Khan Dental Care

Khan Dental Care Our Services
>>Tooth Scaling
>>Tooth Polishing
>>Root canal Treatment(RCT)
>>Amalgam Filling
>>Light

Best of luck, it's a fantastic grocery shop.
05/01/2023

Best of luck, it's a fantastic grocery shop.

09/09/2019

Need a female doctor for female patient

09/09/2019

We need a BDS female doctor

Dentistry is a branch of medicine that consists of the study, diagnosis, prevention, and treatment of diseases, disorder...
04/10/2018

Dentistry is a branch of medicine that consists of the study, diagnosis, prevention, and treatment of diseases, disorders and conditions of the oral cavity.

★★★★★ · Dental Clinic · Hospital Rd

06/01/2017

স্কেলিং কি???
স্কেলিং দাঁতের এক বিশেষ পরিষ্কার পদ্ধতি যা আপনার দাঁতের গোঁড়ায় জমে থাকা প্লাক ক্যালকুলাস(দাঁতের চারপাশে জমা পাথর) এক বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে দূর করে। দীর্ঘদিন এরকম জমে থাকা প্লাক ক্যালকুলাস যদি দূর করা না যায় তবে তা দাঁতে সংক্রমণের সৃষ্টি করে ফলে মাড়ি নরম হয়ে যায় যার পরিনতিতে জিনজিভাইটিস পেরিওডনটাইটিস রোগ দেখা দেয় এমনকি দাঁত পড়েও যেতে পারে।
নিয়মিত স্কেলিং কেন প্রয়োজনীয়??
আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তা দাঁতের চারপাশে জমা হয়। যদি আমরা সঠিক পদ্ধতিতে ও নিয়মিতভাবে দাঁত পরিষ্কার না করি তাহলে এসব খাদ্যকনাগুলো দাঁতের আবরন “পেরিওডেনটাল মেমব্রেনের” উপর শক্ত হয়ে জমে থাকে।এভাবে জমে জমে একসময় পাথরের মতো সৃষ্টি করে।একে ডেন্টাল সাইন্সে ক্যালকুলাস বলে।এইসব পাথর দীর্ঘদিন জমে থাকলে তা একসময় দাঁতের মেমব্রেনটিকে নষ্ট করে ফেলে এবং দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ যেমন জিনজিভাইটিস পেরিওডনটাইটিস, মাড়ি হতে রক্ত পড়া, মুখে দুর্গন্ধ, দাঁত শিরশির সহ নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন যদি এই জমে থাকা ক্যালকুলাস প্ল্যাক রিমুভ না করা হয় তাহলে একসময় ঐ দাঁতে ক্যারিজ হয়ে যায়। তাই এই ক্যালকুলাস রিমুভ করার জন্যে প্রতি ছয় মাস পরপর একজন অভিজ্ঞ ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। তিনি আপনার দাঁত পরীক্ষা করে বলবে আপনার দাঁত স্কেলিং করা দরকার কিনা? এছাড়াও আমাদের দেশে অনেকে তামাক জাতীয় দ্রব্য যেমন বিড়ি সিগারেট পান সাদা পাতা জর্দা গুল সেবন করে যার ফলে দাঁতে বিশেষ করে সামনের দাঁতে কালো বা বাদামি দাগ পড়ে। প্রাথমিক অবস্থায় এইসব দাগ দূর করার জন্যে স্কেলিং খুবই আবশ্যক। সুতরাং স্কেলিং করলে দাঁত দুর্বল হয় না বরং তা মাড়ির রোগকে প্রতিরোধ করে যাতে মাড়ি হতে রক্ত পড়া, মুখে দুর্গন্ধ, দাঁত শিরশির করা ইত্যাদি সবই ঠিক হয়ে যায়।
ক্যালকুলাস কিভাবে গঠিত হয়???
প্লাক হচ্ছে আঠালো, নরম ব্যাকটেরিয়া ও খাদ্যকণার সমষ্টি যা দাঁতের উপর ক্রমাগত তৈরী হতে থাকে। ব্যাক্টিরিয়া ওখানে অবস্থান নেয় এবং দ্রুত বংশ বৃদ্ধি করে এবং মাড়িতে সংক্রমণ করে, ফলে মাড়ি নরম হয়। যদি দাঁতের প্লাক ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্রাশ করে পরিষ্কার না করা হয় ওগুলো জমে ক্যালকুলাস বা পাথরে পরিণত হয়। ক্যালকুলাস কখনো সাধারণ ব্রাশ এর মাধ্যমে রিমুভ করা সম্ভব নয়। একমাত্র স্কেলিং এর মাধ্যমে এই ক্যালকুলাস রিমুভ করা যায়।
ঠাণ্ডা গরম বা মিষ্টি জাতীয় খাবারে কখন আপনার দাঁত শিরশির করে উঠে?????
আমাদের দাঁতের সর্ববহিঃস্থ আবরন এনামেল সম্পূর্ণ সংবেদনহীন।কিন্তু এনামেলের নীচের আবরনগুলো বেশ সংবেদনশীল। আমরা যে খাবার খাই তা যদি নিয়মিত পরিষ্কার না করা হয় তাহলে একসময় দাঁতে প্ল্যাক, ক্যারিজ, পাথর জমে এনামেলের আবরন টিকে দুর্বল করে ফেলে। ফলে সংবেদনশীল অংশ গুলো বের হয়ে আসে। উপরোক্ত সমস্যার কারনে আমরা ঠাণ্ডা গরম বা মিষ্টি জাতীয় খাবারে দাঁত বেশ শিরশির করতে থাকে। তাই দাঁত প্রতিদিন দুইবার সঠিক নিয়মে ব্রাশের পাশাপাশি ছয় মাস পরপর একজন অভিজ্ঞ ডেন্টিস্ট এর পরামর্ষে স্কেলিং করে নেওয়া উচিৎ।নুতবা অবহেলায় হয়তো দাঁত নষ্ট হওয়া ছাড়াও মুখের ক্যান্সার দেখা দিতে পারে।
স্কেলিং নিয়ে সাধারণ মানুষের কিছু ভ্রান্ত ধারনা????
স্কেলিং করলে দাঁত ফাঁক হয়ে যায় বা যাবে কিনা??মুলত দীর্ঘদিন ধরে দাঁতের চারপাশে প্রচুর পরিমাণে পাথর জমার ফলে রোগী অনেক সময় ভুলেই যায় স্বাভাবিক অবস্থায় তার দাঁত কেমন ছিল। দুই দাঁতের মাঝে স্বাভাবিক যে স্পেস থাকে তাও রোগী অনেক সময় বুঝতে চায় না। সে কারণে স্কেলিং করার পর যখন পাথর অপসারিত হয় তখন রোগীদের মাঝে কেউ কেউ হয়তো বলে থাকেন স্কেলিং করার পর তার দাঁত ফাঁক হয়ে গেছে।
স্কেলিং করার কারণে দাঁত পাতলা হয়ে যায় কিনা??আসলে স্কেলিং করার পর পাথর যখন অপসারিত হয় তখন সব রোগীই মুখে সজীবতা অনুভব করেন আবার পাথর থাকার কারণে মুখে যে ভারি ভারি ভাব থাকত তা চলে গিয়ে রোগী হালকা অনুভব করতে থাকেন। এই অনুভূতিকেই অনেক রোগী বলে থাকেন তাঁর দাঁত পাতলা হয়ে গেছে।
স্কেলিং করার ফলে দাঁতের এনামেলের ক্ষতি হয় কিনা??
স্কেলিং এর সময় দাঁতের উপরের থাকা দাগ, দাঁতের মাঝে জমে থাকা পাথর গুলো বিশেষ আলট্রাসাউন্ড যন্ত্রের মাধ্যমে পরিষ্কার করা হয়।সুতরাং এনামেলের ক্ষতির কোন প্রশ্নই আসে না।
সুতরাং দাঁতের রোগ প্রতিরোধে দাঁতের স্কেলিংয়ে সবার সচেতন হওয়া জরুরী।

দাঁত ব্যথায় ফিলিং না রুট ক্যানেল???‘ডাক্তার সাহেব দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা, নাওয়া-খাওয়া আজ ৩ দিন যাবৎ বন্ধ হয়ে গেছে, একটু ফিল...
05/01/2017

দাঁত ব্যথায় ফিলিং না রুট ক্যানেল???
‘ডাক্তার সাহেব দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা, নাওয়া-খাওয়া আজ ৩ দিন যাবৎ বন্ধ হয়ে গেছে, একটু ফিলিং করে দেনতো।
আমাদের দেশে বেশিরভাগ রোগীর মুখেই এই কথাটি শোনা যায়। তবে এ কথাটির মধ্যে যে ভুলটি রয়েছে, তা হলো দাঁতের সঠিক চিকিৎসা সম্বন্ধে রোগীর ভুল ধারণা। আর এই ধারণাটি হল দাঁতটিতে ফিলিং করা হবে নাকি রুট ক্যানেল চিকিৎসা করা হবে।
দাঁতে তিনটি স্তর থাকে। প্রথম স্তর এনামেল, দ্বিতীয় স্তর ডেন্টিন এবং সর্বশেষ এবং মাঝের স্তরের নাম পাল্প বা দন্তমজ্জা। যখন দাঁতে ক্যারিজ বা দন্তক্ষয় হতে শুরু করে তখন প্রথমে তা এনামেল দিয়ে শুরু করে। পরবর্তীতে যথাক্রমে নিচের দিকে বিস্তার লাভ করে। এই দন্তক্ষয় যখন ডেন্টিন পর্যন্ত পৌঁছায় তখন দাঁতে ফিলিং দিয়ে দাঁতটি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়। এক্ষেত্রেও কথা আছে যদি দেখা যায় দাঁতটি বেশি Sensitive -এবং দন্তক্ষয় প্রায় দন্তমজ্জার কাছাকাছি তখন দাঁতে ফিলিং এর নিচে Subbase হিসাবে এরকম material দেয়া হয় যাতে ঠান্ডা, গরম এবং অন্যান্য খাবারের অনুভূতি বেশি না হয়। ঐ material, Secondary Dentine Form করে দন্তমজ্জা রক্ষা করে।তারপর Permanent Filling দিয়ে দেয়া হয়।
কিন্তু যদি দেখা যায় দাঁতের সংক্রমণ ডেন্টিনকে ছাড়িয়ে Pulp বা দন্তমজ্জাকে ছুঁয়ে গেছে সেক্ষেত্রে আর Filling করা চলবে না। যদি কেউ ভুল করে কোন ফিলিং দেয়, তবে সেখানে ব্যথা আরো বেশি হবে এবং দাঁতের মধ্যে পচন বা পুঁজ তৈরি হবে। পচন গুলো বাইরে বের হতে না পেরে দাঁতের গোড়া দিয়ে জমা হবে এবং দাতের গোড়া ফুলে যেতে পারে এবং Sinus দিয়ে তার পুঁজ বের হয়ে আসবে। যা হোক এ ক্ষেত্রে তখন Patient-এর ঐ দাঁতে Root Canal করতে হবে। Root Canal হচ্ছে ঐ দাঁতের উপযুক্ত চিকিৎসা। এক্ষেত্রে Root Canal -এর আগে ঐ দাঁতের একটা এক্সরে করে দাঁতের অবস্থা সম্বন্ধে ভালভাবে বুঝে নিতে হবে।
প্রিয় পাঠকবৃন্দ এবারে বুঝলেন তো রুট ক্যানেল এবং ফিলিং-এর পার্থক্য। তাই দাঁতের উপযুক্ত পরামর্শ নিয়ে আপনার দাঁতের সুচিকিৎসা করান। সময় থাকতে দাঁতকে বাঁচান-দাঁতকে মর্যাদা দিন।
Khan Dental Care: 01718323415

***চলুন জানা যাক ফোকলা দাতের চিকিৎসা ডেন্টাল ক্যাপ এবং ব্রিজ সম্পর্কে***বয়সের কারণে দাঁত পড়ে যাক আর ক্যারিজ বা দন্তক্ষয় ...
03/01/2017

***চলুন জানা যাক ফোকলা দাতের চিকিৎসা ডেন্টাল ক্যাপ এবং ব্রিজ সম্পর্কে***
বয়সের কারণে দাঁত পড়ে যাক আর ক্যারিজ বা দন্তক্ষয় হয়ে দাঁত তুলে ফেলতে হোক কিংবা আঘাতে দাঁত ভেঙে যাক_এখন আর ফোকলা দাঁতে থাকার প্রয়োজন নেই। এসব ক্ষেত্রে এখন খুবই ভালো চিকিৎসা বাংলাদেশে হচ্ছে।
না, শুধু নকল বা আলগা দাঁতের কথা বলা হচ্ছে না।অনেক আগে হয়তো এ রকম ক্ষেত্রে নকল দাঁত বসানো ছাড়া উপায় ছিল না, কিন্তু এখন নকল বা আলগা দাঁত ছাড়াও স্থায়ীভাবে প্রতিস্থাপন করা যায় দাঁত। এ দাঁতগুলো কেবল দেখতেই আসল দাঁতের মতো নয়, যথেষ্ট শক্ত এবং আসল দাঁতের মতোই স্থায়ী।
রিমুভেবল(আলগা) ডেনচার বা নকল দাঁত প্রতিদিন খুলে পরিষ্কার করতে হয়। সাধারণত প্লাস্টিক ম্যাটেরিয়াল অ্যাক্রাইলিক রেসিন দিয়ে এগুলো তৈরি করতে হয়। মেটাল দিয়েও তৈরি করা যায়। তবে আমাদের দেশে মেটাল দিয়ে এ রকম দাঁত খুব বেশি তৈরি হয় না। কারণ, মেটালের তৈরি অস্থায়ী দাঁত বসাতে অনেক খরচ। অনেক সময় দেশের বাইরে থেকে অর্ডার দিয়ে তৈরি করে আনতে হয়।
সাধারণত মাঢ়ির শেষদিকে যদি আর কোনো দাঁত না থাকে তবে এ রকম নকল দাঁত তৈরি করার প্রয়োজন হয়। এখন ইমপ্লান্ট করেও ওই ফাঁকা স্থানে দাঁত বসানো যায়। তবে খরচের কারণে বাংলাদেশে ডেন্টাল ইমপ্লান্ট এখনো জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। দাঁতপ্রতি প্রায় ৩৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ করতে এখনো মানুষ অভ্যস্ত হয়ে ওঠেনি। দ্বিতীয়ত, ইমপ্লান্ট করতে বেশ কিছু দিন সময় (ছয় মাস পর্যন্ত) সময় লাগতে পারে। কিন্তু যাঁদের দাঁত পড়ে যায়, বিশেষ করে সামনের দিকের দাঁত, তাঁদের পক্ষে এই দীর্ঘ সময় দন্তহীন অবস্থায় থাকা খুবই বিব্রতকরও অসুবিধাজনক। তাই অনেকেই ইমপ্লান্ট করতে আগ্রহী হন না।
তবে মাঢ়ির শেষদিকে বা দাঁত পড়ে যাওয়া স্থানের দুই পাশে যদি দাঁত থাকে সে ক্ষেত্রে স্থায়ীভাবে দাঁত বসানো যায়, যা ডেন্টাল ব্রিজ নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ডেন্টাল ইমপ্লান্টের চেয়ে কম খরচে এবং কম সময়ে বসানো যায়। এ ক্ষেত্রে সাধারণত পাশের দুটি দাঁতকে সাপোর্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন_কারো যদি সামনের দিকের দুটি দাঁত পড়ে গিয়ে থাকে, তবে ডেন্টাল ব্রিজ করতে দুই পাশের দুটি দাঁতকে সাপোর্ট হিসেবে নেওয়ার কারণে দাঁত বসাতে হবে প্রকৃতপক্ষে চারটি। পাশের দাঁতের সাপোর্ট নিতে হয় বলেই এটি ডেন্টাল ব্রিজ নামে পরিচিত। সঠিক নিয়মে করা হলে ডেন্টাল ব্রিজ আসল দাঁতের মতোই স্থায়ী। অনেক ক্ষেত্রে ডেন্টাল ব্রিজের ক্ষেত্রে যেসব দাঁত সাপোর্ট হিসেবে নেওয়া হয়, সেগুলো রুট ক্যানাল ট্রিটমেন্ট করে নেওয়ার প্রয়োজন হয়। কখনো কখনো সাপোর্ট হিসেবে বেশ কয়েকটি দাঁতকে বেছে নেওয়া হয়। এটা নির্ভর করে রোগীর মুখের দাঁতের অবস্থান, রোগীর ডেন্টাল হেলথ, শারীরিক অন্যান্য অবস্থা ইত্যাদির ওপর।
ডেন্টাল ব্রিজ করলে মুখের আকৃতি স্বাভাবিক থাকে। চাপা বসে যাওয়া বা গাল ভেতরে ঢুকে গিয়ে চেহারায় যে বয়সীভাব আসে, তা-ও ঠেকানো যায়।
ব্রিজ আপনা-আপনি খুলে যায় না বা রোগী নিজে খুলতে পারেন না। তাই কোনো অসতর্ক মুহূর্তে বা খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ ডেনচারের মতো খুলে গিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ারও কোনো ভয় নেই। যদি কখনো খোলার প্রয়োজন হয় বা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, তবে ডেন্টিস্ট তা করতে পারবেন।
অন্যদিকে ডেন্টাল ক্যাপ ব্রিজের মতোই। সাধারণত একটি দাঁতে যখন ক্যাপ পরানো হয়, সেটা ডেন্টাল ক্যাপ নামে পরিচিত। ক্যাপের ক্ষেত্রে ফাঁকা স্থান ভরাট করার ব্যাপার নেই। ক্ষয়রোগে বা অন্য কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দাঁতটিকে কর্মক্ষম করতে এই ক্যাপ পরাতে হয়। সে ক্ষেত্রে অন্য কোনো দাঁতের সাপোর্ট নিতে হয় না।
এখন সময় পাল্টে গেছে। মানুষ সচেতন হয়েছে। অস্থায়ী দাঁত নয়, মানুষ এখন স্থায়ীভাবে দাঁত বসাতে আগ্রহী বেশি। তাই ডেন্টাল ক্যাপ ও ব্রিজ হচ্ছে তাদের জন্য প্রথম পছন্দ।

এই ৮টি স্বাস্থ্যকর খাবার সকালের নাস্তায় রাখুন।*★*★*★*★*★*★*★*★*★*★*★*★*★*সকালের নাস্তায় আপনি কী খাবার খান? রুটি, পরোটা ন...
29/09/2016

এই ৮টি স্বাস্থ্যকর খাবার সকালের নাস্তায় রাখুন।
*★*★*★*★*★*★*★*★*★*★*★*★*★*

সকালের নাস্তায় আপনি কী খাবার খান? রুটি, পরোটা নাকি ওটস? স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই ফল, ডিম, অথবা ওটস দিয়ে দিনের শুরু করে থাকেন। সকালের খাবার আপনাকে সারাদিনের কাজের শক্তি প্রদান করে। তাই দিনের শুরুতে এমন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত যা আপনাকে সারাদিন কাজে শক্তি দেবে। ভারী খাবার, অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার সকালে না খাওয়াই ভাল। এর পরিবর্তে খেতে পারেন এই খাবারগুলো।

১। জাম্বুরা
সকালের নাস্তায় অনেকেই ফল খেয়ে থাকেন। তারা খুব সহজেই নাস্তায় জাম্বুরা রাখতে পারেন। দেশি এই ফলটা আপনার ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করবে। গবেষণায় দেখা গেছে খাবারের আগে অর্ধেকটা জাম্বুরা খেলে খাওয়ার রুচি অনেকখানি কমিয়ে দেয়। এছাড়া এটি শরীর দীর্ঘসময় হাইড্রেটেড রাখে।

২। ডিম
দিনের শুরুটা প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ডিম দিয়ে শুরু করুন। আপনার যদি মিষ্টি খাবারের প্রতি দুর্বলতা থাকে, তবে সকালে ডিম খান। এটি সারাদিনে কাজের এনার্জি দেবে, তার সাথে মিষ্টি খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমিয়ে দেবে।

৩। টকদই
টকদই শুধু ক্যালসিয়ামের উৎস নয়, এটি অনেকগুলো মিনারেল যেমন ফসফরাস, ভিটামিন বি১২, পটাসিয়াম, এবং জিঙ্কের অন্যতম উৎস। টকদইতে থাকা ভাল ব্যাকটেরিয়া হজমশক্তি বৃদ্ধি করে থাকে।

৪। কাজুবাদাম
কাজুবাদাম শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে ভাল কোলেস্টেরল তৈরি করতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় এক মুঠো কাজুবাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৫। ওটমিল
ওটমিলে বিটা গ্লুকোন জাতীয় দ্রবণীয় আঁশ রয়েছে যা হাইপারটেশন এবং কলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ওটমিল পেট ভরা রেখে সারাদিনে কাজের শক্তি দিয়ে থাকে। এটি ওজন হ্রাস করতেও সাহায্য করে।

৬। কলা
সকালে নাস্তার সাথে একটি কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন। কলার পটাসিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ডিমের মত কলাও সারাদিনের কাজে শক্তি দিয়ে থাকে।

৭। স্ট্রবেরি
ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড এবং ফাইবার সমৃদ্ধ স্ট্রবেরি আপনার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে। চেষ্টা করুন ওটস অথবা সালাদের স্ট্রবেরি রাখার। স্ট্রবেরি মিল্কশেকও সকালের নাস্তায় খেতে পারেন।

৮। গ্রিন টি
সবুজ চায়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ফ্ল্যাভোনয়েড নামক পরিচিত রয়েছে। এটি ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে। তাই সকালে নাস্তার সাথে এক কাপ গ্রিন টি পান করুন।

দাঁতের  যত্নঃআমরা যখন দাঁত ব্রাশ করি অথবা আপেল কিংবা  পেয়ারা খাই, তখন আমাদের অনেকের মুখ থেকে বা মাড়ি দিয়ে রক্ত বের হয়...
16/07/2016

দাঁতের যত্নঃ
আমরা যখন দাঁত ব্রাশ করি অথবা আপেল কিংবা পেয়ারা খাই, তখন আমাদের অনেকের মুখ থেকে বা মাড়ি দিয়ে রক্ত বের হয়। অথচ, আমরা যদি একটু সচেতন হয় তাহলে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারি। অনেক গুলো কারণে দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত ঝরতে পারে। দাঁতে পাথর জমলে, মাড়িতে ইনফেকশন থাকলে, অন্য কোনো রোগের কারণে, ভিটামিন সি এর অভাবে, জোরে জোরে দাঁত ব্রাশ করলে, শক্ত ব্রাশ বা নিম্নমানের ব্রাশ ব্যবহার করলেও মাড়ি দিয়ে রক্ত বের হতে পারে। আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তা দাঁতের চারপাশে জমে থাকে।
যদি ঠিক মত দাঁত পরিষ্কার না করা হয় তবে এসব খাদ্যকণা দাঁতের আবরণের ওপর শক্ত হয়ে পাথরের মতো হয়। এসব পাথর দীর্ঘদিন দাঁতে জমে থাকলে দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ, মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, মুখের দুর্গন্ধ, দাঁত শিরশিরসহ অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে। আসুন, এখন সমাধান নিয়ে আলোচনা করি।
১! দিনে অন্তত দু’বার দাঁত ব্রাশ করবেন। সকালে নাস্তা খাওয়ার পর একবার আর রাতে ভাত খাওয়ার পর আরেকবার।
২! ব্রাশ করার জন্য উন্নতমানের ট্রুথ ব্রাশ ব্যবহার করবেন। কয়লা, গুল, টুথ পাউডার, ছাই, গাছের ডাল, গাছের পাতা ইত্যাদি ব্যবহার করবেন না।
পান-সুপারি খাবেন না, আর খেলে দাঁত ক্ষয় হয়ে যেতে পারে। সম্ভব হলে এন্টিসেপ্টিক মাউথওয়াশ দিয়ে প্রতিদিন একবার ৩০ সেকেন্ড ধরে কুলিকচি করবেন।
৩! ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল খাওয়ার চেষ্টা করবেন। লেবু, আমলকী, কমলা, টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। ভিটামিন সি দাঁত ও মাড়ির জন্য উপকারী। আর যেকোনো ধরনের খাবার-দাবারের পর অবশ্যই পানি দিয়ে কুলি করবেন।
এখন আপনাকে যেই কাজটা করতে হবে তা হলোঃ আপনি আয়নার সামনে যাবেন, তারপর দাঁতের গোড়ায় কোনো সাদা বা বাদামী প্লাক বা পাথর কিছু দেখা যায় কিনা, তা পরীক্ষা করবেন। যদি দেখা যায়, তবে আগামীকাল বিকালে একজন অভিজ্ঞ ডেন্টিস্টের সাথে যোগাযোগ করে স্কেলিং করিয়ে নিবেন। আশা করি, এরপর মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ হবে এবং এর সাথে সাথে মুখের দুর্গন্ধও দূর হয়ে যাবে। স্কেলিং করার পর ওপরের পরামর্শগুলো মেনে চলবেন।
আজ থেকে আমাদের স্লোগান হোক, “সুন্দর দাঁত, সুন্দর হাসি”
# # খান ডেন্টাল কেয়ার # #

কারো দা‌তে সমস্যা হ‌লে আমার মত দা‌তের ডাক্তা‌রের কা‌ছে যা‌বেন
02/05/2016

কারো দা‌তে সমস্যা হ‌লে আমার মত দা‌তের ডাক্তা‌রের কা‌ছে যা‌বেন

দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম না বোঝাআমাদের সবচাইতে বড় বাজেঅভ্যাস। দাঁত আমাদের দেহ ওস্বাস্থ্যের জন্য কতোটাউপকারী তা আমরা দাঁত হ...
05/04/2016

দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম না বোঝা
আমাদের সবচাইতে বড় বাজে
অভ্যাস। দাঁত আমাদের দেহ ও
স্বাস্থ্যের জন্য কতোটা
উপকারী তা আমরা দাঁত হারাতে
শুরু করলেই বুঝে থাকি। কিন্তু
ততোক্ষণে অনেক বেশি দেরি
হয়ে যায়। তাই দাঁতের যত্নে
সচেতন হওয়া উচিত আগে
থেকেই। ছোটো বড় সকলেরই
গড়ে তোলা উচিত দাঁতের যত্নে
কিছু ভালো অভ্যাস।
১) প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে
উঠে এবং রাতে ঘুমানোর আগে
টুথপেস্ট ও ব্রাশ দিয়ে ওপর
থেকে নিচে এবং নিচ থেকে
ওপরের দিকে ভালো করে দাঁত
ব্রাশ করে নেবেন। এবং দাঁতের
ভেতর দিকেও ভালো করে
মাজবেন।
২) যেসব জায়গা ব্রাশ দিয়ে
পরিষ্কার করা সম্ভব নয় সেসব
জায়গায় ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার
করবেন। এবং মাড়ির সুরক্ষায়
জিহ্বাও পরিষ্কার করে নেবেন।
৩) বিশেষ বিশেষ খাবার যেমন-
পাউরুটি, বিস্কুট, কেক, চকলেট-
লজেন্স, আইসক্রিম ইত্যাদি
খাওয়ার পর খুব ভালো করে দাঁত
পরিষ্কার করে নেবেন। তা না হলে
ক্যাভিটি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে
যায়।
৪) ফ্লোরাইড যুক্ত যে কোনো
টুথপেস্ট দাঁতের জন্য বেশ
উপকারী। দু-তিন মাস পর পর
টুথপেস্টের ব্র্যান্ড বদল করে
নেয়া ভালো, কারণ বিভিন্ন
পেস্টে বিভিন্ন ধরনের উপাদান
থাকে।
৫) কয়লা, গুল, টুথ পাউডার, ছাই,
মাটি, গাছের ডাল ইত্যাদি ব্যবহার
করা থেকে বিরত থাকুন। এতে দাঁত
ও দাঁতের মাড়ির সুরক্ষা হয় না
মোটেই।
৬) ধূমপান করা এড়িয়ে চলুন।
কারণ এতে মুখ ও দাঁতের
ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা
থাকে। এছাড়াও তামাক পাতা ও
পান-সুপারিও খাবেন না একেবারেই
এতে দাঁত ক্ষয় হয়ে যায় বেশ
দ্রুত।
৭) হাঁ করে ঘুমানোর অভ্যাস
থাকলে তা দূর করার চেষ্টা করুন,
কারণ হাঁ করে ঘুমানোর ফলে মুখ
ও দাঁতের রোগ বেড়ে যায়।
৮) ঘুমানোর আগে কখনো
বিস্কুট, কেক, চকলেট-লজেন্স
খাবেন না কারণ এগুলো খুব
সহজে দাঁতে আটকে যায়। আর
খেলেও ভালো করে দাঁত
পরিষ্কার করে ফেলবেন নতুবা
দাঁতের ক্ষতি হয় অনেক বেশি।
৯) আঁশযুক্ত ও শক্ত খাবার
যেমন-গাজর, পেঁয়ারা, আমড়া,
ইক্ষু, আনারস, নাশপাতি, আপেল,
নারকেল ইত্যাদি দাঁত ও মাড়ি
সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এবং
এগুলো চোয়ালের স্বাভাবিক
গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
১০) ভিটামিন সি জাতীয় খাবার দাঁত
ও মাড়ির জন্য অত্যন্ত উপকারী।
লেবু, আমলকী, কমলা, টমেটো ও
বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজিতে থাকে প্রচুর ভিটামিন সি, যা মাড়ি রক্তপরা থেকে মুক্তিদেবে।( খানঁ ডেন্টাল কেয়ার )

Address

603, Dakkhin Khan Bazar, Girl's School Road
Dhaka

Telephone

01718323415

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khan Dental Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram