর করে মনকে সতেজ ও প্রফুল্ল রাখে।
৯।ঘুম ভালো হয়।
১০।হাড় ও হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে।
১১।হাড়ের জয়েন্টগুলো সচল রাখে।
১২।বৃদ্ধ বয়সে হাড়ভাঙার একটা প্রধান কারণ অস্টিওপোরসিস বা হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া, বিশেষ করে নারীদের হিপ ফ্রাকচারের ঘটনা দেখা যায়। ব্যায়াম অস্টিওপোরসিস কমায়।
১৩।ব্যায়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
১৪।ব্যায়াম করলে শরীরে বার্ধক্য জেঁকে বসে না। যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাঁদের একই বয়সের লোকদের থেকে কম বয়স্ক দেখায়।
১৫।ব্যায়াম ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধেও উপকারী। নিয়মিত ব্যায়াম করলে ডায়াবেটিস দেরিতে হবে অথবা নাও হতে পারে।

সায়াটিকা কী?আমাদের দেহের সবখানেই রয়েছে নার্ভ বা স্নায়ু। আমাদের পিঠের মাঝখানে যে লম্বা হাড়ের মতো রয়েছে, যাকে আমরা সাধারণত...
27/06/2019

সায়াটিকা কী?

আমাদের দেহের সবখানেই রয়েছে নার্ভ বা স্নায়ু। আমাদের পিঠের মাঝখানে যে লম্বা হাড়ের মতো রয়েছে, যাকে আমরা সাধারণত বলি কশেরুকা বা স্পাইন, এর মধ্যে লম্বা দড়ির মতো একটি অঙ্গ থাকে। একে স্পাইনাল কর্ড বলা হয়। এর দুইপাশ থেকে একটি করে নার্ভ বের হয়। এ নার্ভগুলো আমাদের দেহে বিস্তার লাভ করে। আমাদের শরীরে সায়টিক নামে একটি নার্ভ বা স্নায়ু রয়েছে, যা আমাদের মেরুদণ্ডের লাম্বার স্পাইনের শেষের দিকের কশেরুকা বা ভাটিব্রারা এল ৩, ৪, ৫ এবং সেকরাল স্পাইনের এস ১ কশেরুকা বা ভাটিব্রারা থেকে ঊরুর পেছন দিক দিয়ে হাঁটুর নিচের মাংসপেশির মধ্য দিয়ে পায়ের আঙুল পর্যন্ত বিস্তৃত। যখন কোনো কারণে এই নার্ভ বা স্নায়ুর বিস্তৃতি অনুযায়ী ব্যথা কোমর থেকে পায়ের নিচ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে, তখন এটাকে ডাক্তারদের পরিভাষায় সায়াটিকা বলা হয়।

সায়াটিকার লক্ষণ -
১। কোমরে ব্যথা
২। ব্যথা কোমর থেকে পায়ের দিকে ছড়িয়ে যায়।
৩। অনেক ক্ষেত্রে কোমরে ব্যথা থাকে না কিন্তু ঊরুর পেছন দিক থেকে শুরু করে হাঁটুর নিচের মাংসপেশির মধ্যে বেশি ব্যথা করে।
৪। বিশ্রামে থাকলে বা শুয়ে ব্যথা কম থাকে, কিন্তু খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে বা হাঁটলে ব্যথা বেড়ে যায়।
৫। অনেক সময় কিছুক্ষণ হাঁটলে আর হাঁটার ক্ষমতা থাকে না, কিছুটা বিশ্রাম নিলে আবার কিছুটা হাঁটতে পারে।
৬। আক্রান্ত পায়ে ঝিনঝিন বা অবশ ভাব হয়।
৭। কোমর সামনে বা পাশে ঘোরানোর সময় বা সামনে ঝুঁকে কাজ করার সময় অথবা কোনো ভারী জিনিস তোলার সময় হঠাৎ তীব্র ব্যথায় আক্রান্ত হয়, যা কোমর এবং এক বা দুই পায়েই হতে পারে।
৮। রোগী হাঁচি বা কাশি দিলে ব্যথা বেড়ে যায়।
৯। সামনে ঝুঁকলে বা শুয়ে পা উঁচু করলে ব্যথা বেড়ে যায়।
১০। পায়ের রানের পেছন দিক দিয়ে, হাঁটুর পেছন দিয়ে ব্যথা পায়ের পাতা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

