Millennium International School

Millennium  International  School Millennium International School is an English Medium and version School. It is located inside the Sikder Medical College Campus, West Dhanmondi.

07/04/2024

গল্প ১ :
মেহনাজ সবার সামনে কথা বলতে ভয়ে কুঁকড়ে যায়। ছোটবেলা থেকেই ও একটু ভীতু প্রকৃতির। ওর মা ভীষণ রাগী। অতিরিক্ত রাগের কারনে বাবার সাথেও খিটিমিটি হয়। মেহনাজ সব সময় একটা আতঙ্কের মধ্যে থাকে।
মেহেনাজ স্টুডেন্ট হিসাবে ভালই ছিল। কিন্ত ক্লাসে সবার সামনে কথা বলতে গেলে তার গলায় কাটা আটকে যেত। একবার ফিজিক্স টিচার তাকে ডেকে সবার সামনে নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রটি বলতে বললেন। সূত্রটি তার ভালই জানা ছিল। কিন্ত সূত্রটি বলার সময় তার গলা কাঁপতে শুরু করল। শেষে গলা এত জোরে কাঁপল যেন টিনের চাটাই ঝাঁকা হচ্ছে।ক্লাসের সবাই হাসতে লাগল আর মেহনাজ লাল হয়ে টমেটোর মতো হয়ে গেল। সেই ঘটনার পর থেকে, টিচার যখনই কিছু বলতে বলতেন, মেহনাজের বুকে ড্রাম বাজতে থাকে সাথে পেটের ভেতরে মুচরে উঠে। তোতলাতে শুরু করে।
ভয়ের কারণে মেহনাজ দিন দিন আরো বেশী নার্ভাস হয়ে যায়। যখনই সে ঘাবড়ে যেত, এমন কথা বলে ফেলত যাতে সবাই তার দিকে হেসে উঠতো।
একদিন , ক্লাসে debat টিমে যোগ দেওয়ার কথা বলা হলে মেহনাজের হাত-পা আরো কাঁপতে লাগল। তার টীমে আস্থা নামের একটা মেয়েকে দেয়া হলো। আস্থা কিছু দিন হলো, অন্য স্কুল থেকে ওদের ক্লাসে জয়েন করেছে। মেহনাজ দেখল, বড় বড় চোখের নতুন মেয়েটি একটু লাজুকও বটে । মেহনাজ বুঝল আস্থা হয়তো তার মতোই ভয় পাচ্ছে। হয়তো, তারা দু'জনে একসাথে চেষ্টা করে দেখতে পারে। এই ভাবনার সাথে সাথেই জাদুমন্ত্রের মতো ওর ভয় কমে গেল।
স্কুলের পর তারা debate চর্চা করতে শুরু করল। দেখা গেল, আস্থা বেশি জানত না কীভাবে যুক্তি দিতে হয়। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার মেহনাজ, বেশ ভালোই বলতে পারছিল। সে এমনকি তার নিজের মজার মজার কৌতুকে আস্থাকে হাসাতেও পারত। প্রতিদিন একসাথে অনুশীলন করতে করতে,মেহনাজের ভয় কমতে থাকে। সে এখনো একটু ঘাবড়ে যায়, কিন্তু তার মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস জন্ম নেয়।
Debate প্রতিযোগিতার দিনে, মঞ্চের আলো মেহনাজের চোখে এসে পড়ে। সামনে সারি সারি দর্শক, মেহনাজ ঘামতে শুরু করে। হার্টবিট যখন বাড়া শুরু করল তখনই সে আস্থার দিকে তাকায়। সে দেখল আস্থা লজ্জায় আরও কুকড়ে গেছে। তারপরেও আস্থা মেহনাজের দিকে তাকিয়ে হাসার চেস্টা করল। ওর ভয়ের হাসিটা এতটা ফানি লাগছিল যে মেহনাজ ফিক করে হেসে দেয়। এতে মেহনাজের সব ভয় নিমেষের জন্য চলে যায়। এই নিমেষের হাসি মেহনাজের সাহস বাড়িয়ে দেয়। মেহনাজ বিতর্ক করে এবং সবাই তার প্রশংসাও করে। যদিও মেহনাজ জিততে পারে নাই ,তবুও বুজতে পারে যে সে যা ভাবতো ততটা খারাপ নয়।
এরপর থেকে, মেহনাজ আর সবার সামনে কথা বলতে এতটা ভয় পেত না। সে জানতো, একটু চেষ্টা করলে সে পারে। আর কখনো কখনো, একটু ভয় পেলেও, যদি পাশে বন্ধু থাকে, তাহলে কঠিন কাজও অনেক সহজ হয়ে যায়।

গল্প ২ :
টিনা বড় লোকের মেয়ে। ক্লাসে সবার সাথে মিশতে পারে না। একবার রিডিং পড়ার সময়, তার উচ্চারণের একটু তীক্ষ্ণতার কারনে funny শব্দটা এমন funny লাগল যে সবাই হেসে উঠে।, আর টিনা রাগে লাল হয়ে যায়, তার মনের ভিতরে একটা জ্বালা জ্বলে। 'আমি তো খারাপ বলছিলাম না,' সে মনে মনে ভাবে 'তারা বোঝে না!' এই অপমান আর রাগ তার মধ্যে একটা অদ্ভুত অহংকার গড়ে তুলে।
এরপর থেকে টিনা ক্লাসে আরো কম কথা বলা শুরু করল। কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলে, সে ছেঁচড়ে উঠতো, বা কোনো খোঁটা খুঁজে বের করে বিষ দিয়ে দিতো, যাতে সবাই বুঝতে পারে তারা আসলে কতটা অজ্ঞ। কিন্তু একা একা থাকতে থাকতে টিনার মনে একটা খাঁদা পড়ে যায়। বন্ধুরা তার সাথে কথা বলত না, কারণ তারা জানতো যে কোনো মুহূর্তে টিনা তাদের কোনো একটা ভুল ধরে ফেলবে। টিনা ধীরে ধীরে একা হয়ে যেতে লাগল।
একদিন, ক্লাসে একটা গ্রুপ প্রজেক্ট দেওয়া হলো। সবাই জুটি বাঁধতে লাগল, কিন্তু টিনার সাথে কেউ জুটি বাঁধতে চাইল না। টিনা আরো রেগে যায়। 'আমি তো একাই এই কাজ করতে পারি,' সে মনে মনে ভাবে। কিন্তু একা কাজ করার ফলে তার অনেক কিছু বুঝতে কষ্ট হলো। প্রেজেন্টেশনের সময়, টিনা বেশ কিছু ভুল করল আর কয়েকজন ছেলে তাকে নিয়ে টিটকারী দিল। টিনার মুখে রাগ জমে যায়, কিন্তু সে নিজের ভুল দেখতে পায় না।
ক্লাসের পর, শিক্ষক টিনাকে ডেকে পাশে বুঝিয়ে বললেন, সবাই কখনো না কখনো ভুল করে, আর ভুল থেকেই শেখা যায়। টিনা চুপ করে শুনে। হয়তো শিক্ষক ঠিকই বলছেন।
টিনা বুঝতে পারল তার অহংকার তার ভূলকে এতদিন ঢেকে রেখেছিল। সবার সামনে কথা বলতে, ভুল করতে, আর নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করতে সে ভয় পেত। কিন্তু এই অহংকার তাকে আর কিছু শেখার সুযোগ দিচ্ছিল না। সে তার ভুলগুলো বুঝতে পারে।
পরেরদিন, টিনা তার সহপাঠীদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইল। সে স্বীকার করল যে, তার অনেক ভুল ছিল, আর ভুলের জন্যে সে অনুতপ্ত। এখন থেকে সে শেখার চেষ্টা করবে। শিক্ষকও তার কথা শুনে খুশি হলেন।

টিনার এখন সবার সাথে কথা বলতে একটু খারাপ লাগে না। এখন সে জানে যে, ভুল করা ঠিক আছে, আর বন্ধুদের সাহায্য নেওয়াও ঠিক আছে।

সারাংশ :
ভয় মানুষের স্বাভাবিক একটা অনুভূতি। এটা নানা কারণে জন্ম নিতে পারে, পরিবার থেকে, স্কুল থেকে, বন্ধুদের থেকে।
মেহনাজের ক্ষেত্রে, সবার সামনে কথা বলার সময় যে ঘাবড়ানিটা সে অনুভব করতো, সেটা হয়তো আগের কোনো অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে, হয়তো পরিবার থেকে মা বার অতিরিক্ত শাসন থেকে, হয়তো স্কুল থেকে তাকে হাসি-ঠাট্টা করেছে বা সমালোচনা করেছে তার থেকে।

ভয় যদি ঠিকমতো মোকাবিলা না করা হয়, তাহলে সেটা একজন মানুষের অহংবোধ বাড়িয়ে দিতে পারে। এই অহংকার একটা ঢালের মতো কাজ করে, মনের কোমল জায়গাগুলোকে আরো বেশি আঘাত থেকে বাঁচায়। টিনার ক্ষেত্রেও হয়ত বাবা মায়ের প্রশ্রয় বা বিচারের ভয়েই হয়তো ক্লাসে আলোচনা করার সময় অন্যদের নামিয়ে দেওয়া শুরু করে। ব্যঙ্গ করে কথা বলা শুরু করে যাতে সবাই তার দিকে না তাকিয়ে অন্য কারো দিকে তাকায়।
টিনার এই আচরণ, যেটা ভয় আর অহং দ্বারা চালিত, সেটা হয়তো অন্যদের তার থেকে দূরে ঠেলে দেয়। তার মজাগুলো নিষ্ঠুর হয়ে যায়, আর তার এই রুক্ষ আচরণ একটা দেয়াল তৈরি করে ফেলে। এই একা থাকার অবস্থা টিনার ভয়কে আরো বাড়িয়ে দেয়, আর এভাবেই একটা খারাপ চক্র চলতে থাকে।

অল্প খরচে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার সুযোগ। ৩.৫ বছরের বাচ্চা দের  play group এ ভর্তি করানো যায়। জুন সেশনের জন্য ভর্তির জন্য ...
05/04/2018

অল্প খরচে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার সুযোগ। ৩.৫ বছরের বাচ্চা দের play group এ ভর্তি করানো যায়।
জুন সেশনের জন্য ভর্তির জন্য এখনি যোগাযোগ করতে হবে।
বাচ্চাদের খেলাধুলা এবং cultural activities এর ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।
যোগাযোগ- 01711337203

মিলেনিয়াম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
(শিকদার গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান)

অল্প খরচে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার সুবিধা। বাচ্চাদের খেলাধুলা এবং cultural activities এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। জুন s...
17/03/2018

অল্প খরচে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার সুবিধা। বাচ্চাদের খেলাধুলা এবং cultural activities এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়।
জুন session এর ভর্তিতে এখনি যোগাযোগ করুন।

প্লে গ্রুপ এবং নার্সারির বাচ্চাদের কম্পিউটার এবং ডিজিটাল বোর্ডের মাধ্যমে শিক্ষা দেয়া হয়।

টেলিফোন- 01770820002

মিলেনিয়াম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
(সিকদার গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান)

পশ্চিম ধানমন্ডির শিকদার গ্রুপ এর একটি প্রতিষ্ঠান মিলেনিয়াম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। অল্প খরচে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার সুবিধা...
15/03/2018

পশ্চিম ধানমন্ডির শিকদার গ্রুপ এর একটি প্রতিষ্ঠান মিলেনিয়াম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। অল্প খরচে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার সুবিধা সহ বিশাল খেলার মাঠ এবং উন্নত শিক্ষার উপাদান। রয়েছে hostel facilities এবং transportation এর সুবিধা।
জুন সেশনে ভর্তির জন্য এখনি যোগাযোগ করুন।
playgroup এবং Nursery তে ভর্তিতে রয়েছে বিশেষ ছাড়।
যোগাযোগ- ০১৭৭০৮২০০০২

অল্প খরচে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার সুযোগ।বাচ্চাদের খেলাধুলা এবং শরীরচর্চার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়।  জুন ২০১৮ -১৯ সেশ...
04/03/2018

অল্প খরচে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার সুযোগ।
বাচ্চাদের খেলাধুলা এবং শরীরচর্চার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়।
জুন ২০১৮ -১৯ সেশনের ভর্তিতে এখনি যোগাযোগ করুন....
টেলিফোন-০১৭৭০৮২০০০২

মিলেনিয়াম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
পশ্চিম ধানমন্ডি
(সিকদার গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান)

Art competition
26/02/2018

Art competition

21
21/02/2018

21

Admission going on..
19/02/2018

Admission going on..

পশ্চিম ধানমন্ডির মিলেনিয়াম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আপনার শিশুকে দিচ্ছে কম খরচে ইংলিশ মিডিয়াম অথবা ইংরেজী ভার্সনে ভর্তির সুব...
15/02/2018

পশ্চিম ধানমন্ডির মিলেনিয়াম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আপনার শিশুকে দিচ্ছে কম খরচে ইংলিশ মিডিয়াম অথবা ইংরেজী ভার্সনে ভর্তির সুবিধা। এটি শিকদার মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের মনোরম পরিবেশে অবস্থিত। আপনার শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য মিলেনিয়াম স্কুলে রয়েছে টিচারদের দক্ষ টিম, সবুজ খেলার মাঠ, সুইমিংপুল, ল্যাব সহ উন্নত ক্লাসরুম। আধুনিক হোস্টেল আছে আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য। ভর্তিতে রয়েছে বিশেষ ছাড়। ভর্তির জন্য যোগাযোগ করুন। 01770-820002

06/02/2018
Medical for students
05/02/2018

Medical for students

Address

Sikder Medical College Campus, West Dhanmondi
Dhaka

Telephone

+8801711337203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Millennium International School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram