Leukemia Blood Club

Leukemia Blood Club (Drop a Blood, Save a Life).........................................
"কেউ ভেবোনা রক্ত নিয়া,
আমরা আছি লিউকেমিয়া"

LEUKEMIA BLOOD CLUB
লিউকেমিয়া ব্লাড ক্লাব
মিরপুর, ঢাকা
যোগাযোগঃ 01554-500390
ই-মেইলঃ leukemiabloodclub@gmail.com
লিংক ওয়েবসাইটঃ www.facebook.com/leukemiabloodclub
Facebook Group:www.facebook.com/groups/leukemiabloodclub
# "Blood" মানে "রক্ত" । বিন্দু বিন্দু রক্তেই -পরিণত মানব জীবন । সুতরাং বলা যায় যে,''রক্ত'' শব্দটি আমাদের মাঝে বহুল পরিচিত । রক্ত আমাদের সবার দেহে সর্বদাই বিরাজমান । রক্ত ছাড়া মানব দেহকে কখনোই কল্পনা করা যায় না । রক্তই বয়ে আনে মানব দেহের এক পূর্ণ জীবন । রক্ত না হলে হয় যে মরণ । তাই, রক্ত সবার দেহে এক বিশাল গুরুত্নপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । তবুও রক্ত শব্দটির সাথে সবার মনে এক ধরনের জড়তা লেগেই থাকে । "আপনাকে রক্ত দিতেই হবে"---এ রকম উক্তি আসলেই আতঙ্কের মাত্রাটা এক পদ পিছু হটে । তারপরও আমাদের নানাভাবে রক্ত দিতে হয় । যেমন- লিউকেমিয়া, থ্যালাসেমিয়া এবং অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে । আপনার পরিবারের যে কোন অপারেশন এবং দুর্ঘটনা জনিত কারণে জরুরী ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন হতে পারে ।

তাই, বিশ্ব মানবতাকে বিপন্নের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যে এবং অসহায় পীড়িত মানুষের হাহাকার দূরীকরণে সবাইকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসা উচিত । এর মাধ্যমেই সামাজিক মূল্যবোধ ও মানবতাবোধ সৃষ্টি করা সম্ভব ।

এই লক্ষ্যে আমাদের কর্মসূচী গুলো হল--

* স্বেচ্ছায় রক্তদাতা সংগ্রহ করা ।
* সংকটপূর্ণ মুহূর্তে রক্ত সরবরাহের ব্যবস্থা করা ।
* স্বেচ্ছায় রক্তদানে সচেতনতা বৃদ্ধিকরণমূলক অনুষ্ঠান করা ।
* রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা ।
* জাতীয় দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ।
* ফ্রি মেডিকেল চেক আপ করা ।

About Blood..........
16/04/2018

About Blood..........

সকলকে শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ এর শুভেচ্ছা
14/04/2018

সকলকে শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ এর শুভেচ্ছা

কার ব্লাড গ্রুপ কি বলবেন প্লিজ.....মানবতার সেবায় আপনাকে কল করা হবে
10/04/2018

কার ব্লাড গ্রুপ কি বলবেন প্লিজ.....
মানবতার সেবায় আপনাকে কল করা হবে

অাজ ৭ এপ্রিল "লিউকেমিয়া ব্লাড ক্লাব" ৫ম জম্মদিন.......এই পথচলায় আমাদের সাথে যারা ছিলেন, আছেন ও থাকবেন.....সবাইকে আন্তরিক...
07/04/2018

অাজ ৭ এপ্রিল "লিউকেমিয়া ব্লাড ক্লাব" ৫ম জম্মদিন.......এই পথচলায় আমাদের সাথে যারা ছিলেন, আছেন ও থাকবেন.....সবাইকে আন্তরিক ভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন.....

