ভেষজ চিকিৎসা

ভেষজ চিকিৎসা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ভেষজ চিকিৎসা, Medical and health, Shayampur, Dhaka.

ছোটমাছ কেন খাবেন দেশে নানা ধরনের ছোট মাছ পাওয়া যায়। পুঁটি, ট্যাংরা, মলা, ঢেলা, কাচকি, ফলি ইত্যাদি মাছ জনপ্রিয়। এসব মাছে...
07/08/2021

ছোটমাছ কেন খাবেন
দেশে নানা ধরনের ছোট মাছ পাওয়া যায়। পুঁটি, ট্যাংরা, মলা, ঢেলা, কাচকি, ফলি ইত্যাদি মাছ জনপ্রিয়। এসব মাছে অসম্পৃক্ত চর্বি আছে, যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ডিম ছাড়ার আগমুহূর্তে মাছে অসম্পৃক্ত বা উপকারী চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়। এ ছাড়া ছোট মাছে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। আয়রন, প্রোটিন, ফসফরাস, লাইসনি ও মিথিওনিনেরও উৎস ছোট মাছ। তবে এতে আয়োডিনের পরিমাণ কম থাকে। জেনে নিন কয়েকটি উপকারী ছোট মাছের কথা—

* পুঁটি: প্রতি ১০০ গ্রাম পুঁটি মাছে আছে ১০৬ ক্যালরি শক্তি। এর ১৮.১ গ্রাম প্রোটিন, ২.৪ গ্রাম চর্বি, ১১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। দাঁত ও হাড়ের গঠনে এটি সাহায্য করে।

* ট্যাংরা: ১০০ গ্রাম ট্যাংরা মাছে ১৪৪ ক্যালরি শক্তি মিলবে। এতে প্রোটিন ১৯.২ গ্রাম, চর্বি ৬.৫ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭০ মিলিগ্রাম। আয়রন আছে ২ মিলিগ্রাম। রক্তশূন্যতার রোগীদের ট্যাংরা মাছ খাওয়া উচিত।

* মলা: রাতকানা রোগ, ভিটামিন ‘এ’-র স্বল্পতাজনিত চোখের সমস্যা রোধে মলা মাছ খুবই কার্যকর। এতে ক্যালসিয়াম অনেক। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আছে এই মাছে, যা হৃদ্‌রোগীদের জন্য ভালো। ১০০ গ্রাম মলা মাছে প্রায় ৮৫৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম আছে। আরও আছে ৫.৭ মিলিগ্রাম আয়রন, ভিটামিন ‘এ’ ২০০০ ইউনিট এবং ৩.২ মিলিগ্রাম জিংক।

* কাচকি মাছ: ১০০ গ্রাম কাচকি মাছে ১২.৭ গ্রাম প্রোটিন আছে। আছে ৩.৬ গ্রাম চর্বি, ৪৭৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ মিলিগ্রাম আয়রন। এই মাছ কোটারও ঝামেলা নেই, ধুয়ে বেছে খেয়ে নেওয়া যায়।

* ফলি: কাঁটাযুক্ত এই মাছের প্রতি ১০০ গ্রামে প্রোটিন ২০.৩ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১০৩ মিলিগ্রাম, আয়রন ১.৭ মিলিগ্রাম ও ফসফরাস ৪৫০ মিলিগ্রাম।

ছোট মাছে প্রোটিন ও জলীয় অংশ বেশি বলে দ্রুত জীবাণুতে আক্রান্ত হয়। তাই এসব মাছ কেনার পর দ্রুত রান্না করে ফেলা উচিত। ফ্রিজ থেকে বের করে দীর্ঘ সময় বাইরে না রাখা ভালো। কম তাপে এসব মাছ রান্না করবেন। ভাপে করলে আরও ভালো। ধুয়ে অনেকক্ষণ বাইরে রেখে দিলে অক্সিজেনের সংস্পর্শে খাদ্যগুণ কিছুটা নষ্ট হয়। আবার মাছ সেদ্ধ করে পানি ফেলে দেওয়াও ভালো নয়। তবে ছোট মাছে ইউরিক অ্যাসিড বেশি বলে গেঁটে বাতের রোগীদের কম খাওয়া ভালো। আবার ফসফরাস বেশি বলে কিডনি রোগীদেরও কম খাওয়া উচিত।

