ডা. সাইয়েদা ফাওযীয়াঃ

ডা. সাইয়েদা ফাওযীয়াঃ "Health and Homoeopathy" is a ideal homoeopathic chamber, located in Dewan Bari Road,North Azampur, Uttara, Dhaka.

24/12/2025

🔲 হিমানজিওমাঃ কি, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা 🔲

হিমানজিওমা (Hemangioma) রোগটি অ্যানজিওমা নামেও পরিচিত। হিমানজিওমা হলো একটি জন্মদাগ যা সাধারনত রাবারের মতো এবং এটি উজ্জ্বল লাল বর্ণের পিন্ড যা ত্বকের অতিরিক্ত রক্তনালী থেকে সৃষ্টি হয়। মাঝেমাঝে এটিকে স্ট্রবেরি মার্ক বলা হয়। এই সমস্যাটি সাধারণত শিশুর জন্মের ১ বছরের মধ্যেই দেখা দেয়। যেসকল শিশু জন্মের সময় এই রোগে আক্রান্ত হয় তাদের ১০ বছর বয়সের মধ্যেই এই চিহ্ন কমে আসে। হিমানজিওমা শরীরের যেকোনো জায়গায় হতে পারে। তবে সাধারনত এটি মুখ, মাথার ত্বক, বুক অথবা পিঠে হয়ে থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই হিমানজিওমা লিভারেও হতে পারে।

◾ কারণ

রক্তনালীগুলো অস্বাভাবিকভাবে একত্রে ঘনীভূত হওয়ার ফলে হিমানজিওমা হয়ে থাকে। তবে কি কারণে রক্তনালীগুলো একত্রে ঘনীভূত হয় তার সঠিক কারণ জানা যায়নি। বংশগত কারণেও এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

◾ লক্ষণ

হেম্যানজিওমা সাধারণত লাল বা নীল-বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। সাধারণত ত্বকের উপরিভাগে অবস্থিত এবং সীমানাগুলি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা যায়। হেম্যানজিওমার একটি উপসর্গ হল যে, আপনি যদি এটিতে চাপ দেন তবে এটি অল্প সময়ের জন্য ফ্যাকাশে হয়ে যায়, তারপরে তার রঙে ফিরে আসে।

◾ চিকিৎসা

আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে এই সমস্যার কার্যকরী সমাধান রয়েছে। আপনার অথবা আপনার শিশুর এইধরনের সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🩺🩺🩺 অনলাইনে চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ/ইমোতে মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করুনঃ 01712-898835

◼️◼️◼️ বি.দ্রঃ চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমরা সর্বদা বিশ্ববিখ্যাত জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডের মেডিসিন ব্যবহার করে থাকি এবং রোগীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ১০০% বজায় রাখি।

ধন্যবাদ সবাইকে......

ডাঃ মোঃ আতিকুর রহমান
বিএইচএমএস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
এক্স-হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ হোমিওপ্যাথ (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) ।

চেম্বারঃ ১. হেলথ এন্ড হোমিওপ্যাথি, উত্তরা, ঢাকা।
২. ক্ল্যাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি, এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল।

#হিমানজিওমা
#হিমানজিওমাচিকিৎসা
#হিমানজিওমাহোমিওপ্যাথিকচিকিৎসা



24/12/2025

♀️ ওভারিয়ান সিস্টঃ কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা ♀️

নারীদের ওভারি বা ডিম্বাশয়ে সিস্ট হওয়া বর্তমানে একটি কমন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইদানিং অনেক নারী এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। মূলতঃ ডিম্বাশয় বা ওভারিতে পানিপূর্ণ থলেকে ওভারিয়ান সিস্ট বলা হয়। যেকোনো বয়সী নারী এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

নারীরা বিভিন্ন ধরনের ওভারিয়ান সিস্টে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। যেমন– ফাংশনাল সিস্ট, পলিসিস্টিক (পিসিওএস) সিস্ট, অ্যান্ডমেট্রিওটিক সিস্ট, ডারময়েড সিস্ট এবং সিস্ট এডোনোমা। তবে একাধিক সিস্টকে একত্রে পলিসিস্ট বলা হয়।

◾ওভারিয়ান সিস্টের কারণঃ

অতিরিক্ত ওজন, অনিয়মিত সেক্স লাইফ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অল্পবয়সে ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার কারণে সিস্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকালে এই সমস্যা হতে পারে এবং দেরিতে বিয়ে, দেরিতে সন্তান নেওয়ার কারণেও এই সমস্যা হতে পারে। তবে অনেকেরই বংশগত কারণেও ওভারিয়ান সিস্ট হতে পারে।

◾ ওভারিয়ান সিস্টের লক্ষণঃ

এই রোগের বেশকিছু লক্ষণ রয়েছে, যেমন -অনিয়মিত ঋতুস্রাব, মাসিকের সময় তলপেটে মারাত্মক ব্যথা, তলপেট ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবে সমস্যা, বমিভাব, হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি এই রোগের অন্যতম লক্ষণ। তবে যদি ক্যান্সার দেখা দেয় তাহলে ওজন কমে যাবে। ওভারিতে সিস্ট দেখা দিলে ডায়ারিয়া অথবা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। এছাড়া ওভারিয়ান সিস্ট হলে পেট ফাঁপা, বুক জ্বালাপোড়াও হতে পারে।

◾রোগ নির্ণয়ঃ

এই রোগ নির্ণয় করতে সাধারণত আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়। এছাড়া সিটি স্ক্যান, এমআরআই, হরমোন লেভেল টেষ্ট, লেপারোস্কোপি ইত্যাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হয়। আবার কিছু টিউমার মার্কার দিয়েও রোগ নির্ণয় করা হয়। যেমন : সিএ-১২৫ পরীক্ষা করা হয়।

◾চিকিৎসাঃ

আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে বিনা অপারেশনে এই সমস্যার কার্যকরী সমাধান রয়েছে। তাই সমস্যা সমাধানে অবশ্যই একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও গভঃ রেজিঃ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🩺🩺🩺 অনলাইনে চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ/ইমোতে মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করুনঃ 01712-898835

◼️◼️◼️ বি.দ্রঃ চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমরা সর্বদা বিশ্ববিখ্যাত জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডের মেডিসিন ব্যবহার করে থাকি এবং রোগীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ১০০% বজায় রাখি।

ধন্যবাদ সবাইকে......

ডাঃ মোঃ আতিকুর রহমান
বিএইচএমএস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
এক্স-হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ হোমিওপ্যাথ (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) ।

চেম্বারঃ ১. হেলথ এন্ড হোমিওপ্যাথি, উত্তরা, ঢাকা।
২. ক্ল্যাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি, এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল।

#ওভারিয়ানসিস্ট
#ওভারিয়ানসিস্টচিকিৎসা
#ওভারিয়ানসিস্টহোমিওপ্যাথিকচিকিৎসা



13/12/2025

নিউমোনিয়াঃ কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ।

নিউমোনিয়া শ্বাসতন্ত্রের একটি জটিল সংক্রমণ, যা ফুসফুসকে আক্রমণ করে এবং ফুসফুসের বায়ুথলিগুলোতে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এটি সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের মাধ্যমে ছড়ায়। রোগটি যে কোনো বয়সের মানুষের হতে পারে, তবে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে এই রোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

🔳 নিউমোনিয়ার কারণঃ

নিউমোনিয়া সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।

১. ব্যাকটেরিয়াঃ স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়াই (Streptococcus pneumoniae) এই রোগের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী।
২. ভাইরাসঃ শীতকালে সাধারণ ঠান্ডা বা ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাস থেকে নিউমোনিয়া হতে পারে।
৩. ছত্রাকঃ বিশেষ করে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের মধ্যে ছত্রাকজনিত নিউমোনিয়া বেশি দেখা যায়।

🔳 নিউমোনিয়ার লক্ষণঃ

১. জ্বরঃ উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর, যা কয়েকদিন ধরে স্থায়ী হতে পারে।
২. কাশিঃ শুকনো কাশি বা কফসহ কাশি, যেখানে কখনও কখনও রক্ত দেখা যেতে পারে।
৩. শ্বাসকষ্টঃ শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া বা দ্রুত শ্বাস নেওয়া।
৪. বুকে ব্যথাঃ শ্বাস নেওয়ার সময় বা কাশি করার সময় বুকের ভেতরে ব্যথা অনুভব করা।
৫. অবসাদঃ সারাক্ষণ দুর্বলতা বা ক্লান্তি।
তাছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে খাওয়া-দাওয়া কমে যাওয়া, অস্বাভাবিক ঘুম, জ্বর, এবং ত্বক নীলাভ হওয়া নিউমোনিয়ার লক্ষণ।

🔳 চিকিৎসা ও করণীয়ঃ

১. দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিনঃ নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে অথবা ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।
২. বিশ্রাম নিনঃ পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ঘুম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৩. পানি পান করুনঃ শরীরের পানির ঘাটতি পূরণের জন্য প্রচুর পানি এবং তরল গ্রহণ করুন।
৪. স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করুনঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন।
৫. অক্সিজেন সরবরাহঃ শ্বাসকষ্ট বেশি হলে অক্সিজেন সাপোর্ট নেওয়া লাগতে পারে।

🔳 নিউমোনিয়া প্রতিরোধে করণীয়ঃ

১. ভ্যাকসিনঃ নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন।
২. হাত ধোয়ার অভ্যাস করুনঃ ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধে সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধুয়ে নিন।
৩. ধূমপান পরিহার করুনঃ ধূমপান ফুসফুসের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করে, যা নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।
৪. শিশুদের সুরক্ষাঃ শীতকালে শিশুদের অতিরিক্ত ঠান্ডা পরিবেশ থেকে রক্ষা করুন এবং তাদের পুষ্টিকর খাবার দিন।

🩺🩺🩺 অনলাইনে চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ/ইমোতে মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করুনঃ 01712-898835

◼️◼️◼️ বি.দ্রঃ চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমরা সর্বদা বিশ্ববিখ্যাত জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডের মেডিসিন ব্যবহার করে থাকি এবং রোগীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ১০০% বজায় রাখি।

ধন্যবাদ সবাইকে......

ডাঃ মোঃ আতিকুর রহমান
বিএইচএমএস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
এক্স-হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ হোমিওপ্যাথ (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) ।

চেম্বারঃ ১. হেলথ এন্ড হোমিওপ্যাথি, উত্তরা, ঢাকা।
২. ক্ল্যাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি, এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল।

#নিউমোনিয়া
#নিউমোনিয়াচিকিৎসা
#নিউমোনিয়াপ্রতিরোধে



11/12/2025

📌 ডেঙ্গু জ্বরঃ কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ📌

◼️ ডেঙ্গু জ্বর কি..?

ডেঙ্গু জ্বর একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত এডিস ইজিপ্টাই ও এডিস অ্যালবোপিক্টাস প্রজাতির মশার মাধ্যমে ছড়ায়।

◼️ ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণসমূহঃ

গবেষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এডিস মশার কামড়ের ৪ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা যায়। প্রাথমিক লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে:

১. উচ্চ মাত্রার জ্বর (সাধারণত 103°F এর উপরে)
২. মাথা ও চোখের পেছনে তীব্র ব্যথা
৩. পেশী, হাড় ও জয়েন্টে ব্যথা
৪. বমি বমি ভাব ও বমি
৫. খাবারের প্রতি অনীহা
৬. মাড়ি বা নাক থেকে সামান্য রক্তপাত
৭. ত্বকে র‍্যাশ, যা জ্বরের ২ থেকে ৫ দিনের মধ্যে দেখা দেয়।

◼️ রোগ শনাক্তকরণঃ

ডেঙ্গু নির্ণয়ের জন্য রোগীর লক্ষণ এবং ল্যাব টেস্ট দুটোই প্রয়োজন হয়। ল্যাব টেস্টগুলোর মধ্যে রয়েছে:

১. NS1 অ্যান্টিজেন টেস্ট
২. IgM এবং IgG অ্যান্টিবডি টেস্ট
৩. প্লেটলেট ও সাদা রক্তকণিকা মাত্রা পর্যবেক্ষণের জন্য কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (CBC)।

◼️ চিকিৎসাঃ

ডেঙ্গু জ্বরসহ যেকোনো জ্বরে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, যদিও ডেঙ্গুর নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। ডেঙ্গুর চিকিৎসা মূলত উপসর্গ নির্ভর এবং চিকিৎসকের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। সাধারণ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে বিশ্রাম নেওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

◼️ ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায়ঃ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধান উপায় হলো ** এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করা (জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা) ও মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচানো (মশারির ব্যবহার, শরীর ঢেকে রাখা, মশা তাড়ানোর স্প্রে ব্যবহার করা)**। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূল চাবিকাঠি; তাই বাড়ির আশেপাশে, টব, টায়ার, ডাবের খোলস বা অন্য কোনো পাত্রে জল জমতে না দেওয়া এবং জমে থাকা পানি নিয়মিত ফেলে দেওয়া জরুরি।

🩺🩺🩺 অনলাইনে চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ/ইমোতে মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করুনঃ 01712-898835

◼️◼️◼️ বি.দ্রঃ চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমরা সর্বদা বিশ্ববিখ্যাত জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডের মেডিসিন ব্যবহার করে থাকি এবং রোগীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ১০০% বজায় রাখি।

ধন্যবাদ সবাইকে......

ডাঃ মোঃ আতিকুর রহমান
বিএইচএমএস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
এক্স-হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ হোমিওপ্যাথ (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) ।

চেম্বারঃ ১. হেলথ এন্ড হোমিওপ্যাথি, উত্তরা, ঢাকা।
২. ক্ল্যাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি, এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল।

#ডেঙ্গুজ্বর
#ডেঙ্গুজ্বরচিকিৎসা
#ডেঙ্গুজ্বরপ্রতিরোধ



08/12/2025

♀️♂️ বন্ধ্যাত্ব (Infertility) ও তার চিকিৎসা ♂️♀️

কোনো দম্পতি যদি কোনো রকম জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি ছাড়া পূর্ণ এক বছর একসঙ্গে বসবাসের পরেও সন্তান ধারণে ব্যর্থ হন, তবে তাকে বন্ধ্যাত্ব (ইনফার্টিলিটি) সমস্যা বলা হয়ে থাকে।

◾বন্ধ্যাত্ব সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে-

১. প্রাইমারি অর্থাৎ যাঁদের কখনোই সন্তান হয়নি।
২. সেকেন্ডারি অর্থাৎ যাঁদের আগে গর্ভধারণ হয়েছে, কিন্তু পরে আর হচ্ছে না।

◾নারীর বন্ধ্যাত্বের কারণঃ

১. পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম। এই সমস্যায় নারীদের প্রতি মাসে যে ডিম্বাণু ওভারি থেকে নিঃসৃত হওয়ার কথা, তা বাধাপ্রাপ্ত হয়।
২. হরমোনজনিত কারণ, যেমন - থাইরয়েডের সমস্যা, প্রোল্যাকটিন হরমোনের সমস্যা ইত্যাদি।
৩. বয়স, মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস, পরিবেশগত প্রভাব, ক্যানসারসহ নানা কারণে ডিম্বাণুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়া।
৪. বিশেষ কিছু রোগ, যেমন- এন্ডোমেট্রিওসিস ও চকলেট সিস্ট থাকা।
৫. কিছু যৌনবাহিত রোগের কারণেও মেয়েদের প্রজনন অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে।
৬. কোনো জন্মগত ত্রুটি থাকলে। যেমন- জরায়ু না থাকা অথবা অপরিপক্ব থাকা, জন্মগতভাবে ডিম্বাণু না থাকা বা কম থাকা, ডিম্বাশয় ছোট থাকা ইত্যাদি।

◾পুরুষের বন্ধ্যাত্বের কারণঃ

১. এজোস্পার্মিয়া বা শুক্রাণুর অনুপস্থিতি; যা দুই কারণে হতে পারে। যেমন - শুক্রাণু উৎপাদনই হচ্ছে না বা শুক্রাণু আসার পথে কোথাও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।
২. ওলিগোস্পার্মিয়া, যাতে শুক্রাণুর সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকা।
৩. অচল শুক্রাণু ও ত্রুটিযুক্ত শুক্রাণু অধিক পরিমাণে থাকা।
৪. পুরুষের প্রধান হরমোন (যেমন টেস্টোস্টেরন) সঠিক মাত্রায় না থাকা।
৫. ডায়াবেটিস, ধূমপান, ছোটবেলায় মাম্পস বা মিজেলসের প্রভাব।
৬. প্রজনন অঙ্গে কোনো আঘাত বা অস্ত্রোপচার। যৌনবাহিত অসুখ বা যক্ষ্মা।

◾চিকিৎসাঃ

আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে এই সমস্যার কার্যকরী সমাধান রয়েছে। তাই এই ধরনের সমস্যা সমাধানে অবশ্যই একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও গভঃ রেজিঃ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🩺🩺🩺 অনলাইনে চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ/ইমোতে মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করুনঃ 01712-898835

◼️◼️◼️ বি.দ্রঃ চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমরা সর্বদা বিশ্ববিখ্যাত জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডের ওষুধ ব্যবহার করে থাকি এবং রোগীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ১০০% বজায় রাখি।

ধন্যবাদ সবাইকে......

ডাঃ মোঃ আতিকুর রহমান
বিএইচএমএস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
এক্স-হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ হোমিওপ্যাথ (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) ।

চেম্বারঃ ১. হেলথ এন্ড হোমিওপ্যাথি, উত্তরা, ঢাকা।
২. ক্ল্যাসিক্যাল হোমিওপ্যাথি, এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল।

#বন্ধ্যাত্ব
#বন্ধ্যাত্বচিকিৎসা
#বন্ধ্যাত্বহোমিওপ্যাথিকচিকিৎসা





21/05/2025

>

মাহজুবা নামের ছোট্র শিশুটি আজ সকাল ১০ টায় রাজধানী ঢাকার রায়েরবাগ C block রোড থেকে হারিয়ে গেছে। তার বাবা সকালে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার সময় মেয়েটি তার বাবার পিছু পিছু বেরিয়ে যায় এবং রাস্তা হারিয়ে ফেলে। যেটা তার বাবা খেয়াল করেনি। শিশুটিকে হারিয়ে তার মা-বাবা পাগল প্রায় অবস্থা।

কোনো স-হৃদয়বান ব্যক্তি যদি ছোট্ট মাহজুবার খোঁজ পেয়ে থাকেন অথবা কোথাও দেখে থাকেন তাহলে নিম্নলিখিত নাম্বারে দ্রুত যোগোযোগ করার জন্য অনুরোধ করছি।

01877198150 (মেয়ের আংকেল)
01600298354 (মেয়ের মামা)

মেয়ের নাম : মাহজুবা
বাবা : এডভোকেট মাজহারুল হক সিবলু।
মাতা : নুর নাহার
হারানোর স্থান : সি ব্লক রোড, রায়েরবাগ, ঢাকা।
(উপযুক্ত সন্ধ্যানদাতাকে কে পুরষ্কৃত করা হবে)

তাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায়।

পোষ্টটি সর্বোচ্চ শেয়ার করে মেয়েটিকে পেতে সহযোগিতা করুন।
Pinaki Bhattacharya - পিনাকী ভট্টাচার্য

13/05/2025

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়|

12/05/2025

🥥 ডাবের বিকল্প – গরমে সবার নাগালে হাইড্রেশন!

🌞 হিট ওয়েভ মাত্র শুরু, এখন কয়দিন পরপরই হবে। এই গরমে আমরা সবসময় ডাব খেতে বলি, কিন্তু ডাবের যে দাম। ঢাকায় এখন একেকটা ডাব ১৫০–২০০ টাকা! যা সব শ্রেণির পক্ষে খাওয়া সম্ভব না।

তাহলে কি এই গরমে যারা ডাব খেতে পারবেনা তাদের -
★শরীর কি হাইড্রেট হবেনা?
★ মিনারেলের ঘাটতি পূরণ হবে না?

অবশ্যই হবে কারণ – ঘরোয়া পানীয় দিয়েই ডাবের কাছাকাছি বিকল্প তৈরি করা যায়, যা একদম সবার ঘরের হাতের কাছে থাকা উপাদান দিয়েই বানানো সম্ভব 👇

-----------------------------

প্রথমেই দেখে নিন ডাবের পুষ্টি গুণ -

🥥 ডাবের পুষ্টিগুণ (১টি মাঝারি ডাব ≈ ৩৫০ ml পানি)

★পানির পরিমাণ~330 mlশরীর ঠান্ডা রাখে, হাইড্রেট করে
★পটাশিয়াম~600 mgহার্ট, ব্লাডপ্রেশার ঠিক রাখে
★সোডিয়াম~250 mg ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালেন্স করে
★ম্যাগনেশিয়াম~60 mg হাড় ও নার্ভের জন্য দরকারি
★প্রাকৃতিক চিনি~6–8 gm সহজে শক্তি দেয়

-----------------------------

🍹ডাবের বিকল্প ঘোরোয়া পানীয় রেসিপি (১ গ্লাসে)

ঘরে থাকা উপাদান দিয়ে বানানো👇

✅ পানি – ১ গ্লাস (২৫০ ml)
✅ লেবুর রস – ১ টেবিল চামচ
✅ চিনি/মধু – ১ চা চামচ (ঐচ্ছিক)
✅ এক চিমটি লবণ
✅ এক চিমটি বিট লবণ বা টক ঝাল লবণ (যদি থাকে)
✅ কলার স্লাইস বা ১ চা চামচ চিড়ার গুঁড়ো (বিকল্পভাবে মিনারেল বাড়াতে)

👉 কলা ব্যবহার করলে ব্লেন্ড করতে হবে আর চিড়া ব্যবহার করলে পাউডার ফর্মে করবেন।
👉 একটু চিনি, লবণ, লেবু, চিড়া সবার ঘরেই রাখা সম্ভব।

👉 এতে যা পাওয়া যাবে:

★পটাশিয়াম: কলা বা চিড়া থেকে (৩০০–৪০০ mg)
★সোডিয়াম: লবণ থেকে (~200 mg)
★ম্যাগনেশিয়াম: চিড়া/লেবু থেকে (~20–30 mg)
★প্রাকৃতিক চিনি: চিনি/মধু থেকে (~5 gm)
★পানি: ২৫০ ml

তাহলে দেখুন ডাবের পুষ্টিগুণের কত কাছাকাছি!

-------------------------------

✅ উপকারিতা:

✔️ গরমে ঘামের কারণে যে ইলেক্ট্রোলাইট হারায় তা পূরণ হয়
✔️ দেহকে হাইড্রেটেড রাখে
✔️ সহজ পাচ্য
✔️ দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি দূর করে
✔️ ঘরে থাকা উপাদান দিয়েই বানানো যায়

👉 তাই যারা এই গরমে দৈনিক ডাব খেতে পারছেন না তারা এটা খাবেন।

★ যারা ঘরে থাকেন, কিচেনে সারাদিন কাজ করেন তারা এধরণের ঘরে তৈরি পানীয় প্রতিদিন ১ গ্লাস অবশ্যই খাবেন।

★ আর যারা সারাদিন বাইরে থাকেন তারা বাসায় এসে খাবেন। বাইরে শুধু নরমাল পানি খাবেন অথবা চাইলে কাচের বোতলে করে বানিয়ে ক্যারি করতে পারেন।

-----------------------------

📌 সবচেয়ে বড় কথা – এই পানীয় সবার নাগালের ভিতরে!

এই গরমে স্বাস্থ্য বাঁচুক, খরচ না বাড়ুক। 💧

#ডাবের_বিকল্প #গরমের_পানীয়

--- -------------------------

🧪 তথ্যসূত্র: USDA Food Data Central, Bangladesh Food Composition Table (BFCT 2013)

11/05/2025

হিট ওয়েভের সময় খাদ্যাভ্যাসে যে জরুরি ৭টি পরিবর্তন আনতে হবে-

এই গরমে শুধু ঠাণ্ডা পানি খেলে হবে না, খাদ্যাভ্যাসেও আনতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক পরিবর্তন। চলুন জেনে নেই, কীভাবে হিট স্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন বা অতিরিক্ত দুর্বলতা থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন।

-------------------------------

১. পানি নয়, ইলেক্ট্রোলাইট প্রয়োজন:

শুধু পানি নয়, ঘাম ঝরার ফলে শরীর থেকে সোডিয়াম-পটাশিয়াম ক্লোরাইড বের হয়ে যায়। দিনে অন্তত একবার লবণ-চিনি মেশানো ওআরএস বা ডাবের পানি খেতে হবে।

রেফারেন্স: WHO, 2023 guidelines on dehydration during heatwave.

২. ক্যাফেইন ও কার্বনেটেড পানীয় কমান:

চা, কফি, কোলা জাতীয় পানীয় ডায়ুরেটিক (মূত্রবর্ধক)। এটি ডিহাইড্রেশন বাড়িয়ে দেয়।

রেফারেন্স: Mayo Clinic, Effects of Caffeine in Hot Weather, 2022.

৩. দুধ-টক দই-লাবাং রাখুন খাদ্যতালিকায়:

প্রোবায়োটিক ও মিনারেল সমৃদ্ধ দই হিট রেজিস্ট্যান্স বাড়ায়। লাবাং শরীর ঠাণ্ডা রাখে ও হজম বাড়ায়।

রেফারেন্স: Journal of Dairy Science, 2021.

