International Information.news

International Information.news deer visitor thanks for visiting my site you help are required necessary for dream we to together and we are every one work for humanity like human us

26/01/2017
‘চীনকে রুখতে হলে ভয়াবহ যুদ্ধে নামতে হবে আমেরিকাকে’-বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরের পথ আটকালেই যুদ্ধ! এমনটাই হুঁশিয়ারি চিনের। ...
15/01/2017

‘চীনকে রুখতে হলে ভয়াবহ যুদ্ধে নামতে হবে আমেরিকাকে’
-
বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরের পথ আটকালেই যুদ্ধ! এমনটাই হুঁশিয়ারি চিনের। দক্ষিণ চীন সাগরের বুকে কৃত্রিম দ্বীপপুঞ্জে চীনের যাতায়াত আটকাতে হলে যুদ্ধে নামতে হবে আমেরিকাকে। শুক্রবার চীন সরকার পরিচালিত সংবাদপত্রে এমনই মন্তব্য করলো বেইজিং।
আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, গত বুধবার আমেরিকার নতুন স্বরাষ্ট্র সচিব রেক্স টিলারসনের মন্তব্যের জবাব দিতেই সংবাদমাধ্যমকে ব্যবহার করেছে বেইজিং। সেদিন মার্কিন সিনেটে তার কনফার্মেশন হিয়ারিং এ টিলারসন বলেন, “বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলে চীনের আধিপত্য মেনে নেওয়া যায় না। “
তার এই মন্তব্যের পর এদিন চিনা কমিউনিস্ট পার্টি নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দ্বীপপুঞ্জে চীনের গতিবিধি রুখতে হলে আমেরিকাকে বড় ধরণের যুদ্ধে নামতে হবে। সেই সঙ্গে নিজের এলাকা থেকে কোনও বিশাল পরমাণু শক্তিধর দেশকে উত্খাত করার আগে নিজের পরমাণু নীতিকে মজবুত করা উচিত টিলারসনের। ‘
আমেরিকান কর্পোরেট সংস্থার সাবেক চেয়ারম্যান টিলারসন সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘সন্দেহ করা হচ্ছে, স্বরাষ্ট্র সচিব পদে বসতে সেনেটরদের সমর্থন আদায়ের জন্য চিনের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে কড়া পদক্ষেপের কথা প্রচার করছেন টিলারসন। ‘
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চল শাসন করতে কৃত্রিম দ্বীপ গড়ে সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছে চিন। এই নিয়ে বেইজিংয়ের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে জাপান, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম ও ব্রুনেই। ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের বাণিজ্যপথ নিয়ন্ত্রণে বেইজিংয়ের হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন আমেরিকাও চীনের সমালোচনায় মুখর হয়েছে।
আমেরিকার ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনকালে দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলে নিয়মিত টহল দিয়েছে মার্কিন বিমান ও নৌসেনা। স্বাভাবিক ভাবেই তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল চীন। এবার হোয়াইট হাউসের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৃত্রিম দ্বীপপুঞ্জে চীনের যাতায়াত নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করলে তার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে বলে এক কথায় হুমকিই দিল বেইজিং।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীনিজেদের সফল পরীক্ষা করল তৈরি মিসাইলের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এফএম-৯০’র পরী...
07/01/2017

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীনিজেদের সফল পরীক্ষা করল তৈরি মিসাইলের
দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এফএম-৯০’র পরীক্ষা করল সেদেশের সেনাবাহিনী। গত কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্রসৈকতের নিদানীয়া এলাকায় এই মিসাইলের পরীক্ষা করে সেনাবাহিনী।

এই সফল পরীক্ষার মাধ্যমে সামরিক দিক থেকে আরও শক্তিশালী হল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ড্রোনটি ৩০ কিলোমিটার দূরত্বে গিয়ে ফেরার পথে সাড়ে ৯ কিলোমিটার দূরত্বে থাকাকালে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস হয়ে যায়। এর ৫ মিনিট পর আরও একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। তবে সেই সময় অবশ্য ড্রোন ওড়ানো হয়নি।

বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, ভূমি থেকে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশে ১৫ কিলোমিটার দূরবর্তী শত্রুবিমান, হেলিকপ্টার, ক্রুজ মিসাইল, অ্যান্টিরেডিয়েশন মিসাইলের বিরুদ্ধে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কাজ করতে সক্ষম। এটি প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও দিন ও রাত্রিতে সমানভাবে কার্যকর। এই ক্ষেপণাস্ত্র বড় আকারের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে আকাশ প্রতিরক্ষা দিতে ব্যবহার করা হতে পারে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকসহ সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

04/01/2017

#ভ্লামিদির_পুতিন_ও_ডোনাল্ড_ট্রাম্পের_সম্পর্ক_কেমন_হবে_আগামীতে ?

#আনোয়ারুল_হক_আনোয়ার : বিশ্বের দুই শক্তিধর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিনের আগামীতে সম্পর্ক কেমন হবে তার চূরচেরা বিশ্লেষন চলছে তাবৎ দুনিয়ায়। নভেম্বরে মার্কিন নির্বাচনে অখ্যাত ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হয়ে রীতিমত চমক সৃষ্টি করেন। মার্কিন ডেমোক্রেটিক শিবির ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়কে অবিশ্বাস্য ও সন্দেহজনক আখ্যায়িত করলেও শেষতক হোয়াইট হাউসে চার বছরের অাতিথ্য গ্রহনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প প্রশাসন। নির্বাচনী ফলাফলে সাইবার কারচুপির অভিযোগ এনে রুশ হ্যাকারদের দায়ী করছে রিপাবলিকান দল এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সি্আইএ)। অপরদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার শক্তিশালী প্রতিপক্ষ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিনের অন্ধ ভক্ত হিসেবে নিজেকে প্রচার করছে। ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিত্যনতুন হিসেব নিকেশ যুক্ত হচ্ছে। যে রাশিয়ার ভয়ে আমেরিকা সর্বক্ষেত্রে সজাগ সে দেশের প্রেসিডেন্ট কিনা প্রতিপক্ষ প্রেসিডেন্টের গুণকীর্তন সত্যিই বিচিত্র।

চলতি মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহন করবে। রাশিয়ার সাথে ওবামা প্রশাসনের সৃষ্ট বিরোধ ট্রাম্প প্রশাসন কিভাবে সামাল দিবে সেটা দেখার বিষয়। চীনের উল্থান ট্রাম্পের সহ্য হচ্ছেনা। আবার চীনের সাথে রাশিয়ার দহরম মহরম চলছে। দক্ষিন চীন সাগরে বিরোধীয় অংশের মালিকানা নিয়ে চীনের সাথে আমেরিকার দ্বন্ধ চলছে। আইএস ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প সাফ জানিয়েছে সন্ত্রাসী ও জঙ্গীদের প্রতিহত করা হবে। অপরদিকে রাশিয়া ও চীন জঙ্গীবাদ বিরোধী অবস্থান নিয়েছে। তুরস্ক একমাত্র মুসলিম দেশ। যে কিনা মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো সামরিক জোটের সদস্য। সিরিয়া ইস্যুকে কেন্দ্র করে এবং তুরস্কে সাম্প্রতিক ব্যর্থ অভূল্থানের ফলে তুরস্ক ক্রমান্বয়ে রুশ ব্লকে আগ্রসর হচ্ছে। এতে করে আগামীতে তুরস্ক-মার্কিন তিক্ততা বৃদ্বি পাবার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন দ্বিমুখী নীতির কারনে বেশ কিছু মুসলিম বন্ধু দেশ হারিয়েছে দেশটি। এতে করে বিশাল অস্ত্র বাজার দখলে রুশরা একাট্রা।

আফগানিস্থানে শোচনীয় পরাজয়ের স্মৃতি এখনো তাড়া করছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিনকে।
অপরদিকে আফগানিস্থান হস্তক্ষেপে মার্কিনীদের অনেক কাটখড় পোহাতে হচ্ছে। না পারছে রনাঙ্গন ত্যাগ করতে আবার না পারছে আফগান সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করতে। নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আফগান থেকে তার বাহিনী প্রত্যাহারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ সূযোগে রাশিয়া-ইরান আফগানিস্থানে তালেবান নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ বৃদ্বি করে চলেছে। আফগান অভিযানের সময় রাশিয়ার অন্তত কুড়ি হাজার সেনা নিহত ও সমসংখ্যক আহত হয়। শেষতক চরম ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে আফগান মাটি ত্যাগ করে রুশ সেনাদল। এর পরপরই রুশ ভূখন্ড ভেঙ্গে ১৬টি স্বাধীন দেশের অভ্যূদ্বয় ঘটে। যার দূ:সহ স্মৃতি আজো রুশরা ভূলতে পারছেনা। আফগানিস্থানের তালেবানের সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পুতিন সরকার কি আমেরিকার উপর প্রতিশোধ নিতে চায় ?

সিরিয়ায় জঙ্গী তথা আইএস, আল নুসরা জঙ্গী দমনে ভ্লামিদির পুতিনের প্রতিটি পদক্ষেপ টনিক হিসেবে কাজে আসে। যার সূফল পাচ্ছে বাসার আল আসাদ সরকার। ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রুশ প্রেসিডেন্টের ইমেজ বৃদ্বি পায়। ইরানের সাথে ছয় বৃহৎ শক্তিবর্গের পারমানবিক চুক্তি সম্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভ্লামিদির পুতিন। ইউক্রেন ইস্যুতে ভ্লামিদির পুতিন ধীরস্থিরভাবে অগ্রসর এমনকি ক্রিমিয়ায় গনভোটের মাধ্যমে অঞ্চলটি রাশিয়ার সাথে একত্রীভূতকরন পশ্চিমাদের জন্য বিরাট আঘাত। মার্কিনীদের দীর্ঘদিনের মিত্র পাকিস্তানের সাথে রাশিয়ার সম্পর্কোন্নয়ন দক্ষিন পূর্ব এশিয়ায় স্বার্থহানি ঘটার আশংকা করছে সিআইএ। মিশর, সৌদী আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথেও রুশদের সম্পর্ক উন্নতি হচ্ছে। ইরাক, লিবিয়া ও ইয়েমেনের দিকে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে রুশ প্রেসিডেন্ট। এদেশগুলো কব্জা করতে পারলে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিন নি:সন্দেহে আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে। এতে করে মার্কিনীদের স্বার্থের চরম ব্যাঘাত ঘটবে।

এসব ইস্যুকে মাথায় রেখে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিনের সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক কেমন হবে সেটাই আলোচ্য বিষয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রভাব প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিশাল অস্ত্র বাজারের লোভ সম্বরন করতে পারবেনা পুতিন কিংবা ট্রাম্প। ফলে স্বাভাবিকভাবে এক সময় উভয়ে মধ্যে দূরত্ব সুষ্টি হতে পারে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের অন্ধ সমর্থক। এছাড়া ট্রাম্প চীন ও ইরান বিরোধী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ’দুটি দেশ আবার রাশিয়ার পরীক্ষিত বন্ধু। সুতরাং দ্বন্ধ সংঘাত পরিহার করে ডোনাল্ড ট্রাম্প কি শান্তির পথে ঝুঁকবেন ? ডোনাল্ড ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্টের একজন সমর্থক। কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে ট্রাম্প কতদিন এ নীতিতে অবিচল থাকতে পারবে? মার্কিন রিপাবলিকান দল এবং প্রভাবশালী সিনেটরদের বাইরে ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব স্পর্শকাতর বিষয়ে একক সিদ্বান্ত গ্রহন কিংবা পুতিনের সাথে সূ-সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারবে কি ?

আন্তর্জাতিক বেশ কিছু ইস্যুতে রুশ-মার্কিন চরম বিরোধ রয়েছে। এতে করে ওবামা প্রশাসনের সাথে রুশ প্রশাসনের তিক্ততা বৃদ্বি পায়। জঙ্গী দমন কিংবা তালেবান ইস্যুতে ট্রাম্প-পুতিন ঐক্যমত থাকলেও অবশিষ্ট অমিমাংসিত ইস্যুতে বিপরীত অবস্থানে দাঁড়ানোর সম্ভবনা রয়েছে। ট্রাম্পের শত্রুদেশ ইরান কিংবা চীনকে শায়েস্তা করার হিম্মত এখন আর এককভাবে মার্কিনীদের নেই বললেই চলে। আবার উত্তর কোরিয়ায় মার্কিন সামরিক আগ্রাসন প্রতিহত করবে রাশিয়া ও চীন। পাকিস্তানের উপর যে কোন মার্কিন হুমকির সামাল দিবে চীন ও রুশ সরকার। এক কথায় যেখানে মার্কিন স্বার্থ সেখানে বিপরীত অবস্থানকারীর অভাব নেই। রুশ জাতি চাইছে তাদের হারানো ভূখন্ড পূণ:রুদ্বার করতে। সে ক্ষেত্রে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিন আরো শক্ত অবস্থান গ্রহন করতে পারেন। এক কথায় মার্কিনীদের পিছনে ফেলে রাশিয়া তার অবস্থান শক্তিশালী করতে চাইলে ডোনাল্ড ট্রাম্প কি সেক্ষেত্রে নীরব ভূমিকা পালন করবে? গোটা মার্কিন প্রশাসন কি সবকিছু চোখ বুজে সহ্য করবে? এসব বিষয় বিচার বিশ্লেষন করে দেখা যায় আগামীতে পুতিন-ট্রাম্প সম্পর্কে চিড় ধরার সম্ভাবনা বেশী।

22/11/2016

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চরম নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের দেশ ছেড়ে পালানো এবং বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টার খবর সত্য নয় বলে দাবি করেছে মিয়ানমার।

মিয়ানমার বলছে, রোহিঙ্গারা পালাতে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে দেশটির সদ্য গঠিত একটি টাস্কফোর্স এ খবরের সত্যতা পায়নি।

শনিবার রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা ২০০ রোহিঙ্গা বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, রয়টার্সের এমন খবরকেও মিথ্যা বলে আখ্যা দিয়েছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংবাদপত্র গ্লোবাল নিউ লাইট শনিবার এ খবর দাবি করে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।

এদিকে রাখাইন প্রদেশে গত রবিবার অন্তত ৯ জন রোহিঙ্গাকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। শুধু মংড়ুর একটি গ্রামে এখন পর্যন্ত ৯০ জন নারী-পুরুষ-শিশু নিখোঁজ রয়েছে।

গত ৯ অক্টোবর মিয়ানমারের তিনটি সীমান্ত পোস্টে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদীদের’ হামলায় নয় সীমান্ত পুলিশ নিহত হওয়ার পর রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত জেলাগুলোতে শুরু হয় সেনা অভিযান।

এরপর সহিংসতায় ৮৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ৬৯ জনকেই ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ হিসেবে দাবি করছে তারা।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, দমন অভিযানে পড়ে শত শত রোহিঙ্গা বাংলাদেশের উদ্দেশে পাড়ি জমায় বলে সেখানকার বাসিন্দারাও তা স্বীকার করেছে।

রাখাইনে দমন অভিযানের মুখে হাজার হাজার রোহিঙ্গা পালাতে বাংলাদেশ অভিমুখে রওনা দেয়। শুক্রবার নাফ নদী পার হয়ে অবৈধভাবে কক্সবাজারের টেকনাফে প্রবেশের চেষ্টাকালে ১২৫ রোহিঙ্গাকে আটকের পর মিয়ানমারে ফেরত পাঠিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদস্যরা।

বাংলাদেশকে সীমান্ত খোলার আহ্বান দিয়েও মিয়ানমারকে কেন চাপ দেয়া হচ্ছে না ?

এর আগে ২০১২ সালে রাখাইনে বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে ভয়াবহ দাঙ্গার পরও অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করে।

এদিকে বর্তমান প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খোলা রাখতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র আদ্রিয়ান এডওয়ার্ডস শুক্রবার জেনেভায় বলেছেন, রাখাইনে জরুরি ভিত্তিতে খাবার, আশ্রয়, ওষুধ ও চিকিত্সা দরকার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ৪৩০টি বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে। অনেকে জীবন্ত দগ্ধ হয়েছেন।

উল্লেখ্য ২০১২ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে স্থানীয় বৌদ্ধ ও মুসলিম রোহিঙ্গাদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০০ জন নিহত হয়।

ওই দাঙ্গার পর এবারই রাখাইন রাজ্যে সবচেয়ে মারাত্মক রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটছে বলে রয়টার্সের ভাষ্য। পলায়নরত রোহিঙ্গাদের গুলি করা হচ্ছে বলেও তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়।

রাজধানীতে এক ডিম ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪৪ হাজার টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে আটক হয়েছেন পুলিশের এক কনস্টেবল।By :Mamun Razশুক্রবার ...
19/11/2016

রাজধানীতে এক ডিম ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪৪ হাজার টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে আটক হয়েছেন পুলিশের এক কনস্টেবল।
By :Mamun Raz
শুক্রবার ভোরে কাওরানবাজার মোড় থেকে লতিফুজ্জামান নামের ওই কনস্টেবলকে আটক করা হয় বলে শাহবাগ থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানান।
সে সময় রাজেকুল খন্দকার নামে এক আনসার সদস্যও ছিলেন লতিফের সঙ্গে।
তাদের দুজনকে আসামি করে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছেন ডিম ব্যাবসায়ী আব্দুল বাসির।
ওসি জানান, ভোরে লালবাগ কেল্লা মোড় এলাকায় ডিমের চালান দিয়ে ভ্যানে করে তেজগাঁওয়ের দিকে ফিরছিলেন বাসির। ওই সময় তার পকেটে ডিম বিক্রির নগদ ৪৪ হাজার টাকা ছিল।
কারওয়ানবাজার মোড়ে ‘পুলিশ’ লেখা এক মোটরসাইকেলে করে এসে দুই ব‌্যক্তি ওই ভ্যানের গতি রোধ করে। এরপর তারা বাসিরের কাছে নেশাজাতীয় দ্রব‌্য আছে কি না জানতে চান এবং তল্লাশি শুরু করেন।


এ সময় বাসির পকেট থেকে চাবি ও টাকা বের করলে মোটরসাইকেলে আসা দুইজন টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করে।
বাসির তখন একজনকে জাপটে ধরেন এবং পথচারীদের সহযোগিতায় তাকে আটক করে সার্ক ফোয়ার এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশের হাতে তুলে দেন।
পরে জানা যায়, আটক ব‌্যক্তি পুলিশের কনস্টেবল লতিফুজ্জামান। তিনি ঢাকা উত্তর ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত আছেন।
লতিফকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি আনসার সদস‌্য রাজেকুলের কথা পুলিশকে বলেন।
ওসি আবু বকর বলেন, “আনসার সদস‌্য রাজেকুলকে এখনো আটক করা যায়নি। তবে তাকে গ্রেপ্তারের জন‌্য আমাদের টিম কাজ করছে। মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে।”

UNHCR calls for the opening of the border for the Rohingyasby :Mamun RazMyanmar's Rakhine State, Rohingyas have fled to ...
19/11/2016

UNHCR calls for the opening of the border for the Rohingyas
by :Mamun Raz
Myanmar's Rakhine State, Rohingyas have fled to Bangladesh in the face of a crackdown and called on the UN refugee agency UNHCR to open the border.
Rohingya population of northern Rakhine deep concern about the safety of civilians and urged the Myanmar government to protect their organization.
UNHCR spokesman Adrian Edwards told reporters in Geneva on Friday, "We appeal to the Government of Bangladesh
Rohingya population of northern Rakhine deep concern about the safety of civilians and urged the Myanmar government to protect their organization.
UNHCR spokesman Adrian Edwards told reporters in Geneva on Friday, "We appeal to the Government of Bangladesh
Many Rohingyas have fled in the face of the campaign tried to enter Bangladesh through the Naf river crossing in the context of additional border guards have been deployed recently.
Many tried to enter Bangladesh to send back Myanmar border, officials said.UNHCR spokesman Myanmar urged the government to ensure the protection of all people of the country to be given to the organization's website said in a statement.
Thousands of people have been displaced due to the ongoing crackdown, there is an urgent need to meet to go to the aid has been requested.
"People affected by an emergency food, shelter and medical services is expected to need."
Myanmar on October 9, three border posts 'separatists' attacks killed nine border police. Then began a crackdown surrounding areas. Rohingya-dominated districts of Rakhine state began a military campaign.
The aid workers and independent observers are not allowed to enter and search operation is underway comb villages in Myanmar's Rohingya ethnic victims in Bangladesh over the coming decades. Currently, more than five million load of Rohingyas, Bangladesh
Rakhine Buddhists and Rohingya Muslims in the 01's after deadly riots in many Rohingyas tried to enter the Bangladesh border in Bangladesh detained.
Bangladesh government, with a large number of new Rohingya refugees impossible to carry the load. Moreover, pretending to be a citizen of Bangladesh, the Rohingya are damaging the country's image in different countries involved in the crime.
The most serious riots in Rakhine state after its bloody events
Fleeing Rohingyas being shot.
An unnamed Rohingya "The locals told me that, on the bank of the river, about 7 people were killed. Military river apeksaratadera shot into the crowd. "

Bangladeshi killed in BSFBy:Mamun RazNovember 15, 016International Information.newsWas shot dead by BSF in Satkhira. Mos...
15/11/2016

Bangladeshi killed in BSF
By:Mamun Raz

November 15, 016
International Information.news
Was shot dead by BSF in Satkhira. Mosalemauddina (3) A Bangladeshi youth was killed. Shepherd was arrested at another cow. In contrast to the Indian border in Satkhira on Tuesday kusakhali amudiya the incident took place. Md. Johar Ali, son of the village in Sadar upazila mosalemauddina pamcaraki. BGB 38 Battalion Commander Lt. Colonel Arman Tuesday morning against border kusakhali 1 hundred yards inside the main pillar amudiyaya 7 to 11 took place in the sub-pillar.
The deceased was of Indian cattle. However, he is not yet clear whether Indian or Bangladeshi.

BOP kusakhali BGB Subedar Mohammad Ali said Tuesday morning, some tried to enter Bangladesh with cattle smuggling. In the meantime, the BSF opened fire on their challenges. They were reported to have been killed. Another was reported to have been arrested at the same time.

Preparations are underway for a flag meeting with BSF in this regard, he said.

Address

28/d Segun Bagicha
Dhaka
1000

Telephone

+8801984192690

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when International Information.news posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to International Information.news:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram