Department of Pharmacy,Jahangirnagar University

Department of Pharmacy,Jahangirnagar University Pharmacist is highly professional and qualified personnel. Pharmacists are the key of health care no

ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী চলে গেলেন না ফেরার দেশে........আসুন এই ভালোবাসার মানুষটি সম্পর্কে কিছু জানি-রূপকথার মতো এক জীবন তা...
12/04/2023

ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী চলে গেলেন না ফেরার দেশে........

আসুন এই ভালোবাসার মানুষটি সম্পর্কে কিছু জানি-

রূপকথার মতো এক জীবন তাঁর। বিলাতে বিলাসি জীবন ফেলে এসে যোগদেন মুক্তিযুদ্ধে। রণাঙ্গনে ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন।
স্বাধীন দেশে তিনি হতে পারতেন দেশসেরা সার্জন অথবা চিকিৎসা সামগ্রীর শীর্ষ ব্যবসায়ী। কিন্তু তিনি আজীবনের যোদ্ধা। রণাঙ্গনের ফিল্ড হাসপাতালকে নিয়ে আসেন স্বাধীন দেশে। যার পরিবর্তিত নাম গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে হেনস্তাও জীবনে কম হতে হয়নি। কিন্তু তিনি থেমে যাননি।

তার প্রতিষ্ঠান থেকে তৈরি হয়েছে করোনা ভাইরাস শনাক্তের কিট। উনার হাসপাতালে নামমাত্র মূল্যে ডায়ালিসিস করা হয় সাধারণ রোগীদের।

১৯৪১ সালের ২৭শে ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাউজানে জন্ম হয়েছিল এক রাজকীয় পরিবারে। ছাত্রাবস্থায় তিনি চড়তেন ব্যক্তিগত গাড়িতে। ছিলো পাইলটের লাইসেন্স। লন্ডনে পড়ার সময় রাজকীয় দর্জি বাসায় এসে তার স্যুটের মাপ নিয়ে যেতো! এজন্য পরিশোধ করতে হতো অতিরিক্ত ২০ পাউন্ড।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বড় হয়েছেন ঢাকায়। তার বাবার শিক্ষক ছিলেন বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেন। পিতামাতার দশজন সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। পড়াশোনা করেছেন বকশীবাজার স্কুল, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা মেডিকেলে। ছাত্র ইউনিয়নের মেডিকেল শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ছাত্র অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দুর্নীতির বিরুদ্ধে করেছিলেন সংবাদ সম্মেলন।

১৯৬৪ সালে ডিএমসি থেকে এমবিবিএস ও ১৯৬৭ সালে বিলেতের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস থেকে জেনারেল ও ভাস্কুলার সার্জারিতে এফআরসিএস প্রাইমারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। কিন্তু চূড়ান্ত পর্ব শেষ না করে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে দেশে ফিরে আসেন। বৃটেনে প্রথম বাংলাদেশি সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিডিএমএ)’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক তিনি।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বাংলাদেশে ফেরার গল্পটি সিনেমার কাহিনীকে হার মানায়।

পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতার প্রতিবাদে লন্ডনের হাইড পার্কে যে কয়েকজন বাঙালি পাসপোর্ট ছিঁড়ে আগুন ধরে রাষ্ট্রবিহীন নাগরিকে পরিণত হয়েছিলেন তাদের একজন ডা. চৌধুরী। তারপর বৃটিশ স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে ‘রাষ্ট্রবিহীন নাগরিকের’ প্রত্যয়নপত্র নিয়ে সংগ্রহ করেন ভারতীয় ভিসা। শহীদ জননী জাহানারা ইমাম তার কালজয়ী সৃষ্টি ‘একাত্তরের দিনগুলি’র ১৬১-১৬২ পৃষ্ঠায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে নিয়ে লিখেছেন, ‘চেনা হয়ে উঠেছে ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ডা. এমএ মোবিন। এরা দুজনে ইংল্যান্ডে এফআরসিএস পড়ছিল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে বিলেতে চার বছর হাড়ভাঙা খাটুনির পর যখন এফআরসিএস পরীক্ষা মাত্র এক সপ্তাহ পরে, তখনই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু। ছেলে দুটি পরীক্ষা বাদ দিয়ে বাংলাদেশ আন্দোলনে অংশ নিলো, পাকিস্তানি নাগরিকত্ব বর্জন করলো, ভারতীয় ট্রাভেল পারমিট যোগাড় করে দিল্লিগামী প্লেনে চড়ে বসলো। উদ্দেশ্য ওখান থেকে কলকাতা হয়ে রণাঙ্গনে যাওয়া। প্লেনটা ছিল সিরিয়ান এয়ারলাইন্স-এর। দামাস্কাসে পাঁচ ঘণ্টা প্লেন লেট, সবযাত্রী নেমেছে। ওরা দুইজন আর প্লেন থেকে নামে না। ভাগ্যিস নামেনি। এয়ারপোর্টে এক পাকিস্তানি কর্নেল উপস্থিত ছিল ওই দুইজন ‘পলাতক পাকিস্তানি নাগরিককে’ গ্রেপ্তার করার জন্য।

প্লেনের মধ্য থেকে কাউকে গ্রেপ্তার করা যায় না, কারণ প্লেন হলো ইন্টারন্যাশনাল জোন। দামাস্কাসে সিরিয়ান এয়ারপোর্ট কর্মকর্তা ওদের দুইজনকে জানিয়েছিল- ওদের জন্যই প্লেন পাঁচ ঘণ্টা লেট। এমনিভাবে ওরা বিপদের ভেতর দিয়ে শেষপর্যন্ত মে মাসের শেষাশেষি সেক্টর টু রণাঙ্গনে গিয়ে হাজির হয়েছে।

যুদ্ধ যখন বিস্তার লাভ করে যুদ্ধক্ষেত্রে হতাহত যোদ্ধা, উদ্বাস্তু ও নির্যাতনের শিকার অসংখ্য নর-নারীর জরুরি চিকিৎসাসেবায় প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় একটি হাসপাতালের। মুক্তিযুদ্ধের ২ নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফ ও ভারতের জিবি হাসপাতালের প্রধান সার্জন ডা. রথিন দত্তের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের প্রথম জিএস ডা. এমএ মবিনকে নিয়ে আগরতলার বিশ্রামগঞ্জের মেলাঘরে হাবুল ব্যানার্জির আনারস বাগানে গড়ে তোলেন প্রথম ফিল্ড হাসপাতাল- ‘বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল’। হাসপাতালটির কমান্ডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছিলেন ডা. সিতারা বেগম বীরপ্রতীক। সেসময় প্রশিক্ষিত নার্স না থাকায় নারী স্বেচ্ছাসেবীদের প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ দেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। সে হাসপাতালের দুই স্বেচ্ছাসেবী ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল ও তার বোন সাঈদা কামাল। মুক্তিযুদ্ধের সময় অসংখ্য মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতাল। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল আতাউল গনি ওসমানীকে বহনকারী যে হেলিকপ্টারটি হামলার শিকার হয়েছিল তাতে অন্যদের মধ্যে ছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি বেছে নেন অতি সাধারণ জীবন। গ্রামে ফিরে গিয়ে স্বাস্থ্যযুদ্ধ শুরু করেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের ফিল্ড হাসপাতালটি গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র নামে গড়ে তুলেন কুমিল্লায়। পরে সেটা স্থানান্তর করেন ঢাকার অদূরে সাভারে। এ ‘গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র’ নামটি দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কেন্দ্রের ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডের জন্য বরাদ্দ দিয়েছিলেন প্রায় ৩১ একর জমি সরকারিভাবে। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর পাইলট প্রজেক্ট গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রাইমারি কেয়ার কনসেপ্ট মাঠে প্রমাণ করে এবং এর ভিত্তিতে হু আর ইউএনও আলমাআতা কনফারেন্সের মাধ্যমে গ্লোবাল ইউনিভার্সাল প্রাইমারি কেয়ার প্রকল্পের ঘোষণা দেয়। গ্লোবাল প্যারামেডিক যে কনসেপ্ট ও ট্রেইন্ড প্যারামেডিক দিয়ে মিনি ল্যাপারোটমির মাধ্যমে লাইগেশন সার্জারির উদ্ভাবক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এ সংক্রান্ত তার পেপারটি বিশ্ববিখ্যাত মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেট মূল আর্টিকেল হিসেবে ছাপা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মূল পেডিয়াটিক্স টেক্সট বইয়ের একটা চ্যাপ্টার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী লিখতেন অনেক বছর ধরে। দেশে-বিদেশে তার লেখা বই ও পেপারের সংখ্যা প্রচুর। প্রাইমারি কেয়ার নিয়ে লেখা তার সম্পাদিত ও প্রকাশিত একটি বই ‘যেখানে ডাক্তার নেই’-একসময় অবশ্য পাঠ্য ছিল বাংলাদেশের ঘরে ঘরে।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গঠনের লক্ষ্যে প্রথম বৈঠকটিতে সভাপতিত্ব করেছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। পরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রধান ছিলেন তিনি।

১৯৭৯ সাল থেকেই তিনি জাতীয় শিক্ষা কমিটির ও নারী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বাংলাদেশে শিক্ষা ও নারীনীতি প্রণয়নে। তবে গণস্বাস্থ্যের পর তার ম্যাগনাম ওপাস হচ্ছে ১৯৮২ সালের জাতীয় ঔষুধ নীতি। স্বাধীনতার পর স্বাস্থ্যখাতে যেটাকে বিবেচনা করা সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে। তার প্রচেষ্টায় আমদানি ওষুধের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২২৫। বর্তমানে ৯০ শতাংশ ওষুধই দেশে তৈরি হচ্ছে এবং বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে একটি ওষুধ রপ্তানিকারক দেশে।

একসময় 'সাপ্তাহিক বিচিত্রা’ ছিল এদেশের মধ্যবিত্তের মৌলিক একটি প্রকাশনা। সর্বোচ্চ প্রচারণা ছিল বিচিত্রার প্রধান হাতিয়ার। সত্তর দশকের বিচিত্রায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মওলানা ভাসানী প্রমুখ ছাড়া হাতেগোনা যে ক’জন বিচিত্রার প্রচ্ছদে স্থান পেয়েছিলেন- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী তাদের একজন। সোনালী ধানক্ষেতের ব্যাকগ্রাউন্ডে দাঁড়িয়ে আছেন ঝাঁকড়া চুলের তরুণ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এমন একটি ছবি প্রচ্ছদ করেছিল বিচিত্রা।

স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন সরকারের সময়ে মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব পেয়েও ফিরিয়ে দিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। কিন্তু অনুপ্রাণিত করেছেন বহু ভালো পদক্ষেপ গ্রহণে। তার পরামর্শে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের পক্ষে পাসপোর্ট ইস্যু করে বিলেতের এক লাখ বাঙালির কাছ থেকে আবু সাইয়িদ চৌধুরীর সংগ্রহ করেছিলেন ১০ লাখ পাউন্ড চাঁদা। বঙ্গবন্ধুকে বহুজাতিক কোম্পানির দুর্নীতির বিষয়ে অবহিত করে সমাজতান্ত্রিক দেশ থেকে ঔষুধ আমদানিতে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। বাকশালে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধুর অনুরোধ উপেক্ষা করেছিলেন। জিয়াউর রহমান মন্ত্রীত্বের প্রস্তাব দিলে বিএনপিতে স্বাধীনতা বিরোধী থাকায় চার পৃষ্ঠার চিঠির মাধ্যমে সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। ১৯৮০ সালে জিয়ার গড়া প্রথম জাতীয় মহিলা উন্নয়ন কমিটির দুই পুরুষ সদস্যের একজন হিসেবে প্রাথমিকে ৫০ শতাংশ মহিলা শিক্ষক ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ ছাত্রী নেয়ার সুযোগ করেছিলেন, যা কার্যকর হয়েছিল এরশাদ আমলে।

জিয়াউর রহমানের আমলে পুলিশে মহিলা নিয়োগ দেয়া শুরু হলে দেশের প্রথম দুই নারী পুলিশ হিসেবে নিয়োগ পান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মী হোসনে আরা ও চামেলী বেগম। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হতে উপেক্ষা করেছিলেন এরশাদের প্রস্তাব। তার পরামর্শেই এরশাদ আমলে পোস্টার, বিলবোর্ড বাংলায় লেখা ও সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন, উপজেলা ব্যবস্থা ও সফল জাতীয় ঔষুধনীতি ও জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি করেছিলেন।

তিনি করোনা যুদ্ধ করতে গিয়ে নিজেই আক্রান্ত হয়ে যান। উনাকে কিডনি সমস্যায় নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে হতো। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা সহ ছিলো আরো অনেক শারীরিক সমস্যা। সামান্য জ্বর-সর্দিতেও দেখি রাঘব বোয়াল থেকে শুরু করে দু' আনার চুনোপুঁটিরাও ছুটে যান ভারত, ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, লন্ডন, আমেরিকায় চিকিৎসা নিতে, এমনকি নিয়মিত স্বাস্থ্য চেক-আপ করাতে।
দেশকে কতোটা ভালোবাসলে উনার মতো একজন মানুষ বিদেশ তো দূরেই থাক, নিজের প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালের বাহিরে দেশের বড় কোনো হাসপাতালেও যাননি। লাইফ-সপোর্টে থেকে শেষপর্যন্ত পরপারে পাড়ি জমান এই মহান কর্মবীর ও মুক্তিযোদ্ধা।

দেশ বিদেশে তার কোন ফ্ল্যাট নেই। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া বাড়ি দান করে দিয়েছেন ছোট বোনকে। মরণোত্তর দেহ দান করেছেন। ফলে প্রয়োজন হবে না কোন দাফনের কাপড় কিংবা কবরের জমি। এই নির্মোহ মহান মানুষটির সম্পর্কে দলাদলির কারণে খিস্তিখেউড়ও হয়েছে অনেক। আমরা যেন বিবেককে একবার প্রশ্ন করি, সারাজীবন কী নিয়েছেন তিনি অকাতরে সব দেয়া ছাড়া?

স্যার স্যালুট আপনাকে। ওপারে ভালো থাকবেন।

-সংগৃহীত

25/09/2021

বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসের প্রত্যাশা:
স্বপ্নগুলো সত্যি হোক

আজ ২৫শে সেপ্টেম্বর। বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস। ইন্টারন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল ফেডারেশন (এফআইপি) কাউন্সিল তাদের ২০০৯ সালে তুরষ্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রতি বছর ২৫শে সেপ্টেম্বরে 'বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস' পালনের ঘোষনা দেয়। উদ্দেশ্য, এই পেশায় কর্মরত ব্যক্তিগণ বিশ্বময় স্বাস্থ্যসেবায় যে বহুমাত্রিক অবদান রেখে আসছে তার প্রতি বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এই দিনটিকে বেছে নেয়ার কারণ ছিল, ১৯১২ সালে এই দিনে বিশ্বের সব দেশের ফার্মাসিস্ট ও ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্টিস্টদের বৈশ্বিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল ফেডারেশন (এফআইপি) নেদারল্যান্ডসের হেগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এর যাত্রা শুরু করে।

ইন্টারন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল ফেডারেশনের আহ্বানে ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছর সারা বিশ্বে ফার্মেসি পেশাজীবীরা জনসাধারণকে স্বাস্থ্যসেবায় এই পেশার অবদান সম্পর্কে সচেতন করতে সভা-সেমিনার, শোভাযাত্রা, রক্তদান কর্মসূচি সহ নানাবিধ বর্ণাঢ্য আয়োজন ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এদিনটি পালন করে আসছে। প্রতি বছর এফআইপি এই পেশার এক একটি গুরুত্বপূর্ণ দিককে ফোকাস করে এই দিবস উপলক্ষে এক একটি থিম বা প্রতিপাদ্য ঘোষণা করে আসছে। এই ধারাবাহিকতায় এবারকার প্রতিপাদ্য ঘোষিত হয়েছে: “Pharmacy: Always Trusted for Your Health" (ফার্মেসি: আপনার স্বাস্থ্যের জন্য সদা বিশ্বস্ত)। এই থিম বেছে নেয়ার কারণ, এফআইপি মনে করে, আস্থা-বিশ্বাস মানুষের সব ধরণের পারষ্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার একটি অপরিহার্য উপাদান, সামাজিক সম্পর্কের একটি মূল উপাদান এবং স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের উপর আস্থার সাথে রোগীর স্বাস্থ্যগত অর্জনের একটি উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক রয়েছে।

বাংলাদেশে ফার্মেসি শিক্ষার সূচনা হয়, ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি বিভাগ খোলার মধ্য দিয়ে। এর প্রায় দু' দশকের অধিক সময় পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় ফার্মেসি বিভাগ খোলা হয়। এ ঘটনা ছিল অনেকটা থ্রেশল্ড-বৎ। কারণ, এর পরে অল্প সময়ের ব্যবধানে দেশে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি শিক্ষা চালু হয়। একটি সূত্র মতে, বর্তমানে ১৩টি সরকারি ও ২৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে ফার্মেসি শিক্ষা চালু রয়েছে, যারা গ্র্যাজুয়েট তথা 'এ' ক্যাটাগরির ফার্মাসিস্ট তৈরি করছে। এছাড়া, ১০টি সরকারি ও ২৮টি বেসরকারি হেল্থ ইনস্টিটিউট ডিপ্লোমা তথা 'বি' ক্যাটাগরির ফার্মাসিস্ট তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। উপরন্তু, বাংলাদেশের প্রায় ৫৮টি জেলায় ফার্মেসি সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। উক্ত কোর্স সম্পন্ন করে প্রশিক্ষণার্থীরা রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ফার্মেসি কাউন্সিল তাদের ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ফার্মেসি টেকনিশিয়ান হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করে।

ফার্মেসি একটি বহুমাত্রিক পেশা। বিশ্বময় স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন আঙ্গিকে ফার্মাসিস্টরা এক অতুলনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। আপনি যদি ছোট্ট করে বলতে চান, তাহলে বলতে পারেন ফার্মেসি কারিকুলামের উদ্দেশ্য, ওষুধের বিভিন্ন দিক ও আঙ্গিকের উপর দক্ষ এবং বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের জনবল তৈরি করা। এতদুদ্দেশ্যে, বৈশ্বিক পরিমন্ডলে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ৪ বছর মেয়াদি ব্যচেলর কিংবা ৫ বছর মেয়াদি ফার্ম.ডি. (ডক্টর অব ফার্মাসি) কোর্স অফার করে আসছে। এই দীর্ঘ পরিক্রমায় ফার্মেসির একজন ছাত্রকে ওষুধের ব্যবহার ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বিষয়ে ব্যাপক প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি ওষুধের মূল ও সহায়ক উপাদান আহরণ/ সংশ্লেষণ, বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ে ট্যাবলেট/ ক্যাপসুল ইত্যাদি প্রোডাক্ট তৈরি, মান নিয়ন্ত্রন, সংরক্ষণ, বিপণন, বিতরণ, ওষুধ ব্যবহারকালে রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ সহ ওষুধ সম্পর্কিত সব দিক ও আঙ্গিকের উপর দক্ষ করে তোলা হয়।

পেশাগতভাবে বিবেচনা করলে ফার্মাসিস্টদের কর্মক্ষেত্রসমূহকে ৩টি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়: ১. কমিউনিটি/ রিটেইল ফার্মেসি, ২. হাসপাতাল এবং ৩. ওষুধ শিল্প। বৈশ্বিক পর্যায়ে মোটা দাগে বলা চলে, ৮০-৮৫ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট কমিউনিটি ও হসপিটাল ফার্মেসিতে পেশাগত সেবা দিয়ে থাকেন, যেখানে তারা ডাক্তার ও রোগীর মাঝখানে সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করেন। ওষুধ সম্পর্কে ডাক্তার ও রোগী উভয়কেই বিশেষজ্ঞ সেবা দেয়ার পাশাপাশি ওষুধের যথার্থ প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ ও অপপ্রয়োগ রোধের গুরুত্বপূর্ণ কাজটি তাঁরাই করেন। দুর্ভাগ্যবশত: আমাদের দেশে এই কাজটি আঞ্জাম দেয়ার জন্য বর্তমান সময়ে বিপুল সংখ্যক গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট তৈরি হলেও নীতি-নির্ধারকদের যথেষ্ট মনোযোগ এবং একটি মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে এই অধিক্ষেত্রে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের অংশ গ্রহণ এখনও শুন্যের কোঠায়।

এ ব্যাপারে ফার্মাসিস্টরা বরাবরই সোচ্চার। তবে, আমরা যেভাবে আমাদের বক্তব্যগুলো তুলে ধরি, তাতে অনেকের এমন বিভ্রম হতে পারে যে, এটি স্রেফ পেশাজীবীদের মূল্যায়ন ও পদায়নের প্রশ্ন। যতক্ষন না আমরা জাতীয় স্বার্থে ও দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের প্রয়োজনে হাসপাতাল ও রিটেইল ফার্মেসিতে ফার্মাসিস্টদের যথোচিত ভূমিকা নিশ্চিতের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারছি, ততক্ষন ব্যাপক পরিসরে একটি আলোড়ন তোলা সম্ভবপর নাও হতে পারে।

আজকের দিনে এটাই হোক আমাদের মূল উপজীব্য।

সবাই ভাল থাকুন।

ড. মুহম্মদ দিদারে আলম মুহসিন
অধ্যাপক ও সভাপতি
ফার্মেসি বিভাগ, জাবি।

সরকারি হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগ ::গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস যাকে পশ্চিমা চিকিৎসা শাস্ত্রের জনক বলা হয়, তি...
17/04/2020

সরকারি হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগ ::

গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস যাকে পশ্চিমা চিকিৎসা শাস্ত্রের জনক বলা হয়, তিনিই প্রথম ওষুধের যুক্তিসঙ্গত পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন। হিপোক্রেটিসই চিকিৎসকদের জন্য ‘হিপোক্রেটিক ওথ’ চালু করেছিলেন, যা এখনও প্রাসঙ্গিক এবং আজ অবধি ব্যবহার হয়ে আসছে। রোগকে তখনই প্রথম Acute, Chronic, Endemic and Epidemic হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। আর এ রোগ নিরাময়ের জন্য প্রয়োজন যথাসময়ে যথার্থ ওষুধ। তার জন্য প্রয়োজন একটি পরিপূর্ণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা। ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট, নার্স- এ তিন পেশার সমন্বয় না ঘটলে কোনোভাবেই উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্ভব নয়। আমরা খুব ভালোভাবেই জানি, মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম একটি হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা। স্বাস্থ্যসেবাকে রাষ্ট্রের অন্যতম করণীয় হিসেবে চিহ্নিত করার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণমানুষের এই আকাক্সক্ষাটি বাংলাদেশের সংবিধানে সন্নিবেশিত করেছিলেন। ১৯৭২ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫(ক) অনুসারে জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব এবং অনুচ্ছেদ ১৮(১) অনুসারে জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্রের অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।

দেশে বর্তমানে জনগণ সরকারি ও বেসরকারি খাতে যে স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে, তা পরিসর ও গুণগত মানের দিক থেকে আরও উন্নত করা প্রয়োজন। জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ২০১১-এর মূলমন্ত্র ছিল ‘সবার জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা’। বর্তমানে দেশে ১৩ হাজার ৪৪২টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে (যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৭ শতাংশ) এবং এ সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে জনগণকে সীমিত নিরাময় সেবা, প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক সেবাসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা; অসংক্রামক রোগ শনাক্তকরণ এবং জরুরি ও জটিল রোগীদের রোগ শনাক্ত নিশ্চিতকরণ ও যথাযথ ব্যবস্থাপনার জন্য উচ্চতর সেবা কেন্দ্রে রেফার করা হচ্ছে। দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মা ও শিশু নিকটস্থ কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সেবা গ্রহণ করছে। বিভিন্ন গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, গ্রামীণ জনগণ কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবায় সন্তুষ্ট। বর্তমানে সমগ্র দেশে মাসে গড়ে ৯৫ লাখ থেকে ১ কোটি সেবাগ্রহীতা কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিয়ে থাকেন। ১৯৭৬ সালে ফার্মেসি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ফার্মেসিকে একটি পেশাগত বিষয় এবং ফার্মাসিস্টদের পেশাজীবী হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যসেবায় ডাক্তার ও নার্সের ভূমিকা যেমন অপরিসীম, ঠিক তেমনিভাবে ওষুধের সংরক্ষণ, গুণগতমান, সঠিক ওষুধ নির্বাচন ও ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণের জন্য স্বাস্থ্যসেবায় গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টের ভূমিকাও অপরিহার্য। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ও রূপকল্প-২০২১ অর্জনের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতায় ৯ হাজার ৫৯৮টি পদে সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ-পদায়ন করা হয়েছে। আরও চার হাজার সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং ৬০০ মিডওয়াইফ নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ০২ মে ২০১৭ তারিখে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৩৭৮ জন সহকারী সার্জন এবং ৬৭ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দেয়া হয়। এ ছাড়া ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের লক্ষ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন প্রদান করেছেন। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৪ হাজার ৮৯২ জন চিকিৎসক নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টরা নিজেদের পেশাগত দক্ষতা দিয়ে ওষুধ শিল্প (উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, মানের নিশ্চয়তা বিধান, গবেষণা ও উন্নয়ন, বিপণন, উৎপাদন পরিকল্পনা, ডিসপেন্সিং, রেগুলেটরি অ্যাফেয়ারস, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ও রফতানি), সরকারি সংস্থা, বেসরকারি হাসপাতাল, কমিউনিটি ফার্মেসি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, ওষুধ শিল্পের বিকাশে আমূল পরিবর্তন। বর্তমানে দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশ ওষুধ দেশে উৎপাদন হচ্ছে এবং ১৮২টি দেশে ওষুধ রফতানি হচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে ওষুধ রফতানির পরিমাণ ও ওষুধ আমদানিকারী দেশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ওষুধ শিল্পকে সামগ্রিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সরকার ঢাকার অদূরে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় একটি এপিআই পার্ক স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া ভেজাল ওষুধ নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত আছে।

বর্তমানে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টরা দেশের অনেক বড় বড় ওষুধ কোম্পানিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ওষুধের অপব্যবহার রোধ ও যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য দেশে মডেল ফার্মেসি চালু করা হয়েছে। মডেল ফার্মেসিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টরা ওষুধ সংরক্ষণ, ডিসপেন্স এবং ওষুধ সম্পর্কে তথ্যাদি দেয়ার পাশাপাশি ওষুধ সেবনবিধি সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছে। বর্তমানে ২০০টির অধিক মডেল ফার্মেসিতে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টরা কাজ করে যাচ্ছে। তাদের ‘ফার্মেসি ইন-চার্জ/ফার্মেসি ম্যানেজার’ হিসেবে পদায়নের জন্য ফার্মেসি কাউন্সিল উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এ ছাড়া এ দেশের কিছুসংখ্যক বেসরকারি হাসপাতালে ইতিমধ্যে উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা তথা ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টরা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে আসছে। আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ‘হসপিটাল ফার্মাসিস্ট’ ছাড়া গুণগত স্বাস্থ্যসেবা দেয়া আদৌ সম্ভব নয়। আমাদের দেশে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট ছাড়াই ওষুধ সংরক্ষণ, ডিসপেন্সিং ও ওষুধ বিতরণ করা হয়ে থাকে। গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট হাসপাতালে নিযুক্ত হলে এ দেশের হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স ও গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টরা তাদের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সংস্থায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা এবং তাদের পদোন্নতির সুযোগ করে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও উন্নতকরণের বিষয়টি এখন সময়ের দাবি। ২০০৭ সালের তথ্য অনুসারে দেশে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৭৬০, যা বর্তমানে ১৩ হাজার ৪০০। বর্তমানে ১২টি সরকারি ও ২৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর গড়ে চার হাজার ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে এবং বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল থেকে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট হিসেবে রেজিস্ট্রেশন পাচ্ছে। তবে দেশের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের কর্মক্ষেত্র বিস্তৃত হচ্ছে না।

আমরা জানি, জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ২০১১-এর ২৪নং অনুচ্ছেদে স্বাস্থ্যবিষয়ক মানবসম্পদ থেকে জ্ঞান ও দক্ষতার সর্বোচ্চ সুফল অর্জনের লক্ষ্যে সর্বস্তরের জন্য একটি সঠিক ও চাহিদাভিত্তিক মানবসম্পদ উন্নয়ন পদ্ধতি গড়ে তোলা এবং চাহিদা অনুযায়ী স্বাস্থ্য জনশক্তির সব স্তরে নিয়োগ, পদোন্নতি, পদায়ন ও বদলির নীতিমালা বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

তাছাড়া জাতীয় ওষুধনীতি ২০১৬-এর ৪.৩ অনুচ্ছেদে ওষুধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ৪.৩ অনুচ্ছেদের ‘ঙ’ উপ-অনুচ্ছেদে দেশে পর্যায়ক্রমে সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে আন্তঃবিভাগ ও বহির্বিভাগে ‘হসপিটাল ফার্মেসি’ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিভিন্ন দেশের হাসপাতালে কর্মরত ফার্মাসিস্টদের তুলনামূলক বিবরণী :

মালয়েশিয়া : ফার্মাসিস্ট ও জনসংখ্যার আনুপাতিক হার=১:২৩১৫

সিঙ্গাপুর : ফার্মাসিস্ট ও জনসংখ্যার আনুপাতিক হার=১:২১৩০

ইংল্যান্ড : ফার্মাসিস্ট ও জনসংখ্যার আনুপাতিক হার=১:১০০০

এ অবস্থায় দেশে সরকারি হাসপাতালগুলোয় (জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল) ওষুধের নিরাপদ সংরক্ষণ, ওষুধের অপব্যবহার রোধ ও যৌক্তিক ব্যবহারে ফার্মাসিস্টের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রান্তিক পর্যায়ে ওষুধ বিপণন ও ডিসপেন্সিং ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোয় উন্নততর বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে বহির্বিভাগ ফার্মেসিতে একজন গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট ও আন্তঃবিভাগে প্রতি ৫০ শয্যার বিপরীতে একজন গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগদান এবং নিয়োগকৃত ফার্মাসিস্টদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে জনশক্তির সব স্তরে পদোন্নতির লক্ষ্যে হাসপাতাল ফার্মেসিতে নিন্মলিখিত পদবিন্যাস করা যেতে পারে। এ পদবিন্যাসের ফলে স্বাস্থ্যব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন হবে অনেকটা ম্যাজিকের মতো।

ধাপ পদের নামকরণ

১ ফার্মাসিস্ট (ক্লিনিক্যাল)/ফার্মাসিস্ট (ফার্মেসি ইন-চার্জ)

২ সিনিয়র ফার্মাসিস্ট (ক্লিনিক্যাল)

৩ উপ-প্রধান ফার্মাসিস্ট

৪ প্রধান ফার্মাসিস্ট

মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম ‘স্বাস্থ্যসেবা’কে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে জনস্বার্থে বিষয়টি খুবই জরুরি। বর্তমান স্বাস্থ্যব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনের জন্য সরকার অনেক যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ডিজি, হেলথের অধীনে ‘ডাইরেক্টরস ফার্মাসিউটিক্যাল সার্ভিসেস’ গঠন করে একজন পরিচালকের নেতৃত্বে এ কার্যকর প্রতিষ্ঠান গঠন করা যেতে পারে। পৃথিবীর উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার দেশগুলো এটা অনেক আগে থেকেই করে আসছে (http://binfar.kemkes.go.id/en/unit-kerja-dan-pejabat/yanfar/ #.WkZWPSOWYdU)।

প্রস্তাবিত পদবিন্যাসের আলোকে হাসপাতালগুলোয় হসপিটাল ফার্মাসিস্ট নিয়োগ ও কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীন একটি পরিচালক (হসপিটাল ফার্মেসি) সৃষ্টি করে দুটি উপ-পরিচালক ও চারটি সহকারী পরিচালকের পদ সৃষ্টি করাসহ জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট নিয়োগ করা খুবই জরুরি। আমরা নিশ্চিত এ রকম একটি সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

এম মোসাদ্দেক হোসেন : সহসভাপতি, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল

সুভাষ সিংহ রায় : সাবেক সহসভাপতি, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল

https://www.jugantor.com/todays-paper/sub-editorial/7339/%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF?fbclid=IwAR2ZqV183AYKW2eZB-J5_ajRv6cALlBeo5EwX_CwXMAqmvbQCjGWsqSLq9A

Implementing the policy formulation and implementation, drafting norms, standard, procedure, and criteria, and the granting of technical guidance and supervision, and monitoring, evaluating, and reporting in the field of pharmaceutical services in accordance with the statutory legislation.

'World Pharmacist Day-2019'এ বছরের প্রতিপাদ্য  "Safe and effective medicines for all”প্রতিপাদ্যের মূল লক্ষ্য "to promote...
24/09/2019

'World Pharmacist Day-2019'

এ বছরের প্রতিপাদ্য "Safe and effective medicines for all”

প্রতিপাদ্যের মূল লক্ষ্য "to promote pharmacists’ crucial role in safeguarding patient safety through improving medicines use and reducing medication errors"

এ অঞ্চলে, রোগীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার রক্ষাকবচ হিসেবে ফার্মাসিস্টদের অবস্থান আরো উন্নত হোক সে আশা ব্যক্ত করি।

আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্র...
15/02/2019

আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) ও ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। ১ম বর্ষে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের এই মুহূর্তে হলে সিট বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হবে না। তবে তাদের বিভিন্ন হলে সংযুক্ত করা হবে। পরবর্তীতে হলে আসন শূন্য হওয়া সাপেক্ষে স্ব স্ব হল প্রভোস্ট পর্যায়ক্রমে তাদের জন্য সিট বরাদ্দের ব্যবস্থা করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ছাত্র-ছাত্রীদের এই মুহূর্তে হলে সিট বরাদ্দ করা সম্ভব হবে না বিধায় ঢাকা থেকে এসে তাদের ক্লাস করার সুবিধার্থে সাময়িকভাবে শুধুমাত্র ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বাসের ব্যবস্থা থাকবে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়ে ১০ অক্টোবর (সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) পর্যন্ত চলে। প্রায় দুই হাজার আসনের বিপরীতে তিন লাখ ২২ হাজার ৯৪৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল।

06/12/2018




Alcoholism: is known as alcohol dependence and alcohol use disorder. It occurs when you drink so much that your body eventually becomes dependent on or addicted to alcohol. When this happens, alcohol becomes the most important thing in your life.

People with alcohol use disorder may engage in the following behaviors:
drinking alone
drinking more to feel the effects of alcohol (having a high tolerance)
becoming violent or angry when asked about their drinking habits
not eating or eating poorly
neglecting personal hygiene
missing work or school because of drinking
being unable to control alcohol intake
making excuses to drink
continuing to drink even when legal, social, or economic problems develop
giving up important social, occupational, or recreational activities because of alcohol use.

"Alcohol dependency develops when you drink so much that chemical changes in the brain occur."

People with alcoholism may also experience the following physical symptoms:
alcohol cravings
withdrawal symptoms when not drinking, including shaking, nausea, and vomiting
tremors (involuntary shaking) the morning after drinking
lapses in memory (blacking out) after a night of drinking
illnesses, such as alcoholic ketoacidosis (includes dehydration-type symptoms) or cirrhosis (scarring) of the liver.

It can also lead to other health complications, including:

bleeding in the gastrointestinal (GI) tract
damage to brain cells
cancer in the GI tract
dementia (memory loss)
depression
high blood pressure
inflammation of the pancreas (pancreatitis)
nerve damage
changes in mental status, including Wernicke-Korsakoff syndrome (a brain disease that causes symptoms such as confusion, vision changes, or memory loss)

02/12/2018




Today a common problem is insomnia and/or complain of poor sleep. A large portion of teenage and older person frequently face this problem. To treat this problem first choice of the medicine is 'sleeping pills'.

Most sleeping pills are classified as "sedative hypnotics." That's a specific class of drugs used to induce and/or maintain sleep. Sedative hypnotics include benzodiazepines, barbiturates, and various hypnotics.

A sleeping pill may be effective at ending your sleep problems short-term. But it's important to make sure you understand everything you need to know about sleeping pills. That includes knowing about sleeping pill side effects. When you do, you can avoid misusing these sedatives.

In Bangladesh, a growing generation become highly addicted to sleeping pills for removing tension or with a passion. Sometimes only for misunderstanding with loved one he/she try to su***de with overdose of sleeping pills.

From our database we know that a large number of searching keyword is about sleeping pill in Bangladesh. It's a negative signal for our society. So we should be alert about this alarming condition.

Most common side effects of Sleeping Pills:

Burning or tingling in the hands, arms, feet, or legs
Changes in appetite
Constipation
Diarrhea
Headache
Heartburn
Impairment the next day
Mental slowing or problems with attention or memory
Stomach pain or tenderness
Uncontrollable shaking of a part of the body
Difficulty keeping balance
Dizziness
Daytime drowsiness
Dry mouth or throat
Gas
Unusual dreams
Weakness

জাবি ২০১৮-১৯ সেশনে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচী:https://ju-admission.org
24/09/2018

জাবি ২০১৮-১৯ সেশনে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচী:

https://ju-admission.org

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন ইউনিটভিত্তিক সম...
19/09/2018

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন ইউনিটভিত্তিক সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) মো. আবু হাসান জানান, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবর ‘এ’ ইউনিটের (গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি ১ অক্টোবর ‘এইচ’ ইউনিটের (ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি তথা আইআইটি) পরীক্ষা হবে।

২ ও ৩ অক্টোবর ‘ডি’ ইউনিটের (জীববিজ্ঞান অনুষদ); ৩ অক্টোবর ‘আই’ ইউনিটের (বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট) ভর্তি পরীক্ষা হবে। ৪ অক্টোবর ‘বি’ ইউনিট (সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ), ৮ অক্টোবর ‘সি’ ইউনিট (কলা ও মানবিক অনুষদ) ও ৯ অক্টোবর ‘সি-১’ ইউনিটে (নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ এবং চারুকলা বিভাগ) পরীক্ষা হবে এবং ‘এফ’ ইউনিটের (আইন অনুষদ) পরীক্ষা হবে। সর্বশেষ ১০ অক্টোবর ‘জি’ ইউনিট (ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, আইবিএ-জেইউ) ও ‘ই’ ইউনিটের (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। কোনো দিন পাঁচটি, আবার কোনো দিন ছয়টি শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে।

এদিকে, প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছে ৩ লাখ ২২ হাজার ৯৪৬ জন শিক্ষার্থী। এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ ইউনিটে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ‘এ’ ইউনিটে আবেদন করেছে ৬৪ হাজার ৭১০ জন, ‘বি’ ইউনিটে ৩৬ হাজার ৪৪৭ জন, ‘সি’ ইউনিটে ৪৯ হাজার ৪৯০ জন, ‘সি ১’ ইউনিটে ৯ হাজার ৬৩০ জন, ‘ডি’ ইউনিটে ৭২ হাজার ৯৫৩ জন, ‘ই’ ইউনিটে ২০ হাজার ১২৩ জন, ‘এফ’ ইউনিটে ৩২ হাজার ৬৮০ জন, ‘জি’ ইউনিটে ১০ হাজার ৫৮ জন, ‘এইচ’ ইউনিটে ১৮ হাজার ৬৯০ জন ও ‘আই’ ইউনিটে ৮ হাজার ১৬৫ জন শিক্ষার্থী। এবার প্রতি সিটের বিপরীতে লড়ছে ১৭০ জন ভর্তিচ্ছু।

জাবি সংবাদদাতা ॥ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা...

06/05/2018
06/05/2018

For the first time in history Department of Pharmacy, Jahangirnagar University is going to arrange "JU Pharma Fest 2018". "Your health, Our concern" is the motto of this pompous event which will be held on 12 May 2018, at Zahir Raihan Auditorium, Jahangirnagar University.

This day long program will comprise of scientific seminar, pharma olympiad, poster presentation and stall exhibition. There will be the scope of free blood pressure, blood group and diabetic checkup followed by a refreshing cultural evening.

Participants from different universities all around the country will be in contention to demonstrate their excellence in pharma Olympiad and Poster presentation. Their capabilities will be judged on their ingenuity, brilliance and knowledge on different sectors of pharmaceutical sciences. This event will provide a common platform for the aspiring future pharmacists of Bangladesh to share their ideas and experiences with each other. They will get an excellent opportunity to participate as well as witness an event of this caliber.

We, the Pharma Family of Jahagirnagar University, welcome you to be a part of this grandiose event.

Address

Jahangirnagar University, Savar
Dhaka
1342

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

88027791045

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Department of Pharmacy,Jahangirnagar University posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Department of Pharmacy,Jahangirnagar University:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram