05/10/2019
আজকাল প্রায়ই আলোচিত শারীরিক জটিলতা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মেরুদন্ডে ব্যথা। মেরুদন্ডে ব্যথা মানে সেটি হতে পারে মেরুদন্ড জুড়ে যে কোন জায়গায়। হতে পারে ঘাড়ে ব্যথা, পিঠের মাঝখানে ব্যথা কিংবা কোমরে ব্যথা। সাধারণত এ জটিলতা বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে।
নানা কারণে মেরুদণ্ডে ব্যথা সৃষ্টি হয়ে থাকে। সাধারণত দেখা যায় মেরুদণ্ডের মাংসপেশি, লিগামেন্ট মচকানো বা আংশিক ছিঁড়ে যাওয়া, দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্ক সমস্যা, কশেরুকার অবস্থান পরিবর্তনের কারণে ব্যথা হয়ে থাকে। চলাফেরা, খুব বেশি ভার বা ওজন তোলা, মেরুদণ্ডের অতিরিক্ত নড়াচড়া, একটানা বসে বা দাঁড়িয়ে কোন কাজ করা, মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া, সর্বোপরি কোমরের অবস্থানগত ভুলের জন্য এ ব্যথা দেখা যায়।
প্রচলিত ভাষায় এ জাতীয় ব্যথাকে মেরুদণ্ডের হাড়ের ক্ষয়, হাড়ের ফাঁক হয়ে যাওয়া বলা হয়ে থাকে।
প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসাশাস্ত্রে এই জটিলতাকে ডিস্ক প্রোল্যাপ্স, হার্নিয়েটেড ডিস্ক বা স্পাইনাল স্টেনোসিস বলা হয়। ডিস্কের স্থানচ্যূতি বা সরে যাওয়ার মাত্রার ওপর নির্ভর করে ডিস্ক প্রোল্যাপ্স বা PLID রোগের জটিলতা।
অন্যান্য কারণের মধ্যে বয়সজনিত মেরুদণ্ডে ক্ষয় বা বৃদ্ধি, অস্টিওআথ্র্যাটিস বা গেঁটে বাত, অস্টিওপোরেসিস, এনকাইলজিং স্পনডাইলাইটিস, মেরুদণ্ডের স্নায়ুবিক সমস্যা, টিউমার, ক্যান্সার, বোন টিবি, কোমরের মাংসে সমস্যা,বিভিন্ন ভিসেরার রোগ বা ইনফেকশন, বিভিন্ন স্ত্রীরোগজনিত সমস্যা, মেরুদণ্ডের রক্তবাহী নালির সমস্যা, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, মেদ বা ভুড়ি, অতিরিক্ত ওজন ইত্যাদি।
মেরুদন্ডের ব্যথার কারণ নির্ণয়ের জন্য প্রাথমিকভাবে যে পরীক্ষাগুলো করা হয় সেগুলোর মধ্যে প্রধান কয়েকটি হলো মেরুদণ্ডের এক্স-রে, সিটি স্ক্যান বা এমআরআই।
এই সমস্যার সমাধানে ৩ ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে।
ফার্মাকোথেরাপিঃ চিকিৎসকরা রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর সাধারণত ব্যথানাশক এনএসএআইডিএস গ্রুপের ওষুধ, মাসল রিলাক্সজেন ও সেডেটিভজ জাতীয় ওষুধ দিয়ে থাকেন।
ফিজিওথরাপি :- কোমর ব্যথাজনিত সমস্যার অত্যাধুনিক চিকিৎসা হচ্ছে ফিজিওথেরাপি। এই চিকিৎসাব্যবস্থায় চিকিৎসক রোগীকে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন, আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি, লাম্বার ট্রাকশন শর্টওয়েভ ডায়াথার্মি, অতিলোহিত রশ্মি, ইন্টারফেরেনশিয়াল থেরাপি, ইনফারেড রেডিয়েশন, ট্রান্স কিউটেনিয়াস ইলেকট্রিক নার্ভ ইস্টিমুলেটর, ইলেকট্রিক নার্ভ ও মাসেল ইস্টিমুলেটর, অটো মেনুয়াল ট্রাকশন, হাইড্রোথেরাপি, লেজার থেরাপি ও বিভিন্ন প্রকার ব্যায়ামের মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।
সার্জারি :- যদি দীর্ঘদিন ফার্মাকোথেরাপি ও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা চালানোর পরও রোগীর অবস্থার পরিবর্তন না হয় রোগীকে অবস্থা অনুযায়ী কোমর-মেরুদন্ডের অপারেশন বা সার্জারির করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।সার্জারির পরবর্তীতে রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নির্দেশ মতো নির্দিষ্ট ব্যায়াম দীর্ঘ দিন চালিয়ে যেতে হয়।
এই রোগের কম সময়ে সঠিক এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বর্তমান বিশ্বে ভারতের চিকিৎসাসেবা এখন বাংলাদেশে সবার প্রথম পছন্দ।
ঢাকার ভালো সব হসপিটালের বিখ্যাত সব ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে আপনার সাধ্যের মধ্যেই চিকিৎসা করতে চাইলে যোগাযোগ করুন DSPC Bangladesh এর সাথে। আপনার চিকিৎসার জন্য যাবতীয় পরামর্শ, ডাক্তার কিংবা হসপিটাল এপয়েন্টমেন্ট সব কিছুরই সমাধান পাচ্ছেন আমাদের কাছে।
যোগাযোগ করুন অথবা এসএমএস আমাদের পেইজে করুন -
01719026578,01715939633,01711789982
House 02, Road 14/A, Sector 04, Uttara, Dhaka 1230.
(বিঃদ্রঃ হোম সার্ভিস দেওয়া হয়)
# DSPC Bangladesh in Bangladesh