Medical Tips & Tricks

Medical Tips & Tricks Tips & Tricks for all medical and personal life, Married life with tips off this page. Like to stay with us .....

কিশমিশ খাওয়ার ৮ টি শারীরিক সমস্যার সমাধান: """""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""কিশমিশ আমরা সাধারণত রান্না...
13/05/2017

কিশমিশ খাওয়ার ৮ টি শারীরিক সমস্যার সমাধান:
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কিশমিশ আমরা সাধারণত রান্নার কাজেই বেশি ব্যবহার করে থাকি। এমনিতে খাওয়া হয় অনেক কম। অনেকের ধারণা শুধু কিশমিশ খেলে দাঁতের ক্ষতি হয় অনেক।
কিন্তু এটি ভুল ধারণা। এটি খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরী। নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এটি। তবে ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি থেকে দূরে থাকাই ভালো।

১) মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে কিশমিশের ভুমিকা:
এটিতে রয়েছে বোরন যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বোরন মনোযোগ বৃদ্ধিতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী একটি উপাদান। মাত্র ১০০ গ্রাম কিশমিশ থেকে প্রায় ২.২ মিলিগ্রাম বোরন পাওয়া সম্ভব।


২) উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে কিশমিশের ভুমিকা:

এটিতে পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্ত থেকে দূর করে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা প্রতিরোধ করে।


৩) কলেস্টোরলের সমস্যা:

কিশমিশে খারাপ কলেস্টোরল রয়েছে ০%। এছাড়া এটির স্যলুবল ফাইবার খারাপ কলেস্টোরল দূর করে কলেস্টোরলের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১ কাপ কিশমিশ থেকে প্রায় ৪ গ্রাম পরিমাণে স্যলুবল ফাইবার পাওয়া যায়।


৪)চোখের সুরক্ষায়:

প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা সমাধান করে। এটির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পলিফেলন ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন প্রতিরোধ করে চোখের সুরক্ষায় কাজ করে।

৫) অ্যাসিডিটির সমস্যা সমাধানে কিশমিশের ভুমিকা :

অ্যাসিডিটির সমস্যা সমাধান করে।এটিতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আমাদের পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড যা অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে তা দূর করতে সহায়তা করে।


৬) কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধে:

কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধে সবচাইতে বেশি কার্যকরী। মাত্র ১ টেবিল চামচ কিশমিশ আপনাকে প্রায় ১ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার দিতে পারে। এছাড়াও এটিতে বিদ্যমান টারটারিক অ্যাসিড হজম সমস্যা দূর করে পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা করে।


৭) রক্তস্বল্পতায় :

আমরা সকলেই জানি দেহে আয়রনের অভাবের কারণে রক্তস্বল্পতার সমস্যা শুরু হয়। এটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। ১ কাপ কিশমিশে রয়েছে প্রায় ৬ মিলিগ্রাম আয়রন যা আমাদের দেহের প্রায় ১৭% আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম।


৮) দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় কিশমিশের ভুমিকা:

দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা করে।অনেকে ভাবতে পারেন কিশমিশে চিনি রয়েছে যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু চিনির পাশাপাশি রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যা মুখের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা দেয় এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধে কাজ করে।

বিয়ের পর নব দম্পতিদের যে কথাগুলো মেনে চলা উচিত :""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""তরুণ দম্পতিরা ...
05/05/2017

বিয়ের পর নব দম্পতিদের যে কথাগুলো মেনে চলা উচিত :
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

তরুণ দম্পতিরা বয়সের কারণেই অনেক বেশি উচ্ছল হয়ে থাকেন, জীবনটাকে উপভোগও করতে পারেন বেশি। কেননা পরস্পরের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে পারেন তারা।আবার বয়স কম হবার কারণে জীবনের অনেক কিছুই খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে নিতে পারেন। তবে হ্যাঁ, কমবয়সী দম্পতিদের ক্ষেত্রে কিছু ব্যাপার মনে রাখা খুবই জরুরি। কিছু ভুল করার কারণে জীবনের নানান পর্যায়ে সম্পর্ক নিয়ে চলে টানাপোড়ন।

জেনে নিন কোন ১০টি কাজ করলে জীবনটা হবে অনেকটাই সহজ-
১) বিয়ে করেছেন বলেই হুট করে বাচ্চা নিতে যাবেন না। হ্যাঁ, পরিবার থেকে চাপ দেবে। কিন্তু বুঝেশুনে পরিবার পরিকল্পনা করুন। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, নিজেদের আর্থিক বিষয়টিও মাথায় রাখুন। সব মিলিয়ে সন্তান তখনই নিন যখন আপনারা তৈরি।

২) কম বয়সে আবেগ বেশি থাকে, ফলে দেখা যায় একটু মনোমালিন্য থেকেই বিশাল ঝগড়া হয়ে যায়। এই ব্যাপারটা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে নিজেদেরই। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বারবার ঝগড়া করতে থাকলে সম্পর্কে তৈরি হবে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা।

৩) ঝগড়া হতেই পারে, কিন্তু সেটা নিজেদের মাঝেই রাখবেন। অল্প জিনিসে অস্থির হয়ে পরিবার ও বন্ধুদের ডেকে বিশাল একটা কাহিনী করে ফেলবেন না। কথায় কথায় বাপের বাড়ি চলে যাওয়া বা ডিভোর্স দেয়ার হুমকিও দেবেন না।

৪) নিজেদের আর্থিক পরিকল্পনা করুন খুব বুঝেশুনে। কতটা খরচ করতে পারবেন আপনারা, আপনাদের উপার্জন কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় ইত্যাদি সমস্ত ব্যাপারই দুজনে আলোচনা করা সিদ্ধান্ত নিন। জীবন তো পড়েই আছেন এমন চিন্তাভাবনা করবেন না।

৫) সঞ্চয় শুরু করুন এখনই। এতে কোনোভাবেই দেরি করবেন না।

৬) বিয়ে করেছেন বলেই শিক্ষা জীবনে ঢিলেমি দেবেন না। উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের পর্বটি অবশ্যই সমাধা করুন।

৭) যারা বিদেশে সেটেল হতে চান, তারা বিয়ের পর থেকেই চেষ্টা করুন। এবং সন্তান নেয়াসহ জীবনের অন্য সব বড় পরিকল্পনাও সেভাবেই করুন।

৮) আপনারা তরুণ দম্পতি বিধায় মুরুব্বি অনেকেই আপনাদের সম্পর্কে নাক গলাতে আসবেন, যা হতে দেবেন না।

৯) কম বয়সে মন অন্যদিকে চলে যেতেই পারে। অন্য কাউকে আকর্ষণীয় মনে হওয়া, ফেসবুকে বা অন্য কোনো সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় দেয়া, বিপরীত লিঙ্গের বন্ধুদের সাথে অধিক মেলামেশা। এই সমস্তই কঠোর হাতে দমন করুন।

১০) অস্থির অবস্থায় বা আবেগের বশে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। হুট করে অনেক বেশি খরচও কখনো করে ফেলবেন না।

মাসিক হবার পর, সেক্স করলে কি প্রেগনেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে? : """""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""...
05/05/2017

মাসিক হবার পর, সেক্স করলে কি প্রেগনেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে? :
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

মেয়েদের মাসিকের সময়ে শারীরিক মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা থাকে না, তবে এই সময়ে শারীরিক মিলন থেকে বিরত থাকাই ভালো। বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে জানা যায় মাসিক হওয়ার ৭ দিন আগে ও পরের সময়ে শারীরিক মিলন করলে গর্ভ ধারণের সম্ভাবনা কম থাকে এবং এর মাঝামাঝি সময়গুলোতে গর্ভ ধারণের সমূহ সম্ভাবনা থাকে।

সেক্স বা যৌন মিলনে নারীর কিছু কষ্টদায়ক সমস্যা ও সমাধান:""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""আম...
05/05/2017

সেক্স বা যৌন মিলনে নারীর কিছু কষ্টদায়ক সমস্যা ও সমাধান:
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

আমাদের দেশের মেয়েরা স্বাভাবিক ভাবেই অনেক লাজুক। তাদের ছোট ছোট সমস্যাই শেয়ার করতে পারে না আর যৌন সমস্যা হলে তো কথাই নেই। মেয়েদের এমন কিছু কষ্টের কথা নিয়েই আজকের ছোট প্রবন্ধ। বিবাহিত মহিলা ও যারা বিয়ের পায়তারা করছেন তাদের জন্য এটি বিশেষ উপকারী হবে বলেই মনে করছি। কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার ব্যাপারে আলোকপাত করা হয়েছে, সমস্যা গুলোকে হালকা দৃষ্টিতে না দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়াই সমীচীন হবে।

০১. যৌন চাহিদা হওয়ার পরেও লুব্রিকেশনের অভাবঃ
কারণঃ
অনেকেরই যৌন চাহিদা হওয়া সত্ত্বেও যৌন স্থান ভিজে না। পানিশূন্যতা, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ( কাউন্টার এন্টিহিস্টামিন), নার্সিং, মেনোপজের সময় হরমোন লেভেল পরিবর্তন এর উল্লেখযোগ্য কারণ।

চিকিৎসাঃ
পিচ্ছিল কারক পদার্থ ব্যবহার করতে হবে, পানি জাতীয় ব্যবহার করলে ভালো, কারণ কনডম এর জন্যে নিরাপদ। কিন্তু কেউ যদি তৈলাক্ত পিচ্ছিল কারক ব্যবহার করে তখন এটি কনডমের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে দিতে পারে। রঙ দেয়া, সেন্ট দেয়া ও ফ্লেভার জাতীয় লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা যাবে না। কারণ তা ইস্ট ইনফেকশন করে শুকনা ভাব আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেকের প্রশ্ন হতে পারে, ইস্ট ইনফেকশন কি তার পুরুষ সঙ্গীর শরীরেও ইনফেকশন করতে পারে? উত্তর হবে হ্যাঁ । এটি অনেক কমই হয়, কিন্তু হয়। একই রকম লক্ষণ যেমন- লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি, যৌনমিলনের পর অস্বাভাবিক নিঃসরণ হতে পারে। কোন পুরুষের যদি ডায়াবেটিস থাকে, এন্টিবায়োটিক নিতে থাকে অথবা সে তার যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কোন কারণে কমে যায় তখন তার আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি বেড়ে যায়। খৎনা করা না থাকলেও এর ঝুকি বেড়ে যায়। কারণ এর উপরের চামড়া ভেজা ভেজা অবস্থার সৃষ্টি করে যা ইস্ট বেড়ে ওঠায় সাহায্য করে।

০২. মিশনারি (পুরুষ উপরে থাকা ) পজিশনে যৌন মিলনে সমস্যা হওয়াঃ
শতকরা ২০ ভাগ মহিলার জরায়ু নরমালের উল্টো দিকে থাকতে পারে অর্থাৎ পেটের দিকে না থকে শিরদাঁড়ার দিকে থাকেতে পারে। এ ক্ষেত্রে টেম্পুন বা ডায়াফ্রাম ব্যবহার করা কষ্টকর হয় কারণ তা জরায়ুর ভেতর পর্যন্ত চলে যেতে পারে। তাই নারী উপরে থেকে মিলনে কষ্ট লাঘব হবে। আর মা হতে চাইলে যৌন মিলনের পর পেটের উপর অর্থাৎ উপুড় হয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলে তা স্পার্ম কে সাঁতরে জরায়ুমুখে যেতে সাহায্য করবে।

০৩. যৌন চাহিদা কমে যাওয়াঃ
মেনোপজের কাছাকাছি বয়সের মহিলাদের এটি একটি উল্লেখযোগ্য সমস্যা। মেনোপজের আগে ইস্ট্রোজেন হরমোন লেভেল কমে যায়। লুব্রিকেশনের অভাবে ব্যথা ও ব্যথা থেকে আগ্রহ কমে যাওয়া এর প্রধান কারণ।

চিকিৎসাঃ
এমনটা হলে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন। খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবেন।

০৪. যৌন মিলনের পর প্রস্রাবে জ্বালাপোড়াঃ
কারণঃ
চাপে ঘষা লেগে মূত্রনালিতে ইরিটেশন হলে জ্বালাপোড়া হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ মিলন আর যৌন স্থানের শুষ্ক ভাবও এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ। প্রস্রাব নালীতে ইনফেকশন হলেও এই সমস্যা হতে পারে। যদি প্রস্রাব যৌন স্থানে লাগার পর জ্বালাপোড়া হয় তবে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মুত্রথলি খালি হওয়ার সাথে সাথে ব্যথা বাড়তে থাকলে মুত্রথলি ইনফেকশনের ব্যাপারেই সন্দেহ বেড়ে যায়।

চিকিৎসাঃ
যৌন মিলনের পর বাথ টাব ভর্তি কুসুম গরম পানিতে বসে থাকলে ব্যথা কমতে পারে। তাছাড়া পিচ্ছিল কারক ব্যবহারেও মাঝে মাঝে উপকার পাওয়া যেতে পারে। যদি এসব কিছুতেই লাভ না হয় তাহলে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন কারণ তখন কারণটা ইনফেকশনের দিকেই বেশি ইঙ্গিত করে। পানি বেশি পান করলে পিচ্ছিলতা ও ইনফেকশন থেকে মুক্তি দুইটা জিনিসেই উপকার পাওয়া যায়।

০৫. যৌনমিলনের পর তীব্র দুর্গন্ধ ও চুলকানিঃ
কারণঃ
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এমন হতে পারে। নতুন বা একাধিক মিলন সঙ্গীর কারণে এমন হতে পারে। যৌন স্থানের ভেতরে কিছু দেয়া থাকলে ( যেমন চিকিৎসার জন্যে বা রোগ নির্ণয়ে কোন কিছু ব্যবহার করা হলে ) তা থেকেও হতে পারে। এর পাশাপাশি ইনফেকশনের আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে যেমন অস্বাভাবিক নিঃসরণ, জ্বালাপোড়া। চিকিৎসা না করা হলে ডেট এর আগেই ডেলিভারি হওয়া, স্বল্প ওজনের বাচ্চা জন্ম নিতে পারে।

চিকিৎসাঃ
আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন। খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবেন।

শেষ করার আগে একটা ছোট্ট টিপস দিতে চাই। অনেকেই মনে করেন পিল খেলে মোটা হওয়ার ঝুকি বেড়ে যায়। দীর্ঘ দিন ব্যবহারের জন্যে পিলের উপরে কিছু নেই। আর নতুন বাজারে আসা পিল গুলোর সাইড ইফেক্ট-ও কম। কনডম ছিড়ে গিয়ে লিক করতে পারে। সেইফ পিরিয়ড মেনে যৌন মিলন শুধু রেগুলার পিরিয়ড হওয়া মেয়েদের জন্যেই কার্যকরী। তাও সেইফ থেকে ঠিক আনসেইফ পিরিয়ড হওয়ার সময়-ও ভুলবশত গর্ভধারণ হয়ে যেতে পারে কারণ এতটা হিসেব মেনে সেইফ আনসেইফ বের করা সম্ভব হয় না আর জরায়ুর ভেতরে জন্মনিয়ন্ত্রক ডিভাইস রেখে দিলে তার সাইড ইফেক্ট এর তো শেষ নেই। তাই সিদ্ধান্ত আপনার। নিরাপদ থাকুন।

খাওয়ার সময় প্রচুর পানি নয়:""""""""""""""""""""""""""""""খেতে বসে বেশি পরিমাণ পানি না পান করাই  ভালো। যদি খেতেই হয়, তবে ছ...
05/05/2017

খাওয়ার সময় প্রচুর পানি নয়:
""""""""""""""""""""""""""""""

খেতে বসে বেশি পরিমাণ পানি না পান করাই ভালো। যদি খেতেই হয়, তবে ছোট ছোট চুমুক দিন গ্লাসে। এতে অল্প অল্প পানি খাদ্যানালিতে খাবারের চলমানতা বজায় রাখবে। কিন্তু অতিরিক্ত পানি পার করার পর অস্বস্তি ও বদহজমের সমস্যা হতে পারে। খাওয়ার পর পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড নির্গত হয়। হজমের জন্য এই এসিড অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কিন্তু খুব বেশি পানি খেলে এই এসিডের ঘনত্ব কমে যায়। এতে হজমের সমস্যা হয়। এ জন্য সম্ভব হলে খাওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে ও ঘণ্টাখানেক পর পানি পান করুন।

অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ঝুঁকি:"""""""""""""""""""""""""""""""""""পৃথিবীতে ১৫ থেকে ১৯ বছরের মেয়েদের মৃত্যুর দ্বিতীয় অন্যতম...
05/05/2017

অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ঝুঁকি:
"""""""""""""""""""""""""""""""""""
পৃথিবীতে ১৫ থেকে ১৯ বছরের মেয়েদের মৃত্যুর দ্বিতীয় অন্যতম কারণ অপরিণত বয়সে গর্ভধারণ। মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর অন্যতম কারণও এটি। মেয়েদের গর্ভধারণের নিরাপদ বয়স হলো ২০ থেকে ২৯ বছর। ১৬ থেকে ১৮ বছরের নিচে যেকোনো মেয়ের গর্ভাবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ ওই বয়সী একটি মেয়ের নিজের শারীরিক বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট আয়রন, ভিটামিন ও মিনারেলসের দরকার হয়। সে যদি অপরিণত বয়সে গর্ভধারণ করে, তাহলে সে নিজে যেমন এসব আয়রন, ভিটামিন ও মিনারেলসের অভাবে ভুগবে, তেমনি তার গর্ভস্থ শিশুটিরও অপুষ্টিজনিত অনেক ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে।

ঝুঁকিগুলো:
""""""""""
অপুষ্টি বা অপরিণত শিশুর জন্ম হয়। এর স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি খারাপ প্রতিক্রিয়া শিশুর ওপর পড়তে পারে। স্বল্প মেয়াদি প্রতিক্রিয়া হিসেবে শিশুর শ্বাসকষ্ট হতে পারে, দেহের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। এ ছাড়া ফুসফুসে পানি আসা, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, হার্ট ফেইলিওর, বিভিন্ন ধরনের ইনফেকশন, জন্ডিস, পানিস্বল্পতা, রক্তশূন্যতা ও চোখের সমস্যা এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া:
""""""""""""""""""""""
♦ প্রতিবন্ধী বাচ্চা (সেরিব্রাল পালসি), কানে কম শোনা, ফুসফুসে সমস্যা, ঠিকমতো বেড়ে না ওঠা, অভ্যাসগত সমস্যা।

♦ এসব মায়ের বাচ্চাদের আয়রনের ঘাটতি থাকে বলে রক্তশূন্যতা হতে পারে।

♦ ৫০ শতাংশের ক্ষেত্রে অল্পবয়সী এসব মেয়ের মৃত বাচ্চা হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। বিভিন্ন জটিলতায় জন্মের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই বাচ্চাগুলো মারা যেতে পারে।

♦ এ মায়েরা সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ ও এসংক্রান্ত জটিলতা যেমন—প্রি-একলাম্পশিয়া ও একলাম্পশিয়ায় (গর্ভকালীন খিঁচুনি) ভোগে। এসংক্রান্ত জটিলতায় এদের মৃত্যুও হতে পারে।

♦ অপরিণত বয়সী একটি মেয়ের পেলভিসও (যে হাড়ের খাঁচায় বাচ্চাটি বেড়ে ওঠে) অপরিণত বা আকারে ছোট ও চাপা থাকে। তাই এসব মেয়ের প্রসবকালীনও বিভিন্ন জটিলতা হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ বাচ্চার মাথা পেলভিসে আটকে থাকার ফলে এদের বাধাগ্রস্ত প্রসব হতে পারে। বাচ্চার মাথা ও হাড়ের চাপে অনেকক্ষণ আটকে থাকার ফলে মূত্রথলি ফুটো হয়ে ভেসিকোভেজিনাল ফিস্টুলা নামক জটিলতা হতে পারে। এতে মূত্রথলি ও প্রস্রাবের রাস্তার মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হয় এবং অনবরত প্রস্রাব ঝরতে থাকে।

প্রতিরোধের উপায়:
"""""""""""""""""""
অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের ঝুঁকি প্রতিরোধে এবং মেয়েদের প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য ২০১১ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউএনএফপিএ যৌথভাবে একটি গাইডলাইন তৈরি করেছে। এর রয়েছে ছয়টি মৌলিক বিষয়। এগুলোর সারমর্ম হলো—

♦ মেয়েদের ১৮ বছরের আগে বিয়ে নয়।

♦ ২০ বছরের আগে গর্ভধারণ না করা

♦ অল্প বয়সে বিয়ে হলেও জন্মনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া। যাতে অপরিণত বয়সে গর্ভধারণ না হয়।

♦ অপরিণত বয়সে যৌন সম্পর্ক স্থাপন না করা।

♦ অপরিণত বয়সে ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত না করানো।

♦ এসব মেয়ের গর্ভপূর্ব, গর্ভকালীন ও গর্ভ-পরবর্তী সেবা প্রশিক্ষিত ও দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে করানো।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, গাইনি ও অবস
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

রোজকার ভুল:"""""""""""""""খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে আমাদের। অথচ এসব ভুলের কোনো ভিত্তি নেই। এমন কিছু ভু...
05/05/2017

রোজকার ভুল:
"""""""""""""""
খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে আমাদের। অথচ এসব ভুলের কোনো ভিত্তি নেই। এমন কিছু ভুলের শুলুক-সন্ধান করে পরামর্শ দিয়েছেন অ্যাপোলো হাসপাতাল, ঢাকার প্রধান পুষ্টিবিদ #তামান্না_চৌধুরী

ভুল ১ : ওজন কমাব, তাই অনেক বাদাম খাই

বাদাম স্বাস্থ্যকর একটি খাদ্য। প্রোটিন ও ফ্যাটের খুব ভালো উত্স এই বাদাম। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও বাদাম কার্যকর ভূমিকা রাখে। যেমন—২৮ গ্রাম বাদামে ক্যালরি ১৬১, ফ্যাট ১৪ গ্রাম, প্রোটিন ৬ গ্রাম। বিভিন্ন রকম বাদামে পুষ্টি উপাদান ভিন্ন থাকলেও কমবেশি কাছাকাছি ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে, অতিরিক্ত বাদাম স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়াতে পারে। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের এক গবেষণায়ও বলা হয়েছে, বাদাম থেকে যে ফ্যাট ও ক্যালরি পাওয়া যায় সেই পরিমাণ ফ্যাট বা ক্যালরিযুক্ত সমপরিমাণ খাবার তালিকা থেকে বাদ না দিলে বরং এ স্বাস্থ্যকর বাদাম ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার অনেকেই বাদাম খেলেও এর পাশাপাশি ডালও খায়। ফলে অতিরিক্ত প্রোটিন কিডনির ওপর চাপ দেয়।

পরামর্শ : যেকোনো ভালো খাবার স্বাস্থ্যের উপকার করে, আবার পরিমাণে অতিরিক্ত খেলে সেই খাবারই নানা ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সুষম খাবার তালিকায় পাঁচ-ছয়টি কাঠবাদাম বা একমুঠো চিনাবাদাম বিকেলের নাশতায় বা স্ন্যাক্স হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু অতিরিক্ত বাদাম ওজন কমাতে বা হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে ওষুধের মতো কাজ করে না।

ভুল ২ : দাওয়াতে ভাত বা পোলাও খাই না, নানরুটি খাই

অনেকেই স্বাস্থ্যসচেতন। ক্যালরির কথা ভেবে অনেকেই খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা মেনে চলেন। দাওয়াতে গেলে বুফে খাবার থাকলে অনেকেই ভাত বা পোলাউয়ের পরিবর্তে নানরুটি খেয়ে থাকেন। ভাতের চেয়ে রুটির ক্যালরি কম ভেবে অনেকেই এ কাজটি করেন। অথচ ভাত বা পোলাউয়ের চেয়ে নানরুটিতে ক্যালরি বেশি থাকে। কেননা নানরুটিতে ময়দা, ইস্ট ছাড়াও চিনি, বাটার, কলা, তেল, লবণসহ রেসিপিভেদে আরো অনেক উপাদান থাকে। আর অনেকেই নান একটির জায়গায় দুটিও খেয়ে নেয়। অথচ পোলাউতে চাল, ঘি বা তেল ও লবণ থাকে, আর সাদা ভাতে থাকে চাল ও পানি। তাই দাওয়াতে একটু পরিমাণ বজায় রেখে অল্প ভাত বা পোলাউ খাওয়া যেতে পারে।

পরামর্শ : ক্যালরি ভেবে নয়, স্বাদের কথা ভেবে একটি নানরুটি খেলে তেমন কিছু হবে না। তবে ক্যালরি বা অন্যান্য পুষ্টির কথা মাথায় রাখলে বুফে খাবারে অল্প ভাত বা পোলাউ খাওয়া নানরুটির চেয়ে ভালো।

ভাত খাওয়ার পর যে পাঁচটি কাজ করবেন না !!!""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""পৃথিবীতে অন্তত তিনশ কোটি মানু...
29/02/2016

ভাত খাওয়ার পর যে পাঁচটি কাজ করবেন না !!!
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
পৃথিবীতে অন্তত তিনশ কোটি মানুষের প্রধান খাবার ভাত ৷চিকিৎসকরা স্বাস্থ্যরক্ষায় ভাত
খাবার পর পাঁচটি কাজ করতে অনুৎসাহিত করেন।
এগুলো হলো:
১. ভাত খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে বা ১/২ ঘণ্টা পর ফল খাবেন। কেননা, ভাত খাওয়ার পরপর কোনো ফল
খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।
২. সারাদিনে অনেকগুলো সিগারেট
খেলে যতখানি ক্ষতি হয়,
ভাত খাওয়ার পর
একটি সিগারেট বা বিড়ি তার চেয়ে
অনেক বেশী ক্ষতি করে।
তাই ধূমপান করবেন না।
৩. চায়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ টেনিক এসিড থাকে যা খাদ্যের প্রোটিনের
পরিমাণকে ১০০ গুণ
বাড়িয়ে তোলে। ফলে খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের
চেয়ে অনেক বেশী সময় লাগে। তাই ভাত খাওয়ার পর চা খাবেন না।
৪. বেল্ট কিংবা প্যান্টের কোমর ঢিলা করবেন না।
খাবার পরপরই বেল্ট কিংবা প্যান্টের কোমর
ঢিলা করলে অতি সহজেই ইন্টেস্টাইন
(পাকস্থলি) থেকে রেক্টাম (মলদ্বার) পর্যন্ত খাদ্যনালীর
নিম্নাংশ বেঁকে যেতে পারে,
পেঁচিয়ে যেতে পারে অথবা ব্লকও হয়ে যেতে পারে। এ
ধরনের সমস্যাকে ইন্টেস্টাইনাল
অবস্ট্রাকশ বলা হয়। কেউ বেশি খেতে চাইলে আগে থেকেই
কোমরের বাধন ঢিলা করে নিতে পারেন।
৫. গোসল করবেন না। ভাত খাওয়ার পরপরই গোসল
করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা বেড়ে যায়।
ফলে পাকস্থলির চারপাশের রক্তের
পরিমাণ কমে যেতে পারে যা পরিপাক তন্ত্রকে দুর্বল করে ফেলবে, ফলে খাদ্য হজম হতে সময়
স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী লাগবে।
* আমাদের পোষ্ট যদি আপনাদের
সামান্য ভাল
লেগে থাকে অথবা উপকারে এসে
থাকে,,, তবে শেয়ার
করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ দিন
এবং কমেন্টে অন্তত একটা THX
জানাইয়েন....
আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

* লেবুর উপকারিতা""""""""""""""""""""লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা এন্টিসেপটিক ও ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করেএছাড়া...
05/08/2015

* লেবুর উপকারিতা
""""""""""""""""""""

লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা এন্টিসেপটিক ও ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করে
এছাড়া লেবুতে থাকে ঈধষপরঁস, চড়ঃধংংরঁস, চযড়ংঢ়যড়ত্ঁং, গধমহবংরঁস, যার কারণে হাড় ও দাঁত শক্ত হয়।
—লেবুর এই উপাদানগুলো টনসিল ও ঁত্রহব রহভবপঃরড়হ প্রতিরোধ করে
—এছাড়া লেবুর ভিটামিন সি ক্যান্সারের সেল গঠন প্রতিরোধ করে।
—লেবু বুক জ্বালা প্রতিরোধ করতে ও আলসার সারাতে সাহায্য করে।
—লেবু আর্থাইটিসের রোগীদের জন্য ভালো । কারণ লেবু ফরঁত্বঃরপ ।
—লেবু শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে।
—লেবু এন্টিঅক্সিডেন্ট ও ধহঃর-ধমরহম
তাই ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বক পরিষ্কার রাখে, অপহব দূর করে। ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। কালোদাগ ও ত্বকের ভাঁজ পড়া কমায়।
—লেবু ওজন কমাতে সাহায্য করে।
—লেবু হজমে সহায়ক ও হজমের সমস্যা দূর করে।
—কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
—শরীরের ভেতরের টক্সিন দূর করে, অন্ত্রনালী, লিভার ও পুরো শরীরকে পরিষ্কার রাখে।
—পেট ফোলাজনিত সমস্যা কমায়।
—রক্ত পরিশোধন করে।
—ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
—শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি হলে ভালো কাজ করে।
—শ্বাসনালীর ও গলার ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে।

05/08/2015

আজকে আমি আপনাদের ২০ টি সুপার ফুড এবংতাদের সবচে ভাল গুন তুলে ধরব । আসুন জেনে নেই এসব জাদুকরী খাবারের নাম এবংতাদের গুণ
১. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি-----ব্লুবেরি
২. ত্বক রক্ষাকারী-----আ­ঙ্গুর
৩. ভুঁড়ি কমানো------বার্­লি
৪. ক্যান্সার ফাইটার----কালো শিম
৫. কোলেস্টেরল কমানো----তিল বীজ
৬. হাড় রক্ষাকারী-----প­নির
৭. ক্যান্সার ফাইটার----ব্রকলি
৮. খাদ্য আঁশে ভরপুর----আপেল
৯. ব্যায়ামের শক্তি যোগায়----ওটস/ ­কর্ণ ফ্লেক্স
১০. ব্যায়ামের পরের খাদ্য----পিনাট বাটার
১১. ব্যাথা দূরীকরণে-----আদা
১২. ক্লান্তি নিবারক----চকলেট ­ মিল্ক শেক
১৩. ঠাণ্ডার বিরুদ্ধে লড়াই----চিকেন সুপ
১৪. ঘুম আসে না??????-----চে­রি ফলের জুস
১৫. আলসার কমাতে----পেঁয়াজ
১৬. আয়রনের ঘাটতি কমাতে-----শিমের ­ বিচি/কলা
১৭. বয়স এর ছাপ কমাতে-----পেয়ারা
১৮. মাংসপেশী বানাতে---পুঁইশাক
১৯. মুখের দুর্গন্ধ দূর-----লেটুস
২০. রক্তবান্ধব----- ­কেল(রঙ্গিন বাধাকপি)

নিম পাতা-যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে তাদের জন্য নিম পাতা জাদুর মতো কাজ করে। কয়েকটি নিম পাতা পানিতে দিয়ে ফুটিয়ে সেই পানি...
30/07/2015

নিম পাতা

-যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে তাদের জন্য নিম পাতা জাদুর মতো কাজ করে। কয়েকটি নিম পাতা পানিতে দিয়ে ফুটিয়ে সেই পানি ছেঁকে নিয়ে গোসল
করলে অ্যালার্জির সমস্যা কমে যায়। নিম পাতা ও
কাঁচা হলুদ একসাথে বেটে আক্রান্ত স্থানে লাগালেও
অ্যালার্জি কমে যায়।

- যাদের মুখে ব্রনের সমস্যা আছে তারা নিম পাতা
বেটে ব্রনের উপর লাগান, উপকার পাবেন।

- অনেকের মাথার ত্বকে ছোট ছোট গোটার মতো
দেখা দেয়। এই ধরনের ফুসকুড়ি দারুন চুলকায়। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কিছু নিম পাতা এক লিটার পানিতে ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নিয়ে সেই
পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে ফুসকুড়ির সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে।

ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে পেইজ এর পোস্ট এ
নিয়মিত লাইক, কমেন্ট না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট
আর দেখতে পাবেন না। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক দিয়েশেয়ার করে পেজে একটিভ থাকুন।

30/07/2015

জেনে নিন, কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম সম্পর্কে!

১) প্রস্রাব আটকে রাখা।
২) পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩) অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪) যেকোন সংক্রমনের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫) মাংস বেশি খাওয়া।
৬) প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭) অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮) ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
৯) অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০) পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া।

Address

Fulbaria
1208

Telephone

01812881053

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medical Tips & Tricks posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Medical Tips & Tricks:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram