Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক

Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক, Doctor, Dr. Md. Faijul Huq, A-38/1, Islampur (Ambagan), Dhamrai, Dhaka.

01972-859950 ও 01712-859950 আমার মোবাইল নাম্বার । অন্য নাম্বার নাই। নাম্বার দুটি সেভ করে রাখুন।

প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে। সতর্ক থাকবেন।

★ আমার ওয়েবসাইট:
www.faijulhuq.com

www.faijulhuq.info

03/05/2026

কিছু কিছু কথা আমার শিষ্য বা মুরিদ দের জন্য সংরক্ষিত থাকে , প্রবচন টাইপের কথা । যখন মাঝে মাঝে আমরা একসাথে স্পিরিচুয়াল মজমা করি , তখন এসব কথা আলোচনা হয়। যাই হোক , আসল কথা শুরু করি ....
এই কথাগুলো শুধু আমার শিষ্যদের জন্য না , আত্মিক উন্নতি প্রত্যাশী সকলের কাজে লাগবে ...
আমাদের জীবন ধারার ভিত্তি হচ্ছে " উচ্চ চিন্তা ও সরল জীবন "।

একটু সহজ করে বলা যায়, আমাদের উচিত শুধুমাত্র মৌলিক চাহিদাগুলো মেটাবার জন্যই কাজ করা আর বাকী সময় আধ্যাত্মিক চেতনা পুনঃর্জাগরণের চেষ্টায় রত থাকা।
একটা উদাহরণ দেইঃ
ধরুন আপনি ঢাকা থেকে ট্রেনে সিলেটে কিছুদিনের জন্য বেড়াতে যাচ্ছেন। আপনি কি সেখানে সুখে থাকার জন্য ঘর বাড়ি তৈরী করবেন? নাকি সাথে করে ফ্রিজ, টিভি সবকিছু নিয়ে যাবেন? অবশ্যই না। কেননা ঘর বাড়ি এই সব কিছু ফেলে চলে আসতে হবে।
তেমনি সারা জীবনের কষ্টার্জিত সম্পদগুলোকে বিলাসিতায় ব্যয় করে জীবনের চরম উদ্দেশ্যকে ভুলে থাকা সময়ের অপচয় মাত্র, কারন জীবন অত্যান্ত সংক্ষিপ্ত ও ক্ষণস্থায়ী। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, লোকেরা সম্পদ করার জন্য সারা জীবন কতই না কঠোর পরিশ্রম করে যখন সে এই সম্পদের ভোগ করবে তখন তার জীবনের শেষ প্রান্তে চলে আসে। সম্পদশালী হওয়ার চিন্তায় তার জীবন শেষ হয়ে যায় অথচ তার স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক তৈরী হয়না, স্রষ্টাকে চিনতে পারে না।

অথচ জীবনের চরম উদ্দেশ্যই হলো স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক, তা হয়ে যায় ব্যার্থ।
জীবন হয়ে যায় জটিল আর চিন্তা হয়ে যায় নিম্ন। দুনিয়াতেও নিজের কষ্টার্জিত সম্পদগুলো ভোগ করতে পারবো না, আখেরাতেও লাঞ্চিত হতে হবে। অর্থাৎ দুনিয়া আখেরাত সব যাবে ।

03/05/2026

বাচ্চাদের ছবি ফেসবুকে দেবেন না। অনেকের কাছ থেকে শুনেছি বাচ্চার কোন সমস্যা ছিল না ফেসবুকে ছবি দেওয়ার পরেই নানান সমস্যা শুরু হয়েছে। একটার পর একটা রোগ লেগেই আছে । এর মূল কারণ বদ নজর ।

চোখ লাগা বা বদ নজর বা কুদৃষ্টির (Evil Eye) অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে। এই জিনিস কিন্তু জীবন তামা তামা করে দেয় ।

নিচে বদনজর রিলেটেড কিছু হাদিস এবং বদ নজর এর জন্য করণীয় বিষয়গুলো বিস্তারিত লিখে দেওয়া হল।

★ আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেনঃ
বদ নজর সত্য। (বুখারীঃ ১০/২১৩) অর্থাৎ এর বাস্তবতা রয়েছে, এর কুপ্রভাব লেগে থাকে।

★ আয়েশা সিদ্দীকা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ
তোমরা বদ নজরের ক্রিয়া (খারাপ প্রভাব) থেকে রক্ষার জন্যে আল্লাহ তায়ালার সাহায্য প্রার্থনা কর। কেননা তা সত্য। (ইবনে মাযাহঃ ৩৫০৮)

★ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
বদ নজর (এর খারাপ প্রভাব) সত্য এমনকি যদি কোন বস্তু ত্বাকদীরকে অতিক্রম করত তবে বদ নজর তা অতিক্রম করত। সুতরাং তোমাদেরকে যখন (এর প্রভাবমুক্ত হওয়ার জন্যে) গোসল করতে বলা হয় তখন তোমরা গোসল কর । (মুসলিমঃ ১৪/১৭১)

★ আসমা বিনতে উসাইম (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আবেদন করনে যে, জাফরের সন্তানদের নজর লাগে আমি কি তাদের জন্যে ঝাড়ফুঁক করব? উত্তর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ
হ্যাঁ! কোন বস্তু যদি তাকদীরকে অতিক্রম করত তবে বদ নজর তা অতিক্রম করত। (তিরমিযীঃ ২০৫৯, আহমদঃ ৬/৪৩৮) ৫।

★ আবু যর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
ইমাম আহমদ ও আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন । এই হাদীসের সারমর্ম হল, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তির যখন নজর লাগে তখন এত বেশি প্রভাবিত হয় যে, সে যেন কোন উচু স্থানে চড়ল অতঃপর কোন নজর দ্বারা হঠাৎ করে নীচে পড়ে গেল। (শায়খ আলবানী সহীহ বলেছেনঃ ৮৮৯)

★ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
বদ নজর ত্যি তা যেন মানুষকে উপর থেকে নীচে ফেলে দেয়। (ইমাম আহমদ ও তা রানী আলবানী হাসান বলেছেনঃ ১২৫০)

★ জাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
বদ নজর মানুষকে কবর পর্যন্ত পৌছে দেয় এবং উটকে পাতিলে । (সহীহ আল জামেঃ শাইখ আলবানী (রহঃ) সহীহ বলেছেনঃ ১২৪৯)

অর্থাৎ, মানুষের নজর লাগায় সে মৃত্যুবরণ করে, যার ফলে তাকে কবরে দাফন করা হয়। আর উটকে যখন বদ নজর লাগে তখন তা মৃত্যু পর্যায়ে পৌছে যায় তখন সেটা যবাই করে পাতিলে পাকানো হয় ।

★ জাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ
আমার উম্মতের মধ্যে তাকদীরের মৃত্যুর পর সর্বাধিক মৃত্যু বদ নজর লাগার দ্বারা হবে। (মুসনাদে বাযযার)
আমার উম্মতের মধ্যে তাকদীরের মৃত্যুর পর সর্বাধিক মৃত্যু বদ নজর লাগার দ্বারা হবে। (মুসনাদে বাযযার)

🟩 এসব ক্ষেত্রে, প্রচলিত চিকিৎসার সাথে সাথে বাসায় ঝাড়ফুঁক করাবেন । কোন প্রফেশনাল রাকির কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বাসায় নিজে নিজেই করা যাবে ।

★ আয়েশা সিদীকা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বদ নজর থেকে বাচার জন্যে ঝাড়-ফুক করার নির্দেশ দিতেন। (বুখারীঃ ১০/১৭০, মুসলিমঃ ২১৯৫)

★ উম্মে সালমা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার ঘরে এক মেয়ে শিশুর চেহারায় দাগ দেখে তিনি বলেছেন যে, তার চেহারায় বদ নজরের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তাকে ঝাড়-ফুক করাও। (বুখারীঃ ১/১৭১, মুসলিমঃ ৯৭)

🟩 নিজে নিজে কিভাবে ঝাড়ফুক করবেন ?

বদনজর বা কুদৃষ্টির (Evil Eye) প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে কোরআনের সূরা ও হাদিসের দোয়ার মাধ্যমে ঝাড়ফুঁক (রুকইয়াহ) করা অত্যন্ত কার্যকর। রাসূলুল্লাহ (সা.) বদনজরের চিকিৎসার জন্য ঝাড়ফুঁক করার নির্দেশ দিয়েছেন ।

🟩 বদনজরের জন্য পঠনীয় প্রধান সূরা ও আয়াতসমূহ নিচে দেওয়া হলো:

🟢 ১. পবিত্র কোরআনের সূরা ও আয়াতসমূহসূরা

★সূরা ফাতিহা
★ আয়াতুল কুরসি।
★ সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাস , এই দুটি সূরা বদনজর থেকে বাঁচার জন্য সবচেয়ে বেশি কার্যকর। রাসূল (সা.) এ দুটি সূরা পড়ে ফুঁ দিতেন ।
★ সূরা আল-ইখলাস , নিয়মিত পাঠ করা ও ফুঁ দেওয়া ।
★ সূরা আল-কালমের ৫১-৫২ আয়াত: এই আয়াতগুলো বদনজরের চিকিৎসায় বিশেষভাবে পাঠ করা হয় ।
★ সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫-২৮৬) ।

🟢২. হাদিস থেকে বর্ণিত দুআ (রুকইয়াহর দোয়া)ঝাড়ফুঁকের সময় হাদিসে বর্ণিত দোয়াগুলো পাঠ করা উত্তম।

উল্লেখযোগ্য দোয়াগুলো হলো:

★ বিসমিল্লাহি আরক্বিকা, মিং কুল্লি শাইয়িন ইয়ুজিকা, ওয়া মিং শাররি কুল্লি নাফসিন আও আইনিন হাসাদিল্লাহু ইয়াশফিকা, বিসমিল্লাহি আরক্বিকা।

এটি জিবরাঈল (আ.) নবী করীম (সা.)-এর জন্য পড়েছিলেন যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক ব্যথা, কষ্ট, নজর লাগা বা অসুস্থতায় এটি পড়া অত্যন্ত কার্যকর।

★ আ'উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাহ, মিন কুল্লি শায়ত্বা-নিন ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি 'আইনিল লা-ম্মাহ।

(উচ্চারণভেদ: আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত-তাম্মাতি মিন কুল্লি শায়তানিও-ওয়া হাম্মাতিও-ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লাম্মাহ।)

এটি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুআ, যা নবী করীম (সা.) বিষাক্ত প্রাণী এবং কুদৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য পাঠ করতেন। এটি বিশেষ করে শিশুদের বদনজর থেকে রক্ষায় পাঠ করা হয়।

🟢 ঝাড়ফুঁক বা রুকইয়াহ করার পদ্ধতি:

১. ফুঁ দেওয়া: সূরা ও দোয়াগুলো পড়ে সরাসরি শরীরে বা হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত মুছে নেওয়া ।
২. পানিতে ফুঁ দেওয়া: পঠিত দোয়া ও সূরাগুলো পানিতে ফুঁ দিয়ে তা রোগীকে পান করানো বা গোসল করানো
৩. নিয়মিত সুরক্ষা: প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় সূরা ফালাক ও নাস পাঠ করা।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ঝাড়ফুঁকের ক্ষেত্রে দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে যে, আরোগ্য শুধুমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে । আরবি উচ্চারণ বাংলায় লিখে সঠিকভাবে প্রকাশ করা যায় না এজন্য উচ্চারণ না বুঝলে বাসার পাশের মসজিদের ইমাম সাহেবের সাথে কথা বলে সঠিক উচ্চারণ শিখে নেবেন।

🟢 ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন:
www.faijulhuq.com

www.faijulhuq.info

03/05/2026

ঢাকায় একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার এক বন্ধু ছিল। ঘনিষ্ঠ বন্ধু। নামায, রোযা করতো। হঠাৎ একদিন শুনি, সে নাকি কাদিয়ানী। তখন ইন্টারনেট ছিল না। তথ্য-উপাত্ত এখনকার মতো এতোটা সহজলভ্যও ছিল না। অল্প কিছু বই-পত্র পড়ে বেশ কনফিউজড হয়ে গেলাম। শেষে এক শিক্ষককে জিজ্ঞেস করতে উনি জানালেন, এদের মধ্যে সমস্যা আছে। এদের থেকে দূরে থাকবে। ফলে আমার যা বার্তা পাওয়ার, পেয়ে গেলাম। তখন ক্লাশের পড়ালেখা ছাড়া ছাড়া চোখের সামনে অন্যকিছুই দেখি না, কাদিয়ানীদের দিকে নজর দেয়ার সময় কই? ফলে, কাদিয়ানী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো তখনকার মতো।

তবে আমার সেই বন্ধু হাল ছাড়লো না। সে বিভিন্ন রকমের বই-পুস্তক সরবরাহ করতেই থাকলো। তখন সের দরে কাগজ-পত্র বিক্রি করার চল ছিল। টাকার খুব টানাটানি থাকায় খানিকটা পড়ে খবরের কাগজের সাথে বিক্রি করে দিতাম। ঢাকার বখশিবাজারে তাদের একটা সেন্টার আছে , সেখানে যাওয়ার জন্য আমার সাথে সবসময়ে ঝুলাঝুলি করতো। ঘনিষ্ঠ বন্ধু, কড়া করে কিছু বলতেও পারতাম না। শেষে একদিন বললাম, দ্যাখ, একাডেমিক পড়ালেখা নিয়া আমি চরম মাত্রার ব্যস্ত। পাশ করার পরে বিয়াটা কইরা লই, তারপরে তোর লগে এই নিয়া ফাইনাল ডিসকাশান হবে। তাছাড়া আব্বার সাথেও এই নিয়া আলাপ করতে হবে। ফলে সেও বার্তা পেয়ে গিয়ে আমাকে নিস্তার দিলো।

পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন কারনে এই বিষয়ে আমাকে পড়ালেখা করতে হয়েছে। তাদের এই যে মুসলমান হিসাবে পরিচয় দেয়া, মেইনস্ট্রিমের মুসলিমদের থেকে বিশ্বাসগত পার্থক্য আর বিভিন্ন বিষয়ে চমকপ্রদ কথাবার্তা……..সেসবই আমাকে তাদের ব্যাপারে আরো জানতে উৎসাহিত করেছে।

সাদা চোখে দেখলে, কাদিয়ানীরা মুসলমানদের সব রকমের আচার-আচরণই পালন করে। নিজেদেরকে মুসলমান হিসাবে পরিচয়ও দেয়। তাহলে সমস্যা কোথায়? কেন তাদের নিয়ে এতো বিতর্ক? সংক্ষেপে পয়েন্ট আকারে বলার চেষ্টা করি।

তার আগে বলে নেই, এদের পোষাকী নাম, আহমদিয়া মুসলিম জামাত। আর ডাকনাম হলো কাদিয়ানী। এতো বড় নাম বারে বারে লেখা ঝামেলা, তাই পোষ্টে আমি ডাকনামই ব্যবহার করেছি। কাদিয়ানীদের উৎপত্তি আর ব্যুৎপত্তি কোথা থেকে হলো, কিভাবে এরা বিবর্তিত হলো, কিংবা কিভাবেই বা তারা আজকের পর্যায়ে উপনীত হলো, সে‘সবে আর যাচ্ছি না। কারন, আমার এই পোষ্টের মূল উদ্দেশ্য সেটা না। তবে, একটা গুরুত্বপূর্ণ নাম জানিয়ে রাখি, মির্জা গোলাম আহমদ। ব্রিটিশ ভারতে জন্ম নেয়া এই ভদ্রলোকই আহমদিয়া মুসলিম জামাত তথা কাদিয়ানীতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা। এই মির্জা সাহেব কিন্তু লেখালেখিতে অতিশয় দক্ষ ছিলেন। আজকের যুগে জন্ম নিলে উহাই ''যুগশ্রেষ্ঠ ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্ট '' হইতেন। আসল কথায় আসি। অনেক লেখালেখির মধ্যে ইহার অন্যতম কীর্তি ৮৪টা বই, যেটা ২৩ খন্ডে প্রকাশিত। নাম ''রুহানী খাজায়েন''। সেটারই পরতে পরতে বিভিন্ন বানী ছড়িয়ে আছে।

সে যাই হোক; চলেন, শুরু করা যাক।

১। আমরা মুসলমানেরা জানি যে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আমাদের ধর্মের শেষ নবী এবং রাসুল। উনার পরে আর কোন নবী বা রাসুল এই পৃথিবীতে আসবেন না। আর উনার উপর নাজিলকৃত কোরআন শরীফের মাধ্যমেই আল্লাহ ইসলামকে পূর্ণতা দান করেছেন। ফুলস্টপ!!! তবে, মির্জা সাহেব দাবী করেন যে, ''আমি রাসুল, এবং নবীও''। (রুহানী খাজায়েনের ১৮তম খন্ডের ২১১নং পৃষ্ঠা) । ইসলামের পূর্ণতা লাভের পর মির্জা সাহেবের নবী বা রাসুল হিসাবে কামটা কি? প্রথমে ইমাম মাহদী, তারপরে প্রতিশ্রুত মসীয়াহ অর্থাৎ হযরত ইসা (আঃ) এবং সর্বশেষ নবী তথা মুহাম্মদ। এইটাকে বলে থ্রি-ইন-ওয়ান। এমন লোকের হাতে ইসলাম পড়লে তার সাড়ে-সর্বনাশের আর কিছু বাকী থাকে?

২। উহা নিজেকে নবী দাবী করেই থেমে থাকে নাই। নিজেকে আল্লাহও দাবী করেছে (রুহানী খাজায়েনের ৫ম খন্ডের ৫৬৪ নং পৃষ্ঠা)। সেখানে বলা আছে, ''স্বপ্নে দেখলাম আমিই আল্লাহ। এবং আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, আমিই আল্লাহ।'' আবার রুহানী খাজায়েনের ১৩তম খন্ডের ১০৩ নং পৃষ্ঠাতেও একই দাবী করা হয়েছে। সে আরো বলেছে, Quran is God's Book and words of my mouth. (Roohani Khazain vol.22 p.87) ফেরাউন নিজেকে খোদা দাবী করার কারনে অভিশপ্ত হয়েছিল। মির্জা সাহেবকে কি বলা যায়? আর যাই বলা যাক, মুসলমান কি বলা যায়? আর তার অনুসারীদেরকে?

৩। এরা কালেমা তাইয়্যেবা পড়ার সময়ে যে ধারনা অন্তরে পোষণ করে, সেটা পৃথিবীর বাকী তাবৎ মুসলমান থেকে ভিন্ন। সেই অনুযায়ী তাদের দৃষ্টিতে বাকী সব মুসলমান কাফের। এখন তারাই আবার অভিযোগ করে যে, তারাও কালেমা পড়ে, তাহলে তাদেরকে কেন কাফের বলা হবে? তাছাড়া মির্জার বইতে আছে, 'যে ব্যক্তি মির্জার নবুওয়াত মানে না সে জাহান্নামী কাফের' (রবয়ীন পৃ.৪. আদইয়ানে বাতেলা পৃ. ১৩২)। অথচ সমগ্র দুনিয়ার উলামায়ে কেরামের ফতোয়া হলো, যে ব্যক্তি মির্জাকে নবী মানবে সে কাফের। কি তামশা!!! কয়েকদিন আগে একটা ভিডিও দেখেছিলাম, এক চোর গণপিটুনি খাওয়ার পর অভিযোগ করছে, আমি না হয় চুরি করলাম। তাই বইলা আমারে এইভাবে মারবে?

৪। যতোদূর জানি যে, মির্জা সাহেব পুরুষ ছিল। তবে, উহার একজন অনুসারী, কাজী ইয়ার মোহাম্মদ; যার কাজ ছিল মির্জা সাহেবের মুখ-নিঃসৃত বিভিন্ন বানী লিপিবদ্ধ করা……...''ইসলামের কোরবানী'' নামক একটা বইয়ের ১৩নং পৃষ্ঠায় বর্ণনা করেছে, মির্জা সাহেব একজন নারী এবং আল্লাহ নাকি তার সাথে ''ইয়ে'' করেছে (নাউজুবিল্লাহ)। এই দাবী যখন আমার পড়ার সৌভাগ্য হয়, তখন খাড়ার উপ্রে আমার আর্নল্ড শোয়ার্জনিগার অভিনীত ''দ্য টার্মিনেটর'' মুভিটার কথা মনে পড়ে যায়। কেন?

তাহলে এটা পড়েন (….He claimed to be the mother of Prophet Jesus and then he claimed to be Prophet Jesus himself. He said the 'first God' converted him into Mary. After two years, God made him pregnant for ten months, after which God converted him into Jesus. [Roohaani Khazaain]

( তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি প্রথমে হযরত ঈসা (আ.)-এর মা ছিলেন, এবং পরে নিজেকেই হযরত ঈসা (আ.) হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘প্রথম সত্তা’ (God) তাকে মরিয়মে রূপান্তরিত করেছিল। এরপর দুই বছর পর আল্লাহ তাকে দশ মাসের জন্য গর্ভবতী করেন, এবং সেই সময়কাল শেষে তাকে ঈসা (আ.)-এ রূপান্তরিত করা হয়। )

কি বুঝলেন?

৫। মির্জার বইতে আছে, 'ফেরেশতা বলতে কিছু নেই' (তাওযীহে মারাম পৃ. ২৯, আদইয়ানে বাতেলা পৃ. ১৩৩) তাহলে মহান আল্লাহ আল ইমরান. ১৮, সূরা বাকারা.৩০,১৬১, সূরা নিসা. ৯৭ তে কি বলেছেন? আর হাশর সম্বন্ধে মির্জা ফরমায়, 'মৃত্যুর পর হাশরের ময়দানে কেউ একত্র হবে না। বরং সরাসরি জান্নাত বা জাহান্নামে প্রবেশ করবে।' (ইযালায়ে আহকামে কুলাঁ পৃ.১৪৪, আদইয়ানে বাতেলা পৃ.১৩৩)। অন্যদিকে এই বিষয়ে সূরা আনআম. ২২, সূরা কাহাফ. ৪৭ এবং সূরা ফাতিহা. ৩ যদি দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন মির্জার বুজরুকি!!

আমি ৫ টা পয়েন্ট তুলে ধরলাম। আরো অনেক দেখাতে পারি, তবে মনে হয় তার আর দরকার নাই। শুধু শুধু পোষ্ট বড় করে কি লাভ? যেটুকু দেখিয়েছি, সেটাই যথেষ্ট। হাড়িতে চাল ফুটালে ভাত হয়েছে কিনা বোঝার জন্য সবগুলো চাল টেপাটেপি করার দরকার পড়ে না। কয়েকটা টিপলেই ঘটনা পরিস্কার বোঝা যায়।

এইবার আসেন, কাফেরের ক্লাসিফিকেশান সম্পর্কে একটা ধারনা নেই। কাফের হলো তিন প্রকারের।

১। প্রকাশ্য কাফেরঃ এরা প্রকাশ্য এবং সুস্পষ্ট কাফের। ইসলামের সাথে এদের সম্পর্ক নাই, এদের প্রত্যেকেরই নিজস্ব ধর্ম আছে, এবং সেইসব ধর্মকে সমীহ করার কথাও ইসলামে বলা আছে।
২। যারা ভেতরে ভেতরে কাফের, কিন্তু প্রকাশ্যে নিজেকে মুসলমান বলেঃ এদেরকে মুনাফিক বলা হয়। এরা ভয়াবহ এবং এদের ব্যাপারে সাবধান থাকা প্রতিটা মুসলমানের কর্তব্য। পবিত্র কোরআনের সূরা মুনাফিকূনে এদের সম্পর্কে বলা আছে।
৩। যারা নিজের কুফরকে ইসলাম প্রমাণ করার চেষ্টা করেঃ এরা হলো ভয়াবহতম। মুনাফিকদের কুফর সাধারণ কাফেরদের চেয়েও বড়। কেননা তারা কুফর ও মিথ্যাকে ব্লেন্ড করে। মুনাফিকদের চেয়েও এই তৃতীয় প্রকারের কাফেররা বড় অপরাধী, যারা নিজেদের কুফরকে ইসলাম বলে। তাদের আকীদা সুস্পষ্ট কুফুরী। অথচ তারা একে ইসলাম বলে উপস্থাপন করে। শরীয়তের পরিভাষায় এদেরকে 'যিনদীক' বলা হয়।

কাজেই এসব ফেতনা-ফ্যাসাদ সৃষ্টিকারীদের থেকে সাবধান। এরা মুসলমান নাম ধারন করে, তাদের আচার-আচরণকে ধারণ করে। তারপরে মুসলমানদের সাথে মিশে তাদের ক্ষতি করে।

আমাদের এই উপমহাদেশেই শিখ সম্প্রদায় হিন্দু এবং ইসলাম ধর্ম থেকে আইডিয়া নিয়ে একটা স্বতন্ত্র ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছে। তারা অন্যান্য ধর্মের সাথে সহাবস্থানও করছে। কাদিয়ানীদের প্রতি আমার আহ্বান, আপনারা শিখদের মতো করে নতুন একটা ধর্মের কনসেপ্ট নিয়ে আসেন। নিজেদেরকে মুসলমান বলা বাদ দেন। তাহলেই একমাত্র আপনাদের সাথে মিলেমিশে থাকা যাবে। বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদেরকে কেউই পছন্দ করে না।

আমার লেখায় ভূল-ত্রুটি থাকতেই পারে। সেসবসহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনাও হতে পারে। তবে একজন সাধারন মানুষ হিসাবে আমি রাগ-বিরাগের উর্ধে না। সেসব মহামানবদের বিষয়। উনারা শত খোচাখুচিতেও নির্বিকার থাকতে পারেন। আমার পক্ষে সেটা যেহেতু সম্ভব না, তাই সোশ্যাল মিডিয়ার চিহ্নিত ইসলামোফোবরা পোষ্ট থেকে দূরে থাকেন। আগেই বলে রাখছি, আমার এই পোষ্টে কোন ফাজিল-মার্কা মন্তব্য সহ্য করবো না।

01/05/2026

গ্রামে জন্ম হওয়ার কারণে বড় হয়েছি টিনের ঘরে থেকে , কাদামাটিতে মাখামাখি করে , পুকুরে গোসল করে । হাটু কাদা পানিতে হেঁটে হেঁটে স্কুলে গিয়েছি । দূরে কোথাও গেলে নৌকা ছাড়া উপায় ছিল না।
পিচ্চিকালে মায়ের সাথে নৌকায় নানা বাড়িতে গিয়েছি অনেকবার । পড়ালেখা করেছি তেলের কুপিতে (কাঁচের শিশির মধ্যে কেরোসিন তেল দিয়ে কাপড়ের সলতে দিয়ে ল্যাম্প বানানো হতো ) আর হারিকেন জ্বালিয়ে ।

টিনের চালে ঝুম বৃষ্টির মধ্যে সবাই মিলে সরিষার তেল আর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মুড়ি মাখা খাবার ।পুকুরের মধ্যে সাঁতার আর গোসলের স্মৃতি । কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ , রাতে শিয়ালের ডাক , হাঁস মুরগির ছোটাছুটি , টিনের চালে কবুতরের ঘর , কেরোসিন তেলের কূপিতে আলো-আঁধারির খেলা , পাশের কোন বাঁশঝাড়ে মধ্য থেকে ঝিঁঝিঁপোকার ঝিঝি শব্দ । আরো কত স্মৃতি !!

01/05/2026

দাম্পত্য সম্পর্কে অভিযোগ বনাম সমালোচনার সূক্ষ্ম পার্থক্য
দাম্পত্য জীবন মানেই দুই ভিন্ন ব্যক্তিত্বের সহাবস্থান। স্বামী ও স্ত্রী দুজনই আলাদা চিন্তা, অভ্যাস, পছন্দ-অপছন্দ এবং মানসিকতার মানুষ। ফলে তাদের মধ্যে মতবিরোধ, দ্বন্দ্ব কিংবা অমিল থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। বরং এই ভিন্নতাই সম্পর্ককে বাস্তব করে তোলে। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন এই অমিলগুলো সঠিকভাবে প্রকাশ না পেয়ে অভিযোগ থেকে সমালোচনায় রূপ নেয়।

একজন হয়তো ঘর গুছিয়ে রাখতে ভালোবাসেন, অন্যজন তেমন মনোযোগী নন। কেউ নিয়ম মেনে চলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, আবার কেউ স্বতঃস্ফূর্ত জীবনযাপনেই অভ্যস্ত। কেউ একান্ত সময়কে গুরুত্ব দেন, আবার কেউ পরিবারকে ঘিরে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। এসব পার্থক্য থেকে স্বাভাবিকভাবেই হতাশা বা খারাপ লাগা জন্ম নিতে পারে। আর সেই অনুভূতি থেকেই অভিযোগ উঠে আসে।

ধরা যাক, মেহজাবিন তার স্বামী আরিফকে বলছেন,
“আমি চেয়েছিলাম এখন থেকে পরিবারের আয়-ব্যয়ের দায়িত্ব আমি দেখব। কিন্তু তুমি জানার পরেও এই মাসে তোমার মায়ের হাতেই পুরো বেতন তুলে দিয়েছ। এতে আমি কষ্ট পেয়েছি এবং নিজেকে অবমূল্যায়িত মনে হয়েছে।”

এখানে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, তিনি একটি নির্দিষ্ট ঘটনার প্রতি তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। এটি একটি অভিযোগ, যেখানে সমস্যাটি কাজ বা আচরণকেন্দ্রিক।

কিন্তু যদি তিনি বলতেন,
“তুমি সব সময় আমাকে অবহেলা করো। তোমার কাছে আমার কোনো মূল্য নেই। তুমি একজন ব্যর্থ স্বামী।”

তাহলে এটি আর অভিযোগ থাকে না , এটি হয়ে যায় সমালোচনা। কারণ এখানে নির্দিষ্ট ঘটনার বদলে ব্যক্তির চরিত্র, যোগ্যতা এবং সামগ্রিক আচরণকে আক্রমণ করা হয়েছে।

এই পার্থক্যটি বোঝা দাম্পত্য জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগে থাকে নির্দিষ্ট আচরণ বা ঘটনার উল্লেখ, কিন্তু সমালোচনায় থাকে ব্যক্তির উপর সার্বিক নেতিবাচক মূল্যায়ন।

🟩 আরও কিছু উদাহরণ ,

★ অভিযোগ:
“আমি ভেবেছিলাম ঈদের ছুটিতে আমরা দুজন গ্রামের বাড়িতে সময় কাটাব। কিন্তু তুমি আমাকে না জানিয়েই বন্ধুদের দাওয়াত দিয়েছ। এতে আমি কষ্ট পেয়েছি এবং বিরক্ত হয়েছি।”

★ সমালোচনা:
“তুমি সব সময় এত অবিবেচক কেন? তোমাকে কিছু বলেই লাভ নেই। তুমি শুধু নিজের মতো চলতে জানো, আমার কোনো গুরুত্বই নেই তোমার কাছে।”

★ অভিযোগ:
“আজ বিদ্যুৎ বিল আর মেয়ের স্কুলের ফি দেওয়ার শেষ দিন ছিল। আমি তোমাকে গতকাল মনে করিয়ে দিয়েছিলাম, তারপরও তুমি দাওনি। এতে আমি খুব বিরক্ত হয়েছি।”

★ সমালোচনা:
“তুমি ভীষণ দায়িত্বজ্ঞানহীন। কোনো কাজ সময়মতো করতে পারো না। নিজের সন্তানের ব্যাপারেও তোমার কোনো দায়িত্ববোধ নেই।”

★ অভিযোগ:
“তুমি যদি আগে বলতে যে তুমি খুব ক্লান্ত এবং সময় দিতে পারবে না, তাহলে আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে পারতাম। এতে আমি কিছুটা অসম্মানিত বোধ করেছি।”

★ সমালোচনা:
“তুমি খুব স্বার্থপর। তুমি কখনো আমার অনুভূতির কথা ভাবো না। সব সময় আমাকে এড়িয়ে যাও।”

🟩 কেন এই পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ?

অভিযোগ সম্পর্ককে ঠিক করার একটি দরজা খুলে দেয়, কারণ এটি সমস্যা চিহ্নিত করে এবং সমাধানের সুযোগ রাখে। কিন্তু সমালোচনা সেই দরজাটি বন্ধ করে দেয়। এটি আঘাত করে আত্মসম্মানে, তৈরি করে দূরত্ব, এবং অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় তর্ক বিতর্কের জন্ম দেয়।

দাম্পত্য সম্পর্কে কর্কশ ভাষা বা আক্রমণাত্মক ভঙ্গি খুব সূক্ষ্মভাবে প্রবেশ করে, এবং অধিকাংশ সময় তা সমালোচনার আড়ালে লুকিয়ে থাকে। তাই সচেতন হওয়া জরুরি আমরা কি সমস্যার কথা বলছি, নাকি মানুষটিকেই সমস্যা বানিয়ে ফেলছি?

সুস্থ দাম্পত্য সম্পর্ক গড়ে তুলতে হলে অভিযোগ জানানোর ভাষা শিখতে হবে, কিন্তু সমালোচনা থেকে দূরে থাকতে হবে। অনুভূতি প্রকাশ করুন, কিন্তু আঘাত না করে। কারণ সম্পর্ক টিকে থাকে বোঝাপড়ায়, ভেঙে যায় অপমান ও অবজ্ঞায়।

30/04/2026

চাহিদা বাড়িয়ে ভিক্ষুকের মতো থাকার চাইতে , চাহিদা কমিয়ে রাজার মতো চলা ভাল।

30/04/2026

নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার (যাদের আমরা সাধারণভাবে স্পেশাল চাইল্ড বলি) নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমি একটি বিষয় ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্য করেছি শিশুর সামগ্রিক মানসিক গঠন, শারীরিক প্রবণতা এবং আচরণগত প্যাটার্ন একসাথে বিশ্লেষণ বিশ্লেষণ করে হোমিও ও বায়োকেমিক চিকিৎসা করলে চিকিৎসার ফল অনেক বেশি স্পষ্ট হয়। NDD বাচ্চাদের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক , বায়োকেমিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও এই চিকিৎসার সাথে সমন্বিত থেরাপীর উপর একটি সমন্বিত কাজের ধারা এখানে তুলে ধরা হলো।

এই ধরনের শিশুদের ক্ষেত্রে আমি তিনটি স্তরে মূল্যায়নকে সবচেয়ে কার্যকর পেয়েছি:

১. মানসিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য
২. শারীরিক গঠন ও জেনারেল সিম্পটম
৩. রিঅ্যাকশন প্যাটার্ন (উত্তেজনা, ভয়, সামাজিক প্রতিক্রিয়া)

এই তিনটি স্তর মিলিয়ে ওষুধ নির্বাচন করলে ধীরে ধীরে আচরণ এবং লক্ষণে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

হোমিওপ্যাথিতে প্রতিটি শিশুকে আলাদা কেস হিসেবে দেখা হয়। নিচে কিছু পর্যবেক্ষণভিত্তিক মিল তুলে ধরা হলো,

১. সামাজিক ভয় ও মানসিক ধীরগতি
যেসব শিশু,
মানুষের সাথে মিশতে চায় না
ভয় পায়, আত্মবিশ্বাস কম
শেখার গতি ধীর

( এই লক্ষণে Baryta Carbonica, Calcarea Carbonica সহ অনেকগুলো মেডিসিন পাওয়া যায়)

২. অতিরিক্ত চঞ্চলতা ও অস্থিরতা
যেসব শিশু,
এক জায়গায় বসে থাকতে পারে না
বারবার একই কাজ করে
মনোযোগ খুব কম সময় ধরে রাখতে পারে

(এই লক্ষণে Tarentula Hispania, Tuberculinum সহ অনেকগুলো মেডিসিন পাওয়া যায়)

৩. আক্রমণাত্মক বা অস্বাভাবিক আচরণ
যেসব শিশু,
হঠাৎ রাগ করে বা মারধর করে
অদ্ভুত ভয় বা দুঃস্বপ্নে ভোগে
অপ্রাসঙ্গিক আচরণ করে

(এসব লক্ষ Stramonium, Hyoscyamus সহ অনেকগুলো ওষুধ পাওয়া যায় )

৪. স্পিচ ডিলে ও যোগাযোগ সমস্যা
যেসব শিশু,
কথা বলতে দেরি করে
শব্দ উচ্চারণে সমস্যা
নিজের চাহিদা প্রকাশ করতে পারে না

(এসব লক্ষণে Calcarea Phosphorica, Natrum Muriaticum )

বায়োকেমিক চিকিৎসা মূলত শরীরের কোষীয় ভারসাম্য ঠিক রাখতে কাজ করে। আমার পর্যবেক্ষণে, হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সাথে সাপোর্টিভ হিসেবে এটি বেশ কার্যকর।

যেমন,
★ Kali Phosphoricum (Kali Phos)
মানসিক ক্লান্তি, স্নায়বিক দুর্বলতা
অতিরিক্ত উত্তেজনা বা নার্ভাসনেস

★Calcarea Phosphorica (Calc Phos)
গ্রোথ ও ডেভেলপমেন্টে সহায়ক
শেখার ধীরগতিতে কার্যকর

★ Magnesia Phosphorica (Mag Phos)
স্নায়বিক উত্তেজনা ও স্পাজম কমাতে সাহায্য করে

★ Natrum Muriaticum (Nat Mur)
ইমোশনাল ইমব্যালান্স ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতায় সহায়ক

সাধারণত 6X বা 12X পোটেন্সিতে দিনে ২–৩ বার দেওয়া হয়, তবে কেস অনুযায়ী পাওয়ার এবং ওষুধ পরিবর্তন হয়। অনেক সময় একের অধিক অষুধ দেওয়া হয় ।

নিচে NDD বাচ্চাদের অস্বাভাবিক লক্ষণের চিকিৎসার ধারাবাহিক পদ্ধতি আমার অভিজ্ঞতার আলোকে দেওয়া হলো,

★ প্রথম ধাপ: সম্পূর্ণ কেস টেকিং (আচরণ, অভ্যাস, পারিবারিক ইতিহাস)
★ দ্বিতীয় ধাপ: একটি প্রধান হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নির্বাচন
★ তৃতীয় ধাপ: সাপোর্টিভ হিসেবে ১–২টি বায়োকেমিক সল্ট যোগ করা
★ চতুর্থ ধাপ: প্রতি ৪–৬ সপ্তাহে অগ্রগতি মূল্যায়ন
★ স্পেশাল স্কুল এবং সহায়ক থেরাপি চালু রাখা ,

এক্ষেত্রে,
উন্নতি সাধারণত ধীরে হয়, কিন্তু ধারাবাহিক হলে স্থায়ী হয়, চিকিৎসার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সময় দিতে হয়।
শিশুর লক্ষণ এর উপর ভিত্তি করে হোমিও ওষুধ দেওয়া ।
প্রতিটি শিশুর প্রতিক্রিয়া আলাদা একই ওষুধ সবার ক্ষেত্রে কাজ করে না

এই পুরো প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যক্তিকেন্দ্রিক বিশ্লেষণ । হোমিওপ্যাথিক ও বায়োকেমিক চিকিৎসা সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে শিশুর আচরণ, মনোযোগ এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়ায় ধীরে ধীরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব ।

এই পদ্ধতিকে আমি একটি দীর্ঘমেয়াদি, ধৈর্যনির্ভর এবং সূক্ষ্ম সমন্বয়ের কাজ হিসেবে দেখি, যেখানে প্রতিটি ছোট পরিবর্তনই ভবিষ্যতের বড় উন্নতির ভিত্তি তৈরি করে।

নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একটি বিষয় খুব পরিষ্কারভাবে বুঝতে পেরেছি, হোমিও ও বয়কেমিক ওষুধের সাথে সঠিক থেরাপির সমন্বয় করলে পরিবর্তনগুলো অনেক বেশি কার্যকর হয়। নিচের থেরাপিগুলো নির্দিষ্ট উপসর্গ ও আচরণগত সমস্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

🟩 কাউন্সেলিং (Counseling)
★কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন:
শিশুর আচরণ হঠাৎ পরিবর্তন হওয়া
অতিরিক্ত রাগ, ভয় বা উদ্বেগ
সামাজিক পরিবেশে মানিয়ে নিতে সমস্যা
অভিভাবকদের মানসিক চাপ, বিভ্রান্তি বা হতাশা

★ কীভাবে সাহায্য করে:
কাউন্সেলিং মূলত শিশুর পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্যও একটি গাইডলাইন তৈরি করে। এখানে থেরাপিস্ট শিশুর আচরণ বিশ্লেষণ করে এবং অভিভাবকদের শেখায়,
কীভাবে শিশুর সাথে যোগাযোগ করতে হবে
কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দিতে হবে
কীভাবে রুটিন তৈরি ও বজায় রাখতে হবে

যেসব পরিবারে কাউন্সেলিং নিয়মিতভাবে করা হয়, সেখানে শিশুর আচরণগত উন্নতি তুলনামূলকভাবে দ্রুত এবং স্থিতিশীল হয়। কারণ অভিভাবকের প্রতিক্রিয়া সঠিক হলে শিশুর শেখার প্রক্রিয়া সহজ হয়।

🟩 সাইকোথেরাপি (Psychotherapy)
★ কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন:
ইমোশনাল সমস্যা (ভয়, উদ্বেগ, হতাশা)
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে না পারা
ট্রমা বা অতীত অভিজ্ঞতার প্রভাব
অটিজম বা ADHD-তে ইমোশনাল রেগুলেশন সমস্যা

★কীভাবে সাহায্য করে:
সাইকোথেরাপি শিশুর মনের ভেতরের আবেগগুলো বোঝা এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করার উপর কাজ করে। বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করা হয়, যেমন

ইমোশন চেনা ও প্রকাশ করা
ধীরে ধীরে ভয়ের সাথে মানিয়ে নেওয়া
নিজের আচরণ বোঝা ও নিয়ন্ত্রণ করা

ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অনেক সময় খেলা, ছবি আঁকা বা গল্পের মাধ্যমে করা হয়, যাতে তারা সহজে নিজেদের প্রকাশ করতে পারে।

🟩অভিভাবক-কেন্দ্রিক সাইকোএডুকেশন (Psychoeducation)
★কেন গুরুত্বপূর্ণ:
আমার অভিজ্ঞতায়, অনেক সময় শিশুর উন্নতি বাধাগ্রস্ত হয় শুধুমাত্র অভিভাবকের ভুল বোঝাবুঝির কারণে।

★ কীভাবে সাহায্য করে:
অভিভাবককে শিশুর অবস্থা সম্পর্কে বাস্তবসম্মত ধারণা দেয়।
অপ্রয়োজনীয় ভয় ও ভুল প্রত্যাশা কমায়
সঠিক আচরণগত কৌশল শেখায়

যখন অভিভাবক পরিস্থিতি বুঝে সঠিকভাবে সাপোর্ট দিতে পারেন, তখন চিকিৎসা ও থেরাপির ফলাফল অনেক বেশি কার্যকর হয়।

🟩 স্পিচ থেরাপি (Speech Therapy)
★ কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন:
কথা বলতে দেরি (Speech Delay)
শব্দ উচ্চারণে সমস্যা
নিজের চাহিদা প্রকাশ করতে না পারা
অটিজমে কমিউনিকেশন গ্যাপ
খাবার গিলতে অসুবিধা

★ কীভাবে সাহায্য করে:
স্পিচ থেরাপি শিশুর ভাষা বোঝা (receptive language) এবং ভাষা প্রকাশ (expressive language) ,দুই দিকেই কাজ করে। নিয়মিত সেশন এবং বাড়িতে অনুশীলনের মাধ্যমে শিশুর শব্দ ব্যবহার, চোখে চোখ রেখে কথা বলা এবং ইন্টারঅ্যাকশন ধীরে ধীরে বাড়ে।

হোমিওপ্যাথিক ওষুধের সাথে স্পিচ থেরাপি যুক্ত করলে অনেক ক্ষেত্রে শব্দ শেখার গতি বাড়তে দেখা যায়।

🟩 অকুপেশনাল থেরাপি (Occupational Therapy)
★কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন:
দৈনন্দিন কাজ (খাওয়া, পোশাক পরা) করতে সমস্যা
ফাইন মোটর স্কিল দুর্বল (হাতের কাজ, লেখা)
সেন্সরি সমস্যা (শব্দ, আলো, স্পর্শে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া)

★ কীভাবে সাহায্য করে:
অকুপেশনাল থেরাপি শিশুর দৈনন্দিন জীবন দক্ষতা (daily living skills) এবং সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন উন্নত করে। বিভিন্ন এক্সারসাইজ ও অ্যাক্টিভিটির মাধ্যমে মস্তিষ্ক ও শরীরের সমন্বয় বাড়ানো হয়।

🟩 প্লে থেরাপি (Play Therapy)
★ কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন:
সামাজিক যোগাযোগে অনাগ্রহ
ইমোশনাল এক্সপ্রেশন কম
একা থাকতে পছন্দ করা
অটিজম বা আচরণগত সমস্যা

★ কীভাবে সাহায্য করে:
খেলার মাধ্যমে শিশুর মনের ভেতরের অনুভূতি প্রকাশ পায়। থেরাপিস্ট শিশুর সাথে নির্দিষ্ট গেম বা অ্যাক্টিভিটির মাধ্যমে যোগাযোগ তৈরি করে, যা ধীরে ধীরে সামাজিক দক্ষতা ও ইমোশনাল বোঝাপড়া বাড়ায়।

🟩ফিজিওথেরাপি (Physiotherapy
★কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন:
গ্রস মোটর স্কিল দুর্বল (হাঁটা, বসা, দৌড়ানো)
সেরিব্রাল পালসি বা মাংসপেশির দুর্বলতা
শরীরের ব্যালেন্স ও কো-অর্ডিনেশন সমস্যা

★কীভাবে সাহায্য করে:
ফিজিওথেরাপি শরীরের পেশি শক্তিশালী করে এবং চলাফেরার দক্ষতা উন্নত করে। ব্যালেন্স, পোস্টার এবং মুভমেন্ট কন্ট্রোল বাড়ানোর মাধ্যমে শিশুর স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

🟩 বিহেভিয়ারাল থেরাপি (Behavioral Therapy)
★কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন:
অতিরিক্ত রাগ বা আক্রমণাত্মক আচরণ
একই কাজ বারবার করা (repetitive behavior)
নির্দেশ না মানা
ADHD বা অটিজম

★কীভাবে সাহায্য করে:
এই থেরাপিতে পজিটিভ রিইনফোর্সমেন্ট (positive reinforcement) ব্যবহার করে ভালো আচরণ বাড়ানো এবং খারাপ আচরণ কমানো হয়। ধাপে ধাপে শিশুকে কাঙ্ক্ষিত আচরণ শেখানো হয়।

🟩সেন্সরি ইন্টিগ্রেশন থেরাপি (Sensory Integration Therapy)
★কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন:
শব্দ, আলো বা স্পর্শে অতিরিক্ত বা কম প্রতিক্রিয়া
অস্বাভাবিক আচরণ (যেমন: কান ঢেকে রাখা, ঘুরতে থাকা)

★কীভাবে সাহায্য করে:
এই থেরাপি শিশুর মস্তিষ্ককে বিভিন্ন সেন্সরি ইনপুট সঠিকভাবে প্রসেস করতে শেখায়। ধীরে ধীরে সংবেদনশীলতা কমে এবং আচরণ স্বাভাবিক হয়।

হোমিওপ্যাথিক ও বায়োকেমিক চিকিৎসার পাশাপাশি উপযুক্ত থেরাপি নির্বাচন করলে শিশুর উন্নতি অনেক বেশি সুসংগঠিত হয়। প্রতিটি থেরাপি একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করে, এবং এগুলো একসাথে শিশুর সার্বিক বিকাশে সহায়তা করে।
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, বায়োকেমিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ডাক্তার।
থেরাপিউটিক কাউন্সেলর ।

Training in Therapeutic Counselling – Department of Clinical Psychology, University of Dhaka

Training in CBT for Depression – Department of Clinical Psychology, University of Dhaka

Certificate in Child Counselling (India)

PGD in Applied Psychology
(Western State University, California)

Adv. Certificate in Disability, Autism & Inclusive Education (ACDAIE) – IER, University of Dhaka

Training in Disability Management
& Special Education ( Management of Children with Autism and Other Neurodevelopmental Disorders ) – Proyash Savar Area , Savar Cantonment, Dhaka.

B.Ed, M.Ed, BA (Hons),
MA – Jahangirnagar University

মোবাইল:
01972859950,
01712859950

ওয়েবসাইট:
www.faijulhuq.com
www.faijulhuq.info

🟩 যেসব পেশাগত সেবা প্রদান করা হয়:

★ প্রাপ্তবয়স্কদের যৌন সমস্যা , মনোযৌন সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্য ও সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শ।
★ কিশোর-কিশোরীর বয়ঃসন্ধিকালীন সমস্যা ও যৌনশিক্ষা পরামর্শ।
★ রিলেশনশিপ ও কাপল কাউন্সেলিং , ম্যারিটাল ইস্যু ম্যানেজমেন্ট।
★ স্ট্রেস, ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি ম্যানেজমেন্ট (CBT-ভিত্তিক গাইডেন্স)।
★ আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং দৈনন্দিন জীবনের মানসিক চাপ সামলানোর জন্য বিশেষ পরামর্শ। মানসিক সুস্থতার জন্য থেরাপিউটিক সেবা।
★ শিশুর আচরণগত সমস্যা (Behavioral Issues) ও চাইল্ড কাউন্সেলিং।শিশুদের জেদ বা স্কুলভীতি দূর করতে বিশেষ কাউন্সেলিং।
★ প্যারেন্ট কাউন্সেলিং (Parenting Guidance & Support)
★ ​বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের লালন-পালন ও বিকাশে অভিভাবকদের জন্য পরামর্শ।ইনক্লুসিভ এডুকেশন ও বিহেভিয়ার ম্যানেজমেন্ট গাইডেন্স।
★শিশুদের শেখার সমস্যা (Learning Difficulty), ADHD, Autism, NDD সম্পর্কিত অভিভাবক নির্দেশনা। লার্নিং ডিজ্যাবিলিটি বা শিখনে অক্ষম শিশুদের জন্য বিশেষ শিক্ষা পদ্ধতি ও কৌশল নির্ধারণ।
★ অটিজম, এডিএইচডি (ADHD) এবং NDD / অন্যান্য স্নায়ুবিক বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও দিকনির্দেশনা।
★ প্রাকৃতিক চিকিৎসা ও হোমিও,বায়োকেমিক,ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ওষুধ দিয়ে শারীরিক ও মানসিক সকল রোগের চিকিৎসা করা হয়।

🟩 আমার সাথে ফোনে কথা বলে চিকিৎসা পরামর্শ নিতে চাইলে , প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টার মধ্যে 01712859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলতে পারবেন।

অথবা

📱 WhatsApp-এ পরামর্শ নিতে পারবেন । 01712-859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে ।

আপনার বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, আপনার জন্য পরামর্শ দিয়ে দেবো । ভয়েস মেসেজ দিবেন না ।

⚠ সতর্কতা:
কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে! আমাদের মোবাইল নাম্বার:
01972859950,
01712859950
এই দুইটা নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন।

আমার ছবি , নাম অথবা ভিডিও থাকলেও যদি এই দুইটি মোবাইল নাম্বার না থাকে তাহলে মনে করবেন যে এরা আমার ছবি এবং নাম ও ভিডিও দিয়ে প্রতারণা করছে। এরা প্রতারক।

#স্পেশাল_চাইল্ড
#নিউরোডেভেলপমেন্টাল_ডিজঅর্ডার
#অটিজম_সাপোর্ট
#শিশুর_আচরণ_উন্নয়ন
#হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা
#বায়োকেমিক_মেডিসিন
#প্রাকৃতিক_চিকিৎসা
#শিশুর_মানসিক_উন্নয়ন
#প্যারেন্টিং_গাইড
#স্পিচ_থেরাপি
#অকুপেশনাল_থেরাপি
#প্লে_থেরাপি
#ফিজিওথেরাপি
#কাউন্সেলিং
#সাইকোথেরাপি













29/04/2026

রোগীদের জন্য নোটিশ
বুধবার (২৯/০৪/২০২৬)
দুপুর ২ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

বৃহস্পতি বার (৩০/০৪/২০২৬)
দুপুর ১ টা থেকে দুপুর ২:৩০ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

শুক্রবার (১/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

শনিবার (২/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ড চেম্বারে রোগী দেখব।

রবিবার (৩/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ড চেম্বারে রোগী দেখব।

সোম বার(৪/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

মঙ্গল বার (৫/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

বুধবার (৬/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

বৃহস্পতি বার (৭/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২:৩০ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

শুক্রবার (৮/০৫/২০২৬)
সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

শনিবার (৯/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ড চেম্বারে রোগী দেখব।

রবিবার (১০/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ড চেম্বারে রোগী দেখব

সোম বার(১১/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

মঙ্গল বার (১২/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

বুধবার (১৩/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

বৃহস্পতি বার (১৪/০৫/২০২৬)
সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২:৩০ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

শুক্রবার (১৫/০৫/২০২৬)
সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ধামরাই ইসলামপুর চেম্বারে রোগী দেখব।

Address

Dr. Md. Faijul Huq, A-38/1, Islampur (Ambagan), Dhamrai
Dhaka
1350

Telephone

+8801712859950

Website

http://www.faijulhuq.info/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক:

Share

Category