26/11/2025
তৌহিদি জনতা আসলে নবী সাঃ এর ইন্তেকালের সময় থেকেই সংগ্রামী ভুমিকা পাল করে আসছে,,,যেমনঃ
১/ রাসুল সাঃ ইন্তেকালের সময় তিন দিন ওনারাসংগ্রামে ব্যস্ত ছিলেন।তাই উনার দাপন কাফন তিন দিন পর হয়েছিলো।
২/ খলিফা ওমর রাঃ এর শাসন কালে এই তৌহিদি জনতা বিদ্রুহ করে এবং নামাজ রত অবস্থায় তাকে হত্যা করে।
৩/তার পর খলিফা ওসমান রাঃ কে এই তৌহিদি জনতা স্বজন প্রিতির অপবাধ দিয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এবং হত্যা করে।
৪/তার পর আলী রাঃ বিরুদ্ধে এই তৌহিদি জনতা মোয়াবিয়ার প্ররোচনায় বিদ্রোহ করে এবং,
(ক)সিফফিনের যুদ্ধ
(খ) উষ্ঠির যুদ্ধ
(গ) জাংগে জামাল যুদ্ধে ৭০ হাজারের অধিক মুষলিম হত্যা করা হয়।
৫/এই তৌহিদী জনতা হযরত আলী রাঃ কে কুফার মসজিদে নামাজ রত অবস্থায় হত্যা করে।
৬/ তার পর এই তৌহিদী জনতা ইমাম হাসানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং এক পর্যায়ে ষড়যন্ত্র করে বিষ খাওয়া তাকে হত্যা করে।
৭/ তার পর এই তৌহিদী জনতা ইমাম মুসলিম বিন আকিল কে হত্যা করে।
৮/ তার পর এই তৌহিদী জনতা ইমাম হোসাইকে ৭০ জন সফর সঙ্গী সহ কারবালার প্রান্তরে হত্যা করে এবং দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে,লাশের উপর দিয়ে ঘোড়া দৌড়ায়ে দেহ গোলো ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে ফেলার পর তৌহিদী জনতা আসরের নামাজ আদায় করে।
৯/ তার পর এই তৌহিদি জনতা হোসাইনের অনুসারী মোক্তার সাকাফিকে ৭০০০ সৈন্য সহ হত্যা করে।
১০/ এই তৌহিদী জনতা হোসাইন ইবনে নোমায়ের এর নেতৃত্বে মদিনায় হামলা করে নবী সাঃ এর রওজা ভাংচুর করে এবং মক্কার দিকে এসে পবিত্র কাবা গৃহে আগুন দেয়।
উপরের সমস্ত ঘটনায় কোন অমুসলিম বা নাস্তিক বা কাফের কেউ ঘটায়নি।
সবাই মুসলিম তৌহিদী জনতা ছিলো।(সংগৃহীত)