৪. কাঁচা সালাদ না খেয়ে ভাপে সেদ্ধ সবজি খান:

গরমে কাঁচা সবজি সহজে নষ্ট হয় ও ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। শসা, গাজর, পালং বা যেকোন সবজি কিছুটা ভাপে দিয়ে খান।

রেফারেন্স: CDC Food Safety in High Temperature, 2020.

৫. অতিরিক্ত প্রোটিন (যেমন গরুর মাংস) হজমে সমস্যা করতে পারে:

গরমে বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, তাই হালকা প্রোটিন (ডিম, মুরগি, ডাল) বেছে নিন।

রেফারেন্স: Harvard Health Publishing, 2019.

৬. তৈলাক্ত ও ভাজা খাবার বাদ দিন:

পেট গরম হলে গ্যাস্ট্রিক ও বেড়ে যায়। তার পরিবর্তে ভাপা বা গ্রিল করা খাবার খান।

রেফারেন্স: WHO Heatwave Nutrition Guide, 2023.

৭. দিনে ছোট ছোট বিরতিতে খাবার খান:

একবারে ভারী খাবার না খেয়ে ৩-৪ ঘণ্টা পরপর হালকা খাবার খান। এতে শরীর ঠাণ্ডা থাকে ও গ্যাস্ট্রিক কমে।

রেফারেন্স: British Dietetic Association, 2021.

-----------------------------

তাপদাহে শুধু ঠাণ্ডা ঘরে থাকলেই হবে না, খাদ্যাভ্যাসকে ও বদলাতে হবে। এই ৭টি পরিবর্তন মানলেই আপনি ও আপনার পরিবার হিট স্ট্রোক, দুর্বলতা ও পানিশূন্যতা থেকে নিরাপদ থাকবেন।

17/01/2025

আইসিডিডিআর'বি হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. চন্দ্র শেখর দা বলেন, রোটা ভা'ইরাসে আক্রান্তদের পাতলা পায়খানা, বমি সঙ্গে জ্ব'রও থাকতে পারে। বর্তমানে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে রোগী ভর্তি হচ্ছেন। আমরা রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। যদি শিশু খুব দুর্বল হয়ে নেতিয়ে পড়লে ঘণ্টায় তিন বার বা তার বেশি বমি করলে, শিশুর পেট ফুলে গেলে, শ্বাস কষ্ট হলে, পায়খানায় র'ক্ত গেলে, জ্ব'র বা খি'চুনি হলে, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে অতি দ্রুত কাছের হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ডা'য়রিয়ায় আ'ক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়িতে শিশুকে পরিমাণ মত খাওয়ার স্যা'লাইন খাওয়াবেন এবং অন্যান্য পথ্য চালিয়ে যাবেন। প্রতি প্যাকেট স্যালাইন আধা লিটার পানিতে গুলিয়ে নিবেন এবং শিশুর যত কেজি ওজন প্রতিবার পা'য়খানার পর ততো চা চামচ স্যালাইন খাওয়াবেন। অর্থাৎ শিশুর ওজন ১০ কেজি হলে ১০ চামচ স্যালাইন খাওয়াবেন। পাঁচ বছরের শিশুকে একটি করে জিংক ট্যাবলেট দশ দিন খাওয়াবেন। দুই বছরের শিশুকে অবশ্যই মায়ের বুকের দু'ধ খাবে। ছয় মাসের বেশি বয়সী শিশু খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি বাসায় রান্না করা সব ধরনের খাবার খাবে। রোগীকে বেশি বেশি ডাবের পানি, চিড়ার পানি, সুপ ইত্যাদি খাওয়াবেন। রোগীকে কোমল পানীয়, ফলে জুস, আঙ্গুর, বেদানা খাওয়াবেন না। সাধারণত এই নিয়ম মেনে চললে আ'ক্রান্ত শিশুরা এক সপ্তাহের মধ্যেই সেরে উঠে।

নিজে সচেতন হোন। পোস্টটি লাইক ও শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ।
14/01/2025

নিজে সচেতন হোন। পোস্টটি লাইক ও শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ।

01/01/2025

সুপ্রভাত বাংলাদেশ।
সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানাই।
১ জানুয়ারি,২০২৫ইং

Address

House No. :373, Dewan Bari Road ( Beside Azampur Kachabazar), Azampur, Uttara
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 12:00

Telephone

+8801712898835

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. সাইয়েদা ফাওযীয়াঃ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category