আসছে ভয়ঙ্কর জ্বর ‘সিসিএইচএফ’, চোখ থেকে রক্ত বেরিয়ে মৃত্যু – জানুন এবং সাবধান হনআসছে ভয়ঙ্কর জ্বর- ‘ক্রিমেন কঙ্গো হেমোরেজি...
04/04/2018

আসছে ভয়ঙ্কর জ্বর ‘সিসিএইচএফ’, চোখ থেকে রক্ত বেরিয়ে মৃত্যু – জানুন এবং সাবধান হন

আসছে ভয়ঙ্কর জ্বর- ‘ক্রিমেন কঙ্গো হেমোরেজিক ফিভার’-সিসিএইচএফ নামে এক ভয়ঙ্কর জ্বর মহামারীতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ জ্বরে আক্রান্ত হলে চোখ দিয়ে অনর্গল রক্ত বের হয়ে মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।

জানা গেছে, কোনো এক অপরিচিত পোকার কামড় অথবা এ পোকার কামড়ে সংক্রমিত কোনো পশুর মাংস খেলে এ রোগ মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

আর এতে আক্রান্ত হলে প্রবল জ্বরের সঙ্গে বমি, পেশিতে ব্যথা, ডায়রিয়া এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তক্ষরণ হতে থাকে।

এরই মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি মেয়ে ‘ক্রিমেন কঙ্গো হেমোরেজিক ফিভারে’ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। চোখ দিয়ে অনর্গল রক্ত বের হয়ে তার মৃত্যু হয়। এ ছাড়া উগান্ডাতেও কয়েক দিন আগে একই ভাবে আরও দুজন মারা গেছেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই রোগ এ বছরই মহামারীতে পরিণত হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ রোগের কোনো প্রতিষেধক তৈরি করা সম্ভব হয়নি।

আগামি ৫-৭ দিনের মধ্যে এই মেয়েটির(তোয়া) জন্য প্রচুর blood লাগবে।আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন ছবির এই মেয়েটি(তোয়া) Aplastic An...
02/04/2018

আগামি ৫-৭ দিনের মধ্যে এই মেয়েটির(তোয়া) জন্য প্রচুর blood লাগবে।আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন ছবির এই মেয়েটি(তোয়া) Aplastic Anemia নামক বিরল রোগে আক্রান্ত। ওর WBC,RBC,Platelet একেবারে কমে গেছে । একজন সুস্থ মানুষের প্লাটিলেট যেখানে ১৫,০০,০০০ থেকে শুরু হয় সেখানে তোয়ার প্লাটিলেট অনেক কম । blood দিলে Platelet বাড়ে আবার ২-৩ দিন পর blood নষ্ট হয়ে যায়।তোয়ার শরীরে প্লাটিলেট উৎপন্ন বন্ধ হয়ে গেছে । তাই ডাক্তার ওকে ৫টি ইনজেকশণ দিবে । একেকটা ইনজেকশণ এর দাম প্রায় ১ লাখ টাকার উপরে। এক টানা ৫ দিন ইনজেকশণ দিতে হবে। ইনজেকশণ দেয়া দিন গুলিতে তোয়ার Platelet থাকতে হবে প্রতিদিন ২লাখ এর উপরে ।তাই টানা ৫ দিন তোয়াকে প্রচুর blood দিতে হবে। হয়তো আপনাদের রক্তের বিনিময়ে তোয়ামনি বেচে যেতে পারে ।আর ডোনার রেডি না হলে তোয়াকে ইনজেকশণ দেয়া যাবে না। ।আর ইনজেকশণ না দিলে হোয়তো তোয়াকে বাঁচানো যাবে না।
Blood Group : O Positive.
Phone number : 01715457497(father) 01743412360(akash- patient relative)
দয়া করে আপনারা তোয়াকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন।
আহছানিয়া মিশন ক্যানসার এন্ড জেনারেল হাসপাতাল
মিরপুর-১৩
৫ম তলা, শিশু ওয়ার্ড
ওর অবস্থা খুব খারাপ। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।

25/03/2018

#রক্ত_দেয়ার_পর_নিজের_সতর্কতাঃ
- রক্তদানের পর অতিরিক্ত ৪ গ্লাস পানি পান করুন।
-রক্তদানের ১ ঘন্টার মধ্যেই আক্রান্ত স্থানের মোড়ানো ব্যান্ডেজ খুলে ফেলুন। এর পরিবর্তে ছোট স্ট্রাইপ ব্যান্ডেজ ব্যবহার করুন।
-স্কিন র‍্যাশ এড়িয়ে যাওয়ার জন্য স্ট্রাইপ ব্যান্ডেজের চারপাশ সাবান ও পানি দিয়ে পরিষ্কার রাখুন।
-রক্ত দেয়ার পড়ে ভারী কিছু উঠানো বা ভারী ব্যায়াম না করাই উচিৎ।
-সুঁই ফোটানোর স্থান দিয়ে যদি রক্ত পরে তাহলে সেখানে চাপ দিন এবং হাত উপরের দিকে উঠিয়ে রাখুন ৫-১০ মিনিট অথবা যতক্ষণ পর্যন্ত না রক্তপাত বন্ধ হয়।
-যদি রক্ত দেয়ার পরে আপনার মাথা ঘোরায় তাহলে আপনি যে কাজ করছিলেন তা করা থেকে বিরত থাকুন। মাথা ঘোরানো বন্ধ করার জন্য শুয়ে থাকুন।

24/03/2018

অত্যন্ত জরুরীভাবে,
একজন মুমূর্ষু রোগী এপোলো হাসপাতালে আইসিইউ তে আছেন, উনার জন্য #১৪ #ব্যাগ #বি #পজিটিভ রক্তের প্রয়োজন ...
অনুগ্রহ করে যোগাযোগ করুন - 01819128630 (জুনায়েদ)

Happy New Year 2018............
31/12/2017

Happy New Year 2018............

27/12/2017

অভিশাপ
ছোট বউ প্রেগন্যান্ট। ওমা বলে কি!!! ছোট বউ প্রেগন্যান্ট হোল কি করে!! বাড়ীর সবার মধ্যে কানাঘুষা আর গুঞ্জন শুরু হয়ে গেল। তিন বউ এর মধ্যে সব চেয়ে ছোট রাবেয়া। সুন্দরী, সদাহাস্যময়ী, চঞ্চল রাবেয়া বাড়ীতে সবার কাছেই খুব আদরের। বিশেষ করে শ্বশুর শ্বাশুরীর কাছে আদরের ছোট ছেলের বউ হিসেবে তার আদরের সীমা নেই। সেই শ্বাশুরীও রাবেয়াকে দেখে মুখ ঘুরিয়ে নিল। খুব কড়া কন্ঠে ছেলেকে বলে দিল একটা বিহিত করতে। ওর মত নষ্ট মেয়েকে সে আর এ বাড়ীতে দেখতে চায় না। রায়হান কোন কিছুই মিলাতে পারে না। কি করে সম্ভব! রাবেয়ার মত মেয়ে কিছুতেই খারাপ কিছু করতে পারে না এই বিশ্বাসের সাথে বাস্তবতার সংঘর্ষে রায়হানের মাথা ঘুরতে থাকে।
আলীম সাহেবের তিন ছেলে দুই মেয়ে। দুই মেয়েরই বিয়ে হয়ে গেছে। তাদের বাচ্চা কাচ্চাও হয়েছে। কিন্তু তিন ছেলের কারুরই কোন বাচ্চা নেই। শহরে গিয়ে ছেলেদের পরীক্ষা করিয়েছেন। তিনজনার বেলাতেই ডাক্তার একই কথা বলেছেন। বাচ্চা হওয়া সম্ভব নয়। গ্রামের রক্ষনশীল পরিবার। কেন তিন ছেলের কারুরই বাচ্চা হচ্ছে না, তিনজনার বেলাতেই বউদের সমস্যা না হবারই কথা। ছেলেদের নিয়ে গেলেন মাজার শরীফে। খাদেম স্পষ্ট বলে দিল যে পরিবারের প্রতি কোন অভিশাপের ফল, এই বংশের আর বংশ বৃদ্বি হবে না।
সময় অনেক গড়িয়ে গেছে। বউদেরও বয়স হয়ে গেছে। প্রাকৃতিক নিয়মেই বড় দুই বউ এর বাচ্চা হবার সম্ভাবনা শেষ। রাবেয়া এই ৩৮ বছর বয়সে কেমন করে প্রেগন্যান্ট হয়ে গেল নিজেরও বোধে আসে না। প্রেগন্যান্টইতো। শুধু যে মাসিক বন্ধ তাতো নয়। প্রচন্ড বমি বমি ভাবতো আছেই। কাজের ছেলেটাকে দিয়ে শহরের দোকান থেকে প্রেগন্যান্সি টেস্টের কিট আনায়।তাতেও প্রেগন্যান্সি পজিটিভ। রাবেয়ার দৃঢ় বিশ্বাস ঐসব অভিশাপ টভিশাপ কিচ্ছু না। আর ডাক্তারের ডায়াগোনোসিস ওতো ভুল হতে পারে। রায়হানকে কনভিন্স করার চেষ্টা করে। বোঝাতে চায় আল্লাহ্‌ যদি অভিশাপের জন্য বাচ্চা না দিয়ে থাকে আশির্বাদেতো দিতেও পারে। বিবি মরিয়মের হয়েছেনা?
রায়হান বিশ্বাস অবিশ্বাসের সংকটে সাত পাঁচ ভাবতে থাকে। বাসায় ১৮-২০ বছরের কাজের ছেলেটা ছাড়া আর কোন লোকের সংস্পর্শের সম্ভাবনা নেই। ভাবতেই অস্থির লাগে। রাবেয়ার কোন যুক্তিকেই বাবা মার কাছে দাড় করাতে সক্ষম হবেনা জেনে বাবা মা এবং পরিবারের সন্মান বাঁচাতে রাবেয়াকে বাবার বাড়ী পাঠিয়ে দেয়।
রাবেয়ার বাবা মা শহরে গিয়ে এই বাচ্চা নষ্ট করার কথা বলে। রাবেয়া রাজী হয়না। বাবা মা আশ্রয় না দিলে এই অবস্থায় কোথাও চলে যাবে বলে জানায়। বাধ্য হয়ে বাবা মা মেয়ের কথা মেনে নেয়।সময়ের সাথে সাথে রাবেয়ার শরীর খারাপ হতে থাকে। মাথা ব্যথা হতে থাকে। পেট যত বাড়ার কথা বাড়ে না। বমি কমে যাবার কথা হলেও বমি বাড়তে থাকে। কাশি এবং কাশির সাথে একটু রক্তও বের হতে দেখে। পাড়া প্রতিবেশীর জোড়াজোড়িতে রাবেয়াকে নিয়ে ওর বাবা মা শহরের ডাক্তারের কাছে গেল।
আল্ট্রাসনো করে কোন বাচ্চা পাওয়া গেল না। পাওয়া গেল ওভারীতে টিউমার। ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা নিরিক্ষার পরে জানাল কোরিওকারসিনোমা (ক্যান্সার) অব ওভারী। ননজেস্টেশনাল বা জার্ম সেল টিউমার। যা অত্যন্ত বিরল। ছড়িয়ে গেছে ব্রেইনে, ফুসফুসে, লিভারে। কোরিওকারসিনোমা অত্যন্ত কেমো সেনসিটিভ ক্যানসার যার নিরাময় খুব ভাল। কিন্তু ননজেস্টেশনাল কোরিওকারসিনোমার ফলাফল তুলনামূলক ভাল নয়।
চিকিৎসা হোল। দুই ওভারী এবং জরায়ু অপারেশন করে ফেলে দিয়ে মাল্টিএজেন্ট কেমোথেরাপি শুরু হয়ে গেল। রাবেয়ার বাবা মা বার বার রায়হানকে খবর দিতে চাইল। টাকা পয়সাতেও কুলাতে পারছিল না। অভিমানী রাবেয়া কিছুতেই খবর জানাতে রাজী হোল না। রাবেয়া কেমো দিতে গিয়ে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছিল। কেমো বন্ধ করা হোল। আবার চালু করা হোক। কিন্তু ওর শরীর কেমোর ধকল আর সহ্য করতে পারছিল না। একদিন সবছেড়ে অভিশপ্ত রাবেয়া তার আত্মবিশ্বাস, তার আত্মমর্যাদায় উঁচু মাথা নিয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করল।
এ খবর শুনে রায়হানের পরিবারের কি প্রতিক্রিয়া ছিল জানা নেই।
দ্রষ্টব্য: ছেলেদের জেনেটিক কারনে নন অবস্ট্রাক্টিভ এজোস্পার্মিয়া হতে পারে। Y মাইক্রোডিলিশনের জন্য। মেয়েটির জার্ম সেল কোরিওকারসিনোমাতে একই রকম ফিচার পাওয়া যাবে জেস্টেশনাল কোরিওকারসিনোমার মত।
কৃতজ্ঞতা ঃ অধ্যাপক ডা. রাশিদা বেগম

30/11/2017

Address

Mirpur
Kalabaga
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Leukemia Blood Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Leukemia Blood Club:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram