Ash Shafi Hospital and Diagnostic Centre

Ash Shafi Hospital and Diagnostic Centre Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ash Shafi Hospital and Diagnostic Centre, Hospital, Road #6, House #9, Mirpur Orginal-10, Dhaka-1216, Dhaka.

Advanced Cardiac Life Support (ACLS) is a set of evidence-based clinical guidelines used to manage cardiac arrest, strok...
05/11/2025

Advanced Cardiac Life Support (ACLS) is a set of evidence-based clinical guidelines used to manage cardiac arrest, stroke, and other life-threatening cardiovascular emergencies. It builds upon Basic Life Support (BLS) by adding advanced interventions such as airway management, ECG interpretation, defibrillation, and administration of emergency drugs like epinephrine and amiodarone.

ACLS emphasizes early recognition, high-quality CPR, timely defibrillation, and post-resuscitation care to improve survival outcomes. It also focuses on effective team dynamics and communication during resuscitation. Regular training and simulation practice are essential to maintain proficiency and confidence in ACLS protocols.

শিশু জন্মের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তার নিশ্বাস ঠিকভাবে শুরু হওয়া ও চালু থাকা। কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন কারণে নবজ...
09/10/2025

শিশু জন্মের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তার নিশ্বাস ঠিকভাবে শুরু হওয়া ও চালু থাকা। কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন কারণে নবজাতকের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়—যা দ্রুত চিকিৎসা না নিলে প্রাণঘাতী হতে পারে।

♦️ কমন কারণগুলোঃ
১) সময়ের আগে জন্ম (Preterm baby)
২) কম ওজনের শিশু (২.৫ কেজির নিচে)
৩) নবজাতকের ইনফেকশন
৪) জন্মগত হার্টের সমস্যা
৫) মায়ের পেটে পায়খানা খেয়ে ফেলা (Meconium aspiration)
৬) জন্মের সময় মাথায় আঘাত পাওয়া
৭) গ্লুকোজ কমে যাওয়া
৮) জন্মগত রক্তশূন্যতা
৯) অতিরিক্ত জন্ডিস
১০) ফুসফুস বা শ্বাসনালীর জন্মগত জটিলতা

♦️ যা লক্ষ্য করলে দেরি না করে চিকিৎসক দেখানঃ

দ্রুত বা হাঁপাতে হাঁপাতে শ্বাস নেওয়া

বুকের নিচে দেবে যাওয়া

নাক ফুলে ওঠা

ত্বক নীলচে বা ফ্যাকাশে হওয়া

নবজাতকের জীবনের প্রথম ৭২ ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। অল্প দেরিও বিপজ্জনক হতে পারে—তাই শ্বাসকষ্ট দেখলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সংগৃহীত from
~ডা. মাহফুজ বাঁধন

04/10/2025

🩺 “ভয় পেয়েছিলাম, কিন্তু কিছুই টের পেলাম না…”
(একজন রোগীর গল্প)

নাম রফিক সাহেব। বয়স ৪৭।
বছরের পর বছর পাইলসের কষ্টে ভুগেছেন।
অবশেষে সাহস করে অপারেশনের সিদ্ধান্ত নিলেন।
কিন্তু মনে ছিল একটাই প্রশ্ন —
“ব্যথা লাগবে না তো?”

আমরা বললাম —
“না, আপনি শুধু ঘুমাবেন না — জেগে থাকবেন, তবু কিছুই টের পাবেন না।”

স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া হলো। কোমরের নিচ থেকে পুরো অংশ নিস্তেজ।
তিনি জেগে ছিলেন,
কিন্তু কোনো ব্যথা, টান বা কাটার অনুভূতি হয়নি।

⏱ ৪৫ মিনিটের মধ্যে অপারেশন শেষ।
শুধু বললেন,
“এই তো! এত সহজ! এতটা ভয় পেয়েছিলাম, এখন মনে হচ্ছে আগেই করানো উচিত ছিল।”

**এটাই অ্যানেস্থেসিয়ার জাদু —
ভয়কে শান্তিতে বদলে দেওয়া।**

সিজারের মাধ্যমে শিশু জন্ম:সিজারিয়ান সেকশন (C-Section) কী?সিজারিয়ান সেকশন বা সি-সেকশন হলো এক ধরনের অস্ত্রোপচার, যা মা ব...
01/10/2025

সিজারের মাধ্যমে শিশু জন্ম:

সিজারিয়ান সেকশন (C-Section) কী?
সিজারিয়ান সেকশন বা সি-সেকশন হলো এক ধরনের অস্ত্রোপচার, যা মা বা শিশুর সুরক্ষার জন্য করা হয় যখন স্বাভাবিক বা নর্মাল ডেলিভারি সম্ভব হয় না বা ঝুঁকি থাকে। বর্তমানে এটি একটি অত্যন্ত প্রচলিত প্রসব পদ্ধতি।

🤱 কখন সি-সেকশন করা হয়?
সি-সেকশন মূলত দুই ধরনের হতে পারে: পরিকল্পিত (Planned) এবং জরুরী (Emergency)।

১. পরিকল্পিত (Planned C-Section)-এর কারণ:

* আগের সি-সেকশন: যদি মায়ের আগে একবার সি-সেকশন হয়ে থাকে, তবে পরের প্রসবটিও সি-সেকশনের মাধ্যমে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

* গর্ভফুলের অবস্থান: যদি প্লেসেন্টা প্রিভিয়া (Placenta Previa) থাকে, অর্থাৎ গর্ভফুল জরায়ুর নিচের দিকে সার্ভিক্সের মুখ ঢেকে রাখে।

* শিশুর অবস্থান: যদি শিশু উল্টো দিকে (Breech - পা বা নিতম্ব নিচে) বা আড়াআড়িভাবে (Transverse) থাকে।

* একাধিক শিশু: যমজ বা তার বেশি শিশুর জন্মদানের ক্ষেত্রে।

* মায়ের স্বাস্থ্য সমস্যা: মায়ের যদি গুরুতর হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ বা অন্য কোনো জটিলতা থাকে।

২. জরুরী (Emergency C-Section)-এর কারণ:

* প্রসবের অগ্রগতি না হওয়া: প্রসব বেদনা শুরু হওয়ার পরও যদি জরায়ুমুখ যথেষ্ট পরিমাণে না খোলে বা শিশু নিচে না নামে।

* শিশুর বিপদ: যদি শিশুর হৃদস্পন্দন বিপজ্জনকভাবে কমে যায় বা শিশু কোনো ধরনের সংকটে থাকে (Fetal Distress)।

* গর্ভফুল বিচ্ছিন্ন হওয়া: যদি প্রসবের আগেই গর্ভফুল জরায়ুর দেয়াল থেকে আলাদা হয়ে যায় (Placental Abruption)।

সি-সেকশন প্রক্রিয়া:
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে Regional Anesthesia, যেমন - এপিডুরাল বা স্পাইনাল ব্লক ব্যবহার করা হয়। এতে মা কোমর থেকে নিচের অংশ অবশ থাকে কিন্তু সম্পূর্ণ সচেতন থাকেন এবং দ্রুত বাচ্চাকে দেখতে পান।

* ইনসিশন: প্রথমে তলপেটে, সাধারণত পিউবিক হেয়ারলাইনের সামান্য উপরে একটি অনুভূমিক ছোট করে কাটা করা হয়।

* শিশু প্রসব: জরায়ুতেও একটি ছেদ করে শিশুকে বের করে আনা হয়। এই অংশটি সাধারণত ৫-১৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।

* সেলাই: শিশু প্রসবের পর গর্ভফুল বের করে আনা হয় এবং জরায়ু ও পেটের বিভিন্ন স্তর সাবধানে সেলাই করে দেওয়া হয়।

আরোগ্য লাভ (Recovery):
সি-সেকশন একটি অস্ত্রোপচার হওয়ায় নর্মাল ডেলিভারির চেয়ে সেরে উঠতে কিছুটা বেশি সময় লাগে।

হাসপাতালে থাকা: সাধারণত ২ থেকে ৩ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়।

ব্যথা: অপারেশনের জায়গায় ব্যথা থাকা স্বাভাবিক। এটি ব্যথানাশক ওষুধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

চলাফেরা: রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করতে এবং আরোগ্যে সহায়তা করার জন্য দ্রুত হাঁটাচলা শুরু করতে উৎসাহিত করা হয়।

ওজন তোলা/ ভারি কাজ করা: প্রথম কয়েক সপ্তাহ (সাধারণত ৬-৮ সপ্তাহ) শিশুর চেয়ে বেশি ওজনের কিছু তোলা কঠোরভাবে এড়িয়ে চলতে হবে।

সম্পূর্ণ সুস্থতা: সাধারণত ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে বেশিরভাগ মা দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরে যেতে পারেন, তবে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলতে হয়।

বিশেষ যত্ন: সেলাইয়ের জায়গাটি শুকনো ও পরিষ্কার রাখতে হবে এবং সংক্রমণ বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
সিজারিয়ান সেকশন নিয়ে আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্ন থাকে, যেমন এর ঝুঁকি বা আরোগ্যের জন্য বিশেষ টিপস, তাহলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

28/09/2025

🚨 অপারেশনের আগে আপনার 'লাইফ গার্ড'-কে চিনুন:

অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট (Anaesthesiologist)!

আমরা অপারেশনের কথা ভাবলেই কেবল সার্জনের কথা ভাবি। কিন্তু আমাদের জীবনকে নিরাপদ রাখার মূল দায়িত্বে থাকেন যিনি, তিনি হলেন অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট বা অবেদনকারী চিকিৎসক। অপারেশন চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে তিনিই আপনার হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ ও শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করেন।

কেন অপারেশনের আগে অ্যানেস্থেসিওলজিস্টকে জানা জরুরি?

1. জীবন-মৃত্যুর দায়িত্ব: অপারেশন-এর সময় আপনি যখন অচেতন থাকেন, তখন আপনার শরীরের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপ (শ্বাস-প্রশ্বাস, হার্ট রেট, রক্তচাপ) সচল রাখার সম্পূর্ণ দায়িত্ব তার। তিনিই আপনার অপারেশন থিয়েটারের লাইফ গার্ড!

2. আপনার তথ্য একান্ত জরুরি: তিনি আপনাকে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার আগে আপনার স্বাস্থ্য ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চাইবেন। আপনার অ্যালার্জি, নিয়মিত ওষুধ (হারবাল বা সাপ্লিমেন্ট সহ), ধূমপান, মদ্যপান বা অন্য কোনো গুরুতর রোগ (যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস) থাকলে, তা অবশ্যই জানাতে হবে। এই তথ্যগুলো গোপন করলে অপারেশনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

3. ব্যক্তিগত অ্যানেস্থেসিয়া পরিকল্পনা: তিনি আপনার শারীরিক অবস্থা এবং অপারেশনের ধরনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন—আপনার জন্য জেনারেল অ্যানেস্থেসিয়া (পুরোপুরি অজ্ঞান), স্পাইনাল, নাকি লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া নিরাপদ।

4. মানসিক প্রস্তুতি: অপারেশন-এর আগে ভয় পাওয়া স্বাভাবিক। আপনার অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট-এর সাথে কথা বললে, আপনি প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং আপনার ভয় ও উদ্বেগ অনেকটাই কমে যাবে।

আপনার পদক্ষেপ কী হবে?

অপারেশনের দিন তাড়াহুড়ো না করে, চেষ্টা করুন তার আগে আপনার অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট-এর সাথে একবার দেখা করে সব আলোচনা করে নিতে। যদি তা সম্ভব না-ও হয়, অপারেশন-এর আগে যখনই দেখা হবে, কথা বলুন।

মনে রাখবেন: আপনার নিরাপত্তা আপনারই হাতে। সঠিক তথ্য দিন, নিরাপদ থাকুন!

https://www.facebook.com/share/p/17Lu7vTm3d/?mibextid=wwXIfr
15/09/2025

https://www.facebook.com/share/p/17Lu7vTm3d/?mibextid=wwXIfr

*🩺 অ্যানেসথেসিয়া মানে ঘুম নয়, নিরাপত্তা।*
অনেকেই মনে করেন, অ্যানেসথেসিয়া মানে শুধু “ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া”।
আসলে এটি এক জটিল, বিজ্ঞানভিত্তিক ও জীবনরক্ষাকারী প্রক্রিয়া।

✅ অ্যানেসথেসিয়া আপনার অপারেশনকে *ব্যথাহীন ও নিরাপদ* করে
✅ অপারেশনের সময় আপনার *শ্বাস-প্রশ্বাস, হার্টবিট ও রক্তচাপ* নিয়ন্ত্রণে রাখে
✅ প্রতিটি মুহূর্তে এনেস্থেটিস্ট থাকে আপনাকে পর্যবেক্ষণে

*সতর্ক না থাকলে ঝুঁকি বাড়ে*
🔹 নির্দিষ্ট সময়ের আগে খাবার খাওয়া
🔹 চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ না জানানো
🔹 পূর্বের রোগ বা অ্যালার্জি গোপন রাখা

🎯 মনে রাখুন —
*অ্যানেসথেসিয়া হচ্ছে সেই নীরব প্রহরী, যে অপারেশনের পুরোটা সময় আপনার পাশে থাকে।*

*🔍 অপারেশনের আগে রোগীর করণীয় – নিরাপত্তার প্রথম ধাপ*
একটি সফল ও নিরাপদ অস্ত্রোপচারের জন্য রোগীর সঠিক প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনেক সময় ছোট একটি ভুল বড় বিপদের কারণ হতে পারে।

*✅ কী করবেন:*
✔️ ৬-৮ ঘণ্টা আগে থেকে কিছু খাবেন না (NPO নির্দেশ মানুন)
✔️ নিয়মিত কোনো ওষুধ আগে থেকে নিচ্ছেন কিনা তা এনেস্থেটিস্টকে জানান
✔️ আগে যদি এনেস্থেসিয়া বা ওষুধে সমস্যা (Allergy) হয়ে থাকে, জানিয়ে দিন
✔️ উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হাঁপানি ইত্যাদি থাকলে আগে জানান, প্রয়োজনে চিকিৎসা নিন
✔️ অপারেশনের দিন পরিচ্ছন্ন থাকুন ও সব গয়না খুলে রাখুন

*❌ কী করবেন না:*
✖️ গোপন রোগ বা আগে থেকে খাচ্ছেন এমন ওষুধের নাম ডাক্তারকে জানাবেন, কখনোই গোপন করবেন না
✖️ শেষ মুহূর্তে পানি বা খাবার খাবেন না।
✖️ ভয় বা দুশ্চিন্তা হলে চুপ করে থাকবেন না — প্রশ্ন করুন, ডাক্তারকে জানান, প্রয়োজনে Anxiolytic drugs দেওয়া হয়।

🩺 এনেস্থেসিয়া শুধু ঘুম নয় — এটি বিজ্ঞান, সচেতনতা ও আপনার নিরাপত্তার সম্মিলন।
l

12/09/2025

🩺 নিজের যত্ন মানেই পরিবারের নিরাপত্তা

রোগ হলে চিকিৎসা করানো জরুরি —
কিন্তু রোগ না হওয়ার আগেই সতর্ক হওয়া আরও জরুরি।

✅ নিয়মিত হেলথ চেকআপ করুন
✅ উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✅ বিশ্রাম, পরিমিত খাবার ও হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন
✅ ঘরোয়া ওষুধের বদলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

সতর্কতা জীবন বাঁচায়।
আপনার স্বাস্থ্য সচেতনতাই হতে পারে আপনার পরিবারের সুস্থতার মূল চাবিকাঠি।

২৪ ঘণ্টা সেবায়… আশ শাফি হসপিটাল
০১৯০১৩০৩৪০১

#স্বাস্থ্যসচেতনতা #সতর্কতাই_সু

11/09/2025

🩺 অপারেশনের আগে মূল্যায়ন (Preoperative Check-up): রোগীর জন্য কেন জরুরি?

অ্যানেস্থেসিয়া মানেই কেবল ওষুধ নয় — এটি শুরু হয় রোগীকে ভালোভাবে জানা ও বোঝা দিয়ে।

🔍 অপারেশনের আগে আমরা যা করি:
✅ রোগীর মেডিকেল হিস্ট্রি নিই
✅ পূর্বের অ্যানেস্থেসিয়া অভিজ্ঞতা যাচাই করি
✅ ওষুধপত্র ও অ্যালার্জি জানি
✅ প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা (ECG, blood, CXR) করি

কেন এগুলো জরুরি?
➡️ হার্ট, ফুসফুস বা অন্যান্য ঝুঁকি আগে থেকে ধরতে পারলে অপারেশন আরও নিরাপদ হয়।
➡️ ওষুধের ডোজ ও পদ্ধতি রোগী অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা যায়।
➡️ দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে, রোগীর রিকভারি হয় দ্রুত।

অ্যানেস্থেসিয়া তখনই নিরাপদ, যখন প্রস্তুতি সম্পূর্ণ।

রোগীর সচেতনতা ও চিকিৎসকের সতর্কতাই — সফল অপারেশনের চাবিকাঠি।

CBC, S. Creatinine, S. Urea, S. Electrolytes, Liver Function Test, HBsAg, Anti HCV, Anti HIV, ECG, Echo, Blood Grouping,...
11/09/2025

CBC, S. Creatinine, S. Urea, S. Electrolytes, Liver Function Test, HBsAg, Anti HCV, Anti HIV, ECG, Echo, Blood Grouping, TSH, HBsAg, CXR P/A View (Digital)

🩺 অপারেশনের পূর্বে ফিটনেস চেকআপ।
(Preoperative Check-up): রোগীর জন্য কেন জরুরি?

অ্যানেস্থেসিয়া মানেই কেবল ওষুধ নয় — এটি শুরু হয় রোগীকে ভালোভাবে জানা ও বোঝা দিয়ে।

🔍 অপারেশনের আগে আমরা যা করি:
✅ রোগীর মেডিকেল হিস্ট্রি নিই
✅ পূর্বের অ্যানেস্থেসিয়া অভিজ্ঞতা যাচাই করি
✅ ওষুধপত্র ও অ্যালার্জি আছে কিনা জানি
✅ প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা (ECG, Echo, Blood, CXR) করি

কেন এগুলো জরুরি?
➡️ হার্ট, ফুসফুস বা অন্যান্য ঝুঁকি আগে থেকে ধরতে পারলে অপারেশন আরও নিরাপদ হয়।
➡️ ওষুধের ডোজ ও পদ্ধতি রোগী অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা যায়।
➡️ দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে, রোগীর রিকভারি হয় দ্রুত।

অ্যানেস্থেসিয়া তখনই নিরাপদ, যখন প্রস্তুতি সম্পূর্ণ।

রোগীর সচেতনতা ও চিকিৎসকের সতর্কতাই — সফল অপারেশনের চাবিকাঠি।

Address

Road#6, House#9, Mirpur Orginal-10, Dhaka-1216
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ash Shafi Hospital and Diagnostic Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category