Perfect Pharma & Doctor's Care

Perfect Pharma & Doctor's Care A perfect medicine shop & consultation centre.

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প 🌿🌿
27/02/2023

ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প 🌿🌿

📢 ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী সকল শিশুকে বিনামূল্যে কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ✅ ২৫ আগস্ট ২০২২ থেকে এই টিকা প...
26/08/2022

📢 ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী সকল শিশুকে বিনামূল্যে কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

✅ ২৫ আগস্ট ২০২২ থেকে এই টিকা প্রদান শুরু হবে
✅ ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী সকল শিশু এই টিকা নিতে পারবে
✅ এই টিকা শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ও নিরাপদ
✅ নির্ধারিত স্কুল কেন্দ্রে শিশুদের এই টিকা প্রদান করা হবে
✅ স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শিশুদের টিকা প্রদানের কেন্দ্র ও তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে
✅ টিকার জন্য www.surokkha.gov.bd ওয়েবসাইটে শিশুর জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে আজই রেজিস্ট্রেশন করুন
✅ আপনার শিশুকে নির্ভয়ে করোনার টিকা দিন
✅ করোনার টিকা নিলেও সাবধানতার জন্য নিয়মিত মাস্ক পরতে হবে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

করোনা সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য ফ্রি কল করুন
☎ ৩৩৩ বা ১৬২৬৩ নম্বরে।

19/09/2021

হজমশক্তি বাড়ানোর উপায়:
সাধারণত হজমশক্তি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। যাঁদের খাবার ঠিকমতো হজম হয় না, তাঁরা সঠিক খাদ্যাভাস, নিয়মিত ব্যায়াম ও কিছু নিয়ম অনুসরণ করলে হজমশক্তি সবল করা সম্ভব। হজমশক্তি বাড়ানোর সহজ উপায়গুলো হলো:

● খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে খেতে হবে। যিনি যত ভালোভাবে চিবিয়ে খাবার খান, তাঁর পাচকরস নিঃসরণ তত ভালো হয়। এসব পাচকরস খাবারকে সঠিকভাবে হজম করতে সহযোগিতা করে।

● খাবারের সঙ্গে লেবু রাখতে পারেন। লেবু খুব সহজে খাবার হজম করতে সাহায্য করে। চাইলে খাওয়ার পর লেবুপানি খেতে পারেন।

● প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খান। ক্যালসিয়াম আমাদের হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। অনেকেই ল্যাকটোজেন অসহিষ্ণুতার কারণে দুধ খাওয়া একেবারে ছেড়ে দেন। এ ক্ষেত্রে দুধ খাওয়া একেবারে না ছেড়ে অল্প করে খাওয়ার অভ্যাস রাখা উচিত। অথবা ল্যাকটোজ ফ্রি দুধ খেতে পারেন।

● দুধের বিকল্প হিসেবে দই খেতে পারেন। হজমশক্তি বাড়াতে দই খুব সহায়ক। এতে অন্ত্রের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। ক্যালসিয়াম ও প্রোটনের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি এটি হজমে সাহায্য করে।

● গ্রিন টি বা পুদিনাপাতার চা পান করতে পারেন দিনে দুইবার। এতে বিদ্যামান অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট খাবার হজমে সাহায্য করে।

● খাদ্যতালিকায় আঁশযুক্ত খাবার বেশি রাখুন। আঁশযুক্ত খাবার সহজে পানি শোষণ করে, হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। নিয়মিত শাকসবজি, ফল, সালাদ, চিয়া সিড, ইসবগুল খেতে পারেন। পানির পরিমাণ বেশি রয়েছে, এমন ফল ও সবজি, যেমন তরমুজ, বাঙ্গি, শসা, টমেটো, লাউ ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় বেশি রাখুন।

● পানি ছাড়া কোনো খাবারই সঠিকভাবে হজম হয় না। দৈনিক ১০-১২ গ্লাস পানি পান করুন। তবে খাওয়ার আগে এবং খাওয়ার মধ্যে অতিরিক্ত পানি পান করা যাবে না। এতে বদহজম হয়।

● রাতের খাবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে রাত আটটার মধ্যে খেয়ে ফেলা ভালো। গভীর রাতে খাবার খাওয়া যাবে না। খেয়েই ঘুমানো যাবে না। ঘুমনোর ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার গ্রহণ করুন।

● নিয়মিত ব্যায়াম করলে খাবার সঠিকভাবে হজম হয়। সারা দিনে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম, যেমন হাঁটাহাঁটি, জগিং ও সাইক্লিং করার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে পেটে চাপ পড়ে, এমন ব্যায়াম করলে হজম ত্বরান্বিত হয়। পাশাপাশি শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়ামও জরুরি। এতে শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ হয়।

● সারা দিনে ৭–৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম প্রয়োজন। রাতজাগা চলবে না। ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এতে হজমপ্রক্রিয়ার উন্নতি হয়।

● মানসিক চাপমুক্ত থাকতে হবে।

● অতিরিক্ত তেল, ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ভাজাপোড়া এড়াতে হবে।

● ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে।

বিয়ের আগে পরিবার পরিজন, আত্মীয় স্বজন সংক্রান্ত যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকিস্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ সম্পর্কিত কিছু সতর্কবা...
16/09/2021

বিয়ের আগে পরিবার পরিজন, আত্মীয় স্বজন সংক্রান্ত যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি
স্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ সম্পর্কিত কিছু সতর্কবার্তা
আমরা, কিন্তু ভুলে যাই সব চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাপার স্বামী স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ সংক্রান্ত ব্যাপার টি, আসুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে জরুরী কিছু তথ্যঃ
স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধানত ব্লাড গ্রুপ কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হল ABO system (A, B, AB & O), আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}. অর্থ্যাৎ Rh factor ঠিক করবে ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে। তাহলে ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve.
জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেওয়া হয় তাহলে কী হবে?
যখন কোনো Rh নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে Rh পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবার সাধারনত কিছু হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরী হবে যার ফলে যদি কখনো রোগী আবার পজেটিভ ব্লাড নেয় তাহলে তার ব্লাড cell গুলো ভেঙ্গে যাবে, এর কারনে অনেক সমস্যা হবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO incompatibility
স্বামী-স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার?
স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ ও পজেটিভ হতে হবে। আর যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যে কোনো একটি হলেই হবে। তবে স্বামীর ব্লাডগ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। এক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে তার স্বামীর ব্লাডগ্রুপ ও নেগেটিভ হতে হবে।
যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় আর স্ত্রীর ব্লাডগ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে কী সমস্যা হবে?
রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোন সমস্যা হয় না। তবে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয় তাহলে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়। যদি স্বামীর ব্লাডগ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারনত বাচ্চার ব্লাডগ্রুপ ও পজেটিভ হবে। যখন কোনো নেগেটিভ ব্লাডগ্রুপের মা ধারন করবে পজেটিভ Fetus(ভ্রুন) তখন সাধারনত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভ Fetus এর ব্লাড, placental barrier ভেধ করে এবং placental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে। মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে Rh এন্টিবডি তৈরী করবে। যখন মা দ্বিতীয় সন্তান বহন করবে, তখন যদি তার fetus এর ব্লাডগ্রুপ পুনরায় পজেটিভ হয়। তাহলে মায়ের শরীরে আগে যেই Rh এন্টিবডি তৈরী হয়েছিলো সেটা placental barrier ভেধ করে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করবে। আর যখন fetus এর শরীরে Rh antibody ঢুকবে তখন fetal এর RBC এর সাথে agglutination হবে, যার ফলে RBC ভেঙ্গে যাবে। একে মেডিকেল টার্ম এ “Rh incompatibility” বলে।

সারাদেশে গণহারে ভ্যাক্সিন দেয়া শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কমন প্রশ্নঃ * আমার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, এলার্জি বা হাপা...
08/08/2021

সারাদেশে গণহারে ভ্যাক্সিন দেয়া শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কমন প্রশ্নঃ

* আমার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, এলার্জি বা হাপানী আছে। ভ্যাক্সিন দিতে পারব?
#উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন। এসব রোগ যাদের আছে, তারা সবার আগেই ভ্যাক্সিন নেয়া উচিত। কারণ এরা রিস্ক জোনে আছে।

* আমার কোভিড পজিটিভ ছিল বা লক্ষ্মণ ছিল তবে পরীক্ষা করাইনি। ভ্যাক্সিন দিতে পারব?
#উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন তবে পজিটিভ হওয়া বা জ্বর কাশি লক্ষ্মণ দেখা দেয়ার ২৮ দিন পর।

* গর্ভবতী মা এবং দুগ্ধ পান করাচ্ছেন এমন মায়েরা ভ্যাক্সিন নিতে পারবে?
#উত্তরঃ বাচ্চা দুধ খায় এমন মা রা যেকোন সময় ভ্যাক্সিন নিতে পারবে। তবে গর্ভবতী মা রা গর্ভের ১৩ থেকে ৩৩ সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাক্সিন নিতে পারবে যা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

* ভ্যাক্সিন দিলে নাকি হার্টের সমস্যা হচ্ছে বা অনেকে মারা যাচ্ছে?
#উত্তরঃ সামান্য জ্বর বা ব্যথা দেখা দেয়া যেকোন ভ্যাক্সিনের কমন সাইড ইফেক্ট। মারা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। খুবই অল্প সংখ্যক রুগীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি ভ্যাক্সিন দেয়ার পর সামান্য হার্টের প্রদাহ দেখা দিয়েছিল, তবে দ্রুত সুস্থও হয়ে গিয়েছে। অতএব এসব অমুলক চিন্তা থেকে বিরত থাকাই মঙ্গল।

* আমি রক্তদাতা বা ডোনার। ভ্যাক্সিন দেয়ার বা রক্ত দেয়ার নির্দেশনা কি?
#উত্তরঃ ভ্যাক্সিনও দিতে পারবেন, ব্লাডও ডোনেট করতে পারবেন। তবে ভ্যাক্সিন দেয়ার ২৮ দিন পর রক্ত দান করতে পারবেন। ২৮ দিনের ভেতরে নয়।

* ভ্যাক্সিন দেয়ার পরও আমার পুনরায় জ্বর, শরীর ব্যথা। এর কারণ?
#উত্তরঃ ভ্যাক্সিন দেয়ার পরও করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। সেক্ষেত্রে করোনার প্রভাব খুবই কম থাকে, অল্পতেই সুস্থ হয়ে যায়। তাছাড়া জ্বরের কারণ অন্যান্য রোগ যেমন ডেঙ্গু বা টাইফয়েডও হতে পারে।

তথ্যসূত্রঃ WHO, CDC
#কালেক্টেড

04/08/2021

💉 কোভিড-১৯ এর গন টিকাদান কার্যক্রম' পরিচালিত হবে আগামী ০৭ আগষ্ট থেকে ১২ আগষ্ট পর্যন্ত। 💉

*** গণ-টিকাদান কার্যক্রমে টিকা কোথায় দিতে পারবেন ??

>> প্রতিটি ওয়ার্ডে অভ্যন্তরীন নতুন ২/৩টি সেন্টার এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ওই সেন্টারগুলোতে সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত টিকা দেওয়া হবে। যিনি যেই ওয়ার্ড এর অধীনে টিকা রেজিষ্ট্রেশন করেছেন তাদের সেই ওয়ার্ডের স্ব-স্ব অভ্যন্তরীণ টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে টিকা দেয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। ( যার যার ওয়ার্ড এর ফেইসবুক পেইজে অনুসন্ধান করলে পেয়ে যাবেন/ ৭ তারিখের আগে ওয়ার্ড কার্যালয়ে গিয়ে খবর নিবেন )

*** প্রতিদিন কতোগুলো টীকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে ?? ***

>> প্রতিদিন সর্বনিন্ম ২০০ জন একটি টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা পাবেন। তবে জনবল বাড়ানোর সাপেক্ষে টীকাদানের পরিমান বাড়তে পারে।

*** কারা এই গন টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে টিকা গ্রহন করতে পারবেন এবং কারা অগ্রাধিকার পারবেন ?? ***

১/ 👉 ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে যাদের এনআইডি কার্ড আছে তারা এবং যাদের বয়স ১৮+ কিন্তু এনআইডি নেই তারাও টিকা নিতে পারবেন,,সেক্ষেত্রে তাদের জন্ম নিবন্ধন থাকতে হবে।

(এখানে উল্লেখ্য যে,,এনআইডি ছাড়া যারা টিকা নিবেন
তারা সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন না।)

২/ 👉 সুরক্ষা এ্যাপে যারা আগে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন তাদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে,,
যে কেন্দ্রের জন্যেই নিবন্ধন করেন না কেন রেজিষ্ট্রেশনকৃত ব্যক্তি এখানে তার প্রথম ডোজ টিকা নিতে পারবেন,,তবে কেউ অন্য জায়গায় প্রথম ডোজ টিকা নিয়ে থাকলে তাকে সেই জায়গা থেকেই দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে হবে।

৩/ 👉 পূর্বে সুরক্ষা এ্যাপে নিবন্ধন করে এখনো এসএমএস না পাওয়ায় টিকা না দিয়ে থাকলে তারা কার্ড প্রদর্শন করে টিকা দিতে পারবেন।

৪/ 👉 সুরক্ষা এ্যাপে রেজিষ্ট্রেশন না করে থাকলেও আপনি টিকা দিতে পারবেন এক্ষেত্রে আপনাকে এনআইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর নিয়ে আসতে হবে,,অফলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনাকে টিকা দেওয়া হবে,,এক্ষেত্রে আপনার টিকা সনদ প্রাপ্তি কিছুটা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
যেহেতু অফলাইন রেজিষ্ট্রেশন থেকে কেন্দ্রীয় ভাবে অনলাইনে ইনপুট দেওয়ার আগে আপনি সুরক্ষা এ্যাপ থেকে সনদ নিতে পারবেন না। তাই টিকা দেওয়ার আগে অনলাইনে সুরক্ষা এ্যাপে রেজিষ্ট্রেশন করে নেওয়া যুক্তিযুক্ত হবে।

৫/ 👉 একই ভাবে,,উপজেলা পর্যায়ে ও নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ও এই গন টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

*** কারা টিকা গ্রহন করতে পারবেন না ?? ***

১/ 👉১৮ বছরের নিচের বয়সীরা এই গন টিকাদান কার্যক্রমে অংশগ্রহন করতে পারবেন না।

২/ 👉যারা করোনা পজিটিভ এবং যাদের করোনার সিম্পটম আছে তারা গন টিকাদান কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন।

৩/👉 গর্ভবতী ও দুগ্ধবতী মায়েদের টিকা প্রদানের কোন নির্দেশনা নেই,,সেহেতু টিকাদান কেন্দ্রে গর্ভবতী ও দুগ্ধবতী মায়েরা টিকা কেন্দ্রে আসা থেকে বিরত থাকুন।

*** কোথায় /কোন টিকা দেয়া হবে ?? ***

- যে, যেখানে যেটা পাচ্ছেন,,দয়া করে ওটাই দিয়ে দেন। এস্ট্রোজেনিকা, মডার্না, সিনোফার্মা, ফাইজার...
সকল টিকাই WHO এবং বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত। ( এই ব্যপারে প্রতিদিন-ই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়।
দয়া করে এই বিষয়ে আর জানতে চাইবেন না। )

নিয়মাবলী ::

একই কেন্দ্রে পরবর্তী তারিখে যারা এখানে টিকা নিবেন৷ তারা দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে পারবেন তবে প্রথম ৬ দিনে কেউ দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে এখান থেকে টিকা গ্রহণ করতে পারবেন না।

অল্প আশার বানী ::

১/ 👉বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, টীকা প্রাপ্তদের মধ্যে করোনায় মৃত্যুহার ০.৩%।

২/👉দেশে টীকা প্রাপ্তদের শরীরে ৯৮% এন্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া আছে ( সূত্র - বিএসএমএমইউ)

♥তাই সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে,,বিন্দুমাত্র দেরী না করে,,আপনার এবং আপনার পরিবারের সবাইকে টিকা দেয়ার ব্যাবস্থা করুন। ♥

টিকা নিন। ✅
মাস্ক পরুন।✅
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। ✅

মহান আল্লাহ আমাদের এই মহামারী থেকে হেফাজত করুন।

Collected

09/06/2021

➤মাইগ্রেন কী?

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ব্যথা করে। এতে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাব রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।

➤কেন এবং কাদের বেশি হয়?
মাইগ্রেন কেন হয় তা পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে এটি বংশগত বা অজ্ঞাত কোনো কারণে হতে পারে। এটি সাধারণত পুরুষের চেয়ে নারীদের বেশি হয়। নারীদের ঋতুস্রাবের সময় মাথাব্যথা বাড়ে। চকলেট, পনির, কফি ইত্যাদি বেশি খাওয়া, জন্মবিরতিকরণ ওষুধ, দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত ভ্রমণ, ব্যায়াম, অনিদ্রা, অনেকক্ষণ টিভি দেখা, দীর্ঘসময় কম্পিউটারে কাজ করা, মোবাইলে কথা বলা ইত্যাদির কারণে এ রোগ হতে পারে। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতি উজ্জ্বল আলো এই রোগকে বাড়িয়ে দেয়।

➤লক্ষণ
মাথাব্যথা শুরু হলে তা কয়েক ঘণ্টা, এমনকি কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাথাব্যথা, বমি ভাব এ রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে অতিরিক্ত হাই তোলা, কোনো কাজে মনোযোগ নষ্ট হওয়া, বিরক্তিবোধ করা ইত্যাদি উপসর্গ মাথাব্যথা শুরুর আগেও হতে পারে। মাথার যেকোনো অংশ থেকে এ ব্যথা শুরু হয়। পরে পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে | চোখের পেছনে ব্যথার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। শব্দ ও আলো ভালো লাগে না। কখনো কখনো অতিরিক্ত শব্দ ও আলোয় ব্যথা বেড়ে যেতে পারে|

➤কী ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন

* চা, কফি ও কোমলপানীয়, চকলেট, আইসক্রিম, দই, দুধ, মাখন, টমেটো ও টক জাতীয় ফল খাবেন না
* গম জাতীয় খাবার, যেমন রুটি, পাস্তা, ব্রেড ইত্যাদি
* আপেল, কলা ও চিনাবাদাম
* পেঁয়াজ
তবে ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন খাবারে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় একটা ডায়েরি রাখা। যাতে আপনি নোট করে রাখতে পারেন কোন কোন খাবার ও কোন কোন পারিপার্শ্বিক ঘটনায় ব্যথা বাড়ছে বা কমছে। এ রকম এক সপ্তাহ নোট করলে আপনি নিজেই নিজের সমাধান পেয়ে যাবেন। তবে ব্যথা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

➤মাইগ্রেন থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায়
নিয়মকানুন মেনে চললে সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।
* প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে এবং সেটা হতে হবে পরিমিত।
* অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।
* কড়া রোদ বা তীব্র ঠান্ডা পরিহার করতে হবে।
* উচ্চশব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।
* বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।
* মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা (বিশেষ করে বমি হয়ে থাকলে), বিশ্রাম করা, ঠান্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখা উচিত।

Text Source : The Daily Prothom Alo

Address

House #65, Road #05, Block #D, Bhatulia, Turag
Dhaka
1711

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:00
Tuesday 08:00 - 23:00
Wednesday 08:00 - 23:00
Thursday 08:00 - 23:00
Friday 08:00 - 23:00
Saturday 08:00 - 23:00
Sunday 08:00 - 23:00

Telephone

01911530910

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Perfect Pharma & Doctor's Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram