The Blue Sky Charitable Foundation

The Blue Sky Charitable Foundation Our vision is to eradicate cancer and especially breast cancer and minimise it by preventing cancer. Objectives:


Our main objectives are as follows:

1.

The Blue Sky Charitable is a not-for-profit, nation-wide, community-based cancer charity in Bangladesh. Vision:

Our vision is to eradicate cancer and minimise its impact by preventing cancer, saving lives, diminishing suffering and enhancing the quality of life of those living with cancer in Bangladesh and the region. Mission:

Our mission is to be a constant support for the entire cancer journey for all cancer patients in Bangladesh , especially those who are financially disadvantaged. We want to support those suffering from cancer and their loved ones through advocacy & research, screening, financial services, rehabilitation and support programs for patients and families. Contribute to ensure that fewer people develop cancer through prevention and awareness
2. Contribute to more people surviving cancer through financial assistance and care
3. Ensure the best quality of life for people affected by cancer including cancer patients and their relatives.
4. Help to eliminate the stigma around cancer through tireless advocacy
5. Support families and loved ones affected by cancer.

দীর্ঘশ্বাস নিনগভীর, নিয়ন্ত্রিত শ্বাস আপনার শরীরের শিথিল প্রতিক্রিয়া সক্রিয় করে। এটি আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে, ...
19/09/2025

দীর্ঘশ্বাস নিন

গভীর, নিয়ন্ত্রিত শ্বাস আপনার শরীরের শিথিল প্রতিক্রিয়া সক্রিয় করে। এটি আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে, চাপ কমায়, উত্তেজনা প্রকাশ করে, আপনার বিক্ষিপ্ত মনকে শান্ত করে এবং আপনাকে আবার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

এখানে একটি সাধারণ গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম রয়েছে যা আপনি আপনার দৈনন্দিন নিরাময়ের রুটিনে চাপ উপশম করতে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

আরাম করে বসুন। তোমার চোখ বন্ধ করুন । আপনার নাক দিয়ে একটি গভীর শ্বাস নিন। এক মুহূর্ত বিরতি। তারপরে যতটা সম্ভব ধীরে ধীরে আপনার নাক দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন, যেন আপনি একটি বেলুনের খোলায় চিমটি করছেন। আপনি শ্বাস ছাড়ার সাথে সাথে, নিজেকে রিল্যাক্স হয়ে যেতে দিন। আপনার শরীরে যে কোনও উত্তেজনা মুক্ত করুন। বিরতি নিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নিন এবং কয়েকবার পুনরাবৃত্তি করুন।

স্থির থাকুন । ঈশ্বর আপনাকে যে অলৌকিক দেহ দিয়েছেন তার প্রতি মনোযোগ দিন এবং আপনার শ্বাস গভীরভাবে অনুভব করুন এবং শুনুন। অনুভব করুন আপনার নাক দিয়ে বাতাস ঢুকছে। আর বের হচ্ছে । শব্দ শুনুন. আপনার ফুসফুস প্রসারিত হচ্ছে তা অনুভব করুন। আপনার ফুসফুসের মাধ্যমে আপনার হৃৎপিন্ডে অক্সিজেন যাচ্ছে তা কল্পনা করুন। আপনি শ্বাস ছাড়ার সাথে সাথে অনুভব করুন আপনার ফুসফুস মৃদুভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এবং আপনার শরীর ছেড়ে আপনার নিঃশ্বাসের শব্দ শুনুন। আপনার হৃদস্পন্দন অনুভব করুন। যখন আপনি লক্ষ্য করবেন আপনার মন যখন বিক্ষিপ্ত হবে তখন নিজেকে নিয়ন্ত্রন করবেন - এটি অবশেষে সম্ভব হবে - শুধু আপনার মনোযোগের কারনে আপনার নিঃশ্বাসের ছন্দ ফিরিয়ে আনবে।

আজকের চ্যালেঞ্জ: বিশটি গভীর, নিয়ন্ত্রিত শ্বাস। শ্বাস ছাড়তে গণনা করুন।

এতে 5-6 মিনিট সময় লাগবে। তারপর দেখুন কেমন লাগে। আপনি যদি ভাল মনে করেন, চালিয়ে যান! প্রতিদিন 10 থেকে 20 মিনিটের জন্য ধ্যান গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সুবিধাগুলি সর্বাধিক ভাল জীবন যাপন করার জন্য আদর্শ।

আয়েশা শেলী
প্রধান উপদেষ্টা
বিএসসিএফ

একসাথে সবাইচলুন, রুখে দেই!ব্রেস্ট ক্যান্সারের চিকিৎসা:• সার্জারি: টিউমারের আকার এবং অবস্থানের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরণ...
18/09/2025

একসাথে সবাই
চলুন, রুখে দেই!

ব্রেস্ট ক্যান্সারের চিকিৎসা:
• সার্জারি: টিউমারের আকার এবং অবস্থানের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরণের অপারেশন রয়েছে। কখনও স্তনের অংশবিষেশ অপসারণ আবার কখনও পূর্ণ স্তন অপসারণ করা হয়।

• রেডিওথেরাপি: ক্যান্সার কোষগুলিকে মেরে ফেলতে বা তাদের বৃদ্ধি থেকে বিরত রাখতে চিকিৎসা হিসেবে এক্সটার্নাল বা ইন্টারনাল রেডিওথেরাপি (ব্র্যাকিথেরাপি) দেওয়া হতে পারে।

• কেমোথেরাপি: কেমোথেরাপির ক্ষেত্রে ক্যান্সার কোষ মেরে ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ ব্যবহার করা হয়। এই ওষুধগুলি সারা শরীরজুড়ে ক্যান্সার কোষের চিকিৎসা করতে পারে, বা একটি এলাকায় ক্যান্সার কোষের চিকিৎসার জন্য দেওয়া যেতে পারে।

• হরমোন থেরাপি: এস্ট্রোজেন হরমোন মানুষের শরীরে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়। মানবদেহ এস্ট্রোজেন ব্যবহার করে মূলত জরায়ু, ডিম্বাশয় এবং স্তনের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য। তবে এস্ট্রোজেন নির্দিষ্ট হরমোন রিসেপ্টর পজিটিভ ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকেও বাড়াতে পারে। তাই, হরমোন থেরাপির মাধ্যমে এস্ট্রোজেন নিয়ন্ত্রণ করে ক্যান্সার কোষগুলির বৃদ্ধি এবং বিভাজন কমানো যেতে পারে।

• টার্গেটেড থেরাপি: টার্গেটেড থেরাপি ক্যান্সার চিকিৎসার HER2 নামক মার্কার সম্বলিত কোষগুলোকে লক্ষ্য করে। HER2 মানবদেহের কোষে প্রাকৃতিকভাবে থাকা প্রোটিন, যা সাধারণত কোষগুলোর স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কিছু ক্যান্সার কোষে অত্যধিক প্রোটিন থাকে, যার ফলে ক্যান্সার কোষগুলো স্বাভাবিক কোষের তুলনায় আক্রমণাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং ছড়িয়ে পড়ে। টারগেটেড থেরাপির মাধ্যমে এই বৃদ্ধিকে রুখে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

• ইমিউনো-অনকোলজি: এটি ইমিউনোথেরাপি নামেও পরিচিত, যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমকে সাহায্য করে।

প্রাথমিকভাবে রোগ নির্ণয় করা গেলে এসব চিকিৎসায় অনেকাংশেই নিরাময় সম্ভব।

সাহসী, স্বপ্নদর্শী ও স্বাধীন নারীরা
সচেতনতায় বাঁচি উচ্ছ্বাসে!
Ayesha Shelley

Hope , Strength and love ❤️ The blue Sky team on 2016
23/08/2025

Hope , Strength and love ❤️
The blue Sky team on 2016

নারীর স্তন স্বাস্হ্য সুরক্ষা শুরু হোক তার নিজের হাতেই :- আমি বাংলাদেশের সকল মহিলাদের স্তন ক্যান্সার সচেতন হবার জন্য আমার...
01/06/2025

নারীর স্তন স্বাস্হ্য সুরক্ষা শুরু হোক তার নিজের হাতেই :-

আমি বাংলাদেশের সকল মহিলাদের স্তন ক্যান্সার সচেতন হবার জন্য আমার প্রোফাইল সহ দি ব্লু স্কাই চ্যারিট্যাবল ফাউন্ডেশনের সকল পেজে পাঁচ স্তরের একটি নিজে স্তন পরীক্ষার পদ্ধতি আপনাদের সকলের মঙ্গলার্থে উৎসর্গ করলাম । আমার এই প্রচেস্টায় বাংলাদেশের নারীরা যদি একবিন্দু উপকৃতও হয় সেই পুন্যের প্রতিটি শিশির বিন্দু যেন আমার বড় বোন আইরিন পারভীন বাঁধনের স্বর্গীয় আত্মাকে তৃপ্ত করে । ও এত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে চায়নি । ও প্রবলভাবে বেঁচে থাকতে চাইতো - সবার কাছে হায়াতের জন্য দোয়া চাইতো আর অবিরাম ভাল কাজ করে যেত , নির্যাতিত আর ব্যথিতের জন্য দোয়া করতো । আমাদের মত বোন হারানোর আর প্রিয়জন হারানোর কস্ট নিয়ে কাউকে বেঁচে থাকতে না হয় সেই কামনায় আমাদের আগামীর পথ চলা। উন্নত বিশ্বের মতো আমরা স্তন ক্যান্সারে মৃত্যুর হার শুন্য দেখতে চাই । সচেতনতা , উন্নত চিকিৎসা আর কাছের মানুষ দের স্নেহ প্রবন হাতই পারে এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে। আসুন আমরা বেঁচে থাকি , একা নয় , সবাইকে নিয়ে - স্তন ক্যান্সার রোগীদের জন্য তহবিল গঠন করি , সহানুভূতির হাত সম্প্রসারণ করি । বেঁচে থাকাটা আনন্দের , বেঁচে থাকার মধ্যেই শক্তি । স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধের বিজয় কেতন উডিয়ে আমরা বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার স্বপ্ন দেখি । আপনারাও আমাদের সাথে থাকুন আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সহযাত্রী হোন । সকলের কল্যান হোক ।

নিজে নিজে স্তন টিউমার পরীক্ষার পদ্ধতি :-
আমরা নারীরা প্রতি মাসে এক থেকে দুইবার পাঁচটি ধাপে এই স্ব পরীক্ষা অনুশীলন করতে পারি । নিম্নে ধাপ সমূহ পর্যায়ক্রমে ছবি সহ উপস্থাপন করা হলো:-

১নং এবং ২ নং ধাপ বা পদ্ধতি:

* প্রথমে দুই কাঁধ সোজা করে দুই বাহু কোমরে রেখে আয়নার সামনে সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং আপনার স্তনের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করুন ।

* স্তনের নিম্নোক্ত বিষয বা সমস্যা গুলোতে মনোযোগ দিয়ে দেখতে হবে :-
#স্তনের আকার আকৃতি এবং রং স্বাভাবিক আছে কিনা।

#দুই স্তনের আকৃতি একই ধরনের এবং কোনো স্তনের আকৃতিতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন ,বিকৃতি , কোন তরল জাতীয় কিছু নিসৃত হওয়া , কূচকে যাওয়া অথবা চাকার মত ফোলা কিংবা শক্ত কিছু অনুভুত হয় কিনা।

#সাধারণ অবলোকনে এই ধরনের কোন অস্বাভাবিকতা কিংবা পরিবর্তন দেখা গেলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

#লক্ষ্য রাখতে হবে স্তনের চামড়ার অস্বাভাবিক পরিবর্তন , স্তন বৃন্তের গর্তে ঢুকে যাওয়া , কূচকানো এবং অন্য কোনো পরিবর্তন ।

#স্তন বৃন্তের অস্বাভাবিক অবস্হান অথবা উল্টে গর্তে ঢুকে যাওয়া অথবা লাল হয়ে যাওয়া , রাস ওঠা বা অন্য কোন তরল বা রক্ত নির্গমন হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নিকট পরামর্শ পুর্বক বিভিন্ন পরীক্ষা যেমন স্তনের আল্ট্রাসাউন্ড বা মেমোগ্রাম করাতে হবে।
ছবি ১ এবং ২

৩নং ধাপ বা পদ্ধতি:-

* আয়নার সামনে প্রথমে এক নম্বর এবং পরে দুই নম্বর ধাপের মত দাড়িয়ে দু স্তন বৃন্ত থেকে অস্বাভাবিক রক্ত ,দুধ , পূজ, হলুদ রং তরল বা পানি জাতীয় কিছু ক্ষরণ হয় কিনা তা সুক্ষ ভাবে দেখতে হবে।

*আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দুই কাঁধ সোজা রেখে হাত কোমরে রেখে স্তন পরীক্ষা করতে হবে এবং বিষয়টি নিশ্চিত পুর্বক ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

৪নং ধাপ বা পদ্ধতি :-

*প্রথমে মাথার নীচে হাল্কা একটি বালিশ দিয়ে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়তে হবে ।
* ডান স্তন পরীক্ষার সময় ডান হাত মাথার নীচে রেখে বাম হাত দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে ।
*বাম স্তন পরীক্ষার সময় বাম হাত মাথার নীচে রেখে ডান হাত দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে ।
*হাতের মাঝের কয়েক টি আংগুল একত্র করে শক্ত অথচ সহনীয় ভাবে আংগুলের গোড়া দিয়ে স্তন পরীক্ষা করতে হবে চিত হওয়া অবস্হায় হাল্কা চাপে,চক্রাকারে । এক্ষেত্রে গোলাকৃত স্তনকে চার ভাগের এক ভাগ করে ভাগ করে নিয়ে প্রত্যেক ভাগকে একইভাবে পরীক্ষা করতে হবে ।

*পুরু স্তনের উপর -নীচ , একপাশ -অন্য পাশ এবং কলার বোন বা ক্লাভিকল থেকে পেটের উপর ভাগ পর্যন্ত পরীক্ষা করতে হবে। বগলের নীচ থেকে কোমরের ভাজ পর্যন্ত চামড়া বা টীস্যু পরীক্ষা করতে হবে।

*স্তন বৃন্ত থেকে শুরু করে চক্রাকারে স্তনের বহির্ভাগ পর্যন্ত
পরীক্ষা করতে হবে।এখন আবার আংগুল গুলোকে লম্বালম্বী, উপর-নীচ বাগান লন করার মতো ঊপায়ে স্তনকে পরীক্ষা করতে হবে।

*এই পদ্ধতি সনাক্তকরণ মহিলাদের জন্য সুবিধাজনক হিসাবে ধারনা করা হয়।

*চামড়ার ঠিক নীচে স্তনের অস্বাভাবিকতার জন্য হাল্কা চাপ,স্তনের মধ্যভাগের জন্য মাঝারি চাপে এবং একদম পাঁজর পর্যন্ত ভিতরকার অস্বাভাবিকতা নিশ্চিতকরন বা সনাক্তকরণের জন্য সহনীয় জোরে চাপ দিতে হবে।

*শোয়া অবস্হানে ডান হাত দিয়ে বাম স্তনের এবং বাম হাত দিয়ে ডান স্তনের পরীক্ষা করতে হবে। গভীরতর টীস্যুর ক্ষেত্রে মোটামুটি জোরচাপে হাতের সামনের তিনটি আংগুল একসাথে করে স্তনের পরীক্ষা করতে হবে ।
* উপরোক্ত ভাবে স্তন পরীক্ষার পর কোন চাকা , শক্ত কোন কিছু অনুভুত হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে ।

৫নং ধাপ বা পদ্ধতি:-

* সবশেযে স্তনকে পরীক্ষা করতে হয় বা স্তনের পরিবর্তন অনুভব করতে হয় দাড়িয়ে বা বসা অবস্হানে ।

* এ ধাপেও ডান স্তন পরীক্ষার সময় ডান হাত সোজাভাবে উঁচু করে কান বরাবর রাখতে হবে এবং বাম হাত দিয়ে চার নম্বর ধাপের মত একই ভাবে পরীক্ষা করতে হবে।

* বাম স্তন পরীক্ষার ক্ষেত্রে একইভাবে উপরের নিয়ম অনুসরন করতে হবে।

*অনেক মহিলা ভেজা বা পিচ্ছিল অবস্হায় স্তন পরীক্ষা ভালো ভাবে করতে পারে বলে ভেজা অবস্হায় বা গোসলের সময়কে প্রাধান্য দেয়। এই ধরনের অনুশীলন বা পরীক্ষার ক্ষেত্রে চার নং ধাপের বর্নিত সকল পদ্ধতি , ভঙ্গিমা বা হস্ত সন্চালনা অনুসরন করতে হবে ।
* উক্ত অনুশীলনের পরে কোন চাকা , স্তনের পরিবর্তন বা অন্য কোন সমস্যা দেখা গেলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা সাপেক্ষ চিকিৎসা গ্রহন করতে হবে ।

তথ্য Ayesha Shelley

ক‍্যান্সার চিকিৎসার প্রভাব অনেক ক্যান্সারের ক্ষেত্রে শারিরীক পরিবর্তন সমূহ অভ্যন্তরীণ যা অন্যের গোচরীভূত হয়না। তারপরও এই...
19/03/2025

ক‍্যান্সার চিকিৎসার প্রভাব

অনেক ক্যান্সারের ক্ষেত্রে শারিরীক পরিবর্তন সমূহ অভ্যন্তরীণ যা অন্যের গোচরীভূত হয়না। তারপরও এই পরিবর্তনের বিষয়ে রোগীর উপর যে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে তা গুরুত্বপূর্ণ। শারিরীক প্রতিকৃতি এমন একটি বিষয় যা অনুরনিত করে যে, প্রতিটি ব্যক্তি কিভাবে তার নিজের আভ্যন্তরীণ দৈহিক অবস্থাকে অনুভব করে এবং একই সঙ্গে তার শারিরীক গঠন কিভাবে অন্যের দ্বারা মূল্যায়ন বা অবলোকিত হয়। এই ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে সত্যিকার অর্থে অনেক সময় কোন শারিরীক পরিবর্তন যদি নাও ঘটে তথাপি সে মনে করে কিংবা অনুভব করে যে তাকে পূর্বের চেয়ে দেখতে পরিবর্তনশীল দেখাচ্ছে এবং অবশ্যই তা পূর্বের তুলনায় খারাপ এবং সে ক্ষেত্রে তার এই অনুভূতি জাগ্রত হয় যে, অন্যদের সাথে সামাজিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে কিংবা মানসিক, শারিরীক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার অবস্থান আগের মত নাই। এই ধরনের মানসিক অনিশ্চয়তা ও অনিরাপত্তার অনুভূতিই ক্যান্সার রোগীদের শারিরীক প্রতিকৃতিতে স্থায়ীভাবে প্রতিফলিত হয়। আর এই ধরনের মানসিক দীনতা শারিরীক প্রতিকৃতি ও নিন্ম আত্মসম্মানবোধ অনেক সময় এই সব রোগীদের জীবন সঙ্গীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিরুপ প্রভাব ফেলে। উদাহরণ স্বরুপ যে সমস্ত মহিলাদের স্তন ব্যবচ্ছেদ করা হয় তারা অনেক সময় তাদের সঙ্গীদের সঙ্গে মিলনের ক্ষেত্রে মানসিক, শারিরীক ও আবেগ গত বাধা অনুভব করে। সে সঙ্গীর কাছে তার শারিরীক পরিবর্তন নিয়ে লজ্জা অনুভব করতে পারে, অতিরিক্ত আত্মসচেতনতা বা উদ্বিগ্ন হতে পারে। অন্তরঙ্গতা বলতে শুধুমাত্র যৌন সম্পর্ককেই বুঝায় না। এটির সঙ্গে স্পর্শ, অনুভূতি এবং অন্যান্য আবেগগত বিষয়াবলী অন্তভূক্ত থাকে। মানসিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অন্য কারো অনুভব করার ক্ষমতা বা সহানুভূতি এবং আবেগীয় সংযুক্তি অর্থাৎ নিজের ভয় এবং আশা নিয়ে অন্যের সাথে অনুভূতিগুলো ভাগ করে নেয়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ একজন ব্যক্তি তার জীবনসঙ্গীর সঙ্গে অনেক কিছু ভাগ করে। এই ধরণের মানসিক সংযুক্তি এবং নির্ভরশীলতার অনুভূতি একজন রোগীর জীবন ধারণ ও জীবনের মূল্যবোধকে অনেক উর্দ্ধে নিয়ে যায় যা দ্রুত নিরাময় ও বেঁচে থাকার জন্য টনিক হিসেবে বিবেচিত। কিছু সম্ভাব্য নিদর্শন আছে যা দৈহিক প্রতিকৃতি ও নিন্ম আত্মমর্যাদার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে যা রোগীর উন্নত সঠিক জীবন যাপনের অন্তরায় হয়ে দেখা দেয় এবং ক্যান্সার চিকিৎসার সফলতার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে।

যেমনঃ
#ঘরের বাইরে বের হতে অনীহা প্রকাশ করে যাতে লোকেরা তাকে দেখে না ফেলে
#জীবনসঙ্গীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্কগুলো এড়িয়ে চলা।
ক্যান্সার রোগী হওয়ার কারণে লজ্জাবোধ করা
#ক্যান্সার সনাক্তকরণের পর নিজেকে ক্যান্সার রোগী হিসাবে মনে না করা।

একজন ক্যান্সার রোগী তার দৈহিক বা শারিরীক প্রতিকৃতি এবং আত্মমর্যাদা বা আত্মপ্রতিকৃতির উন্নয়নের জন্য কিছু কৌশল গ্রহন করতে পারে যা স্বাভাবিক জীবন যাপনের খাপ খাওয়ানোর কৌশলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

#শারিরীক অবয়বে আত্মবিশ্বাসের উন্নয়নের জন্য এমনি পোশাক পরতে হবে যা রোগী নিজে পছন্দ করে, অন্যের নিকট দৃষ্টিনন্দন হয় এবং যা তার নিজের ভিতরে সুখের এবং গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
#বাহ্যিক শারিরীক পরিবর্তনগুলো মেকআপ, পরচুলা কিংবা স্কার্ফ ইত্যাদি দিয়ে সাজসজ্জা করা যাতে তার মানসিক উপলব্ধিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে এবং সবসময় "Look Good Feel Better" এই উপলব্দি ধারণ করে থাকে যা দৃষ্টিভঙ্গির উন্নয়নে সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

যদি কেউ জীবনে শুধুমাত্র তার দৈহিক গঠনের ক্ষতির বিষয়ে মনোযোগ দেয় তবে সে অন্যান্য শক্তি ,উদ্দেশ্শ্য লাভ এবং বুদ্ধিমত্তাকে উপেক্ষা করবে। এক্ষেত্রে একজন ক্যান্সার রোগী যেকোন একটি নতুন শখ বেছে নিতে পারে। যেমন ছবি আঁকা, গান শোনা ইত্যাদি। যার মাধ্যমে সে তার নিজের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিগুলোকে মূর্ত বা বিমূর্তভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে। ক্যান্সার রোগীর জন্য কঠোর শারিরীক ব্যায়ামগুলো অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং কিংবা কষ্টদায়ক হতে পারে। সেক্ষেত্রে সকালে কিংবা বিকালে হাঁটা সুখকর হতে পারে। যা কিছু করা হোক না কেন এটি তার শরীর আর মনের আনন্দকে বাড়িয়ে তোলার জন্যই করা উচিৎ অন্য কোন কারণে নয়। নিজের জন্য নিজস্ব জগত ও সময় সৃষ্টি করা যার ফলে শারিরীক পরিবর্তনের বিষয়গুলো অনুভব করা এবং এ ব্যাপারে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধীরে এবং আরামদায়ক ভাবে কাজ করতে হবে।এটি এক সময় অবশ্যই দৈহিক প্রতিকৃতির উন্নয়ন ঘটাবে এবং রোগীর মানসিক ও আবেগগত খাপ খাওয়ানোর বিষয়টি ক্যান্সার পরবর্তী জীবনে সফলতা বয়ে আনবে। রোগীকে অবশ্যই Sexual বিষয়গুলো সঙ্গী অথবা সঙ্গীনীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে হবে। অন্তরঙ্গ বিষয়ে প্রথম যে কোন পদক্ষেপ অনেক সময় কঠিন। যাই হোক, এই ধরণের রোগীদের সঙ্গী বা সঙ্গীনীরা কম বেশী তাদের ব্যাপারে সচেতন থাকে। খোলামেলা আলোচনা সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে উন্নয়ন সাধন করে এবং একই সাথে পারস্পরিক আবেগগত অনুভূতি ও সহায়তা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়।
ক্যান্সার রোগীর একই ধরণের অন্য ক্যান্সার রোগী এবং অন্য Survivor এর সঙ্গে অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেয়া অত্যন্ত ফলপ্রসু হিসাবে কাজ করে। যে সমস্ত রোগীরা একই ধরনের Struggle বা সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে কিংবা চালিয়ে বেঁচে আছে তাদের অভিজ্ঞতা সমূহ অবহিত হলে নিজেকে এই রোগের সঙ্গে মানিয়ে চলার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। এক্ষেত্রে নিজের অনুভূতিগুলো একটি নিরাপদ পরিবেশে একই কষ্টে ভুক্তভোগীর সাথে অভিব্যক্ত করার মধ্যেও মনের শান্তি খুঁজে পাওয়া যেতে পারে।
নিজের আধ্যাত্মিক জীবনকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমেও ক্যান্সার মোকাবেলা করা যেতে পারে। আধ্যাত্মিকতা কখনও কোন সুনির্দিষ্ট ধর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। এটি এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে একজন মানুষের আন্তরিক অনুভূতি বা পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয় এবং যার ফলে সে অন্তরের প্রশান্তি এবং অপার তৃপ্তি অনুভব বা উপলব্ধি করতে বা অর্জন করতে পারে। এটি আত্ম প্রশংসা, পরিবেশ এবং একজন ব্যক্তির মনোছবির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আধ্যাত্মিক গভীরতার অনুভূতি বা উপলব্ধি অনেক সময় আত্ম প্রশান্তির বিশাল অনুভব এনে দিতে পারে প্রশান্তির এক অঙ্গীভূত অনুভব যা তাকে পূর্বের ন্যায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নিতে পারে।
প্রত্যেক ক্যান্সার রোগীর নিজের জন্য যেমন প্রফেশনাল কাউন্সেলর খুঁজে বের করা দরকার সেই সঙ্গে তার ভালবাসার বা কাছের মানুষের জন্যও দরকার। প্রফেশনাল কাউন্সেলর তারাই যারা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে এবং হাসপাতালে কাজ করে। তাদের কাউন্সেলিং অনেক ক্ষেত্রে আত্মউন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেশে বিশেষতঃ ডাক্তার এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নার্সরা এবং বিভিন্ন এনজিও ও চ্যারিটেবল প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে।

সবশেষে বলা যায়, যখন একজন ক্যান্সার রোগী নিজেকে অধিকতর ভাল ব্যবস্থাপনার ভিতর দিয়ে নিজের দৈহিক প্রতিকৃতি এবং আত্মসম্মান হানিকর বিষয়গুলো প্রতিহত করতে পারে তখন সে এক মহান আত্মবিশ্বাসের সন্ধান পায়। সেই আত্মবিশ্বাস তার সামগ্রিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং স্বাভাবিক সুস্থ্য মানুষের মতই নিজেকে সফলতার শিখরে ক্ষমতায়ন করতে পারে এবং নিজের পরিবারে সম্পদ ও রাষ্ট্রের জন্য একজন অপরিহার্য্য ব্যক্তি হিসাবে নিজেকে উন্নীত করতে পারে।


Ayesha Shelley
Breast Cancer Survivor
And Founder And head Adviser of The Blue Sky charitable foundation ( BSCF)

Address

Hasan Court Building (1st Floor), 23/1, Motijheel
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Blue Sky Charitable Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to The Blue Sky Charitable Foundation:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Our Story

The Blue Sky Charitable is a not-for-profit, nation-wide, community-based cancer charity in Bangladesh. Vision: Our vision is to eradicate cancer and minimise its impact by preventing cancer, saving lives, diminishing suffering and enhancing the quality of life of those living with cancer in Bangladesh and the region. Mission: Our mission is to be a constant support for the entire cancer journey for all cancer patients in Bangladesh , especially those who are financially disadvantaged. We want to support those suffering from cancer and their loved ones through advocacy & research, screening, financial services, rehabilitation and support programs for patients and families. Objectives: Our main objectives are as follows: 1. Contribute to ensure that fewer people develop cancer through prevention and awareness 2. Contribute to more people surviving cancer through financial assistance and care 3. Ensure the best quality of life for people affected by cancer including cancer patients and their relatives. 4. Help to eliminate the stigma around cancer through tireless advocacy 5. Support families and loved ones affected by cancer.