রোগ নির্ণয় -
রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে রোগের ইতিহাস, উপসর্গ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি লাম্বো-সেকরাল স্পাইনের (মেরুদণ্ডের নিচের অংশ) এক্স-রে, এমআরআই করার প্রয়োজন পড়ে।

চিকিৎসা -
প্রথম অবস্থায় রোগী ১-২ সপ্তাহ পূর্ণ বিশ্রাম (শক্ত বিছানায় শুয়ে) এবং সেই সাথে একজন ফিজিওথেরাপি বিশেশজ্ঞ চিকিৎসক হতে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিলে ব্যথা ও উপসর্গ সেরে যায়। এতে অনেকের ৩-৪ সপ্তাহ সময় লাগে।

সতর্কতা -
পুনরায় যাতে ব্যথা না হয় সে জন্য রোগীকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হয়। এগুলো হচ্ছে-
(১) শক্ত বিছানায় শোয়া
(২) ঝুঁকে কোনো কাজ না করা
(৩) কোনো ভারী জিনিস না তোলা
(৪) একনাগাড়ে অনেক্ষণ বসে কাজ না করা
(৫) সেই সঙ্গে গাড়ি বা বাসে বেশি সময় ধরে ভ্রমণ করা যাবে না
(৬) ভ্রমণ বা কাজ করার সময় কোমরে বেল্ট ব্যবহার করা
(৭) ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা
(৮) ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যায়ামগুলো করা
(৯) মালিস না করা
(১০) একসঙ্গে অনেক পথ না হাঁটা। এক সঙ্গে অনেক সিঁড়ি না উঠা
(১১) গোসলে গরম পানি ব্যবহার করা
(১২) ঝুঁকি বহুল রাস্তায় রিকশায় না উঠা
(১৩) পরামর্শ মতো গরম সেক দেয়া

ডাঃ মোঃ মোজাম্মেল হোসেন
ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক
বি পি টি (ঢাঃ বিঃ) এম পি টি (গন বিঃ)
তাতিবাজার স্পেশালাইজ ফিজিওথেরাপি সেন্টার
যোগাযোগ - ০১৬৭১৫২২০৪৫

ডায়াবেটিকস কেন হয় ? এবং এর থেকে পরিত্রানের উপায় কি??ডায়াবেটিস একটি বড় সমস্যা পৃথিবীজুড়ে, আর একে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা ...
15/06/2019

ডায়াবেটিকস কেন হয় ? এবং এর থেকে পরিত্রানের উপায় কি??

ডায়াবেটিস একটি বড় সমস্যা পৃথিবীজুড়ে, আর একে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে মনে হয় না। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ) একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ৫৫২ মিলিয়ন লোক, অর্থাৎ ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের একজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবে ২০৩০ সালের মধ্যে। তা-ই যদি সত্যি হয়, তাহলে দুই দশকের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে ২০০ মিলিয়ন বা এরও বেশি লোক আসবে নতুন স্বাস্থ্য-সমস্যা হিসেবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমান, বর্তমানে এ রোগে ভুগছে ৩৪৬ মিলিয়ন লোক। ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়ার মূলে অন্তর্গত কারণ জীবনযাপনে পরিবর্তন, মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি, অধিক হারে রোগনির্ণয় ও তরুণদের মধ্যে স্থূলতা বেড়ে যাওয়া।
ডায়াবেটিস ফেডারেশনের বক্তব্য, ইদানীং ডায়াবেটিস বাড়ছে শিশু ও তরুণদের মধ্যে। ২০ বছর আগে তরুণদের মধ্যে ডায়াবেটিস ছিল অত্যন্ত নগণ্য। তবে কথা হলো, টাইপ-২ ডায়াবেটিস পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য; প্রয়োজন লাইফ স্টাইলে সামান্য পরিবর্তন। এ ক্ষেত্রে ব্যায়াম ও খাদ্যবিধি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র পাঁচটি সহজ অভ্যাস চর্চা করলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমানো যায় ৮০ শতাংশ।

কী করা উচিত
 স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া: প্রচুর ফল ও শাকসবজি।
 সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ২০ মিনিট করে ব্যায়াম।
 স্বাভাবিক দেহ ওজন বজায় রাখা (বিএমআই ১৮.৫-২৪.৯-এর মধ্যে রাখা)।
 ধূমপান করে থাকলে বর্জন করা।
 মদ্যপান করলে সামান্য করা। আমার পরামর্শ, মদ্যপান না করা।
এই পাঁচটি গাইডলাইন মেনে চললে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ বেশ ফলপ্রসূ হয়। বিজ্ঞানীরা বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দেহের স্বাভাবিক ওজন বজায় রাখা। স্বাভাবিক ওজনের পুরুষের ভারী ওজন বা স্থূল পুরুষের তুলনায় ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা ৭০ শতাংশ কম। স্বাভাবিক ওজনের নারীদের ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা ৭৮ শতাংশ কম।
আবার ভারী ওজনের লোক যদি একটি অভ্যাস চর্চা করে, যেমন—সপ্তাহে তিন দিন ব্যায়াম করে, তাতেও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তাদের অনেক কমে।

04/05/2019

হাইপারইউরিসেমিয়া বা ইউরিক এসিডে যেসব খাবার পরিহার করতে হবে

১। অধিক চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়া যাবে না। যেমন : গরুর মাংস খাসির মাংস, ভেড়ার মাংস, মহিষের মাংস ইত্যাদি।
২। অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জাতীয় মাংস (অর্গান মিট) খাওয়া যাবে না। যেমন : লিভার, কলিজা, মগজ, জিহ্বা ইত্যাদি।
৩। খোসাযুক্ত প্রাণী পরিহার করতে হবে। যেমন : চিংড়ি মাছ, শামুক, কাকড়া। এ ছাড়া সামুদ্রিক মাছ, ডিমের কুসুম এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।
৪। সব রকমের ডাল, বাদাম, মটরশুটি, সিমের বিচি, কাঁঠালের বিচি ইত্যাদি পরিহার করতে হবে।
৫। কিছু কিছু শাকসবজি খাওয়া যাবে না। যেমন : পালং শাক,পুঁই শাক, ফুল কপি ব্রকোলি, মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়শ , পাকা টমেটো ইত্যাদি। এছাড়া মাশরুমও খাওয়া যাবে না।
৬। এলকোহোল, ক্যাফেন জাতীয় বেভারেজ খাওয়া যাবে না। যেমন : চা, কফি, কোমল পানীয়, কারো ক্ষেত্রে চকোলেট খাওয়া যাবে না।
৭। মিষ্টি ফলে ফ্রুকটোস থাকে যা ইউরিক এসিড স্ফটিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্ফটিককে বড় করে দেয়। তাই মিষ্টি ফল পরিহার করাই ভালো।

যেসব খাবারে বাধা নেই -

১। চর্বিহীন মাংস খেতে হবে। যেমন : মুরগির মাংস। মাছ, কুসুম ছাড়া ডিম পরিমাণ মতো খাওয়া যাবে।
২। অধিক আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন : সবজি-শাক ইত্যাদি। এই আঁশ স্ফটিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শরীর থেকে মল আকারে বের হয়ে যায়।
৩। এন্টি অক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার খেতে হবে। যেমন : লেবু চা, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল (পেয়ারা, আমলকি, কমলা, মাল্টা), গ্রিন-টি ইত্যাদি খেতে হবে।
৪। এই সময় চাহিদার তুলনায় বেশি পরিমাণ পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে।

পা ফোলা, হাঁটু ও হাঁটুর জয়েন্টে ব্যথা আপনার রক্তে অতিরিক্ত ইউরিক এসিডের জন্য নয় তো ?আমাদের শরীরে দুই ধরনের এমাইনো এসিডের...
03/05/2019

পা ফোলা, হাঁটু ও হাঁটুর জয়েন্টে ব্যথা আপনার রক্তে অতিরিক্ত ইউরিক এসিডের জন্য নয় তো ?

আমাদের শরীরে দুই ধরনের এমাইনো এসিডের প্রয়োজন পড়ে। একটি আবশ্যক (এসেনশিয়াল) এমাইনো এসিড। আরেকটি অনাবশ্যক (নন এসেনসিয়াল) এমাইনো এসিড। এই নন এসেনসিয়াল এমাইনো এসিডের মধ্যে একটি হলো পিউরিন। এই পিউরিন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে পাওয়া যায়। কারণ শরীরে পিউরিন তৈরি হয়। এ ছাড়া কিছু কিছু খাবার থেকেও আমরা পিউরিন নামক এমাইনো এসিড পেয়ে থাকি। কোষে থাকা এই পিউরিনের ভাঙনের ফলে ইউরিক এসিড তৈরি হয়। এই ইউরিক এসিড রক্তে চলে যায়।

স্বাভাবিক মাত্রা -
নারীর ক্ষেত্রে রক্তে ইউরিক এসিডের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ২ দশমিক ৪ থেকে ৬ দশমিক ০ মিলিগ্রাম পার ডিএল
পুরুষের ক্ষেত্রে ৩ দশমিক ৪ থেকে ৭ দশমিক ০ মিলিগ্রাম পার ডিএল।

ইউরিক এসিড কিভাবে তৈরি হয় ?
আমরা যদি দেহের চাহিদার থেকে বেশি পরিমাণে প্রোটিন খেয়ে থাকি বা খাবারে যদি এলকোহল জাতীয় খাবারের পরিমাণ বেশি থাকে, তা থেকে দেহে পিউরিন নামক নন এসেনসিয়াল এমাইনো এসিড তৈরি হয়। এই পিউরিনের শেষ উৎপাদন (এনডপ্রডাক্ট) হিসেবে ইউরিক এসিড তৈরি হয়।

হাইপারইউরিসেমিয়া কি?
এই ইউরিক এসিড প্রথমে রক্তে চলে যায়। সেখান থেকে কিডনির মাধ্যমে প্রস্রাবের সঙ্গে দেহ থেকে বের হয়ে যায়। রক্তে যদি ইউরিক এসিডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পায় এই অবস্থাকে বলা হয় হাইপারইউরিসেমিয়া। এই অতিরিক্ত ইউরিক এসিড সূক্ষ্ম স্ফটিক (ক্রিস্টাল) আকারে জয়েন্টের মধ্যে বিশেষ করে পায়ের আঙ্গুলে ব্যথা সৃষ্টি করে। এ ছাড়া আমাদের দেহের শ্বেত কণিকা এই ইউরিক এসিড স্ফটিককে ফরেন বডি মনে করে আক্রমণ করে। ফলে বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা হয় বা ফুলে যায়। এই অবস্থাকে টোফেস বলে।

প্রথম অবস্থায় শুধু পায়ে ব্যথা হয়। আস্তে আস্তে এর তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পা ফোলা, হাঁটু ও হাঁটুর জয়েন্টে ব্যথা হয়। ফলে ইউরিক এসিড আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁটতেও সমস্যা হয়। হাইপারইউরিসেমিয়ার কারণে শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। যেমন : বাত, কিডনিতে পাথর, কিডনি অর্কাযকর হওয়া, উচ্চরক্তচাপসহ নানা ধরনের রোগ হতে পারে।

ডাঃ মোঃ মোজাম্মেল হোসেন
বি পিটি, এম পিটি , এম পি এইচ
ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক ও গবেষক
তাঁতিবাজার স্পেশালাইজ ফিজিওথেরাপি সেন্টার, ঢাকা
যোগাযোগ - 01671522045

কোমরে ব্যথায় ১০ পরামর্শ!!!কোমরে ব্যথা নিরাময়ে যেমন ব্যায়াম জরুরি, তেমনি সতর্কতাও কাজে আসে।১. নিচ থেকে বা মাটি থেকে কি...
02/05/2019

কোমরে ব্যথায় ১০ পরামর্শ!!!

কোমরে ব্যথা নিরাময়ে যেমন ব্যায়াম জরুরি, তেমনি সতর্কতাও কাজে আসে।

১. নিচ থেকে বা মাটি থেকে কিছু তুলতে হলে না ঝুঁকে হাঁটু ভাঁজ করে বসুন ও তারপর তুলুন।

২. ঘাড়ে ভারী কিছু ওঠাবেন না। ভারী জিনিস শরীরের কাছাকছি রাখুন। পিঠে ভারী কিছু বহন করতে হলে সামনে ঝুঁকে বহন করুন।

৩. ৩০ মিনিটের বেশি একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না। হাঁটু না ভেঙে সামনের দিকে ঝুঁকবেন না। দীর্ঘ সময় হাঁটতে হলে উঁচু হিল পরবেন না। অনেকক্ষণ একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হলে কিছুক্ষণ পর পর শরীরের ভর এক পা থেকে অন্য পায়ে নিন। একটু বসে বিশ্রাম নিন।

৪. গাড়ি চালানোর সময় স্টিয়ারিং হুইল থেকে দূরে সরে না বসে সোজা হয়ে বসুন।

৫. চেয়ার টেবিল থেকে বেশি দূরে থাকবে না। সামনে ঝুঁকে কাজ করবেন না। কোমরের পেছনে সাপোর্ট দিন। এমনভাবে বসুন, যেন হাঁটু ও ঊরু মাটির সমান্তরালে থাকে। নরম গদি বা সিপ্রংযুক্ত চেয়ার পরিহার করুন। ছোট ফুট রেস্ট ব্যবহার করুন।

৬. উপুড় হয়ে শোবেন না। ফোম বা সিপ্রংয়ের গদিযুক্ত বিছানা পরিহার করুন। বিছানা শক্ত ও চওড়া হলে এবং তোশক পাতলা ও সমান হলে ভালো।

৭. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।

৮. নিয়মিত কায়িক শ্রম করুন বা ব্যায়াম করুন। নিয়মিত হাঁটুন।

৯. কাটা-কোটা, রান্না, মসলা পেষা, ঘর মোছা, কাপড়কাচা, ঝাঁট দেওয়া বা নলকূপ চাপার সময় মেরুদণ্ড সাধারণ অবস্থায় এবং কোমর সোজা রাখুন।

১০. যাঁরা কোমরের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা বিছানা থেকে ওঠার সময় সতর্ক হোন। চিত হয়ে শুয়ে প্রথমে হাঁটু ভাঁজ করুন। এবার ধীরে ধীরে এক পাশে কাত হোন। পা দুটি বিছানা থেকে ঝুলিয়ে দিন, কাত হওয়া দিকে কনুই ও অপর হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে উঠে বসুন।

Address

11, Rahman Tower, English Road, Tatibazar
Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 17:00 - 21:00
Tuesday 17:00 - 21:00
Wednesday 17:00 - 21:00
Thursday 17:00 - 21:00
Saturday 17:00 - 21:00
Sunday 17:00 - 21:00

Telephone

01671522045

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tatibazar Specialized Physiotherapy Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Tatibazar Specialized Physiotherapy Centre:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram