Cosmetics Makeup Beauty & Health Product

Cosmetics Makeup Beauty & Health Product ঘরে বসে অনলাইনে শপিং করুন।সংগ্রহ করুন আপনার পছন্দের পন্য সামগ্রিই 💚❣️💚

ঘরে বসে অনলাইনে শপিং করুন।সংগ্রহ করুন আপনার প্রয়োজনীয় সামগ্রী।১০০%
আমাদের অনলাইন সেবা পেতে ও সঠিক ভালো পন্য আপনাদের দিতে আমরাই নিয়ে এসেছি ইউরোপ / এশিয়া হতে ইনপোট ১০০% জেনুইন।। আমাদের ঈদ কে সামনে রেখে সীমিত সময়ের জন্য ডিসকাউন্ট অফার চলছে,অফার ফুরিয়ে যাবার আগেই আপনার পছন্দমত পন্য অডার করুন।।।পন্য বিবরন,, মূল্য জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আপনি কি জানেন, প্রতিদিন সামান্য ড্রাই ফুড বাদাম খাওয়ার অভ্যাস আপনার শরীরকে ভেতর থেকে বদলে দিতে পারে?হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন...
29/11/2025

আপনি কি জানেন, প্রতিদিন সামান্য ড্রাই ফুড বাদাম খাওয়ার অভ্যাস আপনার শরীরকে ভেতর থেকে বদলে দিতে পারে?
হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন—এই ছোট বাদামগুলোই আপনার শরীরের বড় শক্তি!

ড্রাই ফুড বাদাম হলো প্রকৃতির সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবারগুলোর একটি।
এগুলোতে থাকে ভিটামিন, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

📌কাঠবাদাম (Almond) শরীরকে জোগায় ভিটামিন E, যা ত্বককে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর রাখে।
এটি স্মৃতি শক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে এবং হৃদয়কে সুরক্ষা দেয়।

📌আখরোট (Walnut) হচ্ছে ব্রেইন-ফুড।
এর Omega-3 ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের সেলকে শক্তিশালী করে, মনোযোগ বাড়ায়, এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

📌কাজু (Cashew) শরীরে আয়রন, জিঙ্ক ও ম্যাগনেসিয়াম যোগায়।
এটি হাড় মজবুত রাখতে এবং শক্তি ধরে রাখতে দারুণ কার্যকর।

📌পেস্তা (Pistachio) হৃৎপিণ্ডের জন্য অসাধারণ।
এটি খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সহায়তা করে।

📌কিশমিশ (Raisins) রক্তশূন্যতা কমাতে সাহায্য করে কারণ এতে থাকে আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
পেটের সমস্যা, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও এটি উপকারী।

📌খেজুর (Dates) হলো প্রাকৃতিক এনার্জি-বুস্টার।
এটি হজম শক্তি বাড়ায়, দুর্বলতা কমায় এবং শরীরের মিনারেল ঘাটতি পূরণ করে।

ড্রাই ফুড বাদামগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, হাড়ের ক্ষয় কমায়, ত্বক-চুল-নখকে মজবুত করে এবং ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিদিন মাত্র এক মুঠো বাদাম খাওয়া হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং প্রদাহ কমানোর দিকে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো—এই বাদামগুলো একই সঙ্গে আপনার শরীর, মন ও এনার্জিকে উন্নত করে।
এক মুঠো ড্রাই ফুডই আপনার দিনটাকে বদলে দিতে পারে।

তবে মনে রাখবেন, মাপজোক করে খাওয়াই স্বাস্থ্যকর—প্রতিদিন ২০–৩০ গ্রাম বাদাম যথেষ্ট।

ড্রাই ফুড বাদাম হলো “স্মার্ট স্ন্যাক”—যা আপনাকে পেট ভরাবে, শক্তি দেবে, আর শরীরকে করবে আরও সুস্থ।

শরীর ভালো রাখতে চাইলে, আজ থেকেই আপনার ডায়েটে যোগ করুন এই সুপার বাদামগুলো।
আপনি নিজের মধ্যেই পরিবর্তন টের পাবেন—শক্তি বাড়বে, মন ভালো থাকবে, আর স্বাস্থ্য হবে আরও শক্তিশালী।

কালেক্টেড পোস্ট

✨ ঘরোয়া হেয়ার সিরাম ✨​এই হেয়ার সিরাম চুল ঘন, লম্বা ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এটি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় চুলে...
29/11/2025

✨ ঘরোয়া হেয়ার সিরাম ✨
​এই হেয়ার সিরাম চুল ঘন, লম্বা ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এটি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় চুলের জন্য নিরাপদ।
​উপকরণ:
​নারকেল তেল — ১ চা-চামচ
​আরগান (বা জোজোবা) অয়েল — ১ চা-চামচ
​অ্যালোভেরা জেল — ২ টেবিল-চামচ
​(ঐচ্ছিক) ৪-৫ ফোঁটা এসেনশিয়াল তেল — যেমন Rosemary অয়েল বা Tea Tree অয়েল
​(ঐচ্ছিক) ১টি ভিটামিন-E ক্যাপসুল — সিরামের শেলফ-লাইফ বা পুষ্টিগুণ বাড়াতে ভালো হয়।
​বানানোর পদ্ধতি:
​এক পরিষ্কার কাচের বোতলে (ভালো হলে ড্রপার বোতল) নারকেল তেল ও আরগান (বা জোজোবা) অয়েল মেশান।
​তারপর অ্যালোভেরা জেল যোগ করুন। ভালো করে নেড়ে একটি সাধারণ মিশ্রণ তৈরি করুন।
​যদি এসেনশিয়াল তেল ব্যবহার করতে চান, ৪-৫ ফোঁটা যোগ করুন। চাইলে ভিটামিন-E ক্যাপসুলের তেলও মিশিয়ে দিতে পারেন।
​বোতল বন্ধ করে ভালো করে ঝাঁকিয়ে মিশিয়ে নিন এবং ঠাণ্ডা স্থানে সংরক্ষণ করুন।
​ব্যবহার করার নিয়ম:
​সপ্তাহে ২-৩ বার গোসলের আগে বা রাতে ঘুমানোর আগে চুলে লাগান।
​স্ক্যাল্পসহ চুলের গোড়া থেকে শুরু করে যে অংশে চুল দরকার, সেখানে ছোট-ছোট ফোঁটা দিয়ে সরাসরি লাগান।
​হালকা ম্যাসাজ করুন যাতে তেল ও জেল ভালোভাবে চুলে এবং স্ক্যাল্পে শোষিত হয়।
​১-২ ঘণ্টা রাখুন বা রাতেও লাগানো যেতে পারে। পরের দিন হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
​✨ কেন এই রেসিপি কাজ করে?
​নারকেল ও আরগান/জোজোবা অয়েল: চুল ও স্ক্যাল্পকে পুষ্টি দেয়, নরম করে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে।
​অ্যালোভেরা জেল: মাথার ত্বককে হাইড্রেট করে, রুক্ষতা ও শুষ্কতা কমায়।
​রোজমেরি বা টি-ট্রি অয়েল (যদি যোগ করা হয়): চুল পড়া কমাতে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

🌺 জবা হেয়ার টনিক 🌺​এই টনিক চুল এবং মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি চুলের বৃদ্ধি, মজবুত করা এবং চুল পড়া ...
29/11/2025

🌺 জবা হেয়ার টনিক 🌺
​এই টনিক চুল এবং মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি চুলের বৃদ্ধি, মজবুত করা এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
​⭐ জবা টোনার রেসিপি
​যা যা লাগবে:
​২-৩টা টাটকা জবা ফুল
​২টা কারি পাতার ছোট ডাল
​১-২ চামচ রোজমেরি লিভস
​১ কাপ ফিল্টার করা পানি
​যেভাবে বানাবে:
​সব উপকরণ একসঙ্গে একটি পরিষ্কার পাত্রে নিন।
​তাতে ১ কাপ ফিল্টার করা পানি ঢেলে দিন।
​এরপর পুরোটা সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন।
​সকালে ভালোভাবে নেড়ে ছেঁকে নিলেই—
✨ তৈরি আপনার ফ্রেশনেস ভরা জবা হেয়ার টোনার!
​🌺 জবা ফুল (Hibiscus Flower) - উপকারিতা:
​চুলের রুট শক্ত করে।
​নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
​চুল পড়া কমায়।
​ড্যানড্রাফ কমায়।
​চুলে ন্যাচারাল শাইন আনে।
​স্ক্যাল্পকে কুলিং ও হাইড্রেট করে।
​চুল ভাঙা কমায়।
​🌿 কারি পাতা (Curry Leaves) - উপকারিতা:
​চুল ঘন ও ভলিউম বাড়ায়।
​চুল দ্রুত লম্বা হতে সাহায্য করে।
​অতিরিক্ত চুল পড়া কমায়।
​স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
​পুষ্টি যোগায়—চুল শক্ত ও মজবুত হয়।
​অকাল-পাকা চুলের প্রবণতা কমায়।
​🌱 রোজমেরি লিভস (Rosemary Leaves) - উপকারিতা:
​চুলের বৃদ্ধি (hair growth) দ্রুত বাড়ায়।
​স্ক্যাল্পে ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ায়।
​অ্যালোপেসিয়া/হেয়ার থিনিং-এ কার্যকর।
​চুল পড়া কমাতে শক্তিশালী।
​রুটকে সক্রিয় করে নতুন হেয়ার ফলিকল তৈরি করে।
​স্ক্যাল্প পরিষ্কার করে, অয়েল ও বিল্ডআপ কমায়।
​💖 জবা টোনারের সামগ্রিক উপকারিতা:
​চুলের রুটকে শক্ত করে।
​নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
​চুল পড়া কমায়।
​স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
​স্ক্যাল্প কুলিং করে চুলকে ফ্রেশ রাখে।
​চুলে ন্যাচারাল শাইন আনে।
​কারি পাতা ও রোজমেরি চুল ঘন করতে কাজ করে।
​🧴 ব্যবহারের নিয়ম:
​চুল ধোয়ার আগে রুটে ও স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন।
​চাইলে শ্যাম্পুর পরেও টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
​সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যবহার করলে খুব দ্রুত ফলাফল দেখা যাবে।
​ফ্রিজে রেখে ৪-৫ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।

🌿 ফ্ল্যাক্সসিড জেলের উপকারিতা​চুলের জন্য:​প্রাকৃতিক হোল্ড এবং স্টাইলিং: চুলকে প্রাকৃতিকভাবে ধরে রাখে এবং স্টাইল করতে সাহ...
29/11/2025

🌿 ফ্ল্যাক্সসিড জেলের উপকারিতা
​চুলের জন্য:
​প্রাকৃতিক হোল্ড এবং স্টাইলিং: চুলকে প্রাকৃতিকভাবে ধরে রাখে এবং স্টাইল করতে সাহায্য করে।
​ফ্রিজি চুল নিয়ন্ত্রণ: চুলের ফ্রিজিনেস কমিয়ে মসৃণ রাখে।
​চুল নরম ও শাইনি রাখে: চুলকে নরম, ঝলমলে এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে।
​হেয়ার গ্রোথ বাড়ায়: চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
​খুশকি কমায়: মাথার ত্বকের খুশকি কমাতে সহায়ক।
​ত্বকের জন্য:
​হাইড্রেশন ও স্কিন নরম রাখে: ত্বককে আর্দ্র রাখে এবং নরম করে তোলে।
​ফেস প্যাক হিসেবে ব্রাইটনেস আনে: ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ফেস প্যাক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
​স্কিন ফ্রেশ ও ন্যাচারাল লুমিনাস করে: ত্বককে সতেজ ও প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল দেখায়।
​🌿 জেল বানানোর ঘরোয়া রেসিপি
​1️⃣ Basic Gel
​উপকরণ: ২ চামচ ফ্ল্যাক্সসিড, ১ কাপ পানি।
​প্রস্তুত প্রণালী:
​পানিতে ফ্ল্যাক্সসিড ১০–১৫ মিনিট ফুটান।
​ঠান্ডা হলে একটি ছাঁকনি দিয়ে বীজ থেকে জেল আলাদা করুন।
​একটি এয়ারটাইট কনটেইনারে রেখে রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করুন।
​চুল বা ত্বকে সরাসরি প্রয়োগ করুন।
​2️⃣ Hair Mask (ফ্রিজি চুলের জন্য)
​উপকরণ: ২ চামচ ফ্ল্যাক্সসিড জেল, ১ চামচ নারকেল তেল, কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার বা রোজমেরি এসেনশিয়াল অয়েল।
​ব্যবহার: চুলে ম্যাসাজ করুন বা স্টাইলিং এর জন্য ব্যবহার করুন।
​ফলাফল: চুল নরম, শাইনি এবং ফ্রিজি-ফ্রি হবে।
​3️⃣ Face Pack (স্কিন ব্রাইটিং & হাইড্রেশন)
​উপকরণ: ১ চামচ ফ্ল্যাক্সসিড জেল, ১ চামচ অ্যালোভেরা জেল, ½ চামচ মধু।
​ব্যবহার: মুখে ১৫ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
​ফলাফল: স্কিন নরম, হাইড্রেটেড এবং ফ্রেশ হবে।
​💡 টিপ: ফ্ল্যাক্সসিড জেল প্রাকৃতিক, রাসায়নিকমুক্ত এবং নিরাপদ। এটি চুলের স্টাইলিং ও স্কিন হাইড্রেশন উভয়ের জন্য ব্যবহার করা যায়।

29/11/2025

ভূমিকম্প থেকে বাচার দোয়া:

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাত- ত্বারাদ্দি ওয়াল-হাদাম ওয়াল গারাকি,ওয়াল হারাক
ওয়া আউযু বিকা আন ইয়াতাখাব্বাতানিয়াশ শাইতানু 'ইন্দাল-মাউত ওয়া আউযু বিকা আন আমুতা ফী সাবিলীকা মুদবীরা আও আ-মূতা লাদীগা।

আমাদের নবী তার উম্মতকে যেকোনো দুর্যোগের সময় এবং বিপদে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে বলেছেন। রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে। উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূর`রু মা`আস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামি`ই ওয়াহুয়া সামি`য়ুল আলিম।

ভূমিকম্পের সময় যে দোয়া পড়তে হয়:
ভূমিকম্প হবার সময় মাটির দিকে বা নিচের দিকে তাকিয়ে 'আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা শারিকালাহু, ফাবি আইয়্যে আ'লাঈ রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান' পড়তে থাকবেন যতক্ষণ ভূমিকম্প শেষ না হয়।

🌸 দাগমুক্ত উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য: অ্যালোভেরা জেল ও চালের গুঁড়া 🌸​ত্বকের জেদি দাগ দূর করে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনত...
26/11/2025

🌸 দাগমুক্ত উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য: অ্যালোভেরা জেল ও চালের গুঁড়া 🌸
​ত্বকের জেদি দাগ দূর করে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে চান? তাহলে অ্যালোভেরা জেল এবং চালের গুঁড়ার এই সহজলভ্য ও কার্যকরী মাস্কটি ব্যবহার করুন! এটি আপনার ত্বককে মসৃণ, সতেজ এবং উজ্জ্বল করে তুলবে।
​কেন অ্যালোভেরা ও চালের গুঁড়া?
​অ্যালোভেরা জেল: অ্যালোভেরাতে রয়েছে অ্যালোসিন নামক উপাদান, যা ত্বকের পিগমেন্টেশন কমাতে এবং দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য ত্বকের জ্বালাপোড়া কমায় এবং নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে, যা ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে।
​চালের গুঁড়া: চালের গুঁড়া একটি চমৎকার প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েন্ট। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, লোমকূপ পরিষ্কার করে এবং ত্বকের রঙ হালকা করতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কার্যকর।
​প্রয়োজনীয় উপকরণ:
​তাজা অ্যালোভেরা জেল: ২ চামচ (যদি তাজা অ্যালোভেরা পাতা ব্যবহার করেন, তবে জেলটি বের করে ব্লেন্ড করে নিন)
​চালের গুঁড়া: ১.৫ চামচ
​গোলাপজল: ১ চামচ (ঐচ্ছিক, মিশ্রণ পাতলা করতে)
​তৈরির পদ্ধতি:
​১. উপকরণ একত্রিত করুন: একটি পরিষ্কার বাটিতে ২ চামচ তাজা অ্যালোভেরা জেল নিন। যদি তাজা পাতা থেকে জেল বের করেন, তবে নিশ্চিত করুন যেন কোনো সবুজ অংশ না থাকে, কারণ এটি ত্বকে চুলকানি সৃষ্টি করতে পারে।
​২. চালের গুঁড়া যোগ: অ্যালোভেরা জেলের সাথে ১.৫ চামচ চালের গুঁড়া যোগ করুন।
​৩. মিশ্রণ তৈরি: এবার সমস্ত উপাদান একটি চামচ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। মিশ্রণটি খুব ঘন মনে হলে ১ চামচ গোলাপজল যোগ করে সঠিক ঘনত্বে আনুন। খেয়াল রাখবেন যেন পেস্টটি খুব বেশি পাতলা না হয়, কারণ এটি মুখে ঠিকভাবে লাগবে না।
​ব্যবহারের নিয়ম:
​১. ত্বক পরিষ্কার করুন: মাস্কটি ব্যবহারের আগে আপনার মুখ হালকা ক্লিনজার দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন এবং শুকিয়ে নিন।
​২. মাস্ক প্রয়োগ: পরিষ্কার মুখে এবং গলায় এই পেস্টটি সমানভাবে লাগান। চোখের চারপাশের সংবেদনশীল অংশ এড়িয়ে চলুন।
​৩. শুকানোর জন্য অপেক্ষা: ১৫-২০ মিনিট মাস্কটি ত্বকে রেখে দিন, যতক্ষণ না এটি কিছুটা শুকিয়ে আসে।
​৪. ধুয়ে ফেলা: মাস্কটি শুকিয়ে গেলে, হালকা গরম পানি দিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করতে করতে ধুয়ে ফেলুন। বৃত্তাকার গতিতে ম্যাসাজ করলে চালের গুঁড়া প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসেবে কাজ করবে এবং মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করবে।
​৫. ময়েশ্চারাইজ করুন: মাস্ক ধুয়ে ফেলার পর আপনার পছন্দের একটি হালকা ময়েশ্চারাইজার ত্বকে লাগিয়ে নিন, যাতে ত্বক আর্দ্র থাকে।
​কখন ব্যবহার করবেন?
​এই মাস্কটি সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করতে পারেন, এটি আপনার ত্বকের দাগ দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
​উপকারিতা:
​দাগ দূর করে: অ্যালোভেরা জেল এবং চালের গুঁড়া ত্বকের কালো দাগ, ব্রণের দাগ এবং পিগমেন্টেশন কমাতে সাহায্য করে।
​উজ্জ্বলতা বাড়ায়: এটি মৃত কোষ সরিয়ে ত্বককে নতুন জীবন দেয়, ফলে ত্বক প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল দেখায়।
​মসৃণ ত্বক: চালের গুঁড়া স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে ত্বককে মসৃণ করে।
​প্রাকৃতিক ও নিরাপদ: রাসায়নিক পণ্য থেকে দূরে থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের যত্ন নিতে এটি একটি দারুণ সমাধান।
​গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
​ত্বকে কোনো কাটা বা প্রদাহ থাকলে এই মাস্কটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
​প্রথমবার ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে প্যাচ টেস্ট করে নিন।
​এই সহজ এবং প্রাকৃতিক মাস্কটি নিয়মিত ব্যবহার করে আপনি পেতে পারেন দাগমুক্ত, উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক!

✨ ন্যাচারাল গ্লো স্কিন পেতে চান? এক মাস ধরে সপ্তাহে তিনদিন করুন এই রুটিন! ✨​প্রাকৃতিক উপায়ে উজ্জ্বল ও ঝলমলে ত্বক পেতে চা...
26/11/2025

✨ ন্যাচারাল গ্লো স্কিন পেতে চান? এক মাস ধরে সপ্তাহে তিনদিন করুন এই রুটিন! ✨
​প্রাকৃতিক উপায়ে উজ্জ্বল ও ঝলমলে ত্বক পেতে চান? তাহলে এই সহজ ও কার্যকরী রুটিনটি এক মাস ধরে সপ্তাহে তিনদিন অনুসরণ করুন এবং দেখুন আপনার ত্বকের পরিবর্তন!
​কার্যকরী প্রাকৃতিক গ্লো স্কিন রুটিন:
​১. ত্বক পরিষ্কার করা (Cleansing):
​উপকরণ: ১ চামচ বেসন, ১/২ চামচ কাঁচা দুধ/গোলাপজল।
​ব্যবহার: একটি বাটিতে বেসন ও দুধ/গোলাপজল মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি আপনার ভেজা মুখে এবং গলায় আলতো করে ম্যাসাজ করুন (বৃত্তাকার গতিতে)। ২-৩ মিনিট ম্যাসাজ করার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। বেসন প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে কাজ করে এবং মৃত কোষ দূর করে ত্বককে পরিষ্কার রাখে।
​২. এক্সফোলিয়েশন (Exfoliation):
​উপকরণ: ১ চামচ ওটমিল গুঁড়ো, ১/২ চামচ মধু, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস (সংবেদনশীল ত্বক হলে লেবুর রস বাদ দিন)।
​ব্যবহার: ওটমিল গুঁড়োর সাথে মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে একটি স্ক্রাব তৈরি করুন। পরিষ্কার ত্বকে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে আলতোভাবে ২-৩ মিনিট ম্যাসাজ করুন, বিশেষ করে T-zone (কপাল, নাক, থুতনি) এবং চিবুকে। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ওটমিল ত্বককে মৃদুভাবে এক্সফোলিয়েট করে এবং মৃত কোষ সরিয়ে নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে। মধু ত্বককে আর্দ্রতা দেয়।
​৩. ফেস মাস্ক (Face Mask):
​উপকরণ: ১ চামচ মুলতানি মাটি, ১/২ চামচ চন্দন গুঁড়ো, ১ চামচ গোলাপজল, ১/২ চামচ মধু (শুষ্ক ত্বকের জন্য)।
​ব্যবহার: একটি বাটিতে মুলতানি মাটি, চন্দন গুঁড়ো, গোলাপজল এবং মধু (যদি ব্যবহার করেন) একসাথে মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই প্যাকটি আপনার পুরো মুখে এবং গলায় evenly লাগান। ১৫-২০ মিনিট বা যতক্ষণ না প্যাকটি শুকিয়ে যায়, ততক্ষণ রেখে দিন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। মুলতানি মাটি ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল দূর করে, চন্দন গুঁড়ো উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং গোলাপজল ত্বককে সতেজ রাখে।
​৪. টোনিং (Toning):
​উপকরণ: খাঁটি গোলাপজল।
​ব্যবহার: মাস্ক ধুয়ে ফেলার পর একটি কটন প্যাডে গোলাপজল নিয়ে আপনার পুরো মুখে এবং গলায় আলতো করে ড্যাব করুন। গোলাপজল ত্বকের pH ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পোরস টাইট করতে সাহায্য করে। এটি ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল দেখায়।
​৫. ময়েশ্চারাইজিং (Moisturizing):
​উপকরণ: অ্যালোভেরা জেল (বা আপনার পছন্দের হালকা ময়েশ্চারাইজার)।
​ব্যবহার: টোনিং করার পর ভেজা ত্বকে অল্প পরিমাণে অ্যালোভেরা জেল বা আপনার নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার লাগান। এটি ত্বককে আর্দ্রতা যোগাবে এবং উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
​কার্যকরী ব্যবহারের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
​ধারাবাহিকতা: এই রুটিনটি এক মাস ধরে সপ্তাহে তিনদিন নিয়মিত অনুসরণ করুন। ভালো ফলাফলের জন্য ধারাবাহিকতা অপরিহার্য।
​পানি পান: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে (৮-১০ গ্লাস) পানি পান করুন। এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করে।
​স্বাস্থ্যকর খাবার: প্রচুর ফলমূল, শাকসবজি এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার ত্বককে ফ্রি র‍্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে।
​পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে এবং ত্বককে সতেজ রাখে।
​সূর্যের সুরক্ষা: বাইরে বের হওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, এমনকি মেঘলা দিনেও। সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট করে এবং পিগমেন্টেশনের কারণ হয়।
​প্যাচ টেস্ট: যেকোনো নতুন উপাদান ত্বকে ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে প্যাচ টেস্ট করে নিন, বিশেষ করে যদি আপনার সংবেদনশীল ত্বক হয়।
​এই রুটিনটি অনুসরণ করলে আপনার ত্বক প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল দেখাবে!

🌿 হোমমেড নিম জেল: ত্বকের যত্নে এক প্রাকৃতিক সমাধান 🌿​প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন: ব্রণ, অ্যালার্জি, চুলকা...
26/11/2025

🌿 হোমমেড নিম জেল: ত্বকের যত্নে এক প্রাকৃতিক সমাধান 🌿
​প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন: ব্রণ, অ্যালার্জি, চুলকানি, র্যাশ এবং জ্বালাপোড়া থেকে মুক্তি পেতে তৈরি করুন আপনার নিজের হাতে তৈরি নিম জেল!
​প্রয়োজনীয় উপকরণ:
​তাজা নিম পাতা: এক মুঠো বা প্রায় ৫০ গ্রাম (পরিষ্কার করে ধোয়া)
​পানি: ১ কাপ (প্রায় ২৫০ মিলি)
​অ্যালোভেরা জেল: ২-৩ চামচ (তাজা বা কেনা)
​ভিটামিন ই ক্যাপসুল: ১টি (ঐচ্ছিক, ত্বকের উপকারিতা ও সংরক্ষণের জন্য)
​টি ট্রি অয়েল: ৫-১০ ফোঁটা (ঐচ্ছিক, ব্রণের জন্য অতিরিক্ত কার্যকারিতা)
​তৈরির পদ্ধতি:
​১. নিম পাতা প্রস্তুত: প্রথমে তাজা নিম পাতাগুলো ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। নিশ্চিত করুন যেন কোনো ময়লা বা পোকামাকড় না থাকে।
​২. সিদ্ধ করা: একটি সসপ্যানে ১ কাপ পানি নিয়ে তাতে ধোয়া নিম পাতাগুলো দিন। মাঝারি আঁচে ১০-১৫ মিনিট ধরে পাতাগুলো সিদ্ধ করুন। দেখবেন পাতাগুলো নরম হয়ে যাবে এবং পানির রঙ কিছুটা সবুজ হয়ে আসবে।
​৩. ঠান্ডা ও পেস্ট তৈরি: সিদ্ধ হয়ে গেলে চুলা বন্ধ করে দিন এবং নিম ও পানির মিশ্রণটি সম্পূর্ণ ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে নিম পাতাগুলো পানি থেকে তুলে নিন (পানি ফেলে দেবেন না) এবং অল্প পানি (যে পানিতে সিদ্ধ করা হয়েছে) দিয়ে ব্লেন্ডারে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।
​৪. ছেঁকে নেওয়া: একটি পাতলা সুতির কাপড় বা ছাকনি দিয়ে নিম পেস্টটি ছেঁকে নিন। এটি করলে পাতা থেকে সব নির্যাস বের হয়ে আসবে এবং আপনি একটি পরিষ্কার, মসৃণ সবুজ তরল পাবেন। পাতা ছেঁকে নেওয়ার পর যে সবুজ তরল পাবেন, সেটিই আমাদের জেলের মূল ভিত্তি।
​৫. অ্যালোভেরা জেল যোগ: এবার ছেঁকে নেওয়া নিম পাতার তরলের সাথে ২-৩ চামচ অ্যালোভেরা জেল যোগ করুন। যদি তাজা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করেন, তবে সেটি আগে থেকেই ব্লেন্ড করে মসৃণ করে নিন।
​৬. ভিটামিন ই ও টি ট্রি অয়েল মেশানো (ঐচ্ছিক): ত্বকের উপকারিতা বাড়াতে এবং জেলটি দীর্ঘস্থায়ী করতে ১টি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে নিন। ব্রণের সমস্যা থাকলে ৫-১০ ফোঁটা টি ট্রি অয়েলও যোগ করতে পারেন।
​৭. ভালোভাবে মেশানো: সমস্ত উপাদান একসাথে খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন, যতক্ষণ না একটি মসৃণ, ঘন জেলের মতো টেক্সচার তৈরি হয়। একটি কাঁটাচামচ বা ছোট হ্যান্ড বিটার ব্যবহার করতে পারেন।
​৮. সংরক্ষণ: তৈরি হয়ে যাওয়া নিম জেলটি একটি পরিষ্কার, শুকনো এবং এয়ারটাইট পাত্রে বা কাঁচের বোতলে ভরে রাখুন। ফ্রিজে রাখলে এটি প্রায় ১-২ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকবে।
​ব্যবহারের নিয়ম:
​পরিষ্কার ত্বকে (যেখানে ব্রণ, অ্যালার্জি বা চুলকানি আছে) এই নিম জেলটি আলতো করে লাগান।
​সারারাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলতে পারেন অথবা দিনে কয়েকবার ব্যবহার করতে পারেন।
​ত্বকের জ্বালাপোড়া বা র্যাশের ক্ষেত্রে সরাসরি আক্রান্ত স্থানে লাগালে দ্রুত আরাম পাওয়া যাবে।
​উপকারিতা:
​ব্রণ কমায়: নিমের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
​অ্যালার্জি ও চুলকানি উপশম: এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণাবলী অ্যালার্জি এবং চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
​র্যাশ ও জ্বালাপোড়া কমায়: নিম ও অ্যালোভেরা ত্বকের লালচে ভাব ও জ্বালাপোড়া প্রশমিত করে।
​ত্বক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল: নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক সতেজ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল থাকে।

❄️ শীতে চিরতরে খুশকি দূর করুন: ১ মাসের প্রাকৃতিক সমাধান ❄️​শীতকালে খুশকি থেকে মুক্তি পেতে চান? তাহলে এই প্রাকৃতিক পদ্ধতি...
26/11/2025

❄️ শীতে চিরতরে খুশকি দূর করুন: ১ মাসের প্রাকৃতিক সমাধান ❄️
​শীতকালে খুশকি থেকে মুক্তি পেতে চান? তাহলে এই প্রাকৃতিক পদ্ধতিটি এক মাস ধরে সপ্তাহে তিনদিন ব্যবহার করে দেখুন। আপনার চুল হয়ে উঠবে খুশকিমুক্ত এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল!
​খুশকি দূর করার কার্যকারী পদ্ধতি:
​১. অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ও পানি মিশ্রণ:
​উপকরণ: ২ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এবং ২ চামচ পানি।
​ব্যবহার: একটি ছোট বাটিতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ও পানি ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। শ্যাম্পু করার পর এই মিশ্রণটি আপনার মাথার ত্বকে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। ৫-১০ মিনিট রেখে তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মাথার ত্বকের pH ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে এবং খুশকি সৃষ্টিকারী ছত্রাক দূর করে।
​২. নিম পাতা ও টক দই হেয়ার প্যাক:
​উপকরণ: এক মুঠো নিম পাতা এবং ৪ চামচ টক দই।
​ব্যবহার: নিম পাতা বেটে পেস্ট তৈরি করুন এবং এর সাথে টক দই মিশিয়ে নিন। এই প্যাকটি মাথার ত্বকে এবং চুলে ভালো করে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন। নিমে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণাবলী খুশকি দূর করতে সাহায্য করে, আর টক দই চুলকে ময়েশ্চারাইজ রাখে।
​৩. লেবুর রস ও নারকেল তেল:
​উপকরণ: ১টি লেবুর রস এবং ২ চামচ নারকেল তেল।
​ব্যবহার: নারকেল তেল হালকা গরম করে এর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ২০-৩০ মিনিট রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। লেবুর অ্যাসিডিক গুণ খুশকি দূর করতে সাহায্য করে, আর নারকেল তেল চুলকে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে।
​৪. টি ট্রি অয়েল ট্রিটমেন্ট:
​উপকরণ: ৫-১০ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল এবং যেকোনো ক্যারিয়ার অয়েল (যেমন: নারকেল তেল বা জোজোবা তেল) ২ চামচ।
​ব্যবহার: ক্যারিয়ার তেলের সাথে টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি সারারাত রেখে সকালে শ্যাম্পু করে নিতে পারেন অথবা ১-২ ঘণ্টা রেখেও ধুয়ে ফেলতে পারেন। টি ট্রি অয়েল একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, যা খুশকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।
​কার্যকরী ব্যবহারের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
​নিয়মিত ব্যবহার: এই পদ্ধতিগুলো এক মাস ধরে সপ্তাহে তিনদিন ব্যবহার করুন। ধারাবাহিকতা খুশকি দূর করার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
​পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা: নিয়মিত চুল ও মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখুন। কিন্তু অতিরিক্ত শ্যাম্পু করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ এটি মাথার ত্বককে শুষ্ক করে দিতে পারে।
​সঠিক শ্যাম্পু: একটি মাইল্ড, সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে খুশকি-বিরোধী শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন, তবে প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে।
​স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন: পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন, পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন চুল ও মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।
​গরম পানির ব্যবহার এড়িয়ে চলুন: অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ এটি মাথার ত্বককে শুষ্ক করে খুশকির সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। হালকা গরম বা ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
​চিরুনি পরিষ্কার রাখুন: আপনার চিরুনি এবং চুলের ব্রাশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন, যাতে জীবাণু না ছড়ায়।
​মনে রাখবেন: প্রতিটি মানুষের ত্বকের ধরন ভিন্ন। তাই কোনো নতুন পদ্ধতি শুরু করার আগে আপনার ত্বকের একটি ছোট অংশে পরীক্ষা করে নিতে পারেন। যদি কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, তাহলে ব্যবহার বন্ধ করুন এবং চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

🛑বেস্ট হেয়ার সিরাম ‼️চুলকে সফট,সাইনি,সিল্কি করবে এই হেয়ার সিরাম।
26/11/2025

🛑বেস্ট হেয়ার সিরাম ‼️
চুলকে সফট,সাইনি,সিল্কি করবে এই হেয়ার সিরাম।

🌿 হোমমেড হারবাল হেয়ার সিরাম: চুল সিল্কি ও শাইনি করার গোপন রহস্য 🌿​শ্যাম্পু করার পর ভেজা চুলে এই সিরামটি ব্যবহার করে পান...
26/11/2025

🌿 হোমমেড হারবাল হেয়ার সিরাম: চুল সিল্কি ও শাইনি করার গোপন রহস্য 🌿
​শ্যাম্পু করার পর ভেজা চুলে এই সিরামটি ব্যবহার করে পান সিল্কি, শাইনি এবং মজবুত চুল! এটি চুল পড়া কমাতেও দারুণ কার্যকরী।
​প্রয়োজনীয় উপকরণ:
​অ্যালোভেরা জেল: ৪ চামচ (তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে সরাসরি জেল বের করে নিলে সবচেয়ে ভালো হয়)
​নারকেল তেল: ২ চামচ (ভার্জিন নারকেল তেল হলে আরও ভালো)
​ভিটামিন ই ক্যাপসুল: ২টি (ক্যাপসুল কেটে তেল বের করে নিন)
​ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল (ঐচ্ছিক): ৫-১০ ফোঁটা (সুন্দর সুগন্ধ এবং চুলের বৃদ্ধির জন্য)
​রোজমেরি এসেনশিয়াল অয়েল (ঐচ্ছিক): ৫-১০ ফোঁটা (চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে)
​গোলাপজল (ঐচ্ছিক): ১ চামচ (সিরামের ঘনত্ব এবং সুগন্ধের জন্য)
​তৈরির পদ্ধতি:
​১. উপকরণ একত্রিত করুন: একটি পরিষ্কার বাটিতে ৪ চামচ অ্যালোভেরা জেল নিন। যদি তাজা অ্যালোভেরা ব্যবহার করেন, তবে জেলটি ভালোভাবে ব্লেন্ড করে মসৃণ করে নিন যাতে কোনো দলা না থাকে।
​২. তেল যোগ করুন: অ্যালোভেরা জেলের সাথে ২ চামচ নারকেল তেল এবং ২টি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল যোগ করুন।
​৩. এসেনশিয়াল অয়েল যোগ করুন (ঐচ্ছিক): যদি ব্যবহার করতে চান, তাহলে ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল এবং রোজমেরি এসেনশিয়াল অয়েল ৫-১০ ফোঁটা করে মিশিয়ে দিন। এটি সিরামের কার্যকারিতা ও সুগন্ধ বৃদ্ধি করবে।
​৪. গোলাপজল মেশান (ঐচ্ছিক): সিরামের ঘনত্ব এবং একটি হালকা সুগন্ধের জন্য ১ চামচ গোলাপজল যোগ করতে পারেন।
​৫. ভালোভাবে মেশান: এবার সমস্ত উপাদান একটি চামচ বা ছোট হ্যান্ড বিটার দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন, যতক্ষণ না এটি একটি মসৃণ এবং সমজাতীয় সিরামে পরিণত হয়। মিশ্রণটি যেন পুরোপুরি এক হয়ে যায়, কোনো দলা না থাকে।
​৬. সংরক্ষণ: তৈরি সিরামটি একটি পরিষ্কার, শুকনো এয়ারটাইট বোতলে ভরে রাখুন। আপনি এটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন, এতে এটি ১-২ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকবে।
​ব্যবহারের নিয়ম:
​শ্যাম্পু করার পর চুল তোয়ালে দিয়ে হালকা শুকিয়ে নিন, যাতে চুল ভেজা থাকে কিন্তু পানি ঝরতে না থাকে।
​আপনার হাতের তালুতে সিরামের অল্প পরিমাণ নিন (চুলের দৈর্ঘ্য ও ঘনত্বের উপর নির্ভর করে)।
​সিরামটি হাতের তালুতে ঘষে হালকা গরম করে নিন।
​এবার চুলের মধ্যভাগ থেকে শুরু করে আগা পর্যন্ত আলতোভাবে সিরাম লাগান। চুলের গোড়ায় লাগানোর প্রয়োজন নেই।
​চুলে সিরাম লাগানোর পর আঁচড়ে নিন, এতে সিরাম evenly distribute হবে।
​সিরাম লাগানোর পর চুল স্বাভাবিকভাবে শুকিয়ে নিন অথবা হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করুন।
​উপকারিতা:
​সিল্কি ও শাইনি চুল: অ্যালোভেরা এবং নারকেল তেল চুলকে নরম ও উজ্জ্বল করে তোলে।
​চুল পড়া কমায়: ভিটামিন ই এবং রোজমেরি এসেনশিয়াল অয়েল চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
​পরিবেশ দূষণ থেকে সুরক্ষা: এই সিরাম চুলকে পরিবেশের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে রক্ষা করতে একটি সুরক্ষা স্তর তৈরি করে।
​নিয়মিত ব্যবহারে: আপনার চুল হবে আরও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল, মসৃণ এবং ঝলমলে।

🌿 হোমমেড অ্যালোভেরা শ্যাম্পু: আপনার চুলের যত্নে প্রাকৃতিক সমাধান 🌿​নিজেই তৈরি করুন আপনার চুলের জন্য একটি শক্তিশালী হারবা...
26/11/2025

🌿 হোমমেড অ্যালোভেরা শ্যাম্পু: আপনার চুলের যত্নে প্রাকৃতিক সমাধান 🌿
​নিজেই তৈরি করুন আপনার চুলের জন্য একটি শক্তিশালী হারবাল শ্যাম্পু, যা চুল পড়া কমাবে এবং চুলকে করবে মজবুত!
​প্রয়োজনীয় উপকরণ:
​অ্যালোভেরা: ১টি বড় পাতা
​পানি: ১ লিটার
​কারি পাতা: ১০ গ্রাম
​মেথি: ৩০ গ্রাম
​গ্লিসারিন: ৩ চামচ
​ভিটামিন ই ক্যাপসুল: ৪টি
​থিকনার + শাইনার: (গ্লিসারিনের সাথে মেশানোর জন্য)
​শ্যাম্পু বেইজ: ১০ মিলি
​তৈরির পদ্ধতি:
​১. অ্যালোভেরা প্রস্তুত: প্রথমে অ্যালোভেরা পাতাটি কেটে নিন এবং এক ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে অ্যালোভেরার হলুদ কষ দূর হয়ে যাবে।
​২. উপাদান মিশ্রণ ও জ্বাল: একটি পাত্রে ১ লিটার পানি, কেটে রাখা অ্যালোভেরা, ১০ গ্রাম কারি পাতা এবং ৩০ গ্রাম মেথি একসাথে মেশান। এবার এই মিশ্রণটি কম আঁচে এক ঘণ্টা ধরে জ্বাল দিন।
​৩. ঠান্ডা ও ছেঁকে নেওয়া: এক ঘণ্টা পর চুলা থেকে নামিয়ে মিশ্রণটি ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে হাত দিয়ে ভালো করে কচলিয়ে নিন, যাতে অ্যালোভেরার জেল এবং অন্যান্য উপাদানের নির্যাস পানিতে মিশে যায়। এরপর একটি পরিষ্কার কাপড় বা ছাকনি দিয়ে ভালোভাবে ছেঁকে নিন, যাতে কোনো কঠিন অংশ না থাকে।
​৪. গ্লিসারিন ও ভিটামিন ই যোগ: ছেঁকে নেওয়া তরলের সাথে ৩ চামচ গ্লিসারিন এবং ৪টি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে নিন।
​৫. থিকনার + শাইনার মিশ্রণ: একটি আলাদা পাত্রে থিকনার এবং শাইনার গ্লিসারিনের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।
​৬. চূড়ান্ত মিশ্রণ: গ্লিসারিনের সাথে মেশানো থিকনার-শাইনার পেস্টটি অ্যালোভেরা মিশ্রণের সাথে যোগ করুন। এরপর এতে ১০ মিলি শ্যাম্পু বেইজ দিয়ে সবকিছু একসাথে খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন, যতক্ষণ না একটি সমজাতীয় মিশ্রণ তৈরি হয়।
​৭. সংরক্ষণ ও ব্যবহার: তৈরি হয়ে যাওয়া শ্যাম্পুটি একটি পরিষ্কার বোতলে ভরে সারারাত ঠান্ডা স্থানে বা রেফ্রিজারেটরে রাখুন, যাতে এটি ভালোভাবে সেট হয়।
​ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল আপনার নিজস্ব হোমমেড অ্যালোভেরা শ্যাম্পু!
​এই প্রাকৃতিক শ্যাম্পুটি আপনার চুল পড়া কমাতে সাহায্য করবে, চুলের গোড়া মজবুত করবে এবং চুলকে দেবে এক ঝলমলে স্বাস্থ্যকর লুক।
​যদি এই প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে ছবির মাধ্যমে দেখতে চান, তবে আমাকে বলতে পারেন। যেমন, শ্যাম্পু তৈরির বিভিন্ন ধাপের ছবি:

Address

Dhaka
1236

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cosmetics Makeup Beauty & Health Product posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram