Dr.Emraan Hossain

Dr.Emraan Hossain MBBS, FCPS fp(orthopaedic & trauma surgery)

02/10/2025
ইউরিক অ্যাসিড – নিঃশব্দে শরীরে জমে ওঠা এক শত্রু! 🩸সমস্যাকে ছোট করে দেখবেন না, আজ জানুন কারণ, ক্ষতি, প্রতিকার আর সঠিক খাদ...
26/09/2025

ইউরিক অ্যাসিড – নিঃশব্দে শরীরে জমে ওঠা এক শত্রু! 🩸

সমস্যাকে ছোট করে দেখবেন না, আজ জানুন কারণ, ক্ষতি, প্রতিকার আর সঠিক খাদ্যাভ্যাস। সুস্থ জীবন আপনার হাতেই।

🔴 ইউরিক অ্যাসিড কী?

ইউরিক অ্যাসিড হলো আমাদের শরীরে পিউরিন নামক প্রাকৃতিক রাসায়নিক ভাঙার ফলে তৈরি হওয়া বর্জ্য পদার্থ। সাধারণত কিডনি এটি শরীর থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়।

কিন্তু যখন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায় (Hyperuricemia), তখন শরীরে নানা জটিলতা দেখা দেয়।

⚠️ ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কী হয়?

🔹 গাউট (Gout):

জয়েন্টে (গাঁটে) স্ফটিক আকারে জমে গিয়ে তীব্র ব্যথা, ফোলা ও লালচে ভাব।

সাধারণত পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে বেশি হয়।

🔹 কিডনির ক্ষতি:

অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে।

এতে প্রস্রাবে জ্বালা, ব্যথা, রক্ত আসা, কিডনি ফেইলিওরের ঝুঁকি।

🔹 শরীরের ক্লান্তি ও ব্যথা:

শরীর ভারী লাগে।

মাংসপেশি ও হাড়ে ব্যথা ও অস্বস্তি।

🔹 উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ:

গবেষণায় প্রমাণিত, ইউরিক অ্যাসিডের উচ্চ মাত্রা হাই ব্লাড প্রেশার ও কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

🔹 মেটাবলিক সিনড্রোম:

ডায়াবেটিস, স্থূলতা, কোলেস্টেরল সমস্যা ইত্যাদির সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে।

🔎 ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার কারণ

✔ অতিরিক্ত লাল মাংস, কলিজা, মাছের ডিম, সার্ডিন, অ্যাঙ্কোভি, সি-ফুড খাওয়া।

✔ বেশি ভাজাপোড়া ও ফাস্টফুড খাওয়ার অভ্যাস।

✔ অ্যালকোহল ও চিনি মেশানো পানীয় (সফট ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস)।

✔ স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন।

✔ কিডনির দুর্বলতা বা কম কার্যকারিতা।

✔ বংশগত কারণ।

✔ দীর্ঘমেয়াদে কিছু ওষুধ যেমন ডায়ুরেটিক (মূত্রবর্ধক) ওষুধ।

✅ ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণের উপায়

খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করুন

পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার কম খান (লাল মাংস, কলিজা, সি-ফুড)।

শাকসবজি, ফলমূল, আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান।

পরিশোধিত চিনি, ফাস্টফুড, ঝাল-তেল এড়িয়ে চলুন।

প্রচুর পানি পান করুন

প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

পানি কিডনিকে ইউরিক অ্যাসিড বের করতে সাহায্য করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন

স্থূলতা ইউরিক অ্যাসিডের ঝুঁকি বাড়ায়।

নিয়মিত হাঁটা, সাঁতার, হালকা ব্যায়াম করুন।

অ্যালকোহল ও মিষ্টি পানীয় এড়িয়ে চলুন

বিয়ার, ওয়াইন, সোডা ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়।

🍎 ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে যেসব খাবার উপকারী

✅ ফলমূল

আপেল, চেরি, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, আঙুর, কলা।

✅ সবজি

শসা, লাউ, করলা, ঢেঁড়স, মুলা, গাজর, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি।

✅ ডাল ও শস্য

অল্প পরিমাণে মসুর ডাল, মুগ ডাল, ওটস, ব্রাউন রাইস।

✅ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার

লো-ফ্যাট দুধ, দই, ছানা।

✅ বাদাম ও বীজ

আমন্ড, আখরোট, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড।

✅ পানি ও তরল

লেবুর পানি, ডাবের পানি, সাধারণ পানি।

🚫 যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

❌ লাল মাংস (গরু, খাসি, ভেড়া)।

❌ কলিজা, ভুঁড়ি, মগজ জাতীয় খাবার।

❌ সি-ফুড (সার্ডিন, অ্যাঙ্কোভি, চিংড়ি, মাছের ডিম)।

❌ অতিরিক্ত ডাল ও মটরশুঁটি।

❌ অ্যালকোহল।

❌ সফট ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস, বেশি মিষ্টি।

🟢 জীবনধারায় করণীয়

🔹 নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ও হালকা ব্যায়াম।

🔹 রাত জাগা এড়িয়ে চলা।

🔹 স্ট্রেস কমানো (ধ্যান, প্রার্থনা, বিশ্রাম)।

🔹 সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া।

🔹 নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা (রক্ত পরীক্ষা – ইউরিক অ্যাসিড লেভেল)।

📝 শেষ কথা

ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়া অবহেলার বিষয় নয়। এটি গাউট, কিডনি স্টোন, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা জটিল রোগ তৈরি করতে পারে।

👉 তাই সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি, নিয়মিত ব্যায়াম ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললেই ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম পা মাটিতে রাখতেই তীব্র ব্যথা! হাঁটতে গেলে গোড়ালি শক্ত হয়ে যাচ্ছে, মনে হচ্ছে পায়ের তলার মাংসপেশি...
02/09/2025

সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম পা মাটিতে রাখতেই তীব্র ব্যথা! হাঁটতে গেলে গোড়ালি শক্ত হয়ে যাচ্ছে, মনে হচ্ছে পায়ের তলার মাংসপেশি টান পড়ে আছে। অনেকেই ভেবে নেন হয়তো একদিন দাঁড়িয়ে কাজ করার কারণে হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এটা হতে পারে Plantar Fasciitis. এটা সাধারণ মনে হলেও অবহেলা করলে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার কারণ হতে পারে।

মেডিকেল জার্নাল Journal of Orthopaedic & Sports Physical Therapy এর তথ্যানুযায়ী, গোড়ালির ব্যথায় ভোগা প্রায় ১১–১৫% রোগীর প্রধান কারণ হলো প্লান্টার ফ্যাসাইটিস। বিশেষ করে ৪০ থেকে ৬০ বছরের মানুষদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশি দেখা যায়। অতিরিক্ত ওজন, দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকা, শক্ত জুতা ব্যবহার কিংবা হঠাৎ বেশি হাঁটাহাঁটি/দৌড়ানোর কারণে এ সমস্যা বাড়ে।

Plantar Fasciitis কেন হয়?

• দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা বা হাঁটার ফলে গোড়ালির ওপর চাপ পড়ে।
• অতিরিক্ত ওজন → বাড়তি চাপ পায়ের তলার টিস্যুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
• শক্ত বা সাপোর্টহীন জুতা → হিল কুশন না থাকলে ঝাঁকুনি সরাসরি পায়ে লাগে।
• পায়ের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া → ফ্যাসিয়ার ওপর টান বাড়ায়।
• বয়সজনিত পরিবর্তন (৪০–৬০ বছর বয়সে বেশি দেখা যায়)।
• হঠাৎ অতিরিক্ত হাঁটা বা দৌড়ানো।

✅ লক্ষণগুলো চিনে নিনঃ

• সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম হাঁটার সময় তীব্র ব্যথা।
• গোড়ালি ও পায়ের তলায় জ্বালা বা টান অনুভব করা।
• হাঁটতে বা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হওয়া।
• পায়ের পেশি শক্ত ও অস্বস্তি লাগা।

✅ চিকিৎসার পথঃ

• ডাক্তারের পরামর্শে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন।
• প্রয়োজন হলে ইনজেকশন বা সাপ্লিমেন্ট।
• ফিজিক্যাল থেরাপি ও থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ: পায়ের তলার মাংসপেশি শিথিল করতে ও ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত কার্যকর।
• অর্থোটিক সাপোর্ট (Heel Pad / Soft Insole): হাঁটার সময় শক শোষণ করে আরাম দেয়।

✅ প্রতিরোধের উপায়ঃ

• সবসময় নরম সোলের জুতা ব্যবহার করুন।
• দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা বা হাঁটা এড়িয়ে চলুন।
• ঘরে থাকলে শক্ত মেঝেতে খালি পায়ে হাঁটার বদলে নরম মাদুর ব্যবহার করুন।
• ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
• একটানা কোনো কাজ করবেন না, মাঝে মাঝে বিরতি নিন।

গোড়ালির ব্যথাকে হালকা করে নেবেন না। সময়মতো চিকিৎসা ও ফিজিওথেরাপি নিলে প্লান্টার ফ্যাসাইটিস সহজেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। আজ থেকেই জুতার যত্ন নিন, শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন আর নিজের পায়ের স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিন।

3 types of Arthritis 🚨 Do you know the difference between these 3 types of Arthritis? 🚨🤔 Many people confuse them, but h...
26/08/2025

3 types of Arthritis

🚨 Do you know the difference between these 3 types of Arthritis? 🚨

🤔 Many people confuse them, but here’s the truth:

🔹 Reactive Arthritis (Reiter’s Syndrome):

👉 Happens after infection (gut or urinary)

👉 Classic triad: “Can’t see, Can’t p*e, Can’t climb a tree”

(👁 Eye inflammation + 🚻 Urethritis + 🦵 Arthritis)

🔹 Rheumatoid Arthritis (RA):

👉 Autoimmune disease

👉 Affects small joints symmetrically (hands, wrists)

👉 RF & Anti-CCP positive

🔹 Psoriatic Arthritis (PsA):

👉 Comes with Psoriasis skin disease

👉 Nail pitting, sausage fingers, pencil-in-cup deformity on X-ray

👉 RF negative

💡 Key tip:

RA = 🔄 Symmetric joints

PsA = 🎨 Psoriasis + Nail changes

Reactive = 🚻 Infection-related

✨ Stay aware, early diagnosis saves joints!

Perfect 👍 Here’s a Comparison Table to clearly differentiate Reactive Arthritis vs Rheumatoid Arthritis vs Psoriatic Arthritis.

🔍 Comparison Table

Feature Reactive Arthritis (Reiter’s Syndrome) Rheumatoid Arthritis (RA) Psoriatic Arthritis (PsA)

Trigger Post-infection (Chlamydia, GI infection) Autoimmune, idiopathic Associated with Psoriasis (skin & nails)

Onset Acute, after infection (1–4 weeks) Gradual, chronic Gradual, chronic

Typical Joints Asymmetric, lower limb (knees, ankles, sacroiliac) Symmetric, small joints (MCP, PIP, wrists) Asymmetric, DIP joints, sacroiliac, spine

Extra-articular features Urethritis, Conjunctivitis/Uveitis, Skin rash, Hepatitis Rheumatoid nodules, lung involvement, vasculitis Nail pitting, Onycholysis, Dactylitis (“sausage digits”), Uveitis

Skin Findings Keratoderma blennorrhagicum, balanitis circinata Rheumatoid nodules, vasculitic rash Psoriasis plaques, silvery scales

Nail Changes Rare Rare Common (pitting, thickening, onycholysis)

Genetic link Strong with HLA-B27 Associated with HLA-DR4 Associated with HLA-B27, HLA-Cw6

Labs RF negative, anti-CCP negative RF positive (70–80%), anti-CCP positive RF negative, ANA negative

Radiology Asymmetric sacroiliitis, enthesitis Symmetric joint space narrowing, erosions Pencil-in-cup deformity, joint erosion

Mnemonic “Can't see, can't p*e, can't climb a tree” Chronic, symmetric autoimmune polyarthritis Arthritis + Psoriasis + Nail changes

✅ Summary:

Reactive Arthritis: Post-infectious, HLA-B27, eye + urethra + joint involvement

Rheumatoid Arthritis: Chronic autoimmune, symmetric small joints, RF/anti-CCP positive

Psoriatic Arthritis: Associated with psoriasis, nail pitting, dactylitis, pencil-in-cup deformity

Repetition of Rabies vaccineসবার জানা অত্যান্ত জরুরী.Rabies vaccine দেবার পর আবারও কুকুড় বা বিড়াল বা অন্য কোন Rabid anim...
26/08/2025

Repetition of Rabies vaccine
সবার জানা অত্যান্ত জরুরী.
Rabies vaccine দেবার পর আবারও কুকুড় বা বিড়াল বা অন্য কোন Rabid animal কামড় দিলে Rabies vaccine দেয়া লাগবে কিনা??
১) Rabies vaccine এর ডোজ কমপ্লিট হবার ৩ মাসের মধ্যে হলে- কোন ভ্যাক্সিন লাগবে না।
২) Rabies vaccine এর ডোজ কমপ্লিট হবার ৩ মাস থেকে ৫ বছরের মধ্যে হলে- দুটি ডোজ ০ ও ৩য় দিনে।
৩) Rabies vaccine এর ডোজ কমপ্লিট হবার ৫ বছর পর হলে- ফুল ডোজ নিতে হবে।
৪) Rabies vaccine এর কতটি ডোজ নিয়েছে বা কতদিন আগে ডোজ কমপ্লিট করেছে ইত্যাদি তথ্য না থাকলে- ফুল ডোজ নিতে হবে।
বিদ্রঃ Rabies vaccine দেয়া লাগবে কিনা? কতটি ডোজ দিতে হবে ইত্যাদি নিয়ে কোন কনফিউশন থাকলে সব সময় ভ্যাক্সিন দেবার পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারন এই রোগের মরটালিটি ১০০%।
রেফারেন্স- Ref: National Rabies Guideline (2010)

গাউট বা গেঁটে বাতব্যথা থাকলে নিচের খাবারগুলো পরিহার করুন:
24/08/2025

গাউট বা গেঁটে বাতব্যথা থাকলে নিচের খাবারগুলো পরিহার করুন:

04/07/2025

ওষুধ খাওয়া হচ্ছে , Insulin নেয়া হচ্ছে।Diet ও করা হচ্ছে টুকটাক। কিন্তু Diabetes Control হচ্ছে না।
কেন হচ্ছে না?
এর একটা Important কারন রাত জাগা। যতো রাত জাগবেন, ততো Stress hormone Cortisol Release হবে। আর Cortisol এর অন্যতম Metabolic Effect হলো এটা Blood Glucose বাড়ায়!
এছাড়া যারা Stressful job করেন। যেমন Doctors, Lawyers. এদের ও Stress এর কারনে প্রচুর Cortisol release হয়। এবং এই জন্য এই প্রফেশনে যারা আছেন, তাদের Diabetes control হতে চায় না।

Do you know that during dialysis, blood is removed from the body through the red tube, passed through the dialysis machi...
02/07/2025

Do you know that during dialysis, blood is removed from the body through the red tube, passed through the dialysis machine, and then reintroduced into the body through the blue tube.

This process is repeated for four hours while the patient remains immobile in bed.

The procedure is carried out three times a week, which results in twelve times a month, and each time it takes four hours, which results in a total of forty-eight hours a month.

For those not affected, this process of flushing your kidneys occurs automatically 36 times every day with zero effort or discomfort.

Always be grateful for what you have. ❤️

18/05/2025

চুল*কানি বা স্ক্যাবিস থেকে মুক্তি পেতে ভালো ভাবে পোস্টটি পড়ুন।
স্ক্যাবিস এখন মহা*মারি আকার ধারন করেছে, সচেতন হবার অনুরোধ। 🙏
স্ক্যাবিস (Scabies) একটি তীব্র চর্মরোগ, যা Sarcoptes scabiei নামক এক ধরনের ক্ষুদ্র পরজীবী মাইট (mite) দ্বারা হয়। এটি খুবই সংক্রামক এবং চুলকানির মাধ্যমে এর প্রধান উপসর্গ প্রকাশ পায়।

স্ক্যাবিসের ভয়াবহতা:😰

1. চরম চুলকানি: বিশেষ করে রাতে বেশি হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক বাচ্চারা চুলকাতে চুলকাতে ঘুম ভেঙে যায়, যন্ত্র*নায় কান্নাকাটি করে।

2. চামড়ায় ফুসকুড়ি ও ক্ষত: ঘর্ষণ এবং চুলকানোর ফলে চামড়ায় ঘা ও ইনফেকশন হতে পারে। পুঁ*জ জমে যায়।

3. পরিবারে দ্রুত ছড়ায়: সংস্পর্শে এলে পুরো পরিবার আক্রান্ত হতে পারে। মা*রাত্মক ছোঁয়াচে রোগ এটি।

4. দীর্ঘমেয়াদে হলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন: ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, সেলুলাইটিস, এমনকি কিডনি সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে শিশুদের ক্ষেত্রে। তাই সচেতনতা ভীষন ভাবে প্রয়োজন।

5. মানসিক অস্বস্তি: অতিরিক্ত চুলকানি ও অস্বস্তির কারণে মানসিক চাপ ও অস্থিরতা তৈরি হয়।

স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়:🤷‍♀️

১. চিকিৎসা:💁‍♀️

পারমেথ্রিন (Permethrin) ৫% ক্রিম: এটি সবচেয়ে কার্যকর। শরীরের গলা থেকে পা পর্যন্ত মেখে রাতভর রেখে সকালে (১০-১২ঘন্টা) ধুয়ে ফেলতে হয়। এই নিয়মে একটু ভু*ল হলে কোনেভাবেই এউ স্ক্যাবিস যাবেনা। মাসের পর মাস এই অ*সহ্য যন্ত্র*ণা ভোগ করতে হবে, হাজার হাজার টাকা, ১০-১২টা ডাক্তার যাই করেন, কাজ হবেনা। শরীরের এক ইঞ্চি ও বাদ রাখবেন না, রাতে ওয়াসরুমে গেলে, ওষুধ ধুয়ে গেলে, আবার প্রয়োগ করুন। ভীষণ জরুরি। না কমলে ৭ দিন পরপর একই নিয়মে ব্যবহার করুন। আর অবশ্যই পরদিন সকালে গায়ে থাকা পোষাক, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার সব কিছু গরম পানিতে ধুয়ে দেবেন, নিজের ও শিশুর শরীর গরম পানি ও বডি ওয়াস দিয়ে ভালো ভাবে রগরে গোসল করুন ও করান।
✅Elimate plus✅ ব্যাবহার করতে পারেন।

আইভারমেকটিন (Ivermectin) ওষুধ: কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তার খাওয়ার ওষুধ দেন, বিশেষ করে জটিল ও পুনঃসংক্রমণের ক্ষেত্রে।

অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট: চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। শিশুদের ক্ষেত্রে Billi syrup বড়দের ক্ষেত্রে ট্যাবলেট।

২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:

আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।

৩ দিন ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে দূরে রাখতে হবে (মাইট ২–৩ দিন বেঁচে থাকে)।

৩. একসাথে চিকিৎসা:

পরিবারের সব সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা করা জরুরি, এমনকি উপসর্গ না থাকলেও। এটা খুবি জরুরি।

৪. নিয়মিত হাত ধোয়া ও শরীর পরিষ্কার রাখা। বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সবার আগে ভালো ভাবে হাত ধোঁয়ার অভ্যাস করুন।

বিশেষ সতর্কতা:

শিশু ও গর্ভবতীদের জন্য ওষুধ ব্যবহারে ডাক্তারি পরামর্শ প্রয়োজন।

মিথ্যা ধারনা নয়, নিশ্চিতভাবে ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শে চিকিৎসা নিতে হবে।
বিদ্র:
এই স্ক্যাবিসকে সাধারন ভাবে দেখবেন না। এর ভয়াবহতা অনেক। তাই সচেতন হবেন। যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ তারাও প্রতি মাসে একবার করে পরিবারের সবাই একসাথে পারমিথ্রিন ৫% ব্যবহার করুন ও পোষাক, বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।
নিজে জানুন অন্যকে জানান
ধন্যবাদ।

Address

Dhaka

Telephone

+8801621866088

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Emraan Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category