লাল চায়ের উপকারিতাদিনের শুরুতে এক কাপ চা না পেলে কেমন যেন হাঁপিয়ে ওঠে শরীরটটা। তাই না? কিন্তু কী চা খান সকালে? দুধ চা হল...
21/08/2020

লাল চায়ের উপকারিতা

দিনের শুরুতে এক কাপ চা না পেলে কেমন যেন হাঁপিয়ে ওঠে শরীরটটা। তাই না? কিন্তু কী চা খান সকালে? দুধ চা হলে ক্ষণিকের জন্য মনটা চনমনে হয়ে উঠলেও শরীরের কিন্তু কোনও উপকারই হয় না। তবে যদি এক পেয়ালা লাল চা খান, তাহলে কথাই নেই! মনের পাশপাশি শরীরও চাঙ্গা হয়ে ওঠবে। কারণ লাল চা-এর উপকারিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। এই পানীয়টি নানাভাবে শরীরের গঠনে কাজে লাগে, যে সম্পর্কে জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন।
লাল চায়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে ক্লান্তি দূর করার পাশপাশি হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, লাল চায়ে থিয়োফিলাইন নামে একটি উপাদান থাকে। এটি শরীরকে সার্বিকবাবে চাঙ্গা করতে দারুন কাজে দেয়। এখানেই শেষ নয়। এই পানীয়র আরও কিছু উপকারিতা আছে। যেমন...
১. ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
একদম ঠিক শুনেছেন। প্রতিদিন কয়েক কাপ লাল চা আপনাকে এই মারণ রোগের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। আসলে এই পানীয়তে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপার্টিজ সহ এমন কিছু উপাদান, যা লাং, প্রস্টেট, কলোরেকটাল, ব্লাডার, ওরাল এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, লাল চা শরীরের যে কোনও অংশে ম্যালিগনেন্ট টিউমারের বৃদ্ধি আটকাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে
নানাবিধ অসুস্থতার প্রকোপ থেকে বাঁচতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটা একান্ত প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে লাল চা। এখানেই শেষ নয়, এই পানীয়তে টেনিস নামে একটি উপাদান রয়েছে, যা নানা ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ফলে সহজে কোনও রোগ ছুঁতে পারে না।
৩. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
লাল চায়ে ক্যাফিনের পরিমাণ কম থাকায় এই পানীয়টি মস্তিষ্কে রক্তচলাচলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে স্ট্রেস কমে। প্রসঙ্গত, একটি গবেষণায় দেখা গেছে এক মাস টানা যদি লাল চা খাওয়া যায়, তাহলে পারকিনস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়।
৪. ওজন হ্রাস করে
লাল চা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। ফলে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার সুযোগই পায় না। তাই আপনি যদি ওজন কমাতে বদ্ধপরিকর হন, তাহলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন এই পানীয়।
৫. হার্ট চাঙ্গা হয়ে ওঠে
হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে লাল চায়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই পানীয়তে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমিয়ে দেয়। প্রসঙ্গত, স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমাতেও লাল চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৬. হাড়কে শক্তপোক্ত করে
লাল চায়ে উপস্থিত ফাইটোকেমিকালস হাড়কে শক্ত করে। ফলে আর্থ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।
৭. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়
প্রতিদিন লাল চা খেলে হজম ক্ষমতা ভাল হতে শুরু করে। আসলে এতে রয়েছে টেনিস নামে একটি উপাদান, যা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশপাশি গ্য়াস্ট্রিক এবং নানা ধরনের ইন্টেস্টিনাল রোগ সরাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৮. স্ট্রেস কমায়
লাল চায়ে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা স্ট্রেস কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই সঙ্গে মনকে চনমনে করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

কদবেলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতাকদবেলের আছে নানা পুষ্টিগুণ। এতে খাদ্যশক্তি রয়েছে কাঁঠাল ও পেয়ারার প্রায় সমান। আমিষের পরিমাণ ...
29/10/2016

কদবেলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা

কদবেলের আছে নানা পুষ্টিগুণ।
এতে খাদ্যশক্তি রয়েছে কাঁঠাল ও পেয়ারার প্রায় সমান। আমিষের পরিমাণ রয়েছে আমের চেয়ে সাড়ে ৩ গুণ, কাঁঠালের দ্বিগুণ, লিচুর চেয়ে ৩ গুণ, আমলকী ও আনারসের চেয়ে ৪ গুণ বেশি এবং পেঁপের চেয়ে দ্বিগুণের একটু কম।

পুষ্টিগুণ :

প্রতি ১০০ গ্রাম কদবেলের পুষ্টিমান পানীয় অংশ ৮৫.৬ গ্রাম, খনিজপদার্থ ২.২ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৪৯ কিলোক্যালোরি, আমিষ ৩.৫ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, শর্করা ৮.৬ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫.৯ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৬ মিলি গ্রাম, ভিটামিন-বি ০.৮০ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন-সি ১৩ মিলিগ্রাম এবং প্রতি ১০০ গ্রামের শক্তি উত্পাদন ক্ষমতা ৪৯ কিলো কেলোরি।

উপকারিতা :

ব্রণ ও মেছতায় কাঁচা কদবেলের রস মুখে মাখলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

কদবেল পাতার নির্যাস শ্বাসযন্ত্রের চিকিত্সায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। দুধ এবং চিনি দিয়ে কদবেলের পাতা মিশিয়ে খাওয়ালে শিশুদের পেটের ব্যথার চিকিত্সায় চমত্কার কাজ করে।

কদবেলের ফুল শুকিয়ে পাউডার করে সারা বছর সংরক্ষণ করে রাখা যায়। ফল দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠবদ্ধতা, দীর্ঘস্থায়ী আমাশা দূর করে।

এই ফল রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এবং বুক ধড়ফড় এবং রক্তের নিম্নচাপ রোধেও সহায়ক। চিনি বা মিছরির সঙ্গে কদবেল পাউডার মিশিয়ে খেলে সঙ্গে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি হয় এবং রক্তাল্পতাও দূর হয়।

কদবেল মহিলাদের হরমোনের অভাব সংক্রান্ত সমস্যা দূর করে থাকে। এমনকি স্তন ও জরায়ু ক্যান্সার নিরাময় করে থাকে।

29/10/2016

আপনার দাঁত ও দাতের মাড়ি সুস্থ্য
রাখার জন্য নিয়মিত ভিটামিন সি
যুক্ত খাবার খান।এটি আপনার
দাতের মাড়ি থেকে রক্ত পরা বন্ধ
করে মাড়িকে সুস্থ্য করে।

ফল হিসাবে একটি পরিচিত নাম পেঁপে। পেঁপে ফল অনেক গুনে গুনান্বিত। এটি পরিপূর্ণ ভিটামিন সমৃদ্ধ একটি ফল। কাঁচা পেঁপেতে প্রচুর...
15/08/2016

ফল হিসাবে একটি
পরিচিত নাম পেঁপে।
পেঁপে ফল অনেক গুনে গুনান্বিত।
এটি পরিপূর্ণ ভিটামিন সমৃদ্ধ
একটি ফল। কাঁচা পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে পেপেইন নামক হজমকারী দ্রব্য থাকে। পাকা পেঁপে ফল
ও কাঁচা পেপে সবজি হিসেবে
খাওয়া যায়। জেনে নেই পেঁপের ভেষজ গুন সম্পর্কে,

* প্রতিদিন দুপুরে ভাত খাওয়ার পর এবং রাতে ভাত বা রুটি খাওয়ার পর এক টুকরা কাঁচা পেঁপে ভালো করে চিবিয়ে এক গ্লাস পানি পান করলে হজম সম্পর্কিত যে কোনো
অসুখ দ্রুত নিরাময় হয়।

* পেঁপে গাছের আঠা পেটের অসুখ, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রভৃতি
রোগের জন্যও বিশেষ উপকারী।

* আমাশা থেকে মুক্তি পাওয়ার অদ্ভুত শক্তি আছে পেঁপেতে। তাই নিয়মিত পেঁপের তরকারি খেলে উদরাময়ে উপকার হয়।

* প্রত্যেহ সকালে কাঁচা পেঁপের আঠা ৫/৭ ফোঁটা ৫/৬ টি বাতাসার সঙ্গে মিশিয়ে খেলে, ২/৩ দিন খাওয়ার পর রক্ত আমাশয় সেরে যায়।

* পেঁপের আঠা ১৫ ফোঁটা
ও মধু ১চা চামচ একসঙ্গে
মিশিয়ে খাওয়ার আধা ঘন্টা
পরে আধ কাপ উঞ্চ পানি
খেতে হবে। এভাবে টানা
২ দিন খেলে যেকোনো
ক্রিমির উপদ্রব কমে যাবে।

* দেড় চামচ পেঁপে পাতার রস
এক কাপ পানিতে মিশিয়ে
খেলে, জ্বরের বেগ, বমি, মাথার
যন্ত্রনা, শরীরে দাহ কমে যাবে।

* কাঁচা পেঁপে বা গাছের আঠা
যেকোনো দাদে ৩/৪ দিন
লাগালে দাদ মিলিয়ে যাবে।
এক্ষেত্রে এক দিন পর
পর লাগাতে হবে।

* যে একজিমা শুকনা অথবা রস
গড়ায় না, সেখানে ১ দিন অথবা
২ দিন অন্তর পেঁপের
আঠা লাগালে ওটার
চামড়া উঠতে উঠতে
পাতলা হয়ে যায়।

* ১ চামচ পেঁপের আঠা,
তার সঙ্গে ৭/৮ চামচ
পানি মিশিয়ে ফেটিয়ে,
ওই পানি চুলের গোড়ায় লাগিয়ে
কিছুক্ষণ রাখার পর মাথা
ধুয়ে নিলে উকুন চলে যায়।
এটা টানা ২/৩ দিন করতে হবে।

* নিয়মিত কাঁচা পেঁপের
তরকারি সদ্য বাচ্চা সন্তান
জন্ম দেয়া নারীদের স্তনের দুধ
বাড়ায়।

* কাঁচা পেপে রুচি বর্ধক
হিসেবেও কার্যকরী।

* পেঁপের রস খেলে জন্ডিস
হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

* পেঁপে খেলে শরীর থেকে দূষিত
বায়ু সহজেই বেরিয়ে যায়।

* কাঁচা পেঁপের কষ ঘা
শুকাতে সাহায্য করে।

* পাকা পেপে চটকে মুখে লাগালে,
ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি পায়।

অারো টিপস পেতে লাইক দিন

কলা একটি প্রাকৃতিক ঔষধ।অনেকেই আছেন যারা কলা খেতে পছন্দ করেন না তাদের জানিয়ে রাখছি কলা অত্যন্ত উপকারী একটি ফল। কলাতে আমাদ...
11/08/2016

কলা একটি প্রাকৃতিক ঔষধ।
অনেকেই আছেন যারা কলা
খেতে পছন্দ করেন না তাদের
জানিয়ে রাখছি কলা
অত্যন্ত উপকারী একটি ফল।
কলাতে আমাদের শরীরের শক্তি বর্ধনকারী সুকরোজ, ফ্রুক্টোজ,
গ্লুকোজ এবং ফাইবার রয়েছে। গবেষণায় জানা যায় মাত্র দুইটি
কলা প্রায় ৯০ মিনিট পূর্নোদ্যমে
কাজ করার মত শক্তি যোগায়
এবং বিশ্বে ক্রীড়াবিদদের
ডায়েটের অন্যতম ফল হল কলা।
কলা যে কেবল শরীরে শক্তি যোগায় তা নয় বরং মানসিক,শারীরিক
অনেক অসুস্থতা থেকে কলা
আমাদের প্রতিরোধ করে।
তাই দেরী না করে জেনে নিন
কলার প্রাকৃতিক গুন বৈশিষ্ট্য।

১. কলা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল।
২. এতে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন ও খনিজ লবণের সমন্বয় রয়েছে।
৩. কলায় শর্করা, সামান্য আমিষ, কিঞ্চিত ফ্যাট, পর্যাপ্ত খনিজ লবণ ও যথেষ্ট আঁশ আছে।
খনিজ লবনের মধ্য আছে
পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম,
ফসফরাস ও লৌহ।
৪. কলায় ভিটামিন এ, বি ও কিছু ভিটামিন-সি আছে।
৫. একটি কলা প্রায় ১০০ক্যালরি শক্তির জোগান দেয়।
৬. কলায় আছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা, যা শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে ক্লান্তি দুর করতে সহায়ক।
৭. কলা হজমে সাহায্য করে।
৮.অ্যাসিডিটি বা গ্রাস্টিক আলসারের রোগীরা কলা খেতে পারেন উপকারী ভেবে।
৯. পাকা নরম কলা অ্যাসিডিটি নিরাময়ে সক্ষম।
১০. পাকস্থলীর আবরনীতে নরম কলার প্রলেপ আলসারের অস্বস্তি ওকমায়।
১১. অ্যাসিডিটির জন্য বুক জ্বালা কমাতেও কলা সহায়ক।
১২. কলা যেমন কোষ্টকাঠিন্য দুর করে,তেমনি পাতলা পায়খানাও পকারী।
১৩. বাতের ব্যথার জন্য কলা উপকারী।
১৪. কলা লৌহ রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরীতে কাজে লাগে। কলা তাই রক্তশূন্যতায় ও উপকারী।
১৫. সবশেষে কলা রক্তচাপ কমাতে সহায়ক এবং স্ট্রোক প্রতিরোধে ও কার্যকরী
১৬. কলার থোড় বা মোচা এবং শিকড় ডায়াবেটিস, আমাশয়, আলসার, পেটের পীড়া নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।
১৭. আনাজী কলা পেটের পীড়ায় আক্রান্ত রোগীর পথ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। পাকা বীচিকলার বীজ কৃমিনাশক।

কলার এতো গুনাগুণ জানার পর দিনে অত্যন্ত দুটি করে কলা খাবেন তাহলে ঔষধ খাওয়া ছাড়াই অনেক রোগ থেকে আপনি মুক্তি পেতে পারবেন।

অারো ভালো ভালো টিপস পেতে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন

কচুশাকের গুনাগুনমানুষের শরীরে প্রয়োজনীয় আয়রনের জোগান দিতে কচুশাকের জুড়ি নেই। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, বি ও সি...
07/08/2016

কচুশাকের গুনাগুন
মানুষের শরীরে প্রয়োজনীয় আয়রনের জোগান দিতে কচুশাকের জুড়ি নেই। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, বি ও সি; ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। মানবদেহের নানা রোগ সারাতে সহজলভ্য কচুশাক অত্যন্ত কার্যকর।
প্রতি ১০০ গ্রাম কচুশাকে প্রোটিন ৩৯ গ্রাম, শর্করা ৬ দশমিক ৮ গ্রাম, স্নেহ বা চর্বি ১৫ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২২৭ মিলিগ্রাম, আয়রন ১০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি ২২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ১২ মিলিগ্রাম পরিমাণে থাকে।
কচুশাকে প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় এর আয়রন মানবদেহে সহজে আত্তীকরণ হয়।
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, যা রাতকানা, ছানিপড়াসহ চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, যা মানবদেহের বৃদ্ধি ও কোষ গঠনে ভূমিকা রাখে। কচুশাকের ভিটামিন কোষের পুনর্গঠনে সহায়তা করে।
এই শাকের আয়রন ও ফোলেট রক্তের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে অক্সিজেন সংবহন পর্যাপ্ত থাকে। পাশাপাশি এতে রয়েছে ভিটামিন কে, যা রক্তপাতের সমস্যা প্রতিরোধ করে।
কচুশাকে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশ, যা অন্ত্রের বিভিন্ন রোগ দূরে রাখে। এটি পরিপাকক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
কচুশাকের ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ মানুষের দাঁত ও হাড়ের গঠন এবং ক্ষয়রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

গুনাগুনরসুনের উপকারিতার বিষয়টি চিকিসা বিজ্ঞানে দিন দিন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। ভেষজ এই সবজিটির গুণের কথা মানুষ অনেক আগেই টের প...
04/08/2016

গুনাগুন
রসুনের উপকারিতার বিষয়টি চিকিসা বিজ্ঞানে দিন দিন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। ভেষজ এই সবজিটির গুণের কথা মানুষ অনেক আগেই টের পেয়েছিল। বিশেষত বিজ্ঞানের জনক বলে পরিচিত হিম্পোক্রিটস মানবদেহের ক্যান্সার, ঘা, কুষ্ঠ সারাতে, রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ ও পরিপাকতন্ত্রের হজমজনিত সমস্যা দূর করতে রোগীদের রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিতেন। আধুনিক ভেষজ চিকিৎসকরাও সর্দি, কাশি, জ্বর, ফ্লু, ব্রঙ্কাইটিস, কৃমি, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য পরিপাকের সমস্যাসহ লিভার ও পিত্তথলির নানা উপসর্গ দূর করতে রসুন খাওয়ার পরামর্শ দেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি মাঝারি সাইজের রসুনে এক লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে। শুধু তাই নয়, ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি অ্যামিবিক ডিসেনট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে রসুন বেশ কার্যকরী।

দেহের রোগ সংক্রমণ দূর করার জন্য একসঙ্গে তিন কোয়া রসুন দিনে তিন থেকে চারবার চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। রক্তের চাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য প্রতিদিন তিন থেকে ১০ কোয়া রসুন খেতে পারেন। তা ছাড়া রসুনের জল সেবন করতে হলে ছয়কোয়া রসুন পিষে এককাপ ঠাণ্ডা পানিতে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ভালোভাবে ছেঁকে রসুন জল সেবন করুন। উচ্চরক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অপরিসীম।

রসুনের উপকারিতা – রসুনের গুনাগুন
এদিকে রসুনের কেমিক্যাল ব্যবহার করে এবং দুই পর্যায়ের ডেলিভারি পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে ইঁদুরের ক্যান্সার ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। রসুনের এই কেমিক্যাল এ্যালিসিনের জন্যই আমরা রসুনের বিশেষ স্বাদ ও গন্ধ পেয়ে থাকি। রসুনের অক্ষত কোয়ায় এ্যালিসিন পাওয়া যায় না। রসুনের কোয়ার মধ্যবর্তী কম্পার্টমেন্টে জমা থাকা দুইটি পদার্থের বায়োকেমিক্যাল বিক্রিয়ার ফলে এ্যালিসিন তৈরি হয়। এই দুটি পদার্থের একটি হলো এনজাইম এ্যালিনেজ এবং অপরটি স্বাভাবিকভাবে নিস্কিয় কেমিক্যাল এ্যালিইন। যখন রসুনের কোয়া ভেঙে ফেলা হয় তখন যে পর্দা কমপার্টমেন্টগুলোকে আলাদা করে রাখে তা ছিঁড়ে যায় এবং দ্রুত রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এ্যালিসিন তৈরি হয়।[wp_ad_camp_2] অধিকাংশ ক্যান্সার কোষের উপরিভাগে বিশেষ ধরনের রিসেপ্টর থাকে। এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এক ধরনের এ্যান্টিবডি প্রোগ্রাম করেন, যা টিউমার বা ক্যান্সারের বিশেষ রিসেপ্টর শনাক্ত করতে সক্ষম। এই এ্যান্টিবডির সঙ্গে এ্যালিইনেজ এনজাইম জুড়ে দেয়া হয়। রক্তে ইনজেশনের মাধ্যমে এটি প্রয়োগ করা হলে বিশেষ এই এ্যান্টিবডি (এনজাইম সহযোগে) ক্যান্সার কোষের উপরিভাগে অবস্থান নেয়। কিছুটা বিরতিতে দ্বিতীয় উপাদান এ্যালিইম প্রয়োগ করা হয়। স্বাভাবিকভাবে নিস্কিয় এ্যালিইন মলিকিউল ক্যান্সার কোষের উপরিভাগে অবস্থান নেয়া এ্যান্টিবডির এ্যালিইনেজের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে প্রাণঘাতী এ্যালিসিন মলিকিউল তৈরি করে, যা টিউমার কোষে ঢুকে কোষকে ধ্বংস করে দেয়। এ প্রক্রিয়ায় স্বাভাবিক কোষ অক্ষত থাকে। শল্য চিকিৎসার পর ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়া রোধে এ পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর বলে সংশিস্নষ্ট বিজ্ঞানীগণ জানিয়েছেন।

আমাদের পেজে লাইক দিতে ভুলবেন না।

পুদিনা পাতাকে আমরা শুধুমাত্র রান্নার স্বাদ বাড়ানোর কাজেই ব্যবহার করে থাকি। সাধারণত অন্য কোনো কাজে আমরা পুদিনা পাতা ব্যবহ...
03/08/2016

পুদিনা পাতাকে আমরা শুধুমাত্র রান্নার স্বাদ বাড়ানোর কাজেই ব্যবহার করে থাকি। সাধারণত অন্য কোনো কাজে আমরা পুদিনা পাতা ব্যবহার করি না। কিন্তু এই পুদিনা পাতা আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি জিনিস। আমাদের নানান ভুলে দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘমেয়াদী কিছু রোগের চিকিৎসায় আমরা এই প্রাকৃতিক মহাঔষধটি ব্যবহার করতে পারি। চলুন দেখে নেই পুদিনা পাতার ব্যবহারে ঘরোয়া কিছু চিকিৎসা।

হজমের সমস্যা সমাধানে পুদিনা
পুদিনা পাতায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোনিউরিয়েন্টসের চমৎকারী গুনাগুণ যা পেটের যে কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে খুব দ্রুত। যারা হজমের সমস্যা এবং পেটের ব্যথা কিংবা পেটের অন্যান্য সমস্যায় ভুগে থাকেন তারা খাবার পর ১ কাপ পুদিনা পাতার চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। ৬/৭টি তাজা পুদিনা পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে খুব সহজে পুদিনা পাতার চা তৈরি করতে পারেন ঘরে।

মাথা ব্যথা এবং জয়েন্টে ব্যথা দূর করতে পুদিনা
ব্যথা নাশক যে সকল ঔষধ বাজারে পাওয়া যায় তার সবগুলোতেই পুদিনা পাতার ব্যবহার রয়েছে। এর কারন হচ্ছে পুদিনা পাতার রস তাৎক্ষণিক ব্যথানাশক উপাদান হিসেবে কাজ করে। পুদিনা পাতার রস চামড়ার ভেতর দিয়ে নার্ভে পৌঁছে নার্ভ শান্ত করতে সহায়তা করে। তাই মাথা ব্যথা বা জয়েন্টে ব্যথা উপশমে পুদিনা পাতা ব্যবহার করা যায়। মাথা ব্যথা হলে পুদিনা পাতার চা পান করতে পারেন। অথবা তাজা কিছু পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। জয়েন্টে ব্যথায় পুদিনা পাতা বেটে লেপ দিতে পারেন।

দাঁত এবং মাড়ির সমস্যা সমাধানে পুদিনা
অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাধানে ভরপুর পুদিনা পাতা দাঁত এবং মাড়ির যে কোন সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। পুদিনা পাতার রস মিশ্রিত পানি দিয়ে প্রতিদিন কুলকুচা করার অভ্যাস করলে দাঁত এবং মাড়ির সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারবেন। এছাড়া মাড়ির ইনফেকশন জনিত সমস্যা দূর করতে তাজা পুদিনা পাতা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন।

অ্যাজমা এবং কাশির সমস্যা উপশমে পুদিনা
পুদিনা পাতার রস শ্বাসপ্রশ্বাসের নালী খুলে দেয়ার কাজে সহায়তা করে। ফলে যারা অ্যাজমা এবং কাশির সমস্যায় পরেন তাদের সমস্যা তাৎক্ষণিক উপশমে পুদিনা পাতা বেশ কার্যকরী। খুব বেশি নিঃশ্বাসের এবং কাশির সমস্যায় পরলে পুদিনা পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে সেই পানির ভাপ নিন এবং তা দিয়ে গার্গল করার অভ্যাস তৈরি করুন।

দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে
পুদিনা পাতায় রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন সি, ডি, ই এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। যারা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সমস্যায় ভুগেন তারা নিয়মিত পুদিনা পাতা খাবার অভ্যাস করুন। সালাদ কিংবা অন্যান্য রান্নায় পুদিনা পাতা ব্যবহার করুন। খেতে পারেন পুদিনা পাতার শরবত। দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত হবে।

ক্যান্সার প্রতিরোধে পুদিনা পাতা
আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে পুদিনা পাতা ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে। পুদিনা পাতার পেরিলেল অ্যালকোহল যা ফাইটোনিউরিয়েন্টসের একটি উপাদান দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিতে বাঁধা প্রদান করে।

চিকিৎসার জন্য কল করুন 01611886623

Address

Shayampur
Dhaka
1236

Telephone

+8801611886623

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভেষজ চিকিৎসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share