Omega Point Drug Addiction Treatment Center

Omega Point Drug Addiction Treatment Center The best Addiction Treatment Center in Dhaka,Bangladesh.We have Certified Addiction Professionals... We have Doctors and Psychiatrist for our patient .

Are u tense with your Blood relatives,Neighbors,siblings,children or someone very close to you? Simply forget to worry about and come to our recovery center!!!! We handle with care of all kind of Mental Problems,Stress,Depression,Drug Addiction and so on. Its a 4 Month program:
1st month (Detoxification),
2nd & 3rd Month (Rehabilitation) And Last but not the least Family Counseling. Trust on us

we will solve your problem. Warm wishes with Best regards,
Razib Shah
01711159828
01613203103
Mirpur,Dhaka

👉আপনি কখনই চাইবেন না আপনার সন্তানের হাতে সিগারেট তুলে দিতে, কিন্তু আপনি নিয়মিত তাদের হাতে অতিরিক্ত চিনিতে ভরা সোডা, ফলে...
03/03/2026

👉আপনি কখনই চাইবেন না আপনার সন্তানের হাতে সিগারেট তুলে দিতে, কিন্তু আপনি নিয়মিত তাদের হাতে অতিরিক্ত চিনিতে ভরা সোডা, ফলের রস, জুস এবং ক্যান্ডি তুলে দিচ্ছেন। ধূমপানের ক্ষতিকর দিকগুলো আমরা সবাই জানি। আমরা সতর্কবাণীও দেখি, “যে ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর”, এর ঝুঁকিগুলো বুঝি এবং আমাদের সমাজ সক্রিয়ভাবে এটিকে নিরুৎসাহিত করে।

কিন্তু অতিরিক্ত চিনির ক্ষেত্রে কোনো রকম সতর্কবাণী থাকে না এবং এটি সামাজিকভাবে সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য। কিন্তু হেলথ ও নিউট্রিশন এক্সপার্টরা প্রতিনিয়ত চিনিকে আধুনিক যুগের তামাকের সমতুল্য হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

কি? আমার কথা আপনাদের বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে?
তাহলে চলুন জেনে নেই চিনি কেন ধূমপানের মতোই বিপজ্জনক👇

আমরা যখন চিনি খাই, তখন চিনি আমাদের মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সেন্টারকে উদ্দীপিত করে এবং প্রচুর পরিমাণে ডোপামিন নিঃসরণ করে। যা নিকোটিন এবং কোকেনের মতো অত্যন্ত আসক্তিকর উপাদানের দ্বারা ট্রিগার হওয়া ঠিক একই বায়োকেমিক্যাল প্রক্রিয়া। ফলে মিষ্টি জাতীয় খাবার ছেড়ে দেওয়ার প্রতি আপনার "ইচ্ছাশক্তির অভাব" না থাকলেও আপনি ছাড়তে পারেন না; কারন আপনার মস্তিষ্ককে অলরেডি হাইজ্যাক হয়ে গেছে। যা চিনি ছাড়াকে ধূমপান ছাড়ার মতোই কঠিন করে তোলে।

ধূমপান আপনার ফুসফুস নষ্ট করে, কিন্তু অতিরিক্ত চিনি আপনার লিভার এবং কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের (হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালী) ওপর অনেক বেশি চাপ তৈরি করে। আপনি যখন প্রচুর ফ্রুক্টোজ (সাধারণ চিনির একটি প্রধান উপাদান) গ্রহণ করেন, তখন আপনার লিভার এটিকে চর্বিতে পরিণত করতে বাধ্য হয়। এর ফলে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD) হয়—এমন একটি অবস্থা যা একসময় কেবল মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপায়ীদের মধ্যে দেখা যেত, কিন্তু এখন শিশুদের মধ্যেও বাড়ছে। এছাড়া, চিনি রক্তনালীর আস্তরণকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয়।

সিগারেটের ধোঁয়া শরীরকে বিষাক্ত পদার্থে ভরিয়ে দেয় যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস সৃষ্টি করে। চিনি ভেতর থেকে ঠিক একই কাজ করে। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার পুরো শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন সৃষ্টি করে। এই প্রদাহ হলো টাইপ ২ ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং এমনকি কিছু নির্দিষ্ট ধরণের ক্যান্সারসহ প্রায় প্রতিটি আধুনিক মেটাবলিক রোগের মূল কারণ।

ঠিক "ধূমপায়ীদের চেহারার" মতো, চিনি আপনাকে অকালেই বার্ধক্যের দিকে ঠেলে দেয়। রক্তে অতিরিক্ত চিনি প্রোটিনের সাথে যুক্ত এডভান্সড গ্লাইকেসন এন্ড প্রডাক্ট Advanced Glycation End-products (AGEs) তৈরি করে। এই AGEs কোলাজেন এবং ইলাস্টিনকে ধ্বংস করে, যার ফলে অকালে বলিরেখা পড়ে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এগুলো আমাদের শরীরের গভীরে কোষের ক্ষতি করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

তামাকের মতো একই রকম সতর্কতা নিয়ে আমাদের খাবারে অতিরিক্ত চিনি ব্যাবহারের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা শুরু করতে হবে। মাঝে মাঝে মিষ্টি খাওয়া ঠিক আছে, কিন্তু প্রতিদিন অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ করা মেটাবলিক রোগের দিকে একমুখী যাত্রার মতো। তাই যেকোনো খাবারের প্যাকেটের গাইয়ে নিউট্রিশন লেবেল পড়া শুরু করুন, লিকুইড ক্যালরি বাদ দিন এবং নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হয়ে উঠুন।

সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন,
পুষ্টিবিদ রাইসুল হক

05/01/2026

🧠 BRAIN:: fans

1️⃣ পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম (৭–৮ ঘণ্টা)
ঘুমের সময় ব্রেন নিজেকে ডিটক্স করে (glymphatic system)
স্মৃতি (memory) ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে
👉 কম ঘুম = ধীরে ধীরে ব্রেনের কর্মক্ষমতা কমে

2️⃣ নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম
প্রতিদিন ৩০–৪৫ মিনিট brisk walking
ব্রেনে রক্ত চলাচল বাড়ে, নতুন নিউরন তৈরি হয়
👉 এটি ডিমেনশিয়া ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়

3️⃣ রোদে বের হওয়া (সকাল ৭–৯টা)
Vitamin D ও circadian rhythm ঠিক রাখে
বিষণ্নতা ও brain fog কমে

4️⃣ প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা
বই পড়া, নতুন ভাষা, নতুন স্কিল
ব্রেনের neuroplasticity বাড়ে
👉 “Use it or lose it”—ব্রেনের জন্য সত্য

5️⃣ নিয়মিত ধ্যান / নামাজ / প্রার্থনা
স্ট্রেস হরমোন (cortisol) কমায়
মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত শক্তিশালী করে

6️⃣ স্বাস্থ্যকর খাবার
শাকসবজি, মাছ, ডিম, বাদাম, অলিভ অয়েল
অতিরিক্ত চিনি ও প্রসেসড খাবার ব্রেনের শত্রু
👉 ব্রেন = যা খান, তারই প্রতিফলন

7️⃣ পানিশূন্যতা এড়ান
অল্প পানিশূন্যতাও → মাথা ভার, মনোযোগ কম
দিনে অন্তত ২–২.৫ লিটার পানি

8️⃣ সোশ্যাল কানেকশন বজায় রাখুন
মানুষের সাথে কথা বলা, গল্প করা
একাকীত্ব ব্রেনের জন্য নীরব বিষ

9️⃣ মোবাইল ও স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ
অতিরিক্ত স্ক্রলিং = মনোযোগ ভাঙা
রাতে স্ক্রিন → ঘুম ও স্মৃতির ক্ষতি

মানুষের মস্তিষ্ক রবের দেওয়া এক অবিশ্বাস্য নিয়ামত ।আপনি যে ছবিটি দেখছেন, এটি মানুষের মস্তিষ্কের উপরিভাগের রক্তনালীর অতি...
15/12/2025

মানুষের মস্তিষ্ক রবের দেওয়া এক অবিশ্বাস্য নিয়ামত ।

আপনি যে ছবিটি দেখছেন, এটি মানুষের মস্তিষ্কের উপরিভাগের রক্তনালীর অতিসূক্ষ্ম দৃশ্য এই রক্তনালীগুলোই আপনার চেতনাকে প্রতি সেকেন্ডে জীবিত রাখছে ।

এই ছোট লাল রেখাগুলো বয়ে নিচ্ছে

অক্সিজেন, গ্লুকোজ, ইলেকট্রোলাইট, আর জীবন ।

আর ভয়ের বিষয় হলো মস্তিষ্ক শরীরের মাত্র ২%, কিন্তু ব্যবহার করে মোট অক্সিজেনের ২০% এবং রক্তপ্রবাহ এক মুহূর্তের জন্যও বন্ধ হলে সহ্য করার ক্ষমতা প্রায় শূন্য !

রক্তপ্রবাহ বন্ধ হলে:

• ১০ সেকেন্ডে জ্ঞান হারানো

• ৩–৪ মিনিটে মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি

• ৫–৬ মিনিটে মৃত্যু বা অপূরণীয় ক্ষতি ।

এই কোমল রক্তনালীর জালই ধরে রাখে আপনার

আপনার স্মৃতি, ব্যক্তিত্ব, কথা বলা, চলাফেরা, পুরো পরিচয় ।

কোরআন বলে:

"অতঃপর আমি তাকে গড়ে তুললাম, এবং তার মধ্যে নিজ রূহ থেকে ফুঁক দিলাম ।"

(সূরা সাদ 38:72)

আল্লাহ নিজ হাতে মানুষের মস্তিষ্ক, তার চেতনা, তার সত্তাকে তৈরি করেছেন এ কারণেই এই অঙ্গটি এত মূল্যবান, এত নাজুক ।

স্ট্রোক এত মারাত্মক কেন❓

• একটি ছোট জমাট রক্ত একটিমাত্র ধমনী বন্ধ করলেই, সেই অংশের মস্তিষ্ক মারা যেতে শুরু করে ।

• ধমনী ফেটে গেলে, রক্তচাপ আশপাশের স্নায়ুকে চাপা দেয় ।

• ফুলে গেলে, আরও রক্তনালী বন্ধ হয় আরও মস্তিষ্ক নষ্ট হয় ।

এ যেন জীবন্ত ডোমিনো একটি পড়ে গেলে সারি ধরে ধ্বংস ।

এ কারণেই ইসলাম আমাদের সতর্ক করেছে:

"নিজেদেরকে ধ্বংসের মধ্যে নিক্ষেপ করো না ।"

(সূরা বাকারা 2:195)

তাই নিজের প্রতি দায়িত্ব

🔹 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

🔹 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

🔹কোলেস্টেরল ঠিক রাখা

🔹 ধূমপান পরিহার

🔹পর্যাপ্ত ঘুম

🔹 মানসিক চাপ কমানো ।

এই মস্তিষ্ক এটি এক কোমল, অক্সিজেন-ক্ষুধার্ত নেটওয়ার্ক… রবের দেওয়া নিখুঁত নকশা ।

**এবং এর কোন অংশ একবার নষ্ট হলে পুনর্জন্ম হয় না ।**

তাই প্রতিটি শ্বাস, প্রতিটি চিন্তা, প্রতিটি স্মৃতি

রবের অনুগ্রহ ছাড়া আর কিছুই নয় ।

"তোমরা আমার নেয়ামত স্মরণ করো, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও ।"

(সূরা বাকারাহ 2:152)

চলুন শুকরিয়া জানাই রবের, শেয়ার করে প্রিয় মানুষকে সতর্ক করি..

© ডা. আমিনুল ইসলাম

হযরত উমর (রা.) যখন মারাত্মকভাবে আহত হলেন, তখন তাকে দুধ খেতে দেওয়া হলো। কিন্তু দুধ পান করার সাথে সাথেই তা তার পাঁজরের ক্ষ...
15/12/2025

হযরত উমর (রা.) যখন মারাত্মকভাবে আহত হলেন, তখন তাকে দুধ খেতে দেওয়া হলো। কিন্তু দুধ পান করার সাথে সাথেই তা তার পাঁজরের ক্ষত দিয়ে বেরিয়ে এল। তখন চিকিৎসক বলে দিলেন, "হে আমিরুল মুমিনীন! আপনার হাতে আর বেশি সময় নেই, আপনি অসিয়ত করে নিন।"

মৃত্যুশয্যায় শুয়ে হযরত উমর (রা.) তার ছেলে আব্দুল্লাহকে ডেকে বললেন, "আমার কাছে হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.)-কে ডেকে আনো।"

হুজাইফা (রা.) ছিলেন সেই সাহাবি, যাকে রাসূলুল্লাহ (সা.) মুনাফিকদের গোপন তালিকা দিয়েছিলেন। তিনি ছাড়া আর কেউ সেই নামের তালিকা জানতেন না।

রক্তাক্ত অবস্থায় হযরত উমর (রা.) হুজাইফা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, "হে হুজাইফা! আমি তোমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, রাসূলুল্লাহ (সা.) কি মুনাফিকদের তালিকায় আমার নাম রেখেছেন?"

হুজাইফা (রা.) কান্নায় ভেঙে পড়লেন এবং বললেন, "এটা রাসূল (সা.)-এর গোপন আমানত, আমি কাউকে বলতে পারব না।"
উমর (রা.) আবার আকুতি জানিয়ে বললেন, "আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে শুধু এটুকু বলো, আমার নাম কি সেখানে আছে?"

হুজাইফা (রা.) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বললেন, "হে উমর! আমি শুধু আপনাকে বলছি, অন্য কেউ হলে বলতাম না। জেনে রাখুন, আল্লাহর রাসূল (সা.) আপনার নাম ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেননি।"

এরপর উমর (রা.) একটু শান্ত হলেন এবং ছেলেকে বললেন, "আমার একটি শেষ ইচ্ছা বাকি আছে। আমি রাসূল (সা.)-এর রওজার পাশে দাফন হতে চাই। তুমি মা আয়েশা (রা.)-এর কাছে যাও এবং তাকে বলো, 'উমর তার দুই সাথীর (নবীজি ও আবু বকর) পায়ের কাছে কবরস্থ হওয়ার অনুমতি চাইছে।' তাকে 'আমিরুল মুমিনীন' বলো না, শুধু 'উমর' বলো।"

হযরত আয়েশা (রা.) অনুমতি দিলেন। তিনি বললেন, "আমি এই জায়গাটি নিজের জন্য রেখেছিলাম, কিন্তু আজ আমি উমরের জন্য তা ছেড়ে দিলাম।"

আব্দুল্লাহ ফিরে এসে সুখবর দিলেন। তখন উমর (রা.) তার গাল মাটির সাথে মিশিয়ে দিলেন। ছেলে তার মাথা কোলে তুলে নিতে চাইল, কিন্তু উমর (রা.) বললেন, "ছেড়ে দাও! আমার গাল মাটিতেই থাকতে দাও। ধ্বংস উমরের জন্য, যদি কাল আল্লাহ তাকে ক্ষমা না করেন!"

মৃত্যুর আগে তিনি ছেলেকে এক কঠিন অসিয়ত করলেন:
"আমার জানাজা যখন পড়ানো হবে, তখন হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.)-এর দিকে নজর রাখবে। যদি সে আমার জানাজায় অংশ নেয়, তবে বুঝবে আমি মুনাফিক নই। তখন আমার লাশ রওজা শরীফের দরজায় নিয়ে যেও এবং আবার অনুমতি চাইবে। কারণ হতে পারে আমার জীবদ্দশায় লজ্জায় পড়ে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। যদি অনুমতি পাওয়া যায়, তবে দাফন করবে; নতুবা সাধারণ কবরস্থানে দাফন করে দিও।"

জানাজার সময় আব্দুল্লাহ দেখলেন, হুজাইফা (রা.) জানাজায় শরিক হয়েছেন। এতে তিনি আশ্বস্ত হলেন। রওজার দরজায় গিয়ে অনুমতি চাইলে মা আয়েশা (রা.) বললেন, "উমরকে তার সাথীদের পাশে দাফন হওয়ার জন্য স্বাগতম।" (বুখারী,মুসলিম,তারিখুত তাবারী)

যাকে রাসূল (সা.) দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন এবং যার শাসনে অর্ধেক পৃথিবী চলত, সেই হযরত উমর (রা.)-ও আল্লাহর ভয়ে এবং মুনাফিক হওয়ার আশঙ্কায় কতটা ভীত ছিলেন! আর আমরা পাপে ডুবে থেকেও কত নিশ্চিন্ত!

কালেক্টেড

কথিত আছে, একবার হযরত মুসা (আ.)-এর কাছে এক অত্যন্ত গরিব লোক এসে অনুরোধ করল, "হে আল্লাহর নবী! আপনি তো কালিমুল্লাহ (আল্লাহর...
14/12/2025

কথিত আছে, একবার হযরত মুসা (আ.)-এর কাছে এক অত্যন্ত গরিব লোক এসে অনুরোধ করল, "হে আল্লাহর নবী! আপনি তো কালিমুল্লাহ (আল্লাহর সাথে কথা বলেন)। দয়া করে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আমার রিজিক বাড়িয়ে দেন। আমি খুব কষ্টে দিন পার করছি, প্রায়ই আমাকে না খেয়ে থাকতে হয়।"

মুসা (আ.) আল্লাহর কাছে তার জন্য দোয়া করলেন। আল্লাহ জানালেন, "হে মুসা! এই লোকটির নসিবে খুব সামান্য পরিমাণ রিজিক লেখা আছে। তাই আমি তাকে অল্প অল্প করে দিই, যাতে তার সারা জীবন চলে যায়।"

লোকটি এ কথা শুনে বলল, "হে নবী! আপনি আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন যেন আমার পুরো জীবনের বরাদ্দকৃত রিজিক তিনি আমাকে একবারে দিয়ে দেন। আমি একবার পেট ভরে খেতে চাই।"

মুসা (আ.) দোয়া করলেন এবং আল্লাহ কবুল করলেন। লোকটিকে তার সারা জীবনের সব রিজিক একসাথে দিয়ে দেওয়া হলো।

রিজিক বা সম্পদ হাতে পেয়েই লোকটি এক আশ্চর্যের কাজ করল। সে সাথে সাথে একটি লঙ্গরখানা (বিনামূল্যে খাওয়ার জায়গা) খুলে দিল এবং ঘোষণা করে দিল—"যার খাবারের ব্যবস্থা নেই, সে এখানে এসে পেট ভরে খেয়ে যাও।"

মুসা (আ.) অবাক হয়ে তাকে বোঝাতে চাইলেন, "তুমি এটা কী করছ? তোমার সব খাবার তো কদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে, তখন তুমি কী খাবে?" কিন্তু লোকটি শুনল না, সে মানুষকে খাওয়াতে লাগল।

এক সপ্তাহ, এক মাস, এমনকি ছয় মাস পরেও মুসা (আ.) দেখলেন যে লঙ্গরখানা চলছেই! খাবার তো শেষ হচ্ছে না, বরং আরও বাড়ছে।

মুসা (আ.) অবাক হয়ে আল্লাহর কাছে জানতে চাইলেন, "হে আল্লাহ! এর ঘটনা কী? তার তো সারা জীবনের সামান্য রিজিক কদিনেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনো তা ফুরাচ্ছে না কেন?"

আল্লাহ উত্তর দিলেন:
"হে মুসা! তার ভাগ্যে সামান্যই রিজিক ছিল, যা এতদিনে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু আমার একটি নিয়ম আছে, 'যে আমার রাস্তায় ১টি খরচ করে, আমি তাকে দুনিয়াতে ১০ গুণ এবং আখেরাতে ৭০ থেকে ৭০০ গুণ বাড়িয়ে দিই।' এই লোকটি আমার রাস্তায় অকাতরে দান করছে, তাই আমিও আমার নিয়ম অনুযায়ী তাকে ১০ গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছি। সে যত খরচ করছে, আমি তার ভাণ্ডার তত বাড়িয়ে দিচ্ছি। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।" (কিসাসুম মিনাত তারিখ)

দান করলে সম্পদ কমে না, বরং বহুগুণে বেড়ে যায়। আল্লাহর পথে খরচ করলে আল্লাহ তার উত্তম প্রতিদান দেন।

Collected!!

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়, অথচ বেঁচে থাকতে আমরা টাকা খরচ করি না। সেদিন এক ধনকুবের মারা গেলেন। বিধবা স্ত...
09/12/2025

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়, অথচ বেঁচে থাকতে আমরা টাকা খরচ করি না। সেদিন এক ধনকুবের মারা গেলেন। বিধবা স্ত্রী মৃত স্বামীর ২০০ কোটি টাকার ওয়ারিশ হয়েই (স্বামীর) ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেলল। ড্রাইভার মনে মনে ভাবল, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করছি, এখন দেখি আমার মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!

নিরেট সত্যটি হচ্ছে, অনেক টাকার মালিক হওয়ার চেয়ে সুস্থ শরীর এবং দীর্ঘজীবন লাভ করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই অন্ধের মতো টাকার পিছনে না ছুটে সুস্থ জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত।

জীবনের নানা ঘটনা প্রবাহে আমার এই কথার সত্যতা উপলব্ধি করা যায়। যেমন:

১. দামি এবং অনেক ফাংশন ওয়ালা মোবাইল ফোনের ৭০%-ই অব্যবহৃত থেকে যায়।

২. একটি বিলাসবহুল ও দ্রুতগতি সম্পন্ন গাড়ির ৭০% গতি কখনোই দরকার হয় না।

৩. প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

৪. আলমারি ভর্তি পোশাক পরিচ্ছদের বেশিরভাগই কোনোদিন পরা হয়ে ওঠে না।

৫. মানুষের সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থ সম্পদের ৭০%-ই আসলে অন্যের জন্য। জমানো অর্থ যাদের জন্য আপনি রেখে যাবেন, আপনার জন্য বছরে একবার প্রার্থনা করার সময়ও তাদের হবে না।

তাহলে করণীয় কী?

১. অসুস্থ না হলেও নিয়ম করে মেডিকেল চেকআপ করান।

২. পিপাসার্ত না হলেও পানি পান করুন।

৩. কারো ওপর রাগ পুষে রাখবেন না। মানুষকে ক্ষমা করতে শিখুন।

৪. আপনার সিদ্ধান্ত সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিন।

৫. যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, মাঝে মাঝে সঙ্গীর সাথে নিরিবিলি কোথাও বসে গল্প করুন, বাইরে খেতে নিয়ে যান।

৬. ক্ষমতাবান হলেও বিনয়ী হোন।

৭. সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়ুন।

৮. ভালো ভালো বই পড়ুন, মজার মজার সিনেমা দেখুন, পছন্দের গান শুনুন।

৯. মাঝে মাঝে সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত, চাঁদের আলো, কুয়াশা, খোলা আকাশ দেখুন। বছরে একবার হলেও বৃষ্টিতে ভিজুন। আর দিনে অন্তত কিছুটা সময় গায়ে রোদ লাগান।

১০. টাকা-পয়সা কম থাকলেও তৃপ্ত থাকুন। মনে রাখবেন, পৃথিবীর অধিকাংশ ধনী লোক মানসিক অশান্তিতে থাকে।

সবশেষে বলি, জীবন তো একটাই, তাই মন খুলে বাঁচুন।

নিঃশব্দ উপলব্ধি — এক ধনী মানুষের মৃত্যুশয্যার বাণী 💔  (বয়স ৫৬, প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারে আক্রান্ত)তার শেষ কথাগুলো ছিল "আ...
28/11/2025

নিঃশব্দ উপলব্ধি — এক ধনী মানুষের মৃত্যুশয্যার বাণী 💔
(বয়স ৫৬, প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারে আক্রান্ত)

তার শেষ কথাগুলো ছিল
"আমি ব্যবসায় সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছি।
অন্যদের চোখে আমার জীবন সফলতার প্রতীক।
তবু কাজ ছাড়া আমার জীবনে আনন্দের জায়গা খুব কম।
শেষে, ধন-সম্পদ কেবল একটি অভ্যাস—একটি তথ্য, যার সঙ্গে আমি অভ্যস্ত।"

এই মুহূর্তে, অসুস্থ শরীরে শুয়ে, জীবন ফিরে তাকিয়ে বুঝি—
যে প্রশংসা আর সম্পদের গর্বে আমি ভরেছিলাম,
তা মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে একেবারে তুচ্ছ হয়ে গেছে।

তুমি কাউকে গাড়ি চালাতে ভাড়া করতে পারো,
তোমার জন্য আয় করতে পারো,
কিন্তু কেউ তোমার রোগ বহন করতে পারবে না।

হারানো বস্তু ফিরে পাওয়া যায়,
কিন্তু "জীবন" হারালে তা আর কখনও ফিরে পাওয়া যায় না।

যখন কেউ অপারেশন থিয়েটারে প্রবেশ করে,
তখন সে বুঝতে পারে—
একটি বই আছে, যা সে এখনও শেষ করেনি:
সুস্থ জীবনের পাঠ"।

আমরা জীবনের যে পর্যায়েই থাকি না কেন,
একদিন পর্দা নামবে—এটাই সত্য।

স্নেহ:
পরিবারের প্রতি ভালোবাসা,
জীবনসঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা,
বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা...
নিজেকে ভালোবাসো।
অন্যকে সম্মান করো।

বয়স বাড়লে, জ্ঞানও বাড়ে—তখন বুঝি:
$৩০০ ডলারের ঘড়ি হোক বা $৩০ ডলারের,
সময় একটাই বলে।

$৩০০ ডলারের ওয়ালেট হোক বা $৩০ ডলারের,
ভেতরের টাকা একই।

$১৫০,০০০ ডলারের গাড়ি হোক বা $৩০,০০০ ডলারের,
গন্তব্য একটাই।

$৩০০ ডলারের ওয়াইন হোক বা $১০ ডলারের,
মাথাব্যথা একটাই।

তুমি যে বাড়িতেই থাকো—৩০০ স্কয়ার মিটার বা ৩,০০০ স্কয়ার মিটার—
একাকিত্ব একই রকম।

আসল সুখ আসে না বস্তু থেকে, আসে হৃদয় থেকে।
তুমি ফার্স্ট ক্লাসে উড়ো বা ইকোনমিতে—
যদি প্লেন ভেঙে পড়ে, সবাই একসঙ্গেই পড়ে।

তাই…
যখন তোমার পাশে থাকে সঙ্গী, বন্ধু, ভাইবোন,
যাদের সঙ্গে তুমি হাসো, গল্প করো, গান গাও,
উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিম বা স্বর্গ-নরক নিয়ে কথা বলো—
তখনই জীবন উপভোগ করো।
বস্তুবাদে নয়, সম্পর্কেই খুঁজে নাও জীবনের অর্থ।

চর্বি  ভাল না খারাপ.....আমরা যারা চল্লিশ  বা চল্লিশ  ছুই..ছুই....ছবিটা আমার রোগীরযার TG LEVEL 5000ডায়েট সিরিজ: Transfat/...
18/11/2025

চর্বি ভাল না খারাপ.....আমরা যারা চল্লিশ বা চল্লিশ ছুই..ছুই....

ছবিটা আমার রোগীর
যার TG LEVEL 5000

ডায়েট সিরিজ: Transfat/ট্রান্সফ্যাট
গোরুর মাংস/চর্বি? সয়াবিন তেল? কতটুকু খারাপ ? নাকি ভালো? নাকিদুটোই ভালো?
=================
চর্বির কারণে বুকে কি ব্লক হয়? নাকি হয় না? কতটুকু পর্যন্ত এলাউড? আসুন ডিটেইলস এ যাই।
=================
চর্বির অনেক প্রকারভেদ আছে। চর্বি মানেই খারাপ না। চর্বি বা তেল একটা ন্যাচারাল খাদ্য। মানুষ হাজার বছর ধরে খেয়ে আসছে, এটা সাদা চিনির মত না। তখন কিন্তু কারো বুকে ব্লক হয়নি কিন্তু গত ১০০ বছর ধরে হচ্ছে। কারণ কী?
=============

১. প্রথমে আসি কোলেস্টেরল প্রসঙ্গে। কোলেস্টেরল হলো চর্বি/তেলের সেই অংশ, যা বুকের আর্টারিতে জমে ব্লক হয় কিন্তু কোলেস্টেরলের প্রকারভেদ আছে। শুধুমাত্র এলডিএল কোলেস্টেরলটা খারাপ যেটা যেটা বুকে জমে কিন্তু অন্য কোলেস্টেরল (যেমন: এইচডিএল) কিন্তু খারাপ না, ওগুলো বুকে জমে না। এইচডিএল কোলেস্টেরল তো ভালো কোলেস্টেরল, যেটা খারাপটাকে ধ্বংস করে।

তাহলে, আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে, যে আপনি যেন খারাপ কোলেস্টেরলটা (এলডিএল) লিমিট করতে পারেন, মানে কম খান। আর কিছু না।

২. তেল বা চর্বির দুই নাম্বার কনসার্নড জিনিস হলো স্যাচুরেটেড ফ্যাট। মানে ফ্যাট পরমানুটার কার্বন লিংকে হাইড্রোজেন বসে এটা স্যাচুরেটেড হয়ে গেছে, কোনো জায়গা খালি নাই তার। এই স্যাচুরেটেড ফ্যাটের একটা ছোট অংশ 'খারাপ কোলেস্টেরল' এ পরিণত হয়, হজমের পর। তাই এটা কম খেতে হবে। লিমিটটা পরে বলছি।

৩. এবার আসে সবচেয়ে বিষাক্ত ফ্যাট এ। যেটা ন্যাচারাল না। যেটা সমগ্র পৃথিবীতে বুকে ব্লকের অন্যতম প্রধান কারণ। সেটা হলো ট্রান্সফ্যাট।
দুটো স্যাচুরেটেড ফ্যাট অনু যুক্ত হয়ে এই ট্রান্সফ্যাট হয়। মানে এটা ডাবল স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এটা ন্যাচারালি কোনো তেলেই সেভাবে থাকে না। ট্রেস এমাউন্ট থাকে, যেটুকু মানুষের ক্ষতি করে না।

কিন্তু এই ফ্যাট ডাইরেক্ট বুকের ভিতরে গিয়ে জমে ব্লক হয়। সামান্য একটু খেলেই ব্লক। এটা একই সাথে 'খারাপ কোলেস্টেরল'কে বৃদ্ধি করে, আবার ভালো কোলেস্টেরলকে কমিয়ে দেয়। একই সাথে এই ট্রান্সফ্যাট ইনফ্ল্যামেটরি। মানে যেখানে জমে , সেই জায়গাটা ফুলে যায়।

মানে সামান্য একটু ট্রান্সফ্যাট মনে করেন বুকের আর্টারিতে গিয়ে জমলো। মনে করেন ১০% ব্লক হবার কথা কিন্তু এটা ফুলে গিয়ে (ভলিউম এক্সপ্যানশন) ৩০% হয়ে যাবে আরকি।

তার মানে নরমালি ৬০% কে সে ফুলিয়ে ১০০% ব্লক করে আপনাকে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়ে দিবে।

তার মানে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ফ্যাট , হলো ট্রান্সফ্যাট। অন্যগুলো কম ঝুঁকিপূর্ণ। ওকে?

আগে সাদা চিনিকে বিষ বলছিলাম। হ্যাঁ, তা বিষ, কিন্তু যখন বেশি হয়, ২ - ৩ চামচ ওকে, WHO বলছে ৬ চামচ পর্যন্ত ওকে। সাদা চিনি হলো স্বল্প মাত্রার বিষ: বিষ এ ধুতুরা।

সেই তুলনায় ট্রান্স ফ্যাট হলো: বিষ এ সায়ানাইড। জাগাত খাইবেন, জাগাত বুকে ব্লক।
=============

তো, USDA/FDA এর লিমিট অনুযায়ী ট্রান্সফ্যাট এর দৈনিক লিমিট হলো মাত্র ২.০ গ্রাম। মানে এর বেশি খেলেই বুকে ব্লক হবার সম্ভাবনা তৈরী হবে।

=============
কিন্তু আমরা কতটুকু খাচ্ছি? আর কতটুকু গোরু থেকে খাচ্ছি? কতটুকু সয়াবিন থেকে খাচ্ছি? আর এই ট্রান্সফ্যাট কেন আমাদের ফুড সাইকেল এ আসলো? এটা তো সায়ানাইড। উচ্চ মাত্রার বিষ। এমনটা তো হবার কথা না, তাই না?
=============
ঘটনা হলো এই: গত শতাব্দীতে সয়াবিনসহ সকল ভোজ্য তেল ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজড প্রডাকশনে যায়। তো ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু তেল তৈরী করে মেশিনে, ঘানি ভাঙ্গা তেলের মত না ওইটা।

ইন্ডাস্ট্রি তেলকে সুন্দর, ঘন এবং বহুদিন স্বাদ গন্ধ অপরিবর্তীত রাখার জন্য এর সাথে হাইড্রোজেন গ্যাস মিশায়।

'যেকোনো তেল + ক্যাটালিস্ট + বায়বীয় হাইড্রোজেন' = ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজড ভোজ্য সয়াবিন/ক্যানোলা/ সানফ্লাওয়ার তেল, যেটা আমরা খাই এখন।

তা সয়াবিন হোক বা ক্যানোলাই হোক বা সানফ্লাওয়ারই হোক। তারা কিন্তু হাইড্রোজেন মিশিয়ে এটাকে বিষাক্ত করে। কারণ প্রসেসটায় গেলে ব্যাপক লাভ হয়, মাস প্রডাকশনে যাওয়া যায়, মানুষ কিনেও। ঘানিভাঙ্গা তেল মাত্রাতিরিক্ত তরল (সান্দ্রতা কম) হয়, বেশি দিন থাকে না, তাই ইন্ডাস্ট্রি সেটা পছন্দ করে না। ইন্ডাস্ট্রি বাহির থেকে এক্সট্রা হাইড্রোজেন মিশায়। মনে করেন, ওই হাইড্রোজেন হলো বায়বীয় ফরমেটের ফরমালিন আরকি।

ইন্ডাস্ট্রির উদ্দেশ্য, হয়তো খারাপ না, একটু বেশি টাকা কামানো। কিন্তু .....

কিন্তু যখন নরমাল আনস্যাচুরেটেড তেলের সাথে আপনি হাইড্রোজেন মিশাবেন, তখন ওই তেলের একটা বড় অংশ ট্রান্সফ্যাট এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট হয়ে যায়। ওই হাইড্রোজেন পরমানু, কার্বন লিংকের ফাঁকা জায়গায় বসে গিয়ে।

স্যাচুরেটেড ফ্যাট একটু খারাপ কিন্তু ট্রান্সফ্যাট তো পুরা সায়ানাইড, রাইট?

প্রতি দশ গ্রাম তেলে ৪ - ৫ - ৬ গ্রামই ট্রান্সফ্যাট হয়ে যেতে পারে, ডিপেন্ড করে, আপনি কী পরিমাণ হাইড্রোজেন গ্যাস মিশালেন, তার উপর।

ট্রান্সফ্যাট আরও এক ভাবে হয়, সেটা হলো বাহিরে দোকানে যখন একই তেলে দিনের পর দিন সিঙ্গারা -সামুচাসহ সব কিছু ভাজা হয়। যেটাকে আমরা পোড়া তেল বলি। তেল বেশি পুড়লে, বাতাসের হাইড্রোজেন এর সাথে বিক্রিয়া করে তা ট্রান্সফ্যাট হয়ে যায়। কাজেই বাহিরের ভাজা - পোড়া খাবার যাবে না। না পারলে, বাসায় বানিয়ে খান।

============

২০০৬ সাল পর্যন্ত আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ লোক বিনা কারণে হার্ট এটাক হয়ে মারা যাবার মূল কারণ হিসেবে ভোজ্য তেলে এই ট্রান্সফ্যাটের উপস্থিতিকে দায়ী করা হয়। বিজ্ঞানীরা এটাকে বের করেন এবং আমেরিকান সরকারকে ব্যাপক চাপ দেন।

পরে আমেরিকান সরকার চাপে পড়ে ২০০৬ সালে নতুন আইন করে, সেটা হলো, ভোজ্য তেলকে হাইড্রেজেনেটেড করতে গেলে খুব কম করতে হবে, বা করা যাবে না। প্রতি তেলের ডিব্বায় ট্রান্সফ্যাটের এমাউন্ট উল্লেখ করে দিতে হবে। না হলে একশন। তেল ব্যবসা লাটে উঠেনো হবে, এফডিএ একশনে যাবে।

সরকারি চাপে পড়ে তেল কোম্পানিগুলো ডিল করে, যে তারা প্রতি সার্ভিং তেলে ০.৫ গ্রামের কম ট্রান্সফ্যাট দিবে এবং ০.৫ গ্রামকে রাউন্ডিং করে তারা লিখবে ০.০ গ্রাম। হোয়াট আ ফান? প্রতি সার্ভিং তেল মানে মাত্র ১৫ গ্রাম তেল। মানে আমেরিকায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত তেলগুলোতে প্রতি ১৫ গ্রামে ০.৫ গ্রাম ট্রান্সফ্যাট থাকে। মানে ১০০ গ্রামে ৩.৫ গ্রাম । চিন্তা করেন, শতকরা ৩.৫ % ট্রান্সফ্যাট আছে, তেলে কিন্তু লেখে ০ গ্রাম। কত বড় বাটপারি? হায় আমেরিকান লবি।

আমেরিকা তাও ভালো , আগে হয়তো ২০-৩০% ট্রান্সফ্যাট ছিল, ওইটা কমিয়ে ৩.৫% করছে।

কিন্তু বাংলাদেশ কী করছে? বাংলাদেশে তো কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই সরকারের, কোনো আইন বা তার প্রয়োগও নাই।

তার মানে বাংলাদেশে যখন আমরা বাহিরের খোলা তেল খাচ্ছি, সামান্য একটু তেল থেকেই দিনে হয় ৮ - ১০ - ১২ গ্রাম ট্রান্সফ্যাট খাচ্ছি, যেখানে দৈনিক লিমিট হলো ২ গ্রাম। তার মানে কোনো গোরু না খেয়েই , জাস্ট তেলতেলা সবজি - তেল - পরোটা - সিঙ্গারা - সামুচা খেয়েই আমাদের অল্পবয়সে বুকে ব্লক হচ্ছে, সয়াবিন তেলে থাকা এই ট্রান্সফ্যাট এর জন্য। বাই দ্যা ওয়ে, আমেরিকানদের ডেটা অনুযায়ী একজন এভারেজ আমেরিকান, ১৯৯৬ - ২০০৬ সালে দিনে ৬ গ্রাম ট্রান্সফ্যাট খেয়েছেন এবং লাখে লাখে লোক হার্ট এটাক হয়ে মারা গেছেন। এখন অবশ্য সবাই ব্যাপারটা জানে, সরকারও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছেন।

কিন্তু বাংলাদেশে আমরা কিন্তু সব দোষ ওই নিরীহ গোরু - খাসিকেই দিচ্ছে। নিরীহ অবলা এই প্রাণীটির একটু চর্বি আছে, তাতে কিছুটা কোলেস্টেরল, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ট্রান্সফ্যাটও আছে কিন্তু এত বেশি না কিন্তু, একটু কম।

আর মানুষ কিন্তু গোরু - খাসি প্রতিদিন খায় না কিন্তু ভোজ্য তেল কিন্তু প্রতিদিন খায়। USDA এর রেকমেন্ডেশন হলো সপ্তাহে ৩৫০ গ্রাম গোরু/খাসও খেলে কোনো সমস্যা নাই। শর্ত হলো, এই গরুতে অতিরিক্ত ফ্যাট (যেটা সিনার মাংস, ৩০% ফ্যাট) হতে পারবে না। নরমাল লিন মাংস (যেমন রানের মাংস, ১০% ফ্যাট) হতে হবে।

মানে গোরু যদি সপ্তাহে একদিন, ২ বেলা মিলে ৩৫০ গ্রাম খান, চর্বির দলাগুলো না খান, তাহলে তাতে হার্টে ব্লক হবার সম্ভাবনা নেই। মানে প্রায় ১০ টুকরা, মাঝারি পিছ, প্রতি বেলা ৫ পিছ। এর বেশি খেলে ব্লক হবার ঝুঁকিতে পড়বেন। এভাবে আজীবন খেলেও কোনো ব্লক হবার কথা নয় (ইউ এস হার্ট এসোসিয়েশন)। যদি চর্বি বেশি ওয়ালা মাংস খান, তাহলে পরিমাণ ১৫০ গ্রাম খাবেন, সপ্তাহে একবার।(৪ - ৫ পিছ)

আমি দেখি না, এভারেজে সবাই এত গোরু/খাসি খায়। খেয়াল করলে দেখবেন, বুকে ব্লক এখন লোকজনের খুব বেশি হচ্ছে। সেসব মানুষেরও হচ্ছে, যাঁরা তেমন গোরু কিন্তু খায় না কিন্তু ওই ভোজ্য তেল, ওই ভাজা পোড়া, ওই সিঙ্গারা - সামুচা, তেল সমৃদ্ধ তরকারী তারা খায়। খুব সম্ভবত: তেলে থাকা ট্রান্সফ্যাট থেকেই, যারা গোরু খায় না, তাদেরও বুকে ব্লক হচ্ছে।

এনিওয়ে, ব্রান্ডের কোম্পানির সয়াবিন তেলে ট্রান্সফ্যাট কতটুকু থাকে, বাংলাদেশে? আমি জানি না। একটু কম হওয়ার কথা। যদি লেখা থাকে, প্রতি সার্ভিং এ ট্রান্সফ্যাট ০ গ্রাম, তাহলে সর্বনিম্ন পরিমাণ আছে, মানে ০.৫ গ্রাম আছে। কিছুটা সেইফ কিন্তু তাও বেশি খেতে পারবেন না। দিনে ৪০ গ্রামের বেশি ওই তেল পেটে গেলে প্রবলেম। তবে বাহিরের ভাজা পোড়া থেকে অনেক ভালো হবে আশা করি।

=======

এবার ডাইরেক্ট ভ্যালু দিচ্ছি। USDA/Canada রিকমেন্ডেশন অনুযায়ী, দিনে ৩০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল খেলে তা সেইফ, মানে সপ্তাহে ২১০০ মিলিগ্রাম। দিনে ১২ গ্রাম (সপ্তাহে ৮০ গ্রাম) স্যাচুরেটেড ফ্যাট খেলে তা সেইফ। আর ট্রান্সফ্যাট? দিনে মাত্র ২ গ্রাম (মানে সপ্তাহে ১৪ গ্রাম) এর বেশি খেলেই বুকে ব্লক। যদি দীর্ঘকাল খেতে থাকেন। তবে কোনো কোনো এজেন্সি বলেছে, ট্রান্সফ্যাট সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে দিতে কিন্তু এটা সম্ভব না। কারণ বাণিজ্যিক ভোজ্য তেলে একটু থাকেই, ট্রেস এমাউন্ট।

=========

এখন গোরু - খাসি যদি সপ্তাহে ৩৫০ গ্রাম খান, তাহলে এই লিমিট ক্রস করবে না। আপনি ইন শা আল্লাহ সম্পূর্ণ সুস্থ থাকবেন কিন্তু সপ্তাহে এর বেশি খান, তাহলে ঝুঁকিতে পড়বেন। এখন আপনি একদিনেই ৩৫০ গ্রাম খাবেন, নাকি ২ - ৩ দিন মিলে ৩৫০ গ্রাম খাবেন , তা আপনার ব্যাপার, ওকে?

গোরু-খাসির মাংস আসলে রেড মিট, খুব পুষ্টিকর খাদ্য। এতে প্রচুর পরিমাণ আয়রণ, জিংক, ফসফরাস, লিপয়িক থাকে। শরীর খুব সুস্থ থাকবে, ব্রেনে - মাসলে শক্তি পাবেন, যদি এই লিমিটে খেতে পারেন। সুন্নাহ তো। খালি বেশি খেলে প্রবলেম হবে। বেশি খাবেন না কিন্তু বাদ দিবেন না, দুর্বল হয়ে যাবেন কিন্তু।

গরুর দুধ: যদিও এটাতে যথেষ্ট ফ্যাট থাকে কিন্তু ট্রান্সফ্যাট নেই, স্যাচুরেটেড ফ্যাটও কম। দিনে এক কাপ পর্যন্ত অসুবিধা নেই। দুধে আছে ক্যালসিয়াম, অনেক পুষ্টি এবং ভিটামিন ডি। মাঝে মধ্যে হলে নো প্রবলেম। দুধ থেকে আসা চিজ খেতে চান? দিনে একটা স্লাইস (৩০ গ্রাম) হলে, নো প্রবলেম।

ঘি: খুব ঝুঁকিপূর্ণ। প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। ইন্ডাস্ট্রি থেকে আসলে ট্রান্সফ্যাট থাকবে। তেল যত ঘন বা সলিড হবে, তত খারাপ হবার সম্ভাবনা।

=========
তার মানে বাংলাদেশের হার্ট এটাকের অন্যতম প্রধান কারণ হলো আসলে ভোজ্য তেল, সয়াবিন/অন্যান্য তেল এ থাকা মাত্রাতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাট এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট। যেটা সামান্য খাবার কারণেই দৈনিক লিমিট ক্রস করে যাচ্ছে এবং মানুষ হার্ট এটাকের শিকার হচ্ছে মাত্র ৩০ - ৪০ - ৫০ বছর বয়সেই।

আর দোষ হচ্ছে, সব ওই নিরীহ অবলা গোরুর উপর। যদিও গোরু কিছুটা দায়ী। কারণ অনেকে বেশি গোরু খায়, আর খালি চর্বি খায়, ঝোল খায়। গোরুর সাথে যে ঝোল থাকে সেটা কিন্তু আবার সয়াবিন তেলে ভরা, গোরুর চর্বি থেকে ওইটা বেশি খারাপ।

কাচ্চি কেমন খারাপ? কাচ্চিতে তো মাংস কম থাকে কিন্তু যেই তেলটা পোলাউয়ের সাথে থাকে ওইটা খারাপ। ওইটার মধ্যে খালি ট্রান্সফ্যাট আর ট্রান্সফ্যাট, যদি বাহিরে হয়। একবার বাহিরে কাচ্চি খাইছেন মানে আগামী ১ মাস: নো মাংস।
=========

তাহলে এখন কীভাবে চলতে হবে?

এক. গোরু - খাসি'র রানের মাংস বা অন্য অঞ্চলের চর্বি ছাড়া মাংস খাওয়া যাবে কিন্তু লিমিট হলো সপ্তাহে ৩৫০ গ্রাম পার পার্সন। একটু আধটু চর্বি আসলে সমস্যা নাই। খালি চর্বির দলাগুলো বা মাংস - চর্বির ৫০ - ৫০ মিক্স পিসগুলো ফেলে দিবেন।

দুই. আমরা প্রচুর ঝোল খাই। সমস্যা হলো ঝোলে তো ট্রান্সফ্যাট সমৃদ্ধ তেল থাকে। ওই তেলের ট্রান্সফ্যাট হল বিশাল প্রবলেম। কাজেই ঝোল খাবার হবে খুব কম, জাস্ট কোনোরকম ভাতকে ভিজানো। পানি বেশি দিয়ে ঝোল বেশি করতে পারেন কিন্তু তেলের পরিমাণ হবে, প্রতি লিটারে ৫০ - ৬০ মিলি লিটার। তেল কমিয়ে, মসলা একটু বেশি দিয়ে হলেও তরকারী রাঁধতে হবে।

তিন. যিনি রাঁধবেন, তাকে বলে দিবেন যেন গোরু - খাসি'র মাংসে খুব কম তেল দেয়। প্রতি কেজিতে মাত্র ৫০ - ৬০ এম এল এনাফ। এরপর যখন রান্না হয়ে যাবে, তখন তেলটা উপরে ভেসে উঠে কিন্তু, ভেসে উঠলে ফেলে দিবেন। ডালে, তরকারীতেও তেল কম দিতে হবে, প্রতি লিটারে ৫০ - ৬০ এম এল

চার. বাহিরের ভাজা পোড়া খাবেন না। সিঙ্গারা - সমুচা - পরোটা এসব যদি খেতেই হয়, প্রয়োজনে বাসায় করে খাবেন, মাসে ১ - ২ বার কিন্তু বাহিরে না। বাহিরে খোলা তেল দেয়, ওতে ট্রান্সফ্যাট মাত্রাতিরিক্ত বেশি। আর তেলকে পোড়ালে সেটা বাতাসের সাথে বিক্রিয়া করে নিজে নিজে ট্রান্সফ্যাট হয়ে যায়। কাজেই যখন বাহিরে পোড়া তেল খাচ্ছেন, ডাইরেক্ট সায়ানাইড খাচ্ছেন।

পাঁচ. ফাস্ট ফুডে কিন্তু খারাপ ট্রান্সফ্যাট সমৃদ্ধ তেল দিয়েই ভাজে সব কিছু। কাজেই ফাস্ট ফুড থেকে চিকেন ও খাবেন না, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও খাবেন না। বাসায় করে খান, দরকার পড়লে। কারণ, বাসায় তো আপনি ব্র্যান্ডের তেল খাচ্ছেন, যেটাতে ট্রান্সফ্যাট লিমিটেড।

ছয়. বাহিরে যদি খেতেই হয়, তাহলে রুটি - ভাত - রান্না করা মাছ মাংস এইসব খাবেন কিন্তু ভুলেও তেলে ভাজা কিছু খাবেন না। সাধারণভাবে ঘরে খাবেন। কাচ্চি - পোলাউ - গোরু - মুরগি খেতে ইচ্ছে করছে? বাসায় নিজে রান্না করে খান।

সাত. চিংড়ি মাছে, গোরু - খাসি'র ডাবল কোলেস্টেরল থাকে। কাজেই চিংড়ি মাছ খেতে পারবেন 200 গ্রাম, প্রতি সপ্তাহে। এর বেশি নয়। তেলাপিয়া মাছে মার্কারি - লেড - ক্রোমিয়াম জমে, বিষাক্ত, বাদ। সামুদ্রিক মাছ খেলে খুব ভালো। সামুদ্রিক মাছের তেল ব্লক খুলে দিবে, তাই বেশি বেশি সামুদ্রিক মাছ খান, চিটাগাং এ থাকার সুবিধা। নদী - পুকুরের মাছও ভালো। মাছের তেল হলো ভালো তেল, এইচডিএল থাকে।

=========

যদি এমন কোনো উৎস থেকে সয়াবিন তেল সংগ্রহ করতে পারেন, যিনি হাইড্রোজেনেটেড করেন না, জাস্ট নরমাল ঘানিভাঙ্গা, তাহলে সেই তেল বেশি একটু খেলেও প্রবলেম নেই, বড়জোর ভুঁড়ি হবে কিন্তু বুকে ব্লক হবে না। ওতে ট্রান্সফ্যাট থাকে না। তবে ওই তেল একটু পাতলা, সংরক্ষণ অসুবিধা। মানুষ কিনতে চায় না।

সরিষা? সরিষা যদি হাইড্রোজেনেটেড না করে, নরমাল ঘান ভাঙ্গা না হয়, কিছুটা সেইফ। প্রমাণ: বাপ - দাদারা সব সরিষাই খেতো। তবে সমস্যা হলো, সরিষায় আবার মাটিতে থাকা মার্কারি - লেড এইসব শোষণ করে। বাংলাদেশ এবং ইন্ডিয়ায় এখন যেখানে সেখানে অনেক ইন্ডাস্ট্রি হয়েছে, যেখান থেকে মার্কারি - লেড মাটিতে চলে যাচ্ছে। যদি সরিষা এমন মাটিতে হয়, তাহলে সেটা সেইফ না; এটা বের করা সম্ভব না, যে সরিষা কোন মাটিতে হচ্ছে। । কাজেই আমি রিকমেন্ড করি না। আর ইন্ডাস্ট্রি থেকে সরিষা আসলে ওইটাও হাইড্রোজেনেটেড হবে।

হাইড্রোজেনেটেড না হলে, সরিষা বা সয়াবিন, দুইটাই এক।
আমেরিকান তেল, যেখানে ৩.৫% ট্রান্সফ্যাট থাকে, সেখানে দিনে মাত্র ৩০ গ্রাম সয়াবিন বা ভোজ্য তেল সেইফ । বাংলাদেশে এর থেকে কম হবে, কারণ ট্রান্সফ্যাট বেশি, কত বেশি জানি না, তাই লিমিট দিতে পারছি না। কাজেই জাস্ট তরকারীর তেল বেশ কম খেতে হবে।

=======

প্রসঙ্গত, মেজবানী খাবার: চট্টগ্রামের ভাইরা:

মেজবানীতে অনেক জায়গায় (হোটেলের) গোরুর কোনো কিছু ফেলা হয় না, পুরো গোরু সব চর্বি সহ পাক করে ফেলে, খেতে চরম স্বাদ হয়। তার উপর আছে, গোরুর কলিজা, যেটাতে লেড - মার্কারিসহ সব বিষ জমা হয়। এতে আরও আছে, বাজারের ট্রান্সফ্যাট সমৃদ্ধ সয়াবিন তেল, কাজেই একটা ব্যাপক বিষাক্ত। কাজেই হোটেলের মেজবানী কিন্তু পিউর সায়ানাইড, বাদ দিবেন। খাবেন না, খাওয়াবেন না।

গ্রামীণ মেজবানী, তেল পরিমিত হলে, ঝুঁকি কম।

=========
শেষকথা: যদি ভাজাপোড়া বেশি খান, বেশ তেল সমৃদ্ধ খাবার খান, তাহলে কিন্তু সিক্সপ্যাক নিয়েও আপনার ব্লক হতে পারে। ট্রান্সফ্যাটের কারণে, স্যাচুরেটেড ফ্যাটের কারণে। কারণ আপনি ক্যালরি মেইন্টেইন করেই খাচ্ছেন কিন্তু ট্রান্সফ্যাট গিয়ে সব জমছে হার্টের আর্টারির মধ্যে।

তার মানে বাংলাদেশের জন্য কিটো ডায়েট কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ, চিকন হবেন, বাট বুকে ব্লক হবে। যদিও বাংলাদেশে ট্রান্সফ্যাট মেন্টেন করে না সরকার। শুধু দুধ দিয়ে করলে ঝুঁকি কম।

=========
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুকে ব্লক হওয়া থেকে বাঁচাক। আমিন।

জাযাকাল্লাহু খায়রান

বি. দ্র. পোস্টটি ঈষৎ পরিমার্জিত

সংগৃহীত

যদি তোমার বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হয়দেরি হওয়ার আগে শেখা জরুরি১. সময়মতো নামাজ পড়ো এটা তোমার দিনের কেন্দ্রবিন্দু এবং বর...
17/11/2025

যদি তোমার বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হয়

দেরি হওয়ার আগে শেখা জরুরি

১. সময়মতো নামাজ পড়ো এটা তোমার দিনের কেন্দ্রবিন্দু এবং বরকতের চাবিকাঠি। (সূরা আনকাবুত 29:45)

২. নিজেকে শৃঙ্খলিত করো- আত্মনিয়ন্ত্রণ ছাড়া স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যায়। (সূরা আল-হাশর 59:18)

৩. গোপনে হারাম থেকে বাঁচো একা থাকলে যা করো, সেটাই তোমার আসল পরিচয়। (সূরা আল-মুলক 67:12)

৪. সঠিক বন্ধুর সঙ্গ নাও তারা তোমাকে জান্নাতের দিকে টানতে পারে, বা জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিতে পারে। (আবু দাউদ 4833)
৫. অযথা বিয়েতে দেরি করো না "পারফেক্ট টাইম" এর পিছনে ছোটা অনেক সময় ফিতনার দিকে নিয়ে যায়। (বুখারি 5065, মুসলিম 1400)

৬. বেসিক ফিকহ ও আকীদা শিখো- জ্ঞান ছাড়া আল্লাহর ইবাদত সঠিকভাবে করা যায় না। জ্ঞান ঈমান বাড়ায়। (সুনান ইবনে মাজাহ 224)

৭. জবান নিয়ন্ত্রণ করো জিহ্বা এমন ক্ষত করে, যা হাতের আঘাতের থেকেও দ্রুত ধ্বংস করে। (তিরমিযি 2616)

৮. দৃষ্টি হেফাজত করো- এটা তোমার হৃদয়কে অযাচিত বাসনা ও আফসোস থেকে রক্ষা করে। (সূরা আন-নূর 24:30-31)

৯. নিয়মিত দান করো দান কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়। (মুসলিম 2588)

১০. ঋণ থেকে দূরে থাকো এটা স্বাধীনতা ও বরকত কেড়ে নেয়। (বুখারি 2397)

১১. শরীরকে শক্ত রাখো- স্বাস্থ্য একটি আমানত; শক্তি ইবাদত ও কাজে সহায়তা করে। (বুখারি 18)

১২. মূল্যবান কোনো দক্ষতা অর্জন করো যাতে তুমি হালাল উপার্জন করতে পারো, কারো চাকরির উপর নির্ভর না করে। (তিরমিযি 1130)
১৩. প্রতিদিন কুরআন পড়ো এক পৃষ্ঠা হলেও আল্লাহর সাথে সংযোগ তৈরি হয়। (সূরা ফাতির 35:29)

১৪. সফর করো আল্লাহর সৃষ্টি দেখো, জ্ঞান অর্জন করো, আর স্বাচ্ছন্দ্যের গণ্ডি ভাঙো। (সূরা আল-আনকাবুত 29:20)

১৫. মৃত্যুকে স্মরণ করো- এটা তোমার অগ্রাধিকার ঠিক রাখে। (তিরমিযি 2307

জাপানে দম্পতিদের আলাদা বিছানায় ঘুমানোর সংস্কৃতি।। বিশ্বের নানা দেশে দাম্পত্যজীবনকে সুখী ও দীর্ঘস্থায়ী রাখার জন্য ভিন্ন ভ...
16/09/2025

জাপানে দম্পতিদের আলাদা বিছানায় ঘুমানোর সংস্কৃতি।।

বিশ্বের নানা দেশে দাম্পত্যজীবনকে সুখী ও দীর্ঘস্থায়ী রাখার জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রথা ও অভ্যাস লক্ষ্য করা যায়। এর মধ্যে জাপানের একটি বিশেষ সংস্কৃতি এখন আলোচনায়—দম্পতিরা আলাদা বিছানায় ঘুমান। প্রথমে শুনতে কিছুটা অদ্ভুত মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে গভীর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বৈজ্ঞানিক কারণ।

🔸ঘুমকে সম্পর্কের ভিত্তি ধরা হয়

জাপানি সমাজে দীর্ঘদিন ধরেই প্রচলিত—ভালো ঘুম মানেই ভালো সম্পর্ক।

ঘুম ভেঙে গেলে বা বারবার বিরক্তি ঘটলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য হতে পারে।

তাই তারা বিশ্বাস করেন, মানসিক শান্তি ও শারীরিক বিশ্রাম অটুট সম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়ক।

🔸ঐতিহ্য ও বাসস্থানের প্রভাব

জাপানে ঐতিহ্যগতভাবে ফুতন (ফ্লোরে বিছানো পাতলা গদি) ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।

একে সহজে ভাঁজ করে রাখা যায়, ফলে সীমিত জায়গায় আলাদা করে বিছানা দেওয়া সুবিধাজনক।

ছোট ছোট বাসস্থানে থেকেও তারা নিজেদের ঘুমের জন্য ব্যক্তিগত জায়গা তৈরি করে নেন।

🔸স্বাস্থ্য ও আরামের দিক

অনেক দম্পতির ঘুমের অভ্যাস ভিন্ন হয়—কেউ নাক ডাকেন, কেউ আবার ঘুমের মধ্যে অনেক নড়াচড়া করেন।

একসাথে ঘুমালে এই অভ্যাস অপরজনের ঘুম নষ্ট করে।

আলাদা বিছানা নেওয়া মানে উভয়েরই গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের নিশ্চয়তা।

🔸বৈবাহিক সম্পর্কের ইতিবাচক প্রভাব

গবেষণায় দেখা গেছে, জাপানে বিবাহবিচ্ছেদের হার তুলনামূলকভাবে কম।

এর একটি বড় কারণ হলো ঘুমজনিত সমস্যা থেকে সম্পর্ক নষ্ট না হওয়া।

তারা মনে করেন, “দিনের পর দিন বিরক্তির চেয়ে আলাদা ঘুমিয়ে সুখী থাকা অনেক ভালো।”

আলাদা বিছানা নেওয়া মানেই সম্পর্ক দুর্বল নয়—বরং সম্পর্কের প্রতি পরস্পরের সম্মান প্রকাশ।

🔸পাশ্চাত্যের সঙ্গে তুলনা

পশ্চিমা দেশে সাধারণত একই বিছানায় ঘুমানোই দাম্পত্য ভালোবাসার প্রতীক ধরা হয়।
কিন্তু জাপানে বিষয়টি উল্টো—

তারা আলাদা ঘুমকেও ভালোবাসা ও বোঝাপড়ার অংশ মনে করেন।

এটি সম্পর্কের দূরত্ব নয়, বরং দীর্ঘস্থায়িত্বের কৌশল।

🔸জাপানের এই প্রথা আমাদের শেখায় যে, ভালোবাসা মানেই সবকিছু একসাথে ভাগ করে নেওয়া নয়, বরং পরস্পরের প্রয়োজনকে সম্মান করা।
যেখানে ভালো ঘুম মানসিক শান্তি এনে দেয়, সেখানে দাম্পত্য সম্পর্কও স্বাভাবিকভাবে দৃঢ় হয়। তাই জাপানি দম্পতিদের আলাদা বিছানায় ঘুমানোর এই অভ্যাস আসলে এক ধরনের সচেতনতা—যা তাদের সম্পর্ককে দীর্ঘ ও মজবুত রাখে। ❤️✨

Geography zone- ভূগোল বলয়


Address

House : 04, Road : 2, Block G, Mirpur 1
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Omega Point Drug Addiction Treatment Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Omega Point Drug Addiction Treatment Center:

Share