Mahin Homoeo Medical

Mahin Homoeo Medical "হোমিওপ্যাথি রোগ নয়, রোগীর চিকিৎসা করে" হোমিওপ্যাথি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ চিকিৎসা ব্যবস্থা।

ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ অনেক ধরনের হতে পারে এবং এটি শরীরের কোন অংশে ক্যান্সার হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে। তবে সাধারণভাব...
07/04/2026

ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ অনেক ধরনের হতে পারে এবং এটি শরীরের কোন অংশে ক্যান্সার হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে। তবে সাধারণভাবে কিছু সতর্কতার লক্ষণ আছে যা মানুষকে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের জন্য সতর্ক করে। এগুলো হল:-

সাধারণ প্রাথমিক লক্ষণ

1. অস্বাভাবিক গাঁঠা বা ঘা:-

দেহের যেকোনো অংশে নতুন গাঁঠা, ফুলে যাওয়া, বা আঁচিল ধরা।

মুখ, গলা, স্তন, বা testicle–এ বিশেষ করে লক্ষ্য করা জরুরি।

2. অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ বা স্রাব:-

পায়খানা বা প্রস্রাবে রক্ত।

মাসিক ঋতুর বাইরে রক্তপাত।

কাশি বা বমিতে রক্ত।

3. দীর্ঘস্থায়ী খিঁচুনি বা ব্যথা:-

পিঠ, পেট, হাড় বা জয়েন্টে ব্যথা যা দীর্ঘ সময় ধরে থাকে।

4. অজানা ওজন কমে যাওয়া বা ক্ষুধা কমা:-

এক মাসের মধ্যে হঠাৎ অনেক ওজন কমা।

5. ত্বকের পরিবর্তন:-

কালচে দাগ, নতুন মোল বা ফুসকুড়ি, রঙ পরিবর্তন।

6. দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা শ্বাসকষ্ট:-

দুই সপ্তাহের বেশি কাশি বা কফে রক্ত থাকা।

7. হজমের সমস্যা বা পেটে ভরাট লাগা:

দীর্ঘস্থায়ী বদহজম, পেটে ফুলে যাওয়া, বা বমি ভাব।

8. সতর্কতার অন্যান্য লক্ষণ:-

শ্বাসকষ্ট, ধমকানো, গলার কণ্ঠে পরিবর্তন।

চলাফেরায় সমস্যা বা অসাধারণ ক্লান্তি।

💡 মহত্বপূর্ণ: এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে তা অবশ্যই ক্যান্সার মানে নয়, কিন্তু দ্রুত ডাক্তার বা Oncologist-এর সাথে দেখা করা জরুরি। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে ক্যান্সারের চিকিৎসা অনেক বেশি কার্যকর হয়।
©

💪 বয়স কমিয়ে রাখতে চান!  #-  #কোলাজেল বাড়াতে,  #পালনীয় ও সহায়ক হোমিওপ্যাথিক রেমিডি-৬ টা অভ্যাসেই কোলাজেন বাড়বে প্রাকৃতিক...
07/04/2026

💪 বয়স কমিয়ে রাখতে চান! #-
#কোলাজেল বাড়াতে, #পালনীয় ও সহায়ক হোমিওপ্যাথিক রেমিডি-

৬ টা অভ্যাসেই কোলাজেন বাড়বে প্রাকৃতিকভাবে,
কোলাজেন বাড়লেই স্কিন হবে টানটান, গ্লোইং! চুল পড়া কমবে।
এই

২৫ বছরের পর থেকে কোলাজেন কমতে শুরু করে .. তারুণ্যের চাবিকাঠি — কোলাজেন বৃদ্ধি কিন্তু, কোলাজেন বাইরে থেকে না খেয়েও শরীরেই প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করানো যায় .. কি খেলে, কি কি ত্বকে ব্যবহার করলে, কখন–কতক্ষণ সবটা নিন্মে-

★ কোলাজেন বাড়লে পাবেন-

১. ত্বক টানটান।
২. বলিরেখা থাকে না।
৩. চুল ঘন ও মজবুত থাকে।
৪. হাড়–জয়েন্ট শক্ত থাকে।
৫. স্কিনে ন্যাচারাল গ্লো থাকে।

🟢 কোলাজেন বাড়াতে কী খাবেন-

৯০% মানুষ জানেই না শুধু বাইরে থেকে ক্রিম নয়—ভেতর থেকে কোলাজেন বাড়ালেই স্কিন নিজে নিজেই ইয়াং দেখাবে। তাই —

★ সকাল (খালি পেটে)

ক. ১ গ্লাস কুসুম গরম জল + ½ লেবুর রস
এটি ভিটামিন C কোলাজেন তৈরিতে সবচেয়ে জরুরি
খ. চাইলে সপ্তাহে ৩ দিন খান, অন্য ৩ দিন আমলা জুস 20–30 ml, আর বাকি ১ দিন হালকা গরম জল খান

★ সকালে নাস্তার সাথে-

পেয়ারা, কমলা / লেবু, পেঁপে, স্ট্রবেরি —
➡️ এগুলো ভিটামিন C ভরপুর থাকে, তাই এগুলি খেতে শুরু করুন

★ দুপুরে-

ডাল, সয়াবিন, ছোলা, বাদাম ৫–৬টা —
➡️ অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, কোলাজেন তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্ব অনেকখানি..

★ রাতে-

কুমড়োর বীজ / সূর্যমুখীর বীজ ১ চামচ
গ্রিন টি (চিনি ছাড়া)

♦️ যেগুলো কোলাজেন নষ্ট করে —

1.বেশি চিনি।
2.সফট ড্রিংক।
3.ভাজা খাবার।
4.ধূমপান।

🟢 কোলাজেন বাড়াতে কী মাখবেন-

★ রাতে (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)-

১. অ্যালোভেরা জেল সঙ্গে ২ ফোঁটা ভিটামিন E ক্যাপসুল দিয়ে হালকা ফেস ম্যাসাজ 3–5 মিনিট ।উপরের দিকে ম্যাসাজ, এতে রক্ত চলাচল বাড়ে। কোলাজেন বাড়ে।
২. সারারাত রেখে দিন।
৩. প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে।

★ সপ্তাহে ২ দিন DIY কোলাজেন প্যাক-

১. অ্যালোভেরা জেল – ১ চামচ।
২. চালের গুঁড়ো – ½ চামচ।
৩. গোলাপ জল।
৪. 15 মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

★ সূর্যের UV রশ্মি কোলাজেন ভেঙে দেয়, তাই প্রতিদিন, বাইরে যাওয়ার 15 মিনিট আগে, SPF 30 বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার খুবই জরুরি

🟢 কত দিনে ফল পাবেন-

14 দিনে – স্কিন সফট হবে।
30 দিনে – গ্লো আর সাইন আসবে।
60 দিনে – বলিরেখা কম হবে।

💬🗨️এক্সট্রা টিপস-

1.প্রতিদিন 7–8 ঘণ্টা ঘুম
2.দিনে 2.5–3 লিটার জল
3.হালকা যোগা / ফেস ইয়োগা আর শারীরিক ব্যায়াম ২০ মিনিট

🩺 হোমিওপ্যাথিক রেমিডি (ভেতর থেকে স্কিন ও চুলের সাপোর্ট)

১. Silicea 30 – ত্বক, চুল ও নখ শক্ত ও স্বাস্থ্যকর করে।
➡️ দিনে ১ বার, ১০–১৫ দিন।

২. Calcarea Fluor 6X – স্কিন টানটান ও ইলাস্টিসিটি বাড়াতে সহায়ক।
➡️ দিনে ২ বার ৪টা করে ট্যাবলেট।

৩. Natrum Mur 30 – ড্রাই স্কিন, হেয়ার ফল ও স্কিন গ্লো উন্নত করে।
➡️ দিনে ১ বার।

৪. Berberis Aquifolium Q – স্কিন ক্লিয়ার ও গ্লো বাড়াতে।
➡️ ১০ ফোঁটা + আধা কাপ পানিতে, দিনে ২ বার।

৫. Alfalfa Tonic – পুষ্টি বাড়িয়ে ভেতর থেকে স্কিন ও চুল ভালো রাখে।
➡️ ১ চামচ দিনে ২ বার।

বি.দ্র. হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রোগীর শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ বিবেচনা করে ঔষধ শক্তি মাত্রা ও প্রয়োগ নির্ধারন করা হয়।
রেমিডি ব্যক্তিভেদে পরিবর্তন হতে পারে, প্রয়োজনে অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পরামর্শ নিন।


04/04/2026
আপনি কি একমত-
04/04/2026

আপনি কি একমত-

শিশুদের অরুচির হোমিও ঔষধ-Antimonium crudum--জিহ্বা সাদা, মোটা আবরণ পড়ে, দুধের সরের মতো প্রলেপ।-বেশি খেলে বমি হয়।-সহজে বদ...
02/04/2026

শিশুদের অরুচির হোমিও ঔষধ-

Antimonium crudum-
-জিহ্বা সাদা, মোটা আবরণ পড়ে, দুধের সরের মতো প্রলেপ।
-বেশি খেলে বমি হয়।
-সহজে বদহজম হয়। ডায়রিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে।
-গোসল করতে চায় না, ঠান্ডা পানির প্রচণ্ড ভয়।

Calcarea phosphorica-
-শিশু দুর্বল, চিকন, বাড়তে দেরি হয়।
-খেতে চায় না, সহজে ক্লান্ত, মাথার ব্রহ্মতালু এবং পেছনে জোড়া লাগে না।
-দাঁত দেরিতে ওঠে, দুর্বলতার কারণে হাঁটতে পারে না।

Cina-
-শিশুদের কৃমির লক্ষণ থাকে।
-শিশু খিটখিটে, রাগী, দাঁত কাটে, নাক ঘষে, খোটে, চুলকায়।
-ক্ষুধা থাকলেও খেতে চায় না।
-মিষ্টির প্রতি চাহিদা বেশি।
-অনেক সময় খায় বেশি কিন্তু গায়ে লাগে না।

Colchicum-
-শিশুর খাদ্যদ্রব্যে অভক্তি।
-খাবার দেখলেও অস্বস্তি লাগে।
-খাদ্যের গন্ধে বমি আসতে চায়।
-খাওয়াতে গেলে ওঁক টানে।
-পেটে অতিরিক্ত বায়ু জমে, পেট ফুলে ওঠে।

Ferrum metallicum-
-শিশু ফ্যাকাসে, রক্তস্বল্পতা।
-খেতে চায় না, দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

Hydrastis can-
-শিশুর ক্ষুধা থাকে কিন্তু খেতে ইচ্ছা হয় না।
-কোন খাবার মুখে ভালো লাগে না।
-জিহ্বা হলদে, অপরিষ্কার ও পুরু।
-কোষ্ঠকাঠিন্য, পাকস্থলীতে মল জমে থাকে।

Lycopodium-
-ক্ষুধা আছে, কিন্তু দু-এক লোকমা খেলেই খাওয়া বন্ধ।
-বিকেল ৪–৮টার মধ্যে সমস্যা বেশি।
-পেট ফাঁপা, খাবারের পর ঢেঁকুর ওঠে।
-ডান পাশে পেটের সমস্যা বেশি।
-মল কষ্টকর, কোষ্ঠকাঠিন্য।
-মিষ্টি এবং গরম খাবার পছন্দ করে।

Natrum muriaticum-
-চুপচাপ, সংবেদনশীল, কথা শিখতে দেরি হয়।
-খাবার খেতে অনীহা।
-নুন বা লবণাক্ত খাবার পছন্দ। কাঁচা লবণ খায়।
-চিকন গঠন, বিশেষ করে গলার দিকে বেশি চিকন।

Nux vomica-
-অরুচি, যা খায় তা ভালোভাবে হজম হয় না।
-পেটে গ্যাস, পেট ব্যথা, ঘনঘন মলত্যাগের ইচ্ছা।
-সামান্য মল বের হয় কিন্তু মলত্যাগের বেগ থেকে যায়।
-শিশু খিটখিটে, শীতকাতর।

Silicea-
-শিশু রোগা, দুর্বল, লাজুক, ভীরু।
-পায়ের দিকে বেশি শীর্ণ।
-খেতে অনাগ্রহ, দুধ সহ্য হয় না।
-ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না।
-কান পাকার সমস্যা থাকে।
-পায়খানা কষা, মল একবার ঢুকে আবার বের হয়।

Tuberculinum-
-খুব খামখেয়ালি স্বভাব।
-এক খাবার একবার ভালো লাগে, পরক্ষণেই বিরক্ত।
-ওজন বাড়ে না।
-সহজেই সর্দি-কাশি হয়।

এছাড়া শিশুর লক্ষণ অনুযায়ী অন্য যেকোনো ওষুধ প্রযোজ্য হতে পারে। চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন উচিৎ না।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রচারে সবাই শেয়ার করতে পারেন।

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
কাঁঠাল বাগান বাজার
কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
01707-956015

 #হামের আক্রমণ, ভয় নয়, জানুন দ্রুত আরোগ্য ও নিরাপদ হোমিও সমাধান! শরীরে লালচে র‍্যাশ, প্রচণ্ড জ্বর আর সর্দি-কাশি—হামের এই...
02/04/2026

#হামের আক্রমণ, ভয় নয়, জানুন দ্রুত আরোগ্য ও নিরাপদ হোমিও সমাধান!

শরীরে লালচে র‍্যাশ, প্রচণ্ড জ্বর আর সর্দি-কাশি—হামের এই লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না। সঠিক যত্ন আর প্রাকৃতিক চিকিৎসায় আপনার সন্তানকে দ্রুত সুস্থ করে তুলুন।

#হাম হওয়ার ৫টি প্রধান কারণ-
১. মরবিলি ভাইরাস (Morbilli Virus):-
এটি হামের প্রধান কারণ, যা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়।

২. শ্বাসপ্রশ্বাসের ড্রপলেট:-
আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে ভাইরাসটি সুস্থ মানুষের শরীরে ঢোকে।

৩. স্পর্শ:-
আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত রুমাল, জামাকাপড় বা তোয়ালে ব্যবহার করা।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অভাব:-
ভিটামিন-এ এর ঘাটতি থাকলে হাম হওয়ার ঝুঁকি ও জটিলতা বাড়ে।

৫. টিকা না নেওয়া:-
সময়মতো এমএমআর (MMR) ভ্যাকসিন না নিলে সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রবল থাকে।

#জরুরি ঘরোয়া টিপস (Care Tips)-

বিচ্ছিন্ন রাখা (Isolation):-
আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা ঘরে রাখুন যাতে পরিবারের অন্য কেউ সংক্রমিত না হয়।

বিশ্রাম:-
শরীরকে পুরোপুরি সেরে উঠতে পর্যাপ্ত ঘুমের সুযোগ দিন।

প্রচুর তরল পান:-
ডাবের জল, ফলের রস এবং প্রচুর জল পান করান যাতে ডিহাইড্রেশন না হয়।

ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার:-
গাজর, মিষ্টি কুমড়া ও সবুজ শাকসবজি দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করে।

উজ্জ্বল আলো এড়ানো:-
হামে চোখ খুব সংবেদনশীল হয়ে পড়ে, তাই ঘর কিছুটা অন্ধকার বা মৃদু আলোয় রাখুন।

কুসুম গরম জল:-
সর্দি ও কাশির অস্বস্তি কমাতে কুসুম গরম জল দিয়ে মুখ ধোয়ান।

নিম পাতার জল:-
গোসলের জলে নিম পাতা মিশিয়ে নিন, এটি জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে।

জোর করে খাওয়ানো নয়:-
এই সময় খিদে কমে যায়, তাই অল্প অল্প করে সহজপাচ্য খাবার দিন।

পরিচ্ছন্নতা:-
আক্রান্তের নখ ছোট রাখুন যাতে র‍্যাশ চুলকালে ক্ষত না হয়।

আদা ও মধু:-
কাশি কমাতে সামান্য আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খাওয়ান।

#হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও প্রধান ৩টি করে লক্ষণ-

ঔষধের নাম লক্ষণ-

১. Pulsatilla- হামের প্রধান ঔষধ; তৃষ্ণাহীনতা। খোলা বাতাসে আরামবোধ | কাঁদুনে স্বভাব ও স্নেহ চায়।

২. Bryonia Alb- র‍্যাশ ঠিকমতো বের হতে না পারা। সামান্য নড়াচড়ায় কষ্ট বাড়ে। প্রচণ্ড জল তেষ্টা ও কোষ্ঠকাঠিন্য।

৩. Gelsemium- চোখ-মুখ ভারী ও ঝিমুনি ভাব। শরীর থরথর করে কাঁপা। পিপাসাহীনতা ও অত্যন্ত দুর্বলতা।

৪. Aconite Nap- হঠাৎ তীব্র জ্বর ও অস্থিরতা, প্রচণ্ড মৃত্যুভয় ও ছটফটানি, শুকনো ঠান্ডা বাতাসে বৃদ্ধি।

৫. Belladonna - মুখ ও চোখ লাল হয়ে যাওয়া। দপদপানি মাথা ব্যথা। র‍্যাশগুলো উজ্জ্বল লাল রঙের।

৬. Antim Crud- জিভে পুরু সাদা আস্তরণ, টক খাবার ও আচারের ইচ্ছা, রোদ বা আগুনের তাপ সহ্য হয়না।

৭. Arsenic Alb - মধ্যরাতে বৃদ্ধি ও অস্থিরতা, অল্প অল্প জল তেষ্টা, খুব বেশি দুর্বলতা ও মৃত্যুভয়।

৮. Apis Mel-
মৌমাছি কামড়ানোর মতো জ্বালা, হুল ফোটানো ব্যথা ও ফোলা, গরমে কষ্ট বাড়ে, ঠান্ডায় আরাম।

৯. Euphrasia-
চোখ দিয়ে গরম জল পড়া। চোখ লাল হওয়া ও জ্বালা, সর্দি কিন্তু নাকে জ্বালা নেই।

১০. Allium Cepa- নাক দিয়ে ঝাল জল পড়া, হাঁচি ও নাকে জ্বালা, চোখে জল কিন্তু জ্বালা নেই।

১১. Sulphur - গোসল করতে অনীহা ও চুলকানি। পায়ের তলায় জ্বালা। মিষ্টি খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা।

১২. Rhus Tox বৃষ্টির দিনে বা ঠান্ডায় বৃদ্ধি, অস্থিরতা ও গা-হাত-পা ব্যথা, নড়াচড়া করলে আরাম বোধ।

১৩. Hepar Sulph- পুঁজের প্রবণতা ও শীতকাতরতা। সামান্য ঠান্ডায় কাশি বাড়ে। স্পর্শকাতরতা।

১৪. Kali B**h - আঠালো ও সুতার মতো শ্লেষ্মা, বিন্দু পরিমাণ স্থানে ব্যথা, সর্দি বসার প্রবণতা।

১৫. Ipecac- অবিরত বমি বমি ভাব, পরিষ্কার জিভ। বুকে সাঁ সাঁ শব্দ ও কাশি।

১৬. Merc Sol- রাতে বৃদ্ধি ও প্রচুর ঘাম, মুখ দিয়ে লালা পড়া ও দুর্গন্ধ, জিভে দাঁতের ছাপ।

১৭. Phosphorus- লম্বা ও ছিপছিপে গড়ন। ঠান্ডা জল ও আইসক্রিম প্রিয়। একা থাকতে ভয় পাওয়া।

১৮. Calcarea Carb - মোটা ও ঘর্মাক্ত শিশু, মাথায় প্রচুর ঘাম ও শীতকাতর, ডিম খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা।

১৯. Lycopodium- বিকেল ৪-৮টায় বৃদ্ধি, পেটে গ্যাস ও গরম খাবার পছন্দ, ডান পাশে বেশি সমস্যা।

২০. Silicea- কানে পুজ হওয়া বা কানে ব্যথা, পায়ে দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম, খুব লাজুক ও ভিতু স্বভাব।

২১. Camphora- শরীর বরফের মতো ঠান্ডা হওয়া, র‍্যাশ হঠাৎ বসে গিয়ে শ্বাসকষ্ট, কাপড় ঢাকা নিতে চায় না।

২২. Morbillinum- হামের প্রধান প্রতিরোধক ঔষধ, সংক্রমণের সময় এটি জাদুর মতো কাজ করে, শরীরের ইমিউনিটি বাড়ায়।

২৩. Veratrum Vir - প্রচণ্ড জ্বর ও মাথায় রক্ত সঞ্চালন, জিভে লাল রেখা, নাড়ির গতি খুব দ্রুত।

২৪. Stramonium- অন্ধকারে ভয় ও আলোর তৃষ্ণা, জ্বরের ঘোরে ভুল বকা, অদ্ভুত অঙ্গভঙ্গি করা।

২৫. Zincum Met - পা সব সময় নাড়ানো, স্নায়বিক অবসাদ, র‍্যাশ বের হতে বাধা পাওয়া।

২৬. Coffea Cruda- অতিরিক্ত উত্তেজনায় ঘুম না হওয়া, সামান্য আওয়াজে কষ্ট বাড়ে, স্নায়বিক উত্তেজনা।

২৭. Ferrum Phos - জ্বরের প্রাথমিক অবস্থা, গাল দুটো মাঝে মাঝে লাল হয়, রক্তশূন্য ও দুর্বল শিশু।

২৮. Dulcamara- মেঘলা বা ড্যাম্প আবহাওয়ায় বৃদ্ধি, সর্দি ও কাশিতে আরাম, র‍্যাশগুলো বড় বড়।

২৯. Hyoscyamus- রাতের বেলা কাশি বাড়ে, অসংলগ্ন কথাবার্তা ও অস্থিরতা, কাপড় খুলে ফেলার প্রবণতা।
৩০. Carbo Veg - বাতাস পাওয়ার জন্য ছটফট করা, হজমের তীব্র সমস্যা ও গ্যাস, শরীর ফ্যাকাশে ও ঠান্ডা।

#রোগীর কেস টেকিং ও ঔষধ নির্বাচন-

সেবন বিধি (ডোজ):-
১ ফোঁটা সরাসরি জিভে বা সামান্য জলের সাথে মিশিয়ে দিনে ৩ বার (টানা ৩ দিন)।

চোখের জ্বালাপোড়া বেশি থাকলে Euphrasia 30C সাথে দেওয়া যেতে পারে।

(সতর্কতা: হামের সময় জ্বরের জন্য ঔষধ সেবনের আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শ নিন)

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার,
কাঁঠাল বাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
01707-956015

কিডনি পাথর (Renal Stone) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-কিডনি পাথর একটি সাধারণ কিন্তু কষ্টদায়ক রোগ। কিডনিতে বা মূত্রনালিতে বিভিন্...
30/03/2026

কিডনি পাথর (Renal Stone) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-

কিডনি পাথর একটি সাধারণ কিন্তু কষ্টদায়ক রোগ। কিডনিতে বা মূত্রনালিতে বিভিন্ন খনিজ জমে ছোট বা বড় পাথর তৈরি হয়। এর ফলে তীব্র ব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালা, বালির মতো তলানি ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।

হোমিওপ্যাথিতে এই রোগের চিকিৎসা করা হয় সম্পূর্ণ লক্ষণভিত্তিকভাবে। রোগ নয়, রোগীর উপসর্গই এখানে প্রধান নির্দেশক।

★ কিডনি পাথরের সাধারণ লক্ষণ-

• কোমর বা পিঠে তীব্র ব্যথা (renal colic)
• ব্যথা নিচের দিকে প্রসারিত হয়,
• প্রস্রাবে জ্বালা ও কষ্ট,
• ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ,
• প্রস্রাবে লাল বালির মতো তলানি,
• কখনও প্রস্রাবে রক্ত।

★ কিডনি পাথর কেন হয়? (Causes)-

• পর্যাপ্ত পানি কম পান করা,
• প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম, অক্সালেট, ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকা,
• অতিরিক্ত লবণ ও প্রোটিন গ্রহণ,
• বারবার ইউরিন ইনফেকশন,
• পারিবারিক ইতিহাস (Genetic tendency)
• স্থূলতা ও কম শারীরিক পরিশ্রম,
• কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

★ ঔষধ নির্বাচন করার মূল নীতি-

• ব্যথার ধরন (কাটা, ছেঁড়া, জ্বালা ইত্যাদি)
• ব্যথার স্থান (ডান বা বাম কিডনি)
• প্রস্রাবের লক্ষণ,
• রোগীর শারীরিক ও মানসিক গঠন,
• সময় অনুযায়ী উপসর্গের পরিবর্তন।

প্রধান হোমিওপ্যাথিক ঔষধসমূহ-

Berberis Vulgaris
কিডনি পাথরের অন্যতম প্রধান ঔষধ। কোমরে সূঁচ ফোটার মতো ব্যথা, নিচের দিকে ছড়ায়, লাল বালির মতো তলানি।

Cantharis
প্রস্রাবে তীব্র জ্বালা, বারবার অল্প অল্প প্রস্রাব, আগে-পরে জ্বালা।

Lycopodium
ডান পাশের পাথর, বিকাল-রাতে বাড়ে, লাল তলানি, গ্যাস ও হজম সমস্যা।

Sarsaparilla
প্রস্রাবের শেষে তীব্র ব্যথা, সরু ধারা, শিশুদের ক্ষেত্রে উপকারী।

Pareira Brava
প্রস্রাব করতে কষ্ট, ঝুঁকে বা হাঁটু গেড়ে প্রস্রাব করতে হয়।

Nux Vomica
অসম্পূর্ণ প্রস্রাবের অনুভূতি, কোষ্ঠকাঠিন্য, রাগী স্বভাব।

★ সহায়ক ঔষধসমূহ-

• Benzoic Acid – দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব, ইউরিক অ্যাসিড পাথর।
• Nitric Acid – সূঁচ ফোটার মতো জ্বালা।
• Calcarea Carb – স্থূল, ঘামপ্রবণ রোগী।
• Lithium Carb – গাউট ও ইউরিক অ্যাসিড জমা।
• Silicea – দীর্ঘদিনের পাথর বের করতে সহায়ক।

★ কখন সতর্ক হবেন-

• প্রস্রাব একেবারে বন্ধ হয়ে গেলে,
• তীব্র জ্বর ও কাঁপুনি থাকলে,
• বারবার বমি হলে,
• অসহ্য ব্যথা হলে।

➡️ এসব ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি-

জীবনযাপন ও বাঁচার উপায় (Prevention)-

• প্রতিদিন ২.৫–৩ লিটার পানি পান করুন,
• দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখবেন না,
• নিয়মিত ব্যায়াম করুন,
• ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন,
• অতিরিক্ত লবণ ও ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন,
• লেবুর পানি (Citrate) পাথর প্রতিরোধে সহায়ক।

পথ্য ও অপথ্য-

যা খাবেন-
• পর্যাপ্ত পানি,
• লেবু, মাল্টা, কমলা,
• শাকসবজি,
• ডাবের পানি।

যা এড়াবেন-
• পালং শাক, বিট (Oxalate বেশি)
• অতিরিক্ত লাল মাংস,
• অতিরিক্ত লবণ,
• কোমল পানীয় (Soft drinks)
• অতিরিক্ত চা/কফি।

উপসংহার-

কিডনি পাথরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পূর্ণ ব্যক্তিভেদে নির্ভরশীল। সঠিক লক্ষণ বিশ্লেষণ করে উপযুক্ত ঔষধ নির্বাচন করলে পাথর বের হওয়া এবং পুনরায় হওয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সঠিক সময়ে সঠিক ঔষধ নির্বাচনই সফল চিকিৎসার মূল। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রোগীর শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ বিবেচনা করে ঔষধ শক্তি মাত্রা ও প্রয়োগ নির্ধারন করা হয়। অতএব চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন উচিৎ না।

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল।

🍼 শিশুর প্রথম সলিড খাবার — শুরুটা হোক সঠিকভাবে৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার শুরু করুন। শুরু থেকেই স...
30/03/2026

🍼 শিশুর প্রথম সলিড খাবার — শুরুটা হোক সঠিকভাবে
৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার শুরু করুন। শুরু থেকেই সঠিক খাবার নির্বাচন শিশুর সুস্থ বৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে তোলে।

১. শুরুতে যে খাবারগুলো দিবেন:-
▪️ নরম ভাতের জাউ / সুজি-
• ভালোভাবে সিদ্ধ করে পাতলা করে দিন,
• সহজে হজম হয়, পেটে চাপ পড়ে না,

▪️ চটকানো ফল-
• পাকা কলা, পেঁপে বা সিদ্ধ আপেল,
• প্রাকৃতিক পুষ্টি ও শক্তির উৎস।

▪️ সিদ্ধ সবজি-
• আলু, গাজর, মিষ্টি কুমড়া,
• একদম মিহি করে চটকিয়ে দিন।

▪️ ডালের পাতলা পানি-
• হালকা প্রোটিনের উৎস,
• সহজে হজমযোগ্য।

★ খাবার দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম:-

▪️ একবারে একটাই নতুন খাবার দিন-
• টানা ৩ দিন পর্যবেক্ষণ করুন (অ্যালার্জি চেক)

▪️ লবণ ও চিনি সম্পূর্ণ বন্ধ-
• শিশুর কিডনি ও স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।

▪️ খাবার হবে নরম ও মিহি-
• গিলতে সহজ, শ্বাসনালী নিরাপদ থাকে।

▪️ জোর করবেন না-
• শিশু নিজের গতিতে খাবার শিখবে।

★ মনে রাখবেন-
▪️ মায়ের দুধই প্রধান খাবার থাকবে,
▪️ ধীরে ধীরে পরিমাণ ও বৈচিত্র্য বাড়ান,

শিশুর প্রথম সলিড খাবার — শুরুটা হোক সঠিকভাবে।

৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার শুরু করুন। শুরু থেকেই সঠিক খাবার নির্বাচন শিশুর সুস্থ বৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে তোলে।

এমন আরও দরকারি তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন।

নবজাতক শিশি ও মায়ের শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ কোনরুপ অসংগতি দেখা দিলে একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎস এর পরামর্শ নিন। হোমিওপ্যাথিক ঔষধ মা ও নবজাতক শিশুর জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী।

ডা. নার্গিস হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
কাঁঠাল বাগান বাজার
কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
01707-956015

 /অতিরিক্ত  #স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-বর্তমানে ওবেসিটি অতিরিক্ত স্থুলতা একটি সাধারণ কিন্তু জটিল সমস্যা। ...
27/03/2026

/অতিরিক্ত #স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-

বর্তমানে ওবেসিটি অতিরিক্ত স্থুলতা একটি সাধারণ কিন্তু জটিল সমস্যা। সঠিক কেস টেকিং ও লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়া যায়। নিচে রিপার্টরি গ্রেড অনুযায়ী কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ ও তাদের প্রধান নির্বাচন লক্ষণ তুলে ধরা হলো—

★ প্রধান ঔষধসমূহ-
১. মোটা, ঢিলে, ঘামে ভেজা শরীর।
২. সহজে ক্লান্ত, ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না।
৩. বিশেষ করে পেট ও বুকের চারপাশে চর্বি জমে।

Graphites-
১. স্থূল, কোষ্ঠকাঠিন্য, ত্বকের সমস্যা।
২. ঠান্ডা প্রকৃতি, বিষণ্ণতা।

Natrum Muriaticum-
১. স্থূলতা কিন্তু দুর্বলতা অনুভব।
২. লবণ পছন্দ, মানসিক কষ্ট চেপে রাখে।

Ferrum Metallicum-
১. স্থূল কিন্তু দুর্বল, অ্যানিমিয়া প্রবণ।
২. সামান্য কাজে ক্লান্তি।

Capsicum-
১. অলস, স্থূল, ঘরছাড়া হতে চায় না।
২. হোমসিকনেস প্রবণতা।

Phytolacca-
১. গ্রন্থি ও চর্বি বৃদ্ধি।
২. শরীরে ব্যথা সহ স্থূলতা।

★ সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ)-

Antimonium Crudum-
১. অতিভোজন, স্থূলতা।
২. জিহ্বা সাদা, হজম দুর্বল।

Ammonium Carb / Mur / Caust-
স্থূলতা, শ্বাসকষ্ট, দুর্বলতা।

Argentum Nitricum-
স্থূলতা + উদ্বেগ, মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা।

Lycopodium-
পেট ফোলা, গ্যাস, বিকালে ক্ষুধা বেশি।

Kali Carb-
পেট ও কোমরে চর্বি, দুর্বলতা।

Sulphur-
স্থূল, অলস, গরম প্রকৃতি।
ত্বকের সমস্যা সহ।

Phosphorus-
দ্রুত ওজন কমে/বাড়ে।
দুর্বল, সংবেদনশীল।

Pulsatilla-
হরমোনাল স্থূলতা।
চর্বিযুক্ত খাবার সহ্য হয় না।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা-

শুধুমাত্র ওজন দেখে ঔষধ নির্বাচন করা উচিত নয়।
মানসিক, শারীরিক, খাদ্যাভ্যাস ও মিয়াজম বিবেচনা জরুরি।
প্রতিটি রোগীর জন্য আলাদা remedy নির্বাচন প্রয়োজন।

উপসংহার-

ওবেসিটি চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি একটি কার্যকর পদ্ধতি—
যদি সঠিক লক্ষণ অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন করা হয়।

“Treat the patient, not the disease”— এটাই মূলনীতি। লেখাটি পড়ে নিজের চিকিৎসা নিজে করবেন না, একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিন। পোস্টটি ভাল লাগলে লাইক শেয়ার ও কমেন্ট করুন।

Address

88 Kathal Bagan, Green Road, Dhanmondi
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801977956015

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahin Homoeo Medical posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Mahin Homoeo Medical:

Share