08/06/2017
দক্ষিন আফ্রিকার ঔষধি রুইবোজ লাল ও সবুজ চা এবং প্রসাধনী দ্রব্য।
(উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর, প্রকারভেদে সাধারনের জন্যও স্বাস্থকর,ঔষধি পানীয় ও প্রসাধনী দ্রব্য)
(ঔষধ নয়, তবে ভেসজ ঔষধি, পুষ্টি ও ভিটামিন সি সহ স্বাস্থকর এবং বহু রোগ নিরাময়কারী ও প্রতিষেধক হালাল কোমল পানীয়)
অন্তর্ভুক্ত উপাদান সমুহঃ আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, কপার, ফ্লোরাইড, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম, আলফা হাইড্রসি এসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আস্পালাথিন, নথোফাজিন, অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরী, অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-মিউটাজেনিক, কোয়ারেসেটিন, এবং বায়োফ্লেভানয়েড সহ আরও অনেক শক্তিশালী উপাদান।
সাধারন চা এর অতিরিক্ত উপকারিতা সমুহঃ ( জটিল ও স্থায়ী রোগ সমুহে, এই চা, অনেক দিন ধরে এবং পরেও মাঝে মাঝে অথবা নিয়মিত পান করতে হয়। আপনি, যেহেতু চা পান করেনই, সেহেতু, অনেক বেশী উপকারী এবং ক্যাফেইন মুক্ত,এই চা ই পান করুন)
ক্যাফেইন মুক্ত, লাল এবং সবুজ উভয় প্রকার চা এর উপকারিতা একইরকম। তবে, সবুজ চা এর উপকারিতা, অনেক বেশী।উভয় প্রকার চা ই হাপানী, সর্দি, কাশী, ব্রন, একজিমা, এলার্জি, ফুসকুড়ি, মেশতা, ফাংগাস সৃষ্ট চর্ম রোগ–চুলকানি, নিদ্রাহীনতা,মাইগ্রেইন, বিরক্তিকর মাথাব্যাথা, বমি,পেটের ব্যাথা, ডায়রিয়া,আলসার, বুকজ্বালা, কোষ্ঠ কাঠিন্য, মুখের ঘা ও দুর্গন্ধ ইত্যাদি দূর করে এবং হজম শক্তি ও ক্ষুধা বাড়ায়।গুরুপাক খাবার খাওয়ার পরে এক পূর্ণ গ্লাস চা পান করুন. আপনার হজম সহজ হবে|
গেটে বাত, জমাট কাধের সহ সাধারন কাধের ব্যাথা,সাধারন আঘাত এবং ব্যায়াম ও বাস, লরি, রিকশা ইত্যাদি চালানো পরবর্তী শরীরের ব্যাথা, মচকা ব্যাথা, দেহ ও মনের ক্লান্তি দূর করে।স্পন্ডিলাইটিস ব্যাথা কমায়/দুর করে।
এই চা নিয়মিত, বেশ কয়েক কাপ, পান করলে প্রতি মাসে, এক কেজি পর্যন্ত, মেদ ও ভুঁড়ি কমিয়ে, দেহের ওজন কমায়।
মেটফরমিনের মত ব্লাড সুগার কমায়। ক্যান্সার, টিউমার ও আঁচিল সংকোচন করে, তবে নিশ্চিহ্ন করেনা, নতুন কোষ সৃষ্টিও বন্ধ করেনা।
উচ্চ রক্তচাপ ও কলেস্টেরল কমিয়ে, হৃদপিণ্ডে ব্লকের ঝুকি কমায়। প্রস্রাবের গতি সহজ এবং রঙ স্বচ্ছ করে।
আয়রন আত্মীকরনে সহায়তা করে।মহিলাদের অন্তস্বত্বা অবস্থায় বমি বন্ধ করে, রক্ত বাড়াতে সহায়ক হয়।অকাল বার্ধক্য কমায়, ত্বক ও চূল উজ্জ্বল করন সহ চুল লম্বা করে। হৃদ রোগ, পারকিনসন,আলঝাইমার প্রতিরোধ করে, মস্তিষ্কের ও স্নায়ুতন্ত্রের কোষ ধ্বংস কমিয়ে জীবন কাল বাড়ায়।শরীরের হাড় ও দাঁত মজবুত করে।অপারেশন পরবর্তী ব্যাথা অনেকটা কমিয়ে রাখে।প্যারালাইসিস এর মাত্রা কিছুটা কমায়।চোখের পাতায় ঠাণ্ডা রস লাগালে/ প্রলেপ দিলে, দীর্ঘ সময় কম্পিউটার ব্যবহার করায় বা অন্য কারনে সৃষ্ট চোখের ব্যাথা দূর হয়।
নিয়মিত ব্যবহারে মাথার ও ত্বকের খুস্কি দূর হয়, চুল পরা কিছু কমে, কিছু নতুন চুলও গজায়।এইচ আই ভি সহ স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারীতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।বার্ধক্য জনিত ত্বক কুঁচকানো কমায়। ফুসদুস ও লিভারের কার্যকারীতা বাড়ায়।হৃদ রোগের আক্রমন অনেকটা প্রতিরোধ করে।
মহিলাদের অনিয়মিত মাসিকে অধিক রক্তক্ষরন ও ব্যথা কমায়।নিসন্তান দম্পতিদের প্রায় ৪০% পুরুষই অনুর্বর, তাদের সহ সকল পুরুষেরই স্বাস্থকর স্পার্ম সৃষ্টি বাড়িয়ে সন্তান জন্মদান/প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায়।অনুর্বর মহিলদেরও কিছুটা উর্বরতা বাড়ায়।পা এর তলায় এই চা এর ঠাণ্ডা রসের প্রলেপ দিলে পা এর তলার ঘাম, মোজা ও পা এর দুর্গন্ধ দূর হয়।একই ভাবে, হাতের তালুতে লাগালে, তালুর চামড়া ওঠা দূর হয়।সবুজ চা ১৫ মিনিট জ্বাল দিয়ে, ঠাণ্ডা করে পরিস্কার চুলে লাগালে চুল উজ্জ্বল ও লম্বা হয়। তৎক্ষেত্রে, লাগাবার ১০/১৫ মিনিট পরে সালফেট মুক্ত শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফে্লে, আপনার পছন্দের কনডিশনার লাগালে উপকার বেশী পাবেন। লাল / সবুজ উভয় প্রকার চা এর রস ঠাণ্ডা আকারে ত্বকে লাগালে, মশা, পোকা মাকড়ের কামড় পরবর্তী জ্বালা দূর হয়। এই চা এর ব্যবহৃত ব্যাগ / গুড়ো ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে ত্বকে চেপে ধরলে, ত্বক পোড়ার জ্বালা কমে এবং লাল দাগ দূর হয়।
দাঁতের ব্যাথাঃ চিনি ছাড়া প্রস্তুত, এই চা দিয়ে, দিনে ১/২ বার দাঁত ব্রাশ করলে আপনার দাঁত মজবুত থাকবে এবং দাঁতের সাধারন ব্যথা দূর হবে|
কোষ্ঠকাঠিন্য / অর্শ রোগ কমাতে একইরূপ চা এর রস, ‡gডিক¨vল গ্রেড কোন পিচকারী/ সিরিঞ্জ এর সুই ফেলে দিয়ে স্যালাইন দেয়ার পাইপ /ক্যাথিটার, এক/ দেড় ইঞ্চি মত মসৃণ করে কেটে সুই এর স্থলে লাগিয়ে, একটু ভ্যাজেলিন / ক্রীম মেখে, পায়খানার রাস্তায় প্রবেশ করিয়ে, ২/৩ সিসি/এমএল পুশ করুন ! প্রতিদিন একবার / দুইবার এরূপ করলে কিছুদিনের মধ্যে অনেক মুক্ত হবেন| ফার্মেসিতে প্রাপ্ত জেলি / মলম এর চেয়ে এই চা এর রস ধীর কার্যকর, তবে ইহা, নাম মাত্র মুল্যের এবং সুখাদ্য হওয়ায়, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া না থাকায় ব্যবহার করা যায়। তবে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে কখনও এ কাজটি করবেননা 1
পায়ের ও হাতের নখের ফাংগাল (ছত্রাক) সংক্রমনে কিছু দিন এই চা এর রস তুলায় ভিজিয়ে বা হাত দিয়েই প্রলেপ দিলে দূর হবে ,ভালো অবস্থায় মা‡ঝ মা‡ঝ প্রলেপ দিলে সংক্রমন মুক্ত থাকবেন|
সকল ক্ষেত্রেই, শিশুদের জন্যও এই চা সমান উপকারী এবং পুষ্টি সম্পুরক। যদিও বংশানুক্রমিক, তবুও এই চা এ আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকায়, শিশুদেরকে এই চা পান করানো সহ ভিটামিন ‘এ’ ও ‘প্রোটিন’ খাওয়ানো সহ নিয়মিত সুনিদ্রা ও সাইকেল চালানো সহ শরীর চর্চার ব্যাবস্থা করলে, শিশুদের উচ্চতা বাড়ে। হজম শক্তি বাড়িয়ে শিশুদের লালা পরা, বমি, পেটের ব্যথা, অন্য কিছু ব্যাথা সহ ডায়রিয়া দূর করে।
একইভাবে, উভয় প্রকার চা এর ঘন রসই ঠাণ্ডা আকারে একটি উত্তম আফটার সেভ লোশন।
পুরুষ ও মহিলা গন মুখমণ্ডল সহ শরীরের অন্যন্য অংশের ত্বকে ঐরূপ রস লাগালে বা পানিতে মিশিয়ে স্নান করলে, ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল ও ত্বকের চুলকানি দূর হয়, রোদে পোড়া ত্বকের কাল দাগও দূর হয়।
ফুসকুড়ি, ব্রন, ফাঙ্গাস সৃষ্ট চর্ম রোগ, চুলকানি, মেশতা ও একজিমার ক্ষেত্রে গরম পানিতে রস বের করে, ঠাণ্ডা করে দিনে দুই তিন বার প্রলেপ দিবেন।এই রূপ করা কালে ২/১ কাপ চা পান করলে আরও ভাল হয়।
সুনিদ্রা বা ভাল ঘুমের জন্য, ঘুমানোর পূর্বে,পূর্ণ এক কাপ চা পান করলে সুনিদ্রা হবে। ক্যাফেইন মুক্ত হওয়ায় এই চা দৈনিক ২/৩,৫/৭ বা অতিরিক্ত পান করায়ও কোন বাঁধা নেই।
প্রস্তুত ও ব্যাবহার প্রনালীঃ সাধারন চা এর মত। লাল এবং সবুজ চা এর দেড় গ্রাম/ কম বেশী এক চা চামচ গুড়ো ( বেশী পরিমান গুড়ো ব্যবহার, প্রস্তু্তকৃত চা এর স্বাদ ও উপকারিতা বাড়ায়)গরম পানিতে, লবঙ্গ, আদা, দারুচিনি,এলাচ,লেবু ইত্যাদি সহ বা ছাড়াই, ৫/৭ মিনিট জ্বাল দিয়ে ( বা গরম / ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে) রস বের করে, উহার সাথে দুধ,চিনি মিশিয়ে বা ছাড়াই, গরম, ঠাণ্ডা আকারে বা বরফ দিয়েও পান করা যায়। জোড়া টি ব্যাগ এর একটিতে ১/২ কাপ চা হয়।প্রথম বার চা করার পরও ভিজিয়ে লাল রঙ বের হলে, তাও পান করা যাবে। মশলা, ফ্লেভার, মধু, চিনি মিশ্রিত তাৎক্ষনিক গরম পানিতে ব্যাবহার যোগ্য চা ও পাওয়া যায়। লাল ও সবুজ চা, যথাক্রমে লাল ও হাল্কা লাল হবে। শুধু চা, কম স্বাদের হবে,তবে উপকারিতা একই থাকবে।
পান করা ছাড়া, অন্য কাজে ব্যবহার করতে কোন মশলা দিবেন না।
রুইবোজ প্রশাধনীঃ শুধু চা এর রস যে কোন সময় ব্যবহার করা যাবে। তবে, রঙ ফর্সা করার ক্রীম, স্নো, অন্য সকল দামী প্রসাধনীর মতই একনাগাড়ে অনেক দিন বা রোদে ব্যবহার করবেন না। কারন,”চর্মের রং ফর্সাকারী কসমেটিকস এ সাংঘাতিক ক্ষতিকর steroids, hydroquinone, and tretinoin ইত্যাদি থাকে। অধিক কাল ঐসবের ব্যাবহার, চর্মাদির স্বাভাবিক রং ও মসৃণতা নষ্ট করে, চর্মের ক্যান্সার, লিভার ধ্বংস সহ মার্কারি বিষ ক্রিয়া এবং আরও অনেক ক্ষতি হতে পারে। ঐসব মেখে কখনো রোদে যাবেন না, গেলে ক্ষতি অনেক বেশী হবে”। বরং,রুইবোজ প্রসাধনীতে ঐসব, একটু কমই থাকে। কারন রুইবোজ এর রসই বেশ কিছুটা ফর্সাকারী হিসাবে কাজ করে। তবে শুধু রুইবোজ এর রস, কোন প্রতিক্রিয়া ছাড়াই রোদ সহ সর্বত্রই চর্মকে উজ্জ্বল ও আর্দ্র রাখে।
রুইবোজ ক্রীম, স্নো, ব্যবহারে ত্বক মসৃণ, রঙ উজ্জ্বল ও ত্বকের চুলকানি, রোদে পোড়া ত্বকের কালো দাগ দূর হয়।
সতর্কতাঃ স্তন ক্যান্সার, জন্ডিস, এবং লিভার ও কিডনি খারাপ হলে এই চা পান করবেননা।অন্যন্য কান্সারেও কেমো থেরাপি গ্রহন কালে পান করা যাবেনা।পরবর্তিতেও ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া পান করবেন না। তবে, কিডনি স্টোন এর বেলা কোন বাঁধা নেই। কখনোই, রুইবোজ চর্মের রং ফর্সাকারী কসমেটিকস ও একাদিক্রমে অধিক কাল ব্যবহার করবেনা। মধ্যবর্তী অধিকাংশ সময়ে রুইবোজ চা এর রস ব্যবহার করবেন।
যদিও, নিতান্তই বিরল, তবুও কোণ ক্ষেত্রে, এলার্জি, বুকজ্বালা/ ব্যাথা/ কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।কোষ্ঠকাঠিন্য এর বেলা, ইসব গুলের ভুষি ব্যবহার করতে পারেন।উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিজের ক্ষেত্রে, চিকিৎসা রত রোগীগণ এই চা পান করলে, ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ঔষধ /ইন্স্যুলিন এর পরিমান প্রয়োজন মত সমন্বয় করে নিবেন।অন্য কোন অসুবিধা দেখা দিলেও, চা পান বন্ধ রেখে, ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।
--------------------------------------------------------------------------------------------------
Certifications: Registered in the South Africa, approved by the USDA (US Deptt. of Agriculture) as a Herbal medicinal beverage. Similarly, certified by EU, HOP, JAS, Korea, Kosher, Halal, Fair-trade, Rainforest, UTZ and Heart Mark. The same is accepted worldwide. Above literature is a short summary of the research findings of the US, Japanese and European Scientific and Medical Institutions. For details, please go through the concerned WEB Sites.
--------------------------------------------------------------------------------------
তথ্য, অভিযোগ ও হোম ডেলিভারি কেন্দ্রঃ ০১৭১১-৪৬১৫৬১, ০১৯৬৯-৬০৪৮০২, cape.rooibos.tea@gmail.com
মুল্য ফেরত প্রসঙ্গেঃ প্রথম বার ক্রয়ের পরে ৩/৪ টি ব্যাগ বা ১০/১২ গ্রাম গুড়ো ব্যবহার করে, প্রত্যয়যোগ্য উপকার না পেলে, বাকি মাল অক্ষত অবস্থায় ফেরত দিলে, পূর্ণ মুল্য ফিরিয়ে দেয়া হবে।
• সাধারন চা বা কফি পান করার মাধ্যামে যারা ক্ষতিকর মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহনে আসক্ত,তারা এই চা পান করলে, ক্যাফেইন এর অভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ভুগতে পারেন, তৎক্ষেত্রে তাঁরা প্রতিদিন এই চা এর সংগে কিছু কফি বা সাধারন চা মিশিয়ে, পান করতে করতে, কাফেইন আশক্তি দূর করতে সক্ষম হবেন।
______________________________________________________