Health Tips & News

Health Tips & News Health Tips & News

Answers, comments and opinions provided on Health Tips & News are general information, and are not intended to substitute for informed professional medical, psychiatric, psychological, tax, legal, investment, accounting, or other professional advice. Health Tips & News does not endorse, and expressly disclaims liability for any product, manufacturer, distributor, service or service provider mentioned or any opinion expressed in messages and coments left on Health Tips & News Forums, Blogs or Health Tips & News Knowledge Base.

অনেকের ধারণা সাপকে কিছুটা আঘাত করে চলে গেলে সাপ লোকটাকে চিনে রাখে এবং রাতে সাপ ওই আঘাতকারী লোকের বাড়ি গিয়ে দংশন করে। মুল...
23/07/2018

অনেকের ধারণা সাপকে কিছুটা আঘাত করে চলে গেলে সাপ লোকটাকে চিনে রাখে এবং রাতে সাপ ওই আঘাতকারী লোকের বাড়ি গিয়ে দংশন করে। মুলত সাপের স্মৃতি শক্তি খুবই কম এবং ঘরে গিয়ে দংশন করার প্রশ্নই আসে না।

কোথায়ও সাপকে দেখলে তাকে তাকে চলে যেতে সুযোগ দিন, কোন সমস্যা হবে না।

ঘরে সাপ থাকার সম্ভাবনা থাকলে বিশেষ করে ইদুরের গর্ত থাকলে শুকনা মরিচ আগুনে পোড়া দিন। তাছাড়া বাজারে কার্বোলিক এসিড আছে, এগুলি বাড়িতে এনে বোতলসহ ঘরের মধ্যে রাখুন, সাপ চলে যাবে।

কাউকে সাপে দংশন করলে ওঝা বা বুদ্ধের কাছে না গিয়ে ১০০০ টাকা দিয়ে সাপের এন্টিভ্যানম ইনজেকশন দিন।
সুস্থ্য হবে নিশ্চিত।

দংশিত ব্যাক্তির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সাহস দেয়া। প্রয়োজনীয় সাহস না দিতে পারলে, রোগী হার্ট এটাকে মারা যাবে।

সাপে দংশন করার পর ৭/৮ ঘন্টা পর্যন্ত রোগী বেঁচে থাকে, তাই ধৈর্য্য ধারণ করে দ্রুত ইনজেকশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

কোন সাপে কামড় দিয়েছে সেটার পরিচয় জানা গেলে চিকিৎসায় কিছুটা সুবিধা হয়, তবে খেয়াল রাখতে হবে এতে যেন বেশী সময় নষ্ট না হয়।

বাংলাদেশের বিষাক্ত প্রায় সকল সাপের বিষ নষ্ট করার ইনজেকশন আবিস্কার হয়েছে। শুধুমাত্র রাসেল ভাইপার বা শংখচুড় সাপের টিকা আবিস্কারের চেষ্টা চলছে। আর এই সাপ বাংলাদেশের রাজশাহী ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না।

মনে রাখতে হবে, ওঝা বৈদ্ধ নয় সচেতনতাই পারে অনেকের জীবন বাঁচাতে।

এ মূহুর্তে সাপেরা ঠান্ডা বাতাসের জন্য বেশী বিচরণ করবে, তাই এ সময়ে মানুষ বেশী দংশিত হয়।

সংগৃহীত

03/05/2018
বেহেশতি খাদ্য দুধপৃথিবীবাসীর জন্য আল্লাহতায়ালা বেহেশতি যেসব খাদ্য ও পানীয় দান করেছেন তার মধ্যে দুধ অন্যতম। পবিত্র কোরআন ...
02/05/2018

বেহেশতি খাদ্য দুধ
পৃথিবীবাসীর জন্য আল্লাহতায়ালা বেহেশতি যেসব খাদ্য ও পানীয় দান করেছেন তার মধ্যে দুধ অন্যতম। পবিত্র কোরআন শরিফে বেহেশতের বর্ণনা দিতে গিয়ে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন-
আর পরহেজগার লোকদের জন্য যে জান্নাত দেওয়া হয়েছে তার উদাহরণ হচ্ছে তাতে তিনি পানির বহর, নির্মল দুধের নহর যার স্বাদ অপরিবর্তনীয়, পানকারীদের জন্য সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। সেখানে তাদের জন্য আছে রকমারি ফলমূল ও তাদের পালনকর্তার ক্ষমা। পরহেজগাররা কি তাদের ন্যায়, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদের পান করতে দেওয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভুঁড়ি ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দেবে। [সূরা মুহাম্মদ-১৫]
গবাদিপশুর দুধের বর্ণনা দিতে গিয়ে আল্লাহতায়ালা আরও ইরশাদ করেছেন- ‘আর নিঃসন্দেহে গবাদিপশুর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে শিক্ষা। আমরা তোমাদের পান করাই যা রয়েছে তাদের পেটের মধ্যে- গোবর ও রক্তের মধ্য থেকে খাঁটি দুধ, পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।’ নাহল-৬৬
আর পানীয়র মধ্যে রসুল (সা.)-এর কাছে দুধ সবচেয়ে প্রিয় ছিল।
মায়ের দুধের পুষ্টি উপাদান : মায়ের বুকের দুধে প্রতি ১০০ মিলি আছে প্রোটিন ১ গ্রাম, চর্বি ১.৯ গ্রাম, শর্করা ৭.০ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১.৩২ মিগ্রা, লৌহ ০.২ মিগ্রা, খাদ্যশক্তি ৬৭ কিলোক্যালরি। এ ছাড়াও ডিএইচএ নামক এক ধরনের ফ্যাটি এসিড বিদ্যমান।
গরুর দুধের পুষ্টি উপাদান : গরুর দুধের প্রতি ১০০ গ্রামে আছে প্রোটিন ৩.৩ গ্রাম, চর্বি ৩.৪ গ্রাম, শর্করা ৪.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ০.২ মিগ্রা, লৌহ ২.০ মিগ্রা, খাদ্যশক্তি ৭১ কিলোক্যালরি। ছাগলের দুধের পুষ্টিগুণ : প্রতি ১০০ গ্রাম ছাগলের দুধে আছে প্রোটিন ৩.৭ গ্রাম, স্নেহ পদার্থ ৫.৬ গ্রাম, শর্করা ৪.৭ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ০.১৭ মিগ্রা, লৌহ ০.৩ গ্রাম, ৮৪ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি।
মায়ের দুধের গুরুত্ব : শিশুর সর্বোত্তম খাদ্য হলো মায়ের দুধ। শিশু জন্মানোর পর থেকেই বুকের দুধ দেওয়া প্রয়োজন। শাল দুধের উপকারিতা অনেক বেশি। মায়ের দুধ শিশুকে যথাযথভাবে বেড়ে উঠতে, মস্তিষ্কের গঠনে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। মাতৃদুগ্ধ সেবনের ফলে শিশুর গ্রোথ হরমোন সঠিক মাত্রায় নিঃসৃত হয় যা শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। শিশু জন্মের প্রথম ৫ মাস শুধুমাত্র বুকের দুধ পানের ফলে পরিবেশ ঘটিত অসুস্থতা, অপুষ্টি ও এলার্জি সমস্যা বহুলাংশে হ্রাস পায়। শিশুকে অন্ততপক্ষে দুই বছর বুকের দুধ পান করানো উচিত। শিশুকে দুধ পান সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে আছে- ‘আর মায়েরা নিজ সন্তানদের পুরো দুই বছর বুকের দুধ খেতে দেবে’। বাকারা-২৩৩।
সংগৃহীত

20/12/2017
রাত্রিবেলা তাড়াতাড়ি ও ভালোভাবে ঘুমানোর জন্য বৈজ্ঞানিক পরামর্শ
10/12/2017

রাত্রিবেলা তাড়াতাড়ি ও ভালোভাবে ঘুমানোর জন্য বৈজ্ঞানিক পরামর্শ

Buy this book from here - https://goo.gl/hwSxmx Hindi version of this video: https://youtu.be/JuZwrWnJP3k BANGLA Motivational Video on How to sleep faster be...

মধু দিয়ে মানুষের চিকিৎসাঃমৌমাছি বিভিন্ন ফুল ও ফল থেকে রস আহরণ করে তা নিজ শরীরের পরিপাক প্রণালী আওতায় মোম কোষ জমা করে।মাত...
25/11/2017

মধু দিয়ে মানুষের চিকিৎসাঃ
মৌমাছি বিভিন্ন ফুল ও ফল থেকে রস আহরণ করে তা নিজ শরীরের পরিপাক প্রণালী আওতায় মোম কোষ জমা করে।মাত্র কয়েক শতাব্দী আগে মানুষ জানতে পেরেছে যে,মধু মৌমাছির পেট থেকে তৈরি হয়।অথচ এ বাস্তব সত্যটি ১৪০০ বছর আগে পবিত্র কোরআনের নিম্নোক্ত আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
“তার (মৌমাছির) পেট থেকে রকমারী রংয়ের মধু বের হয়,যাতে রয়েছে মানুষের চিকিৎসা।সূরা আন নহল -৬৯
আমরা এখন জানি যে,মধুর চিকিৎসা বৈশিষ্ট্য এবং হালকা পচন প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে।রাশিয়ানরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঘা শুকানোর জন্য মধু ব্যবহার করত।ক্ষত স্থানে আর্দ্রতা থাকে যা থেকে সামান্য কোন টিস্যুই অব্যাহতি লাভ করে।মধুর ঘনত্বের কারণে ক্ষতস্থানে কোন ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক জন্মাতে পারে না।
ইংল্যান্ডের নার্সিং হোমের ২২ জন দূরারোগ্য বক্ষ ব্যাধি ও এযেইমার্স রোগীর নাটকীয় উন্নতি হয়।সন্যাসিনী সিস্টার ক্যারোল,মৌচাকে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকল্পে মৌমাছির পেট থেকে উৎপন্ন propolis নামক একটি উপাদান ব্যবহার করায় ঐ রোগীদের উন্নতি হয়।
কেউ যদি বিশেষ কোন গাছের ফলের এলার্জি রোগে ভোগে,তাহলে তাকে ঐ গাছ থেকে আহরিত মধু পান করালে,তার এলার্জি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।মধু ফলের চিনি এবং ভিটামিন k দ্বারা সমৃদ্ধ।মধু,এর উৎস ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কোরআনে বর্ণিত জ্ঞান,কোরআন নাযিলের পরবর্তী কয়েক শতাব্দীতে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন।

*** হঠাৎ করে স্তন ফুলে যাওয়া, গোলাকার চাকার মত শক্ত কিছু অনুভব করা, চামড়া কুঁচকে যাওয়া, চামড়ার রং অথবা আকৃতি পরিবর্ত...
13/10/2017

*** হঠাৎ করে স্তন ফুলে যাওয়া, গোলাকার চাকার মত শক্ত কিছু অনুভব করা, চামড়া কুঁচকে যাওয়া, চামড়ার রং অথবা আকৃতি পরিবর্তন, স্তনবৃন্ত দিয়ে তরল/রক্ত/পুঁজ বের হওয়া অথবা স্তনবৃন্তের অস্বাভাবিক পরিবর্তন।

পাঁচ মিনিট সময় নিয়ে আপনি নিজেই পরীক্ষা করে নিতে পারেন এধরনের কোন লক্ষন আপনার আছে কি না। থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যান।

কেউ চাইলে ছবিটা নিজের কাছে সেইভ করে রাখতে পারেন। কেন রাখবেন???
কারন প্রত্যেকের (স্পেশালি মেয়েদের) মাসে অন্তত একবার এটা নিজে নিজে পরীক্ষা করা উচিত।
কেন উচিত??? বলছি...

ব্রেষ্ট ক্যান্সার সম্পর্কে কিছু ঘাটাঘাটি করে দেখলাম প্রতিবছর ১৮.২% নারী ও পুরুষ মারা যায় ব্রেষ্ট ক্যান্সারে!
আমেরিকার জাতীয় ক্যান্সার ইন্সটিটিউটের একটা রিপোর্টে বলা হয়েছে তাদের দেশে প্রতি বছর ২৩২,৩৪০জন নারী এবং ২২৪০ জন পুরুষে ব্রেষ্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। বাংলাদেশেও প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ মারা যায় ব্রেষ্ট ক্যান্সারে।

ব্রেষ্ট ক্যান্সারের সম্ভাব্য কিছু কারন অথবা কাদের ব্রেষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি আছে এটা জানতে চেষ্টা করে যা পেলাম তা হল.....
এক্ষেত্রে হাই রিক্সে আছেন স্বাভাবিক বয়সের আগে পিরিয়ড শুরু/বন্ধ হয়ে যাওয়া মহিলারা।
তাছাড়া স্বাভাবিক উচ্চতার চেয়ে বেশি উচ্চ/লম্বা মেয়েদেরও এই ঝুঁকি বেশি।

অতিরিক্ত মেদ, অতিরিক্ত এলকোহল গ্রহন, রেডিয়েশন, হরমোন রিপ্লেসম্যান্ট এবং জেনেটিক কারনেও ব্রেষ্ট ক্যান্সার হতে পারে।

এবং ৫০+ মহিলাদের এই ঝুঁকি বেশি। তাই ৪০ বছর বয়সের পর প্রতি দুই বছর অন্তর অন্তর ব্রেষ্ট এক্স-রে করে দেখা উচিত।

*** জেনে রাখা ভালো--- শুধুমাত্র ব্রেষ্ট ফিডিং ব্রেষ্ট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় ৩০%।

***শুধুমাত্র নারীদের নয়, পুরুষদেরও ব্রেষ্ট ক্যান্সার হয়।

লজ্জাবোধ থেকে এটা এড়িয়ে যাওয়ার কোন কারন নেই। আপনার সচেতনতাই পারে আপনাকে এবং আপনার সঙ্গীকে ব্রেষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে।
অক্টোবর মাস হচ্ছে ব্রেষ্ট ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন করার মাস। নিজে সচেতন হোন এবং অন্যকে সচেতন করুন।

এটা নিয়ে কোন ধরণের রসিকতা বা আলতু ফালতু কমেন্ট করার কোন দরকার নাই। তবে শেয়ার করতে পারবেন।

06/10/2017

In 1988, being extremely poor and thanks to the poor state of the health sector in the country, my mother died due to maternal health related complication.

রক্তের চর্বি কমানোর জন্য খাদ্যের নিয়ম:কোলেস্টেরল (চর্বি) এক ধরনের চর্বিজাতীয় পদার্থ। পানিতে অদ্রবণীয় আঠালো ও তৈলাক্ত এই ...
04/10/2017

রক্তের চর্বি কমানোর জন্য খাদ্যের নিয়ম:
কোলেস্টেরল (চর্বি) এক ধরনের চর্বিজাতীয় পদার্থ। পানিতে অদ্রবণীয় আঠালো ও তৈলাক্ত এই পদার্থটি সব ধরনের দেহকোষের দেয়ালে থাকে। আমরা প্রতিদিন যে সব চর্বিজাতীয় খাবার খাই মূলত তা থেকে আমরা কোলেস্টেরল পাই। শরীর এই কোলেস্টেরল থেকে হরমোন, বাইল এসিড, ভিটামিন ডি এবং অন্যান্য জরুরি উপাদান তৈরি করে যা আমাদের কাজে লাগে। কোলেস্টেরল শরীরের জন্য একটি জরুরি উপাদানও বটে।
কোলেস্টেরল কেন একটি সমস্যা
শরীরের জন্য যতটুকু কোলেস্টেরল দরকার তা শরীর নিজেই তৈরি করে। কোলেস্টেরল শরীরে রক্তের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। তবে জলীয় রক্ত ও তৈলাক্ত কোলেস্টেরল একসঙ্গে মিশতে পারে না। তাই কোলেস্টেরল পরিহনের জন্য লাইপোপ্রোটিন নামের বাহকের সাহায্য নিতে হয়। লাইপোপ্রোটিনের ভিতরে থাকে কোলেস্টেরল, বাইরে থাকে প্রোটিন।
দুই ধরনের লাইপোপ্রোটিন শরীরে কোলেস্টেরল সরবরাহ করে :
* এলডিএল বা লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন, যার আরেকটা নাম ‘ব্যাড’ বা খারাপ কোলেস্টেরল; কারণ এই এলডিএল-ই ধমনী ও কোষকলায় কোলেস্টেরল পৌঁছে দেয়। রক্তের অধিকাংশ কোলেস্টেরল এলডিএল হিসেবে থাকে। যার রক্তে যত বেশি এলডিএল কোলেস্টেরল থাকে তার হৃদরোগের ঝুঁকি তত বেশি হয়।
* এইচডিএল বা হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন, যার আরেক নাম ‘গুড’ বা ভালো কোলেস্টেরল; কারণ এই এইচডিএল কোষকলা থেকে কোলেস্টেরল লিভার বা যকৃতে পরিবহন করে নিয়ে আসে। লিভার পরিশেষে কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে বের করে দেয়। রক্তে এইচডিএল কম থাকলে হৃদরোগের আশংকা বাড়ে।
যদি কারো শরীরে অনেক বেশি কোলেস্টেরল থাকে তবে এই কোলেস্টেলের কিছু কিছু রক্তনালীতে আটকা পড়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আরও কোলেস্টেরল জমতে থাকে। এই জমতে থাকা কোলেস্টেরলের পরিমাণ এত বেশি হয় যে, এক সময় রক্তনালীর দেয়াল ফুলে ওঠে। তখন এটাকে বলা হয় প্ল্যাক। প্ল্যাক
ধমনীর ভিতরের অংশকে সরু করে এবং
ধমনীর নমনীয়তা কমিয়ে দেয়। এই অবস্থাকে বলা হয় ‘ধমনীকাঠিন্য’ বা ইংরেজিতে অ্যাথেরোস্কোরোসিস।
এই অ্যাথেরোস্কে¬রোসিস শরীরের যে কোনো ধমনীতে হতে পারে। এমনকি হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন করে যে করোনারী আর্টারি বা হৃদধমনী সেখানেও অ্যাথেরোস্কে¬রোসিস হতে পারে। যদি হৃদধমনী প্ল্যাক দিয়ে আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় তখন সেটা হৃদপেশীতে পর্যাপ্ত রক্ত এবং পুষ্টি দিতে পারে না। এ অবস্থায় বুকে ব্যথা অনুভূত হয়। সেটাকে এনজাইনা বলা হয়ে থাকে।
কিছু কিছু প্ল্যাক ঠুনকো ধরনের হয়। এই প্ল্যাকগুলোর ওপরে যে আবরণ থাকে তা খুব পাতলা ধরনের হয়। ফলে সেই প্ল্যাক ফেটে গিয়ে তা থেকে বের হওয়া চর্বি রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। যদি হৃদধমনীতে প্ল্যাক ফেটে যায় তাহলে হার্ট অ্যাটাক হয়।
যখন অ্যাথেরোস্কোরোসিস হৃদধমনী বা করোনারি আর্টারিকে আক্রান্ত করে তখন একে বলা হয় করোনারি আর্টারি ডিজিজ। যেহেতু রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল হৃদধমনীকে আক্রান্ত করে তাই কোলেস্টেরলকে হৃদরোগের অন্যতম প্রধান ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
কোলেস্টেরল বৃদ্ধির যে কারণ নিয়ন্ত্রণ
করা যায় না
কোলেস্টেরল মাত্রা হ্রাস-বৃদ্ধির কিছু কারণ আছে যেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, আর কিছু আছে যেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। যেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায় না সেগুলো হচ্ছে- বংশগতি, বয়স ও লিঙ্গ।
বংশগতি : কতটুকু কোলেস্টেরল আপনার শরীরে উৎপাদিত হবে এবং কত দ্রুত তা শরীর থেকে নির্গত হবে সেটা আংশিকভাবে নির্ভর করে জীন বা বংশগতির উপর। যদিও বংশগতির কারণে কোলেস্টেরলের উচ্চমাত্রা পরিবারে প্রবাহিত হতে পারে, তবু যদি কোলেস্টেরলের বিরুদ্ধে তার পর্যাপ্ত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেন তবে আক্রান্ত পরিবারের সব সদস্যেরই উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল নাও থাকতে পারে। আবার পরিবারে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরলে ভোগার কোনো ইতিহাস না থাকলেও সেই পরিবারের কেউ কেউ উচ্চ কোলেস্টেরলে আক্রান্ত হতে পারেন।
ইদানীং বাংলাদেশের অনেক মানুষ উচ্চ কোলেস্টেরলে আক্রান্ত হচ্ছেন, এমনকি পরিবারে উচ্চ কোলেস্টেরল থাকার ইতিহাস না থাকলেও। আবার অনেককে তুলনামূলকভাবে অনেক কম বয়সেই উচ্চ কোলেস্টেরলে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে।
বয়স এবং লিঙ্গ : ২০ বছর বয়স থেকেই রক্তের কোলেস্টেরল বাড়তে থাকে এবং ৬০-৬৫ বছর পর্যন্ত বাড়তেই থাকে। একজন ৫০ বছর বয়সী পুরুষের রক্তে যে পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে সমবয়সী একজন নারীর রক্তে সে পরিমাণ কোলেস্টেরল থাকে না। আবার ৫০ বছর বয়স পার হয়ে গেলে এটা উল্টে যায়। মানে ৫০-এর পরে নারীদের কোলেস্টেরলের মাত্রা সমবয়সী পুরুষের কোলেস্টেরলের মাত্রা থেকে বেশি থাকে।
কোলেস্টেরল বৃদ্ধির যে সব কারণ
নিয়ন্ত্রণ করা যায়
খাদ্য : তিন ধরনের খাদ্য আপনার শরীরে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে।
* সম্পৃক্ত চর্বি (স্যাচুরেটেড ফ্যাট) : প্রাণীর দেহে থাকা তেল বা চর্বিই মূলত স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
* ট্রান্স ফ্যাট : প্রক্রিয়াজাত হাইড্রোজেন সম্পৃক্ত উদ্ভিজ্জ তেলে ট্রান্স ফ্যাট থাকে; যেমন মার্জারিন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ইত্যাদিতে যে যে তেল থাকে।
* প্রাণীদেহ থেকে আসা কোলেস্টেরল।
উল্লেখ্য, উদ্ভিজ্জ তেলে কোনো কোলেস্টেরল থাকে না। যেমন- সরিষার তেল, রাইস ব্রান তেল, সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল ইত্যাদি। তবে এটা মনে রাখা জরুরি যে সব খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ট্রান্স ফ্যাট এবং প্রাণীজ তেল আছে সেগুলোতে কোলেস্টেরল বাড়ে।
অতিরিক্ত ওজন : বেশি ওজন শরীরে এলডিএল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড বাড়িয়ে দেয় এবং এইচডিএল কমিয়ে দেয়। শরীরের ওজন কমালে এলডিএল কমে এইচডিএল বাড়ে এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমে।
ট্রাইগ্লিসারাইড কী
ট্রাইগ্লিসারাইড এক ধরনের ফ্যাট বা চর্বি যা লিভারে উৎপাদিত হয়। কিছু কিছু খাবারেও এটা থাকে। খাবারে বেশি শর্করা জাতীয় খাদ্য থাকলে এবং অতিরিক্ত ওজন, আয়েশী জীবন, ধূমপান, মদ্যপান ইত্যাদি শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইড বাড়িয়ে দেয়। ট্রাইগ্লিসারাইড ১৫০-৪৯৯ মি.গ্রাম./ডিএল থাকলে তা হৃদরোগের ঝুঁকি কিছুটা বাড়িয়ে দেয়। ট্রাইগ্লিসারাইডের লেভেল ৫০০ মি.গ্রাম/ডিএল-এর উপরে গেলে ওষুধ দিয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন আছে। কারণ এই অবস্থায় প্যানক্রিয়াস বা অগ্নাশয়ে প্রদাহ হতে পারে, চোখের রেটিনা নষ্ট হতে পারে।
ট্রাইগ্লিসারাইড কমানোর জন্য ওজন কমাতে হবে, ধূমপান বন্ধ করতে হবে, মদ্যপান করা যাবে না, শর্করা বা চিনি জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।
এলডিএল কোলেস্টেরলের চিকিৎসা
উচ্চমাত্রার এলডিএল কোলেস্টেরলের চিকিৎসায় থেরাপিউটিক লাইফ স্টাইল অনুসরণ করা প্রয়োজন। কখনও কখনও ওষুধেরও প্রয়োজন হতে পারে। তবে যে ধরনের চিকিৎসাই অনুসরণ করুন না কেন মূল চিকিৎসার ধারা হবে থেরাপিউটিক লাইফ স্টাইল। যদি আপনি কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ খেয়ে থাকেন তবে থেরাপিউটিক লাইফ স্টাইল অনুসরণ করলে সেই ওষুধের সর্বনিু মাত্রাই আপনার জন্য কার্যকর হবে। এ ছাড়া থেরাপিউটিক লাইফ স্টাইল অন্যান্য ঝুঁকিও কমায়, যেগুলো ওষুধ কমাতে পারে না; যেমন উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা ইত্যাদি।
থেরাপিউটিক লাইফ স্টাইলের তিনটি অংশ
* খাদ্য : স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ট্রান্স ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল কমানো, উদ্ভিজ্জ স্টেনল এবং স্টেরল যুক্ত করা।
* শারীরিক পরিশ্রম।
* ওজন নিয়ন্ত্রণ।
আপনার চিকিৎসার ব্যাপকতার সঙ্গে যুক্ত থাকবে আপনার হৃদরোগের ঝুঁকির সম্পর্ক। কিন্তু আপনার ঝুঁকি যাই হোক না কেন আপনাকে থেরাপিউটিক লাইফ স্টাইল কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। এই স্টাইল ধাপে ধাপে একটি নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির মধ্যে আপনাকে অন্তর্ভুক্ত করবে, যেন আপনার জন্য এই নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করতে সুবিধা হয়। যেমন- প্রথম তিন মাসের চিকিৎসার লক্ষ্য হবে খাদ্য নির্বাচন ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এলডিএল কমিয়ে আপনার লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো। এই সময়ে আপনাকে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে, যেন প্রয়োজনে চিকিৎসার পরিবর্তন বা পরিমার্জন করা যায়।
কোলেস্টেরল কমাতে সাফল্যের জন্য থেরাপিউটিক লাইফ স্টাইল
থেরাপিউটিক লাইফ স্টাইল প্রোগ্রাম এলডিএল কমানোর জন্য একটি ধারাবাহিক রুটিন। আপনাকে হৃদস্বাস্থ্য উপযোগী খাদ্য খেতে হবে। আয়েসী জীবন ত্যাগ করতে হবে। আপনি আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে একত্রে বসে এলডিএল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবেন।
ডাক্তারের কাছে প্রথম ভিজিট রুটিন শুরু করুন
* সম্পৃক্ত চর্বি, ট্রান্স ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল কমিয়ে দিন।
* সহনীয় মাত্রায় শরীরচর্চা বা হাঁটাহাঁটি শুরু করুন।
* যদি ওজন বেশি থাকে তবে ক্যালরি গ্রহণ কমান, ফাইবার বা খাদ্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া শুরু করুন।
* ৬ সপ্তাহ পরে আবার ডাক্তার দেখান।
ডাক্তারের কাছে দ্বিতীয় ভিজিট এলডিএল মাপুন
* সম্পৃক্ত চর্বি, ট্রান্স ফ্যাট ও কোলেস্টেরল আরও কমিয়ে দিন।
* উদ্ভিজ্জ স্ট্যানল ও স্টেরল যুক্ত করুন।
* দ্রবণীয় ফাইবার বা খাদ্য আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন।
* ৬ সপ্তাহ পর আবার ডাক্তার দেখান।
ডাক্তারের কাছে তৃতীয় ভিজিট এলডিএল আবারো দেখুন
* প্রয়োজন হলে ওষুধ যুক্ত করুন।
* মেটাবোলিক সিনড্রোমের চিকিৎসা শুরু করুন, ওজন কমানো অব্যাহত রাখুন।
* ৪ থেকে ৬ মাস পরপর আপনার অগ্রগতি পরীক্ষা করুন।
Source: Internet

দয়া করে post টা শেয়ার করুন ৷ হয়তো কারো উপকারে অাসতে পারে ৷এই রোগের জন্য এই ঔষধ টা খুব ভালো কাজ করে ।
27/09/2017

দয়া করে post টা শেয়ার করুন ৷
হয়তো কারো উপকারে অাসতে পারে ৷এই রোগের জন্য এই ঔষধ টা খুব ভালো কাজ করে ।

Address

Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Friday 10:00 - 17:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Tips & News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram